Law with Umme

Directions Website

Law with Umme আপনার অধিকার, আপনার শক্তি।

Understanding Law • Knowing Rights

🇧🇩 For a more legally aware society.
(6)

Memories from Narayanganj District & Sessions Judge Court visit."
07/10/2026

Memories from Narayanganj District & Sessions Judge Court visit."

With Legal Services for Students – I just got recognized as one of their top fans! 🎉
05/10/2026

With Legal Services for Students – I just got recognized as one of their top fans! 🎉

⚖️ বিকাশে টাকা পাঠিয়ে প্রতারিত হলে কী করবেন? | বাংলাদেশের আইন কী বলে?বর্তমানে অনলাইন কেনাকাটা, চাকরির প্রলোভন, ভুয়া অফার...
04/10/2026

⚖️ বিকাশে টাকা পাঠিয়ে প্রতারিত হলে কী করবেন? | বাংলাদেশের আইন কী বলে?

বর্তমানে অনলাইন কেনাকাটা, চাকরির প্রলোভন, ভুয়া অফার কিংবা পরিচিত ব্যক্তির পরিচয় ব্যবহার করে অনেক সময় বিকাশের মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটে।

আপনিও যদি বিকাশে টাকা পাঠিয়ে প্রতারিত হন, তাহলে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত কিছু পদক্ষেপ নিন।

📌 ১. দ্রুত বিকাশের হেল্পলাইনে যোগাযোগ করুন

প্রতারিত হওয়ার বিষয়টি বুঝতে পারার সঙ্গে সঙ্গে বিকাশের কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করুন।

📞 হেল্পলাইন: ১৬২৪৭

লেনদেনের বিস্তারিত তথ্য দিয়ে অভিযোগ জানান এবং লেনদেনটি শনাক্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করুন। অভিযোগের রেফারেন্স নম্বর থাকলে সেটি সংরক্ষণ করুন।

📌 ২. সব প্রমাণ সংরক্ষণ করুন

আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য প্রমাণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সংরক্ষণ করুন—

✅ টাকা পাঠানোর SMS ও Transaction ID
✅ যে নম্বরে টাকা পাঠিয়েছেন, সেই নম্বর
✅ প্রতারকের সঙ্গে কথোপকথনের স্ক্রিনশট
✅ ফোন নম্বর, কললগ ও প্রাসঙ্গিক প্রোফাইলের তথ্য
✅ প্রতারণার সময়, তারিখ ও টাকার পরিমাণ

কোনো মেসেজ বা লেনদেনের তথ্য মুছে ফেলবেন না।

📌 ৩. নিকটস্থ থানায় অভিযোগ করুন

প্রতারণার ঘটনা ও আপনার কাছে থাকা প্রমাণ নিয়ে নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ করুন। ঘটনার প্রকৃতি অনুযায়ী লিখিত অভিযোগ, জিডি অথবা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ফৌজদারি মামলা করার বিষয়ে পুলিশের সহায়তা নিন।

অনলাইনে প্রতারণার ঘটনা হলে সংশ্লিষ্ট সাইবার অপরাধ তদন্তকারী কর্তৃপক্ষের সহায়তাও প্রয়োজন হতে পারে।

📌 ৪. বাংলাদেশের আইনে কী ব্যবস্থা নেওয়া যায়?

প্রতারণার ধরন ও প্রমাণের ওপর নির্ভর করে বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।

⚖️ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪১৫: প্রতারণার সংজ্ঞা নির্ধারণ করে।

⚖️ ধারা ৪২০: প্রতারণার মাধ্যমে অসৎভাবে সম্পত্তি হস্তান্তরে প্ররোচিত করার মতো অপরাধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে।

তবে প্রতিটি বিকাশ লেনদেনের বিরোধই ধারা ৪২০-এর অপরাধ নয়। ঘটনার উপাদান, প্রতারণামূলক উদ্দেশ্য ও প্রমাণ বিবেচনা করে উপযুক্ত আইনি ধারা নির্ধারিত হয়।

📌 ৫. টাকা কি ফেরত পাওয়া সম্ভব?

