Lexes & Legists

Lexes & Legists We offer specific support to our clients in critical solutions by harnessing the skill and experience within the group.

A corporate law firm providing legal services (Litigation and Documentation) and dealing with Bank, Financial Institution, Company, Industry, Government, Semi-Government, Non-Government, Institutional and Individual matters in Bangladesh.
----X---- ABOUT US:

Lexes & Legists is a corporate law firm based in Dhaka, Bangladesh continues the tradition of providing prompt and sound legal services si

nce the first law office bearing the name and style “Lexes & Legists” which has developed a high specialization in the field of corporate law. Our corporate law firm is a team of highly qualified and experienced lawyers, who offer effective services to our clients by combining broad knowledge of corporate law matters with experience in key sub disciplines. With the ability to identify potential issues and develop real-time, practical solutions to a wide variety of client concerns, we ensure complete customer satisfaction. Lexes & Legists strives to enable our customers to successful meet ongoing challenges and upcoming opportunities with our comprehensive understanding of various business challenges and the associated legal practices. Through every phase of growth of our client's business, we help business owners, management teams and shareholders involved in making the key decisions that help determine long term success. Working in co-operation with our clients, we offer result oriented services and efficient implementation of corporate dealings. Lexes & Legists is committed to the public good by providing our clients with a means of protecting their rights and promoting their interests based upon truth, honesty, and fairness. We serve our purpose each time that our clients' confidence is raised that the legal system can be used, at a reasonable cost and in a timely manner, to address the wrongs which have been realized by our clients. Lexes & Legists focuses on providing practical and innovative legal solutions. We observe the highest level of professional ethics with an excellent, responsive and timely legal service to our clients. We are known for our integrity, efficiency, mutual trust and personal responsibility towards our clients.

11/08/2026

⚖️ ডিভোর্সের পর সন্তানের দায়িত্ব কার? আইন কী বলে?

⚖️বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ হলেও সন্তানের সাথে বাবার রক্তের সম্পর্ক বা আইনি দায়বদ্ধতা কখনো শেষ হয়ে যায় না।

আমাদের সমাজে অনেকেরই ধারণা,
ডিভোর্সের পর সন্তান যদি মায়ের কাছে থাকে, তবে বাবাকে আর খরচ দিতে হবে না। এটি সম্পূর্ণ একটি ভুল ধারণা!

এই বিষয়ে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের প্রখ্যাত আইনজীবী ইশরাত হাসান একটি পরিষ্কার ও কড়া বার্তা দিয়েছেন।

তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন—
"মা-বাবার মধ্যে বিচ্ছেদ হোক বা না হোক, সন্তান যার কাছেই থাকুক না কেন, সন্তানের সম্পূর্ণ ভরণপোষণের দায়িত্ব আইনগতভাবে একমাত্র বাবার।"

এমনকি মা যদি সামর্থ্যবান বা চাকুরিজীবীও হন, তাও বাবা তার এই আইনি দায়িত্ব থেকে মুক্তি পাবেন না।

📋 আইনের গুরুত্বপূর্ণ ধারা ও অধিকারসমূহ:

🔹 অভিভাবক ও প্রতিপাল্য আইন, ১৮৯০ (Guardians and Wards Act, 1890):
এই আইনের বিধান অনুযায়ী,
সন্তান কার জিম্মায় (Custody) থাকবে তা নির্ধারণের ক্ষেত্রে আদালত সবসময় "সন্তানের সর্বোচ্চ কল্যাণ" (Welfare of the child) বিবেচনা করে।

🔹 মুসলিম পারিবারিক আইন অনুযায়ী জিম্মাদারি: সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী,
মা একটি নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত (ছেলে সন্তান ৭ বছর এবং মেয়ে সন্তান বয়ঃসন্ধি বা বিয়ে হওয়া পর্যন্ত) সন্তানকে নিজের কাছে রাখার অধিকার (হিজানাত) পান।

