Nasim Afroz Law Association

Nasim Afroz Law Association বাংলাদেশের সকল আইনের সহজ সমাধান ও সেবাকেন্দ্র।

 #জমি_ক্রয়_এবং_রেজিষ্ট্রেশনের_সময়_যে_বিষয়_লক্ষ্য_করা_আবশ্যকঃ* জরিপের মাধ্যমে প্রণীত রেকর্ড অর্থাত্‍ খতিয়ান ও নকশা যাচাই ...
20/08/2023

#জমি_ক্রয়_এবং_রেজিষ্ট্রেশনের_সময়_যে_বিষয়_লক্ষ্য_করা_আবশ্যকঃ

* জরিপের মাধ্যমে প্রণীত রেকর্ড অর্থাত্‍ খতিয়ান ও নকশা যাচাই করে নিতে হবে।
* জমির তফসিল অর্থাত্‍ জমির মৌজা, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর ও উক্ত দাগে জমির মোট পরিমাণ যাচাই করে নিতে হবে।
* জমি ক্রয় করার পূর্বে উক্ত জমির সি.এস রেকর্ড, এস.এ রেকর্ড; আর.এস রেকর্ড এবং মাঠ পর্চাগুলি ভালোভাবে দেখে নিতে হবে।
* বিক্রেতা যদি জমিটির মালিক ক্রয় সূত্রে হয়ে থাকেন তাহলে তার ক্রয়ের দলিল রেকর্ডের সঙ্গে মিল করে বিক্রেতার মালিকানা সঠিক আছে কিনা তা নিশ্চিত হতে হবে।
* জমির বিক্রেতা উত্তরাধিকারসূত্রে জমিটি পেয়ে থাকলে সর্বশেষ জরিপের খতিয়ানে তার নাম আছে কিনা তা ভালোভাবে খতিয়ে দেখতে হবে। যদি সর্বশেষ খতিয়ানে বিক্রেতার নাম না থাকে তাহলে তিনি যার কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে জমিটি পেয়েছেন তা মূল মালিকের সংঙ্গে বিক্রেতার নামের যোগসূত্র কিংবা রক্তের সম্পর্ক আছে কিনা বিষয়টি ভালোভাবে দেখতে হবে।
* জরিপ চলমান এলাকায় বিক্রেতার নিকট রক্ষিত মাঠ পর্চা সঠিক আছে কিনা তা যাচাই করে দেখতে হবে। উল্লেখ্য যে, যদি মাঠ পর্চার মন্তব্য কলামে কিছু লিখা থাকে যেমনঃ তাহলে বুঝতে হবে উক্ত খতিয়ানের বিরুদ্ধে তসদিক বা সত্যায়ন বা শুদ্ধতা বা Attestation পর্যায়ে আপত্তি রয়েছে, সেক্ষেত্রে জমি ক্রয়ের আগে জরিপ অফিসে/ক্যাম্পে গিয়ে জমিটির সর্বশেষ অবস্থা জেনে নিতে হবে। তবে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমি বিক্রেতার শরিকদের সঙ্গে জমি বিক্রেতার সম্পত্তি ভাগাভাগির বণ্টন নামা বা ফারায়েজ দেখে নিতে হবে।
* জমি বিক্রেতার নিকট থেকে সংগৃহীত দলিল, বায়না দলিল, খতিয়ান, মাঠ পর্চা ইত্যাদি কাগজ পত্র সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়ে তলবকারী বা স্বত্বলিপি রেজিস্ট্রারের কাছে গিয়ে কাগজপত্রের সঠিকতা যাচাই করে নিতে হবে।
* সর্বশেষ নামজারী মাঠ পর্চা, ডিসিআর, খাজনার দাখিলা বা রশিদ যাচাই করে দেখতে হবে। জমির খাজনা বকেয়া থাকলে এবং বকেয়া খাজনা সহ জমি ক্রয় করলে বকেয়া খাজনা পরিশোধের দায়-দায়িত্ব ক্রেতাকেই নিতে হবে।
* ক্রেতা যে জমিটি ক্রয় করতে যাচ্ছে সেই জমিটি সার্টিফিকেট মকদ্দমা ভুক্ত কিনা, কিংবা জমিটি নিলাম হয়েছে কিনা তা তহসীল অফিস/উপজেলা ভূমি অফিস হতে জেনে নিতে হবে। তবে অবশ্যই ক্রেতাকে মনে রাখতে হবে যে, ১৯১৩ সালের সরকারী পাওনা/দাবী আদায় আইনের ৭ ধারায় বলা আছে সার্টিফিকেট মামলাভুক্ত সম্পত্তি বিক্রয় যোগ্য নয়।
* বিবেচ্য জমিটি খাস, পরিত্যক্ত/অর্পিত, অধিগ্রহণকৃত বা অধিগ্রহণের জন্য নোটিশকৃত কিনা তা তহসিল অফিস বা উপজেলা ভূমি অফিস বা জেলা প্রশাসক (ডি.সি অফিস) এর কার্যালয়ের L.A (এল.এ) শাখা থেকে জেনে নিতে হবে।
* ক্রেতা যে জমিটি কিনতে যাচ্ছে সেই জমিটি নিয়ে কোনো আদালতে মামলা রুজু আছে কিনা তা অবশ্যই খতিয়ে দেখতে হবে। তবে মামলাভুক্ত কোনো জমি ক্রয় করা উচিত নয়।
* বিক্রেতা তার জমির নকশা দেখিয়ে ক্রেতার নিকট জমি বিক্রয় করতে চাইতে পারে (যেমনঃ বিভিন্ন প্রকল্পের জমি নকশা/ছবির বিজ্ঞাপন দিয়ে বিক্রি হয়) সেক্ষেত্রে ক্রেতাকে উক্ত নকশার সাথে সঠিকভাবে মিল আছে কিনা বিক্রেতার দখল ও মালিকানা আছে কিনা তা সরেজমিনে গিয়ে দতন্ত করে আসতে হবে।
* যে জমিটি বিক্রি হতে যাচ্ছে সেই জমিটি ঋণের দায়ে ব্যাংকে দায়বদ্ধ কিনা সেই বিষয়টি খোঁজ নিতে হবে।
* প্রস্তাবিত জমিতে যাতায়াতের রাস্তা আছে কিনা সেই বিষয়টিও সরেজমিনে তদন্ত করে জেনে নিয়ে জমি ক্রয় করতে হবে।

