Kazol & Associates

Kazol & Associates Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Kazol & Associates, Lawyer & Law Firm, 25/1 Nahar Complex House Street, Dhaka Judge Court, Dhaka.

"আইনের জ্ঞান সবার জন্য ⚖️📚
বিভিন্ন আইন, অধিকার এবং আইনি পরামর্শ নিয়ে তথ্যসমৃদ্ধ পোস্ট। সচেতনতা বাড়াতে এবং সঠিক আইনি জ্ঞান পৌঁছে দিতে আমরা আছি আপনার পাশে।
& Associates "সবার জন্য আইনের জ্ঞান—সচেতন নাগরিক গড়তে আমাদের উদ্যোগ ⚖️📚"

আমাদের পেইজ মূলত তাদের জন্য, যারা আইন সম্পর্কে সঠিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্য জানতে চান। আমরা বিভিন্ন ধরনের আইন, নাগরিক অধিকার, ফৌজদারি ও দেওয়ানি আইন, পরিবার আইন, শ্রম আইনস

হ সব ধরনের আইনি তথ্য সহজ ভাষায় তুলে ধরি।

এখানে পাবেন আইনি পরামর্শমূলক পোস্ট, তথ্যসমৃদ্ধ আর্টিকেল, এবং আইন বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ যা আপনার আইনি জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করবে। আমাদের লক্ষ্য হলো সাধারণ মানুষের মাঝে আইনের জ্ঞান ছড়িয়ে দেওয়া, যাতে সবাই নিজের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হতে পারে এবং প্রয়োজনে সঠিক আইনি পদক্ষেপ নিতে পারে।

আমরা বিশ্বাস করি—আইনের সঠিক জ্ঞান থাকলে সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে এবং অন্যায় কমবে। তাই আমরা নিয়মিত নতুন আইন, সংশোধনী, এবং আইনি টিপস শেয়ার করি যাতে সবাই আপডেট থাকতে পারে।

চলুন, একসাথে গড়ে তুলি একটি সচেতন সমাজ যেখানে সবাই জানবে নিজের অধিকার এবং দায়িত্ব। 🏛️✨
Law Firm

26/02/2026

📜 বিয়ের নিকাহনামা বা কাবিননামা কেন প্রয়োজন?

বিয়ের নিকাহনামা (কাবিননামা) হলো মুসলিম বিবাহের আইনগত ও ধর্মীয় অপরিহার্য দলিল।
এটি স্বামী-স্ত্রীর অধিকার, নিরাপত্তা এবং সামাজিক স্বীকৃতি নিশ্চিত করে।

নিকাহনামা শুধু একটি কাগজ নয় —
এটি ভবিষ্যতের অনেক বড় আইনি সমস্যার প্রতিরোধক সুরক্ষা।

✅ নিকাহনামা কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

🔹 আইনি প্রমাণ
বিয়ের বৈধতার লিখিত প্রমাণ, যা আদালতসহ যেকোনো আইনি প্রয়োজনে দলিল হিসেবে কাজ করে।

🔹 নারীর অধিকার সুরক্ষা
তা লা ক বা স্বামীর মৃ ত্যু হলে দেনমোহর, ভরণপোষণ ও উত্তরাধিকার নিশ্চিত করে।

🔹 প্র তা র ণা রোধ
স্বামী আইনগত অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিবাহ করতে পারে না—এটি প্রমাণে নিকাহনামা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

🔹 সন্তানের বৈধতা
সন্তানের বৈধ পিতৃত্ব ও উত্তরাধিকার প্রমাণে এটি অপরিহার্য দলিল।

🔹 সামাজিক ও প্রশাসনিক স্বীকৃতি
পাসপোর্ট, ভিসা, যৌথ ব্যাংক একাউন্ট, বিভিন্ন সরকারি কাজে কাবিননামা প্রয়োজন হয়।

⏳ গুরুত্বপূর্ণ সময়সীমা

বিয়ের ৩০ দিনের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন করা আইনত প্রয়োজন।

❗ রেজিস্ট্রেশন না করা একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

⚠️ বিশেষ সতর্কবার্তা

আজ অনেকেই কাবিননামার গুরুত্ব না বুঝে অবহেলা করেন।
কিন্তু ভবিষ্যতে দেনমোহর, ভরণপোষণ, উত্তরাধিকার, সন্তানের বৈধতা—সবকিছুতেই এই একটি দলিল বড় ভূমিকা রাখে।

