Universal Law Firm

Universal Law Firm Committed For Best Legal Solution.

17/07/2026

বাংলাদেশে নতুন একটি কোম্পানি খোলা মানে একদম একা একটা জঙ্গল পার হওয়ার অ্যাডভেঞ্চার নয়, বরং এক দল বন্ধু মিলে একটি ডিজিটাল ভিডিও গেমের বিভিন্ন লেভেল পার করার মতো উত্তেজনাপূর্ণ অভিজ্ঞতা। আর এই রোমাঞ্চকর গেমের মূল ভিলেন কিংবা শেষ বস হচ্ছে 'রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মস' বা সংক্ষেপে RJSC। গেমের প্রথম লেভেলে আপনার প্রথম কাজ হলো আপনার কোম্পানির জন্য একটি ইউনিক বা জুতসই নাম খুঁজে বের করা, যাকে অফিশিয়াল ভাষায় বলা হয় 'নামের ছাড়পত্র' বা Name Clearance।

এই ধাপটি ঠিক যেন কোনো জনপ্রিয় অনলাইন গেমের জন্য মনের মতো একটা গেমিং ইউজারনেম খোঁজার মতো—যদি নামটা অন্য কেউ আগেই নিয়ে থাকে, তবে গেম আপনাকে লাল বাতি দেখিয়ে বলবে "দয়া করে অন্য নাম ট্রাই করুন"!
একবার যদি আপনার পছন্দের নামটি ভাগ্যক্রমে টিকে যায়, তবেই আপনি পৌঁছে যাবেন গেমের দ্বিতীয় এবং সবচেয়ে বুদ্ধিদীপ্ত লেভেলে, যেখানে আপনাকে তৈরি করতে হবে কোম্পানির জন্মকোষ্ঠী বা ভাগ্যলিপি।

এই স্ক্রিপ্ট লেখার পর্বে আপনার সঙ্গী হবে MoA (মেমোরেন্ডাম অব অ্যাসোসিয়েশন) এবং AoA (আর্টিকেলস অব অ্যাসোসিয়েশন), যা আসলে আপনার কোম্পানির ভবিষ্যৎ ক্ষমতার সীমানা এবং ভেতরে কে কীভাবে রাজত্ব চালাবে তার অলিখিত নিয়মকানুন। এই নিয়মের মারপ্যাঁচে যখন আপনি ব্যস্ত, ঠিক তখনই যদি আপনার টিমে কোনো বিদেশী ইনভেস্টর বা বিদেশী বন্ধু থাকে, তবে গেমের ডিফিকাল্টি লেভেল হুট করে এক ধাপ বেড়ে যাবে; কারণ তখন বাংলাদেশের একটি ব্যাংকে সাময়িক অ্যাকাউন্ট খুলে বিদেশ থেকে টাকা আনার পর 'এনক্যাশমেন্ট সার্টিফিকেট' নামক এক জাদুকরী কাগজের টুকরো সংগ্রহ করতে হবে, যা ছাড়া আপনার গেমের পরের দরজা কোনোভাবেই খুলবে না।

এই সব নথিপত্র আর সার্টিফিকেটের অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে যখন আপনি চূড়ান্ত লড়াইয়ের জন্য RJSC-এর অনলাইন পোর্টালে আপনার ফাইলগুলো আপলোড করবেন, তখনই শুরু হবে আসল ক্লাইম্যাক্স। এখানে আপনার পকেট থেকে সরকারি ফি আর ডিজিটাল স্ট্যাম্প ডিউটির কিছু কয়েন খসিয়ে দেওয়ার পর যখন RJSC-এর সিস্টেম আপনার সব কাগজপত্র দেখে সবুজ সংকেত দেবে, স্ক্রিনে ভেসে উঠবে কাঙ্ক্ষিত 'সার্টিফিকেট অব ইনকরপোরেশন'। এটা পাওয়া মানে গেমের মূল মিশন সফল এবং আপনার কোম্পানি এখন খাতা-কলমে একটি জীবন্ত সত্তা, কিন্তু বিজয়ের এই আনন্দ উদযাপনের রেশ কাটতে না কাটতেই আপনার সামনে হাজির হবে গেমের বোনাস বা 'পোস্ট-ক্রেডিট' লেভেল।