#জমি #জমিজমা #খতিয়ান #দলিল #সম্পত্তি

কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর ১১(ক) ধারার বিধান অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক ৩১ জুলাই (সোমবার) থেকে তফসিলি ব্যাংকসমূহের তালিকায় ‘ইসলা...
10/08/2023

কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর ১১(ক) ধারার বিধান অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক ৩১ জুলাই (সোমবার) থেকে তফসিলি ব্যাংকসমূহের তালিকায় ‘ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড’ এর নাম ‘ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি.’ (ইংরেজিতে ‘Islami Bank Bangladesh PLC) হিসেবে পরিবর্তন করা হয়েছে।
কোম্পানি (দ্বিতীয় সংশোধনী) আইন ২০২০ অনুসারে, একটি ব্যাংককে পিএলসি শব্দগুচ্ছ ব্যবহারের জন্য প্রতিষ্ঠানটির নাম ও অ্যাসোসিয়েশন অব আর্টিকেলস পরিবর্তন করতে হবে। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের নাম পরিবর্তন করে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি করা হয়েছে।

নাম পরিবর্তনের পরে এবার "ইসলামী ব্যাংকের কোনো শাখা ঋণ অনুমোদন করতে পারবে না"

বার কাউন্সিল MCQ পরীক্ষা গ্রহণের জন্য অনলাইন ফর্ম ফিলাপের নোটিশ: ✅ শুরু: ২০/৮/২০২৩✅ শেষ: ২০/০৯/২০২৩
10/08/2023

বার কাউন্সিল MCQ পরীক্ষা গ্রহণের জন্য অনলাইন ফর্ম ফিলাপের নোটিশ:
✅ শুরু: ২০/৮/২০২৩
✅ শেষ: ২০/০৯/২০২৩

07/07/2023

#বাসায়_হঠাৎ_পুলিশ_এলে_আপনার_করনীয়_কি....?

জেনে নিন কিছু আইনগত পরামর্শ........!!!

আপনার বাসায় পুলিশ আসল তল্লাশির কাজে তখন আপনার কি কি করনীয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যদি জানা যায় কোনো বাড়িতে বা সুনির্দিষ্ট কোনো জায়গায় চোরাই মাল, বিশেষ কোন দলিল বা জাল দলিল, কাউকে আটক রাখা হয়েছে, কোন আসামি পলাতক আছে, আগ্নেয়াস্ত্র বা বিষ্ফোরক পদার্থ মজুদ আছে তখন পুলিশ তল্লাশির জন্য সেই জায়গায় যেতে পারে । তথ্য অনুসন্ধানে বা অপরাধী খুঁজতে পুলিশ বাড়ি যেতে পারে। এ সময় যাতে মানবাধিকার লঙ্ঘন না হয়, সেজন্য রয়েছে আইনের সুনির্দিষ্ট কিছু বিধান। বিভিন্ন কারণে বাসায় পুলিশ আসতে পারে।

