Adv. Imrul Kaesh Khan

Adv. Imrul Kaesh Khan Lawyers & Law firm - Legal Service |
Civil, Criminal, Tax-VAT & Company law matters with all kind of legal affairs'.

সবাইকে জানাই পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা। ঈদ মুবারক।
21/03/2026

সবাইকে জানাই পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা।
ঈদ মুবারক।

✔️জেনে নিন বিনিয়োগের সীমা এবং কর রেয়াতের হিসাব-একজন করদাতা তার মোট করযোগ্য আয়ের ২০ শতাংশ বিনিয়োগ করতে পারবেন।ওই বিনিয়োগ...
18/03/2026

✔️জেনে নিন বিনিয়োগের সীমা এবং কর রেয়াতের হিসাব-

একজন করদাতা তার মোট করযোগ্য আয়ের ২০ শতাংশ বিনিয়োগ করতে পারবেন।
ওই বিনিয়োগকৃত অর্থের ১৫% কর রেয়াত পাবেন। অর্থাৎ সেই পরিমাণ টাকা প্রদত্ত ট্যাক্স থেকে বাদ যাবে।

এখন ওই ব্যক্তির করযোগ্য আয় যেহেতু ১০ লাখ টাকা তাহলে তিনি বিনিয়োগ করতে পারবেন তার এই আয়ের ২০% বা দুই লাখ টাকা।

তিনি পুরো দুই লাখ টাকা বিনিয়োগ করলে তার ১৫% অর্থাৎ ৩০ হাজার টাকা কর রেয়াত পাবেন।

সে হিসেবে ওই ব্যক্তির প্রযোজ্য মোট কর ৭২ হাজার পাঁচশ টাকা থেকে এই ৩০ হাজার টাকা রেয়াত পাবেন।

এক্ষেত্রে তার করের পরিমাণ কমে ৪২ হাজার ৫০০ হাজার টাকায় দাঁড়াবে।

আয়কর নির্দেশিকা অনুযায়ী, সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত কর রেয়াতের সুযোগ নেওয়া যাবে।

সে হিসেবে ১০ লাখ টাকা অথবা মোট করযোগ্য আয়ের তিন শতাংশ অথবা মোট প্রকৃত বিনিয়োগের ১৫% - এই তিন এর মধ্যে যেটি ছোট সেটি তার জন্য কর রেয়াত, যা তার মোট প্রদেয় আয়কর থেকে বাদ যাবে।

তবে, এই শর্ত শুধুমাত্র পুরনো করদাতা অর্থাৎ, যিনি এর আগে আয়কর রিটার্ন দাখিল করেছেন তাদের জন্য প্রযোজ্য হবে।

বিনিয়োগের এই তথ্য বার্ষিক আয়–ব্যয়ের বিবরণী বা রিটার্ন জমার দেয়ার সময়সীমার মধ্যে জমা দিলে কর ছাড় পাওয়া যায়।

সঞ্চয়পত্র, ব্যাংক আমানত বা ডিপিএস থাকলে আয়কর রিটার্ন জমায় করণীয়।।....আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় আপনার আয়কর নথি বা ফাইলে...
18/03/2026

সঞ্চয়পত্র, ব্যাংক আমানত বা ডিপিএস থাকলে আয়কর রিটার্ন জমায় করণীয়।।....
আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় আপনার আয়কর নথি বা ফাইলে যদি সঞ্চয়পত্র, স্থায়ী আমানত, ডিপোজিট পেনশন স্কিম (ডিপিএস) আমানতের সঠিক বিবরণ না থাকে, তাহলে বিপত্তি ঘটতে পারে। সঠিকভাবে হিসাবভুক্ত না হলে পরে খেসারত দিতে হয়। গুনতে হয় অতিরিক্ত কর। এমনকি জেল বা জরিমানাও হতে পারে।

কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায়, করদাতার একাধিক ব্যাংক হিসাব থাকলেও আয়কর নথিতে সব তথ্য না দিয়ে আয়কর রিটার্ন জমা দিয়েছেন। কিংবা প্রদর্শন করা ব্যাংক হিসাব পর্যালোচনা করে দেখা যায়, আয়কর নথিতে যে আয় দেখানো রয়েছে, তার থেকে ব্যাংক লেনদেন বেশি। অর্থাৎ আয়কর রিটার্নের সঙ্গে মিল নেই, করদাতার এ রকম একাধিক লেনদেন থাকতে পারে।

মনে রাখা দরকার, আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার পর বিভিন্ন সময় তা পর্যালোচনা করার বিধান রয়েছে। এ কারণে ভবিষ্যৎ-বিপত্তি এড়াতে আয়কর নথিতে সঠিকভাবে হিসাবভুক্ত হওয়া প্রয়োজন।
ফলো করুন

আয়কর রিটার্নগ্রাফিকস: প্রথম আলো
আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় এখন। তবে আপনার আয়কর নথি বা ফাইলে যদি সঞ্চয়পত্র, স্থায়ী আমানত, ডিপোজিট পেনশন স্কিম (ডিপিএস) আমানতের সঠিক বিবরণ না থাকে, তাহলে বিপত্তি ঘটতে পারে। সঠিকভাবে হিসাবভুক্ত না হলে পরে খেসারত দিতে হয়। গুনতে হয় অতিরিক্ত কর। এমনকি জেল বা জরিমানাও হতে পারে।

কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায়, করদাতার একাধিক ব্যাংক হিসাব থাকলেও আয়কর নথিতে সব তথ্য না দিয়ে আয়কর রিটার্ন জমা দিয়েছেন। কিংবা প্রদর্শন করা ব্যাংক হিসাব পর্যালোচনা করে দেখা যায়, আয়কর নথিতে যে আয় দেখানো রয়েছে, তার থেকে ব্যাংক লেনদেন বেশি। অর্থাৎ আয়কর রিটার্নের সঙ্গে মিল নেই, করদাতার এ রকম একাধিক লেনদেন থাকতে পারে।