🔹 ফ্যামিলি কোর্টস অর্ডিন্যান্স, ১৯৮৫:
যদি কোনো বাবা সন্তানের ভরণপোষণ দিতে অস্বীকার করেন, তবে মা এই অধ্যাদেশের আওতায় পারিবারিক আদালতে মামলা করে সন্তানের জন্য নিয়মিত খোরপোশ বা ভরণপোষণ আদায় করতে পারবেন।

🔹 পারিবারিক আদালতের যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত:
দেশের উচ্চ আদালত বিভিন্ন মামলায় স্পষ্ট রায় দিয়েছেন যে,
প্রাপ্তবয়স্ক বা স্বাবলম্বী না হওয়া পর্যন্ত সন্তানের পড়ালেখা, চিকিৎসা, খাদ্য ও বাসস্থানের সমস্ত খরচ আইনত বাবাকেই বহন করতে হবে।

💡 আইনজীবী ইশরাত হাসানের মূল বার্তা:
বিচ্ছেদ মানেই সন্তানের প্রতি দায়িত্ব শেষ নয়। সন্তানকে মায়ের কাছে রেখে বাবা নিজের দায়িত্ব এড়াতে পারেন না। এটি কেবল নৈতিক দায়িত্ব নয়,
বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী একটি বাধ্যতামূলক আইনি কর্তব্য। কোনো বাবা এই দায়িত্ব অমান্য করলে আইনের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে বাধ্য।
আসুন, আইনি সচেতনতা বাড়াই এবং সন্তানের অধিকার রক্ষায় সোচ্চার হই।

🎯আমার মেধা খরচ করে লিখা পোস্ট ইচ্ছে হলে শেয়ার করবেন। কিন্তু #সাবধান।কখনোই কপি-পেস্ট করে নিজের বলে চালিয়ে দিতে যাবেন না। 🎯

#পারিবারিক_আইন #সন্তানের_ভরণপোষণ #আইনি_সচেতনতা

Sadiatul Jannat
Advocate

11/08/2026

The 20 th section of SA&T Act, 1950: (sub: Lands to be retained in the possession of rent-receivers, cultivating raiyats, cultivating under-raiyats and non-agricultural tenants-)
জ‌মিদা‌রি অ‌ধিগ্রহ‌ণের পর একজন মা‌লিক যে প‌রিমাণ ও যে শ্রে‌ণির জ‌মি খাস দখ‌লে রাখ‌তে পার‌বে মূলত: সে বিষয়‌টি অত্র ধারায় বর্ণিত হ‌য়ে‌ছে।

প্রশ্ন: একজন প্রজা স‌র্বোচ্চ কি প‌রিমাণ জ‌মি খাস দখ‌লে রাখ‌তে পা‌রে?

উত্তর: উক্ত আইন অনুসা‌রে ৩৭৫ বিঘা বা প‌রিবা‌রের সদস্য প্র‌তি ১০ বিঘা, যে‌টি অ‌ধিক। (১বিঘা= ৩৩ শতক)
# PO ৯৮/৭২ইং মূ‌লে উক্ত সীমা ৩৩.৩৩ একর বা ১০০ বিঘা, অ‌ধিক নয়।
# PO ১০/৮৪ইং মূ‌লে উক্ত সীমা ৬০ বিঘায় ধার্য করা হয়।
এ সীমার অ‌তি‌রিক্ত কোন জ‌মি কোন ব্য‌ক্তি দখ‌লে রাখ‌লে তা বা‌জেয়াপ্ত হ‌বে!

প্রশ্ন: কি ধর‌নের জ‌মি খাস দখ‌লে রাখ‌তে পা‌রে?