যেমন, যদি কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা হয়, তখন আসামি গ্রেফতারের উদ্দেশ্যে পুলিশ যেতে পারে। এছাড়া কোনো মামলার পলাতক আসামিকে খুঁজে বের করার জন্য ওই বাড়িতে ‍পুলিশ তল্লাশি করতে পারে। বাসাবাড়িতে পুলিশ এলে ভয় না পেয়ে সহযোগিতা করার বিধান আইনে রয়েছে। এ সময় তল্লাশির নামে যাতে হয়রানি করা না হয় সেজন্য আইনের সুস্পষ্ট বিধান আছে। বাসাবাড়িতে পুলিশ এলে যদি সন্দেহ হয়, তবে কাছের থানায় ফোন করে নিশ্চিত হতে পারেন। তাদের আইডি কার্ড দেখতে পারেন, কোন ইউনিট হতে এসেছে তাও জানতে চাইতে পারেন। এজন্য যুক্তিসঙ্গত সময় তাদেরকে অপেক্ষা করতে বলা যেতে পারে। চাইলে স্থানীয় থানায় ফোন করে নিশ্চিত হতে পারেন, আসলেই বাসায় থানা থেকে কোনো পুলিশ পাঠানো হয়েছে কি-না। যেখানেই থাকুন না কেনো, স্থানীয় পুলিশের নম্বরটি আপনার কাছে থাকা জরুরি। সন্দেহজনকভাবে কেউ নিজেকে পুলিশের পরিচয় দিলে তখন তার পরিচয় সম্পর্কে আপনি নিশ্চিত হতে পারবেন। পুলিশ, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে চাইলে তল্লাশি করতে পারে।কোর্ট থেকে ম্যাজিস্ট্রেট যদি কারও বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি করে, তবে পুলিশ উক্ত ব্যক্তি বা বিষয়বস্তুর সন্ধানে তল্লাশি চালাতে পারে। ওয়ারেন্ট হলে তা লিখিত ও ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে। আইন অনুযায়ী অপরিচিত কেউ হুট করে আরেকজনের শয়নকক্ষে ঢুকতে পারবে না। এজন্য অবশ্যই আগে অনুমতি নিতে হবে। এছাড়া পুলিশ যদি উক্ত কক্ষে তল্লাশি চালাতে চায় তখন ঘরের মালিক সেখানে উপস্থিত থাকতে পারবেন।

ফৌজদারি কার্যবিধি ১০২ ধারা অনুযায়ী, কোনো ঘর বা বাড়ির মালিক পুলিশকে সার্চ করার অনুমতি দিতে বাধ্য, এ সময় তিনি পুলিশকে সকল প্রকার যুক্তিসঙ্গত সুযোগ সুবিধা দেবেন। তল্লাশি বা অনুসন্ধানের সময় দুজন প্রাপ্তবয়স্ক সাক্ষীর উপস্থিতিতে পুলিশ বাসাবাড়ি সার্চ করবেন। এছাড়া ১০৩ ধারা অনুযায়ী কোনো আবদ্ধ জায়গায় কিছু পাওয়া গেলে, পুলিশ তা নির্ধারিত ফর্দে তালিকা করে নেবে। তালিকার অতিরিক্ত কিছু নিতে পারবে না। এ সময় উক্ত স্থানের মালিক বা ভারপ্রাপ্ত ব্যক্তি, স্বাক্ষী উক্ত তালিকায় নিজ নিজ স্বাক্ষর করবেন ও একটি কপি পাবেন। যে বস্তুর খোঁজে পুলিশ তল্লাশি করবেন উক্ত স্থানে বা আশপাশে তল্লাশি করতে পারবেন। কোনো ব্যক্তির দেহে লুকিয়ে আছে বলে সন্দেহ হলে পুলিশ তার দেহও তল্লাশি করতে পারবে। এইরূপ ব্যক্তি স্ত্রীলোক হলে ৫২ ধারার নির্দেশাবলী অনুসরণ করতে হবে। ৫২ ধারা অনুযায়ী স্ত্রী লোককে অবশ্যই মহিলা পুলিশ দিয়ে তার দেহ তল্লাশি করতে হবে। সেখানে মহিলা পুলিশ না থাকলে স্থানীয় কোন মহিলা দিয়ে পূর্ণ শালীনতার সঙ্গে তার দেহ তল্লাশি করা যাবে।

সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তল্লাশি চালাতে হবে: ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারা (১) অনুযায়ী তল্লাশি চালানোর আগে, প্রস্তুত অফিসার বা অন্য কোনো ব্যক্তি যে স্থানে তল্লাশি চালানো হবে সেই এলাকার দুই বা ততোধিক সম্মানিত অধিবাসীকে তল্লাশিতে হাজির থাকা ও সাক্ষী হিসেবে আহ্বান জানাতে হবে। ১০৩ এর ধারা (২) অনুযায়ী সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তল্লাশি চালাতে হবে। এ সময় উক্ত অফিসার বা অন্য কোনো ব্যক্তি তল্লাশির সময় জব্দকৃত সমস্ত জিনিস এবং যে জায়গায় ওই জিনিসগুলো পাওয়া গেছে, তার একটি তালিকা প্রস্তুত করবেন। সে তালিকায় উক্ত সাক্ষীরা স্বাক্ষর করবেন। বিশেষভাবে সমন জারি করা না হলে, উক্ত স্বাক্ষীদের আদালতে স্বাক্ষী হিসেবে উপস্থিত হওয়ার প্রয়োজন হবে না।

