Khan Law Chamber- Klc

Khan Law Chamber- Klc !! Khan Law Chamber (Pvt.) Limited !! A Leading Corporate Law Firm.

আমাদের সেবাসমূহঃ

দেওয়ানি
ফৌজদারি
কোম্পানি (নতুন গঠন, শেয়ার ট্রান্সফার সহ অন্যন্য)
ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন দাখিল(ব্যক্তি ও কোম্পানি)
আয়কর বিষয়ক মামলা নিষ্পত্তি
ভ্যাট রিটার্ন দাখিল(ব্যক্তি ও কোম্পানি)
ট্রেড লাইসেন্স (নতুন ও নবায়ন)
অংশীদার ব্যবসায়ীক চুক্তি
ইমপোর্ট লাইসেন্স
এক্সপোর্ট লাইসেন্স
পারিবারিক মামলা সমূহ
যৌতুক ও ভরন পোষন মামলা সমূহ সহ অন্যন্য বিষয়ে কনসাল্টেন্সি ইত্যাদি



OUR SERVICES:

C

ivil
Criminal
Company (rjsc-joint stock)
Income tax (e-tin registration, submission of income tax return)
Disposal of income tax cases
Vat (e-vat registration, submission of income vat return)
Trade licence (new+renew)
Partnership deed,
Irc
Erc
Family cases
Dowry and maintenance cases

আপনি যদি একজন ইটিনধারী করদাতা হন, তাহলে আগামী ২৮শে ফেব্রুয়ারী ২০২৬, স্বাভাবিক ব্যক্তি পর্যায়ের কর বর্ষ 2025-26 সালের আয...
08/02/2026

আপনি যদি একজন ইটিনধারী করদাতা হন, তাহলে আগামী ২৮শে ফেব্রুয়ারী ২০২৬, স্বাভাবিক ব্যক্তি পর্যায়ের কর বর্ষ 2025-26 সালের আয়কর রিটার্ন দাখিলের সর্বশেষ তারিখ। অর্থাৎ এই তারিখের মধ্যে রিটার্ন দিলে, আপনি জরিমানা ছাড়া রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন।

রিটার্ন দাখিলের নির্দিষ্ট সময় এবং কর বর্ষ অতিবাহিত হলে, আয়কর অফিস আপনাকে চিঠি দিবে এবং আপনাকে ধারা ১৭৫ অনুসারে সাধারণ পদ্ধতিতে রিটার্ন দাখিল করতে হবে।

সাধারণ পদ্ধতি অর্থই হচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর অফিস থেকে রিটার্ন দাখিল করার চিঠি দিবে এবং পরবর্তীতে শুনানি এবং তার পরবর্তীতে রিটার্ন দাখিল না করার জন্য জরিমানা সহ কর নির্ধারণী আদেশ প্রদান করবে।

অতএব আয়কর রিটার্ন দাখিলে সচেতন হওয়ায় এসব বিড়ম্বনা থেকে মুক্ত থাকার উপায়। অবশ্যই এ বিষয়ে নিজে বোঝার চেষ্টা করবেন অথবা একজন পেশাদার কর আইনজীবীর সাথে আলোচনা করে আপনার পরিকল্পনা গ্রহণ করবেন।

06/01/2026
**সময় থাকতে আয়কর রিটার্ন দাখিল করুন, নিশ্চিন্ত থাকুন!৩০ শে নভেম্বর আয়কর দিবস। ২০২৪-২০২৫ আয়বর্ষের জন্য আয়কর রিটার্ন ...
11/11/2025

**সময় থাকতে আয়কর রিটার্ন দাখিল করুন, নিশ্চিন্ত থাকুন!
৩০ শে নভেম্বর আয়কর দিবস। ২০২৪-২০২৫ আয়বর্ষের জন্য আয়কর রিটার্ন এখন ই-রিটার্নের (শতভাগ অনলাইন) মাধ্যমেই জমা দিতে হবে।

