Mim Roy

Mim Roy নতুন গল্প পেতে হলে ফ,,ল দেন

৷৷৷ এখানে শুধু লিংক দেওয়া হয়৷৷

04/05/2026

ক্লাস নাইনের ছাত্র।টিউটর হিসেবে ৪ হাজার ফিক্সড হলো।প্রথম দিন পড়াতে গেলাম।আমি ইংরেজি পড়াতাম।প্রথম দিন ছাত্রকে বলতাম-'ডিল হয়ে যাক।তোমাকে পড়তে হবে না।এসে বসে থাকব।৬০ মিনিট হবে চলে যাব।তুমি এই ৬০ মিনিট মোবাইল টিপতে পারবা'।এটা শুনে ছাত্র খুশি হয়ে যেত।ঢাকার প্রায় সব ছাত্রই নেতা ও ফাঁকিবাজ।
সাথে সাথে ছাত্রের প্রিয় হয়ে যেতাম।তখন ছাত্রকে একটা কাজ দিতাম।বলতাম-'তুমি তোমার বাবা মাকে বলবে স্যার কিন্তু সুপার।স্যার পড়ালে আমি নিশ্চিত ৮০/৯০ পাব'।
রাতেই ছাত্রের বাবা মাকে কল দিতাম।আন্টি দেখেন আপনার ছেলেকে ৪ হাজারে পড়াতে পারব না।যদি ১০ হাজার দেন পড়াবো।ছাত্র তো আমার দলে।বাবা মাকে প্রচুর প্রেসার দিত।
পরের দিন ফোন দিয়ে বলত-"স্যার আসেন।আমার ছেলেকে ভালো করে পড়ান।বেতন ১০ হাজারই দিব"।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকা অবস্থায় ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ঢাকার রামপুরা,বনশ্রী ও বেইলি রোডে এভাবেই টিউশন করাতাম।সত্যি ঘটনা বলেই ফেললাম😂
বেতন মাসে ১২ দিনে ১০ হাজার কনফার্ম হয়ে যাওয়ার পর আমি আর ছাত্র মিলে গোপনে চাইনিজ খেতাম।।

#সংগৃহীত

30/04/2025

দেহতে যদি প্রেম হত,

তবে পতিতারা কেনো প্রেমিকা নয়।

30/04/2025

কিছুদিন আগে অনলাইন থেকে ২টা পুতুল আমি নেই, পুতুলগুলো দেখতে অনেক সুন্দর তাই ভাবলাম ২মেয়ের জন্য ২টা নেই।
যাই হোক এবার বলি আসল কথা, যেহেতু বাচ্চারা নতুন খেলনা পাওয়ার পর অইটা কিছুদিন অনেক যত্নে রাখে, আমার ফাইজাও এইটা নিয়ে প্রতিদিন ঘুমাই, কিন্তু যেদিন সে পুতুলটা নিয়ে ঘুমাই সেদিন রাতেই ও ঘুমের মধ্যে কান্না শুরু করে আর পুতুল টাকে ফেলে দেয়।
আর প্রচুর কান্না করে, আমাকে বলে আম্মু পুতুল্টা ফেলে দাও পুতুল আমাকে মারে😪
আমিতো ভাবছি ছোট মানুষ হইতো মনের ভুল বা সপ্নে কিছু দেখে।।
কিন্তূ কাল রাতের ঘটনা আর আজকে যা দেখেছি তাতে আমি রীতিমতো অবাক😭😭😭@everyone রাতেও ও ঘুম ভেঙে কান্না করতেছিল আর বলতেছিল মা তুমি আর পুতুল আনিও না, আমি আর পুতুল নিবো না, পুতুল টা আমাকে খামছি দেই🥲🥲
আজ গোসল করানোর সময় আমি ফাইজার পিঠে এই রকম খামছির দাগ দেখি😭😭
অরে জিজ্ঞেস করলে ও বলে মা আমি তোমাকে বলেছিনা পুতুল আমাকে খামছি দেই
তাহলে কি আমার মেয়ে সত্যি বলেছিলো এতদিন😭😭😭