মনে রাখা দরকার, আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার পর বিভিন্ন সময় তা পর্যালোচনা করার বিধান রয়েছে। এ কারণে ভবিষ্যৎ-বিপত্তি এড়াতে আয়কর নথিতে সঠিকভাবে হিসাবভুক্ত হওয়া প্রয়োজন।

✔️নিয়মিত পর্যালোচনা হয় আয়কর রিটার্ন
✔️এক. আয়কর আইনের ১৭৬ ধারা অনুযায়ী, কোনো করদাতার আয়-ব্যয় ও সম্পদ বিবরণীর তথ্যে গরমিল থাকলে জমাকৃত রিটার্ন অসম্পূর্ণ হিসেবে গণ্য হবে। এ ক্ষেত্রে উপকর কমিশনার কারণ উল্লেখপূর্বক করদাতার নিকট সংশ্লিষ্ট তথ্য যাচাই, বিবৃতি বা দলিলাদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাখিল করার জন্য নোটিশ প্রেরণ করবেন।

✔️দুই. জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে প্রতিবছর কিছু নথি নিরীক্ষা (অডিট) করা হয়। কিছু নথি যুগ্ম বা অতিরিক্ত কর কমিশনারের মাধ্যমে নিবিড় পর্যবেক্ষণ করা হয়, যাকে আয়করের ভাষায় ‘অর্থোডক্স’ বলা হয়। কর পরিদর্শন বিভাগ বা সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল কিছু নথি পর্যালোচনা করে থাকে।

✔️তিন. উপকর কমিশনার (ডিসিটি) যেকোনো সময় যুগ্ম কর কমিশনার বা অতিরিক্ত কর কমিশনারের অনুমতি সাপেক্ষে ২১২ ধারায় ফাইল পুনঃ উন্মোচন করতে পারেন।

✔️চার. এ ছাড়া আয়কর কার্যালয় বিভিন্ন সময়ে ব্যাংক হিসাব অনুসন্ধান করে তথ্য বের করে থাকে। পাশাপাশি বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের তথ্যভান্ডার বা ডেটাবেজ (যেমন—সঞ্চয় অধিদপ্তর) এখন স্বয়ংক্রিয় (অটোমেশন) হয়ে এনবিআরের তথ্যভান্ডারের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। ফলে সেখান থেকেও তথ্য অনুসন্ধানের সুযোগ রয়েছে। ফলে সঞ্চয়পত্র, স্থায়ী আমানত বা ডিপিএস আমানতের সঠিক বিবরণ আয়কর নথিতে উল্লেখ করা প্রয়োজন।

✔️সঞ্চয়পত্রের ক্ষেত্রে করণীয়
যে অর্থবছরে সঞ্চয়পত্র কেনা হয়, সেই বছরে নির্দিষ্ট হারে আয়করের ক্ষেত্রে বিনিয়োগ রেয়াত পাওয়া যায়। তবে সঞ্চয়পত্র কেনার সংশ্লিষ্ট বছরেই কেবল আয়কর রেয়াত পাওয়া যাবে, একই সঞ্চয়পত্রের বিপরীতে পরবর্তী কোনো বছর এই রেয়াত সুবিধা পাওয়া যাবে না। অর্থ আইন ২০২৩-এর ষষ্ঠ তফসিলের ন্যায় ৭ অনুযায়ী, ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করলে আয়কর রেয়াত পাওয়া যাবে।

সঞ্চয়পত্র থেকে যে সুদ পাওয়া যায় এবং যে পরিমাণ টাকা উৎসে আয়কর হিসেবে কেটে রাখা হয়, সেটাই চূড়ান্ত কর দায়। যেমন মনে করি জনাব জাফর সঞ্চয়পত্র থেকে ৫ লাখ টাকা সুদ পেয়েছেন। এ ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ উৎসে আয়কর হিসেবে ২৫ হাজার টাকা কেটে রেখে জাফর সাহেব ৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা পেয়েছেন। সুতরাং ৫ লাখ টাকা আয়ের ওপর ২৫ হাজার টাকার অতিরিক্ত আর কোনো আয়কর দিতে হবে না।

সঞ্চয়পত্রের ক্ষেত্রে আয়কর রিটার্নের সঙ্গে কিছু নথি জমা দিতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে সঞ্চয়পত্র ক্রয়ের ফটোকপি বা প্রমাণপত্র (সার্টিফিকেট) এবং সঞ্চয়পত্র ভাঙানোর, প্রাপ্ত সুদ ও উৎসে আয়কর কেটে রাখার প্রমাণপত্র। সঞ্চয়পত্রের ‘সুদ’ আয়কর রিটার্নে আর্থিক পরিসম্পদ থেকে আয়ের কলামে দেখাতে হবে। আর সম্পদ বিবরণীতে ইনভেস্টমেন্ট কলামে সঞ্চয়পত্রের ক্রয়মূল্য দেখাতে হবে।

✔️সঞ্চয়পত্রের ক্ষেত্রে করণীয়
যে অর্থবছরে সঞ্চয়পত্র কেনা হয়, সেই বছরে নির্দিষ্ট হারে আয়করের ক্ষেত্রে বিনিয়োগ রেয়াত পাওয়া যায়। তবে সঞ্চয়পত্র কেনার সংশ্লিষ্ট বছরেই কেবল আয়কর রেয়াত পাওয়া যাবে, একই সঞ্চয়পত্রের বিপরীতে পরবর্তী কোনো বছর এই রেয়াত সুবিধা পাওয়া যাবে না। অর্থ আইন ২০২৩-এর ষষ্ঠ তফসিলের ন্যায় ৭ অনুযায়ী, ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করলে আয়কর রেয়াত পাওয়া যাবে।

