Adv. Palash Saha

Adv. Palash Saha আপনার সকল প্রকার আইনি পরামর্শ ও সহায়তার জন্য আমরা আছি পাশে😊

মুঠোফোন এ যোগাযোগ এর জন্য -০১৭১৪২৬২৩৮০

পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩ সংশোধন প্রয়োজন;সরকারি চাকুরে সন্তানদের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্ববানপিত...
04/06/2026

পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩ সংশোধন প্রয়োজন;
সরকারি চাকুরে সন্তানদের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্ববান

পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩ এর ৭(২) ধারা মোতাবেক ভরণ-পোষণের মামলা পিতা বা মাতার লিখিত অভিযোগ ব্যতীত আমলে নেওয়া যায় না অর্থাৎ বাবা-মা ব্যতীত মামলা দায়ের করা যায় না। ফলে এই আইনের অধীনে অতি বয়স্ক, অসুস্থ, পীড়িত বা অসচেতন বাবা-মায়ের পক্ষে আইনগত সুরক্ষা পাওয়া যায় না। এই আইন যখন পাশ হয় তখনকার সমাজ বাস্তবতায় এটা বাড়াবাড়ি মনে হয়েছিল। কিন্তু দিন দিন সমাজের নৈতিক অধ:পতন বাড়ায় আইনটি আরও শক্ত করা দরকার।

ধারাটি হুবহু তুলে ধরা হলো।

"কোন আদালত এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধ সংশ্লিষ্ট সন্তানের পিতা বা মাতার লিখিত অভিযোগ ব্যতীত আমলে গ্রহণ করিবে না।"

উক্ত আইনে অপ্রতুল সাজার বিধান আছে। জেল দেওয়ার সুযোগ নেই। আছে কেবল অর্থদণ্ড। ফলে এই আইনের প্রভাব দুর্বল। শাস্তি
বিষয়ক ৫(১) ধারা হুবহু তুলে ধরা হলো।

"কোন সন্তান কর্তৃক ধারা ৩ এর যে কোন উপ-ধারার বিধান কিংবা ধারা ৪ এর বিধান লংঘন অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য অনূর্ধ্ব ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবে; বা উক্ত অর্থদণ্ড অনাদায়ের ক্ষেত্রে অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) মাস কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবে।"

এক্ষেত্রে আইন সংশোধন করে বাবা-মায়ের পাশাপাশি একজন উপযুক্ত সরকারি কর্মকর্তাকে বাদী হবার বিধান করা যেতে পারে এক্ষেত্রে সমাজসেবা কর্মকর্তা প্রাধান্য পেতে পারে। এবং শাস্তির বিধান যুগোপযোগী করা যেতে পারে।

যদিও দায়ী সন্তানদের বিরুদ্ধে এই আইনে আপাতত ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছেনা, তথাপি সরকারি চাকরি করার কারণে তাঁদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ হয়েছে।

সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর ২৮ ধারা অনুযায়ী "সরকার, জনপ্রশাসনের সকল পর্যায়ে সুশাসন নিশ্চিতকল্পে, সরকারি কার্য সম্পাদনের নীতি, শুদ্ধাচার চর্চা এবং কর্মচারীগণ কর্তৃক অনুসরণীয় নৈতিকতার মানদণ্ডসমূহসহ অনুসরণের প্রক্রিয়া ও কৌশল প্রণয়ন করিবে।"

এই আইনে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ প্রণয়ন করা হয়।

সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর বিধি ২(খ) অনুযায়ী, "অসদাচরণ’ অর্থ অসঙ্গত আচরণ বা চাকরি শৃঙ্খলার জন্য হানিকর আচরণ, অথবা সরকারি কর্মচারীদের আচরণসংক্রান্ত বিদ্যমান বিধানের পরিপন্থী কোনও কাজ, অথবা কোনও সরকারি কর্মচারীর পক্ষে শিষ্টাচারবহির্ভূত কোনও আচরণ।"

নৈতিক স্খলন বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। দুর্নীতি, সামাজিক জীবন, পারিবারিক জীবন, ব্যক্তিগত স্বভাব-চরিত্রের ব্যাপার হতে পারে। সমাজের নৈতিকতার যে মানদণ্ড সেটার নিচে নামলে সেটিকে স্খলন বলা যায়। ফলে অসদাচরণ এর সংজ্ঞায় ফেলে শাস্তির আওতায় আনা যায়।

সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ ধারা ৩২ অনুসারে, "নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ, বিভাগীয় কার্যধারায় দোষী সাব্যস্ত কোনো কর্মচারীকে এতৎসংক্রান্ত বিধির বিধান সাপেক্ষে, নিম্নবর্ণিত এক বা একাধিক লঘু বা গুরুদণ্ড আরোপ করিতে পারিবে, যথা :-

(ক) লঘু দণ্ডসমূহ -
(অ) তিরস্কার;
(আ) নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য পদোন্নতি বা বেতন বৃদ্ধি স্থগিতকরণ;
(ই) বেতন স্কেলের নিম্নধাপে অবনমিতকরণ;
(ঈ) কোনো আইন বা সরকারি আদেশ অমান্যকরণ অথবা কর্তব্যে ইচ্ছাকৃত অবহেলার কারণে সরকারি অর্থ বা সম্পত্তির ক্ষতি সংঘটিত হইলে যথোপযুক্ত ক্ষতিপূরণ আদায়।

(খ) গুরু দণ্ডসমূহ-
(অ) নিম্ন পদ বা নিম্নতর বেতন স্কেলে অবনমিতকরণ;
(আ) বাধ্যতামূলক অবসর প্রদান;
(ই) চাকরি হইতে অপসারণ;
(ঈ) চাকরি হইতে বরখাস্ত।

যেই চাকরির ব্যস্ততা ও শান-শওকতের কারণে এতো উদাসীনতা, সেই চাকরিটা নিয়ে কিছুদিন ভুগলে জেল খাটার চেয়েও উপযুক্ত শাস্তি হয়ে যাবে।

প্রবীণ নাগরিকদের সম্মান ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর দাবী রাখছি।

