The Haque & Justice

The Haque & Justice Legal Services

জুলাই সনদের বিচার বিভাগ সংস্কারের ২৮ থেকে ৩৭ নম্বর পয়েক্ট গুলো কি কি?!
31/01/2026

জুলাই সনদের বিচার বিভাগ সংস্কারের ২৮ থেকে ৩৭ নম্বর পয়েক্ট গুলো কি কি?!

Negotiable Instruments Act, 1881 discussed 3 negotiable instruments as follows:1. Cheque - Under Section 6 Uses in Gener...
26/01/2026

Negotiable Instruments Act, 1881 discussed 3 negotiable instruments as follows:
1. Cheque - Under Section 6 Uses in General Banking
2. Bills of exchange - Section 5 uses in Foreign Exchange
3. Promissory Note - Section 4 uses in Investment/Loans

02/01/2026

The Commercial Court Ordinance, 2026 (Ordinance No. 01 of 2026) was promulgated by the President of Bangladesh on January 1, 2026, to establish specialized courts for the rapid and effective resolution of commercial disputes. This measure aims to boost investment and accelerate the country's economic development.

Key Features of the Ordinance
Establishment and Jurisdiction:
The government will establish an adequate number of Commercial Courts and determine their territorial jurisdictions in consultation with the Supreme Court. These courts will handle disputes including international trade, intellectual property, joint ventures, and construction contracts, excluding matters under the original jurisdiction of the High Court or the Money Loan Court (Artha Rin Adalat).

Judicial Appointment:
Judges will be appointed from the District or Additional District Judges of the Bangladesh Judicial Service, with preference given to those with specialized training or higher education in commercial law.

Legal Procedures:
* While following the Code of Civil Procedure, 1908, the Ordinance introduces "Suit Management" hearings to identify issues and streamline the trial process.

Mandatory Pre-suit Mediation:
Cases not involving urgent interim relief must undergo mediation before being filed in court.

Timelines:
Trials must generally be completed within 90 days of the final hearing date.

Appeals and Revision:
Appeals against final judgments must be filed with the Commercial Appellate Bench of the High Court Division within 60 days.

Technology and Infrastructure:
The Ordinance mandates the use of information technology for virtual hearings, filing cases, and issuing summons. Statistics on pending and settled cases must be updated monthly on the Supreme Court website.

Conflict of Laws
This Ordinance holds precedence over other laws; any inconsistent provisions in existing laws will be considered void to the extent of their inconsistency regarding commercial disputes.

02/01/2026

The Registration (Amendment) Ordinance, 2026 introduces key updates to the Registration Act, 1908, focusing on digitization, accountability, and procedural efficiency.

Below is a short summary of the changes:

E-Registration (Section 77A): Legalizes the digital registration of documents using government-approved software.

Increased Timelines:
The time limit in Section 17A(2) is extended from 30 to 60 days.

The period for documents executed outside Bangladesh (Section 26) is extended from four to six months.

Expanded Scope (Section 52A): Requirements for property transfer now include gift and heba declarations under Muslim, Hindu, Christian, and Buddhist Personal Laws.

Officer Accountability (Section 68): Registering a document with improper fees is now classified as misconduct, and the unpaid amount will be realized from the Registering Officer.

Faster Dispute Resolution:
Appeals (Section 72) must be resolved within 45 days.

Applications (Section 73) must be resolved within 30 days.

Fee Payment (Section 80): All fees, taxes, and service charges must be paid at the time of document presentation.