টাকা ফেরত পাওয়া নির্ভর করে ঘটনার পরিস্থিতি, দ্রুত অভিযোগ, লেনদেনের অবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের ওপর। অভিযোগ করলেই টাকা ফেরত নিশ্চিত—এমন নয়। তাই যত দ্রুত সম্ভব বিকাশ কর্তৃপক্ষ ও পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

📌 ৬. ভবিষ্যতে প্রতারণা থেকে বাঁচতে সতর্ক থাকুন

❌ অপরিচিত ব্যক্তির কথায় টাকা পাঠাবেন না।
❌ কাউকে বিকাশের PIN, OTP বা গোপন নিরাপত্তা তথ্য দেবেন না।
❌ টাকা পাওয়ার ভুয়া SMS দেখে বিশ্বাস করবেন না।
❌ পরিচিত কারও নম্বর থেকেও টাকা চাওয়ার বার্তা এলে আগে পরিচয় নিশ্চিত করুন।

⚠️ বিশেষ সতর্কতা: কেউ বিকাশ কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে PIN বা OTP চাইলে তা দেবেন না।

⚖️ আইন জানুন, সচেতন থাকুন এবং প্রতারণার শিকার হলে দ্রুত আইনি সহায়তা নিন।

— Law with Umme

#বিকাশপ্রতারণা #সাইবারঅপরাধ #বাংলাদেশেরআইন #আইনসচেতনতা

⚖️ টাকা ধার নিয়ে ফেরত না দিলেই কি প্রতারণা? | বাংলাদেশের আইন কী বলে?কাউকে বিশ্বাস করে টাকা ধার দিয়েছেন, কিন্তু নির্ধারিত...
02/10/2026

⚖️ টাকা ধার নিয়ে ফেরত না দিলেই কি প্রতারণা? | বাংলাদেশের আইন কী বলে?

কাউকে বিশ্বাস করে টাকা ধার দিয়েছেন, কিন্তু নির্ধারিত সময়ে টাকা ফেরত পাচ্ছেন না? বারবার চেয়েও টাকা না পেয়ে ভাবছেন, তার বিরুদ্ধে কি প্রতারণার মামলা করা যাবে?

বাংলাদেশের আইনে বিষয়টি বুঝতে হলে প্রথমেই জানতে হবে—টাকা ফেরত না দেওয়া এবং প্রতারণা করা সব ক্ষেত্রে এক বিষয় নয়।

১. শুধু টাকা ফেরত না দিলেই কি প্রতারণা?

না। কেউ টাকা ধার নেওয়ার পর আর্থিক সমস্যায় পড়তে পারেন অথবা চুক্তি অনুযায়ী টাকা ফেরত দিতে ব্যর্থ হতে পারেন। শুধু এই কারণে প্রতিটি ঘটনা ফৌজদারি প্রতারণার অপরাধ হয়ে যায় না।

এ ক্ষেত্রে টাকা দেওয়ার সময় ঋণগ্রহীতার উদ্দেশ্য কী ছিল, তিনি কোনো মিথ্যা তথ্য দিয়েছিলেন কি না এবং অন্যান্য পরিস্থিতি বিবেচনা করতে হয়।

২. কখন প্রতারণার অপরাধ হতে পারে?

বাংলাদেশের দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪১৫-এ প্রতারণার সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

কেউ যদি অসৎ উদ্দেশ্যে মিথ্যা তথ্য বা ছলনার আশ্রয় নিয়ে অন্য ব্যক্তিকে টাকা দিতে প্ররোচিত করেন, তাহলে ঘটনার প্রকৃতি ও প্রমাণের ভিত্তিতে তা প্রতারণার অপরাধ হতে পারে।

উদাহরণস্বরূপ, কোনো ব্যক্তি শুরু থেকেই টাকা ফেরত দেওয়ার ইচ্ছা না থাকা সত্ত্বেও মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে অন্যের কাছ থেকে টাকা নেন। এমন পরিস্থিতিতে প্রতারণার অভিযোগ উঠতে পারে।

৩. প্রতারণার শাস্তি কী?

দণ্ডবিধির ধারা ৪১৭ অনুযায়ী, সাধারণ প্রতারণার জন্য সর্বোচ্চ এক বছর কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।

অন্যদিকে, ধারা ৪২০ প্রযোজ্য হওয়ার শর্ত পূরণ হলে প্রতারণার মাধ্যমে অসৎভাবে সম্পত্তি হস্তান্তরে প্ররোচিত করার অপরাধে সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড হতে পারে।

তবে কোন ধারা প্রযোজ্য হবে, তা ঘটনার প্রকৃতি ও প্রমাণের ওপর নির্ভর করে।

৪. টাকা ফেরত না পেলে কী করবেন?