31/10/2024
30/05/2024

৪৩ বছর বয়সে স্যার তখনও বিয়ে করেননি। নিজ গ্রামের এক মেয়েকে ভালবাসতেন। রাজশাহী ভার্সিটিতে পড়ার সময় মেয়েটার বিয়ে হয়ে যায়। স্কুল পড়ুয়া দুই ছেলে সহ মেয়েটা এখন প্রায় মধ্যবয়সী। মাঝে মাঝে রাতে ঘুরতে বের হতাম। একটা ছোট্ট গোল আলো অন্ধকারে উঠানামা করলেই বুঝতাম স্যার একা বসে বিড়ি খাচ্ছে। কাছে ডেকে গল্প করতেন। প্রায় দিন ঐ মেয়েটার গল্প শুনতাম। একটি বাগানের গল্প, কান্নাকাটির গল্প। ভাবতাম এতকাল পরে একটি মেয়েকে মনে রাখার মত মানুষ ও আছে তাহলে। মেয়েটার সংসার হয়েছে, বাচ্চা হয়েছে।
শুধু স্যারের কিছু হয় নি। বিড়ি টানে আর উদাস হয়ে ধোয়া ছাড়ে। প্রচন্ড ঝড়ের রাতেও দেখেছি পুকুর ঘাটে একা একা বসে বিড়ি টানছে।
এক ঝড়ের রাত্রে উনাকে সাপে কাটল। গিয়ে দেখি রক্ত ঝরছে, গোড়ালির উপর থেকে।। ঠান্ডা মাথায় আমাদের বললেন:: সাপ আমি দেখেছি, গোখরা সাপ। এখন আমাবস্যা, বিষ থাকার কথা। তোমরা অযথা আমাকে নিয়ে টানাটানি করো না। আমরা টানাটানি করেছিলাম এবং সে যাত্রায় উনি বেচে গিয়েছিলেন। . এই অসম্ভব দু:খী মানুষটি আমাদের অনেকের কাছে ছিল দার্শনিকের মত। উনার কিছু কথা আজীবন মনে রেখেছি। উনি প্রায় বলতেন: প্রকৃতি সবচেয়ে ফিট প্রজাতিকে বেছে নেয়, আনফিটকে বিলুপ্ত করে দেয়। স্ত্রী হায়েনা সবচেয়ে শক্তিশালী পুরুষ হায়েনা টিকে বেছে নেয় যে তার জন্য আর সব পুরুষের সাথে যুদ্ধে জিতে আসতে পারে। কোন মেয়ে তোমার চেয়েও ভাল কাউকে যদি বেছে নেয় তো একটুও দু:খ পেও না। এটা তাই যা প্রকৃতির আর দশটা প্রজাতির মধ্যে ঘটে থাকে। " This is Law of natural
selection".
তাই যখন দেখি কোন মেয়ে তার বহু পুরানো প্রেমের খ্যাতায় আগুন লাগিয়েছে বা নতুন কাউকে বেছে নিয়েছে, আমি একটুও অবাক হই না। সঙ্গী নির্বাচনে সমগ্র প্রাণী জগতে একটি দুর্বোধ্য স্বার্থপরতা আছে। এই স্বার্থপরতা আসলে স্ত্রী জাতীয় প্রাণীদের মধ্যে বেশি। কোন দয়ামায়া ছাড়াই এরা সবচেয়ে ভাল পুরুষ সংগী টি বেছে নেয়।
আমি অবাক হই ছেলেদের
রিএকশন দেখে।
একটা সম্পর্ক যখন ভেংগে যায়, মেয়েটা হাউ মাউ করে কাঁদে। সে জানে না এই হাউমাউ কান্নাটা তাকে বাচিয়ে দিয়েছে, তাকে ভুলতে শিখিয়েছে। সে ভুলতে শুরু করে। মেয়েদের ভালোবাসায় 'All or
none Law' ব্যাপার থাকে।
কাউকে ভালবাসলে সমগ্র প্রান দিয়ে ভালবাসে, কোন কারনে তাকে ঘৃনা করলে স্বর্বস্ব দিয়ে ঘৃনা করে। আপন পরের ব্যাপারটায় চরম ধরনের নিষ্ঠুরতা থাকে।
ছেলেটার জন্য এগুলো খুব সহজ নয়। ব্রেক আপের রাতে সে খুব শান্তিমত ঘুমায়। সকালে হাই তুলতে তুলতে বলে ওর সাথে আমার ব্রেক আপ হয়ে গেছে। নিজেই নিজেকে বলে ' কিচ্ছু হবে না', 'ও রকম মেয়ে কত আছে!' তারপর একটু একটু করে তার খারাপ লাগে। প্রতিদিনের অভ্যাসগুলো তাকে কষ্ট দেয়। রাত এলে ফোনের পুরানো
মেসেজ গুলো তাকে পোড়ায়। খুব ধীরে সে বুঝে ফেলে জীবনের একটি অংশ সে হারিয়ে ফেলেছে, যাকে ছাড়া সে অচল। হারানো মানুষ টাকে ফিরে পেতে সে তখন যুদ্ধ শুরু করে, তবে দেরি হয়ে যায়। ততদিনে মেয়েটার কাছে সে অচেনা কেউ।
হতাশা আকড়ে ধরে তাকে। সিডেটিপের ডিব্বা তার আশ্রয় হয়ে যায়। নিজের প্রতি বেখেয়ালে কখন যে বনমানুষ হয়ে যায় বুঝতে পারে না। হাউমাউ কান্নাটা মানুষের শেষ আশ্রয়। বিধাতা এটিও তাকে দেয় নি।
কিছুদিন আগে প্রায় মাঝরাতে একটা ছেলে এসেছিল আমার
কাছে ( ইমার্জেন্সিতে)। প্রায় বদ্ধ নেশাখোর। হাতের কোথাও ইনজেকশন দেয়ার শিরা নাই। সব শিরায় সে নিজে ইনজেকশন দিয়েছে।
ঢাকা ভার্সিটিতে পড়ার সময় মোবাইলে একটি মেয়ের সাথে পরিচয়।
তারপর প্রেম, অত:পর ব্রেক আপ। ঘটনা ২০১১ সালের। প্রবাসী একটি ছেলেকে বিয়ে করে স্বামী বাচ্চা নিয়ে ভালোই আছে মেয়েটি। শুধু এই পাগলটার রাত কাটে না। মাঝে মাঝে ইমার্জেন্সি তে দেখা যায়। ছেলেটার বাবা ব্যাবসায়ী। ভদ্রলোক প্রায় কাঁদো কাঁদো হয়ে বলল:: স্যার ওর বিয়ে ঠিক করেছি। তার পর থেকে আবার শুরু করেছে। কিছুদিন ভালছিল। সেনাবাহিনীর টেলিফোন এক্সচেঞ্জ এ চাকুরী দিয়েছি। এরকম করলে চাকুরীটাও চলে যাবে।
ছেলেটাকে দেখে বহুদিন আগের রেজাউল স্যার কে মনে পড়ল। মানুষ তাহলে এমনও করে!! ভালবাসায় পাপ কতটুকু জানি না, তবে প্রায়াশ্চিত্ত অনেক বড়। ভালবাসা কাউকে কাউকে ঋনী করে ফেলে , আর কেউ কেউ সেটা জীবন দিয়ে শোধ করে।
সস্তা ভালবাসার যুগে মানুষ ভালবাসে একজনকে, আর প্রেমে পড়ে দশ জনের। এগুলোর নাম দিয়েছে ক্র্যাশ। ভালবাসা ছুটে গেলে এগুলোর দিকে হাত বাড়ায়। এই ক্র্যাশের যুগেও আপাত কঠিন কিছু মানুষ থাকে। এরা lock সিস্টেমে ভালবাসে। শুধু বাসতেই জানে, ভুলতে শিখে না। এরা হয়ত দার্শনিক হয়ে যায়, নয়ত মাঝ রাতে হুটহাট করে ইমার্জেন্সিতে চলে আসে।