উ: অত্র আই‌নের ধারা ২০(২) এর বিধান অনুযা‌য়ি:
ক) বসতবা‌ড়ি বা দালা‌নের জন্য ব্যবহৃত জ‌মি ও তৎসংলগ্ন প্র‌য়োজনীয় এলাকা;
খ) চাষ‌যোগ্য বা সংস্কারান্তে চাষ‌যোগ্য জ‌মি;
গ) প‌তিত অকৃ‌ষি জ‌মি;
ঘ) এছাড়াও বিষ‌য়োক্ত প্রজা রাজস্ব কর্মকর্তা হ‌তে সা‌র্টি‌ফি‌কেট গ্রহণস্বা‌পে‌ক্ষে নি‌ম্নোক্ত জ‌মি:
(১) যা‌ন্ত্রিক পদ্ধ‌তি‌তে বৃহদায়তন খামার প‌রিচালনা,
(২) চা ও ক‌ফি চাষ ও প্রস্তুত এবং রাবার চা‌ষের জন্য জ‌মি, (৩) সমবায় ভি‌ত্তি‌তে বৃহদায়তন খামার প‌রিচালনা,
(৪) চি‌নি বা গুড় উৎপাদ‌নের ল‌ক্ষ্যে কোন কোম্পা‌নির ইক্ষু চাষ ও কলা‌বে‌ষ্টিত জ‌মি,
(৫) বৃহদায়তনের শি‌ল্পের কাঁচামাল উৎপাদনের জন্য জ‌মি,
(৬) ওয়াকফ্, দে‌বোত্তর অ‌ছিভুক্ত জ‌মি,
(৭) ইত্যা‌দি জনস্বা‌র্থে প্র‌য়োজনীয় জ‌মি।

প্রশ্ন: কোন ধর‌নের জ‌মি খাস দখ‌লে রাখা যা‌বে না?

উ: উক্ত ধারা অনুযা‌য়ি-
১) খাজনা আদা‌য়ের অ‌ফিস বা কাচা‌রি ঘর।
২) কোন প‌রিত্যক্ত চা বাগান,
৩) খনন করা মৎস্য ক্ষেত্র!
৪) কোন ফে‌রিঘা‌টের জন্য ব্যবহৃত জ‌মি,
৫) হাট বা বাজা‌রের কোন জ‌মি বা দালান,
৬) বনভূ‌মি সমন্ব‌য়ে গ‌ঠিত যে কোন ভূ‌মি।

# # ধারা ২০(৪) অনুযা‌য়ি সীমার অ‌তি: জ‌মি সরকা‌রে সম‌র্পিত হ‌বে এবং প্রথম ৫০ বিঘা পর্যন্ত বাজার দর অনুযা‌য়ি ২০% হা‌রে এবং অব‌শিষ্ট জ‌মির জন্য ১০% হা‌রে সরকার ক্ষ‌তিপূরণ হি‌সে‌বে দি‌বে।

Kamrul Islam

🚨 ডিভোর্স করতে চান, কিন্তু স্বামী/স্ত্রী রাজি নন? তাহলে জেনে রাখুন—Contested Divorce কী এবং কীভাবে হয়! ⚖️💔 দাম্পত্য জীব...
11/08/2026

🚨 ডিভোর্স করতে চান, কিন্তু স্বামী/স্ত্রী রাজি নন? তাহলে জেনে রাখুন—Contested Divorce কী এবং কীভাবে হয়! ⚖️

💔 দাম্পত্য জীবনে সমস্যা হচ্ছে, একসঙ্গে থাকা সম্ভব হচ্ছে না—কিন্তু অপর পক্ষ ডিভোর্স দিতে রাজি নয়?
এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই ভাবেন, “অপর পক্ষ রাজি না হলে কি ডিভোর্স নেওয়া যায় না?”

👉 উত্তর হলো—পরিস্থিতি ও প্রযোজ্য আইনের উপর নির্ভর করে, আদালতের মাধ্যমে Contested Divorce-এর ব্যবস্থা রয়েছে।

⚖️ Contested Divorce কী?

যখন স্বামী বা স্ত্রী দু’জনের মধ্যে একজন বিবাহবিচ্ছেদ চান, কিন্তু অপরজন বিবাহবিচ্ছেদে সম্মতি দেন না, তখন আদালতে উপযুক্ত legal ground-এর ভিত্তিতে divorce petition দায়ের করা যেতে পারে।

এক্ষেত্রে এটি Mutual Consent Divorce নয়, কারণ এখানে উভয় পক্ষের সম্মতি থাকে না।

📌 Contested Divorce-এর ক্ষেত্রে কী কী বিষয় গুরুত্বপূর্ণ?

