Institute of VAT, Tax & Law

Institute of VAT, Tax & Law It's a Consultancy, learning,research & training institute from where you can enhance your knowledge about VAT, Tax & Law.

ব্যবসার সকল আইনগত ও কর্পোরেট সেবা — এক ঠিকানায়!আপনার ব্যবসাকে করুন আরও নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও গতিশীল।ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত...
22/08/2026

ব্যবসার সকল আইনগত ও কর্পোরেট সেবা — এক ঠিকানায়!
আপনার ব্যবসাকে করুন আরও নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও গতিশীল।
ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় লাইসেন্স, নিবন্ধন, ট্যাক্স, ভ্যাট ও কর্পোরেট কমপ্লায়েন্সের কাজ সময়মতো সম্পন্ন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
🔹 আমাদের সেবাসমূহ:
✅ IRC / ERC — আমদানি ও রপ্তানি লাইসেন্স
✅ ট্রাভেল এজেন্সি লাইসেন্স
✅ VAT (BIN) রেজিস্ট্রেশন
✅ VAT ও Tax Return প্রস্তুত ও দাখিল
✅ Partnership Deed ও বিভিন্ন চুক্তিপত্র প্রণয়ন
✅ কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন — RJSC
✅ Company Compliance & Secretarial Services
✅ কোম্পানি অডিট
✅ Share Transfer & Director Change
✅ কোম্পানি বিলুপ্তকরণ — Winding Up
✅ অন্যান্য কর্পোরেট ও আইনগত সেবা
📌 সঠিক সময়ে সঠিক আইনি কার্যক্রম সম্পন্ন করুন—
আপনার ব্যবসাকে রাখুন ঝুঁকিমুক্ত, কমপ্লায়েন্ট ও এগিয়ে চলার পথে।
📞 যোগাযোগ করুন
01768392016
📲 Call / WhatsApp
আপনার ব্যবসার প্রয়োজনীয় আইনগত ও কর্পোরেট কাজ—আমাদের পেশাদার সহায়তায়।

যেসব কাগজপত্র ছাড়া আয়কর রিটার্নে হিসাব–নিকাশ করতে পারবেন না :এখন চলছে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময়। এ বছর থেকে বছরজুড়েই র...
21/08/2026

যেসব কাগজপত্র ছাড়া আয়কর রিটার্নে হিসাব–নিকাশ করতে পারবেন না :

এখন চলছে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময়। এ বছর থেকে বছরজুড়েই রিটার্ন দেওয়া যাবে। আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন জমা দিলে আয়করে ছাড় পাওয়া যায়।

একজন করদাতার সাত ধরনের আয় থাকে। এই সাত ধরনের খাত থেকে আয় হলে তা রিটার্নে দেখাতে হয়। রিটার্নে এসব খাতের আয়ের পরিমাণ নিজেদের ইচ্ছেমতো বসালেই হবে না। সুনির্দিষ্ট কাগজপত্রের ভিত্তিতে আয় প্রমাণ করতে হয়। এসব কাগজপত্র ছাড়া অনলাইনে রিটার্ন জমার সময় আয়–ব্যয়ের হিসাব–নিকাশ করতে পারবেন না।

এবার দেখা যাক, কোন ধরনের আয়ে কী ধরনের কাগজপত্র লাগবে।

১. চাকরি থেকে আয়

কোনো করদাতা যদি চাকরিজীবী হন, তাহলে নিচের কাগজপত্র তৈরি রাখুন। কিছু কাগজপত্র লাগবেই, কিছু কাগজপত্র তৈরি রাখা ভালো। এসব কাগজপত্রের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হলো—