সঞ্চয়পত্র থেকে যে সুদ পাওয়া যায় এবং যে পরিমাণ টাকা উৎসে আয়কর হিসেবে কেটে রাখা হয়, সেটাই চূড়ান্ত কর দায়। যেমন মনে করি জনাব জাফর সঞ্চয়পত্র থেকে ৫ লাখ টাকা সুদ পেয়েছেন। এ ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ উৎসে আয়কর হিসেবে ২৫ হাজার টাকা কেটে রেখে জাফর সাহেব ৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা পেয়েছেন। সুতরাং ৫ লাখ টাকা আয়ের ওপর ২৫ হাজার টাকার অতিরিক্ত আর কোনো আয়কর দিতে হবে না।

সঞ্চয়পত্রের ক্ষেত্রে আয়কর রিটার্নের সঙ্গে কিছু নথি জমা দিতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে সঞ্চয়পত্র ক্রয়ের ফটোকপি বা প্রমাণপত্র (সার্টিফিকেট) এবং সঞ্চয়পত্র ভাঙানোর, প্রাপ্ত সুদ ও উৎসে আয়কর কেটে রাখার প্রমাণপত্র। সঞ্চয়পত্রের ‘সুদ’ আয়কর রিটার্নে আর্থিক পরিসম্পদ থেকে আয়ের কলামে দেখাতে হবে। আর সম্পদ বিবরণীতে ইনভেস্টমেন্ট কলামে সঞ্চয়পত্রের ক্রয়মূল্য দেখাতে হবে।

✔️ডিপিএসে যা লক্ষ রাখবেন
মাসিক একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জমা রাখাকেই ডিপিএস বলে। ডিপিএসের ক্ষেত্রে সাধারণত ব্যাংকগুলো মাসিক, ত্রৈমাসিক বা ছয় মাস অন্তর কিংবা বাৎসরিক ভিত্তিতে সুদ বা মুনাফা প্রদান করে। কিছু ব্যাংক সুদ বা মুনাফার ওপর উৎসে আয়কর কেটে রাখে। আবার কিছু ব্যাংক প্রতিবছর সুদ বা মুনাফা দেয়, কিন্তু উৎসে আয়কর কেটে না রেখে মেয়াদ শেষে ডিপিএস ভাঙানোর সময় উৎসে আয়কর কেটে রাখে।

এ ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় লক্ষ রাখতে হবে। ✔️এক. ডিপিএসে বাৎসরিক ১ লাখ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ সুবিধা পাওয়া যাবে।
✔️দুই. ডিপিএসের ক্ষেত্রে ব্যাংক যদি প্রতিবছর মুনাফা বা সুদের ওপর উৎসে আয়কর কেটে রাখে, তাহলে (গ্রস) সুদ বা মুনাফা অন্যান্য উৎসে আয় হিসাবে দেখাতে হবে এবং বছর শেষে স্থিতি সম্পদ বিবরণীতে তা উল্লেখ করতে হবে।

✔️তিন. আবার এমন হতে পারে যে মুনাফা ব্যাংক বিবরণীতে যুক্ত হচ্ছে, কিন্তু ব্যাংক উৎসে আয়কর কেটে রাখছে না। এ ক্ষেত্রে শুধু সম্পদ বিবরণীতে যে পরিমাণ টাকা জমা দেখানো হচ্ছে, সে পরিমাণ টাকা সম্পদ বিবরণীতে আগের বছর জমা দেখানো থাকলে, তার সঙ্গে যোগ করে এ বছর দেখাতে হবে। যে বছর ডিপিএসের মেয়াদ পূর্তি বা ভাঙানো হবে, সে বছর পুঞ্জীভূত মুনাফা অন্যান্য উৎসের আয় হিসাবে দেখাতে হবে।

✔️চার. ডিপিএসের ক্ষেত্রে প্রতিবছরের ব্যাংক বিবরণী নিতে হবে এবং ডিপিএস ভাঙানোর সময় সার্টিফিকেট নিতে ভুল করা যাবে না।

✔️পাঁচ. ডিপোজিট পেনশন স্কিমের (ডিপিএস) সুদ ন্যূনতম কর হিসেবে গণ্য হবে।

✔️তথ্য সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে
ব্যাংকে যেসব লেনদেন হবে, তা অবশ্যই আপনার আয়কর নথিতে প্রদর্শিত আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে। অন্য কোনো ধরনের লেনদেন হলে, তার যুক্তিসংগত ব্যাখ্যা থাকতে হবে। মোট বা গ্রস ব্যাংক সুদ বা মুনাফা আর্থিক পরিসম্পদ খাতে আয় হিসাবে দেখাতে হবে। উৎসে কর আপনার প্রদেয় করের সঙ্গে সমন্বয় হবে।

কর রেয়াত পেতে কত পর্যন্ত বিনিয়োগ করতে হয়।।...‘আয়কর আইন ২০২৩’এ একজন ব্যক্তি করদাতা কত টাকা কর রেয়াত সুবিধা পাবেন তা উল্লে...
18/03/2026

কর রেয়াত পেতে কত পর্যন্ত বিনিয়োগ করতে হয়।।...
‘আয়কর আইন ২০২৩’এ একজন ব্যক্তি করদাতা কত টাকা কর রেয়াত সুবিধা পাবেন তা উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু কত টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ ভাতা হিসেবে দেখানো যাবে তা উল্লেখ নেই।

