BD LAW Suggest

BD LAW Suggest Md. Mizanur Rahman (kayes)
I am an Advocate of Bangladesh Supreme Court.
01836-796699.
(6)

24/08/2026
বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ১৯৫১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। দস্তগীর হোসেনের পিতা সৈয়দ এবি মাহমুদ হোস...
24/08/2026

বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ১৯৫১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। দস্তগীর হোসেনের পিতা সৈয়দ এবি মাহমুদ হোসেন বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রধান বিচারপতি ছিলেন, তার মাতার নাম সুফিয়া বেগম। তিনি সেন্ট গ্রেগরি স্কুল থেকে ১৯৬৮ সালে এসএসসি, ঢাকা কলেজ থেকে ১৯৭০ সালে এইচএসসি এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭৬ সালে এমএ (জুরিসপুডেন্স) ডিগ্রি অর্জন করেন।

১৯৭৭ সালের ১০ মার্চ দস্তগীর হোসেন আইনজীবী হিসেবে তার পেশাগত জীবন শুরু করেন।
১৯৭৯ সালের ১০ মার্চ দস্তগীর হোসেন হাইকোর্ট বিভাগে এবং ১৯৮৪ সালের ২ আগস্ট আপিল বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০১ সালের ৩ জুলাই দস্তগীর হোসেনকে হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। ২০০৩ সালের ৩ জুলাই তিনি হাইকার্ট বিভাগে স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।

২০০৬ সালের ৬ আগস্ট, দস্তগীর হোসেন বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে একটি আদেশ জারি করেন এবং র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন এবং বাংলাদেশ পুলিশকে জিজ্ঞাসা করেন কেন তাদের হেফাজতে থাকা মানুষের জীবন রক্ষার নির্দেশ দেওয়া হবে না।
দস্তগীর হোসেন ও অন্যান্য ১৮ জন বিচারক হাইকোর্ট বিভাগের একটি আদেশের বিরোধিতা করেছিলেন যা সরকারকে ১০জন বিচারকের পদ স্থায়ী করতে বলেছিল, যাদের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সরকার অস্বীকার করেছিল। ১৯ জনের মধ্যে দস্তগীর হোসেনই ছিলেন একমাত্র বিচারক যাকে আওয়ামী লীগ সরকার নিয়োগ করেছিল এবং বাকিরা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল কর্তৃক নিযুক্ত হয়েছিল।

২০০৯ সালের ২৯ অক্টোবর, দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি মোঃ রইস উদ্দিন ২০০৫ সালের কামরুল ইসলাম মমিন হত্যা মামলায় মতিঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা একেএম রফিকুল ইসলামকে জামিন দেন।

​ বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন নিজেকে একজন দক্ষ, সৎ এবং পরিশ্রমী বিচারক হিসেবে প্রমাণ করেছেন। তাঁর সিদ্ধান্ত এবং রায়গুলো আমাদের দেশের বিভিন্ন আইন সাময়িকীতে (Law Journals) প্রকাশিত হয়েছে। রায়গুলো অত্যন্ত চমৎকার এবং আইনের বিভিন্ন বিষয়ের সঠিক ব্যাখ্যা এতে প্রতিফলিত হয়েছে। তিনি অত্যন্ত যত্ন ও সতর্কতার সাথে তাঁর আইনি কাজগুলো সম্পাদন করতেন। তিনি ছিলেন একজন অনন্য সাধারণ ব্যক্তিত্ব এবং তরুণ ও বয়োজ্যেষ্ঠ সকলের প্রতি তাঁর আচরণ ছিল অত্যন্ত আন্তরিক।. “The judgments are remarkable and reflected true expositions of law on various subjects. He used to perform his legal work in meticulous care and caution. He was a gentleman per excellence and his attitude towards the young and aged was extremely cordial”

আজকে আমরা বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন একটি বিখ্যাত রায় যে রায়টির বিষয়বস্তু ছিল উপজেলা পরিষদ আইন, ১৯৯৮-এর ১৩(১)(ক) ধারা, রায়টি রেফারেন্স ভুক্ত হয়েছে ALR 12 (HD)394,, BLC 24 (HD)642.