১. বেতনের বিবরণী।

২. পে স্লিপ।

৩. উৎসে কর কেটে রাখার সনদ।

২. কৃষি আয়

কৃষি আয় প্রমাণ করতে যেসব কাগজপত্র লাগে, এর মধ্যে অন্যতম হলো—

১. জমির দলিল বা লিজ দলিল।

২. কৃষিপণ্য বিক্রয়ের চালান।

৩. কৃষি ব্যয়ের প্রমাণ।

৪. ব্যাংক হিসাবের বিবরণী (যদি প্রযোজ্য হয়)।

৩. ব্যবসা বা পেশা থেকে আয়

এই খাত থেকে আয় হলে আপনাকে কিছু দলিল সংরক্ষণ করতে হবে। যেমন—

১. আয়–ব্যয়ের হিসাব।

২. ক্যাশবুক।

৩. লেজার।

৪. ব্যাংক হিসাবের বিবরণী।

৫. ট্রেড লাইসেন্স।

৬. ব্যবসার নিবন্ধন (যদি প্রযোজ্য হয়)।

৭. কেনাবেচার আলাদা হিসাব।

৮. ইনভয়েস ও ভাউচার।

৯. স্টক রেজিস্টার।

৪. বিনিয়োগ থেকে আয়

করদাতারা অনেক সময় এফডিআর, সঞ্চয়পত্রসহ নানা খাতে বিনিয়োগ করেন। এসব আয় রিটার্নে দেখানোর সময় যেসব কাগজ প্রস্তুত রাখতে হবে—

১. ব্যাংকের মুনাফার সনদ।

২. এফডিআর সনদ।

৩. সঞ্চয়পত্রের তথ্য।

৪. লভ্যাংশের বিবরণী।

৫. শেয়ার বিও হিসাবের বিবরণী।

৬. মিউচুয়াল ফান্ডের বিবরণী।

৫. বাড়ি বা সম্পত্তি ভাড়া থেকে আয়

বাড়ি বা সম্পত্তি ভাড়া থেকে আয়ের জন্য যেসব দলিল লাগবে, সেগুলো হলো—

১. ভাড়া চুক্তিপত্র।

২. ভাড়া গ্রহণের রসিদ।

৩. ব্যাংক লেনদেনের প্রমাণ।

৪. দলিল বা মালিকানার কাগজ।

৫. পৌরকর বা হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধের রসিদ।

৬. মেরামত ব্যয়ের প্রমাণ (যদি দাবি করা হয়)।

৬. মূলধনি মুনাফা

আপনি যদি জমি, ফ্ল্যাট, শেয়ারসহ অন্যান্য সম্পদ বিক্রি করেন, তাহলে লাগবে—

১. ক্রয় দলিল।

২. বিক্রয় দলিল।

৩. নিবন্ধনের দলিল।

৪. ব্যাংক লেনদেনের তথ্য।

৫. উন্নয়ন ব্যয়ের প্রমাণ (যদি থাকে)।

৭. অন্যান্য উৎস থেকে আয়

অন্যান্য উৎস থেকে আয়ের মধ্যে যেসব খাত আছে, সেগুলোর বিপরীতে প্রয়োজনীয় সনদ বা দলিল প্রস্তুত রাখতে হবে। এগুলোর মধ্যে আছে—

১. কমিশন।

২. পরামর্শ ফি।

৩. লয়্যালটি।

৪. সম্মানী।

৫. পুরস্কারের অর্থ।

সব করদাতার যা প্রয়োজন

সব করদাতার জন্য সাধারণভাবে প্রয়োজন যেসব দলিল, তা হলো—

১. ব্যাংক হিসাবের তথ্য।

২. মুঠোফোন নম্বর ও ই-মেইল।

৩. প্রভিডেন্ট ফান্ডের তথ্য।

৪. দানের রসিদ।

৫. জীবনবিমার প্রিমিয়ামের রসিদ।

দলিল কেন প্রয়োজন

শুধু রিটার্ন জমা দিলেই করদাতার দায়িত্ব শেষ নয়। প্রয়োজনীয় নথিপত্র নির্ধারিত সময় পর্যন্ত সংরক্ষণ করা উচিত। কারণ, ভবিষ্যতে কর কর্মকর্তাদের নিরীক্ষায় পড়লে যেন সহজে উপস্থাপন করা যায়। ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে রিটার্ন দাখিল করলে ঝুঁকি আছে।

08/08/2026
আয়কর রিটার্ন দাখিল শুরু হয়েছে, আপনার আয়কর রিটার্ন দাখিল করা না হয়ে থাকলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। আমরা ২০% ডিসকাউন্টে আ...
08/08/2026

আয়কর রিটার্ন দাখিল শুরু হয়েছে, আপনার আয়কর রিটার্ন দাখিল করা না হয়ে থাকলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

আমরা ২০% ডিসকাউন্টে আপনার সকল ধরনের ব্যবসায়িক ডকুমেন্টের কাজ সম্পন্ন করে দিব।









08/08/2026















আগামী জুলাই ২০২৬ থেকে আয়কর ও ভ্যাট আইনে উল্লেখযোগ্য যে সকল পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে: ১) ব্যক্তিশ্রেণির করদাতারা বছরের যেকোন...
01/08/2026