ℹ️ দ্রষ্টব্য

এটি সাধারণ আইনি সচেতনতার জন্য।
নির্দিষ্ট সমস্যার জন্য অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নিন।

👉 অনেকেই এই তথ্য জানেন না।
প্রয়োজনে পোস্টটি শেয়ার করুন।

যাদের এখনো আয়কর রিটার্ন দাখিল করা হইনি তারা ১ মাস সময় পাবেন, রিটার্ন দাখিলের সময় ৩১ মার্চ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে
26/02/2026

যাদের এখনো আয়কর রিটার্ন দাখিল করা হইনি তারা ১ মাস সময় পাবেন, রিটার্ন দাখিলের সময় ৩১ মার্চ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে

প্রবাসী বাংলাদেশী করদাতাগণের জন্য ই-মেইলে OTP প্রেরণের ব্যবস্থা চালু!!!
24/02/2026

প্রবাসী বাংলাদেশী করদাতাগণের জন্য ই-মেইলে OTP প্রেরণের ব্যবস্থা চালু!!!

23/02/2026

কোন অবাধ্য সন্তানকে ত্যাজ্য ঘোষণা করা যায় কি আর ত্যাজ্য করলে কি সন্তান তার বাবা মার সম্পত্তি পাবে না আইন কি বলে??






23/02/2026

পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত ১০০টি শব্দের অর্থের তালিকা
খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:

পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত অনেক শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ রয়েছে। কিছু শব্দ খুব কম ব্যবহৃত হয়। যারা পুরাতন দলিলের শব্দের অর্থ বোঝেন না, তাদের জন্য বিস্তারিত ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো —

১) মৌজা: গ্রাম
২) জে.এল. নং: মৌজা নম্বর/গ্রামের নম্বর
৩) ফর্দ: দলিলের পাতা
৪) খং: খতিয়ান
৫) সাবেক: আগের/পূর্বের
৬) হাল: বর্তমান
৭) বং: বাহক (যিনি নিরক্ষর ব্যক্তির নাম লেখেন)
৮) নিং: নিরক্ষর
৯) গং: অন্যান্য অংশীদার
১০) সাং: সাকিন/গ্রাম
১১) তঞ্চকতা: প্রতারণা
১২) সনাক্তকারী: বিক্রেতাকে চিনেন এমন ব্যক্তি
১৩) এজমালি: যৌথ
১৪) মুসাবিদা: দলিল লেখক
১৫) পর্চা: প্রাথমিক খতিয়ানের নকল
১৬) বাস্তু: বসতভিটা
১৭) বাটোয়ারা: সম্পত্তির বণ্টন
১৮) বায়া: বিক্রেতা
১৯) মং: মোট
২০) মবলক: মোট পরিমাণ
২১) এওয়াজ: সমমূল্যের বিনিময়
২২) হিস্যা: অংশ
২৩) একুনে: যোগফল
২৪) জরিপ: ভূমি পরিমাপ
২৫) চৌহদ্দি: সীমানা
২৬) সিট: মানচিত্রের অংশ
২৭) দাখিলা: খাজনার রশিদ
২৮) নক্সা: মানচিত্র
২৯) পিং: পিতা
৩০) জং: স্বামী
৩১) দাগ নং: জমির নম্বর
৩২) স্বজ্ঞানে: নিজের জ্ঞানের ভিত্তিতে
৩৩) সমুদয়: সব কিছু
৩৪) ইয়াদিকৃত: পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে শুরু
৩৫) পত্র মিদং: পত্রের মাধ্যমে
৩৬) বিং: বিস্তারিত
৩৭) দং: দখলকারী
৩৮) পত্তন: সাময়িক বন্দোবস্ত
৩৯) বদলসূত্র: জমি বিনিময়
৪০) মৌকুফ: মাফকৃত
৪১) দিশারী রেখা: দিকনির্দেশক রেখা
৪২) হেবা বিল এওয়াজ: বিনিময়সূত্রে জমি দান
৪৩) বাটা দাগ: বিভক্ত দাগ
৪৪) অধুনা: বর্তমান
৪৫) রোক: নগদ অর্থ
৪৬) ভায়া: বিক্রেতার পূর্বের দলিল
৪৭) দানসূত্র: দানকৃত সম্পত্তি
৪৮) দাখিল-খারিজ: মালিকানা পরিবর্তন
৪৯) তফসিল: সম্পত্তির বিবরণ
৫০) খারিজ: পৃথক খাজনা অনুমোদন
৫১) খতিয়ান: ভূমির রেকর্ড
৫২) এওয়াজসূত্র: বিনিময় সূত্রে পাওয়া সম্পত্তি
৫৩) অছিয়তনামা: উইল/মৃত্যুকালীন নির্দেশ
৫৪) নামজারি: মালিকানা হস্তান্তরের রেকর্ড
৫৫) অধীনস্থ স্বত্ব: নিম্নস্তরের মালিকানা
৫৬) আলামত: মানচিত্রে চিহ্ন
৫৭) আমলনামা: দখলের দলিল
৫৮) আসলি: মূল ভূমি
৫৯) আধি: ফসলের অর্ধেক ভাগ
৬০) ইজারা: নির্দিষ্ট খাজনায় সাময়িক বন্দোবস্ত
৬১) ইন্তেহার: ঘোষণাপত্র
৬২) এস্টেট: জমিদারি সম্পত্তি
৬৩) ওয়াকফ: ধর্মীয় কাজে উৎসর্গকৃত সম্পত্তি
৬৪) কিত্তা: ভূমিখণ্ড
৬৫) কিস্তোয়ার জরিপ: কিত্তা ধরে ভূমি পরিমাপ
৬৬) কায়েম স্বত্ব: চিরস্থায়ী মালিকানা
৬৭) কবুলিয়ত: স্বীকারোক্তি দলিল
৬৮) কান্দা: উচ্চভূমি
৬৯) কিসমত: ভূমির অংশ
৭০) খামার: নিজস্ব দখলীয় ভূমি
৭১) খিরাজ: খাজনা
৭২) খসড়া: প্রাথমিক রেকর্ড
৭৩) গর বন্দোবস্তি: বন্দোবস্তবিহীন জমি
৭৪) গির্ব: বন্ধক
৭৫) জবরদখল: জোরপূর্বক দখল
৭৬) জোত: প্রজাস্বত্ব
৭৭) টেক: নদীর পলি জমে সৃষ্টি ভূমি
৭৮) ঢোল সহরত: ঢোল পিটিয়ে ঘোষণা
৭৯) তহশিল: রাজস্ব এলাকা
৮০) তামাদি: নির্দিষ্ট সময় অতিক্রান্ত
৮১) তফসিল: সম্পত্তির বিবরণ
৮২) নামজারি: মালিকানা হস্তান্তর
৮৩) নথি: রেকর্ড
৮৪) দেবোত্তর: দেবতার নামে উৎসর্গকৃত
৮৫) দখলী স্বত্ব: দখলের ভিত্তিতে মালিকানা
৮৬) দশসালা বন্দোবস্ত: দশ বছরের বন্দোবস্ত
৮৭) দাগ নম্বর: জমির ক্রমিক নম্বর
৮৮) দরবস্ত: সব কিছু
৮৯) দিঘলি: নির্দিষ্ট খাজনা প্রদানকারী
৯০) নক্সা ভাওড়ন: পূর্ব জরিপের মানচিত্র
৯১) নাম খারিজ: পৃথককরণ
৯২) তুদাবন্দি: সীমানা নির্ধারণ
৯৩) তরমিম: সংশোধন
৯৪) তৌজি: চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত রেকর্ড
৯৫) দিয়ারা: নদীর পলিতে গঠিত চর
৯৬) ট্রাভার্স: জরিপের রেখা পরিমাপ
৯৭) খাইখন্দক: জলাশয় বা গর্তযুক্ত ভূমি
৯৮) চর: নদীর পলি জমে গঠিত ভূমি
৯৯) চৌহদ্দি: সম্পত্তির সীমানা
১০০) খাস: সরকারি মালিকানাধীন..