এই বিষয়ে কর পরামর্শক ও বিনিয়োগ বিশেষজ্ঞ Adv Imrul Kaesh Khan বলেন, “বিনিয়োগ ভাতা একজন ব্যক্তি করদাতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ একজন ব্যক্তি করদাতা সারা বছর ধরে যে আয় করেন তা থেকে অব্যাহতি বাদ দিয়ে যে করযোগ্য আয় বের হয় তার ওপর কর দিয়ে থাকেন। এবং এই করদায় কমানোর অন্যতম উপায় হল কর রেয়াত।”
কোনো করদাতা যদি এই কর রেয়াত সুবিধা ভোগ করে করদায় কমাতে চান তাহলে তাকে আয়কর আইনে উল্লেখিত খাতে বিনিয়োগ বা দান করতে হয়। এই বিনিয়োগ বা দান যদি আয়কর আইন অনুযায়ী হয় তাহলে তা বিনিয়োগ ভাতার আওতায় পড়ে। এবং এই বিনিয়োগ ভাতার ওপরেই একজন ব্যক্তি করদাতা কর রেয়াত সুবিধা পেয়ে থাকেন।

তাই একজন ব্যক্তি করদাতা সারা বছর ধরে আয়ের পাশাপাশি অল্প অল্প করে উল্লেখিত খাতে বিনিয়োগ বা দান করতে থাকেন। এতে বছর শেষে চাপ পড়ে না। এজন্য বছরের শুরুতেই যদি বিনিয়োগ ভাতার পরিমাণ জানা যায় তাহলে করদাতা বছরের শুরতেই পরিকল্পনা করে বিনিয়োগ বা দান করতে পারেন।
এখন প্রশ্ন হল কত বিনিয়োগ বা দান করা যায়?

“আয়কর আইন ২০২৩’য়ে বিনিয়োগ ভাতা কত তা উল্লেখ নেই। পূর্বের আয়কর অধ্যাদেশ-এ প্রথমে বিনিয়োগ ভাতার পরিমাণ কীভাবে বের করতে হবে তা বলা ছিল। আর বিনিয়োগ ভাতা পাওয়ার পর কর রেয়াত হার ব্যবহার করে কর রেয়াত বের করতে হত।”

“কিন্তু আয়কর আইন ২০২৩’য়ে একজন ব্যক্তি করদাতা কর রেয়াত কত পাবেন তা উল্লেখ রয়েছে। তাই প্রথমে কর রেয়াত বের করুন। তারপর বিনিয়োগ ভাতা বের করুন।”

এভাবে- তাহলে প্রথমেই চলুন, আয়কর আইন ২০২৩’য়ে কর রেয়াত সম্পর্কে কী বলা আছে তা জেনে নেই। নিচের তিনটি অংকের মধ্যে যে অংকটি ছোট হবে তাই হবে একজন ব্যক্তি করদাতার কর রেয়াত:

১। করযোগ্য আয়ের ৩%; অথবা

২। প্রকৃত বিনিয়োগের ১৫%; অথবা

৩। দশ লাখ টাকা।

তাহলে জানা গেল ওপরে উল্লেখিত তিনটি অংকের মধ্যে যে অংকটি ছোট হবে তাই হবে আপনার কর রেয়াত। এবার আমরা বের করব কত বিনিয়োগ করতে পারবেন।

উপরে ২ নম্বর সিরিয়ালে দেখুন বলা আছে আপনার প্রকৃত বিনিয়োগের ১৫% কর রেয়াত পাওয়া যাবে। তাই প্রথমে আপনি আপনার করযোগ্য আয়ের ৩% বের করুন। ধরুন, আপনার করযোগ্য আয় ১০,০০,০০০ টাকা। তাহলে এই করযোগ্য আয়ের ৩% হলো ৩০,০০০ টাকা। অর্থাৎ, আপনি এই টাকা কর রেয়াত পাবেন।

যেহেতু ২ নম্বর সিরিয়ালে বিনিয়োগের ওপর ১৫% কর রেয়াত পাওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে তাই এবার আপনি কর রেয়াত ৩০,০০০ টাকাকে ১৫% বা ০.১৫ দিয়ে ভাগ করুন। ভাগ করলে আসবে ২,০০,০০০ টাকা। এই ২,০০,০০০ টাকাই হল আপনার বিনিয়োগ ভাতা।

আপনি কীভাবে বিনিয়োগ ভাতা বের করতে হয় তা জেনে গেলেন। এবার আপনি আপনার পছন্দ মতো আয়কর আইন ২০২৩’য়ে উল্লেখিত খাতে বিনিয়োগ বা দান করুন।

উল্লেখ্য, আয়কর আইন ২০২৩’য়ে একজন করদাতা কোথায় বিনিয়োগ বা দান করতে পারবেন এবং সর্বোচ্চ কত বিনিয়োগ করতে পারবেন সে সম্পর্কে কিছু পরিবর্তন এসেছে।

এই পরিবর্তনগুলো জেনে তারপর বিনিয়োগ করুন তাহলে সম্পূর্ণ কর রেয়াত সুবিধা পেয়ে আপনার করদায় হ্রাস করতে পারবেন।

অর্থবছরের শুরুতেই বিনিয়োগ পরিকল্পনা করুন, করছাড় নিন।।।নতুন অর্থবছর শুরুতেই হলো বিনিয়োগ পরিকল্পনা করুন তাহলে বছর শেষে আয়ক...
18/03/2026

অর্থবছরের শুরুতেই বিনিয়োগ পরিকল্পনা করুন, করছাড় নিন।
।।
নতুন অর্থবছর শুরুতেই হলো বিনিয়োগ পরিকল্পনা করুন তাহলে বছর শেষে আয়করে ছাড় পাবেন। একটু বুঝেশুনে বিনিয়োগ করলে আপনি করছাড়ের পাশাপাশি লাভবানও হবেন। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বলে দিয়েছে, কোন কোন খাতে বিনিয়োগ করলে আপনি করছাড় পাবেন।

