Universal Law Firm

Universal Law Firm Committed For Best Legal Solution.

09/06/2026

রিট অব সার্টিওরারি (Writ of Certiorari) — গ্রহণযোগ্যতার পরিধি ও হাইকোর্ট বিভাগের হস্তক্ষেপের আওতা
রিট অব সার্টিওরারি : গ্রহণযোগ্যতা (Maintainability)
এটি একটি স্বীকৃত আইনি নীতি যে, কোনো ট্রাইব্যুনালের রায় বা সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে রিট অব সার্টিওরারি আবেদনের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ সাধারণত হস্তক্ষেপ করতে দ্বিধাবোধ করে, যদি না উক্ত সিদ্ধান্তটি চরমভাবে অযৌক্তিক (perverse) হয় অথবা এর মাধ্যমে ন্যায়বিচারের চরম অবক্ষয় (gross miscarriage of justice) ঘটে থাকে।
রিট অব সার্টিওরারি শুধুমাত্র তখনই গ্রহণযোগ্যতা পায়, যখন কোনো ট্রাইব্যুনাল তার আইনি ক্ষমতার প্রয়োগকালে এমন কোনো আদেশ প্রদান করে যা আইনগতভাবে মারাত্মক ত্রুটিপূর্ণ। কেবলমাত্র আইনের সামান্য ভুল (mere error of law) হওয়ার অজুহাতে হাইকোর্ট বিভাগ সার্টিওরারি রিট জারি করতে পারে না।
আইনি ত্রুটিটি অবশ্যই এমন হতে হবে যা “error apparent on the face of the record”, অর্থাৎ নথিপত্র বা রেকর্ডের ওপর দিয়েই যা স্পষ্টভাবে ও প্রত্যক্ষভাবে বোঝা যায়। এটি সাধারণ কোনো ভুল বা মতপার্থক্যপূর্ণ বিষয় থেকে অধিকতর গুরুতর ও প্রকট হতে হবে।
যেসব পরিস্থিতিতে সার্টিওরারি রিট জারি করা সম্ভব
হাইকোর্ট বিভাগ নিম্নোক্ত ক্ষেত্রগুলোতে রিট অব সার্টিওরারি জারি করতে পারে—
(ক) যদি রায়টি জালিয়াতি (fraud), যোগসাজশ (collusion) কিংবা দুর্নীতি (corruption) দ্বারা হাসিল করা হয়;
(খ) যদি ট্রাইব্যুনাল প্রাকৃতিক ন্যায়বিচারের আদর্শসমূহ (principles of natural justice) ভঙ্গ করে;
(গ) যদি নথিপত্রের ওপর দিয়েই সুস্পষ্ট আইনি ভুল (error apparent on the face of the record) দৃশ্যমান হয়;
(ঘ) যদি ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত কোনো প্রকার প্রমাণের ভিত্তি ছাড়াই (based on no evidence whatsoever) গৃহীত হয়;
(ঙ) যদি উক্ত সিদ্ধান্তটি অসৎ উদ্দেশ্যে (mala fide) প্রদান করা হয়;
(চ) যদি সিদ্ধান্তটি এতটাই অযৌক্তিক বা বিমূর্ত (perverse) হয় যা ন্যায়বিচারের পরিপন্থী হিসেবে গণ্য হয়।

09/06/2026

আগামী জুলাই ২০২৬ থেকে আয়কর ও ভ্যাট আইনে উল্লেখযোগ্য যে সকল পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে:

১) ব্যক্তিশ্রেণির করদাতারা বছরের যেকোনও সময় আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সুযোগ পাবেন। তবে নির্ধারিত সময়ের শুরুতে রিটার্ন জমা দিলে করছাড় মিলবে, আর দেরি করলে গুনতে হবে জরিমানা।

➡️ প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় প্রথম প্রান্তিকে রিটার্ন দাখিল করলে করদাতা পরিশোধিত করের ৫ শতাংশ অথবা সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত করছাড় পাবেন।

➡️দ্বিতীয় প্রান্তিকে রিটার্ন দাখিল করলে কোন জরিমানা না থাকলেও বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত পাওয়া যাবে না।

➡️তৃতীয় প্রান্তিকে রিটার্ন দাখিল করলে পরিশোধযোগ্য করের ২ শতাংশ অথবা ৩ হাজার টাকার মধ্যে যেটি বেশি, সেই পরিমাণ জরিমানা দিতে হবে।

➡️চতুর্থ প্রান্তিকে রিটার্ন দাখিল করলে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ অথবা ৫ হাজার টাকার মধ্যে যেটি বেশি, সেই হারে জরিমানা আরোপ করা হবে। এই অর্থ মূল করের সঙ্গে যুক্ত হবে।

২) কমছে বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত সুবিধা:

➡️নতুন প্রস্তাবে রেয়াতের হার অনুমোদিত বিনিয়োগের ১৫% এর পরিবর্তে ১০% এবং সর্বোচ্চ সীমা ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হতে পারে। তবে কর রেয়াতের আওতাভুক্ত খাতগুলো অপরিবর্তিত থাকবে।

৩) স্বর্ণ ও ডিজিটাল সম্পদ বিক্রিতে গেইন ট্যাক্স আরোপ:

➡️বাজেট প্রস্তাবে স্বর্ণালংকার, স্বর্ণের বার, রৌপ্য, মূল্যবান রত্ন, ধাতব মুদ্রা, ডিজিটাল মুদ্রা, চিত্রকর্ম, এন্টিকস এবং ক্লাব সদস্যপদ হস্তান্তরের মাধ্যমে অর্জিত আয়কে মূলধনি সম্পদ হিসেবে গণ্য করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় করদাতার রিটার্নে প্রদর্শিত স্বর্ণ বিক্রি করে যে মুনাফা অর্জিত হবে, তার ওপর ১৫% মূলধনি কর আরোপ করা হবে।

৪) অতিরিক্ত কর ফেরত মিলবে ৬০ দিনের মধ্যে:

➡️করদাতাদের সুবিধার্থে অতিরিক্ত কর পরিশোধ হলে তা ৬০ দিনের মধ্যে ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থাও চালু করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

৫) ৭ সেবায় বিআইএন বাধ্যতামূলক করা হবে:

ভ্যাটের আওতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ব্যবসা শনাক্তকরণ নম্বর (বিআইএন) বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী:

🎈ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে চলতি হিসাব খোলা।
🎈ঋণ গ্রহণ।
🎈ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন।
🎈মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খোলা।
🎈বাণিজ্য সংগঠনের সদস্যপদ গ্রহণ বা নবায়ন।
🎈ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নামে বিদ্যুৎ-গ্যাস সংযোগ গ্রহণ। এবং
🎈বিআরটিএতে প্রতিষ্ঠানের নামে যানবাহন নিবন্ধনের ক্ষেত্রে বিআইএন বাধ্যতামূলক করা হবে।

08/06/2026

"রাষ্ট্র বনাম সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার (রামিসা ধর্ষণ
ও হত্যা মামলা, ২০২৬)"
#রামিসা হত্যা মামলাটি বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নজিরবিহীন দ্রুত বিচার মামলার উদাহরণ।
#মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ :
★১৯ মে ২০২৬: ঢাকার পল্লবীতে ৮ বছর বয়সী রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ।
★২০ মে ২০২৬: রামিসার বাবা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।
★২৪ মে ২০২৬: পুলিশ চার্জশিট দাখিল করে।
★১ জুন ২০২৬: আদালত অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন।
★২ জুন ২০২৬: সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়।
★৪ জুন ২০২৬: যুক্তিতর্ক শেষ হয়।
★৭ জুন ২০২৬: রায় ঘোষণা করা হয়।
#অর্থাৎ, মামলা দায়ের থেকে রায় পর্যন্ত মাত্র ১৮-১৯ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্ন হয়েছে।
#মামলার রায়: আদালত প্রধান আসামি সোহেল রানা এবং তার সহযোগী স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(২) ধারায় অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন। পাশাপাশি প্রধান আসামি সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং সহযোগী আসামি স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা।
#এই মৃত্যুদন্ডের রায় কি অবিলম্বে কার্যকর?
উত্তর না! মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে ফাঁসি কার্যকর হয় না।
★সাধারণত পরবর্তী ধাপগুলো হলো:
১.ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে যাবে।
২.হাইকোর্ট ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনবে।
৩.প্রয়োজনে আপিল বিভাগে আপিল হবে।
৪.রিভিউ আবেদন হতে পারে।
৫.রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করা যেতে পারে।
সব আইনি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যায়।
#তবে মামলাটি দায়েরের মাত্র ১৮ দিনের মধ্যে রায় ঘোষণার মাধ্যমে বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থায় দ্রুত বিচারের একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে।
#পরিশেষে একজন আইনজীবী হিসেবে পেশাগত দৃষ্টিকোণ থেকে বললে, মামলাটি" "—এই দুই নীতির ভারসাম্য নিয়ে ভবিষ্যতে বাংলাদেশের #ফৌজদারি বিচারব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স হিসেবে আলোচিত হতে পারে।

Eid Ul Adha Mubarak 2026
01/06/2026

Eid Ul Adha Mubarak 2026

06/03/2026

561A সংক্রান্ত হাইকোর্টের গুরুত্বপূর্ণ রায় এই মামলায় আদালত পর্যবেক্ষণ দেন যে: সমাজে সংঘটিত অপরাধকে সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনার উদ্দেশ্যে এবং সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর বিচার দ্রুত ও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আইনসভা বিশেষ অপরাধ সংক্রান্ত একটি বিশেষ আইন প্রণয়ন করে। কিন্তু বিচার পর্যায়ে অনেক অভিযুক্তের পলাতক থাকার প্রবণতার কারণে বিচার আদালতগুলো মামলার বিচার সম্পন্ন করতে বিলম্বে বাধ্য হয়। ফলে ঐ বিশেষ আইনের উদ্দেশ্য ও কাঠামো শেষ পর্যন্ত ব্যাহত হয়ে পড়ে।

যতদিন পর্যন্ত অভিযুক্ত-পরবর্তীতে-দণ্ডিত ব্যক্তিরা উপলব্ধি না করবে যে নির্ধারিত ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে appeal দাখিল না করার গুরুতর পরিণতি হচ্ছে বিচারিক সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ থেকে নিজেদের বঞ্চিত করা—ততদিন পর্যন্ত অভিযুক্ত ও তাদের আইনজীবীদের মধ্যে বিষয়টিকে হালকাভাবে নেওয়ার প্রবণতা পরিবর্তিত হবে না। বর্তমানে তারা প্রায় নিশ্চিত ধরে নেয় যে পুলিশ কর্তৃক গ্রেপ্তার হওয়ার পর যদি তারা Section 561A CrPC এর অধীনে কোনো application দাখিল করে এবং কিছু মনগড়া কারণ উপস্থাপন করে, তাহলে তারা সহজেই এই প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করতে পারবে। এই আদালতের দৃষ্টিতে আমাদের দেশের এই প্রচলিত পরিস্থিতি একটি মারাত্মক রোগের মতো, যা একসময় বাংলাদেশের ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার প্রশাসনিক কাঠামোকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যেতে পারে।
… (Para 14)