19/04/2025

♦️ কুকুর কামড়ালেই জলাতঙ্ক হয় না!
কুকুর নিয়ে অদ্ভুত সব কথা প্রচলিত আছে। এরমধ্যে কোনটা সবচেয়ে অহেতুক অথবা বড় ভুল, সেটা নিয়ে তীব্র প্রতিযোগিতা হতে পারে।
এক বন্ধুর কাছে শুনেছিলাম, তার দাদি নাকি বলত, খাওয়া দাওয়া করে আড়মোড়া ভাঙলে সেই খাবার কুকুরের পেটে চলে যায়! এটা হলে অবশ্য ভালোই হতো। পথের কুকুরদের না খেয়ে থাকতে হতো না।
আমরা যে অলস জাতি, তবে কুকুর নিয়ে ভুল ছড়ানোতে বলা যায় আমরা নিরলস। পুরো মেডিক্যাল সায়েন্সকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে প্রচলিত হয়েছে, কুকুর কামড়ালে নাকি পেটে বাচ্চা হয়! বলেন কেমনটা লাগে? আরেক কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত আরও এক ধাপ এগিয়ে কবিতা লিখলেন, ‘কুকুরের কাজ কুকুর করেছে, কামড় দিয়েছে পায়…’
সেসময়কার মানুষের কবিকে জিজ্ঞেস করা উচিত ছিল, ‘আপনারে কে বলছে যে কুকুরের কাজ কামড়ানো?’
কুকুর নিয়ে আরেকটি গুজব হলো, মানুষ দেখিবামাত্রই কুকুর কামড় বসিয়ে দিবে। আর কুকুরের কামড় মানেই নাভির নিচে ১৪টি ইনজেকশন। আর ইনজেকশন না দিলে হবে জলাতঙ্ক। সবই এখন ভুল ধারণা।
কোনো একসময় কুকুর কামড়ালে হয়তো ১৪টা ইনজেকশনের প্রয়োজন হতো, কিন্তু কুকুর কখনও দেখামাত্রই কামড় দেয় না। মানুষ যেভাবে কামড় দেয় রাগে-ক্ষোভে মাথা গরম করে, কুকুরের কামড়টাও সেরকম স্বাভাবিক ব্যাপার। আরও ঠিকঠাক করে বললে, তাদেরকে অকারণে মারলে, তাড়া করলে, ভয় দেখালে বা নানাভাবে উত্যক্ত করলে তারা আত্মরক্ষায় কামড় বা আঁচড় দিতে পারে।
তবে কুকুরের লালা গায়ে লাগলে বা আঁচড়-কামড় খেলেই আতঙ্কের কিছু নেই। কারণ সব কুকুরের শরীরে জলাতঙ্কের র‍্যাবিস ভাইরাস থাকে না। শুধুমাত্র র‍্যাবিস আক্রান্ত কুকুর কামড় দিলেই জলাতঙ্ক হতে পারে।
ঢাকায় গত কয়েক বছর ধরে নিয়মিত প্রাণীদের ভ্যাকসিনেশন করার ফলে র‍্যাবিস ভাইরাসে আক্রান্ত কুকুরের সংখ্যা অনেক কমে এসেছে। কর্তৃপক্ষ যদি আরেকটু সচেতন হয় তবে এটাকে শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা সম্ভব। সারাবছর ঢাকা বা ঢাকার বাইরে জলাতঙ্কে আক্রান্ত হওয়ার যেসব ঘটনা ঘটেছে তা শুধুমাত্র ঠিকমতো প্রাণীদের ভ্যাকসিনেটেড না করার কারণে হয়েছে।
মনে রাখবেন, কুকুর কামড়ালে প্রথমেই যে কাজটা করতে হবে তা হলো সাথে সাথে ক্ষারযুক্ত সাবান দিয়ে ১৫ মিনিট ক্ষতস্থান ধুয়ে ফেলতে হবে। ক্ষতস্থান সাথে সাথে ধুয়ে ফেললে ৯০ শতাংশ জীবাণু মরে যায় এবং সংক্রমণের শঙ্কা ৭০-৮০ ভাগ কমে যায়। তারপর নিকটস্থ হাসপাতালে গিয়ে সময়মতো জলাতঙ্ক প্রতিরোধী টিকা নিতে হবে। কামড়ের পরপরই টিকা নিয়ে নিলে মৃত্