High Court Division
(Special Original Jurisdiction)
Mr. Justice Syed Muhammad Dastagir Husain
Mr. Justice Md. Ataur Rahman Khan
Writ Petition No. 13863 of 2017
Kafil Uddin (Md) --------- Petitioner
VS
Bangladesh represented by the Secretary, Ministry of Local Government and Rural Development and Co-operatives -------- Respondents
Judgement Date : February 25, 2018
M Sayed Ahmed, Advocate ----------- For the Petitioner. Amit Talukder, DAG ---------- For the Respondent No. 1. Yousuf Hossain Humayun with Md Zakir Hossain Sarder, Advocates ----------- For the added Respondent No. 8.
Judgment
Syed Muhammad Dastagir Husain J: Rule was issued calling upon the respondents to show cause as to why the Memo No. 46.045.027. 08.05.005.2011-954 dated 25-9-2017 issued by respondent No. 1 under signature of respondent No. 3 rejecting the review application filed under section 13(4) of the Upazilla Parishad Ain, 1998 (as amended in 2011) removing the petitioner from his elected office of Chairman, Savar Upazilla Parishad under section 13(2) of the Upazilla Parishad Act, 1998 on the basis of an allegation of absence from office (Annexure-J) shall not be declared to be without lawful authority and of no legal effect.

2. The short fact is that the petitioner is the law abiding citizen of Bangladesh who was elected as Chairman in the Savar Upazilla Parishad, election held in 2014. The petitioner herein impugned Memo No. 46.045.027.08.05. 005.2011-954 dated 25-9-2017 issued by respondent No. 1 under signature of respondent No. 3 rejecting the review application filed under section 13(4) of the Upazilla Parishad Ain, 1998 (as amended in 2011) removing the petitioner from his elected office of Chairman, Savar Upazilla Parishad under section 13(2) of the Upazilla Parishad Act, 1998 on the basis of an allegation of absence from office. The petitioner was successful in the election of Savar Upazilla Parishad held on March, 2014, the petitioner's name was published, along with other successful candidates in the said election as the Chairman of Savar Upazilla Parishad in the form of gazette notification dated 10-3-2014. After elected to the office of Chairman, Savar Upazilla Parishad, the petitioner has been discharging his duties and responsibilities as Chairman of Savar Upazilla Parishad with utmost diligence, sincerity and dedication. He attended office regularly without fail and did not give cause for any complaint or objection with regard to the performance of his obligations. The petitioner has been suffering from multiple physical ailments, including sever back ache, for which he had to obtain immediate and intensive medical care. The petitioner was also wrong-fully implicated in several proceedings due to his political affiliations. The petitioner fell short of ensuring his continued presence at the office of Savar Upazilla Parishad. The petitioner had to miss a few meetings of the said Upazilla Parishad, however, never without a cogent reason. The petitioner strived to and indeed, successfully oversaw and supervised all affairs and activities of Savar Upazilla Parishad in diligent performance of his duties and responsibilities as the elected Chairman. On 4-6-2015, the petitioner was suddenly served with a show cause notice issued by respondent No. 1 alleging that it was prima facie found that the petitioner had not been attending the general meetings of Savar Upazilla Parishads from January, 2015 to May, 2015 and asking him to show cause within 10 (ten) working days as to why he should not be removed from office pursuant to section 13(1)(Ka) of the Upazilla Parishad Act, 1998 (hereafter referred to as the "1998 Act") on account of his absence. The said show cause notice also asked to petitioner to inform whether he wanted a personal……..

মামলার সারসংক্ষেপ ও রায়
আদালত: হাইকোর্ট বিভাগ (স্পেশাল অরিজিনাল জুরিসডিকশন)
বিচারকবৃন্দ: বিচারপতি সৈয়দ মুহাম্মদ দস্তগীর হোসেন এবং বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খান
মামলা নম্বর: রিট পিটিশন নং ১৩৮৬৩/২০১৭
আবেদনকারী (Petitioner): মো. কফিল উদ্দিন (নির্বাচিত চেয়ারম্যান, সাভার উপজেলা পরিষদ)
প্রতিপক্ষ (Respondents): বাংলাদেশ সরকার (এলজিআরডি ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং অন্যান্য)