নতুন এই বোনাস লেভেলে পা রাখা মাত্রই আপনার সাধের কোম্পানিকে বাস্তবে ডানা মেলতে হলে সরকারের বিভিন্ন দপ্তর থেকে এনবিআর-এর e-TIN (ট্যাক্স সার্টিফিকেট), সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স এবং ব্যবসার লেনদেন সচল রাখতে ভ্যাট বা BIN সার্টিফিকেট নামের আরও কিছু রত্ন কুড়িয়ে নিতে হবে। অন্তত দুজন ডিরেক্টর আর একটা নির্দিষ্ট অফিসের ঠিকানা পকেটে নিয়ে যখন আপনি এই শেষ বাধাগুলোও পার করে ফেলবেন, তখনই স্ক্রিনে বড় করে লেখা উঠবে—"অভিনন্দন! আপনার ব্যবসা এখন বাজারের অন্য সব প্রতিযোগীদের টেক্কা দিতে পুরোপুরি প্রস্তুত!"

11/07/2026

একটি খুব সাধারণ প্রশ্ন দিয়ে শুরু করি। যদি একজন ব্যক্তি নিজেকে পুলিশ পরিচয় দিয়ে এসে আপনাকে গ্রেফতার করতে চান, তাহলে আপনি কীভাবে নিশ্চিত হবেন যে তিনি সত্যিই পুলিশ? শুধু ইউনিফর্ম দেখেই? নাকি তাঁর পরিচয়পত্র দেখার অধিকারও আপনার আছে?

এই প্রশ্নের উত্তর আমাদের ব্যক্তিগত মতামতে নয়, বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে পাওয়া যায়। মহামান্য আপীল বিভাগ Bangladesh vs BLAST, 69 DLR (AD) (2017) 63 মামলায় স্পষ্ট ভাষায় নির্দেশ দিয়েছেন, কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য কাউকে গ্রেফতার করতে গেলে তিনি নিজের পরিচয় প্রকাশ করবেন এবং উপস্থিত ব্যক্তি বা যাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে, তিনি চাইলে অবশ্যই নিজের পরিচয়পত্র দেখাবেন। রায়ের ভাষাই বলছে:

“A law enforcing officer shall disclose his identity and if demanded, shall show his identity card to the persons present at the time of arrest.”
(69 DLR (AD), 2017, Page 179)

এই নির্দেশনা কেবল একটি পরামর্শ নয়। এটি দেশের সর্বোচ্চ আদালতের দেওয়া গাইডলাইন, যার উদ্দেশ্য নাগরিকের অধিকার রক্ষা করা এবং আইন প্রয়োগের প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ রাখা।

এবার জুরাইনের সাম্প্রতিক ঘটনাটির দিকে তাকানো যাক। প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, আইনজীবীরা পুলিশের কাছে পরিচয়পত্র দেখতে চান। অভিযোগ হলো, পুলিশ তা দেখাতে সরাসরি অস্বীকৃতি জানায়। বিষয়টি শুধু ভিডিওতেই সীমাবদ্ধ নয়, মামলার নথিতেও এটি একটি admitted fact হিসেবে এসেছে। তাহলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে, আপীল বিভাগের এত স্পষ্ট নির্দেশনার অবস্থান কোথায়? কোনো সরকারি সংস্থা কি চাইলে এই নির্দেশনা উপেক্ষা করতে পারে? যদি পারে, তবে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের কার্যকারিতা কোথায় দাঁড়ায়?

আরেকটি প্রশ্নও অনিবার্য। এই দিকটি কি বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সামনে যথাযথভাবে উপস্থাপিত হয়েছিল? আদালত কি বিবেচনা করেছেন যে পরিচয়পত্র দেখানোর প্রশ্নটি কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং আপীল বিভাগের রায়ে নির্ধারিত একটি বাধ্যতামূলক নির্দেশনার সঙ্গে সম্পর্কিত?