🔹 ১. উপযুক্ত Legal Ground থাকতে হবে
শুধু “আমি আর এই সংসারে থাকতে চাই না”—এটি সব ক্ষেত্রে যথেষ্ট নয়। প্রযোজ্য personal law অনুযায়ী বিবাহবিচ্ছেদের স্বীকৃত ground থাকতে হবে।

🔹 ২. Cruelty বা নির্যাতন
স্বামী বা স্ত্রীর আচরণে অপর পক্ষ শারীরিক বা মানসিকভাবে গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলে, নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে cruelty বিবাহবিচ্ছেদের ground হতে পারে।

🔹 ৩. Desertion বা পরিত্যাগ
কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়াই স্বামী বা স্ত্রী অপর পক্ষকে নির্দিষ্ট আইনগত সময়ের জন্য পরিত্যাগ করলে, প্রযোজ্য আইনের অধীনে তা divorce-এর ground হতে পারে।

🔹 ৪. Adultery বা পরকীয়া
বিবাহিত অবস্থায় অন্য ব্যক্তির সঙ্গে স্বেচ্ছায় যৌন সম্পর্কের বিষয়টি নির্দিষ্ট আইনের অধীনে বিবাহবিচ্ছেদের ground হতে পারে।

🔹 ৫. প্রমাণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
Contested Divorce-এ শুধু অভিযোগ করলেই হবে না। পরিস্থিতি অনুযায়ী documents, messages, photographs, medical records, witnesses বা অন্যান্য admissible evidence গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

🏛️ আদালতে মামলা হলে কী হয়?

সাধারণভাবে divorce petition দায়ের করার পর অপর পক্ষকে notice দেওয়া হয়। এরপর অপর পক্ষ তার written statement বা objection দাখিল করতে পারে।

পরবর্তীতে আদালত উভয় পক্ষের বক্তব্য, নথি ও প্রমাণ বিবেচনা করে মামলাটি এগিয়ে নিয়ে যায়। প্রয়োজন হলে evidence, cross-examination এবং final arguments-এর মাধ্যমে মামলার শুনানি সম্পন্ন হয়।

👨‍👩‍👧 সন্তানের বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ

ডিভোর্স মামলার সঙ্গে অনেক সময় সন্তানের custody, visitation/access, maintenance ও education সংক্রান্ত বিষয়ও উঠে আসে। সন্তানের welfare বা সর্বোত্তম স্বার্থ বিবেচনা করে আদালত উপযুক্ত আদেশ দিতে পারে।

💰 Maintenance-এর বিষয়

স্বামী বা স্ত্রী আর্থিকভাবে নির্ভরশীল হলে, প্রযোজ্য আইনের অধীনে maintenance বা অন্যান্য আর্থিক relief-এর জন্য আবেদন করার সুযোগ থাকতে পারে। তবে এটি সম্পূর্ণভাবে মামলার facts, প্রযোজ্য আইন এবং পক্ষগুলির আর্থিক পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে।

⚠️ একটি বিষয় মনে রাখবেন—

❌ অপর পক্ষ ডিভোর্সে রাজি নয় মানেই ডিভোর্স অসম্ভব নয়।
❌ আবার শুধু ডিভোর্স চাইছেন বলেই আদালত স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডিভোর্স দিয়ে দেবে—এটাও ঠিক নয়।

✅ কোন আইন প্রযোজ্য, কী ground রয়েছে, সেই ground-এর প্রমাণ কতটা শক্তিশালী এবং মামলার facts কী—এসব বিষয়ের উপর ফলাফল নির্ভর করে।

📢 তাই দাম্পত্য জীবনে গুরুতর সমস্যা তৈরি হলে আবেগের বশে কোনো সিদ্ধান্ত না নিয়ে, নিজের পরিস্থিতি অনুযায়ী সঠিক আইনি পরামর্শ নিন।