✅ টাকা দেওয়ার রসিদ, চুক্তিপত্র বা স্ট্যাম্প থাকলে সংরক্ষণ করুন।

✅ ব্যাংক লেনদেন বা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের রেকর্ড রাখুন।

✅ টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি-সংক্রান্ত মেসেজ, কথোপকথন ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক প্রমাণ সংরক্ষণ করুন।

✅ পরিস্থিতি অনুযায়ী আইনজীবীর পরামর্শ নিয়ে আইনি নোটিশ, টাকা আদায়ের দেওয়ানি মামলা অথবা প্রতারণার উপাদান থাকলে ফৌজদারি আইনের আশ্রয় নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করুন।

⚠️ মনে রাখবেন: শুধু টাকা ফেরত না দেওয়ার কারণে কাউকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রতারক বলা যায় না। আবার, চুক্তি বা ধার-দেনার বিষয় হলেই যে কখনো ফৌজদারি অপরাধ হবে না, তাও নয়। মূল বিষয় হলো—টাকা নেওয়ার সময় প্রতারণামূলক বা অসৎ উদ্দেশ্য ছিল কি না এবং তা প্রমাণ করা যায় কি না।

⚖️ আইন জানুন, নিজের অধিকার সম্পর্কে সচেতন থাকুন।

— Law with Umme

#বাংলাদেশেরআইন #প্রতারণা #দণ্ডবিধি #আইনসচেতনতা

⚖️ ওয়ারিশের জমি একজন ওয়ারিশ একা বিক্রি করতে পারে কি?অনেকেই মনে করেন, ওয়ারিশদের মধ্যে একজন চাইলে পুরো জমিই একা বিক্রি করে...
30/09/2026

⚖️ ওয়ারিশের জমি একজন ওয়ারিশ একা বিক্রি করতে পারে কি?

অনেকেই মনে করেন, ওয়ারিশদের মধ্যে একজন চাইলে পুরো জমিই একা বিক্রি করে দিতে পারেন। কিন্তু বিষয় টা কী আসলেই এমন?

📌 আইন অনুযায়ী—

একাধিক ব্যক্তি উত্তরাধিকারসূত্রে কোনো জমির মালিক হলে প্রত্যেক ওয়ারিশের নিজস্ব আইনগত অংশ থাকে। একজন ওয়ারিশ নিজের অংশ/শেয়ার হস্তান্তর করতে পারেন; কিন্তু অন্য ওয়ারিশদের অংশ তাদের অনুমতি ছাড়া নিজের নামে বিক্রি করার অধিকার তার নেই।

বাংলাদেশের Transfer of Property Act, 1882-এর ধারা 44 অনুযায়ী, একজন co-owner তার নিজের share বা interest হস্তান্তর করতে পারেন। সেই ক্ষেত্রে ক্রেতা মূলত বিক্রেতার যে অংশ বা স্বত্ব ছিল, সেটুকুর ওপরই অধিকার অর্জন করেন।

🔹 উদাহরণ:
ধরা যাক, একটি জমিতে ৩ জন ওয়ারিশের অংশ রয়েছে।

A = ১/২ অংশ
B = ১/৪ অংশ
C = ১/৪ অংশ

এক্ষেত্রে A তার ১/২ অংশ বিক্রি করতে পারেন। কিন্তু B ও C-এর ১/৪ + ১/৪ অংশ A একা বিক্রি করতে পারবেন না।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
ওয়ারিশসূত্রে পাওয়া জমি বিক্রয়ের ক্ষেত্রে সর্বশেষ খতিয়ানে মালিক বা উত্তরাধিকারসূত্রে মালিকের নামের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। Transfer of Property Act-এর ধারা 53C-তে এ বিষয়ে শর্ত রয়েছে।

তাই শুধু “আমি ওয়ারিশ”—এমন দাবির ভিত্তিতে পুরো জমি বিক্রি করা নিরাপদ নয়। আগে ওয়ারিশ নির্ধারণ, অংশের হিসাব, খতিয়ান, দলিল ও নামজারি/রেকর্ড যাচাই করা।

জমি কেনাবেচার আগে দলিল ও রেকর্ড যাচাই করুন।

Law with Umme

🏡 জমি কেনার আগে কোন ৫টি কাগজ অবশ্যই যাচাই করবেন?জমি কেনার সময় শুধু বিক্রেতার কথায় বা একটি দলিল দেখে টাকা দেওয়া ঝুঁকিপূর্...
30/09/2026

🏡 জমি কেনার আগে কোন ৫টি কাগজ অবশ্যই যাচাই করবেন?