অনেকে হয়তো ভাবতে পারেন, এটি আইনজীবীদের একটি বিশেষ দাবি। বাস্তবে বিষয়টি মোটেও তা নয়। এই অধিকার একজন আইনজীবীর জন্য যেমন প্রযোজ্য, তেমনি একজন রিকশাচালক, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, শ্রমিক কিংবা বিদেশি নাগরিকের জন্যও সমানভাবে প্রযোজ্য। আইনের চোখে এই অধিকার সবার।

বরং বাস্তবতা বলছে, পরিচয়পত্র দেখানোর প্রয়োজনীয়তা এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। সংবাদমাধ্যমে প্রায়ই ভুয়া পুলিশ বা ভুয়া র‍্যাব সদস্যদের গ্রেফতারের খবর প্রকাশিত হয়। এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, মাত্র এক বছরেই প্রায় ৩০০ ভুয়া পুলিশ ও র‍্যাব পরিচয়ধারী ব্যক্তি আটক হয়েছেন। তাদের অনেকের কাছেই ছিল ইউনিফর্ম, নকল পরিচয় এবং প্রতারণার নানা কৌশল। তাহলে একজন সচেতন নাগরিক যদি পরিচয়পত্র দেখতে চান, সেটি কি অযৌক্তিক দাবি, নাকি দায়িত্বশীল আচরণ?

বাস্তবে এই নির্দেশনা পুলিশের বিরুদ্ধেও নয়। বরং পুলিশের স্বার্থেই। কারণ ভুয়া পুলিশ যদি অপরাধ করে, চাঁদাবাজি চালায়, ডাকাতি করে বা অন্য কোনো জঘন্য অপরাধ সংঘটিত করে, তখন সাধারণ মানুষের আস্থা ক্ষুণ্ন হয় পুরো পুলিশ বাহিনীর ওপর। পরিচয়পত্র প্রদর্শনের সংস্কৃতি গড়ে উঠলে প্রকৃত পুলিশ ও প্রতারকের মধ্যে পার্থক্য করা সহজ হবে, আর জনগণের বিশ্বাসও শক্তিশালী হবে।

কিছু মানুষের মধ্যে এমন ধারণা দেখা যায় যে পরিচয়পত্র দেখাতে বলাটা নাকি পুলিশের মর্যাদার পরিপন্থী। কিন্তু প্রশ্ন হলো, দেশের প্রতিটি নাগরিক যদি প্রয়োজন অনুযায়ী নিজের পরিচয়পত্র দেখাতে বাধ্য হন, তাহলে আদালতের স্পষ্ট নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও একজন পুলিশ সদস্য কেন সেই একই নিয়মের বাইরে থাকবেন? আইন কি এক পক্ষের জন্য কঠোর আর অন্য পক্ষের জন্য নমনীয়?

আইনজীবীদের গ্রেফতার করা হয়েছে, রিমান্ডও মঞ্জুর হয়েছে। কেউই দাবি করেন না যে আইনজীবীরা আইনের ঊর্ধ্বে। বাস্তবে আইনজীবীরা নিয়মিতই গ্রেফতার হন, বিচারিক প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হন এবং প্রয়োজন হলে রিমান্ডেও যান। কিন্তু একই যুক্তিতে এটিও সমান সত্য যে পুলিশ সদস্যরাও আইনের ঊর্ধ্বে নন। তাঁদের ক্ষেত্রেও আইন, আদালতের নির্দেশনা এবং বিচারিক নজির সমানভাবে প্রযোজ্য।

এ কারণেই এই ধরনের ঘটনায় কেবল ফৌজদারি অভিযোগ নয়, আপীল বিভাগের রায় এবং case law লঙ্ঘনের প্রশ্নটিও আদালতের সামনে যথাযথভাবে তুলে ধরা প্রয়োজন। কারণ বিচারব্যবস্থার শক্তি কেবল নতুন আইন প্রণয়নে নয়, বিদ্যমান আইন ও সর্বোচ্চ আদালতের রায় কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের মধ্যেই নিহিত।

শেষ পর্যন্ত মনে রাখা দরকার, আদালতের রায় ব্যক্তিবিশেষের জন্য নয়, রাষ্ট্রের জন্যও বাধ্যতামূলক। যে রাষ্ট্রে সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশনাকে গুরুত্ব দেওয়া হয় না, সেখানে আইনের শাসন ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ে। আর ইতিহাসও আমাদের মনে করিয়ে দেয়, ক্ষমতার শীর্ষে থাকা ব্যক্তিও আইনের ঊর্ধ্বে নন।

