30/07/2025
৩০ জুলাই এইদিনে যখন হাসিনা এক প্রকারে দেশের সর্বত্র কারফিউ দিয়ে নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিছিলো। ছাত্র জনতার সব খবর নেটে আসা শুরু করেছে। তখন ছাত্রদের মুখে ও মাথায় লাল কাপড় বাঁধা কর্মসূচি হাইকোর্টের আইনজীবীরা পালন করলো সরাসরি। শুধু ফেইসবুকেই প্রোফাইল লাল করে আমরা সেইভ জোনে ছিলাম না। আমাদের উপরে দ্বিতীয় তলায় তখন আওয়ামী আইনজীবীরা আমাদের উদ্দেশ্য করে মিছিল দিচ্ছিলো বিএনপি জামায়াত রাজাকার, এই মূহুর্তে বাংলা ছাড়। আমার মোবাইলে তোলা ছবিটি ঐদিন সব অনলাইন পত্রিকা ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের গ্রুপ গুলোতে এবং টিভিতে ভাইরাল হয়। সবাই আমাকে আমার ছবি ইনবক্সে পাঠায়। ঐ ছবি দেখে আমার সহধর্মিণী, মা, বাবা, ভাই সহ আত্মীয় স্বজনদের আমাকে নিয়ে অনেক ভয় পায়। আমাকে সাবধানে থাকতে বলে। আমাকে গুম করতে পারে এরকম। যদিও ৫ আগস্ট পরবর্তীতে সুপ্রিম কোর্টের বিপ্লবীদের বিভিন্ন তালিকায় আমার নামও খুঁজে পাওয়া যায়নি। ১ জুলাই থেকে কোটা সংস্কার আন্দোলনে প্রতিনিয়ত ভার্চুয়াল জগতে আমার মত সাপোর্ট দেয়া আইনজীবী খুব কমই ছিলো। তার প্রমাণ আমার তখনকার ফেইসবুকের পোস্ট, ছাত্ররা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ও কলেজের ছাত্র ও সমন্বয়করা এবং বিএনপির নেতৃবৃন্দ ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নেতৃবৃন্দ। তখন অনেকেই এই আন্দোলনে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করেছিলো।