রায়ের তারিখ: ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮

মূল ঘটনা ও পটভূমি:
১. পদচ্যুতি: ২০১৪ সালের নির্বাচনে আবেদনকারী মো. কফিল উদ্দিন সাভার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় উপজেলা পরিষদ আইন, ১৯৯৮-এর ১৩(২) ধারা অনুযায়ী অনুপস্থিতির অভিযোগ এনে (জানুয়ারি ২০১৫ থেকে মে ২০১৫ পর্যন্ত সভায় অনুপস্থিত থাকার কারণে) তাকে চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারণ করে।

২. রিভিউ ও রিট: অপসারণ আদেশের বিরুদ্ধে আবেদনকারী রিভিউ আবেদন করেন, যা মন্ত্রণালয় খারিজ করে দেয়। আবেদনকারী এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন।

৩. আবেদনকারীর যুক্তি: তিনি অসুস্থতার (তীব্র পিঠের ব্যথা) কারণে শারীরিক উপস্থিতিতে কিছুটা বাধাগ্রস্ত হলেও সার্বিক কার্যক্রম তদারকি ও ফাইলে স্বাক্ষর করতেন। আইনানুযায়ী টানা ৩টি সভায় যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া অনুপস্থিত থাকার শর্ত এক্ষেত্রে পূর্ণ হয়নি (জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে কোনো সভাই ডাকা হয়নি; তিনি মার্চ ও মে—মোট ২টি সভায় অসুস্থতাজনিত কারণে অনুপস্থিত ছিলেন)। এছাড়া অপসারণের আগে তাকে কোনো ব্যক্তিগত শুনানির (Personal Hearing) সুযোগ দেওয়া হয়নি, যা আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

৪. রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি: আবেদনকারী নিয়মিত মাসিক সভা ডাকেননি এবং পরপর সভায় অনুপস্থিত ছিলেন। নিয়ম মেনেই তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে অপসারণ করা হয়েছে এবং রিভিউ খারিজ হয়েছে।
আদালতের পর্যবেক্ষণ ও সিদ্ধান্ত:
অনুপস্থিতির শর্ত পূরণ হয়নি: উপজেলা পরিষদ আইন, ১৯৯৮-এর ১৩(১)(ক) ধারা অনুযায়ী যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া পরপর ৩টি সভায় অনুপস্থিত থাকলে পদচ্যুতির বিধান রয়েছে। কিন্তু তথ্যপ্রমাণে দেখা যায় আবেদনকারী কেবল ২টি সভায় অনুপস্থিত ছিলেন এবং তার অনুপস্থিতির পেছনে অসুস্থতাজনিত যুক্তিসঙ্গত কারণ ছিল, যা কর্তৃপক্ষ বিবেচনা করেনি।
শুনানির সুযোগ না দেওয়া: আইনানুযায়ী কাউকে অপসারণ করার পূর্বে তদন্ত ও আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য ব্যক্তিগত শুনানির সুযোগ দেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল, যা এ ক্ষেত্রে দেওয়া হয়নি।
চূড়ান্ত আদেশ: আদালত রিটটি গ্রহণ (Rule Absolute) করেন এবং মন্ত্রণালয় কর্তৃক রিট আবেদনকারীকে অপসারণ ও রিভিউ খারিজের আদেশকে বেআইনি ও কার্যকারিতাহীন (without lawful authority and of no legal effect) ঘোষণা করেন।

পুনর্বহাল: আদেশের অনুলিপি পাওয়ার ৭ (সাত) দিনের মধ্যে আবেদনকারীকে সাভার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে সসম্মানে পুনর্বহাল করার নির্দেশ প্রদান করা হয়।

বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন এর আরো অসংখ্য রায় আছে যেগুলো বাংলাদেশের আইন অঙ্গনে এবং আইনজীবীদের জন্য সব সময় পাথেয় হয়ে থাকবে। পরবর্তীতে বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ রায় নিয়ে আপনাদের সম্মুখে আলোচনা করব আশা করি সবাই সেই পর্যন্ত ভালো থাকবেন এবং সুস্থ থাকবেন।

Md.Mizanur Rahman (Kayes)
Advocate Bangladesh Supreme Court
01836-796699


​ #বিচারপতি_সৈয়দ_মোহাম্মদ_দস্তগীর_হোসেন




অর্থ ঋণ আদালতে মামলা দায়ের ​  ​  ​ #অর্থঋণআদালত  #অর্থঋণমামলা ​ #ব্যাংকঋণ
24/08/2026

