05/08/2026
★★“যৌতুক শুধু একটি কুপ্রথা নয়—এটি নারী নির্যাতনের অন্যতম ভয়াবহ রূপ এবং মানবাধিকারের সরাসরি লঙ্ঘন।
★★ যে সমাজে কন্যাসন্তানকে ‘অর্থনৈতিক বোঝা’ ভাবা হয়, সেখানে আইনের কঠোর প্রয়োগই হতে পারে ন্যায়বিচারের প্রথম ধাপ।
★★ ‘যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৮’ এর ধারা ৪ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যৌতুক দাবি করলে তিনি সর্বোচ্চ ৫ (পাঁচ) বছর কারাদণ্ড অথবা অনূর্ধ্ব ৫০,০০০/- টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
★★ একই আইনের ধারা ৩ অনুযায়ী, যৌতুক প্রদান, গ্রহণ কিংবা প্রদানে সহায়তা করাও দণ্ডনীয় অপরাধ।
★★ এছাড়াও, যৌতুকের কারণে নারী নির্যাতন ঘটলে ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০’ এর ধারা ১১(ক), ১১(খ) ও ১১(গ) প্রযোজ্য হতে পারে, যেখানে গুরুতর শাস্তি এমনকি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পর্যন্ত হওয়ার বিধান রয়েছে।