10/02/2025

উপর তলা থেকে চিৎকার করে কান্নার আওয়াজ আসছে… সাথে শোনা যাচ্ছে - মা আর করবো না।
বিষয়টা বুঝে উঠতে পারছিলাম না। একটু আগেই তো তাদের বাড়িতে আমাদের নেমন্তন্ন ছিলো। তার ছেলে চাকরি নতুন পেয়েছে সেজন্য। কতো অমায়িক পরিবার। কি রেখে কি খেতে দিবে, কিভাবে খাতির যত্ন করবে, সে নিয়ে তাদের কতো হৈ হুল্লোড়। তাহলে এই অল্প সময়ের মধ্যে কি হলো?
যেহেতু সে আমার ভাড়াটিয়া তাই সাহস করে যেতেও পারছি না। অনাধিকার চর্চা হয়ে যায় কিনা সে ভয়ে।
স্ত্রীকে ডেকে বললাম - কে কাঁদছে এভাবে? জানো কিছু?
সে দীর্ঘনিশ্বাস ফেলে বললো - আর কে? তুমি যেই মাসিমনির একটু আগে প্রশংসা করলে - কত্তো ভালো মানুষ সে! তার ছেলের বউ এর সাথে চিল্লাচ্ছে।
আমি কিছুটা স্তব্ধ হয়ে বললাম - কেনো? উনাকে দেখে তো এমন লাগলো না!
আমার স্ত্রী বললো - থাক, তোমার সাথে তর্কে যাবো না। মহিলা মানুষের বিষয়। তুমি বুঝবে না।
এই বলে সে চলে গেলো। আমি টিভি দেখতে লাগলাম। হঠাৎ মনে হলো উপর তলায় ঠাস করে কিছু পরে ভাঙলো, আর এরপর আরো জোরে চিৎকার।
আর নিতে পারছিলাম না। বাড়িওয়ালা হিসেবে এবার ওদের বাড়িতে যাওয়ার কথা ভাবলাম।
চশমাটা চোখ থেকে খুলে হাঁটা দিলাম উপর তলায়।
কলিং বেল দিতেই সব চুপচাপ হয়ে গেলো।
১-২ মিনিট পর অর্ধেক দরজা খুলে মুখ বের করলেন মাসীমণি ।
হাসি মুখে এগিয়ে বললেন - কি হইসে বাবা?
আমি বললাম - একটু আগে কান্নার আওয়াজ পেলাম। তারপর মনে হলো কি যেন ভেঙে গিয়েছে। কি হয়েছে? কোন সমস্যা?
মাসীমণি বললেন - আরে না বাবা। বউমা কাজ করতে গিয়ে হাতে লেগে টেবিলের কাঁচ টা ভেঙে গেছে। নিজে থেকেই ভয়ে কান্না করছে। ভয় পাইসে, আমি যদি কিছু বলি সেজন্য।
আমার কাছে কেন যেন তেমন কিছু মনে হলো না।
পুরুষ মানুষ তাই জোর করে ঢুকতেও পারলাম না। চলে আসলাম সেখান থেকে।
কিন্তু আসার পর থেকে মাথা ধরে আছে। তাই সহ্য না করতে পেরে আমার স্ত্রীকে ডেকে বললাম - চলো তো আমার সাথে।
সে বললো - কোথায়?
আমি হাত ধরে টান দিয়ে তাকে নিয়ে গেলাম উপর তলায়।
আবার কলিং বেল দিলাম। এবার আরও সময় নিয়ে দরজা খুললো তারা। এবার দরজা খুললো মাসীমণি'র ছেলে। একদম ঘামিয়ে আছে সে। বয়সে আমার সমবয়সী হলেও বিয়ে করেছে আমার মেয়ের বয়সী একটা মেয়েকে।
সে জিজ্ঞাসা করলো - কিছু বলবেন ভাই?
বললাম - তোমার মায়ের সাথে কথা আছে। ভেতরে যাবো।
সে বললো - মা পুজো করছে। পুজো শেষে বলছি যেন আপনার সাথে দেখা করে আসে।
আমি খানিকটা ধাক্কা দিয়েই বললাম - এখনই দেখা করবো।
এই বলে ঘরে ঢু