অর্থ ঋণ আদালতে মামলা দায়ের ​ ​ ​ #অর্থঋণআদালত #অর্থঋণমামলা ​ #ব্যাংকঋণ

23/08/2026

কুড়ানো সম্পদ আত্নসাৎ ​ ​ ​ #কুড়ানো_সম্পদ ​ #আত্মসাৎ_অপরাধ
​ #দণ্ডবিধি_৪০৩

বিচারপতি এ টি মনোয়ারউদ্দীনবিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিমমাননীয় প্রধান বিচারপতি, মাননীয় বিচারপতিবৃন্দ, অ্যাটর্নি-জেনারেল ...
23/08/2026

বিচারপতি এ টি মনোয়ারউদ্দীন

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
মাননীয় প্রধান বিচারপতি, মাননীয় বিচারপতিবৃন্দ, অ্যাটর্নি-জেনারেল মহোদয়, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি মহোদয় এবং এই মহৎ পেশার বিজ্ঞ সদস্যবৃন্দ, ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ, আসসালামু আলাইকুম।

শুরুতেই আমি সর্বশক্তিমান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, যিনি তাঁর অসীম রহমত ও করুণায় আমাকে ন্যায়বিচারের এই সর্বোচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত করেছেন।

মাননীয় অ্যাটর্নি-জেনারেল এবং বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহোদয়, আপনারা যে বারের প্রতিনিধিত্ব করছেন, শুধু আজ আপনারা যা বলেছেন তার জন্যই নয়, অতীতে আমি যখন বারের সদস্য ছিলাম তখন আপনাদের কাছ থেকে যে সাহায্য ও দিকনির্দেশনা পেয়েছি তার জন্য আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। একইভাবে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক হিসেবে আমার দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনকালে যথাযথ বিচার নিশ্চিত করতে আমি সবসময় বারের সদস্যদের কাছ থেকে পূর্ণ সহায়তা ও সহযোগিতা পেয়েছি। মাঝে মাঝে আমি এমন কিছু মামলায় বারের জ্যেষ্ঠ সদস্যদের সহায়তা চেয়েছিলাম যেখানে তাঁরা নিযুক্ত আইনজীবী ছিলেন না; সেসব ক্ষেত্রেও তাঁদের সারগর্ভ যুক্তি আমাকে ব্যাপকভাবে সাহায্য করেছিল, যার জন্য আমি তাঁদের কাছে ঋণী। আমি পুরোপুরি আশাবাদী যে, অবসরের পূর্ববর্তী আগামী কয়েক দিনেও আমি সবার পূর্ণ সহযোগিতা ও সহায়তা পাব।

বিচারক হিসেবে আমি আমার কর্মজীবনের একেবারে শেষ প্রান্তে রয়েছি; আগামী মাসের ১৪ তারিখ আমার শেষ কার্যদিবস। কিন্তু আজকের দিনটি আমার জন্য অত্যন্ত স্মরণীয় একটি দিন, কারণ আমি কখনো ভাবিনি যে একদিন আমি আপিল বিভাগের বিচারক হব।

এটি নিঃসন্দেহে সত্য যে, আমার পিতামাতার যত্ন ও সহায়তা, শিক্ষকদের অবদান এবং বারের সদস্যদের—বিশেষ করে সিনিয়রদের অকুণ্ঠ সমর্থন ছাড়া আমি আজ যা হয়েছি তা কখনই হতে পারতাম না।
আইন পেশায় আমার শুরুটা একটু দেরিতে হয়েছিল, তবে পেশার সিনিয়রদের সাহায্য, সহায়তা ও নির্দেশনায় আমি অনেকটাই এগিয়ে যেতে পেরেছিলাম। আমি আমার জুনিয়র সদস্যদের কাছ থেকেও সব ধরনের সহায়তা পেয়েছি, যার জন্য তাঁদের প্রতিও আমি আমার গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
ব্যারিস্টার আসরারুল হোসেনের কাছ থেকে পাওয়া সাহায্য ও সহায়তার কথা আমি কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ না করে পারছি না। একসময় তিনি আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হয়েছিলেন। তিনি আমাকে এতটাই পছন্দ করতেন যে, নতুন দায়িত্ব গ্রহণের আগে তিনি হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগে বিচারাধীন তাঁর সমস্ত ব্রিফ (মামলার নথিপত্র) আমাকে হস্তান্তর করেছিলেন। বার্ধক্য ও নানাবিধ অসুস্থতার কারণে তিনি বর্তমানে খুবই অসুস্থ। আমি তাঁর সুস্থতার জন্য সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি।