তল্লাশিস্থানের দখলদার উপস্থিত থাকতে পারবেন: ১০৩ এর ধারা ৩ অনুযায়ী তল্লাশির সময় তল্লাশিস্থানের দখলদার বা তার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তিকে প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে তল্লাশির সময় হাজির থাকার অনুমতি দিতে হবে।

"শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তিতে পিতৃপরিচয়হীন সন্তানের অভিভাবক হবেন মা: হাইকোর্ট"পিতৃপরিচয়হীন সন্তানের অভিভাবক হবেন মা। শিক্ষা...
24/01/2023

"শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তিতে পিতৃপরিচয়হীন সন্তানের অভিভাবক হবেন মা: হাইকোর্ট"

পিতৃপরিচয়হীন সন্তানের অভিভাবক হবেন মা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির ক্ষেত্রে পিতৃপরিচয়হীন সন্তানের অভিভাবক মা হতে পারবেন বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) এ রায় ঘোষণা করেন বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ। গত ১৬ জানুয়ারি এ সংক্রান্ত রিটের শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য ২৪ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছিলেন আদালত।

ওই দিন আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আইনুননাহার সিদ্দিকা, অ্যাডভোকেট এস এম রেজাউল করিম এবং অ্যাডভোকেট আয়েশা আক্তার। এ ছাড়া রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশ গুপ্ত।

২০০৭ সালের এপ্রিল মাসে বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে, মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় অংশগ্রহণের পূর্বে শিক্ষার্থী তথ্য ফরম এ অত্যাবশ্যকীয়ভাবে বাবার নাম পূরণ করতে না পারার কারণে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, রাজশাহী ঠাকুরগাঁও জেলার এক তরুণীকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের প্রবেশপত্র দিতে অস্বীকৃতি জানায়। উল্লেখ্য যে, মা ও সন্তানকে কোনরূপ স্বীকৃতি না দিয়ে বাবার চলে যাওয়ার পর উক্ত তরুণী তার মায়ের একার আদর স্নেহে বড় হয়েছিলেন।

পরবর্তীতে এ ঘটনার যথাযথ অনুসন্ধানের উপর প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এবং সন্তানের অভিভাবক হিসেবে মা এর স্বীকৃতি প্রতিষ্ঠার দাবীতে ২০০৯ সালের ২ আগস্ট ৩টি মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠন বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড এন্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট), বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ এবং নারীপক্ষ যৌথভাবে জনস্বার্থে রিট দায়ের করে।

রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ওই বছরের ৩ আগস্ট বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহম্মেদ এবং বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ মানবাধিকার, সমতার পরিপন্থী ও বিশেষভাবে শিক্ষার অধিকারে প্রবেশগম্যতার বাধাস্বরূপ বিদ্যমান বৈষম্যমূলক এ বিধানকে কেন আইনের পরিপন্থী এবং অসাংবিধানিক হিসেবে ঘোষণা করা হবে না- মর্মে রুল জারি করেন।

একইসঙ্গে, বর্তমানে কোন কোন শিক্ষা বোর্ডে এস এসসি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন কার্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর বাবা ও মা উভয়ের নাম সম্পর্কিত তথ্য বাধ্যতামূলকভাবে উল্লেখ করতে হয় তার একটি তালিকা এবং যে সকল যোগ্য শিক্ষার্থী তাদের বাবার পরিচয় উল্লেখ করতে অপারগ তাদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে কি ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়, সে সম্পর্কে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়।

পরে ২০২১ সালের ৬ জুন ব্লাস্ট আবেদনকারীদের পক্ষে একটি সম্পূরক হলফনামা আদালতে দাখিল করে। রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে হাইকোর্ট রায় ঘোষণার জন্য আগামী ২৪ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন।

"আইনের নতুন খসড়ায় অবৈধ মজুতদাতার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড"মজুতদার ও অসাধু ব্যবসায়ীদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে মন্ত্রিসভায় নীতিগ...
22/01/2023

"আইনের নতুন খসড়ায় অবৈধ মজুতদাতার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড"

মজুতদার ও অসাধু ব্যবসায়ীদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে মন্ত্রিসভায় নীতিগত অনুমোদন দেওয়ার পর এ সংক্রান্ত খসড়া আইনে শাস্তিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হচ্ছে।

অবৈধভাবে খাদ্যপণ্য মজুতের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যদণ্ড রেখে খাদ্যদ্রব্যের উৎপাদন, মজুত, স্থানান্তর, পরিবহন, সরবরাহ, বিতরণ ও বিপণন (ক্ষতিকর কার্যক্রম প্রতিরোধ) আইন, ২০২২ এর নতুন খসড়া করেছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। খসড়াটি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে সবার মতামত নিচ্ছে খাদ্য মন্ত্রণালয়।

আইনের খসড়ায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি সরকার নির্ধারিত পরিমাণের বেশি খাদ্যদ্রব্য মজুত করলে বা মজুত সংক্রান্ত সরকারের কোনো নির্দেশনা অমান্য করলে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