মুসলিম ফারায়েজ নীতিঃ১। স্ত্রীর দুই অবস্থাঃ(ক) মৃত  স্বামীর সন্তান না থাকলে ১/৪,( খ) আর সন্তান থাকলে স্ত্রী ১/৮ অংশ পাবে।...
23/02/2026

মুসলিম ফারায়েজ নীতিঃ

১। স্ত্রীর দুই অবস্থাঃ
(ক) মৃত স্বামীর সন্তান না থাকলে ১/৪,
( খ) আর সন্তান থাকলে স্ত্রী ১/৮ অংশ পাবে।

২। স্বামীর দুই অবস্থাঃ
(ক) স্ত্রীর মৃত্যুর পর সন্তান না থাকলে ১/২,
( খ) আর থাকলে ১/৪ অংশ পাবে।

৩। কন্যার তিন অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র কন্যা থাকলে ১/২ ,
( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) পুত্র কন্যা একসাথে থাকলে ২:১ অনুপাতে পাবে।

৪। পিতার তিন অবস্থাঃ
(ক) মৃত্যু ব্যাক্তির পুত্র বা পৌত্র বা পুরুষ শ্রেনী বর্তমানে থাকলে ১/৬ অংশ পাবে,
(খ) পুরুষ শ্রেনি না থাকলে এবং কন্যা বা পৌত্রী বা মহিলা শ্রেনী বর্তমানে থাকলে( ১/৬+অবশিষ্ট) অংশ পাবে,
(গ)পুরুষ বা মহিলা শ্রেনী বর্তমানে না থাকলে অবশিষ্ট সকল অংশ পাবে।

৫। মায়ের তিন অবস্থাঃ
(ক) মৃত্যু ব্যক্তির সন্তান বা একাধিক ভাইবোন থাকলে ১/৬ অংশ পাবে,
(খ) মৃত্যু ব্যক্তির যদি কোন সন্তান না থাকে বা ভাইবোন ২ জনের কম থাকলে ১/৩ অংশ পাইবে,
(গ) স্বামী বা স্ত্রীর সাথে পিতা মাতা উভয়ে থাকলে , মৃত্যু ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে স্বামী বা স্ত্রীর অংশ দেয়ার পর বাকি সম্পত্তির ১/৩ অংশ পাবে।

৬। বৈপিত্রীয় ভাইবোনদের তিন অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র বৈপিত্রীয় ভাইবোন থাকলে ১/৬ অংশ
(খ) একাধিক থাকলে ১/৩ অংশ পাবে
(গ) মৃত্যু ব্যাক্তির পুত্র বা পৌত্র,পিতা বা দাদা থাকলে বঞ্ছিত হবে।

৭। পৌত্রীগনের ছয় অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র পৌত্রী থাকলে ১/২,
( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাবে,
(গ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একজন মাত্র কন্যা থাকে তাহলে পৌত্রীগন ১/৬ অংশ পাইবে,
(ঘ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একাধিক কন্যা থাকে তাহলে পৌত্রীগন বঞ্ছিত হবে,
(ঙ) মৃত্যু ব্যক্তির পৌত্রী ও পৌত্র একই সাথে থাকলে অংশীদার হবে,
(চ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির পুত্র থাকে তাহলে পৌত্রীগন বঞ্ছিত হইবে।

৮। সহোদরা বোনদের পাঁচ অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র সহোদরা বোন থাকলে ১/২,
( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাবে,
(গ) সহোদরা বোনের সাথে সহোদরা ভাই থাকলে আসাবা হবে,
(ঘ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একজন মাত্র কন্যা বা পৌত্রী থাকে তাহলে সহোদরা বোনগন ১/৬ অংশ পাইবে। একাধিক কন্যা বা পৌত্রী থাকলে এবং অন্য কোন ওয়ারিশ না থাকলে অংশীদার হবে,
(ঙ) মৃত্যু ব্যাক্তির পুরুষ শ্রেনীর ওয়ারিশ থাকলে সহোদরা বোনগন বঞ্ছিত হবে।