আগামী জুলাই ২০২৬ থেকে আয়কর ও ভ্যাট আইনে উল্লেখযোগ্য যে সকল পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে:

১) ব্যক্তিশ্রেণির করদাতারা বছরের যেকোনও সময় আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সুযোগ পাবেন। তবে নির্ধারিত সময়ের শুরুতে রিটার্ন জমা দিলে করছাড় মিলবে, আর দেরি করলে গুনতে হবে জরিমানা।

➡️ প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় প্রথম প্রান্তিকে রিটার্ন দাখিল করলে করদাতা পরিশোধিত করের ৫ শতাংশ অথবা সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত করছাড় পাবেন।

➡️দ্বিতীয় প্রান্তিকে রিটার্ন দাখিল করলে কোন জরিমানা না থাকলেও বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত পাওয়া যাবে না।

➡️তৃতীয় প্রান্তিকে রিটার্ন দাখিল করলে পরিশোধযোগ্য করের ২ শতাংশ অথবা ৩ হাজার টাকার মধ্যে যেটি বেশি, সেই পরিমাণ জরিমানা দিতে হবে।

➡️চতুর্থ প্রান্তিকে রিটার্ন দাখিল করলে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ অথবা ৫ হাজার টাকার মধ্যে যেটি বেশি, সেই হারে জরিমানা আরোপ করা হবে। এই অর্থ মূল করের সঙ্গে যুক্ত হবে।

২) কমছে বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত সুবিধা:

➡️নতুন প্রস্তাবে রেয়াতের হার অনুমোদিত বিনিয়োগের ১৫% এর পরিবর্তে ১০% এবং সর্বোচ্চ সীমা ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হতে পারে। তবে কর রেয়াতের আওতাভুক্ত খাতগুলো অপরিবর্তিত থাকবে।

৩) স্বর্ণ ও ডিজিটাল সম্পদ বিক্রিতে গেইন ট্যাক্স আরোপ:

➡️বাজেট প্রস্তাবে স্বর্ণালংকার, স্বর্ণের বার, রৌপ্য, মূল্যবান রত্ন, ধাতব মুদ্রা, ডিজিটাল মুদ্রা, চিত্রকর্ম, এন্টিকস এবং ক্লাব সদস্যপদ হস্তান্তরের মাধ্যমে অর্জিত আয়কে মূলধনি সম্পদ হিসেবে গণ্য করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় করদাতার রিটার্নে প্রদর্শিত স্বর্ণ বিক্রি করে যে মুনাফা অর্জিত হবে, তার ওপর ১৫% মূলধনি কর আরোপ করা হবে।

৪) অতিরিক্ত কর ফেরত মিলবে ৬০ দিনের মধ্যে:



➡️করদাতাদের সুবিধার্থে অতিরিক্ত কর পরিশোধ হলে তা ৬০ দিনের মধ্যে ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থাও চালু করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

৫) ৭ সেবায় বিআইএন বাধ্যতামূলক করা হবে:

ভ্যাটের আওতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ব্যবসা শনাক্তকরণ নম্বর (বিআইএন) বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী:



🎈ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে চলতি হিসাব খোলা।

🎈ঋণ গ্রহণ।

🎈ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন।

🎈মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খোলা।

🎈বাণিজ্য সংগঠনের সদস্যপদ গ্রহণ বা নবায়ন।

🎈ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নামে বিদ্যুৎ-গ্যাস সংযোগ গ্রহণ। এবং

🎈বিআরটিএতে প্রতিষ্ঠানের নামে যানবাহন নিবন্ধনের ক্ষেত্রে বিআইএন বাধ্যতামূলক করা হবে। আদনান সামি, আয়কর আইনজীবী সদস্য ঢাকা ট্যাক্সেস বার এ্যাসোসিয়েশন

আমাদের সেবা নিতে যোগাযোগ করুন- 01768-392016

আয়কর রিটার্ন তৈরিতে ১০টি সাধারণ ভুল,আয়কর রিটার্ন জমার মৌসুম শুরু হয়েছে। এখন থেকে সারা বছর রিটার্ন দেওয়া যাবে, তবে তা অনল...
28/07/2026

আয়কর রিটার্ন তৈরিতে ১০টি সাধারণ ভুল,

আয়কর রিটার্ন জমার মৌসুম শুরু হয়েছে। এখন থেকে সারা বছর রিটার্ন দেওয়া যাবে, তবে তা অনলাইনে দিতে হবে।