তবে শর্ত থাকে যে, এ অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি প্রমাণ করতে পারেন যে, তিনি আর্থিক বা অন্য কোনো লাভের উদ্দেশ্য ছাড়া মজুত করেছিলেন, তাহলে সর্বোচ্চ ৩ মাস কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন বলে নতুন খসড়ায় উল্লেখ করা হয়।

এর আগে গত বছরের ১৮ এপ্রিল এ আইনের খসড়া নীতিগত অনুমোদন দেয় সরকারের সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী ফোরাম মন্ত্রিসভা। তখন এ আইনের সর্বোচ্চ শাস্তি ৫ বছরের কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের প্রস্তাব করা হয়েছিল।

সম্প্রতিকালে চাল, পেঁয়াজ, তেলসহ বিভিন্ন ধরনের খাদ্যপণ্যের অবৈধ মজুতের মাধ্যমে ইচ্ছামতো দাম বাড়িয়ে ক্রেতাদের ভোগান্তিতে ফেলছেন এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী। বিব্রত হচ্ছে সরকার। এ প্রেক্ষাপটে কঠোর আইন করার উদ্যোগ নেয় খাদ্য মন্ত্রণালয়।

কিন্তু খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভেটিংয়ের সময়ে দেখা গেছে অপরাধ দমনে বর্তমান প্রেক্ষাপটে এ শাস্তি পর্যাপ্ত নয়। তাই সংশ্লিষ্ট সবার মতামত নিয়ে আইনের খসড়াটি ফের করা হচ্ছে। এরপর এটি মন্ত্রিসভায় পাঠানো হবে। মন্ত্রিসভা অনুমোদন দিলে এটি সংদে যাবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে খাদ্য সচিব মো. ইসমাইল হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, মন্ত্রিসভায় যেটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল সেই আইনের খসড়ায় সংশোধন আছে। সেই বিষয়ে মানুষের মতামত নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর যখন আইনটি আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়, তখন মনে হয়েছে যে উদ্দেশ্যে আইনটি করা হচ্ছে, সেই উদ্দেশ্য থেকে কিছুটা দূরে আছি। তাই আমরা আইনের খসড়া করে তা ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠাবো। আইন মন্ত্রণালয় থেকে ফিরে আসলে নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য আমরা আইনটি মন্ত্রিসভা বৈঠকে অনুমোদনের জন্য পাঠাবো।

আইনটি দীর্ঘমেয়াদী এবং ইফেকটিভ হওয়ার কথা। এ কারণে আমরা সময় নিয়ে আগাচ্ছি। কারণ এ আইন অনেক মানুষকে প্রভাবিত করবে এবং জনগণকে স্বস্তি দেবে। এজন্য আমরা চাচ্ছি আইনটি যাতে যথোপযুক্ত হয়। আমরা আইনে কোনো ঘাটতি রাখতে চাচ্ছি না।

নতুন এ আইন হলে ‘ফুড (স্পেশাল কোর্ট) অ্যাক্ট, ১৯৫৬’ ও ‘দ্য ফুডগ্রেইনস সাপ্লাই (প্রিভেনশন অব প্রিজুডিশিয়াল অ্যাকটিভিটি) অর্ডিন্যান্স ১৯৭৯’ বাতিল হয়ে যাবে।

উৎপাদন বা বিপণন সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ডের বিষয়ে বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি কোনো অনুমোদিত জাতের খাদ্যশস্য থেকে উৎপাদিত খাদ্যদ্রব্যকে ওই ধরনের জাতের উপজাত পণ্য হিসেবে উল্লেখ না করে ভিন্ন বা কাল্পনিক নামে বিপণন করেন, খাদ্যদ্রব্যের মধ্য থেকে কোনো স্বাভাবিক উপাদান সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে অপসারণ করে বা পরিবর্তন করে উৎপাদন করেন বা বিপণন করেন বা খাদ্যদ্রব্যের সঙ্গে মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কৃত্রিম উপাদান মিশিয়ে উৎপাদন করেন বা বিপণন করেন-তবে সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে হবে।

খসড়া আইনে আরও বলা হয়, সরকার খাদ্যদ্রব্য সংগ্রহকালে সরকারি গুদামে রাখা খাদ্যদ্রব্য বৈধ বা অবৈধভাবে সংগ্রহ করে, দেশে উৎপাদিত খাদ্যদ্রব্যের পরিবর্তে আমদানিকরা খাদ্যদ্রব্য বা সরকারি গুদামের পুরনো বা বিতরণ করা সিল বা বিতরণ করা হয়েছে এমন চিহ্নযুক্ত খাদ্যদ্রব্য ভর্তি বস্তা বা ব্যাগ সরকারি গুদামে সরবরাহ করলে সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

কোনো ব্যক্তি খাদ্য অধিদপ্তরের বিতরণ করা সিল বা বিতরণ করা হয়েছে এমন চিহ্নযুক্ত সিল ছাড়া সরকারি গুদামের খাদ্যদ্রব্য ভর্তি বস্তা বা ব্যাগ বিতরণ, স্থানান্তর, কেনাবেচা করলে সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন বলে খসড়ায় উল্লেখ করা হয়।