৯। বৈমাত্রিয় বোনদের সাত অবস্থাঃ
(ক) যদি মৃত্যু ব্যাক্তির সহোদরা বোন না থাকে ও একজন মাত্র বৈমাত্রিয় বোন থাকলে ১/২,
(খ)একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাবে,
(গ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একজন মাত্র সহোদরা বোন থাকে তাহলে বৈমাত্রিয় বোন ১/৬ অংশ পাবে,
(ঘ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একাধিক সহোদরা বোন থাকে তাহলে বৈমাত্রিয় বোনগণ বঞ্ছিত হবে,
(ঙ)যদি মৃত্যু ব্যক্তির একাধিক সহোদরা বোন থাকে এবং বৈমাত্রিয় বোনের সাথে বৈমাত্রিয় ভাই থাকলে একএে অংশীদার হবে।
(চ) মৃত্যু ব্যাক্তির কন্যা বা পৌত্রী থাকলে এবং অন্য কোন ওয়ারিশ না থাকলে বৈমাত্রিয় বোনগণ অবশিষ্ট অংশ পাবে,
(ছ) মৃত্যু ব্যক্তির পুরুষ ওয়ারিশ থাকলে বৈমাত্রিয় বোনগন বঞ্ছিত হবে।
১০। দাদী নানীর ২ অবস্থাঃ
(ক) পিতৃ বা মাতৃ সম্পর্কের এক বা একাধিক যাহাই হোক ১/৬ অংশ পাবে,
(খ) মৃত্যু ব্যক্তির মাতা জীবিত থাকলে বঞ্ছিত হইবে। তবে পিতা জীবিত থাকলে দাদী পাবে না।

বিদেশে অবস্থান করা অবস্থায় কি তালাক প্রদান করা সম্ভব??? ➡️হ্যা সম্ভব!!! বিদেশ থেকে মুসলিম ধর্মে তা'লা'ক দেওয়ার বৈধ উপায় ...
22/02/2026

বিদেশে অবস্থান করা অবস্থায় কি তালাক প্রদান করা সম্ভব???

➡️হ্যা সম্ভব!!!

বিদেশ থেকে মুসলিম ধর্মে তা'লা'ক দেওয়ার বৈধ উপায় বাংলাদেশ আইনের আলোকে স্পষ্টভাবে, ধাপে ধাপে ও আইনসহ আলোচনা করা হলো ⬇️⬇️

➡️ প্রযোজ্য আইন
Muslim Family Laws Ordinance, 1961 (MFLO)
👉 ধারা ৭ (Section 7)

➡️ নোটিশ দেওয়ার মাধ্যমে (MFLO S- 7)
POA ছাড়া দূতাবাসের মাধ্যমে বৈধ পদ্ধতি (মুসলিম)

★ ধাপ–১: বিদেশে বসে তালাক প্রদান
স্বামী নিজে তালাক ঘোষণা করবেন (লিখিত আকারে উত্তম)।

★ ধাপ–২: দূতাবাসে তালাকনামা সত্যায়ন (Attestation)
স্বামী নিকটস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস/হাইকমিশনে গিয়ে করবেন:
লিখিত তালাকনামা প্রস্তুত
দূতাবাস কর্তৃক স্বাক্ষর ও পরিচয় সত্যায়ন (Attestation)
📌 এখানে POA লাগে না, কারণ স্বামী নিজে উপস্থিত।
⚠️ মনে রাখবেন:
👉 দূতাবাস তালাক দেয় না, শুধু দলিল সত্যায়ন করে।

★ ধাপ–৩: দূতাবাসের মাধ্যমে নোটিশ প্রেরণ
সত্যায়িত তালাকনামা দিয়ে দূতাবাসের মাধ্যমে (বা নিজে ডাকযোগে) পাঠাতে হবে:
স্ত্রীর বর্তমান ঠিকানায়
স্ত্রীর এলাকার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান / সিটি কর্পোরেশন মেয়রের কাছে
📮 মাধ্যম:
Diplomatic Mail / Registered Post / Courier

➡️ 📂 প্রমাণ:
প্রেরণের রসিদ ও কপি সংরক্ষণ করুন।

★ ধাপ–৪: ৯০ দিনের সালিশি সময় (আইনগত বাধ্যবাধকতা)
চেয়ারম্যান নোটিশ পাওয়ার দিন থেকে
৯০ দিনের সালিশি (Arbitration Council) সময় শুরু
পুনর্মিলন না হলে—

★ ধাপ–৫: তালাক কার্যকর
নোটিশ প্রাপ্তির ৯০ দিন পর তালাক চূড়ান্তভাবে কার্যকর
চেয়ারম্যান চাইলে তালাক সনদ ইস্যু করবেন