জমি কেনার সময় শুধু বিক্রেতার কথায় বা একটি দলিল দেখে টাকা দেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ। জমির মালিকানা, দাগ, খতিয়ান, পূর্বের হস্তান্তর এবং কোনো দায় আছে কি না—সবকিছু মিলিয়ে দেখা জরুরি।

১️⃣ মূল দলিল ও পূর্বের দলিলের ধারাবাহিকতা

যে দলিলের মাধ্যমে বর্তমান বিক্রেতা জমির মালিক হয়েছেন, সেটি যাচাই করুন। প্রয়োজনে তার আগের মালিকদের দলিলও দেখুন।

✅ দলিলের নম্বর ও তারিখ
✅ বিক্রেতার নাম ও পরিচয়
✅ মৌজা, দাগ ও খতিয়ান নম্বর
✅ জমির পরিমাণ
✅ চার সীমানা
✅ কীভাবে মালিকানা এসেছে—ক্রয়, উত্তরাধিকার, দান ইত্যাদি

স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে সম্পন্ন হওয়ার বিধান রয়েছে।

২️⃣ সর্বশেষ খতিয়ান

জমিটি কোন খতিয়ানে এবং কার নামে রেকর্ডভুক্ত—তা যাচাই করুন।

বিশেষ করে দেখুন—

• খতিয়ান নম্বর
• দাগ নম্বর
• জমির শ্রেণি
• জমির পরিমাণ
• মালিকের নাম

Transfer of Property Act, 1882-এর ধারা ৫৩C অনুযায়ী, নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে সর্বশেষ খতিয়ানে মালিক বা উত্তরাধিকারসূত্রে মালিকের নাম থাকার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ; এর ব্যত্যয়ে বিক্রয় অকার্যকর হওয়ার বিধানও রয়েছে।

সরকারের ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মাধ্যমে খতিয়ান ও ম্যাপের তথ্যও যাচাই করা যায়।

৩️⃣ নামজারি/খারিজ খতিয়ান

বিক্রেতার নামে জমিটি নামজারি হয়েছে কি না এবং নামজারির রেকর্ড মূল দলিল ও খতিয়ানের সঙ্গে মেলে কি না দেখুন।

নামজারি সংক্রান্ত আবেদনে দলিলের কপি, খতিয়ানের কপি এবং সর্বশেষ ভূমি উন্নয়ন করের দাখিলাসহ প্রয়োজনীয় প্রমাণক ব্যবহারের সরকারি নির্দেশনা রয়েছে।

⚠️ তবে শুধু নামজারি হয়েছে দেখেই জমি কিনবেন না—মূল মালিকানা ও পূর্বের দলিলের ধারাবাহিকতাও যাচাই করতে হবে।

৪️⃣ ভূমি উন্নয়ন করের দাখিলা

সর্বশেষ ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের দাখিলা যাচাই করুন।

দাখিলার তথ্য জমির খতিয়ান/হোল্ডিংয়ের সঙ্গে মিলিয়ে দেখুন। ভূমি উন্নয়ন কর ব্যবস্থায় দাখিলা ও খারিজ খতিয়ানের তথ্য ব্যবহারের সরকারি ব্যবস্থা রয়েছে।

⚠️ দাখিলা থাকলেই একা মালিকানা প্রমাণ হয় না। এটি অন্যান্য নথির সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে হবে।

৫️⃣ মৌজা ম্যাপ/নকশা ও জমির বাস্তব অবস্থান

দাগ নম্বর অনুযায়ী জমিটি আসলে কোথায় এবং কতটুকু—মৌজা ম্যাপ/নকশার সঙ্গে মিলিয়ে দেখুন।