এতে আরও বলা হয়, কোনো ব্যক্তি খাদ্যদ্রব্যের উৎপাদন, মজুত, স্থানান্তর, পরিবহন, সরবরাহ, বিতরণ ও বিপণন সম্পর্কিত কোনো মিথ্যা তথ্য বা বিবৃতি তৈরি, মুদ্রণ, প্রকাশ, প্রচার বা বিতরণ করলে সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড পেতে হবে।

বিচার হবে খাদ্যদ্রব্য বিশেষ আদালতে এছাড়াও খসড়া আইনে বলা হয়, অপরাধের বিচারের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক আদালত থাকবে, যার নাম হবে খাদ্যদ্রব্য বিশেষ আদালত।

ফৌজদারি কার্যবিধিতে যা কিছুই থাকুক না কেন সরকার সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শক্রমে সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দিয়ে প্রথম শ্রেণির জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা মেট্রোপলিটন এলাকার জন্য মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতকে খাদ্যদ্রব্য বিশেষ আদালত হিসাবে নির্ধারণ করতে পারবে। একাধিক আদালত নির্ধারণ করা হলে প্রত্যেকটি আদালতের জন্য স্থানীয় অধিক্ষেত্র নির্দিষ্ট করবে বলেও খসড়া আইনে উল্লেখ করা হয়।

হাইকোর্ট পারমিশন লিখিত পরীক্ষার অনলাইন সার্কুলার।।
02/12/2022

হাইকোর্ট পারমিশন লিখিত পরীক্ষার অনলাইন সার্কুলার।।

ঋণখেলাপিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিতে পারবেন আদালত।।
02/12/2022

ঋণখেলাপিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিতে পারবেন আদালত।।

 #দন্ডবিধি_১৮৬০★★মৃত্যু দন্ডের ধারাসমূহ:১২১, ১৩২, ১৯৪, ৩০২, ৩০৩, ৩০৫, ৩০৭,৩২৬-ক, ৩৬৪-ক, ৩৯৬ দন্ডবিধির মোট ১০টি ধারায় এবং...
18/11/2022

#দন্ডবিধি_১৮৬০
★★মৃত্যু দন্ডের ধারাসমূহ:
১২১, ১৩২, ১৯৪, ৩০২, ৩০৩, ৩০৫, ৩০৭,৩২৬-ক, ৩৬৪-ক, ৩৯৬ দন্ডবিধির মোট ১০টি ধারায় এবং আরো কয়েকটি বিশেষ আইনের ধারায়ও মৃত্যুদন্ডের বিধান রয়েছে যেমন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০, বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪, এসিড অপরাধ দমন আইন ২০০২, ইত্যদি।

★★যাবজ্জীবন কারাদন্ডের ধারাসমূহ:
১২১, ১২১-ক, ১২২, ১২৪-ক, ১২৫, ১২৮, ১৩০, ১৩২, ১৯৪, ১৯৫, ২২২, ২২৫ (মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত ব্যক্তিকে আইনসঙ্গত হেফাজতে বাধা দিলে), ২৩২, ২৩৮, ২৫৫, ৩০২, ৩০৪, ৩০৫, ৩০৭, ৩১১, ৩১৩, ৩২৬, ৩২৬-ক, ৩২৯, ৩৬৪, ৩৬৪-ক, ৩৭১, ৩৭৬, ৩৭৭, ৩৮৭, ৩৮৮, ৩৮৯ (সম্পত্তি আদায়ের জন্য কারাদন্ডে দন্ডনীয় অপরাধে অভিযুক্ত করার অস্বাভাবিক ভয় দেখালে), ৩৯৪-৩৯৬, ৪০০, ৪০৯, ৪১২, ৪১৩, ৪৩৬, ৪৩৮, ৪৪৯, ৪৫৯, ৪৬০, ৪৬৭, ৪৭২, ৪৭৪, ৪৭৫, ৪৭৭, ৪৮৯-ক, ৪৮৯খ, ৪৮৯-ঘ, ধারা।এছাড়া বিশেষ কয়েকটি আইনের ধারায়ও যাবজ্জীবন কারাদন্ডের বিধান রয়েছে।

★★শুধুমাত্র বিনাশ্রম কারাদন্ডের ধারাসমূহ:
১৬৩, ১৬৬, ১৬৮, ১৬৯, ১৭২, ১৭৩, ১৭৪, ১৭৫, ১৭৬, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০, ১৮৭, ১৮৮, ২২৩, ২২৫-ক(খ), ২২৮, ২৯১, ৩০৯, ৩৪১, ৩৫৮, ৫০৯, ৫১০

★★শুধুমাত্র জরিমানা দন্ডের ধারাসমূহ:
১৩৭, ১৫৪, ১৫৫, ১৫৬, ১৭১ছ, ১৭১জ, ১৭১ঝ, ২৬৩ক, ২৭৮, ২৮৩, ২৯০।