#আইনজানুন #বিবাহবিচ্ছেদ #ডিভোর্স #পারিবারিকআইন #আইনিসচেতনতা

Sujoy Barman
Advocate

🎯 ক্যাশলেস বাংলাদেশে নতুন বিপ্লব! কিউআর কোডে লেনদেন করলেই মিলবে নগদ প্রণোদনা!🔥বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব...
10/08/2026

🎯 ক্যাশলেস বাংলাদেশে নতুন বিপ্লব! কিউআর কোডে লেনদেন করলেই মিলবে নগদ প্রণোদনা!🔥

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাংলা কিউআর কোডের মাধ্যমে লেনদেন বাড়াতে এসেছে বড় ঘোষণা। মূল বিষয়গুলো দেখে নিন:👇

🔻 প্রতি Bangla QR পেমেন্টে সর্বোচ্চ ২,০০০ টাকা পর্যন্ত লেনদেনে প্রণোদনা দেওয়া হবে

🔻 একোয়ারিং প্রতিষ্ঠান পাবে লেনদেনের ০.১০% এবং ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠান পাবে ০.২০% প্রণোদনা

🔻 কৃত্রিম লেনদেন বা ভাগ ভাগ করে লেনদেন (Transaction Structuring) ধরা পড়লে প্রণোদনা বাতিল ও ব্যবস্থা নেওয়া হবে

🔻 আগামী ০১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ থেকে এই নতুন নিয়ম কার্যকর হবে

আমার মতে, এই উদ্যোগের ফলে প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা ডিজিটাল পেমেন্টে আরও উৎসাহিত হবেন, যা দেশের ক্যাশলেস ইকোসিস্টেমকে দ্রুত এগিয়ে নিতে বড় ভূমিকা রাখবে।


🚨 এক নজরে নতুন ব্যাংক রেজল্যুশন স্কীম! 🚨ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ও আমানতকারীদের সুরক্ষা ফেরাতে বাংলাদেশ ব্যাংক জারি করেছে স...
10/08/2026

🚨 এক নজরে নতুন ব্যাংক রেজল্যুশন স্কীম! 🚨

ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ও আমানতকারীদের সুরক্ষা ফেরাতে বাংলাদেশ ব্যাংক জারি করেছে সংশোধিত ব্যাংক রেজল্যুশন স্কীম। মূল মূলবিষয়গুলো:👇

🔴 পাঁচ ব্যাংক এক হয়ে নতুন সত্তা: এক্সপোর্ট ইমপোর্ট, ফার্স্ট সিকিউরিটি, গ্লোবাল ইসলামী, সোশ্যাল ইসলামী ও ইউনিয়ন ব্যাংক - এই পাঁচ ব্যাংকের সম্পদ, দায় ও মানবসম্পদ এখন নবগঠিত "সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি."-এর অধীনে চলে গেছে।

🟢 বিশাল মূলধন: নতুন ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ৪০,০০০ কোটি টাকা এবং এতে সরকার নিজে ২০,০০০ কোটি টাকার শেয়ার কিনেছে।

🟡 আমানত উত্তোলন ও সুবিধা: ২,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত আমানত দ্রুত তোলা যাবে। এ ছাড়া শিক্ষা, চিকিৎসা ও হজ পালনের জরুরি খরচে শর্ত শিথিলের সুযোগ থাকছে।

🔵 চাকরি থাকছে নির্দোষদের: যাদের বিরুদ্ধে অনিয়ম বা মামলা নেই, সেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী নতুন ব্যাংকে স্থানান্তরিত হবেন।

এই সিদ্ধান্তটি সংকটগ্রস্ত ইসলামী ব্যাংকিং খাতের ওপর জনগণের আস্থা ফেরাতে বড় ভূমিকা রাখবে। তবে এর সুফল নির্ভর করবে স্কীমটির সঠিক ও দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর।