কার্টেসী :- unknown

জমি ক্রয়ের পূর্বে ও পরে করনীয় সম্পর্কে সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। আশাকরি আপনাদের উপকারে আসবে!😊Adv. Palash Saha
03/05/2024

জমি ক্রয়ের পূর্বে ও পরে করনীয় সম্পর্কে সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। আশাকরি আপনাদের উপকারে আসবে!😊

Adv. Palash Saha

 #খাওয়ার_ভদ্রতাগুলো_শিখে_রাখুনভাত খাওয়ার কিছু ভদ্রতা আছে। পকেটে ভিজিটিং কার্ড আছে এমন লোককেও দেখি খাওয়ার সময় অশিক্ষিত লো...
24/02/2024

#খাওয়ার_ভদ্রতাগুলো_শিখে_রাখুন

ভাত খাওয়ার কিছু ভদ্রতা আছে। পকেটে ভিজিটিং কার্ড আছে এমন লোককেও দেখি খাওয়ার সময় অশিক্ষিত লোকের মতো হিংস্র আচরণ করছে। নিম্নশ্রেণীর জানোয়ার ও মানুষের খাওয়ার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে সেটাই অনেকে জানেননা৷

বস্তির লোকের খাওয়া ও একজন অধ্যাপকের খাওয়ার আদবকেতা এক না৷ দুজনের শিক্ষা, সমাজ, পরিবেশ ও এলিটনেস আলাদা। আমাদের বড় বড় হতেহতে ভদ্রলোকের উপায়গুলো প্রতিনিয়ত শিখতে হয়৷ এমনকি ভাত কিভাবে খেতে হয় তাও।

খুব সম্মান করি এমনলোককেও দেখি পরিবার থেকে খাওয়ার ভদ্রতা, খাওয়ার এলিটনেস শিখে আসে নাই। জন্তুজানোয়ারের মতো হাপিত্যেশ করে প্লেটে ঝাপিয়ে পড়ে। কেন রে ভাই। শিখিস না কেন? শিখ...

১। প্লেটে ভাত খাওয়ার সময় একপাশ থেকে খেতে হবে। অনেকে দেখি, প্লেটে মাঝামাঝি হাত বসিয়ে মাঝ থেকে লোকমা ধরে। খেতে হবে একপাশ থেকে ধীরেধীরে টেনেটেনে। এটা ভাত খাওয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভদ্রতা৷

২। খাওয়ার সময় মুখে যেন শব্দ না হয় তা খেয়াল রাখতে হয়৷ কেউ নলা ধরার সময় হুশশ... করে একটি শব্দ করে। ভাতখাওয়ার ব্লগ গুলোতে এই শব্দ ক্লিয়ার শোনা যায়। কারো কারো এমনিই শোনা যায়। কেউ ভাত চিবোয় জানোয়ারের মতো চাকদুম চাকদুম করে শব্দ করে। এটা করা যাবেনা।