মনে রাখবেন, ১ জুলাই থেকে ৩০ জুনের মধ্যে সরকার নির্ধারিত খাতগুলোতে বিনিয়োগ করতে হবে। কারণ, এই সময়ের করদাতার আয়-ব্যয়ের হিসাবের ভিত্তিতেই করারোপ করা হবে। তাই কীভাবে করের পরিমাণ কমাবেন, এখনই পরিকল্পনা করতে হবে। সঞ্চয়পত্রসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করে আপনি কর কমাতে পারেন। এ জন্য অবশ্য আপনাকে সংসার খরচ বাঁচিয়ে বিনিয়োগ করতে হবে।

✔️খাতগুলো কী কী

বিনিয়োগ করে করছাড় নেওয়ার জন্য ৯টি খাত আছে। এনবিআর এসব খাত ঠিক করে দিয়েছে। তার একটি হলো সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ, যা কমবেশি সব করদাতা জানেন। এটি কর কমানোর বেশ জনপ্রিয় খাত। অন্য খাতগুলো হলো শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ার, মিউচুয়াল ফান্ড বা ডিবেঞ্চার কেনা; জীবনবিমার প্রিমিয়াম; সরকারি কর্মকর্তাদের প্রভিডেন্ট ফান্ডে চাঁদা; স্বীকৃত ভবিষ্য তহবিলে নিয়োগকর্তা ও কর্মকর্তার চাঁদা; কল্যাণ তহবিল ও গোষ্ঠীবিমার তহবিলে চাঁদা; সুপার অ্যানুয়েশন ফান্ডে চাঁদা; পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত যেকোনো সিকিউরিটিজ কেনা। আর ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সঞ্চয় করলেও কর রেয়াত সুবিধা পাওয়া যাবে। ডিপিএসের ওপর বার্ষিক সর্বোচ্চ ১ লাখ ২০ হাজার টাকার ওপর এই করছাড় দেওয়া আছে।

✔️হিসাব করবেন কীভাবে

এবার দেখা যাক, কীভাবে বিনিয়োগজনিত কর রেয়াতের এই হিসাব করবেন। এক. একজন করদাতার মোট আয়ের ৩ শতাংশ। কিন্তু সঞ্চয়পত্রের সুদ আয় চূড়ান্ত কর দায় বিবেচিত হওয়ায় করদাতার মোট আয় থেকে সঞ্চয়পত্রের সুদ আয় বাদ দিতে হবে। দুই. মোট অনুমোদনযোগ্য বিনিয়োগের ১৫ শতাংশ। উল্লেখ্য, এখানে সরকার নির্ধারিত খাতের অনুদানের পরিমাণও যোগ করা যেতে পারে। তিন. সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা। এ তিনটি হিসাবের মধ্যে যার পরিমাণ কম হবে, তা-ই বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত হিসেবে পাওয়া যাবে।

✔️যা সংরক্ষণ করবেন

বিনিয়োগ করে আয়কর ছাড় নিতে কিছু কাগজপত্র সংরক্ষণ করতে হবে। কারণ, আপনি যে বিনিয়োগ করলেন, তা অবশ্য প্রমাণ দিতে হবে। প্রমাণ দিতে না পারলে বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত পাওয়া কঠিন। যেসব কাগজ সংরক্ষণ করতে হবে, সেগুলো হলো—এক. বিনিয়োগের রসিদ বা প্রমাণপত্র। দুই. স্বাস্থ্যবিমার পলিসি নম্বর ও প্রিমিয়াম পেমেন্ট রশিদ। তিন. সঞ্চয়পত্র বা শেয়ার কেনার দলিল। চার. রিটার্ন ফরমে ধারা ৪৪ (২) অনুযায়ী কর রেয়াত অংশ পূরণ।

✔️পরামর্শ

এবার কিছু পরামর্শ দেওয়া হলো। এক. সরকার অনুমোদিত নির্ভরযোগ্য উৎসে বিনিয়োগ করুন। দুই. সময়মতো বিনিয়োগ করুন (১ জুলাই থেকে ৩০ জুনের মধ্যে)। তিন. রিটার্ন দাখিলের সময় সব প্রমাণপত্র সংযুক্ত রাখুন। চার. প্রয়োজনে একজন কর পরামর্শকের সাহায্য নিন।
পরামর্শকঃ
Adv Imrul Kaesh Khan
কর ও অভিনয় বিশেষজ্ঞ,
সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য, ঢাকা ট্যাকসেস্ বার এসোসিয়েশন ও,
সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য, বাংলাদেশ ট্যাক্স লইয়ার্স এসোসিয়েশন।

ব্যক্তি করদাতার কর দায় হ্রাস করার বৈধ উপায় হলো বিনিয়োগের উপর কর রেয়াত সুবিধা। কর রেয়াত একজন ব্যক্তি করদাতার করের পর...
15/03/2026

ব্যক্তি করদাতার কর দায় হ্রাস করার বৈধ উপায় হলো বিনিয়োগের উপর কর রেয়াত সুবিধা। কর রেয়াত একজন ব্যক্তি করদাতার করের পরিমান বহুলাংশে হ্রাস করে থাকে। তাই কর রেয়াত খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এই কর রেয়াত সুবিধা পেতে হলে আপনাকে আয়কর আইনে উল্লেখিত খাতে বিনিয়োগ করতে হবে।

আপনি হয়তো বিনিয়োগ করেছেন কিন্তু নিশ্চিত হয়ে নিন আয়কর আইনে উল্লেখিত খাতগুলোতে করেছেন কিনা। যদি উল্লেখিত খাতের মধ্যে আপনার বিনিয়োগ না পরে তাহলে কিন্তু আপনি যতোই বিনিয়োগ করেন না কেন ঐ বিনিয়োগের উপর কর রেয়াত দাবী করতে পারবেন না।

আয়কর আইনে একজন করদাতা কোন খাতে বিনিয়োগ করলে তার ওপর কর রেয়াত দাবী করতে পারবেন তার মধ্য থেকে নিচে ০৫টি সেরা বিনিয়োগ খাত আলোচনা করা হলো। আপনি এই খাতগুলোতে বিনিয়োগ করে একই সাথে যেমন কর রেয়াত সুবিধা নিতে পারেন আবার তেমনি সর্বোচ্চ মুনাফাও অর্জন করতে পারেন।

