Advocate Al Mustashim Nobi Niku

Advocate Al Mustashim Nobi Niku Dreams have no boundaries

যথাযথ সমন জারির প্রমান থাকলে একতরফা ডিক্রি বাতিলের আবেদন গ্রহণযোগ্য নয়: হাইকোর্টের রায়________________________________Ci...
20/08/2026

যথাযথ সমন জারির প্রমান থাকলে একতরফা ডিক্রি বাতিলের আবেদন গ্রহণযোগ্য নয়: হাইকোর্টের রায়
________________________________
Civil Revision No. 72 of 2012
Judgement Date: 21.07.2026

09/08/2026

ফাঁকা চেকে ইচ্ছেমতো টাকা বসিয়ে মামলা? আইনি লড়াইয়ের সুযোগ আছে

ঋণ বা আর্থিক লেনদেনের সময় অনেক ক্ষেত্রে জামানত হিসেবে স্বাক্ষর করা ফাঁকা চেক দেওয়া হয়। পরবর্তীতে সেই চেকে ইচ্ছেমতো অঙ্ক বসিয়ে অতিরিক্ত টাকা দাবি করা এবং Negotiable Instruments Act, 1881-এর ১৩৮ ধারায় মামলা দায়ের করার অভিযোগও দেখা যায়।
তবে কোনো চেকে শুধু স্বাক্ষর রয়েছে বলেই তার ধারক যে দাবি করেছেন, তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সত্য প্রমাণিত হয় না। বিশেষ করে চেকটি কী উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছিল, চেকে পরবর্তীতে কোনো পরিবর্তন করা হয়েছে কি না, দাবিকৃত অর্থের প্রকৃত ভিত্তি কী এবং সংশ্লিষ্ট লেনদেন আদৌ সংঘটিত হয়েছিল কি না, এসব বিষয় আদালতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
উচ্চ আদালতের বিভিন্ন সিদ্ধান্তে চেকের লেখার ধরন, কালি, স্বাক্ষর ও অন্যান্য অংশের মধ্যে অসামঞ্জস্য এবং পরবর্তীতে চেক পূরণের অভিযোগকে প্রাসঙ্গিক প্রমাণ হিসেবে বিবেচনার সুযোগ রয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়। এ ক্ষেত্রে ৫৬ DLR, ৭১ DLR ও ৭৫ DLR-এ প্রকাশিত সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্তগুলো মামলার প্রকৃতি ও নির্দিষ্ট তথ্যের আলোকে বিবেচনা করা যেতে পারে।
এ ছাড়া সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৪৫ বিশেষজ্ঞের মতামত গ্রহণের সুযোগ প্রদান করে। তাই কোনো পক্ষ যদি দাবি করে যে চেকের স্বাক্ষর তার হলেও চেকের অন্যান্য অংশ পরবর্তীতে অন্য কেউ পূরণ করেছে, তাহলে মামলার পরিস্থিতি অনুযায়ী হাতের লেখা, কালি বা স্বাক্ষর সংক্রান্ত ফরেনসিক/বিশেষজ্ঞ পরীক্ষার আবেদন করার বিষয়টি আইনজীবীর পরামর্শে বিবেচনা করা যেতে পারে।
তবে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি: ফাঁকা চেকে স্বাক্ষর থাকার বিষয়টি একাই কোনো মামলার চূড়ান্ত ফল নির্ধারণ করে না, আবার ভিন্ন কালি বা হাতের লেখা দেখালেই চেক স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যায় না। আদালত মামলার সামগ্রিক সাক্ষ্য-প্রমাণ, লেনদেনের প্রকৃতি, চেক প্রদানের উদ্দেশ্য এবং পক্ষগুলোর বক্তব্য বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
সুতরাং, ফাঁকা চেকে স্বাক্ষর করে দেওয়ার পর সেটির অপব্যবহার করে অতিরিক্ত অর্থ দাবি বা মিথ্যা মামলা করা হয়েছে বলে কেউ মনে করলে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া উচিত। চেকের মূল কপি, ব্যাংক রেকর্ড, লেনদেনের প্রমাণ, চেক দেওয়ার সময়কার যোগাযোগ এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক নথি সংরক্ষণ করে আইনসম্মত উপায়ে যথাযথ প্রতিরক্ষা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে।