শেষ মুহূর্তের সার্ভার জটিলতা এবং জরিমানা এড়াতে, একজন সচেতন টিনধারী (করদাতা) হিসেবে আপনার রিটার্ন দাখিল দ্রুত সম্পন্ন করুন।

**আয়কর ফাইল কেন অডিটে পড়ে? (আতঙ্ক নয়, সতর্কতা)
আয়কর ফাইল অডিটে পড়া মানেই আতঙ্কিত হওয়া নয়। এর অর্থ হলো, আপনি অনলাইন/অফলাইনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR)-এ যে তথ্য জমা দিয়েছেন, অডিটের মাধ্যমে তা যাচাই করে দেখা হবে—সবকিছু সঠিক আছে কিনা।
যদি তথ্য সত্য ও সঠিক দেন: আপনার কোনো সমস্যা হবে না। যদি মিথ্যা বা অসত্য তথ্য দেন: তবে জরিমানা ও শাস্তির মাধ্যমে তা সংশোধন করা হবে।

মিথ্যা তথ্য প্রদানকারীরাই মূলত আতঙ্কিত হন।
মনে রাখবেন: স্বচ্ছতা ও সততাই আপনাকে অডিট-ভীতি থেকে দূরে রাখবে।

#করবর্ষ

‘সন্তানের জিন্মাদারী’ এবং ‘সন্তানের ভরণপোষণ’ সম্পর্কে বলতে গিয়ে সম্প্রতি লক্ষ্য করলাম, বেশিরভাগ মানুষই একটি গুরুতর ভুল ...
05/11/2025

‘সন্তানের জিন্মাদারী’ এবং ‘সন্তানের ভরণপোষণ’ সম্পর্কে বলতে গিয়ে সম্প্রতি লক্ষ্য করলাম, বেশিরভাগ মানুষই একটি গুরুতর ভুল করছেন। তারা সন্তানের 'জিম্মাদারী' (Custody) এবং 'ভরণপোষণ' (Maintenance)- এই দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন আইনি ধারণাকে গুলিয়ে ফেলছেন।
জিম্মাদারী মানেই কি তার ভরণপোষণের পুরো দায়িত্ব? আবার, জিম্মাদারী না পেলে কি সন্তানের প্রতি আর কোনো দায়িত্ব থাকে না? প্রতিদিন প্রচুর ফোন, মেসেজ এবং পোস্টগুলোর কমেন্টেও পাচ্ছি একই ধরণের প্রশ্ন।
আসলে, সন্তানের প্রতি বাবা-মায়ের দায়িত্ব শুধু আবেগ বা সম্পর্কের ওপর নির্ভর করে না, এটি সুনির্দিষ্ট আইনের দ্বারা নির্ধারিত। যখন একটি দম্পতির বিচ্ছেদ হয় বা তারা বিচ্ছেদে বাধ্য হন, তখন সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাদের সন্তান।

এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে তৈরি হওয়া ভুল ধারণাগুলো দূর করা জরুরি। আপনার সন্তানের সঠিক অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে জানতে হলে, চলুন এই দুটি আইনি ধারণা একদম সহজ সরল ভাষায় পরিষ্কার করে নেওয়া যাক।
আইনগত ব্যাখ্যা:
জিম্মাদারী বনাম ভরণপোষণ-
বাংলাদেশের প্রচলিত পারিবারিক আইন ও অভিভাবক এবং প্রতিপাল্য আইন অনুযায়ী, সন্তানের জিম্মাদারী ও ভরণপোষণ দুটি স্বতন্ত্র বিষয়:
সন্তানের জিম্মাদারী (Custody)-
জিম্মাদারী হলো সন্তানের দৈনন্দিন দেখাশোনা, লালন-পালন ও তার শারীরিক পরিচর্যার অধিকার। সাধারণত, শিশুর সর্বোত্তম কল্যাণ (Welfare of the Child) নিশ্চিত করার জন্য আদালত এই সিদ্ধান্ত নেন।
জিম্মাদারীর বয়স সীমা (Hizanat):
মায়ের অধিকার: ছেলে শিশুর ক্ষেত্রে সাত বছর বয়স পর্যন্ত এবং মেয়ে শিশুর ক্ষেত্রে বয়ঃসন্ধিকাল পর্যন্ত মা প্রাথমিক জিম্মাদারী বা 'হিজানত' পাওয়ার অধিকারী।
বাবার অধিকার: এই সময় (অর্থাৎ ছেলে সন্তানের সাত বছর ও মেয়ে সন্তানের বয়ঃসন্ধিকাল) পার হলে সাধারণত বাবা জিম্মাদারী পান।
তবে আদালত সব সময় সন্তানের কল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেন, তাই সন্তানের মানসিক ও শারীরিক বিকাশের জন্য মাকে আরও দীর্ঘ সময়ের জন্য জিম্মাদারী দিতে পারেন।
সন্তানের ভরণপোষণ (Maintenance)-
ভরণপোষণ হলো সন্তানের খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা ইত্যাদির মতো মৌলিক প্রয়োজনগুলো মেটানোর জন্য আর্থিক সহায়তা।
ভরণপোষণের সয়স সীমা: জিম্মাদারী যার কাছেই থাকুক না কেন, বাবা সন্তানের সাবালকত্ব (১৮ বছর) অর্জন না করা পর্যন্ত বা সক্ষম না হওয়া পর্যন্ত সন্তানের ভরণপোষণ দিতে আইনত বাধ্য। মেয়ের ক্ষেত্রে বিবাহ না হওয়া পর্যন্ত বাবা ভরণপোষণ দিতে বাধ্য। অর্থাৎ
ছেলে: সাবালক না হওয়া পর্যন্ত (১৮ বছর বয়স পর্যন্ত)।
মেয়ে: বিয়ে না হওয়া পর্যন্ত।
কোন সন্তান প্রতিবন্ধী হলে, আদালত এ সময়সীমা আরও বর্ধিত করে নির্ধারণ করবেন।
ভুল ধারণা নিরসন: সন্তানের জিম্মাদারী মা পেলেও, বাবা ভরণপোষণের আর্থিক দায় থেকে মুক্ত হন না। ভরণপোষণ একটি অবিচ্ছেদ্য আইনি দায়িত্ব।
আবারও শুনুন, জিম্মাদারী হলো সন্তানের লালন-পালনের অধিকার আর ভরণপোষণ হলো সন্তানের আর্থিক নিরাপত্তা। দুটি সম্পূর্ণ আলাদা বিষয় এবং দুটি নির্ধারণের বয়সও সম্পূর্ণ ভিন্ন।
আপনার করণীয়:
আইনকানুনগুলো একই হলেও, প্রতিটি ঘটনার পেক্ষাপট সাধারণত ভিন্ন হয়, তাই এর উপস্থাপন ও আইনি পদক্ষেপও ভিন্ন হবে। সন্তানের কল্যাণের জন্য জিম্মাদারী সংক্রান্ত প্রতিটি সিদ্ধান্ত খুবই সংবেদনশীল। সঠিক আইনি পদক্ষেপ নিতে অবশ্যই একজন দক্ষ আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করুন।
আমাদের প্রতিদিনের জীবনে অতি প্রয়োজনীয় আইনকানুন জানতে এবং আরও আইনি পরামর্শ পেতে আমাদের পেজ ফলো করুন।
সম্ভব হলে শেয়ার করে আপনার বন্ধু-স্বজনদেরও এ বিষয়ে সচেতন করুন।
#তালাক_আইন #পারিবারিক_আইন #জিম্মাদারী #ভরণপোষণ