হাইকোর্ট বিভাগের পুনর্গঠিত বেঞ্চ সমূহ
10/08/2026

হাইকোর্ট বিভাগের পুনর্গঠিত বেঞ্চ সমূহ

BS রেকর্ড ছাড়া শুধুমাত্র CS ও SA খতিয়ানের বিবরণ দিয়ে বাটোয়ারা মামলা দায়ের করলে ডিক্রি পাবেন না।সুতরাং সর্বশেষ রেকর্ড ছাড়...
10/08/2026

BS রেকর্ড ছাড়া শুধুমাত্র CS ও SA খতিয়ানের বিবরণ দিয়ে বাটোয়ারা মামলা দায়ের করলে ডিক্রি পাবেন না।
সুতরাং সর্বশেষ রেকর্ড ছাড়া শুধু CS বা SA খতিয়ান দিয়ে বাটোয়ারা মামলা করে অর্থ ও সময়ের অপচয় না করাই শ্রেয়!

✅ইন্দ্র মোহন বসাক ও অন্যান্য VS চঞ্চলা তানি বসাক ও অন্যান্য।
Reported:
[73 DLR (HCD), Page- 111]
© Advocate Saddam Hossen

📌অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ ট্রাইব্যুনাল থেকে অবমুক্ত করলে, সেই সিদ্ধান্ত একজন বার্ষিক ইজারাদার চ্যালেঞ্জ করতে পারেন না।...
10/08/2026

📌অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ ট্রাইব্যুনাল থেকে অবমুক্ত করলে, সেই সিদ্ধান্ত একজন বার্ষিক ইজারাদার চ্যালেঞ্জ করতে পারেন না।
[25 BLT, (HCD), P-292]
________________________________

✅ফাহিদা বেগম ও অন্যান্য বনাম বাংলাদেশ সরকার ও অন্যান্য

✅রিট পিটিশন নং ৫৬২৮/২০১৬
রায়: ৩১ জানুয়ারি ২০১৭

✅বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি জে.বি.এম. হাসান

এই মামলার মূল প্রশ্ন ছিল, অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ ট্রাইব্যুনাল কোনো সম্পত্তিকে অর্পিত সম্পত্তির তালিকা থেকে অবমুক্ত করলে, সেই সিদ্ধান্ত একজন বার্ষিক ইজারাদার চ্যালেঞ্জ করতে পারেন কি না।

আদালত পর্যবেক্ষণ করেন, আবেদনকারীরা সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির কেবল বার্ষিক ইজারাদার ছিলেন। তাদের কোনো স্বত্ব বা মালিকানা ছিল না। ফলে ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করার মতো কোনো আইনগত অধিকার বা locus standi তাদের ছিল না।

এ ক্ষেত্রে আদালত আপিল বিভাগের Aroti Rani Paul vs. Sudarshan Kumar Paul, 56 DLR (AD) 73 মামলার নীতি অনুসরণ করেন। উক্ত মামলায়ও বলা হয়েছে, অর্পিত সম্পত্তি সংক্রান্ত ডিক্রি বা সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করার অধিকার বার্ষিক ইজারাদারের নেই।

আবেদনকারীরা ইজারা নবায়নের দাবিও করেছিলেন। কিন্তু তাদের দাবির সমর্থনে পর্যাপ্ত দালিলিক প্রমাণ আদালতের সামনে উপস্থাপন করতে পারেননি।

✅ফলাফল:
আইনগত অধিকার বা locus standi না থাকায় আবেদনকারীদের রিট গ্রহণযোগ্য নয় মর্মে আদালত রুল নিশি খারিজ করে দেন এবং কোনো খরচ আরোপ না করে মামলাটি নিষ্পত্তি করেন।

অর্পিত সম্পত্তির বার্ষিক ইজারাদার হওয়া মাত্রই সম্পত্তির ওপর মালিকানা বা স্বত্ব সৃষ্টি হয় না। তাই কেবল বার্ষিক ইজারার ভিত্তিতে অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে রিট করার আইনগত অধিকার সৃষ্টি হয় না।

এই মামলায় এপ্লিকেন্ট পক্ষে আইনজীবী হিসাবে ছিলেন বিজ্ঞ আইনজীবী জনাব চঞ্চল কুমার চৌধুরী ও রিট পিটিশনার পক্ষে আইনজীবী হিসাবে ছিলেন হামিদা চৌধুরী।