অভিনন্দনসুপ্রিম কোর্টে ৮৬ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি ও ১৭৯ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ।
30/07/2026

অভিনন্দন
সুপ্রিম কোর্টে ৮৬ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি ও ১৭৯ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ।

23/07/2026
17/07/2026

অবাধ্য স্ত্রী-কে ভরণপোষণ দিতে স্বামী বাধ্য নয়।
হাইকোর্ট
১৪ ডিএলআর
পৃষ্ঠা নং-৪৬৫

"আদালত প্রাঙ্গণ থেকে কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা সম্পূর্ণ অবৈধ এবং সংবিধানের মৌলিক অধিকার ও বিচার বিভাগের মর্যাদা উভয়ের ...
05/07/2026

"আদালত প্রাঙ্গণ থেকে কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা সম্পূর্ণ অবৈধ এবং সংবিধানের মৌলিক অধিকার ও বিচার বিভাগের মর্যাদা উভয়ের লঙ্ঘন।"

পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্ট
ইমরান আহমেদ খান নিয়াজি বনাম রাষ্ট্র
(ফৌজদারি পিটিশন নং ৫১৯, ২০২৩)

"Arresting any person from the court premises is completely illegal and a violation of both fundamental constitutional rights and the dignity of the judiciary."

Pakistan Supreme Court in
Imran Ahmed Khan Niazi v. The State
(Criminal Petition No. 519 of 2023)

শুধু টাকা দাবি করলেই কি তা “যৌতুক দাবি” হবে?ফৌজদারি আদালতে সফল ডিফেন্সের অন্যতম নীতি হলো—অভিযোগের ভাষা নয়, আইনের উপাদান...
24/06/2026

শুধু টাকা দাবি করলেই কি তা “যৌতুক দাবি” হবে?

ফৌজদারি আদালতে সফল ডিফেন্সের অন্যতম নীতি হলো—অভিযোগের ভাষা নয়, আইনের উপাদান (ingredients) প্রমাণ করতে হবে। একজন স্বামী স্ত্রীর কাছে টাকা চেয়েছেন—এই তথ্যটি একাই যৌতুক আইনের অপরাধ গঠন করে না। প্রসিকিউশনকে প্রমাণ করতে হবে যে দাবিকৃত অর্থটি আইনগত অর্থে “যৌতুক” ছিল।

আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, মারধর বা নির্যাতনের অভিযোগ করলেই Penal Code-এর 323 ধারার অপরাধ প্রতিষ্ঠিত হয় না। প্রসিকিউশনকে বিশ্বাসযোগ্য ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণে দেখাতে হবে যে ভিকটিম প্রকৃতপক্ষে bodily pain, disease বা infirmity ভোগ করেছেন এবং তা অভিযুক্তের ইচ্ছাকৃত কার্যকলাপের ফল।

যেখানে—

দাবিকৃত অর্থের সাথে “যৌতুক”-এর আইনি সংজ্ঞার সংযোগ প্রমাণিত হয় না,
ঘটনার তারিখ ও পরিস্থিতি অস্পষ্ট থাকে,
সাক্ষ্যসমূহ দুর্বল বা hearsay প্রকৃতির হয়,
আঘাত বা নির্যাতনের উপাদান নির্ভরযোগ্যভাবে প্রমাণিত হয় না,

সেখানে Benefit of Doubt অভিযুক্তের মৌলিক অধিকার হিসেবে কার্যকর হবে।

Case Citation

Masuk Miah Vs. The State and another
Criminal Revision No. 409 of 2007
Judgment dated 18.05.2026
Before: Mr. Justice Md. Salim
Pages 9-12 of the judgment.