কোনো দণ্ডিত ব্যক্তি যদি নির্ধারিত ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে appeal দাখিল না করে বা করতে ব্যর্থ হয়, তবে Section 561A CrPC এর অধীনে তার কোনো application এই আদালত গ্রহণ করবে না—যতক্ষণ না সে আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে সে একজন bonafide petitioner এবং সে পরিষ্কার উদ্দেশ্য ও clean hands নিয়ে এই আদালতের সামনে উপস্থিত হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে আরও দেখাতে হবে যে মামলাটি এমন একটি মামলা যেখানে (i) কোনো evidence ছিল না, অথবা (ii) trial Court এর মামলাটি বিচার করার jurisdiction ছিল না (without jurisdiction), অথবা (iii) trial Court যথাযথভাবে গঠিত ছিল না (coram-non-judice)।
… (Para 16)

bonafides প্রমাণ করার জন্য একজন petitioner-কে এই আদালতকে সন্তুষ্ট করতে হবে যে তার কোনো বিশেষ ব্যক্তিগত পরিস্থিতির কারণে সে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে appeal দাখিল করতে পারেনি। যেমন—
(i) সে অন্য একটি মামলায় prison এ ছিল এবং সংশ্লিষ্ট মামলার বিষয়ে তাকে অবহিত করা হয়নি;
(ii) সে custody/jail থেকে নিয়মিত trial Court এ হাজিরা দিত, কিন্তু judgment ঘোষণার দিন তাকে আদালতে হাজির করা হয়নি, ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে appeal করতে পারেনি;
(iii) তার স্বাস্থ্যগত অবস্থা এতটাই দুর্বল ছিল যে সে তার lawyer এর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেনি বা Vokalatnama তে স্বাক্ষর করে কাউকে appeal করার অনুমতি দিতে পারেনি; অথবা
(iv) অন্য কোনো অনিবার্য পরিস্থিতি ছিল, যা High Court Division-এর নিকট গ্রহণযোগ্য ও যুক্তিসঙ্গত বলে প্রতীয়মান হয়।

অন্য কথায়, petitioner-কে High Court Division-কে সন্তুষ্ট করতে হবে যে Special Tribunal-এ তার মামলার বিষয়ে সে অবহেলা করেনি এবং Section 561A CrPC এর অধীনে application দাখিল করার সময় আদালতের jurisdiction আকর্ষণের উদ্দেশ্যে কোনো সাধারণ বা মনগড়া বক্তব্য ব্যবহার করেনি।
… (Para 17)

যদি petitioner এই মর্মে দাবি করে যে তার lawyer এর পরামর্শ অনুযায়ী সে trial-এ অনুপস্থিত ছিল, তবে তাকে অবশ্যই প্রথমে Bar Council-এ professional negligence এর অভিযোগ আনতে হবে এবং তার পরেই Section 561A CrPC এর অধীনে application দাখিল করতে হবে।
… (Para 18)

Magistrate এর নিকট থেকে record (bw_) পাওয়ার পর যদি bail-এ থাকা accused Tribunal-এ উপস্থিত না হয়, তবে Tribunal প্রথমে তার উপস্থিতির জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করবে। নির্ধারিত তারিখে accused উপস্থিত না হলে Tribunal surety-কে accused-কে হাজির করতে নির্দেশ দেবে। উপরোক্ত পদক্ষেপগুলো গ্রহণের পরও যদি accused উপস্থিত না হয়, তাহলে Tribunal যত দ্রুত সম্ভব বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করবে।

Judgment ও conviction এবং sentence ঘোষণার পর Tribunal অভিযুক্তের learned Advocate-কে স্মরণ করিয়ে দেবে যে accused মাত্র ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে appeal দাখিল করার সুযোগ পাবে; অন্যথায় High Court Division-এ Section 561A CrPC এর অধীনে কোনো application গ্রহণ করা হবে না।

এরপর Tribunal-এর learned Judge নিশ্চিত করবেন যে accused-turn-convict এর learned Advocate উপরোক্ত সতর্কতামূলক নির্দেশনা বুঝেছেন। কারণ যদি learned Advocate তার মক্কেলকে conviction এবং ৩০ দিনের মধ্যে appeal করার অধিকার সম্পর্কে অবহিত না করেন, তবে তিনি তার পেশাগত দায়িত্ব পালনে professional negligence এর অভিযোগের ঝুঁকিতে পড়বেন।

পরবর্তীতে Tribunal-এর learned Judge Order Sheet-এ উল্লেখ করবেন যে তিনি learned Advocate-এর দৃষ্টি আকর্ষণ করে এই সতর্কতামূলক নির্দেশনা প্রদান করেছেন।
… (Para 19)

এই PDF ও আইনের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাটেরিয়ালস এবং নিয়মিত আপডেট পেতে যুক্ত থাকুন আমাদের গ্রুপে। কমেন্টে লিংক দেওয়া আছে।