18/11/2024

'পতি''তা'লয়ে গিয়ে ছিলাম নিজের দৈহিক চাহিদা মেটানোর জন‍্যে। সেখানে গিয়ে দেখি মেয়েটি জানালার পাশে বসে কান্না করতেছে।
'জিঙ্গেস করলাম 'কি ব‍্যপার তুমি কান্না,
করতেছো কেনো।
'এমনি কান্না করতেছি।
আচ্ছা ওয়েট করুন আমি পোশাক খুলতেছি।
'কেনো জানি মেয়েটার প্রতি আমার একটু
মহব্বোত হলো। আবার জিঙ্গেস করলাম প্লিজজ বলুন
আপনার কি হয়েছে।
'আপনি জেনে কি করবেন।
এর থেকে না জানাই ভালো?
'প্লিজজ বলুন।
'বাড়ির কথা অনেক মনে পরতেছে।
খুব ইচ্ছে করতেছে বাড়ি যেতে।
'কাজ থেকে ছুটি নিয়ে গেলেই তো হয়।
পরে আবার এসে কাজ করবে।
'সম্ভব হলে সেটাই করতাম।
'কেনো সম্ভব না কেনো?
'আসলে আমার Boyfriend আমাকে এখনে বিক্রি করে দিয়েছে আমি চাইলেও যেতে পারবো না।
এখন এটাই আমার বাড়ি ঘর।
'boyfriend বিক্রি করে দিয়েছে মানে।
কি বলো এই সব।
'হ‍্যাঁ।
'প্লিজ যদি একটু খুলে বলতে আমাকে।
'থাকনা অজানা।
'প্লিজজজজজজজজজ?
'আস থেকে ৯মাস আগে একটি ছেলেকে আমি অনেক ভালোবাসতাম। একদিন ছেলেটি আমাকে বললো
জান চলো পালিয়ে বিয়ে করি।
তার কথাতে রাজি হয়ে গেলাম এবং পালিয়ে
আসলাম ঢাকায়।
তো ঢাকায় এসে দুইদিন এক সঙ্গে থাকার পরে সে আমাকে পতিতালয়ে বিক্রি করে চলে যায়।
'এই সব কি সত্যি।
'হ‍্যাঁ।
'মেয়েটির কথা শোনার পরে বেশ কিছুক্ষন
নিশ্চুপ থাকলাম।
তখন মেয়েটি আবার বলে উঠলো।
'কি হলো কাজ করবেন না।
'তখন সোজা মেয়েটিকে বললাম।
আমি তোমাকে বিয়ে করে চাই! তোমার সঙ্গে চিরকাল থাকতে চাই।
'মানে।
'মানেটা হচ্ছে আমি তোমাকে বিয়ে করবো।
তোমার সঙ্গে থাকবো।
'আপনার মাথা ঠিক আছে।
আমি একজন পতিতা।
'সমস‍্যা নেই আমি মানিয়ে নিবো।
তুমি নাহয় তোমার অতিত ভুলে গিয়ে নতুন করে বাচবে
'এটা কি সম্ভব।
'তুমি চাইলেই সম্ভব।
'আমি তো আপনাকে চিনিনা জানিনা।
এছাড়া আপনিও আমাকে চিনেন না জানেন না।
'বিয়ের পরে দুজন দুজনকে চিনবো জানবো।
'আপনার পরিবারের লোক মানবে আমাকে।
'আমার পরিবারে কেউ নেই।
আমি একাই।
'ওহ।
কিন্তু আমাকে এখান থেকে বের করবেন কিভাবে।
'সেটা আমার চিন্তা।
তুমি কি আমাকে বিয়ে করবা।
'বুজতছি না কি বলবো।
কারন একজনকে বিশ্বাস করে ঠগেছি।
'প্লিজজ একটা সুযোগ দাও আমাকে।
আমি ঠগাবো না।
'কিন্তু আপনি আমাকে বিয়ে করতে চাচ্ছেন কেনো।
সেটা আগে বলুন।
'সত‍্যি বলতে তোমার কথা গুলা শোনার পরে তোমার প্রতি অন‍্য রকম একটা অনুভূতি কাজ করতেছে।
মনে হয় এটা ভালোবাসা।
'২মিনেটের পরিচয়ে ভালোবেসে ফেল্লেন।
মনে হচ্ছে এটা আবেগ।
'আবেগ না।
দুই মিনিটের কথা

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mim Roy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category