জমির—

📍 দাগ নম্বর
📍 সীমানা
📍 অবস্থান
📍 জমির পরিমাণ

বাস্তবে মেপে নথির সঙ্গে মিলিয়ে দেখা গুরুত্বপূর্ণ।

⚠️ আরও একটি বিষয় কখনো বাদ দেবেন না

জমিটি বন্ধক, দায়, মামলা বা অন্য কোনো স্বত্ব/অধিকার দ্বারা জটিল কি না—তা যাচাই করুন।

Transfer of Property Act, 1882-এর ধারা ৫৩D অনুযায়ী নিবন্ধিত বন্ধকযুক্ত স্থাবর সম্পত্তি বন্ধকগ্রহীতার লিখিত সম্মতি ছাড়া পুনরায় বন্ধক বা বিক্রয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আইনি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

তাই প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল তল্লাশি এবং আদালতের মামলা/ডিক্রি সংক্রান্ত তথ্যও যাচাই করা উচিত।

💡 এবং সব শেষে বলতে চাই,বড় অঙ্কের টাকা দেওয়ার আগে অভিজ্ঞ ভূমি আইনজীবীর মাধ্যমে কাগজপত্র যাচাই করানো নিরাপদ।

আইন জানুন, সচেতন হোন

--Law with Umme ⚖️

আমি প্রথমবার মরে গিয়েছিলাম অবহেলায়,দ্বিতীয়বার মরেছিলাম প্রতিশ্রুতির অকালমৃত্যুতে,তৃতীয়বার আমাকে খুন করেছিলো একজন বিশ...
29/09/2026

আমি প্রথমবার মরে গিয়েছিলাম অবহেলায়,
দ্বিতীয়বার মরেছিলাম প্রতিশ্রুতির অকালমৃত্যুতে,
তৃতীয়বার আমাকে খুন করেছিলো একজন বিশ্বাসঘাতক ;
চতুর্থবার মরেছি স্বেচ্ছায়।

আমার বুকের ভেতরবাড়িটা মর্গের মতো শীতল,
ওখানে চারটে লাশ;
ওদের ময়নাতদন্ত হয়নি।

লেখা: স্বপ্নীল চক্রবর্ত্তী

স্ত্রী পরকীয়ায় জড়ালে স্বামীর করণীয় কী? ⚖️বাংলাদেশের আইনে বিষয়টি বুঝতে হলে Penal Code, 1860-এর ৪৯৭ ধারা দেখতে হবে।⚖️ ৪৯৭ ...
29/09/2026

স্ত্রী পরকীয়ায় জড়ালে স্বামীর করণীয় কী? ⚖️

বাংলাদেশের আইনে বিষয়টি বুঝতে হলে Penal Code, 1860-এর ৪৯৭ ধারা দেখতে হবে।

⚖️ ৪৯৭ ধারায় কী বলা হয়েছে?

কোনো পুরুষ যদি জেনেশুনে এমন একজন নারীর সঙ্গে যৌনসম্পর্ক স্থাপন করেন, যিনি অন্য একজনের স্ত্রী, এবং সেই নারীর স্বামীর সম্মতি বা যোগসাজশ না থাকে—তাহলে নির্দিষ্ট শর্তে সেটি adultery হিসেবে অপরাধ হতে পারে।

এই অপরাধের শাস্তি হতে পারে—

🔹 সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড
🔹 অথবা জরিমানা
🔹 অথবা উভয়ই।

তবে আইনের ভাষা অনুযায়ী, এই ধারায় স্ত্রীকে abettor হিসেবে শাস্তি দেওয়া হয় না।

❗ শুধু প্রেমের সম্পর্ক হলেই কি ৪৯৭ ধারা প্রযোজ্য?

না।
শুধু ফোনে কথা বলা, মেসেজ করা, বন্ধুত্ব করা বা কারও সঙ্গে সম্পর্ক থাকার অভিযোগ থেকেই ৪৯৭ ধারার অপরাধ স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রমাণ হয় না।

ধারা ৪৯৭-এর মূল বিষয় হলো যৌনসম্পর্ক এবং ধারায় বর্ণিত অন্যান্য শর্ত পূরণ হওয়া।

⚖️ অন্য পুরুষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা?

পরিস্থিতি ও প্রমাণের ওপর নির্ভর করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে। তবে কারও ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা, গোপন ছবি/ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া বা নিজে শাস্তি দেওয়ার চেষ্টা করা আইনসম্মত পথ নয়।

💔 স্বামী যদি সংসার রাখতে না চান?