তার স্বামী অন্য এক নারীর সঙ্গে নিয়মিত ফোনে বার্তা আদান-প্রদান করেন। আরও মারাত্মক বিষয় হলো, স্বামী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছ...
05/11/2025

তার স্বামী অন্য এক নারীর সঙ্গে নিয়মিত ফোনে বার্তা আদান-প্রদান করেন। আরও মারাত্মক বিষয় হলো, স্বামী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, তাকে এটা মেনেই সংসার করতে হবে। তিনি সেই নারীকে বিয়েও করবেন না, আবার তাকেও তালাক দেবেন না।
এই পরিস্থিতিতে একজন স্ত্রীর করণীয় কী হতে পারে?
তাঁর মতো এমন বহু স্ত্রী নীরবে স্বামীর এই ধরনের আচরণের শিকার হচ্ছেন। তাদের দাম্পত্য জীবন ভালোবাসাহীন হলেও, সামাজিক চাপ বা ভবিষ্যতের চিন্তায় তারা সম্পর্ক থেকে বের হতে পারছেন না।
ভার্চুয়াল সম্পর্ক কি দাম্পত্য জীবনে 'নিষ্ঠুরতা' হিসেবে গণ্য হতে পারে? স্ত্রী হিসেবে নিজের অধিকার রক্ষার জন্য আইন কি কোনো পথ বাতলে দেয়? চলুন, এই জটিল পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের আইন কী বলে, তা স্পষ্ট করে জেনে নেওয়া যাক।
আইনগত ব্যাখ্যা: ভার্চুয়াল পরকীয়া বনাম স্ত্রীর অধিকার
বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরকীয়া (Adultery) কেবল শারীরিক সম্পর্কের ভিত্তিতে প্রমাণিত হয়। সত্যি বলতে, পরকীয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আমাদের দেশে সরাসরি কোনো আইন নেই। তবে স্বামীর ভার্চুয়াল সম্পর্ক বা মেসেজ আদান-প্রদান স্ত্রীর জন্য আইনি প্রতিকারের পথ বন্ধ করে দেয় না।
দাম্পত্য জীবনে 'নিষ্ঠুরতা' (Cruelty) হিসেবে গণ্য: স্বামী যদি অন্য নারীর সঙ্গে মেসেজ আদান-প্রদান করেন বা ভার্চুয়াল সম্পর্ক রাখেন এবং স্ত্রীকে তা মেনে নিতে চাপ দেন, তবে এই আচরণ মানসিক নিষ্ঠুরতা (Mental Cruelty) হিসেবে গণ্য হতে পারে।
তালাকের অধিকার: আইন অনুযায়ী, যদি স্বামী তার স্ত্রীকে মানসিকভাবে নির্যাতন করেন বা নিষ্ঠুর আচরণ করেন, তবে স্ত্রী এই 'মানসিক নিষ্ঠুরতা'র ভিত্তিতে আদালতে তালাকের আবেদন জানাতে পারেন।
ভরণপোষণ ও মোহরানার দাবি: এই কারণে বিবাহ বিচ্ছেদ হলে স্ত্রী তার পূর্ণ মোহরানা এবং ইদ্দতকালীন ভরণপোষণ দাবি করতে পারেন।
ফৌজদারি আইনের সীমাবদ্ধতা: বর্তমানে বাংলাদেশের দণ্ডবিধি অনুযায়ী পরকীয়া কেবল তখনই অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়, যখন তা শারীরিক সম্পর্কে গড়ায়। তবে, স্বামীর এই আচরণ যেহেতু দাম্পত্য জীবনকে অসহনীয় করে তুলেছে, তাই স্ত্রীর জন্য বিবাহ বিচ্ছেদ বা আইনি সুরক্ষার অন্যান্য পথ খোলা থাকে।
আপনার করণীয়-
আইনকানুনগুলো একই হলেও, প্রতিটি ঘটনার পেক্ষাপট সাধারণত ভিন্ন হয়, তাই এর উপস্থাপন ও আইনি পদক্ষেপও ভিন্ন হবে। স্বামীর বিরুদ্ধে 'মানসিক নিষ্ঠুরতা' প্রমাণ করতে মেসেজের প্রমাণ এবং অন্যান্য পারিপার্শ্বিক সাক্ষ্য খুবই জরুরি। সঠিক আইনি পরামর্শ ও পদক্ষেপের জন্য অবশ্যই একজন দক্ষ আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করুন।
আমাদের প্রতিদিনের জীবনে অতি প্রয়োজনীয় আইনকানুন জানতে এবং আরও আইনি পরামর্শ পেতে আমাদের পেজ ফলো করুন।
সম্ভব হলে শেয়ার করে আপনার বন্ধু-স্বজনদেরও এ বিষয়ে সচেতন করুন।
#তালাক_আইন #পারিবারিক_আইন #ভার্চুয়াল_পরকীয়া #মানসিক_নিষ্ঠুরতা