✔️সঞ্চয়পত্র

সঞ্চয়পত্র যেকোন বিনিয়োগকারির জন্য অত্যন্ত আকর্ষণীয় বিনিয়োগ খাত। একদিকে মুনাফার হার বেশি এবং অন্যদিকে যেহেতু বাংলাদেশ সরকার এটা ইস্যু করে থাকে তাই মেয়াদান্তে মুনাফা এবং বিনিয়োগকৃত টাকা ফেরত পাওয়ার নিশ্চয়তা থাকে।

আপনি যে বছর বিনিয়োগ করবেন শুধুমাত্র ঐ বছরই তার উপর কর রেয়াত সুবিধা নিতে পারবেন। উল্লেখ্য, আপনি যে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করেছেন তা মেয়াদপূর্তির সময় পর্যন্ত ধরে রাখতে হবে। যেমন, আপনি যদি পাচ বছর মেয়াদী বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করেন তাহলে পাচ বছরের আগে ভাঙানো যাবে না। যদি কোন কারনে এর আগে নগদায়ন করে ফেলেন তাহলে যে টাকার কর রেয়াত সুবিধা নিয়েছিলান তা বাতিল হয়ে যাবে।

✔️ট্রেজারি বন্ড

আপনি ব্যাংক বা শেয়ার বাজার থেকে বাংলাদেশ সরকার ইস্যুকৃত এই ট্রেজারি বন্ড কিনতে পারবেন। বন্ড থেকেও তুলনামূলকভাবে বেশি হারে মুনাফা পাওয়া যায় এবং নিরাপদ। আপনি আপনার সুবিধামতো বিনিয়োগ করতে পারেন।

ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগের আগে মুনাফা কেমন পাবেন তা দেখে নিন। যদি ব্যাংক থেকে ট্রেজারি বন্ড কিনেন তাহলে যে ব্যাংক থেকে কিনেছেন ঐ ব্যাংক থেকেই নগদায়ন করতে পারবেন। আর যদি শেয়ার বাজার থেকে কিনেন তাহলে শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়ের মতোই কেনা-বেচা করতে পারবেন।

✔️জীবন বীমা

ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার জন্য জীবন বীমা সুরক্ষা দেয়। যদিও জীবন বীমা সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা আছে তারপরেও আপনি নিজের এবং পরিবারের জন্য জীবন বীমা করুন। ভালো কোম্পানির কাছ থেকে যদি পলিসি নেন তাহলে মেয়াদান্তে টাকা পাওয়া নিয়ে কোন অনিশ্চয়তা থাকবে না।

সারা বছর ধরে আপনার নিজের, স্বামী/স্ত্রীর, ছেলেমেয়ের জন্য যে প্রিমিয়াম দিয়েছেন তা বিনিয়োগ ভাতা হিসেবে দেখাতে পারবেন এবং তার উপর কর রেয়াত সুবিধা নিতে পারবেন।

✔️শেয়ার

যদিও বর্তমানে শেয়ার বাজারের অবস্থা ভালো না তারপরেও আপনি যদি এই খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী থাকেন বা এই খাতে যদি বিনিয়োগ ইতোমধ্যেই থেকে থাকে তাহলে নতুন করে বিনিয়োগ করতে পারেন। তবে এখন আপনি যদি বিনিয়োগ করেন তাহলে দীর্ঘ মেয়াদের কথা চিন্তা করে করবেন।

শেয়ার বিনিয়োগের ক্ষেত্রে একটা প্রশ্ন থাকে, গত বছরের শেয়ার বিক্রয় করে আবার নতুন করে শেয়ার কিনলে কী তার উপর কর রেয়াত পাওয়া যাবে?

এর উত্তর হলো, আপনি গত বছরের তুলনায় এ বছর যদি অতিরিক্ত কোন টাকা বিনিয়োগ করে থাকেন তাহলে আপনি ঐ নতুন বিনিয়োগকৃত টাকার উপর কর রেয়াত সুবিধা পাবেন।

✔️ডিপিএস

ডিপিএস আমাদের দেশে খুবই জনপ্রিয়। প্রতি মাসে অল্প অল্প করে জমিয়ে একটা নির্দিষ্ট সময় পরে ভালো একটা অংক পাওয়া যায়। এবং এই টাকা দিয়ে বড় কোন কাজ করা যায়।

আপনি যেকোন ব্যাংকে এই ডিপিএস করতে পারেন। তবে এখানে আপনাকে মনে রাখতে হবে, মাসে পাচ হাজার টাকা বা বছরে ৬০,০০০ টাকা পর্যন্ত কর রেয়াত দাবী করা যায়।

উপরে আপনি পাচটি বিনিয়োগ খাত সম্পর্কে জানলেন যা আয়কর আইনে উল্লেখ রয়েছে। আপনি এবার আপনার পছন্দ মতো খাতে বিনিয়োগ করুন। এবং সম্পূর্ণ বিনিয়োগ ভাতার উপর কর রেয়াত সুবিধা ভোগ করার জন্য চেষ্ঠা করুন। এতে করে আপনার করের পরিমান অনেকাংশে কমে যাবে।

Adv. Imrul Kaesh Khan
কর ও বিনিয়োগ বিশেষজ্ঞ,
সাবেক কার্যনির্বাহী, সদস্য ঢাকা ট্যাক্সেস বার এসোসিয়েশন এবং,
সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য, বাংলাদেশ ট্যাক্স সলইয়ার অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএলএ)।

 🧑‍⚖️ মামলার রায় (Judgment) বুঝতে চান? আগে এগুলো জেনে নিন!প্রতিদিন হাজার হাজার রায় হয়। কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না কীভাবে...
07/12/2025


🧑‍⚖️ মামলার রায় (Judgment) বুঝতে চান? আগে এগুলো জেনে নিন!