★★জামিনযোগ্য অপরাধের ধারা সমূহ:
৩৩৪-৩৫২, ৩৫৪, ৩৫৫, ৩৫৭-৩৬৩, ৩৭০, ৩৭৪, ৩৭৯, ৩৮৪, ৩৮৮, ৩৮৯, ৪০৩, ৪০৪, ৪১৭-৪৩৫, ৪৪৭, ৪৪৮, ৪৫১, ৪৬১-৪৬৫, ৪৬৯-৪৭৫, ৪৭৭ক-৪৮৯, ৪৮৯গ, ৪৯১, ৪৯৪-৫০৪, ৪০৬-৫১০।

★★জামিন অযোগ্য অপরাধের ধারা সমূহ:
৩৫৩, ৩৫৬, ৩৬৪, ৩৬৪ক, ৩৬৫, ৩৬৬ক, ৩৬৬খ-৩৬৯, ৩৭১-৩৭৩, ৩৭৬-৩৮২, ৩৮৫-৩৮৭, ৩৯২-৪০২, ৪০৬-৪১৪, ৪৩৬-৪৪০, ৪৪৯, ৪৫০, ৪৫২-৪৬০, ৪৬৬-৪৬৮, ৪৮৯ক, ৪৮৯খ, ৪৮৯ঘ, ৪৯৩, ৫০৫, ৫০৫ক, ৫১১।

বার কাউন্সিল প্রিলি পাশ করবেন যেভাবেঃ----------------------------------------------------১) বার কাউন্সিল প্রিলি সম্পর্কে...
07/11/2022

বার কাউন্সিল প্রিলি পাশ করবেন যেভাবেঃ
----------------------------------------------------

১) বার কাউন্সিল প্রিলি সম্পর্কে অনেক ধারণা প্রচলিত আছে। এই পরিক্ষা অনেক কঠিন। দিন দিন আরো কঠিন হয়ে যাচ্ছে। এই ধরণের একটি প্রচারণা শুরুতেই অনেকের আত্মবিশ্বাসে ধাক্কা দেয়। আমার প্রথম পরামর্শ হচ্ছে, বড় করে নিঃশ্বাস নিন, এই ধরণের চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন। একটু কৌশলী হয়ে পড়াশোনা করলে খুব সহজেই এই পরিক্ষা পাশ করা সম্ভব।

২) সবসময় মাথায় রাখুন বার কাউন্সিল প্রিলি পরিক্ষার পাশ নাম্বার ৫০, একশো না। আপনাকে যে করেই হোক পঞ্চাশ পেতে হবে। অনেকেই একশো নাম্বারের বিশাল সিলেবাস দেখে খেই হারিয়ে ফেলে। সুতরাং আমার দ্বিতীয় পরামর্শ হচ্ছে, আপনি একশো না, পঞ্চাশ টার্গেট রেখে পড়াশোনা শুরু করেন। দেখবেন, আপনার বুঝাটা হালকা মনে হবে।

৩) বার কাউন্সিল প্রিলি. পরিক্ষার মানবন্টনের দিকে খেয়াল করুন।
মানবন্টন অনুযায়ীঃ
দেওয়ানী আইন -২০,
ফৌজদারী আইন -২০,
সাক্ষ্য আইন -১৫,
দন্ডবিধি আইন-২০,
তামাদী আইন-১০,
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন- ১০,
বার কাউন্সিল অর্ডার এন্ড রুলস - ০৫
এই মোট ১০০ নাম্বারের প্রিলি. পরিক্ষা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। দেওয়ানি এবং ফৌজদারী এই বিশাল সাইজের দুইটি আইন থেকে প্রশ্ন আসে চল্লিশ মার্কসের। অন্যদিকে ছোট আইনগুলো হতে আসে ৬০ মার্কস। আপনি ছোট আইনগুলোকে টার্গেট করুন। এই ৫ টি আইন এত ভালভাবে পড়ুন, যেন ৬০ এ আপনি ৪০-৫০ মার্কস পান।
সুতরাং, আমার তৃতীয় পরামর্শ হচ্ছে, শুরুতেই দেওয়ানি এবং ফৌজদারী আইনের মত বিশাল সাগরে হাবুডুবু না খেয়ে সহজ আইন দিয়ে শুরু করুন। প্রথমে বার কাউন্সিল অর্ডার দিয়ে শুরু করুন, তারপর তামাদি, সুনির্দিষ্ট, সাক্ষ্য, দন্ডবিধি, ফৌজদারি, দেওয়ানি এই সিরিয়ালে পড়ুন।

৪) আইনগুলো নিচের স্টাইলে পড়তে পাড়েন।

ক) বার কাউন্সিল অর্ডার যে কোন গাইড বই (আইনের সহজ পাঠ দেখতে পারেন) থেকে পড়ুন এবং এ আইনের প্রশ্ন প্রচুর রিপিট হয়। তাই প্রিভিয়াস ইয়ারের প্রশ্নসহ ভালভাবে মুখস্ত করুন। (সময়-১ দিন)