Runa Akter
Advocate
Bangladesh Supreme Court

16/06/2026

এনবিআরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানান, শিগগিরই এনবিআর দেশের ‍ভূমি অফিস থেকে বিভিন্ন এলাকা অনুযায়ী বিগত ৪০ বছরের মৌজা মূল্যের তথ্য নেবে।সম্পদের সঠিক মূল্য নির্ধারণ সহজ করতে এই তথ্য অনলাইন ট্যাক্স রিটার্ন সিস্টেমে যুক্ত করা হবে।

এর ফলে আগামী বছর যারা রিটার্ন জমা দেবেন, তারা জমি,ফ্ল্যাট কিংবা স্বর্ণালঙ্কারের মূল্য 'অজানা' দেখানোর সুযোগ আর পাবেন না বলে আশা করা হচ্ছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা বলেন, তারা আশা করছেন, এই পদ্ধতিতে ভ্যালুয়েশনের কারণে নতুন করে প্রায় ২ হাজারের ব্যক্তি চার কোটি টাকার সম্পদের সীমা অতিক্রম করবেন। আর যারা বর্তমানে এই সীমা অতিক্রম করেছেন, তাদেরও সম্পদের অর্থমূল্যের পরিমাণ বাড়বে।

এর মাধ্যমে ২০২৭-২৮ অর্থবছরে বাড়তি প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা আদায় করা সম্ভব হবে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।

আরেকজন কর্মকর্তা জানান, জুলাইয়ের মধ্যে আয়কর পরিপত্র প্রকাশ করা হবে এবং কীভাবে এ ভ্যালুয়েশন করা হবে,সে বিষয়ে স্পষ্টীকরণ করা হবে।

ওই কর্মকর্তা বলেন, কিছু করদাতা উত্তরাধিকার সূত্রে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বাড়ি পান, কয়েকশো বিঘা কৃষি বা অকৃষি জমি পান, বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালঙ্কার পালন। কিন্তু ট্যাক্স ফাইলে এসব সম্পদের বিষয়ে তথ্য থাকে 'মূল্য অজানা'।

তিনি আরও বলেন, অর্জনকালীন সময়ের মৌজা ভ্যালু অনুযায়ী হিসাব করলে দেখা যাবে, এসব সম্পদের দাম কয়েক কোটি টাকা। 'মূল্য অজানা' দেখানোর ফলে ওই করদাতারা অন্যান্য সম্পদ মিলিয়ে সারচার্জযোগ্য সম্পদের নিচে থেকে যাচ্ছেন বছরের পর বছর ধরে।

তিনি বলেন, এই অজানা মূল্য আসলে সম্পদের সারচার্জ ফাঁকি দেওয়ার একটা কৌশল।

14/06/2026

শিশু রামিসা হত্যা: ফাঁসির ২ আসামির জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করলেন হাইকোর্ট
ল'ইয়ার্স ক্লাব বাংলাদেশজাতীয় ১৪ জুন, ২০২৬ 2 min read
0
কোর্ট রিপোর্টার, ঢাকা | রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার দায়ে অধস্তন আদালতে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত প্রধান দুই আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট।

আজ রবিবার (১৪ জুন) বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

আদালতে আজ রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১১ জুন) কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই জেল আপিল (Jail Appeal) দায়ের করেন ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার।

ডেথ রেফারেন্সের নথিও এসেছে হাইকোর্টে
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, নিম্ন আদালতে কোনো আসামির মৃত্যুদণ্ড হলে তা কার্যকর করতে হাইকোর্টের বাধ্যতামূলক অনুমোদনের প্রয়োজন হয়, যা আইন অঙ্গনে ‘ডেথ রেফারেন্স’ (Death Reference) মামলা হিসেবে পরিচিত। এর আগে গত ৯ জুন (মঙ্গলবার) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন কর্তৃক স্বাক্ষরিত এই দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের মূল নথি (ডেথ রেফারেন্স) হাইকোর্টে এসে পৌঁছায়। জেল আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের নথি এখন একসাথে শুনানির জন্য প্রস্তুত করা হবে।