✍️_____________
সাদ্দাম হোসাইন আবির
অ্যাডভোকেট
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।

10/08/2026

*কিউরেটিভ পিটিশন (Curative Petition)* হলো সুপ্রিম কোর্টে মামলার একদম শেষ পর্যায়ের প্রতিকার।

সহজ ভাষায়:
সাধারণত একটা মামলায় আপিল, রিভিউ শেষ হয়ে গেলেও যদি মনে হয় "বিচার করতে গিয়ে চরম অবিচার হয়ে গেছে", তখন শেষ অস্ত্র হিসেবে কিউরেটিভ পিটিশন করা হয়।

৩টা শর্ত লাগে একসাথে:
1. *ন্যাচারাল জাস্টিস লঙ্ঘন*: যেমন আপনাকে না শুনেই রায় দেওয়া হয়েছে
2. *আইনজীবী কর্তব্যে অবহেলা*: আপনার উকিল ইচ্ছা করে বা ভুলে আপনার পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ যুক্তি আদালতে তোলেনি
3. *বিচারিক ভয়*: জজের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের আশঙ্কা ছিল কিন্তু তখন বলা সম্ভব হয়নি

গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট:
- *কে দিতে পারে*: শুধু যার মামলা রিভিউতেও খারিজ হয়ে গেছে সে
- *কোথায়*: সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে
- *সময়সীমা*: রিভিউ খারিজের পর যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে
- *খুবই রেয়ার*: ভারতের Rupa Ashok Hurra vs Ashok Hurra 2002 সালের রায়ের পর এই ধারণা আসে। বাংলাদেশেও একই নীতিতে চলে।

এটা কিন্তু সাধারণ আপিল না। কোর্ট খুব কড়াভাবে দেখে। প্রমাণ করতে হবে যে রায় না পাল্টালে "চরম অবিচার" হবে। collected

10/08/2026

Highcourt rules, 1973 (হাইকোর্ট রুলস) মোতাবেক ঠকাস ঠকাস শব্দ তৈরি করে এমন জুতা পরা নিষেধ।

১[অধ্যায়-১৬]

বিবিধ
১. আদালতে শিষ্টাচার বজায় রাখতে হবে।-

(১) সকল আইনজীবী, আদালতের কর্মচারী এবং আদালতে উপস্থিত অন্য যেকোনো ব্যক্তি এমনভাবে আচরণ করবেন যাতে আদালতের কার্যক্রম কোনোভাবেই প্রভাবিত না হয়।

(২) উপ-বিধি (১)-এর সাধারণতাকে ক্ষুণ্ণ না করে নিম্নলিখিত কাজগুলি নিষিদ্ধ:

(ক) সেল ফোন বা অনুরূপ ডিভাইস ব্যবহার করা, এবং এই উদ্দেশ্যে সেল ফোন বা অনুরূপ ডিভাইসের ধারককে আদালত কক্ষে প্রবেশের আগে অবশ্যই তা বন্ধ করতে হবে;

(খ) ধূমপান, মদ্যপান, খাওয়া, কোনো কিছু চিবানো বা ধূমপান করা:

(গ) অন্যদের সাথে গল্প করা বা কথা বলা;

(ঘ) পোশাক পরা, চুল আঁচড়ানো, প্রসাধন সামগ্রী ব্যবহার করা;

(ঙ) বিচারক এবং আইনজীবীদের জন্য সংরক্ষিত মাইক্রোফোন ব্যতীত অন্য কোনো শব্দ সৃষ্টিকারী ডিভাইস ব্যবহার করা;

ব্যাখ্যা:
(১) কোনো কার্যক্রমে সহায়তা প্রদানের জন্য ল্যাপটপ বা অনুরূপ ডিভাইস ব্যবহার করা যেতে পারে।

(২) কোনো বিচারক অথবা তাঁর অনুমতি সাপেক্ষে কোনো কর্মী ভয়েস রেকর্ডিং ডিভাইস ব্যবহার করতে পারেন।