আমি কখনো আইনজীবী হওয়ার কথা ভাবিনি। আমি বাণিজ্যের শিক্ষার্থী ছিলাম, বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবনের শেষভাগে এসে আমি আইনকে পেশা হিসেবে নেওয়ার কথা ভাবতে শুরু করি। সেই সময় আমার মা আমাকে এটি বেছে নিতে অনুপ্রাণিত করেছিলেন। আমার পিতামাতা, যাঁরা বেঁচে থাকলে আজ অত্যন্ত আনন্দিত হতেন, তাঁরা আর এই পৃথিবীতে নেই। আল্লাহ তাঁদের আত্মাকে শান্তিতে রাখুন।

হাইকোর্ট বিভাগে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালনে যেসকল বিজ্ঞ সহকর্মী বিচারপতির সাথে আমি কাজ করেছি, তাঁদের নির্দেশনার জন্য তাঁদের প্রতি আমি আমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
বক্তব্য শেষ করার আগে, আমি আপনাদের সবাইকে আবারও আন্তরিক ও গভীর কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
ধন্যবাদ,
আল্লাহ হাফেজ।

২৫-৬-২০০২ তারিখে ১ নম্বর আদালত কক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে পদোন্নতি উপলক্ষে প্রদত্ত সংবর্ধনার জবাবে।

Md.Mizanur Rahman (Kayes)
Advocate Bangladesh Supreme Court
01836-796699



​ #বিচারপতি_মনোয়ারউদ্দীন

সিকস্তি এবং পয়স্তি ​ ​  ​ #সিকস্তি ​ #পয়স্তি​ #সিকস্তিপয়স্তি ​ #নদীভাঙন​
23/08/2026

সিকস্তি এবং পয়স্তি ​
​ ​ #সিকস্তি ​ #পয়স্তি
​ #সিকস্তিপয়স্তি ​ #নদীভাঙন

হাইকোর্ট এর নতু বেঞ্চ গঠন ​  ​ ​  ​ #হাইকোর্ট​ #নতুনবেঞ্চ ​ #সুপ্রিমকোর্ট
23/08/2026

হাইকোর্ট এর নতু বেঞ্চ গঠন
​ ​
​ ​ #হাইকোর্ট
​ #নতুনবেঞ্চ ​ #সুপ্রিমকোর্ট

22/08/2026

মিথ্যা যৌতুক মামলার সাজা ​

​ ​ #মিথ্যাযৌতুকমামলা
​ #যৌতুকমামলারসাজা
​ #মিথ্যামামলারশাস্তি
​ #যৌতুকনিরোধআইন

মাননীয় বিচারপতি জনাব মোঃ জিয়াউল করিম এর বিদায়ী ভাষণ।বিসমিল্লাহির রহমানির রহিমবাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি মাননীয় বিচারপত...
22/08/2026

মাননীয় বিচারপতি জনাব মোঃ জিয়াউল করিম এর বিদায়ী ভাষণ।

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম
বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি মাননীয় বিচারপতি ডঃ সৈয়দ রেফাত আহমেদ, বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্ট আপীল বিভাগের মাননীয় বিচারপতিবৃন্দ, বিজ্ঞ এটর্ণী জেনারেল, সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতির বিজ্ঞ সভাপতি এবং উপস্থিত বিজ্ঞ আইনজীবীবৃন্দ।
আস্ সালামু আ'লাইকুম,
আজকে আমার কর্মজীবনের শেষ দিন। আমার ওকালতি জীবনের প্রায় ১৮ বৎসর এবং বিচারপতি হিসাবে প্রায় ২০ বৎসর ৪ মাস, এই ৪০ বৎসর ৪ মাসের শেষ ক্ষন।

আমি আমার আইনজীবী পেশাকে অত্যন্ত ভালবাসি। সে কারনেই বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট, হাইকোর্ট তথা আইন আদালত যে কোন প্রাঙ্গনকে আমার জীবনের এক অংশ বলে মনে করি।