অপরাধের লোমহর্ষক বিবরণ ও মাত্র ৬ দিনে বিচারের ইতিহাস
পল্লবীর এই বর্বরোচিত ঘটনাটি অপরাধ বিজ্ঞানের ইতিহাসে দ্রুততম সময়ে চার্জশিট ও বিচার সম্পন্নের এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে। মামলার শুরু থেকে রায় পর্যন্ত পুরো আইনি ক্রোনোলজি নিচে তুলে ধরা হলো:

১৯ মে, ২০২৬ (অপরাধ সংঘটন): সকালে পল্লবীতে পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তার (৮) ঘর থেকে বের হলে কৌশলে তাকে নিজেদের বাসায় ডেকে নেয় প্রতিবেশী স্বপ্না আক্তার। পরে স্বপ্নার স্বামী সোহেল রানা শিশুটিকে নৃশংসভাবে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যা করে মাথা বালতির ভেতর লুকিয়ে রাখে। রামিসার মা খোঁজাখুঁজি করার একপর্যায়ে সোহেলের দরজার সামনে মেয়ের জুতা দেখতে পান। প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ঘরের ভেতর থেকে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার মাত্র ৭ ঘণ্টার মধ্যে নারায়ণগঞ্জ থেকে সোহেল রানাকে এবং ঘর থেকে স্বপ্নাকে গ্রেপ্তার করে।

২০ মে, ২০২৬: ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় ধর্ষণ ও লাশ গুমের সহযোগিতার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।

২৪ মে, ২০২৬ (৪ দিনে চার্জশিট): ঘটনার মাত্র ৪ দিনের মাথায় তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান মোট ১৮ জনকে সাক্ষী করে আদালতে চার্জশিট জমা দেন।

১ জুন, ২০২৬: আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করা হয়।

আরও পড়ুন : পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা: ঘটনার মাত্র ১৯ দিনে বিচার সম্পন্ন, স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড
২ জুন, ২০২৬ (১ দিনে ১৬ সাক্ষীর সাক্ষ্য): মাত্র এক কার্যদিবসেই ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের জবানবন্দি ও জেরা সম্পন্ন করে আদালত রেকর্ড সৃষ্টি করে।

৩ জুন, ২০২৬: আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

৪ জুন, ২০২৬: রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের চূড়ান্ত আইনি যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়।

৭ জুন, ২০২৬ (চূড়ান্ত রায়): ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন আসামিদের ফাঁসির রায় দেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(২) ধারায় সোহেল ও স্বপ্নাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পাশাপাশি সোহেলকে ৫ লাখ ও স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। এই জরিমানার টাকা ভিকটিম রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারী পাবেন। টাকা না দিলে আসামিদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করার নির্দেশ দেন আদালত।

আইন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গত ১০ জুন এক সেমিনারে আইনমন্ত্রী উচ্চ আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মামলাগুলোর দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। তবে রাষ্ট্রপক্ষে স্বয়ং অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল এই মামলার শুনানিতে দাঁড়ানো এবং হাইকোর্ট কর্তৃক দ্রুত জেল আপিল গ্রহণ করার বিষয়টি প্রমাণ করে, শিশু রামিসা হত্যার চূড়ান্ত বিচার উচ্চ আদালতেও সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পত্তি হতে যাচ্ছে।

Tags
অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজলজেল আপিলডেথ রেফারেন্সঢাকাদ্রুত বিচারপল্লবী থানাবিচারক মাসরুর সালেকীনবিচারপতি মোহাম্মদ আলীল'ইয়ার্স ক্লাব বাংলাদেশশিশু রামিসা হত্যা মামলাহাইকোর্ট বিভাগ
0
0
আরো খবর ➔

আট মাসে মামলা হয়েছে সাড়ে ৮ লাখ, নিষ্পত্তি পাঁচ লাখ
জাতীয়·১২ জুন, ২০২৬
এক দিনেই হাইকোর্টে ৬,১৯৯টি পুরোনো মামলা নিষ্পত্তি: ৩ দিনে নিষ্পত্তি ১৩,২৮৮ মামলা