(চ) আদালত প্রশাসন কর্তৃক রক্ষিত নিরাপত্তা উদ্দেশ্য ব্যতীত অন্য কোনো ডিভাইস ব্যবহার করে স্থির বা চলমান ছবি তোলা;

(ছ) কোনো ব্যাগ, ছাতা, লাঠি, ভারী জিনিসপত্র বা যেকোনো ধরনের অস্ত্র বহন করা:

(জ) এমন জুতা, স্যান্ডেল পরা যা শব্দ উৎপন্ন করতে পারে:

(ঝ) ঘুমানো, তন্দ্রাচ্ছন্ন হওয়া।

৩) আদালতে বক্তব্য প্রদানকারী আইনজীবী বা অন্য যে কোনো ব্যক্তিকে দীর্ঘদিনের প্রচলিত রীতি ও শিষ্টাচার মেনে চলতে হবে। বিচারকের লিঙ্গ-পরিচয় নির্বিশেষে আদালতের প্রতি সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা প্রদর্শনপূর্বক এবং বিচারককে সুশৃঙ্খলভাবে সম্বোধন করে বক্তব্য রাখতে হবে।

(৪) উপরোক্ত নিয়মাবলি যথাযথভাবে পালিত হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করা বিচারক বা বিচারকদের দায়িত্ব হবে।

(৫) জরুরি পরিস্থিতিতে বিচারক যে কোনো ব্যক্তিকে পানি বা ওষুধ সেবনের অনুমতি দিতে পারেন।

২. বিচারক ও আইনজীবীদের পোশাক-

(১) বিচারকদের পোশাক নিম্নরূপ হবে:

(ক) সাদা শার্ট (যার কলার সাদা ও ওপরের দিকে বাঁকানো বা 'টার্নড-আপ') এবং সাদা ব্যান্ড;

(খ) ল্যাপেল-বিহীন, সম্পূর্ণ বোতামযুক্ত ও লম্বা হাতার বিচারকের কোট;

(গ) কালো, সাদা বা হালকা রঙের কাপড়ের ট্রাউজার্স;

(ঘ) বিচারকের গাউন।

(২) আইনজীবীদের পোশাক নিম্নরূপ হবে:

(ক) কালো কাপড়ের কোট বা শেরওয়ানি;

(খ) সাদা শার্ট (যার কলার সাদা ও ওপরের দিকে বাঁকানো বা 'টার্নড-আপ') এবং সাদা ব্যান্ড;

(গ) কালো, সাদা বা হালকা রঙের কাপড়ের ট্রাউজার্স;

(ঘ) আইনজীবীর গাউন (কালো রঙের ও অর্ধেক হাতাযুক্ত)।

(৩) নারী আইনজীবীরা সাদা বা হালকা রঙের শাড়ি অথবা সাদা রঙের সালোয়ার-কামিজ পরিধান করতে পারেন। সকল নারী আইনজীবীকে কালো কোট পরিধান করতে হবে। শাড়ি বা সালোয়ার-কামিজ পরিধানকারী নারী আইনজীবীদের সাদা কলার ও সাদা ব্যান্ডও ব্যবহার করতে হবে। নারী আইনজীবীকে উপরে উল্লিখিত আইনজীবীর গাউন পরিধান করতে হবে।

(৪) আপিল বিভাগে তালিকাভুক্ত আইনজীবীরা আপিল বিভাগের জন্য নির্ধারিত পোশাক পরিধান করতে পারেন।

আমরা সকলেই এ বিধানসমূহ মেনে চলব। আদালতের প্রতি মর্যাদা সমুন্নত রাখব।

Adv Mahmuda Begum
Supreme Court of Bangladesh

Address

Dhaka

Opening Hours

Monday 10:00 - 18:00
Tuesday 10:00 - 18:00
Wednesday 10:00 - 18:00
Thursday 10:00 - 18:00
Sunday 10:00 - 18:00

Telephone

+8801311203607

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Lexes & Legists posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Lexes & Legists:

Shortcuts

Share