➡️ যে সব কাগজপত্র প্রয়োজন হবে,
১. কাবিননামা
২. জাতীয় পরিচয় পত্র
৩. পাসপোর্ট
৪. পাসপোর্ট সাইজ ছবি
৫. বর্তমান ঠিকানার প্রমান পত্র
➡️ আইনের স্পষ্ট ভিত্তি (MFLO, Section 7)
Section 7(1):
তালাক দিলে স্বামীকে তা লিখিতভাবে চেয়ারম্যানকে জানাতে হবে।
Section 7(2):
চেয়ারম্যান সালিশি পরিষদ গঠন করবেন।
Section 7(3):
নোটিশ পাওয়ার ৯০ দিন পর তা লাক কার্যকর হবে, যদি পুনর্মিলন না হয়।
⚠️ চেয়ারম্যানকে নোটিশ না দিলে তা লা ক আইনত অ বৈ ধ ও দণ্ডনীয় অ প রা ধ।

➡️ গুরুত্বপূর্ণ ভুল ধারণা—এগুলো নয়
❌ শুধু দূতাবাসে তালাকনামা করলে তালাক বৈধ হয় না
❌ শুধু বিদেশি নোটারি করলেও বৈধ হয় না
✔️ চেয়ারম্যানকে নোটিশ = বৈধতার মূল চাবিকাঠি

➡️ মূল কথা (সংক্ষেপে)
✔️ দূতাবাস তালাক কার্যকর করার কর্তৃপক্ষ নয়
✔️ তবে দূতাবাস তালাকনামা সত্যায়ন (attestation) ও নোটিশ প্রেরণে সহায়ক মাধ্যম
✔️ চূড়ান্ত বৈধতা আসে বাংলাদেশের স্থানীয় চেয়ারম্যানকে

নতুন বিধিমালা জারি: ডোপ টেস্ট ‘পজিটিভ’ হলে সরকারি চাকরিতে অযোগ্য হবে  ‘জৈব নমুনায় মাদকদ্রব্য শনাক্তকরণ (ডোপ টেস্ট) বিধিম...
20/02/2026

নতুন বিধিমালা জারি: ডোপ টেস্ট ‘পজিটিভ’ হলে সরকারি চাকরিতে অযোগ্য হবে
‘জৈব নমুনায় মাদকদ্রব্য শনাক্তকরণ (ডোপ টেস্ট) বিধিমালা-২০২৬’-এ বলা হয়েছে, ডোপ টেস্ট পরীক্ষার ফল পজিটিভ হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সরকারি, আধা-সরকারি, স্থানীয় সরকার ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে চাকরির ক্ষেত্রে অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। আর চাকরিরত হয়ে থাকলে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা-২০১৮ অনুযায়ী তা ‘অসদাচরণ’ হিসেবে গণ্য হবে।

বাংলাদেশ গ্যাস (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬   #গেজেট
17/02/2026

বাংলাদেশ গ্যাস (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬

#গেজেট

17/02/2026
এখন থেকে চেক ডিস-অনার এর মামলার ট্রায়াল হবে যুগ্ম দায়রা জজ এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আদা...
16/02/2026

এখন থেকে চেক ডিস-অনার এর মামলার ট্রায়াল হবে যুগ্ম দায়রা জজ এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে। (এতদিন ট্রায়াল হতো শুধুমাত্র যুগ্ম দায়রা জজ আদালতে)

১। চেকের এমাউন্ট ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হলে ট্রায়াল হবে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে।

২। চেকের এমাউন্ট ৫ লক্ষ টাকার বেশী হলে ট্রায়াল হবে যুগ্ম দায়রা জজ আদালতে।

💥 এক্ষেত্রে চেকের মামলার বিচার অনেক দ্রুত হবে। যুগ্ম দায়রা জজ আদালতের উপরে চাপ কমবে।

Address

25/1 Nahar Complex House Street, Dhaka Judge Court
Dhaka
1100

Opening Hours

Monday 09:00 - 19:00
Tuesday 09:00 - 19:00
Wednesday 09:00 - 19:00
Thursday 09:00 - 19:00
Saturday 03:00 - 19:00
Sunday 09:00 - 19:00

Telephone

+8801711015837

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kazol & Associates posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Kazol & Associates:

Share