প্রতিদিন হাজার হাজার রায় হয়। কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না কীভাবে একটা মামলার রায় পড়লে সেটা ঠিকঠাক বুঝব।

আজ আমি একেবারে সহজ ভাষায়, ধাপে ধাপে বুঝিয়ে দিচ্ছি – যাতে আপনি নিজেই রায় পড়ে বোঝার ক্ষমতা পান।

---

📍 অধ্যায় ১: রায় বোঝার আগে যেগুলো জানা দরকার

🔹 মামলাটা কোন ধরণের?
– এটা ফৌজদারি (Criminal) না দেওয়ানি (Civil) মামলা?
🔸 উদাহরণ:
– ফৌজদারি: হত্যা, চুরি, মারামারি
– দেওয়ানি: জমি বিরোধ, দেনাপাওনা, বাসা ভাড়া

🔹 পক্ষগণ কারা?
– বাদী (যিনি মামলা করেছেন)
– বিবাদী/আসামি (যার বিরুদ্ধে করা হয়েছে)

🔹 বিরোধের বিষয়টা কী?
– জমি কার? টাকা কে পাবে? অপরাধ করেছে কে?
এই প্রশ্নগুলোর উত্তরই আদালত দেয় রায়ে।

---

📘 অধ্যায় ২: একটা রায় সাধারণত কেমন থাকে?

রায়কে ভাঙলে ৫টি ধাপে ভাগ করা যায়:

1️⃣ ভূমিকা:
– কোন আদালত, কোন বিচারক, মামলার নাম্বার

2️⃣ পক্ষের বক্তব্য:
– বাদী কী বলেছে, আসামি কী বলেছে

3️⃣ সাক্ষ্য-প্রমাণ:
– কে কী বলেছে, কী কাগজপত্র দেখানো হয়েছে

4️⃣ আইন ও বিশ্লেষণ:
– বিচারক কোন আইন ব্যবহার করেছেন এবং কেন

5️⃣ চূড়ান্ত রায়:
– কে জিতলো, কে হারলো, সাজা কী হলো

---

👀 অধ্যায় ৩: সাধারণ মানুষ কীভাবে রায় পড়বে?

✅ ধাপ ১:
রায়ের শুরুতে দেখে নিন –
কে বাদী, কে বিবাদী, মামলার ধরণ কী।

✅ ধাপ ২:
সংক্ষেপে পড়ুন –
বাদী কী বলেছে, আসামি কী জবাব দিয়েছে।

✅ ধাপ ৩:
বিচারক কোন সাক্ষ্য বিশ্বাস করেছেন, কোনটা বাতিল করেছেন সেটা খুঁজে দেখুন।

✅ ধাপ ৪:
রায়ে যদি লেখা থাকে “দণ্ডবিধির 302 ধারা অনুযায়ী” – তাহলে আপনি সেটা আলাদা করে খুঁজে পড়ে নিতে পারেন।

✅ ধাপ ৫:
শেষে দেখুন আদালত কী সিদ্ধান্ত দিয়েছেন – দোষী না নির্দোষ, মামলা গ্রহণ না খারিজ।

---

🧠 অধ্যায় ৪: বোঝার সহজ টিপস

🔍 বিষয় 📌 কীভাবে খুঁজবেন

রায়ের মূল কথা শেষ দিকের প্যারায়
কোন আইন ব্যবহৃত মাঝখানে “Section...” দেখে
কে জিতলো “Suit decreed” বা “dismissed”
ফৌজদারি রায় হলে সাজা “Sentenced to imprisonment...”

---

🎯 সংক্ষিপ্ত উদাহরণ:

> "Considering all evidences and the arguments presented, the court finds the accused guilty under section 420 of Penal Code and sentences him to 2 years imprisonment."

📌 মানে:
– আসামি প্রতারণা করেছে, সেটা প্রমাণ হয়েছে।
– তাই আদালত 420 ধারায় তাকে ২ বছরের সাজা দিয়েছেন।

---

📚 কোথায় রায় পাবেন?

👉 বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে।

👉 ফেসবুকে অনেক আইন পেজ বা আইনজীবীরা সহজ ভাষায় রায় ব্যাখ্যা করে পোস্ট দেন

---

📝 মনে রাখার কৌশল:

✅ কে মামলা করলো
✅ কেন করলো
✅ কে কী বললো
✅ বিচারক কী প্রমাণ গ্রহণ করলেন
✅ কোন আইনে রায় হলো
✅ ফলাফল কী

#দলিলসংশোধন

  থানায় এবং কোর্টে মামলা করার পার্থক্য কি? -আমরা অনেকেই জীবনে একসময় না একসময়সমস্যায় পড়ি – চুরি, মারধর, জমি দখল, প্রতারণ...
04/12/2025


থানায় এবং কোর্টে মামলা করার পার্থক্য কি?

-আমরা অনেকেই জীবনে একসময় না একসময়
সমস্যায় পড়ি – চুরি, মারধর, জমি দখল, প্রতারণা বা
পারিবারিক ঝামেলা। তখন প্রশ্ন আসে:

আপনি কোথায় মামলা করবেন
"থানায় নাকি কোর্টে?
- কোথায় মামলা করলে বেশি কার্যকর হবে?
- কিভাবে মামলা করবেন?

- এ সকল প্রশ্নের উত্তর নিয়েই মূলত আজকের ভিডিও।

চলুন সহজভাবে জেনে নেই,
কখন কোথায় কিভাবে মামলা করবেন। 👇

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

প্রথমে জানি,
✅ থানায় মামলা করা মানে কী?