05/03/2026

আলহামদুলিল্লাহ,মাএ ০৬ দিনে আমার ০১ জন ক্লায়েন্টের আমেরিকার EB3 ভিসার I-140 রেগুলার প্রসেসে এপ্রোভ হয়েছে।তবে সব ফাইল যে ০৬ দিনে এপ্রোভ হয়ে বিষয়টি এমন না।পূর্বে I-140 এপ্রোভ হতে সময় লাগতো প্রায় ০৮-১০ মাস।পূর্বের তুলনায় বর্তমানে অনেক কম সময়ে I-140 এপ্রোভ হচ্ছে।নিচে I-140 এপ্রোভের বিস্তারিত দেয়া হলো।

Received Date: 20/02/2026
Notice Date:25/02/2026
Priority Date:01/05/2024
Duration:06 days

এখন পর্যন্ত আমার মোট ২১ টা ফাইলের LC (PERM) এপ্রোভ হয়েছে।১০ টা ফাইলের I-140 এপ্রোভ হয়েছে।

EB3 ভিসা একটা দীর্ঘ মেয়াদী প্রসেস।বর্তমানে বাংলাদেশে অনেক ব্যাকলগ আছে। EB3 তে অনেক ধৈর্য ধারন করতে হবে।তাছাড়া অর্থ ও সময় লাগবে।

Every fiscal year (Oct 1 – Sept 30):Total Employment-Based visas: 140,000.

EB-3 Other Workers gets only 10,000 total worldwide.That 10,000 includes:Principal workers,Spouses,Children.

LC বা PERM হলো EB3 এর ১ম ধাপ।যদি অডিটে না পরে তাহলে LC এপ্রোভ হতে সময় লাগবে ১৫-১৮ মাস।যদি অডিটে পরে তাহলে সময়টা আরো বেড়ে যাবে।

২য় ধাপ হলো I-140. এপ্রোভ হতে সময় লাগছে প্রায় ২-৩ মাস।কিছু কিছু ক্ষেএে রেগুলার প্রসেসে ০৭ দিনেও এপ্রোভ হয়ে যাচ্ছে।পূর্বের চেয়ে বর্তমানে I-140 অনেক দ্রুত এবং কম সময়ে এপ্রোভ হচ্ছে।পূর্বে I-140 এপ্রোভ হতে প্রায় ৮-১০ মাস সময় লাগতো।

৩য় ধাপ হলো NVC ( DQ). এই ধাপে প্রায় ৩-৪ মাস সময় লাগতে পারে।অথাৎ EB3 এর ০৩ টা ধাপ সম্পন্ন হতে প্রায় ২.৫-৩ বছর সময় লাগতে পারে।

৪র্থ থাপ হলো ভিসা ইন্টারভিউ অথবা AOS.আপনার PD & DQ কারেন্ট হবার পর ইন্টারভিউ লেটার পাবেন।LC ( PERM),I-140,NVC ( DQ) এই ৩টা ধাপ শেষ হবার পর ইন্টারভিউ লেটারের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হতে পারে।

আমি আমেরিকার একটা ল ফার্মের সাথে শুধুমাএ EB3 ( Unskilled) ভিসা নিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ কাজ করছি।তবে সততা ও স্বচ্ছতার সহিত কাজ করি।৩য় কোন মাধ্যমে কাজ করিনা।তাছাড়া আমি কিছুটা বেছে বেছে ফাইল নিয়ে কাজ করি।পলিসিগত কারনে ল ফার্মের নাম বা এর্টনী ফি সংক্রান্ত কোন তথ্য শেয়ার করতে পারছিনা বলে আন্তরিক ভাবে দুঃখিত।

মার্চের শেষের দিকে আমার আরো কিছু ফাইল LC এর জন্য DOL এ সাবমিট হবে।কেউ যদি EB3 ( Unskilled) তে আবেদন করতে চান,আমার সাথে Whatsapp এ অথবা উত্তরাতে আমার নিজস্ব অফিসে এসে কথা বলতে পারেন।সহযোগীতা করতে পারবো ইনশাআল্লাহ।