বর্তমানে সোয়া এক কোটি কর শনাক্তকরণ নম্বরধারী (টিআইএন) আছেন। গতবার ৪৭ লাখ টিআইএনধারী অনলাইনে রিটার্ন দিয়েছেন বলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে জানা গেছে।

অনেকে মনে করেন, রিটার্ন দিলেই কর কর্মকর্তারা আর সন্দেহ করবেন না। নিরীক্ষা বা তদন্ত করবেন না। কিন্তু যেকোনো করদাতার কর নথি নিরীক্ষা হতে পারে। তাই রিটার্নে সব তথ্য নির্ভুল দেওয়া উচিত।

কিন্তু প্রতিবছর আয়কর রিটার্ন জমার সময় অনেক করদাতার রিটার্নে কিছু সাধারণ ভুল বারবার দেখা যায়। এসব ভুলের কারণে অপ্রয়োজনীয় জটিলতা, ব্যাখ্যা প্রদান, এমনকি কর নির্ধারণেও সমস্যা হতে পারে। কর কর্মকর্তা, কর আইনজীবী, করসংক্রান্ত বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলাপ করে এ তথ্য জানা গেছে।

এবার দেখা যাক, করদাতার সবচেয়ে সাধারণ ভুলগুলো কী কী

১. সিটি করপোরেশন, পৌরসভা বা অন্য কোনো এলাকায় অবস্থিত ফ্ল্যাট, জমিসহ স্থাবর সম্পত্তি সঠিকভাবে উল্লেখ করা হয় না। এতে করদাতার সম্পদের চিত্র ওঠে আসে না।

২. বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত পেতে বিনিয়োগের হিসাব ভুল দেখানো হয়। এতে করের পরিমাণ কম বা বেশি হয়ে যায়।

৩. মোট আয়ের তুলনায় খরচ বেশি দেখানো, যা আর্থিক তথ্যের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। এতে আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

৪. হাতে নগদ অর্থ অস্বাভাবিক বা অতিরিক্ত পরিমাণে দেখানো। আয়ের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ না হলে অস্বাভাবিক নগদ অর্থ দেখানো উচিত নয়।

৫. স্বর্ণালংকারের পরিমাণ অতিরঞ্জিতভাবে উল্লেখ করা হয়, যা বাস্তবতার সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ হতে পারে। যেমন অনেকে দেখান, ৫০ ভরি সোনার গয়না আছে। মনে রাখতে হবে, ৫০ ভরি সোনার গয়নার দাম ১ কোটি টাকার বেশি। এত টাকার সম্পদ রাখার মতো আয় কি আপনার আছে, তা ভাবতে হবে।

৬. সঞ্চয়, ঋণ দেওয়া বা ঋণ নেওয়ার তথ্য সম্পূর্ণভাবে উল্লেখ করা হয়। রিটার্নে ঋণের তথ্যও দিতে হবে। তা না হলে এই অর্থ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।

৭. উপহার, অনুদান বা অন্যান্য বৈধ প্রাপ্তির তথ্য বাদ দেওয়া হয়। এতে সম্পদ নিয়ে প্রশ্ন ওঠতে পারে।

৮. এফডিআর, ডিপিএস, সঞ্চয়পত্রসহ অন্যান্য আর্থিক সঞ্চয় বা বিনিয়োগের তথ্য উল্লেখ না করা।

৯. পূর্ববর্তী বছরের নিট সম্পদের তথ্য ভুলভাবে উপস্থাপনার করা হয়।

১০. উৎসে কর্তিত করের তথ্য ভুল বা অসম্পূর্ণ দেওয়া, প্রকৃত পরিমাণের চেয়ে বেশি বা ভুল কর সমন্বয় দাবি করা।

মনে রাখবেন
আয়কর রিটার্ন দাখিলের আগে আয়, ব্যয়, সম্পদ, দায় ও কর পরিশোধসংক্রান্ত সব তথ্য ও প্রমাণপত্র ভালোভাবে মিলিয়ে নিন। একটি সঠিক, পূর্ণাঙ্গ ও আইনসম্মত রিটার্ন ভবিষ্যতে অপ্রয়োজনীয় জটিলতা এড়াতে সহায়ক হবে।

Address

House-25, Road No-01, Sector/13
Dhaka
1230

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 20:00
Saturday 09:00 - 05:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

01768392016

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Institute of VAT, Tax & Law posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Institute of VAT, Tax & Law:

Shortcuts

Share

Category