Facts of the Case

অভিযোগ ছিল, স্বামী তার স্ত্রীর নিকট Tk.20,000/- দাবি করেন, এবং টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে মারধর করে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে Section 4, Dowry Prohibition Act, 1980 এবং Section 323, Penal Code-এ দোষী সাব্যস্ত করা হয়।

Ratio Decidendi

হাইকোর্ট বিভাগ স্পষ্টভাবে বলেন:

“The demand for simply money by the husband from his wife does not constitute any offense under section 4 of the Dowry Prohibition Act.”

আদালত আরও বলেন যে, প্রসিকিউশন নির্দিষ্ট ঘটনার তারিখ ও যৌতুক দাবির আইনি উপাদান প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। একইসাথে, 323 ধারার ক্ষেত্রে bodily hurt-এর উপাদানও বিশ্বাসযোগ্যভাবে প্রমাণিত হয়নি। ফলে অভিযুক্তকে Benefit of Doubt দিয়ে খালাস প্রদান করা হয়।

18/06/2026

অপরাধমূলক মন (Mens Rea) না থাকলে কোনো কাজই অপরাধ নয়:
------------
বিখ্যাত মামলার নজির: Sherras v. De Rutzen [1895] 1 QB 918 Sherras v. De Rutzen Case Details
মূল ঘটনা ও রায়: ইংল্যান্ডের এই ঐতিহাসিক মামলায় একজন হোটেল ব্যবসায়ী এক পুলিশ কর্মকর্তার কাছে মদ বিক্রি করেছিলেন,পুলিশ কর্মকর্তা ডিউটিতে ছিলেন, কিন্তু তিনি তার ডিউটির আর্মব্যান্ড খুলে রেখেছিলেন। ব্যবসায়ী সরল মনে ভেবেছিলেন পুলিশটি ডিউটিতে নেই। আদালত রায়ে বলেন, "আইনে সাধারণ নিয়ম হলো-দোষী মন (Mens Rea) ছাড়া কোনো অপরাধ হতে পারে না।" ব্যবসায়ী যেহেতু জেনেশুনে অপরাধ করতে চাননি, তাই তিনি নির্দোষ。
প্রয়োগ: রায়হান সোবহানের মনে যেহেতু শফিক নজরুলকে ঘুষ দেওয়ার কোনো সুনির্দিষ্ট ইচ্ছা বা মোটিভ ছিল না, তাই কেবল ৩ টাকা দেওয়ার জন্য তাকে অপরাধী বলা যাবে না।

২. অতি ক্ষুদ্র ও তুচ্ছ ঘটনা আইন বিচার করে না (De Minimis Rule):
---------------
বিখ্যাত মামলার নজির: দণ্ডবিধির ৯৫ ধারা ও এর আইনি ব্যাখ্যা Penal Code Section 95 Official Text
মূল নীতি ও নজির: বাংলাদেশ ও ভারতের দণ্ডবিধির ৯৫ ধারার মূল ভিত্তি হলো এই ল্যাটিন ডকট্রিন。 বিভিন্ন উচ্চ আদালত (যেমন-State of Bihar v. Bihar Chamber of Commerce) এই নীতি প্রতিষ্ঠা করেছেন যে, যদি কোনো লেনদেন বা ক্ষতির পরিমাণ এতটাই ক্ষুদ্র হয় যে কোনো সাধারণ সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ তা নিয়ে নালিশ করবে না, তবে আইন সেখানে মাথা ঘামাবে না।
প্রয়োগ: ৩ টাকা বর্তমান অর্থনৈতিক বাজারে এতটাই ক্ষুদ্র একটি অঙ্ক যে, এর পেছনে কোনো অনৈতিক উদ্দেশ্য না থাকলে একে সরাসরি দণ্ডবিধির ৯৫ ধারার "তুচ্ছ বিষয়" হিসেবে গণ্য করে মামলা বাতিল করা হবে।