ধন্যবাদ-

রুনা আক্তার
WhatsApp -01869963234

02/01/2026
17/11/2025

অনেকেই জমি মাপার পদ্ধতি জানি না। তাই, সাধারণত জমি মাপার সময় আমরা একজন আমিন বা সার্ভেয়া্রের শরণাপন্ন হই। এই ব্যাপারে তখন আমাদের সেই সার্ভেয়ার বা আমিনের উপর চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করতে হয়। সেক্ষেত্রে, প্রতারিত হবার কিছুটা সম্ভাবনা থেকেই যায়। জমি পরিমাপের ব্যাসিক ধারণা পারে এই সমস্যা থেকে সমাধান দিতে।
এ ছাড়া জমি পরিমাপ জানা থাকলে জমি কেনার সময় জমির পরিমাণ নিজেই মেপে বের করা যায়। এই আর্টিকেলে জমি মাপার বিভিন্ন সূত্র এবং নিয়মগুলো খুব সহজ করে বর্ণনা করা হয়েছে।
সুত্র এবং নিয়ম গুলো জানা থাকলে আশা করি, জমি মাপার বিষয়টি আপনাদের কাছে খুবই স্বচ্ছ হয়ে উঠবে।
জমির মাপের সাথে সম্পৃক্ত বিভিন্ন এককঃ
১ শতাংশ = ১০০০ বর্গলিংক
১ শতাংশ = ৪৩৫.৬০ বর্গ ফুট
১ শতাংশ = ১৯৩.৬০ বর্গহাত
১ শতাংশ = ৪৮.৪০ বর্গগজ
১ শতাংশ = ৪০.৪৭ বর্গ মিটার
জমি কেনার আগে আপনাকে যা যা জানতে হবে
বিভিন্ন পরিমানে জমির হিসাবঃ
১ শতক = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট
১ শতক = ৪৮.৪০ বর্গগজ
১ শতক ৪০.৪৬ বর্গমিটার
১ শতক = ১৯৪.৬০ বর্গহাত
১ শতক ১০০০ বর্গলিংক
১ কাঠা = ১.৭৫ শতক (৩৫ এর মাপে)
১ কাঠা = ১.৬৫ শতক (৩৩ এর মাপে)
১ কাঠা = ১.৫০ শতক (৩০ এর মাপে)
১ একর = ৬০.৬০ কাঠা
১ একর = ৩.০৩ বিঘা
১ হেক্টর = ২.৪৭ একর
১ একর = ৪৩৫৬০ বর্গফুট
১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ
১ একর = ৪০৪৬ বর্গমিটার
১ একর = ১৯৪৬০ বর্গহাত
১ একর = ১০০০০০ বর্গলিংক।
উদাহরণঃ একটি জমির দৈর্ঘ্য উত্তর আইল ৫০ ফুট, দক্ষিণ আইল ৫৪ ফুট, প্রস্থ পশ্চিম আইল ৩০ ফুট, ভিতরে এক অংশে ৩৪ ফুট, এক অংশে ৩৮ ফুট এবং পূর্ব আইল ৪০ ফুট জমিটির পরিমাণ কত ?
জমিটির দৈর্ঘ্য ৫০+৫৪ = ১০৪ (দুই দিকের দৈর্ঘ্য যোগ করা হলে) তাই ২ দিয়ে ভাগ করলে দৈর্ঘ্য পাওয়া যায় (১০৪ ভাগ ২) = ৫২ ফুট।
জমিটি প্রস্থে অসম হওয়ায় এর ২ দিকের বাউন্ডারীর প্রস্থ ছাড়াও ভিতরের দিকে অন্তত ২াট প্রস্থ পরিমাপ এবং তা গড় করে মূল প্রস্থ বের করা যায় ৩০+৪০+৩৪+৩৮ = ১৪২ (ফুট) এর গড় (১২৪ ভাগ ৪) ৩৫.৫ ফুট।
ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য x প্রস্থ = ৫২ x ৩৫.৫ = ১৮৪৬ বর্গফুট (জমিটির ক্ষেত্রফল)
সূত্র মতে ৪৩৫.৬০ বর্গফুট = ১ শতাংশ।
অতএব উপরের জমিটির পরিমাণ (১৮৪৬ ভাগ ৪৩৫.৬০) = ৪.২৪ শতাংশ।
পরচা, দাখিলনামা, জমাবন্দি, দাখিলা, দাগ নাম্বার, ছুটদাগ কি?
ক্ষেত্রফল আকৃতির জমির মাপঃ
প্রথমেই সুত্রগুলো জেনে নেয়া যাক-
ক্ষেত্রফল = বাহু X বাহু
কর্ন = ১ বাহু X ১.৪১৪
পরীসিমা= ১ বাহু X ৪
এখন যদি প্রশ্ন হয় একটি বর্গক্ষের বাহুগুলির দৈর্ঘ্য ১২০ লিংক করে হলে উহার ক্ষেত্রফল এবং জমির পরিমাণ বের কর।
তাহলে আমরা জেনেছি যে, ক্ষেত্রফল= বাহু X বাহু = ১২০ X ১২০= ১৪৪০০ বর্গলিংক (যদি ক্ষেত্রফলের একেকটি বাহু ১২০ লিংক হয়)।
এখন আমরা আগেই জেনেছি যে, ১ শতাংশ = ১০০০ বর্গ লিংক তাহলে জমির পরিমান,
১০০০ বর্গ লিংক = ১ শতাংশ
১ বর্গ লিংক = ১০০০ ভাগের ১ ভাগ
১৪৪০০০ বর্গ লিংকে কত হবে?
সুতরাং ১৪৪০০০ বর্গ লিংকে ১০০০ দিয়ে ভাগ দিলে যা হবে তাই হচ্ছে তার ফল অর্থাৎ ১৪.৪০ শতাংশ হবে।

জমি মাপের সহজ পদ্ধতি ও যন্ত্রপাতিঃ
গ্যান্টার জরিপঃ
ইংরেজ বিজ্ঞানী গ্যান্টার জরিপ কাজে ব্যবহৃত চেইন আবিস্কার করেন। তাই তার নামানুসারে এ চেইনের নামকরন করা হয়েছে “গ্যান্টর্র্স চেইন”। এ চেইনের দের্ঘ্য ২২ গজ বা ৬৬ ফুট। এতে ১০০টি লিংক আছে। প্রতি লিংকের দৈর্ঘ্য ৭.৯২ ইঞ্চি এর দু মাথায় দুটো হাতল এবং দশম লিংক একটি করে “পেন্ডিল” বা পুলি আছে।
ইদানিং ফিতা/টেপ ব্যবহার করেও জমি পরিমাপ করা হয়। সার্ভেয়ার বা আমিন সব সময় পাওয়া যায় না। এক্ষেত্রে নিম্নোক্ত হিসাব ও পদ্ধতি প্রয়োগের মাধ্যমে আপনি নিজেই জমি পরিমাপ করতে পারবেন।
হিসাবটি হলোঃ
১০০০ বর্গ লিংক (৩১.৬২x৩১.৬২ লিংক) ১ শতাংশ।
১৯৪.৬ বর্গ হাত (১৩.৯৫x১৩.৯৫ হাত) = ১ শতাংশ।
১০.০০০ বর্গ লিংক (১x১ চেইন) = ১০ শতাংশ।
৩৩.৩ শতাংশ কার্যত ৩৩ শতাংশ = ১ বিঘা। (ষ্টান্ডার্ড বিঘা)
১০০ শতাংশ বা ৪৮৪০ বর্গগজ = ১ একর।
৪৮৪০x৯ (৯ বর্গফুট = ১ বর্গ গজ বলে = ৪৩৫৬০ বর্গফুট।
৪৩৫৬০ ১০০ (১০০ শতাংশ ১ একর বলে)= ৪৩৫.৬ বর্গফুট।
অতএব ১ শতাংশ = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট বা ৪০.৪৬ বর্গমিটার (প্রায়)।