অদক্ষ ও কম্পিউটারের বিভিন্ন দোকানে বসে তথাকথিত জিরো রিটার্ন দিলে আপনার ও এমন নোটিশ আসবে অপেক্ষায় থাকুন...আমরা প্রতিনিয়ত ...
30/10/2025

অদক্ষ ও কম্পিউটারের বিভিন্ন দোকানে বসে তথাকথিত জিরো রিটার্ন দিলে আপনার ও এমন নোটিশ আসবে অপেক্ষায় থাকুন...

আমরা প্রতিনিয়ত পোস্ট দিয়ে এটাই জনসাধারণকে বুঝাতে চাচ্ছি যে, আয়কর রিটার্নকে ছেলেখেলা ভেবে যার-তার মাধ্যমে অথবা আয়কর আইন না জেনে ইউটিউব দেখে আবোল-তাবোল আয়কর রিটার্ন দাখিল করবেন না। এতে আপনি সাময়িক লাভবান হলেও ভবিষ্যতের জন্য ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হবেন।
একজন করদাতা আয়কর রিটার্নে আয়ের উৎসের যথাযথ প্রমাণ ব্যতীত দুই কোটি টাকা সম্পদ প্রদর্শন করে ২০২৫-২৬ করবর্ষের রিটার্ন দাখিল করেছে। ফলশ্রুতিতে আয়কর অফিস তার সমুদয় সম্পদকে করযোগ্য আয় ধরে ৫৫ লাখ ৬৫ হাজার টাকা আয়কর আরোপ করেছে।
আয়কর আইন না জানা পাপ নয়। তবে আপনার সম্পদ আর আয়কর রিটার্নের গুরুত্ব জেনেও যদি আপনি দায়সারা কাজ করেন, তবে তার ভারী মাশুল আপনাকে দিতে হবে। অযথা ঝামেলায় না জড়িয়ে দক্ষতার সহিত আয়কর রিটার্ন দাখিল করার ব্যবস্থা নিন।
ঘরে বসে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন সংক্রান্ত যেকোনো সেবা পেতে এখনই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুণ।
ছবি সংগৃহীত

#জরিমানা #আয়কর #রিটার্ন #ভুল #শুদ্ধ #কর #আরোপ #বাংলাদেশ #অফিস

নির্ধারিত সময় এবং সঠিকভাবে আয়কর রিটার্ন দাখিল না করলে আয়কর অফিস আপনাকেও নোটিশ প্রদান করতে পারে। তাই সবার উচিত নির্ধারিত ...
25/10/2025

নির্ধারিত সময় এবং সঠিকভাবে আয়কর রিটার্ন দাখিল না করলে আয়কর অফিস আপনাকেও নোটিশ প্রদান করতে পারে। তাই সবার উচিত নির্ধারিত সময় এবং সঠিকভাবে আয়কর রিটার্ন দাখিল করা।।