জাতীয়·১১ জুন, ২০২৬
মৃত্যুদণ্ডের মামলা উচ্চ আদালতে আটকে থাকে, দীর্ঘসূত্রতা কমাতে কাজ করছে সরকার: আইনমন্ত্রী
ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তাঁর স্ত্রী তামিমা সুলতানা
জাতীয়·১০ জুন, ২০২৬
বিয়ে করে অপরাধ করেননি নাসির ও তামিমা, খালাসের রায়
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়
জাতীয়·৯ জুন, ২০২৬
৫ বছরেও শেষ হয়নি ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার: বিচারককে হাইকোর্টে তলব
রুহুল কুদ্দুস কাজল
Previous
অ্যাটর্নি জেনারেলের বিরুদ্ধে ফেসবুকে কুৎসা ও অপপ্রচার: শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি দায়ের



শিশু রামিসা হত্যা: ফাঁসির ২ আসামির জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করলেন হাইকোর্ট
রুহুল কুদ্দুস কাজল
অ্যাটর্নি জেনারেলের বিরুদ্ধে ফেসবুকে কুৎসা ও অপপ্রচার: শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি দায়ের
বার কাউন্সিলের এমসিকিউ পরীক্ষায় পাস করলেন প্রধানমন্ত্রী কন্যা জাইমা রহমান
বার কাউন্সিলের এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেন ব্যারিস্টার জাইমা রহমান
আট মাসে মামলা হয়েছে সাড়ে ৮ লাখ, নিষ্পত্তি পাঁচ লাখ
এক দিনেই হাইকোর্টে ৬,১৯৯টি পুরোনো মামলা নিষ্পত্তি: ৩ দিনে নিষ্পত্তি ১৩,২৮৮ মামলা
সহকারী জজ নিয়োগের লিখিত পরীক্ষায় বিশেষ পরিদর্শক ১০ বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা
সিভিল জজ নিয়োগে ৫ বছরের ওকালতির অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক করার দাবি
আর্কাইভ অনুসন্ধান

জুন

২০২৬
রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি










১০
১১
১২
১৩
১৪
১৫
১৬
১৭
১৮
১৯
২০
২১
২২
২৩
২৪
২৫
২৬
২৭
২৮
২৯
৩০

সম্পাদক : অ্যাডভোকেট বদরুল হাসান কচি
সম্পাদকীয় কার্যালয়: বাড়ি- ১৫১, (২য় তলা) ১/বি, লেক সার্কাস, কলাবাগান, ঢাকা – ১২০৫।
© ২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ল’ ইয়ার্স ক্লাব বাংলাদেশ.কম
০১৮১৯৪২৫৪৯৮ [email protected]