আমাদের দেশে কোথাও ৩৫ শতাংশে ১ বিঘা, কোথাও ৩৩ শতাংশে ১ বিঘা আবার ইদানিং ৩০ শতাংশে ১ বিঘা বলা হচ্ছে।
যদিও সরকারি বিঘা ৩৩ শতাংশেই করা হয়। অপরদিকে কাঠার পরিমাণ শতাংশের পরিমাণে স্থান বিশেষ পার্থক্য হলেও ২০ কাঠায় ১ বিঘার হিসেবে সর্বত্র প্রচলিত ও স্বীকৃত আছে।

ডায়াগনাল স্কেলঃ
ডায়াগনাল স্কেল একটি চার কোনা বিশিষ্ট তামা ব্রোঞ্জের তৈরি স্কেল। ইহার চার পাশে ১০ টি ঘর বা কক্ষ থাকে প্রতিটি ঘরের মান ১০০ লিংক। ১৬”=১ মাইল স্কেলে ইহা তৈরি করা হয়। এবং গান্টার চেইনের সাথে মিল আছে বলে একে গান্টার স্কেলও বলা হয়।

আভার অফসেটঃ
এটি একটি প্লাষ্টিকের তৈরি স্কেল এই স্কেলের সাথে গান্টার স্কেলের মিল আছে। ইহার দৈর্ঘ্য ২ ” এবং প্রস্ত .৫” (ইঞ্চি) এই স্কেলের সাহায্যে নকশার সংকোচিত দুরত্ব সহজে মাপা যায়। এটা ছাড়া অফনেট নেয়ার ক্ষেত্রে ইহা বিশেষ সুবিধাজনক। গুনে গুনে সংখ্যা হিসাব করা যায় বলে একে গুনিয়া বলা হয়।

ডিভাইডার বা কাটা কম্পাসঃ
ইহা একটি জ্যামিতিক কম্পাস। ইহার সাহায্যে নকশার সংকোচিত দুরত্ব নিয়ে ডাইগোনাল স্কেলে মাপ নেয়া যায় এবং দুরত্ব গুনিয়া গুনিয়া সংখ্যা বুঝা যায়।

জোনাল জরিপঃ
ভূমি সংস্কার কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক রিভিশনাল সেটেলমেন্ট পদ্ধতির পরিবর্তে ১৯৮৫-৮৬ অর্থ বছরে স্থায়ী পদ্ধতির জোনাল সেটেলমেন্ট আরম্ভ হয়। ১০ টি বৃহত্তর জেলায় জরিপ কাজ হয় এবং এ জরিপে সৃষ্ট খতিয়ানকে বাংলাদেল সার্ভে বা বি. এস. খতিয়ান বলে। কেউ আবার একে আর. এস. খতিয়ান বলে।
দিয়ারা জরিপঃ দরিয়া শব্দ থেকে দিয়ারা শব্দের উদ্ভব। যে সকল এলাকায় নদী বা সাগরের কারনে জমির ভাঙ্গাগড়া বেশী হয় সে অঞ্চলে দিয়ারা জরিপ পরিচালিত হয়।
বিঘা থেকে কাঠা ও শতাংশ বের করার পদ্ধতি :
১ কাঠা = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট x৩৫ (৩৫ শতাংশে বিঘা হিসাবে) ২০ (২০ কাঠায় বিঘা বলে)। ১ কাঠা = ১৫২৪৬২০ = ৭৬২.৩ বর্গ ফুট, ১ কাঠা ৭৬২.৩ ৪৩৫.৬ = ১.৭৫ শতাংশ। অনুরুপভাবে ৩০ শতাংশে ১ বিঘা ধরলে ১ কাঠা সমান = ১.৫০ শতাংশ। সংগৃহীত। ফটো এডিটিং সুশান্ত বিশ্বাস। ゚ ゚ #ভূমিসেবা #আইনী

08/10/2025

সোনা কেনার আগে এটা না জানলে বিপদ নিশ্চিত ১০০% 😨❌

এই বিষয়গুলি জানা থাকলেই গোল্ড কিনতে গেলে আর ঠকার ভয় নেই ।

১ ভরি - ১৬ আনা - ৯৬ রতি - ৯৬০ পয়েন্ট - ১১.৬৬৪ গ্রাম
১ আনা - ৬ রতি - ৬০ পয়েন্ট - ০.৭২৯ গ্রাম
১ রতি - ১০ পয়েন্ট - ০.১২১৫ গ্রাম
১ পয়েন্ট - ০.০১২১৫ গ্রাম

সোনা দুইভাবে পরিমাপ করা হয় গ্রাম এবং আনা / রতি । সোনার দামের হিসাব কিভাবে করবেন ?