৩. অবৈধ সুবিধা পাওয়ার চুক্তি বা নিয়ত ছাড়া "ঘুষ" প্রমাণিত হয় না:
--------------
বিখ্যাত মামলার নজির: State of Madhya Pradesh v. J.B. Singh (2000) 2000 CRILJ 4591 State of M.P. v. J.B. Singh On Indian Kanoon
মূল ঘটনা ও রায়: ভারতের সুপ্রিম কোর্টের এই মামলায় একজন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও ঘুষের অভিযোগ আনা হয়েছিল, কিন্তু আদালত রেকর্ড পর্যবেক্ষণ করে দেখেন যে, লেনদেনের পেছনে কোনো অবৈধ সুবিধা আদায়ের সুনির্দিষ্ট দাবি (Demand) বা চুক্তি রাষ্ট্রপক্ষ প্রমাণ করতে পারেনি,ফলে উচ্চ আদালত আসামিকে খালাস দেন।
প্রয়োগ: দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন অনুযায়ী, টাকা দিলেই ঘুষ হয় না, তার বিনিময়ে কোনো "অবৈধ পারিতোষিক" বা অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার চুক্তি থাকতে হয়。 রায়হান সোবহান কোনো নিয়ম ভেঙে বাড়তি সুবিধা নেননি, তাই এটি ঘুষের সংজ্ঞাতেই পড়ে না।

৪. সরল বিশ্বাসে (Good Faith) করা কাজ অপরাধের আওতামুক্ত:
-------------
বিখ্যাত মামলার নজির: Sukha v. State of Rajasthan (Landmark on Section 52) Good Faith and Indian Penal Code Analysis
মূল নীতি ও রায়: এই মামলায় আদালত পরিষ্কার করেন যে, দণ্ডবিধির ৫২ ধারা অনুযায়ী কোনো কাজ যদি উপযুক্ত সতর্কতা ও সৎ উদ্দেশ্যে করা হয়, তবে তাকে "সরল বিশ্বাসে" করা কাজ বলা হবে,আইন সরল বিশ্বাসে করা কাজকে সবসময় সুরক্ষা দেয়।
প্রয়োগ: রায়হান সোবহান ইসলামী মাইন্ডের মানুষ হিসেবে সামাজিক বকশিশ বা ভাঙতি হিসাবের অংশ ভেবে সরল মনে ৩ টাকা দিয়েছিলেন, যার পেছনে কোনো অসৎ উদ্দেশ্য ছিল না।

৫. মানবিক ভুল বা হিসাবের গড়মিল ফৌজদারি অপরাধ নয়:
-------------
বিখ্যাত মামলার নজির: R. v. Tolson (1889) 23 QBD 168 R. v. Tolson Case Record
মূল ঘটনা ও রায়: এই মামলায় এক নারী তার প্রথম স্বামী সমুদ্রে জাহাজ ডুবিতে মারা গেছেন-এমন যুক্তিসঙ্গত ও সরল বিশ্বাস থেকে ৬ বছর পর দ্বিতীয় বিয়ে করেন,পরে প্রথম স্বামী জীবিত ফিরে এলে তার বিরুদ্ধে দ্বিপত্নীত্ব বা বিগামির (Bigamy) মামলা হয়。 আদালত রায় দেন যে, সরল বিশ্বাসে কোনো তথ্যের বা বাস্তবতার ভুল (Mistake of Fact) ঘটলে তা অপরাধ নয়।
প্রয়োগ: ৩ টাকার লেনদেনটি কোনো দুর্নীতি নয়, এটি দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ একটি গাণিতিক বা মানবিক অসাবধানতা মাত্র, যা কোনো ফৌজদারি সাজার যোগ্য নয়।

26/04/2026

পেশাগত দায়িত্ব পালনের কারণে আইনজীবীকে দায়ী/অভিযুক্ত করা যায় না
13BLD (AD) 152 (ক)

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Advocate Al Mustashim Nobi Niku posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category