সম্মেলিত ইসলামি ব্যাংকের টাকা দেওয়ার নিয়ম নীতি।
31/12/2025

সম্মেলিত ইসলামি ব্যাংকের টাকা দেওয়ার নিয়ম নীতি।

Happy New Year 2026
31/12/2025

Happy New Year 2026

দেশে সরকারি কলেজ ৭০৮টি A ক্যাটাগরি: ৮১টি , শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৮ হাজারের বেশি এবং অনার্সের বিষয় ১০টির বেশিB ক্যাটাগরিতে :...
29/12/2025

দেশে সরকারি কলেজ ৭০৮টি
A ক্যাটাগরি: ৮১টি , শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৮ হাজারের বেশি এবং অনার্সের বিষয় ১০টির বেশি
B ক্যাটাগরিতে : ৭৪টি , শিক্ষার্থীর সংখ্যা সাড়ে ৪ থেকে ৮ হাজার এবং অনার্সের বিষয় ৫টির বেশি
C ক্যাটাগরি : ৪৪৬টি , শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৪ হাজার এবং অনার্সের বিষয় ১ থেকে সর্বোচ্চ ৪টি
D ক্যাটাগরি : ১০৭টি , যেখানে শুধু উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে

26/12/2025

পিআর (PR) বা আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতিতে প্রার্থী নির্বাচন এবং এটি বিশ্বের কোথায় কোথায় কার্যকর রয়েছে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত নিচে তুলে ধরছি:
১. পিআর পদ্ধতিতে প্রার্থী তালিকা কীভাবে তৈরি হয়?
এই পদ্ধতিতে নির্বাচনের আগে প্রতিটি রাজনৈতিক দল তাদের প্রার্থীদের একটি অগ্রাধিকার তালিকা (Party List) নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেয়।
তালিকা তৈরি: ধরুন, একটি দল ৩০০টি আসনের বিপরীতে ৩০০ জন প্রার্থীর একটি ক্রমানুসার তালিকা (১, ২, ৩...) তৈরি করল।
আসন প্রাপ্তি: নির্বাচনের পর দলটি সারা দেশে প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে যদি ১০০টি আসন পায়, তবে তাদের জমা দেওয়া তালিকার প্রথম ১০০ জন ব্যক্তি সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হবেন।
যোগ্যতার মূল্যায়ন: এই পদ্ধতিতে দলগুলো সাধারণত বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ বা স্বচ্ছ ভাবমূর্তির ব্যক্তিদের তালিকার উপরের দিকে রাখার চেষ্টা করে, যাতে ভোটাররা আকৃষ্ট হয়। এতে কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় জনপ্রিয় না হয়েও যোগ্য ব্যক্তিরা সংসদে যাওয়ার সুযোগ পান।
২. কোন কোন দেশে এই পদ্ধতি চালু আছে?
বিশ্বের অনেক উন্নত ও স্থিতিশীল গণতান্ত্রিক দেশে এই পদ্ধতি সফলভাবে কাজ করছে।
যেমন:

জার্মানি মিশ্র পদ্ধতি (Mixed-Member Proportional)

নিউজিল্যান্ড মিশ্র পদ্ধতি (MMP)

সুইডেন ও নরওয়ে পূর্ণ আনুপাতিক পদ্ধতি

ইসরায়েল সম্পূর্ণ দেশব্যাপী তালিকা পদ্ধতি

দক্ষিণ আফ্রিকা ক্লোজড লিস্ট (Closed List) পদ্ধতি

৩. বাংলাদেশে এই পদ্ধতির সুবিধা ও চ্যালেঞ্জ
বাংলাদেশে এই পদ্ধতি চালু হলে কিছু বড় ধরণের পরিবর্তন আসবে:

সুবিধা:
আঞ্চলিক প্রভাবের অবসান: কোনো এলাকার 'মাস্তান' বা 'প্রভাবশালী' ব্যক্তি জোর করে জেতার সুযোগ পাবেন না, কারণ ভোট হবে দলের প্রতীকে।

সংখ্যালঘু ও ছোট দলের প্রতিনিধিত্ব: সমাজের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী বা ছোট দলগুলো যারা সারা দেশে ছড়িয়ে আছে কিন্তু কোনো একটি নির্দিষ্ট আসনে সংখ্যাগুরু নয়, তারাও সংসদে কথা বলার সুযোগ পাবে।