ধরা যাক, প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ টাকা । হিসাবের সুবিধার জন্য রাউন্ড ফিগার গণনা করছি ।

১ ভরি - ১৬ আনা / ৯৬ রতি - ১১.৬৬৪ গ্রাম
ওজনের হিসাবঃ সোনার ওজন * (২ লাখ টাকা / ১১.৬৬৪ গ্রাম)

১ আনা - ৬ রতি - ০.৭২৯ গ্রাম
ওজনের হিসাবঃ সোনার ওজন * (২ লাখ টাকা / ১১.৬৬৪ গ্রাম/১৬)

১ রতি - ১০ পয়েন্ট - ০.১২১৫ গ্রাম
ওজনের হিসাবঃ সোনার ওজন * (২ লাখ টাকা / ১১.৬৬৪ গ্রাম/৯৬)

উল্লেখ্য যে, আনার হিসাবে ১৬ এবং রতির হিসাবে ৯৬ দিয়ে ভাগ হয়েছে । এসব গাণিতিক পয়েন্টগুলি মুখস্ত রাখবেন ।

বাজারে যেহেতু ১ গ্রামের নিচে সোনার কয়েন বিক্রি হয় না তাই দেখা যাক ১ গ্রাম সোনার দাম কত হয় ?

মনে করি, ১ ভরি সোনার দাম ২ লাখ টাকা
১ ভরির ওজন - ১১.৬৬৪ গ্রাম
১ গ্রাম - ২ লাখ টাকা / ১১.৬৬৪ গ্রাম = ১৭,১৪৭ টাকা প্রায়

যে জিনিসগুলি অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে
১. কেনার সময় খেয়াল করুন কত ক্যারেট চাচ্ছেন ও আপনাকে কত ক্যারেট প্রদান করা হচ্ছে এবং এটা পরীক্ষা করে নিন ।

২. গয়না কেনার সময় মজুরি বা মেকিং চার্জ, ভ্যাটের পরিমাণ ও অন্যান্য গোপন খরচ থাকলে জেনে নিশ্চিত হউন । ভ্যাট নরমালি ৫% ধরা হয় ।

৩. হলমার্ক ও সার্টিফিকেট চেক করে নিন । আসল সোনা কেনার সময় এই দুইটার ব্যাপারে কোন এক্সকিউজ চলবে না । অন্যথায় বিক্রি করতে পারবেন না বা ঝামেলায় পড়বেন ।

৪. অবশ্যই নামকরা প্রতিষ্ঠান থেকেই সোনার কয়েন কিনুন যদি বিনিয়োগ উদ্দেশ্য থাকে । অন্যথায় আপনার পছন্দের যেকোনো দোকান থেকে গহনা কিনতে পারেন ।

এগুলি যদি আপনার জানা থাকে তাহলে আপনার মস্তিস্ক বিকৃতি ব্যতীত কেউ আপনাকে ঠকাতে পারবে না ।

অবশ্যই শেয়ার করুন এবং সেভ করে রাখুন । ধন্যবাদ

25/09/2025

✅ কীভাবে বুঝবেন আপনার জমির দলিল বৈধ কি না?
জমি কেনা বা বিক্রি একটি গুরুত্বপূর্ণ লেনদেন, এবং এর সাথে জড়িত আইনি প্রক্রিয়াগুলি বোঝা জরুরি। জমির দলিল হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ নথি যা মালিকানার অধিকার প্রমাণ করে। তাই, জমি কেনার আগে দলিলটি সঠিকভাবে যাচাই করে নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জমি কেনা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ, এবং আইনি জটিলতা এড়াতে জমির দলিলের বৈধতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। একটি জমির দলিল বৈধ কিনা তা নির্ধারণ করার জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে।

১. দলিলের মূল কপি পরীক্ষা করুন:

👉নিশ্চিত করুন যে দলিলটি সঠিকভাবে সাব-রেজিস্ট্রারের দ্বারা স্বাক্ষরিত এবং সিল করা আছে।
👉দলিলের মূল কপিতে থাকা ছবি এবং মালিকের বর্তমান ছবি মিলে যাচ্ছে কিনা তা পরীক্ষা করুন।
👉দলিলের সকল পাতায় সঠিকভাবে স্ট্যাম্প লাগানো আছে কিনা তা নিশ্চিত করুন।

২. দলিলের তথ্য যাচাই করুন:

👉দলিলে উল্লেখিত মালিকের নাম, ঠিকানা, জমির পরিমাণ, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর ইত্যাদি তথ্য সঠিক কিনা তা খতিয়ান, দাগ খতিয়ান, এবং সরকারি রেকর্ডের সাথে মিলিয়ে দেখুন।
👉দলিলে উল্লেখিত সাক্ষীদের নাম এবং ঠিকানা সঠিক কিনা তা যাচাই করুন।

৩. আইনি পরামর্শ নিন:

👉একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া জমির দলিলের বৈধতা নিশ্চিত করার সবচেয়ে নিরাপদ উপায়।
👉আইনজীবী দলিলের সকল দিক বিশ্লেষণ করে আপনাকে দলিলটি বৈধ কিনা তা জানাতে পারবেন।

৪. অনলাইন মাধ্যম ব্যবহার করুন:
👉সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে গিয়ে জমির দলিলের তথ্য অনলাইনে যাচাই করতে পারেন।
👉কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও জমির দলিলের বৈধতা যাচাই করার সার্ভিস প্রদান করে।

৫. সতর্কতা অবলম্বন করুন:

👉দলিলের বৈধতা সম্পর্কে কোন সন্দেহ থাকলে দলিলটি ক্রয় করা থেকে বিরত থাকুন।
অসৎ ব্যক্তিদের প্রতারণার শিকার হতে সাবধান থাকুন।
👉জমি কেনার আগে জমির দলিলের বৈধতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উপরে উল্লেখিত পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করে আপনি একটি জমির দলিল বৈধ কিনা তা নির্ধারণ করতে পারবেন।

জমির দলিল বৈধ কিনা তা বোঝার জন্য কিছু প্রশ্ন ও উত্তর

১) দলিলে কি সকল প্রয়োজনীয় তথ্য আছে?