খ) তামাদি আইন Bare Act হতে পড়ুন। শুরুতে একটি A4 পেইজ নিন। A4 পেইজটিকে মাঝখান দিয়ে লম্বালম্বি দাগ দিন। দাগের একপাশে Bare Act হতে ২৯ টি সেকশনের Short Title গুলো লিখে ফেলুন এবং অন্যপাশে গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদগুলো লিখে টেবিলের সামনে টানিয়ে দিন। প্রতিদিন অন্তত একবার ওই পেইজটিতে চোখ বুলান। গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ ৩০-৪০ টির বেশি না। যেকোন গাইড বইয়ে গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদগুলির উল্লেখ আছে, দেখে নিন। তামাদির আইনের কিছু সেকশন আছে যেগুলো Bare Act পড়লে ক্লিয়ার হওয়া যায়না। এই কয়েকটি ধারা ব্যাখ্যাসহ অন্য সহায়ক বই থেকে পড়ে নিন। সেকশনগুলো হচ্ছে--- ৫, ৮, ১৪, ১৯,২৬,২৭,২৮,২৯। (সময়-১ দিন)

গ) সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের শুধু গুরুত্বপূর্ণ ধারার Short title গুলো একটি A4 পেইজে লিখেন এবং টেবিলের সামনে টানিয়ে রাখুন। প্রতিদিন অন্তত একবার চোখ বুলান। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন পড়ার সময় কয়েকটি সেকশনের কিছু অতিরিক্ত তথ্য পড়তে হয়,কোন একটি গাইড বই থেকে তথ্যগুলো দেখে নিতে পারেন। আইন পাঠ থেকে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার পড়তে পারেন। (সময়-১ দিন)

ঘ) সাক্ষ্য আইন Bare Act হতে পড়েন। তবে সাক্ষ্য আইন সহজে বুঝার জন্য জিস্ট (লেখক সোহাগ আহমেদ) বইটা দেখতে পারেন। (সময়-১ দিন)

ঙ) দন্ডবিধির ৫১১ টি সেকশনের মধ্যে সব সেকশন পড়ার দরকার নাই। গুরুত্বপূর্ণ ধারা পড়ুন এবং অবশ্যই টপিক্স বা অধ্যায় ভিত্তিক পড়বেন। সেকশন 120B হতে ২৯৯ পর্যন্ত মোট ১৮০ টি (কম/বেশি) সেকশন হতে বড়জোর ১-২ টা প্রশ্ন আসে। এই ১-২ নাম্বারের জন্য ১৮০ টি সেকশন পড়ার কোন মানে হয়না। তবে এই সেকশন গুলোর ভিতরেও কয়েকটা অতি গুরুত্বপূর্ণ ধারা আছে ওইগুলো অবশ্যই পড়বেন। দন্ডবিধির জন্য Bare Act & আইনের সহজ পাঠ দেখতে পারেন। (সময় ২ দিন)

চ) ফৌজদারী Bare Act পড়বেন এবং বুঝার জন্য আইন পাঠের সর্বশেষ সংস্করনটা দেখতে পারেন। কিছু গুরুত্বপূর্ন ধারা এবং টপিক্স খাতায় আলাদা নোট করে পড়বেন। যেমন- Appeal & 2nd Appeal (তামাদিসহ), Rivision, Confession, Bail, GR Case, Non-GR Case, Trial by Magistrate & session judge, police report, police diary, inquest report, Arrest by police (Sec-54) & civil person, quashment. এই প্রত্যেকটি বিষয়ের কনসেপ্ট ক্লিয়ার করে যাবেন। (সময় ৩ দিন)

ছ) দেওয়ানি আইনের জন্য Bare Act হতে শুধু গুরুত্বপূর্ণ ধারা, রুলগুলো পড়ুন এবং অর্ডারের টাইটেলগুলো মনে রাখুন। দেওয়ানি কার্যবিধি বুঝার জন্য এবং গুরুত্বপূর্ণ ধারাগুলো দেখার জন্য যেকোন একটি গাইড বই দেখতে পারেন। (সময়- ৩ দিন)

৫) এইভাবে সিলেবাস শেষ হয়ে গেলে প্রতিদিন রিভিশন এবং মডেল টেস্ট দিবেন। বিগত বছরের প্রশ্ন সলভ করবেন। যে বিষয়গুলো ভুলে যান ওইগুলো বার বার পড়ুন। এইভাবে পড়ার পর মডেল টেস্টগুলোতে ৬০-৭০ এর নিচে পেলে আপনার প্রিপারেশনে ঘাটতি আছে। আবার শুরু থেকে এই স্টাইলে শুরু করেন।

৬) গাইড বইয়ে প্রচুর ভুল থাকে অবশ্যই মুল আইনের সাথে মিলিয়ে পড়বেন।

Address

Jatrabari
Dhaka
1232

Telephone

+8801737376136

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nasim Afroz Law Association posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Nasim Afroz Law Association:

Share