দাম্পত্য সম্পর্ক শেষ করার বিষয়টি আলাদা পারিবারিক আইনগত প্রক্রিয়া। মুসলিম দম্পতির ক্ষেত্রে তালাকের প্রক্রিয়ায় Muslim Family Laws Ordinance, 1961-এর ধারা ৭ গুরুত্বপূর্ণ; তালাকের নোটিশ চেয়ারম্যানকে দেওয়ার পর সাধারণভাবে ৯০ দিন না গেলে তালাক কার্যকর হয় না এবং এর মধ্যে Arbitration Council গঠনের বিধান রয়েছে।

এ ছাড়া বিবাহবিচ্ছেদ, দেনমোহর, ভরণপোষণ ও অন্যান্য পারিবারিক বিরোধ Family Court-এর এখতিয়ারের বিষয় হতে পারে। বাংলাদেশে বর্তমানে Family Courts Act, 2023 প্রযোজ্য।

আইন জানুন, নিজের অধিকার বুঝুন। ⚖️

— Law with Umme

⚖️ ভাই কি বোনকে বাবার সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করতে পারে?অনেক পরিবারে এখনো একটি ভুল ধারণা আছে—“বাবার সম্পত্তি ছেলে পাবে, মেয়...
29/09/2026

⚖️ ভাই কি বোনকে বাবার সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করতে পারে?

অনেক পরিবারে এখনো একটি ভুল ধারণা আছে—
“বাবার সম্পত্তি ছেলে পাবে, মেয়ের আবার কী?”

কিন্তু উত্তরাধিকার আইনে বিষয়টি এমন নয়।

🔹 বাবা মারা যাওয়ার পর, তাঁর রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে যেসব ব্যক্তি আইন অনুযায়ী উত্তরাধিকারী হন, তাঁদের প্রত্যেকের নিজ নিজ অংশ সৃষ্টি হয়।

🔹 মুসলিমদের ক্ষেত্রে উত্তরাধিকার নির্ধারণে মুসলিম ব্যক্তিগত আইন (শরিয়ত) প্রযোজ্য।

🔹 তাই কোনো ভাই নিজের ইচ্ছায় তাঁর বোনকে “তোমাকে সম্পত্তির অংশ দেব না” বলে আইনগতভাবে তার উত্তরাধিকারী অংশ বাতিল করতে পারেন না।

🔹 বোন তাঁর প্রাপ্য অংশ থেকে বঞ্চিত হলে, বিষয়টি নিয়ে আইনগতভাবে প্রতিকার চাওয়ার সুযোগ থাকতে পারে।

📌 তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
কে কতটুকু অংশ পাবেন—তা শুধু “ছেলে ও মেয়ে” দেখেই নির্ধারণ করা যায় না। মৃত ব্যক্তির স্ত্রী/স্বামী, সন্তান, বাবা-মা এবং অন্যান্য জীবিত উত্তরাধিকারী কারা আছেন, তার ওপর হিসাব পরিবর্তিত হতে পারে।

আর একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি—বাবা জীবিত থাকা অবস্থায় তাঁর সম্পত্তি এবং বাবা মারা যাওয়ার পর উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সম্পত্তির আইনগত পরিস্থিতি এক নয়।

⚠️ তাই শুধু পারিবারিক কথাবার্তার ভিত্তিতে বোনের উত্তরাধিকারী অংশ বাদ দেওয়া যায়—এমন ধারণা ঠিক নয়।

আপনার কী মনে হয়—এখনো কি অনেক পরিবারে মেয়েদের সম্পত্তির অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়?
মতামত কমেন্টে জানাতে পারেন। 👇

⚖️ Law with Umme

Thanks for being a top engager and making it on to my weekly engagement list! 🎉 Mizan Pakhi, Mithi Karmakar, Sumona Raha...
28/09/2026

Thanks for being a top engager and making it on to my weekly engagement list! 🎉 Mizan Pakhi, Mithi Karmakar, Sumona Rahaman, রাসেল ফানি ব্লক, Sheikh Sagor Ahmed, Nahid Chowdury, CM Limon, Suroso Mitra Alam, Akbar Hossain

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Law with Umme posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category