দেনমোহর এর টাকা কিস্তিতে দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।। স্ত্রী দেনমোহর এর টাকা দাবি করলো কিন্তু স্বামী দিলো না। পরবর্তীতে স্ত্রী দ...
23/10/2025

দেনমোহর এর টাকা কিস্তিতে দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।।
স্ত্রী দেনমোহর এর টাকা দাবি করলো কিন্তু স্বামী দিলো না। পরবর্তীতে স্ত্রী দেনমোহর আদায় এর মামলা করলো আদালতে। এ মামলার রায় ডিক্রি হলো এবং স্বামীকে টাকা প্রদানের আদেশ দেওয়া হলো। পরবর্তীতে স্ত্রী রায় ডিক্রি কার্যকর করার জন্য ডিক্রীজারি মামলা করলো। এই মামলায় স্বামী আদালতে কিস্তি করে টাকা দেওয়ার সুযোগ পাবে যদি স্বামী অর্থনৈতিক ভাবে স্বচ্ছল না হয় বা এককালীন টাকা পরিশোধ করার আর্থিক যোগ্যতা না থাকে৷ তবে যদি স্বামীর এককালীন টাকা দেওয়ার ক্ষমতা থাকে তাহলে আদালত কিস্তির সুযোগ নাও দিতে পারে। আবার কিস্তির সুযোগ দিলেও যুগ যুগ ধরে টাকা কিস্তিতে দেবেন এমন সুযোগ পাবেন না। জনস্বার্থে পোস্ট টা সবাই শেয়ার করুন।

স্বামী বা স্ত্রী সংসার করতে না চাইলে প্রথমে লিগ্যাল নোটিশ পাঠাতে পারেন। তাতে কাজ না হলে দাম্পত্য সম্পর্ক পুনরুদ্ধার এর ম...
23/10/2025

স্বামী বা স্ত্রী সংসার করতে না চাইলে প্রথমে লিগ্যাল নোটিশ পাঠাতে পারেন। তাতে কাজ না হলে দাম্পত্য সম্পর্ক পুনরুদ্ধার এর মামলা করতে পারেন। স্ত্রীকে তার বাবা আটকে রাখলে সার্চ ওয়ারেন্ট এর মামলা করে স্ত্রী উদ্ধার করতে পারেন। মামলা করার পরও স্ত্রী বা স্বামী সংসার করতে না চাইলে জোর করে সংসার না করাই ভালো। কারন সত্যি এটাই আর যাই হোক না কেনো, জোর করে কখনো সংসার করা যায় না।। ডিভোর্স খুব কঠিন একটি শব্দ।। হুটহাট ডিভোর্স এর মত সিদ্ধান্ত নেবেন না। ঝগড়া ঝামেলা, মনোমালিন্য, রাগ অভিমান হতেই পারে! সেগুলোও জীবনের একটি অংশ। অনেক সিম্পল বিষয় নিয়েও অনেক সময় তালাক হয়ে যায়। এজন্য আপনাদের অনুরোধ করবো, তালাক দেওয়ার পূর্বে সন্তানের কথা ভাবুন, দুজনের ভালো অতীতের কথা স্মরণ করুন, আইনজীবীর নিকট কাউন্সিলিং ও করাতে পারেন। একবারো কি ভাবেন আপনার অবর্তমানে আপনার স্ত্রী/স্বামী, বাচ্চার জীবন কেমন হবে?

বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশী করদাতাদের  জন্য
23/10/2025

বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশী
করদাতাদের জন্য

Address

Cha 83/1, Hazi Rafiq Super Market, (2nd Floor), Room No-11, North Badda
Dhaka
1212

Opening Hours

Monday 10:00 - 20:00
Tuesday 10:00 - 20:00
Wednesday 10:00 - 20:00
Thursday 10:00 - 20:00
Saturday 10:00 - 20:00
Sunday 10:00 - 20:00

Telephone

+88028837025

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Khan Law Chamber- Klc posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Khan Law Chamber- Klc:

Share