চ্যালেঞ্জ:
জনগণের সাথে দূরত্ব: ভোটাররা সরাসরি তাদের এলাকার প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন না বলে সাংসদদের সাথে সাধারণ মানুষের দূরত্ব তৈরি হতে পারে।

দলের অভ্যন্তরীণ একনায়কতন্ত্র: দলীয় প্রধান যদি তালিকায় নিজের পছন্দের অযোগ্য লোক রাখেন, তবে জনগণের কিছু করার থাকে না (যদি না 'ওপেন লিস্ট' পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়)।

একটি আকর্ষণীয় তথ্য: জার্মানিতে মানুষ দুটি ভোট দেয়—একটি নিজের এলাকার প্রার্থীর জন্য এবং অন্যটি পছন্দের দলের জন্য। একে বলা হয় মিশ্র পদ্ধতি। বাংলাদেশেও এমন মিশ্র পদ্ধতির প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চলছে।

"মিশ্র পদ্ধতি" বা জার্মানির মডেলটি কীভাবে কাজ করে:

জার্মানির মিশ্র পদ্ধতি বা Mixed-Member Proportional (MMP) ব্যবস্থাকে বিশ্বের অন্যতম সেরা নির্বাচনী মডেল বলা হয়। এটি মূলত প্রচলিত পদ্ধতি এবং আনুপাতিক (PR) পদ্ধতির একটি চমৎকার সমন্বয়।

বাংলাদেশে এই পদ্ধতি চালু করার প্রস্তাবনা অনেকে দিচ্ছেন কারণ এটি এলাকাভিত্তিক প্রতিনিধিত্ব এবং দলের জনপ্রিয়তা—উভয়কেই সমান গুরুত্ব দেয়।

জার্মানির মডেলটি যেভাবে কাজ করে:

এই পদ্ধতিতে একজন ভোটার ব্যালট পেপারে দুটি ভোট দেন:

প্রথম ভোট (Direct Candidate): ভোটার তার নিজ এলাকার একজন নির্দিষ্ট প্রার্থীকে ভোট দেন। এখানে যে প্রার্থী সবচেয়ে বেশি ভোট পাবেন, তিনি সরাসরি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। (এটি আমাদের বর্তমান পদ্ধতির মতো)।

দ্বিতীয় ভোট (Party List):
এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ভোটার তার পছন্দের রাজনৈতিক দলকে ভোট দেন। এই ভোটের শতাংশ ঠিক করে দেয় সংসদে ওই দলটি মোট কতটি আসন পাবে।

কেন এটি সেরা পদ্ধতি বলে গণ্য হয়?

এলাকার প্রতিনিধি নিশ্চিত করা: ভোটাররা জানেন তাদের এলাকার সমস্যার কথা সংসদে বলার জন্য একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তি আছেন।

ভোটের সঠিক প্রতিফলন: ধরুন, একটি দল সারা দেশে অনেক ভোট পেয়েছে কিন্তু কোনো এলাকাতেই তাদের প্রার্থী জিততে পারেনি। বর্তমান পদ্ধতিতে তারা একটি আসনও পায় না। কিন্তু জার্মানির পদ্ধতিতে, দ্বিতীয় ভোটের শতাংশ অনুযায়ী তারা সংসদে আসন পাবে। এতে মানুষের একটি ভোটও বিফলে যায় না।

ভারসাম্য রক্ষা: সরাসরি জয়ী প্রার্থী এবং দলীয় তালিকার প্রার্থীদের সমন্বয়ে সংসদ গঠিত হয়, যা গণতন্ত্রকে অনেক বেশি শক্তিশালী করে।

বাংলাদেশে এটি প্রয়োগ করলে যা ঘটবে:
যদি বাংলাদেশে ৩০০ আসনের জন্য এই পদ্ধতি নেওয়া হয়:

১৫০ জন নির্বাচিত হবেন সরাসরি এলাকাভিত্তিক ভোটে।

বাকি ১৫০ জন নির্বাচিত হবেন রাজনৈতিক দলগুলোর পাওয়া ভোটের শতাংশের ভিত্তিতে (দলীয় তালিকা থেকে)।