থানায় মামলা করা মানে হলো:
অপরাধ সংঘটিত হয়েছে এবং আপনি পুলিশকে জানাচ্ছেন যেন তারা তদন্ত করে।
অপরাধীকে গ্রেপ্তার করে।
এবং বিচার প্রক্রিয়া শুরু করতে পারে।

🛑 যেসব কারণে থানায় যাবেনঃ
🔹যদি চুরি হয়ে থাকে
🔹 কেউ আপনাকে মারধর করলে
🔹 কেউ আপনাকে মারধর করার হুমকি ভাত থ্রেট দিলে।
🔹 টাকা পয়সা নিয়ে প্রতারণা করলে।
এছাড়াও আরও অসংখ্য বিষয় আছে যেগুলো নিয়ে থানায় মামলা করতে পারবেন।

✍️ থানায় গেলে আপনি FIR বা জিডি করতে পারবেন।
পুলিশ এরপর:
✔️ তদন্ত শুরু করবে।
✔️ অপরাধীকে ধরার জন্য কাজ করবে।
✔️ সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করবে।
✔️ গ্রেফতারের পর চার্জশিট দিয়ে কোর্টে পাঠাবে।
👉 মূলত এইভাবেই
বিচারের পথ শুরু হয়, থানার মাধ্যমে।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

✅ কোর্টে মামলা – কখন করবেন?
📌 কোর্টে মামলা মানে,
আপনি সরাসরি বিচারকের কাছে
অভিযোগ করছেন, এবং বিচার চাচ্ছেন।
এখানে মূলত আইনগত অধিকার,
সম্পত্তি বা আর্থিক বিষয় নিয়ে
বিচারক সিদ্ধান্ত দেন।

⚖️ যেসব কারণে কোর্টে মামলা করবেনঃ
🔹 কেউ জমি দখল করে নিলে।
🔹 চেক দিয়ে প্রতারণা করলে।
🔹 কেউ আপনার সম্মান নষ্ট করলে।
🔹 এছাড়া পারিবারিক সমস্যা
যেমন: ডিভোর্স, ভরণপোষণ , উত্তরাধিকার ইত্যাদি সমস্যা নিয়ে। কোর্টে মামলা করতে পারবেন।

✍️ কোর্টে গেলে আপনাকে লিখিত অভিযোগ দিতে হয়।
এরপর:

✔️ উভয় পক্ষকে নোটিশ পাঠানো হয়।
✔️ সাক্ষ্য গ্রহণ ও শুনানি হয়।
✔️ শেষে রায় ঘোষণা করা হয়।
👉 এখানে পুলিশ নয়, বিচারকই সব সিদ্ধান্ত দেন।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

🧠 বাস্তব কিছু উদাহরণ দিয়ে (সহজে বোঝার যাক)

🔹 চুরি হলে 👉 থানায় FIR
🔹 চেক ডিজঅনার করলে 👉 কোর্টে মামলা
🔹 জমি দখল 👉 দেওয়ানী কোর্টে দখল পুনরুদ্ধারের মামলা করবেন।
🔹 টাকা-পয়সা নিয়ে ঠকালে 👉 প্রতারণার মামলা করবেন।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

⚠️ মনে রাখবেন :
✅ সব সমস্যা থানায় যায় না, সব সমস্যার সমাধান কোর্টও না।
✅ বুঝতে হবে – এটি অপরাধমূলক (Criminal) নাকি আইনি অধিকারভিত্তিক (Civil)।
যদি অপরাধমূলক হয়ে থাকে তাহলে ক্রিমিনাল
আর যদি আইনের অধিকার মূলক হয়ে থাকে তাহলে সিভিল।

✅ কখনো যদি পুলিশ মামলা না নেয় , কোর্টে গিয়ে ধারা ২০০ CrPC অনুসারে অভিযোগ করতে পারেন।
✅ জমি সংক্রান্ত হলে – কোর্টে ঘোষণা, ইনজাংশন বা দখল পুনরুদ্ধার মামলা করবেন।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

- পোষ্টটি ভালো লেগে থাকলে
- শেয়ার করে অন্যদেরকে দেখিয়ে করে দিবেন।
- কোথাও না বুঝে থাকলে কমেন্টবক্সে জানাবেন,
- বিশেষ প্রয়োজনে বা আইনি পরামর্শের জন্য ইনবক্সে মেসেজ করতে পারেন।
- কারণ মনে রাখবেন you're right our fight

#আইনজানুন #থানামামলা #কোর্টেমামলা
#জমিমামলা #কোথায় মামলা করবেন
#বাংলাদেশআইন
🅰🅳🆅 🅸🅼🆁🆄🅻 🅺🅰🅴🆂🅷 🅺🅷🅰🅽

Tax Representative Management System (TRMS) সফটওয়্যার চালু করল জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
14/09/2025

Tax Representative Management System (TRMS) সফটওয়্যার চালু করল জাতীয় রাজস্ব বোর্ড

প্রত্যেক ব্যাবসায়ীদের, তাদের ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানে আয়কর রিটার্ন সাবমিট করার প্রমান পত্র অথবা ইনকাম ট্যাক্স সার্টিফিকেট প্র...
10/09/2025

প্রত্যেক ব্যাবসায়ীদের, তাদের ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানে আয়কর রিটার্ন সাবমিট করার প্রমান পত্র অথবা ইনকাম ট্যাক্স সার্টিফিকেট প্রদর্শন করা বাধ্যতামূলক করে আইন করা হয়েছিল অনেক আগেই।

বর্তমানে এই আইনের প্রয়োগ করছে আয়কর কর্তৃপক্ষ।

তাই জরিমানা এড়াতে ও অযাচিত ঝামেলা এড়াতে আপনার এবং আপনার প্রতিষ্ঠান এর আয়কর রিটার্ন সাবমিট করুন।

https://www.facebook.com/share/p/14Jami9cJsP/

Address

Segunbagicha, Romna
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Adv. Imrul Kaesh Khan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Adv. Imrul Kaesh Khan:

Share