দলিলে জমির মালিকের নাম, ঠিকানা, জমির পরিমাণ, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর, মৌজা, উপজেলা, জেলা স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে কিনা?
,👉দলিলের সাক্ষীদের নাম, ঠিকানা স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে কিনা?
👉দলিলের স্বাক্ষর ও তারিখ স্পষ্টভাবে আছে কিনা?

২) দলিলের স্ট্যাম্প ও রেজিস্ট্রেশন

👉দলিলে সরকার নির্ধারিত স্ট্যাম্প ব্যবহার করা হয়েছে কিনা?
👉দলিলটি সঠিকভাবে রেজিস্ট্রি করা হয়েছে কিনা?
রেজিস্ট্রারের স্বাক্ষর ও তারিখ স্পষ্টভাবে আছে কিনা?

৩) দলিলের মালিকানার ধরণ।

👉দলিলের মাধ্যমে মালিকানা কিভাবে অর্জিত হয়েছে (উত্তরাধিকার, ক্রয়, বিনিময়, দান ইত্যাদি)?
👉মালিকানার ধরণ কি (মালিকানা, দখল, ভাগচাষ ইত্যাদি)?
👉মালিকানার কোনো শর্ত বা বাধা আছে কিনা?

৪) জমির অবস্থা

👉জমি কি বাস্তবে বিদ্যমান?
👉জমির মালিকানা বিতর্কমুক্ত কিনা?
👉জমির উপর কোনো ঋণ বা বন্ধক আছে কিনা?

৫) আইনি পরামর্শ
জমির দলিল বৈধ কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া উচিত।

৬. দলিলের বয়স:
প্রশ্ন: কত বছরের পুরোনো দলিল বৈধ?
উত্তর: দলিলের বয়সের কোন নির্দিষ্ট সীমা নেই। তবে, 1976 সালের আগের দলিলগুলো "পুরাতন দলিল" হিসেবে বিবেচিত হয় এবং বৈধতা যাচাইয়ের জন্য অতিরিক্ত যাচাই-বাছাই প্রয়োজন হতে পারে।

৭. দলিলের ধরন:
প্রশ্ন: কত ধরণের জমির দলিল আছে?
উত্তর: বাংলাদেশে 4 ধরণের জমির দলিল আছে:
°দাগ নম্বর খতিয়ান
°মৌজা খতিয়ান
°সিএস খতিয়ান
°আরএস খতিয়ান

৮. দলিলের মালিকানা:

প্রশ্ন: দলিলে একাধিক মালিকের নাম থাকলে কী করবেন?
উত্তর: সকল মালিকের সম্মতি ছাড়া জমি বিক্রি করা যাবে না। মালিকানা পরিবর্তনের জন্য সকলের স্বাক্ষর এবং সম্মতি প্রয়োজন।

৯. দলিলের মিউটেশন:

প্রশ্ন: মিউটেশন কী?
উত্তর: মিউটেশন হলো জমির মালিকানা পরিবর্তনের নথিভুক্তি প্রক্রিয়া। নতুন মালিকের নাম খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য মিউটেশন করা আবশ্যক।

১০. দলিলের জালিয়াতি:
প্রশ্ন: জাল দলিলের বৈশিষ্ট্যগুলো কী কী?
উত্তর: জাল দলিলে ভুল বানান, অস্পষ্ট তথ্য, মিথ্যা স্বাক্ষর, এবং অসঙ্গতিপূর্ণ তথ্য থাকতে পারে।

১১. দলিল যাচাই:
প্রশ্ন: জমির দলিল যাচাই করার সর্বোত্তম উপায় কী?
উত্তর: সাব-রেজিস্ট্রার অফিস: আপনি যেখানে জমি অবস্থিত সেখানকার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে গিয়ে দলিলের মূল কপি এবং খতিয়ানের সাথে মিলিয়ে দেখতে পারেন।

ভূমি অফিস: আপনি যেখানে জমি অবস্থিত সেখানকার ভূমি অফিসে গিয়ে দলিলের তথ্য অনলাইনে যাচাই করতে পারেন।

আইনজীবীর পরামর্শ: একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া জমির দলিলের বৈধতা যাচাই করার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায়।

১২. দলিল সংক্রান্ত আইনি জটিলতা:

প্রশ্ন: জমির দলিল সংক্রান্ত আইনি জটিলতা সমাধানের জন্য কী করবেন?
উত্তর: জমির দলিল সংক্রান্ত আইনি জটিলতা সমাধানের জন্য একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করা উচিত।

উল্লেখ্য: এই তথ্যগুলো শুধুমাত্র সাধারণ ধারণার জন্য।

#সংক্রান্ত #জমিজমা #জমি_পরিমান #ভাগবন্টন #জমি_মাপা #ভূমিসেবা #ফলো #পেইজ #জমির

Address

Chamber: House:15, Sonargaon Janapath Road, Sector:07, Uttara
Dhaka
1230

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Universal Law Firm posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share