আজকে এই অনুষ্ঠানে যে বিপুল সংখ্যক আমার প্রাণপ্রিয় বিজ্ঞ আইনজীবী উপস্থিত হয়েছেন তাতে আমি সত্যিই অভিভূত। এই বিজ্ঞতার বহিঃপ্রকাশে আমাকে যে বিশেষনে বিশেষিত করলেন আমি জানি না আমি তার কতটুকু প্রাপ্তির যোগ্য। এর এতটুকুও যদি সত্য হয়ে থাকে তা হলে তার সমস্ত কৃতিত্ব মহান আল্লাহ্ রাব্বুল আ'লামিনের যিনি তার অপার কৃপায় আমাকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বিচারালয়ের বিচারক হিসাবে আসীন করে দেশের মানুষের সেবা করার সুযোগ করে দিয়েছেন। তারপর আমার মরহুম পিতা-মাতা এবং বড়ভাই তাদের দোয়া ও উৎসাহের ফল আমার এই কর্মময় জীবন। আমি তাদের কাছে চিরকৃতজ্ঞ।
আজ গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি যে সব ভাষাশহিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং জুলাই-আগস্টে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের শহিদের প্রতি যাদের আত্মত্যাগের কারনে আজকে এই সর্বোচ্চ বিচারালয় বসে কথা বলতে পারছি। আমার শেষ কার্য দিবসে বিচারিক জীবনের পথ পরিক্রমায় আমি অত্যন্ত শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি সর্বজনাব খন্দকার মাহবুব উদ্দিন আহমেদ, ব্যারিস্টার সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ, সাবেক এটর্নী জেনারেল মোঃ নূরুল্লা, খন্দকার মাহবুব হোসেন প্রমূখগণ, আমি উনাদের কোন গুরুত্বপূর্ণ মামলার Argument এর দিন কোর্ট রুমে বসে উনাদের Argument শুনতাম, কোর্ট ওঠার আগে এই AD-বসে জনাব শ্রদ্ধেয় ব্যারিস্টার সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ এর একটি কথা আজও আমার কানে বাজে। উনি বলতেন যে Best Judge he who has the courage to deliver Judgment for backward and weak class of people, বিচারক হিসাবে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রেখে বিচারক কাজ সম্পন্ন করতে উনাদের উপদেশবলি সবসময় মনে রাখার চেষ্টা করেছি। আমি আমার সীমিত পরিসর থেকে অনেক প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করার সর্বাত্মক চেষ্টা করেছি।

'বিচার বিভাগে দুর্নীতির কালো মেঘ ভেসে বেড়াচ্ছে-এ' অনাকাঙ্ক্ষিত অপপ্রচার আজকাল প্রায়শ-ই আমাদের কানে আসে। বিচারব্যবস্থায় কারো একক অধিকার নাই এবং কারো একক প্রয়াসেও তা চলতে পারে না। সমষ্টিগত প্রয়াসের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার একমাত্র পূর্বশর্ত। তাই বিচারক থেকে শুরু করে বিচারব্যবস্থার সাথে সম্পৃক্ত সকলেই একে অপরের সাথে নিবিড়ভাবে সংযুক্ত হয়ে কাজ করতে হবে। সুবিচার বা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হলে বিচারালয়ের সর্বনিম্ন কর্মকর্তা থেকে সর্বোচ্চ পদাধিকারীকেও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। একজন বিচারক সুচিন্তিত মতামত প্রকাশের জন্য বাধা-বিপত্তির সম্মুখীন হলে, তা প্রতিহত করতে এ অঙ্গনে যাদের কল্যাণকর পদচারণা তাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে তা মোকাবিলা করতে হবে। একটি পরিবারের গৃহকর্তা যেমন তার পরিবারের সকলকে একত্রিত রেখে রক্ষা করেন আবার শাসনও করেন ঠিক সেরকমভাবে সিনিয়র বিচারকগণও পরিবারের অভিভাবকের মতো জুনিয়র বিচারকদের ভালোবাসবেন, স্নেহ করবেন, দিকনির্দেশনা দিবেন এটাই কাম্য। তাদের আগলে রেখে পথ দেখাতে হবে যাতে তারা সকল প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব ও কর্তব্য যথাযথভাবে পালন করেন। তা না হলে বিচারব্যবস্থার সাথে জড়িত দু-একজনের পদস্খলনে পুরো বিচারব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়বে। একবার যদি বিচারব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েতাহলে যে-কোন সময় অপশক্তি আমাদের দেশ ও সভ্য সমাজকে গ্রাস করবে। আমাদের অগ্রগতির ধারা লৌহ প্রাচীরে বন্দি হয়ে যাবে। যেহেতু সংবিধানের ১০৯ অনুচ্ছেদ অনুসারে হাইকোর্ট বিভাগ অধস্তন সকল আদালতের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ করে। তাই সময়ে সময়ে হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক নিম্ন আদালত পরিদর্শন রিপোর্ট ও সুপারিশ অনুযায়ী কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলে নিম্ন আদালতের প্রশাসনিক এবং বিচারিক কাজের স্বচ্ছতা এবং নির্ভরযোগ্যতা বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে।