৩। বাসায় মেহমান এলে প্রত্যেকের জন্য আলাদা গ্লাস দিতে হবে। একটি বা দুটি গ্লাস দিয়ে সবাইকে জল খেতে দেয়া অস্বাস্থ্যকর। এতে ছোয়াছে রোগ থাকলে ছড়িয়ে যায়। মুখের ঘা ছড়িয়ে পড়ে। এমনকি হেপাটাইটিসও হয়।

৪। সেদ্ধ ডিম, ভাজা মাছ যাই হোক না কেন, অন্যের বা নিজের প্লেটে পরিবেশনের সময় হাত ইউজ করবেন না৷ অনেক জায়গায় দেখি হাত দিয়ে তুলে পরিবেশন করে। কারো লোমশ হাত, কারো নখওয়ালা হাত, কারো খুজলি ওয়ালা হাত। এটা খুবই অরুচিকর। অশুচির।

৫। কাঁটা বা হাড় রাখার জন্য বোন-প্লেট চাইবেন। টেবিলে কখনোই ময়লা ফেলবেননা৷ যতোটা সম্ভব সাইলেন্টলি বোন-প্লেটে ময়লা রাখবেন। ছুড়ে ফেলবেন না৷ অনেকে বিরক্তি নিয়ে এসব ছোড়াছুড়ি করে। কেন ভাই?

৬। ভাত খাওয়ার সময় গ্লাস/চামচ ডানহাত দিয়ে ধরে নোংরা করবেন না। অনেকে চামচ ঝোলমাখামাখি করে ফেলেন। আপনি ডান হাত দিয়ে খেলে বাম দিয়ে কারি চামচ ধরবেন৷ বাম হাত দিয়ে পানি খাবেন, ডানহাতের পৃষ্ঠদেশ দিয়ে গ্লাসের নিচের অংশ ছুয়ে যাবেন৷ এটা সুন্নতও।

৭। লোকমা মুখে তোলার সময় মুখভঙ্গিটা পশুর বদলে মানুষের মতো হতে হবে৷
কেউ মুখে লোকমা তোলার আগে দেড়হাতে জিহবা বের করেন সাপের মতো।
কেউ কবজি থেকে জিহবা দিয়ে চেটে লোকমা মুখে নেন।
কেউ আছে দুই মিনিটপর পর হাতের দশ আঙ্গুল চেটে চেটে পরিষ্কার করেন। এগুলো সবই অসুন্দর।

হাতের পাঁচ আঙ্গুল সমান রেখে লোকমা ধরতে হয়, মুখে পুরতে হয় এই জ্ঞানটা কারোকারো দেখিই না।

৭। অফিশিয়াল একটি ভদ্রতাও বলি। খাওয়ার শেষে প্লেটে কাটাকুটা দেখা যায়৷ এই অবস্থায় একটি টিস্যু পেপার দিয়ে প্লেট ঢেকে দেয়া ভদ্রতা।

৮। হাত ধোয়ার বেসিন থাকলে প্লেটে হাত ধুবেন না। বেসিনেই যাবেন৷ ও হ্যা বেসিনে পানির নব ময়লা ডানহাত দিয়ে ঘুরাবেন না।

ছবি সংগ্রহ: ইউটিউব:::

প্রতিটা জেলায় এখন থেকে ল্যান্ড সার্ভে আপীল ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়েছে, যার মাধ্যমে জেলা থেকে এখন হাইকোর্টে এই প্রকারের মাম...
29/08/2023

প্রতিটা জেলায় এখন থেকে ল্যান্ড সার্ভে আপীল ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়েছে, যার মাধ্যমে জেলা থেকে এখন হাইকোর্টে এই প্রকারের মামলা নিয়ে আসার প্রয়োজন হবে না।

26/07/2023

পালকপুত্র কখনও ওয়ারীশ হয় না, এমনকি Birth Certificate, NID, Passport এ পালক পিতা-মাতার নাম দিলেও না।