তথ‌্য অ‌ধিদপ্ত‌রের নিবন্ধন নম্বর – ৮৩

আমাদের সম্পর্কে

Facebook
YouTube
উপরে যান
Developed by WEBSBD

09/06/2026

রিট অব সার্টিওরারি (Writ of Certiorari) — গ্রহণযোগ্যতার পরিধি ও হাইকোর্ট বিভাগের হস্তক্ষেপের আওতা
রিট অব সার্টিওরারি : গ্রহণযোগ্যতা (Maintainability)
এটি একটি স্বীকৃত আইনি নীতি যে, কোনো ট্রাইব্যুনালের রায় বা সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে রিট অব সার্টিওরারি আবেদনের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ সাধারণত হস্তক্ষেপ করতে দ্বিধাবোধ করে, যদি না উক্ত সিদ্ধান্তটি চরমভাবে অযৌক্তিক (perverse) হয় অথবা এর মাধ্যমে ন্যায়বিচারের চরম অবক্ষয় (gross miscarriage of justice) ঘটে থাকে।
রিট অব সার্টিওরারি শুধুমাত্র তখনই গ্রহণযোগ্যতা পায়, যখন কোনো ট্রাইব্যুনাল তার আইনি ক্ষমতার প্রয়োগকালে এমন কোনো আদেশ প্রদান করে যা আইনগতভাবে মারাত্মক ত্রুটিপূর্ণ। কেবলমাত্র আইনের সামান্য ভুল (mere error of law) হওয়ার অজুহাতে হাইকোর্ট বিভাগ সার্টিওরারি রিট জারি করতে পারে না।
আইনি ত্রুটিটি অবশ্যই এমন হতে হবে যা “error apparent on the face of the record”, অর্থাৎ নথিপত্র বা রেকর্ডের ওপর দিয়েই যা স্পষ্টভাবে ও প্রত্যক্ষভাবে বোঝা যায়। এটি সাধারণ কোনো ভুল বা মতপার্থক্যপূর্ণ বিষয় থেকে অধিকতর গুরুতর ও প্রকট হতে হবে।
যেসব পরিস্থিতিতে সার্টিওরারি রিট জারি করা সম্ভব
হাইকোর্ট বিভাগ নিম্নোক্ত ক্ষেত্রগুলোতে রিট অব সার্টিওরারি জারি করতে পারে—
(ক) যদি রায়টি জালিয়াতি (fraud), যোগসাজশ (collusion) কিংবা দুর্নীতি (corruption) দ্বারা হাসিল করা হয়;
(খ) যদি ট্রাইব্যুনাল প্রাকৃতিক ন্যায়বিচারের আদর্শসমূহ (principles of natural justice) ভঙ্গ করে;
(গ) যদি নথিপত্রের ওপর দিয়েই সুস্পষ্ট আইনি ভুল (error apparent on the face of the record) দৃশ্যমান হয়;
(ঘ) যদি ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত কোনো প্রকার প্রমাণের ভিত্তি ছাড়াই (based on no evidence whatsoever) গৃহীত হয়;
(ঙ) যদি উক্ত সিদ্ধান্তটি অসৎ উদ্দেশ্যে (mala fide) প্রদান করা হয়;
(চ) যদি সিদ্ধান্তটি এতটাই অযৌক্তিক বা বিমূর্ত (perverse) হয় যা ন্যায়বিচারের পরিপন্থী হিসেবে গণ্য হয়।

09/06/2026

আগামী জুলাই ২০২৬ থেকে আয়কর ও ভ্যাট আইনে উল্লেখযোগ্য যে সকল পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে:

১) ব্যক্তিশ্রেণির করদাতারা বছরের যেকোনও সময় আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সুযোগ পাবেন। তবে নির্ধারিত সময়ের শুরুতে রিটার্ন জমা দিলে করছাড় মিলবে, আর দেরি করলে গুনতে হবে জরিমানা।

➡️ প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় প্রথম প্রান্তিকে রিটার্ন দাখিল করলে করদাতা পরিশোধিত করের ৫ শতাংশ অথবা সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত করছাড় পাবেন।

➡️দ্বিতীয় প্রান্তিকে রিটার্ন দাখিল করলে কোন জরিমানা না থাকলেও বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত পাওয়া যাবে না।

➡️তৃতীয় প্রান্তিকে রিটার্ন দাখিল করলে পরিশোধযোগ্য করের ২ শতাংশ অথবা ৩ হাজার টাকার মধ্যে যেটি বেশি, সেই পরিমাণ জরিমানা দিতে হবে।

➡️চতুর্থ প্রান্তিকে রিটার্ন দাখিল করলে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ অথবা ৫ হাজার টাকার মধ্যে যেটি বেশি, সেই হারে জরিমানা আরোপ করা হবে। এই অর্থ মূল করের সঙ্গে যুক্ত হবে।

২) কমছে বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত সুবিধা:

➡️নতুন প্রস্তাবে রেয়াতের হার অনুমোদিত বিনিয়োগের ১৫% এর পরিবর্তে ১০% এবং সর্বোচ্চ সীমা ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হতে পারে। তবে কর রেয়াতের আওতাভুক্ত খাতগুলো অপরিবর্তিত থাকবে।

৩) স্বর্ণ ও ডিজিটাল সম্পদ বিক্রিতে গেইন ট্যাক্স আরোপ:

➡️বাজেট প্রস্তাবে স্বর্ণালংকার, স্বর্ণের বার, রৌপ্য, মূল্যবান রত্ন, ধাতব মুদ্রা, ডিজিটাল মুদ্রা, চিত্রকর্ম, এন্টিকস এবং ক্লাব সদস্যপদ হস্তান্তরের মাধ্যমে অর্জিত আয়কে মূলধনি সম্পদ হিসেবে গণ্য করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় করদাতার রিটার্নে প্রদর্শিত স্বর্ণ বিক্রি করে যে মুনাফা অর্জিত হবে, তার ওপর ১৫% মূলধনি কর আরোপ করা হবে।

৪) অতিরিক্ত কর ফেরত মিলবে ৬০ দিনের মধ্যে:

➡️করদাতাদের সুবিধার্থে অতিরিক্ত কর পরিশোধ হলে তা ৬০ দিনের মধ্যে ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থাও চালু করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

৫) ৭ সেবায় বিআইএন বাধ্যতামূলক করা হবে:

ভ্যাটের আওতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ব্যবসা শনাক্তকরণ নম্বর (বিআইএন) বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী:

🎈ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে চলতি হিসাব খোলা।
🎈ঋণ গ্রহণ।
🎈ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন।
🎈মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খোলা।
🎈বাণিজ্য সংগঠনের সদস্যপদ গ্রহণ বা নবায়ন।
🎈ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নামে বিদ্যুৎ-গ্যাস সংযোগ গ্রহণ। এবং
🎈বিআরটিএতে প্রতিষ্ঠানের নামে যানবাহন নিবন্ধনের ক্ষেত্রে বিআইএন বাধ্যতামূলক করা হবে।

08/06/2026

"রাষ্ট্র বনাম সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার (রামিসা ধর্ষণ
ও হত্যা মামলা, ২০২৬)"
#রামিসা হত্যা মামলাটি বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নজিরবিহীন দ্রুত বিচার মামলার উদাহরণ।
#মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ :
★১৯ মে ২০২৬: ঢাকার পল্লবীতে ৮ বছর বয়সী রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ।
★২০ মে ২০২৬: রামিসার বাবা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।
★২৪ মে ২০২৬: পুলিশ চার্জশিট দাখিল করে।
★১ জুন ২০২৬: আদালত অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন।
★২ জুন ২০২৬: সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়।
★৪ জুন ২০২৬: যুক্তিতর্ক শেষ হয়।
★৭ জুন ২০২৬: রায় ঘোষণা করা হয়।
#অর্থাৎ, মামলা দায়ের থেকে রায় পর্যন্ত মাত্র ১৮-১৯ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্ন হয়েছে।
#মামলার রায়: আদালত প্রধান আসামি সোহেল রানা এবং তার সহযোগী স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(২) ধারায় অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন। পাশাপাশি প্রধান আসামি সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং সহযোগী আসামি স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা।
#এই মৃত্যুদন্ডের রায় কি অবিলম্বে কার্যকর?
উত্তর না! মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে ফাঁসি কার্যকর হয় না।
★সাধারণত পরবর্তী ধাপগুলো হলো:
১.ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে যাবে।
২.হাইকোর্ট ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনবে।
৩.প্রয়োজনে আপিল বিভাগে আপিল হবে।
৪.রিভিউ আবেদন হতে পারে।
৫.রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করা যেতে পারে।
সব আইনি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যায়।
#তবে মামলাটি দায়েরের মাত্র ১৮ দিনের মধ্যে রায় ঘোষণার মাধ্যমে বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থায় দ্রুত বিচারের একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে।
#পরিশেষে একজন আইনজীবী হিসেবে পেশাগত দৃষ্টিকোণ থেকে বললে, মামলাটি" "—এই দুই নীতির ভারসাম্য নিয়ে ভবিষ্যতে বাংলাদেশের #ফৌজদারি বিচারব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স হিসেবে আলোচিত হতে পারে।

Eid Ul Adha Mubarak 2026
01/06/2026

Eid Ul Adha Mubarak 2026

Address

Chamber: House:15, Sonargaon Janapath Road, Sector:07, Uttara
Dhaka
1230

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Universal Law Firm posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share