মাননীয় প্রধান বিচারপতি আমাদের বিচার বিভাগ তথা বিচারক পরিবারের অভিভাবক তিনি প্রকৃত দিকনির্দেশনা দিয়ে যোগ্যকে পুরস্কৃত করবেন, তেমনি প্রয়োজনে ধীভূতেও করবেন। আমি জানি বর্তমান মাননীয় প্রধান বিচারপতি মহোদয় তাঁর তীক্ষ্ণ তত্ত্বাবধানের মাধ্যমে নিম্ন আদালত এবং সেখানকার বিচারকদের বিরাজমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে কার্যকর সমাধান করার প্রয়াসে নিয়োজিত আছেন। উচ্চ আদালতের এই ধারা যতদিন বজায় থাকবে ততদিন নিম্ন আদালতের কেহই অবিচারক মনোভাব নিয়ে বিচারকের আসনে বসতে পারবে না। উচ্চ আদালত সার্বক্ষণিক প্রহরীর মতো সজাগ থাকবে এবং নিম্ন আদালতে কোনরূপ অনিয়ম হলে সাথে সাথেই ব্যবস্থা নিবে।
আমি বিশ্বাস করি, আমরা যদি নিজ নিজ অবস্থানে থেকে নিজ নিজ দায়িত্ব ও কর্তব্য সঠিকভাবে পালন করে যাই এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে কাজ করার দৃঢ় মানসিকতায় নিজেই নিজের কাছে শপথ নিই তাহলে আমরা অবশ্যই সুশাসন দ্বারা আমাদের স্বাধীন সার্বভৌম দেশকে সোনার বাংলা'য় গড়তে পারবো। আজ বিদায় বেলায় আপনাদের কাছে আমার সনির্বন্ধ অনুরোধ, আমরা যেন এমন কিছু না করি যাতে সুবিচারের প্রতীক এই শ্বেত-শুভ্র অট্টালিকার গায়ে বিন্দুমাত্র কালিমা লাগে এবং আমাদের মনে বেজে না ওঠে ‘মা, তোর বদনখানি মলিন হলে ওমা আমি নয়ন জলে ভাসি।' আমাদের দেশ মাতৃকা যেন নয়ন জলে না ভাসে সেজন্য আমাদের নতুন করে শপথ নিতে হবে যাতে লক্ষ শহিদের ও নির্যাতিত, নিগৃহীত মা বোনদের ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের এই মাতৃভূমিকে সোনার বাংলায় গড়ে তুলতে পারি।
আজকের এ বিদায় সভায় উপস্থিত থেকে ধৈর্য সহকারে আমার বক্তব্য শোনার জন্য আপনাদের প্রত্যেককে ধন্যবাদ। এতগুলো বছরের এ পথপরিক্রমায় আমি যদি কারো মনে কোনও প্রকার আঘাত দিয়ে থাকি, কিংবা আমার আচরণে কেহ যদি ব্যথিত হন, তাহলে দয়া করে তা ভুলে যাবেন এবং আমাকে মাফ করে দিবেন। মহান সৃষ্টিকর্তা আমাদের সকলের মঙ্গল করুন। সবাই ভালো থাকবেন। আশা করি আমার জন্য আপনারা নেক দোয়া করবেন।
আল্লাহ হাফেজ।

Md.Mizanur Rahman (Kayes)
Advocate Bangladesh Supreme Court
01836-796699



​ #বিচারপতি_জিয়াউল_করিম ​

পবিত্র ওমরাহ পাললে বাধা প্রধান
22/08/2026

পবিত্র ওমরাহ পাললে বাধা প্রধান

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BD LAW Suggest posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share