পালকপুত্র বরাবর হেবা নয়, দানপত্র করা যাবে।
Adv. Palash Saha

26/07/2023

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময়ে কলকাতাসহ পশ্চিমবঙ্গে ব্যাপকভাবে চোখ ওঠা রোগ ছড়িয়ে পড়েছিল

21/07/2023

জমির পরিমাণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ধারনা
১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট = ৮০ বর্গগজ
১ কাঠা = ৬৬.৮৯ বর্গমিটার
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ
১ কাঠা = ১৬ ছটাক
১ কাঠা = ৩২০ বর্গহাত
২০ কাঠা = ১ বিঘা
৬০ কাঠা = ১ একর
১৪৮২০ কাঠা = ১ বর্গকিলোমিটার
১৪৮.২ কাঠা = ১ হেক্টর
কানি পরিমাপক
১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট = ১৬১৯ বর্গমিটার = ৪০০০০ বর্গলিংক = ৮০ করা
১ কানি = ৭৬৮০ বর্গহাত = ১৯৩৬ বর্গগজ = ১২০ শতাংশ
১ কানি = ২০ গন্ডা = ৪০ শতাংশ
১ কানি = ২০ গন্ডা = ৪০০০০ বর্গলিংক
১ কানি = ২৪ কাঠা
বিঘা পরিমাপক
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ = ১ পাকি
১ বিঘা = ২০ কাঠা
১ বিঘা = ৬৪০০ বর্গহাত
১ বিঘা = ৩৩০০০ বর্গলিংক
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ
১ বিঘা = ১৪৪০০ বর্গফুট = ১৩৩৮ বর্গ মিটার
১ বিঘা = ১৬ গন্ডা ২ করা ২ ক্রান্তি
৩ বিঘা = ১ একর (মোটামুটি) = ১৬০০ বর্গইয়ার্ড
৭৪১ বিঘা = ১৪৮২০ কাঠা = ১০৬৭০৪০০ বর্গফুট = ৯৯১৬৭২ বর্গমিটার = ১ বর্গকিলোমিটার =
২৪৭একর
৭.৪১বিঘা = ১৪৮.২কাঠা = ১০৬৭০৪ বর্গফুট = ৯৯১৩ বর্গমিটার = ১ হেক্টর = ২.৪৭ একর
জেনে নিন
খতিয়ান, পর্চা, চিটা, দখলনামা, বয়নামা, জমাবন্দি, দাখিলা, হুকুমনামা, জমা খারিজ, মৌজা কি?
পাকি পরিমাপক
১ পাকি = ১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ
১ পাকি = ২০ কাঠা = ৩৩ শতাংশ
শতাংশ নির্ণয়ের সুত্র
১.৬৫ শতাংশ = ১ কাঠা = ১৬৫ অযুতাংশ = ৭২০ বর্গফুট (মোটামুটি)
১ শতাংশ = ১ শতক = ৪৩৫.৬ বর্গফুট (মোটামুটি)
১ শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ = ১০০০ বর্গলিংক
৩৩ শতাংশ = ১ পাকি = ১ বিঘা = ২০ কাঠা
১ শতাংশ = ১৯৩.৬ বর্গহাত
২৪৭.১০৫ শতাংশ = ১ আয়ের
একর পরিমাপক
১ একর = ১০ বর্গচেইন = (৬৬*৬৬০) = ৪৩৫৬০ বর্গফুট
১ একর = ১০০ শতক = ৪৩৫৬৯ বর্গফুট
১ একর = ১০০ শতক = ১০০০০০ বর্গলিংক
১ একর = ১৯৩৬০ বর্গহাত
১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ
১ একর = ৪০৪৭ বর্গ মিটার = ০.৬৮০ হেক্টর
৬৪০ একর = ১ বর্গমাইল
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক
১ একর = ৬০.৫ কাঠা
১ একর = ২ কানি ১০ গন্ডা ( ৪০ শতক কানি অনুসারে)
২৪৭ একর = ১ বর্গকিলোমিটার
হেক্টর পরিমাপক
১ হেক্টর = ২.৪৭ একর
১ হেক্টর = ৭.৪১ বিঘা
১ হেক্টর = ১৪৮.২ কাঠা
১ হেক্টর = ১০৬৭০৪ বর্গফুট
১ হেক্টর = ১০০০০ বর্গমিটার = ৯৯১৩ বর্গমিটার
১ হেক্টর = ১১৯৬০ বর্গগজ
১ হেক্টর = ১.৪৭ একর
১ আয়ের = ২৮.৯ বিঘা
১ হেক্টর = ২৪৭.১০৫ শতক
১ হেক্টর = ৪৭৮৯.৫২৮ বর্গহাত
১ হেক্টর = ১০৭৬৩৯ বর্গফুট
১ হেক্টর = ১১৯৫৯.৮৮২ বর্গগজ
১ হেক্টর = ৭.৪৭৪ বিঘা
১ হেক্টর = ১০০ আয়ের গন্ডা পরিমাপক ১ গন।
সংগৃহীত পেজ- জমি মাপা থেকে।
Adv. Palash Saha

উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসন প্রতিষ্ঠার পর থেকে আইনে নানা পরিবর্তন এসেছে। এসব পরিবর্তন সত্ত্বেও পারিবারিক বিষয়াদি যেমন- বিয়ে, ...
17/07/2023

উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসন প্রতিষ্ঠার পর থেকে আইনে নানা পরিবর্তন এসেছে। এসব পরিবর্তন সত্ত্বেও পারিবারিক বিষয়াদি যেমন- বিয়ে, তালাক ও উত্তরাধিকার সংক্রান্ত বিধানগুলো মুসলিম আইন অনুযায়ী পরিচালিত হয়ে আসছে।

তবে মুসলিম পারিবারিক বিধান সংক্রান্ত আইনে বিভিন্ন সময়ে কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়েছে। ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক অধ্যাদেশ আইনে তালাক সংক্রান্ত প্রচলিত বিধানে এই পরিবর্তন আনমবিল৯৩৯ সালের বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, মুসলিম বিবাহ ও তালাক (রেজিস্ট্রিকরণ) আইন ১ঌ৭৪ ও পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ ১৯৮৫ এর বিভিন্ন বিধানের আলোকে মুসলিম আইনে তালাক কার্যকর হয়ে থাকে।

তালাক কী?
আরবি তালাক শব্দের অর্থ ছিন্ন করা বা ভেঙে ফেলা। স্বামী ও স্ত্রী পরস্পরের মধ্যে দাম্পত্য সম্পর্ক যখন আর টিকিয়ে রাখা কোনোভাবেই সম্ভব নয়, তখন নির্দিষ্ট নিয়মের মধ্য দিয়ে পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়াই তালাক।

স্বামী বা স্ত্রী কর্তৃক তালাকের ঘোষণা দেওয়ার পর ইদ্দতকাল অতিবাহিত হলে বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যাবে। মুসলিম পারিবারিক আইন অনুযায়ী বাংলাদেশে তালাক দেওয়ার ক্ষেত্রে কিছু বিধান অবশ্যই পালনীয়।

স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে তালাক:-
আইনে সর্বাবস্থায় স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার ক্ষমতা স্বামীকে দেওয়া হয়েছে। তবে এই তালাক কার্যকর হতে হলে মুসলিম পারিবারিক অধ্যাদেশ আইনের ৭ ধারার বিধান প্রতিপালন করতে হবে।

এই আইনের ৭ (১) ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তালাক দিতে চাইলে, তিনি যেকোনো পদ্ধতির তালাক ঘোষণার পর যথা-শীঘ্রই সম্ভব চেয়ারম্যানকে (স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ/পৌর চেয়ারম্যান/কাউন্সিলর /প্রশাসক) লিখিতভাবে নোটিশ দেবেন এবং স্ত্রীকে এই নোটিশের একটি অনুলিপি (নকল) দেবেন।

চেয়ারম্যান বা মেয়রকে নোটিশ দেওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে তালাক কার্যকর হয়ে যাবে। তালাক ঘোষণার সময় স্ত্রী যদি গর্ভবতী থাকেন, তাহলে এই আইনের ৭ (৫) ধারা অনুযায়ী গর্ভাবস্থা অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত তালাক বলবৎ হবে না।

আইনে নোটিশ পাওয়ার পর চেয়ারম্যান কর্তৃক সালিশ পরিষদ গঠনের বিধান রয়েছে, যে সালিশ পরিষদ তাদের পুনর্মিলনের ব্যবস্থা করবে।