এতে যেমন যোগ্য সংসদ সদস্য পাওয়া যাবে, তেমনি ছোট দলগুলোর অবদানও মূল্যায়িত হবে।

26/12/2025

প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ এবং আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (PR) পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে নিচে এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের প্রভাব ও কার্যপদ্ধতি আলোচনা করা হলো:

১. প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদের সীমাবদ্ধতা
বর্তমান ব্যবস্থায় একজন ব্যক্তি যতবার খুশি প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন, যা অনেক সময় দীর্ঘমেয়াদী ক্ষমতার একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণের জন্ম দেয়। প্রস্তাবিত পরিবর্তনে:

দুই মেয়াদের সীমা: একজন ব্যক্তি তার জীবনে সর্বোচ্চ দুই মেয়াদে (১০ বছর) প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন। এটি অনেকটা আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পদ্ধতির মতো।

কেন এই পরিবর্তন: এই নিয়ম কার্যকর হলে রাজনীতিতে নতুন নেতৃত্ব আসার সুযোগ তৈরি হবে এবং দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকার ফলে যে স্বৈরাচারী প্রবণতা তৈরি হয়, তা রোধ করা সম্ভব হবে।

রাজনৈতিক ধারাবাহিকতা: এতে কোনো একক ব্যক্তির ওপর দলের নির্ভরতা কমবে এবং রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতর গণতন্ত্র চর্চা বাড়বে।

২. আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (Proportional Representation - PR)
এটি বর্তমানের "ব্যক্তি-কেন্দ্রিক" নির্বাচনের বদলে "দল-কেন্দ্রিক" নির্বাচন ব্যবস্থা। এর কার্যপদ্ধতি নিম্নরূপ:

ভোটের হিসাব: এই পদ্ধতিতে ভোটাররা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে ভোট না দিয়ে সরাসরি পছন্দের রাজনৈতিক দলকে (মার্কা) ভোট দেবেন।

আসন বণ্টন: একটি দল সারা দেশে মোট ভোটের যত শতাংশ পাবে, ৩০০টি আসনের মধ্যে তারা ঠিক ততটি আসন পাবে।

উদাহরণ: যদি একটি দল সারা দেশে ৩০% ভোট পায়, তবে তারা সংসদে ৯০টি (300 \times 30\%) আসন পাবে।

সুবিধা: 1. প্রতিটি ভোটের মূল্য: বর্তমান পদ্ধতিতে পরাজিত প্রার্থীর ভোটগুলো নষ্ট হয়। কিন্তু PR পদ্ধতিতে প্রতিটি ভোট দলের মোট ভোটসংখ্যায় যোগ হয়, তাই কোনো ভোটই বৃথা যায় না।

2. ছোট দলের অংশগ্রহণ: ছোট বা নতুন দলগুলো যদি ৫% বা ১০% ভোটও পায়, তারা সংসদে তাদের প্রতিনিধি পাঠাতে পারবে।

3. পেশি শক্তির প্রভাব হ্রাস: যেহেতু ভোট দেওয়া হবে দলকে, তাই কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় পেশি শক্তি বা টাকার জোরে কেন্দ্র দখলের প্রবণতা কমে আসবে।

এই পরিবর্তনগুলো কেন গুরুত্বপূর্ণ?

একনায়কতন্ত্র রোধ:
মেয়াদের সীমা থাকলে কেউ আজীবন ক্ষমতায় থাকার স্বপ্ন দেখতে পারবে না।

অংশগ্রহণমূলক সংসদ:
পিআর পদ্ধতি চালু হলে সংসদে সব মতাদর্শের মানুষের উপস্থিতি নিশ্চিত হবে, ফলে সংসদ হবে আরও কার্যকর ও বিতর্ক নির্ভর।

26/12/2025

গণভোটে যদি প্রস্তাবিত সংস্কারের পক্ষে 'হ্যাঁ' জয়ী হয়, তবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় কাঠামো, শাসনব্যবস্থা এবং রাজনীতিতে ব্যাপক ও সুদূরপ্রসারী পরিবর্তন আসবে।