তালাকের ক্ষেত্রে নোটিশ দেওয়া বাধ্যতামূলক। নোটিশ দেওয়া না হলে তা একই আইনের ৭ (২) ধারা মোতাবেক এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

স্ত্রী কর্তৃক স্বামীকে তালাক:-
১৯৩৯ সালের বিবাহবিচ্ছেদ আইন অনুযায়ী স্ত্রীকেও তালাকের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। স্ত্রী কর্তৃক স্বামীকে তালাক দেওয়া হলেও একইভাবে নোটিশ দিতে হবে। তবে স্ত্রী কর্তৃক তালাক দেওয়ার ক্ষমতা শর্তযুক্ত। বিয়ের কাবিননামার ১৮ নম্বর কলামে যদি স্ত্রীকে তালাকের ক্ষমতা দেওয়া হয়, তখন স্ত্রী সরাসরি স্বামীকে তালাক দিতে পারবেন।

তালাক দিতে কখন আদালতের অনুমতি লাগবে:-

কাবিননামার ১৮ নম্বর কলামে যখন স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার অনুমতি দেওয়া না হয়, তখন স্ত্রী কর্তৃক স্বামীকে তালাক দিতে আদালতের অনুমতি নিতে হবে। ১৯৮৫ সালের পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ অনুযায়ী তালাকের অনুমতি পারিবারিক আদালত থেকে নিতে হবে। আদালতের মাধ্যমে কোনো বিবাহবিচ্ছেদ মামলার ডিক্রি হলে সেই ডিক্রির কপি চেয়ারম্যানকে দিলেই ৭ ধারার নোটিশ দেওয়ার বিধান প্রতিপালিত হবে।

তালাকের ক্ষেত্রে মোহরানা:-
মোহরানা স্ত্রীর অধিকার! তালাক দিলেই মোহরানার অধিকার ক্ষুণ্ন হয় না। তালাকের সঙ্গে স্ত্রীকে তার মোহরানা ও ইদ্দতকালীন সময়ের ভরণ-পোষণ দিতে হবে। স্বামী মোহরানা না দিলে স্ত্রী পারিবারিক আদালতে মামলা দায়ের করতে পারবেন। তবে এরূপ মামলা তালাকের তিন বছরের মধ্যে দায়ের করা না হলে তামাদি আইন অনুযায়ী সেই অধিকার খর্ব হবে।

#খোলাতালাক :-
মুসলিম আইনে স্ত্রীর ইচ্ছায় বিবাহবিচ্ছেদের একটি পদ্ধতি হচ্ছে খোলা তালাক। এ ধরনের তালাক স্বামী ও স্ত্রীর সম্মতিতে তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়। এক্ষেত্রে স্ত্রী স্বামীকে তালাক দেওয়ার প্রস্তাব দেবেন এবং স্বামী ওই প্রস্তাবে সম্মতি জানাবেন।

তবে খোলা তালাকের ক্ষেত্রে অন্য কোনো চুক্তি না থাকলে স্ত্রী মোহরানা পাওয়ার অধিকারী হবেন না। তবে ইদ্দত পালনকালে স্ত্রী তার গর্ভস্থ সন্তানের জন্য স্বামীর কাছ থেকে ভরণপোষণ পাওয়ার অধিকারী হবেন।

ইসলামি শরিয়তে তালাক একটি অপছন্দনীয় বিষয়। তবে দাম্পত্য সম্পর্ক বহাল রাখা একেবারে অসম্ভব হয়ে পড়লে তালাকের ব্যবস্থা শরিয়তে রাখা হয়েছে। যথাযথ নিয়মে তালাক না দেওয়ায় অনেকে আইনি জটিলতার সম্মুখীন হন।

যখন তালাক অনিবার্য হয়ে উঠে, তখন এ বিষয়ে অভিজ্ঞ একজন আইনজীবীর পরামর্শ নিয়েও পুরো তালাকের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে যেকোনো ধরনের আইনি জটিলতা এড়ানো সম্ভব।
Adv. Palash Saha
Adv Palash Saha

Address

Dhaka
1217

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Adv. Palash Saha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category