প্রধান পরিবর্তনগুলো নিচে পয়েন্ট আকারে আলোচনা করা হলো:

১. সংসদীয় কাঠামোতে পরিবর্তন (দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ)
বর্তমানে বাংলাদেশে কেবল 'জাতীয় সংসদ' বা এককক্ষবিশিষ্ট সংসদ ব্যবস্থা চালু আছে। 'হ্যাঁ' জয়ী হলে এটি দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদে রূপান্তরিত হবে।
* নিম্নকক্ষ: সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা থাকবেন।
* উচ্চকক্ষ: বিশিষ্ট নাগরিক, বিশেষজ্ঞ এবং বিভিন্ন পেশাজীবীদের নিয়ে একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে, যারা আইন প্রণয়নে গুণগত মান নিশ্চিত করবেন।

২. নির্বাচনী পদ্ধতিতে পরিবর্তন (পিআর সিস্টেম)
প্রচলিত 'জয়ী প্রার্থীর সব ভোট' (First-Past-The-Post) পদ্ধতির পরিবর্তে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব বা পিআর (Proportional Representation) পদ্ধতি চালু হতে পারে। এতে কোনো রাজনৈতিক দল দেশজুড়ে মোট যত শতাংশ ভোট পাবে, সংসদে সেই অনুপাতে আসন লাভ করবে। ফলে ছোট দলগুলোর সংসদে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ বাড়বে।

৩. প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতায় ভারসাম্য
প্রধানমন্ত্রীর একক ও নিরঙ্কুশ ক্ষমতা হ্রাস করার প্রস্তাবনা রয়েছে। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে একটি ভারসাম্য আনা হবে, যাতে শাসনব্যবস্থা একনায়কতান্ত্রিক হওয়ার সুযোগ না পায়।

৪. মেয়াদের সীমাবদ্ধতা
একই ব্যক্তি কতবার প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্রপ্রধান হতে পারবেন, তার একটি সুনির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করা হবে। সাধারণত সর্বোচ্চ দুই মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী থাকার বিধান কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

৫. স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার শক্তিশালীকরণ
কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের স্থানীয় সরকারগুলোকে আরও স্বায়ত্তশাসন ও বাজেটীয় ক্ষমতা দেওয়া হবে। এতে উন্নয়ন কাজ তৃণমূল পর্যায়ে আরও ত্বরান্বিত হবে।

৬. বিচার বিভাগ ও নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা
বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের মতো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্পূর্ণ রাজনীতিমুক্ত ও স্বাধীন করার আইনি কাঠামো তৈরি হবে। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে নির্দিষ্ট কমিশন গঠন করা হতে পারে।

৭. সাংবিধানিক সংস্কার ও স্থায়ী সুরক্ষা
জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে সংবিধানের অনেকগুলো অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হবে। জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা এবং ভবিষ্যতে যাতে কেউ স্বৈরাচারী হতে না পারে, তার জন্য সংবিধানে বিশেষ 'সুরক্ষা কবচ' যুক্ত হবে।

সারকথা: 'হ্যাঁ' জয়ী হওয়ার অর্থ হলো জনগণ একটি নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের পক্ষে রায় দিয়েছে। এটি মূলত রাষ্ট্র মেরামতের একটি আইনি ভিত্তি তৈরি করবে।

গণপূর্ত অধিদফতরের আওতাধীন এলাকার জমি/প্লট/ফ্ল্যাট এর হস্তান্তর ফি, নামজারি ফি এবং কনভার্সন ফি:
25/12/2025

গণপূর্ত অধিদফতরের আওতাধীন এলাকার জমি/প্লট/ফ্ল্যাট এর হস্তান্তর ফি, নামজারি ফি এবং কনভার্সন ফি:

24/12/2025

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Haque & Justice posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to The Haque & Justice:

Share