Advocate Erfanur Rahman

Call Directions Website Contact the business

Advocate Erfanur Rahman Advocate of
Corporate | Commercial | Company | Tax
01705105227

ok 🥱
27/06/2026

ok 🥱

ইতালিতে গেম মারার সুযোগ শেষ‼️লিবিয়া বা অন্যান্য ট্রানজিট দেশ থেকে অবৈধভাবে আগত অভিবাসীদের আর ইতালির ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে...
22/06/2026

ইতালিতে গেম মারার সুযোগ শেষ‼️

লিবিয়া বা অন্যান্য ট্রানজিট দেশ থেকে অবৈধভাবে আগত অভিবাসীদের আর ইতালির ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। তাদের সীমান্তেই আটক করা হবে এবং নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে। এটি ১২ জুন ২০২৬ থেকে কার্যকর হয়েছে।

ব্যাংক থেকে বলা ব্যাংক একাউন্ট খুলতে টিন লাগবে এ জন্য গ্রাহক বাড়ি থেকে টিন নিয়ে আসছে। 🙃🤔 😄
21/06/2026

ব্যাংক থেকে বলা ব্যাংক একাউন্ট খুলতে টিন লাগবে এ জন্য গ্রাহক বাড়ি থেকে টিন নিয়ে আসছে। 🙃🤔 😄

20/06/2026

আইনি সেবা নিশ্চিত করতে ছুটছি ⚖️

বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার ইতিহাসে আজ একটি নজিরবিহীন অধ্যায় যুক্ত হয়েছে। ব্যভিচার সংক্রান্ত আইনের অস্তিত্ব দীর্ঘকাল ধরে ...
10/06/2026

বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার ইতিহাসে আজ একটি নজিরবিহীন অধ্যায় যুক্ত হয়েছে। ব্যভিচার সংক্রান্ত আইনের অস্তিত্ব দীর্ঘকাল ধরে থাকলেও, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর এই প্রথম কোনো মামলার পূর্ণাঙ্গ ট্রায়াল শেষ হয়ে চূড়ান্ত রায় ঘোষিত হয়েছে। আইনি এবং সামাজিক উভয় প্রেক্ষাপটেই এই রায়টি একটি বড় মাইলফলক। চলুন নাসির-তামিমা ও রাকিব এর মামলার সার-সংক্ষেপ, পর্যালোচনা ও রায় সম্পর্কে একটু আলোকপাত
করি :-

গল্পের শুরু ২০১১ সালে। রাকিব হাসানের সাথে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় তামিমা সুলতানার। তাঁদের কোলজুড়ে আসে একটি কন্যাসন্তান—তুবা। সবকিছু স্বাভাবিকই চলছিল। কিন্তু ২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি, ভালোবাসা দিবসে হুট করেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিছু ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। দেশের আলোচিত ক্রিকেটার নাসির হোসেনের সাথে জমকালো আয়োজনে বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন তামিমা।

এই খবরটি যখন রাকিব হাসানের কাছে পৌঁছায়, তিনি মানসিকভাবে পুরোপুরি ভেঙে পড়েন। এক বুক হতাশা আর শূন্যতা নিয়ে তিনি দ্বারস্থ হন আইনজীবী ইশরাত হাসানের। রাকিবের প্রথম কথাই ছিল:

"আমার সাথে অন্যায় হয়েছে, ঘটনা সত্যি। কিন্তু আমার তো টাকা নাই! আমি কি আদৌ বিচার পাব?"

টাকা না থাকলে কি এ দেশে বিচার পাওয়া যায় না?—এই সংশয় তাড়া করে বেড়াচ্ছিল তাঁকে। কিন্তু আইনজীবী তাঁকে আশ্বস্ত করেন যে, আইনের চোখে সবাই সমান এবং সত্যের জয় হবেই। বিয়ের ঠিক ১০ দিন পর, ২০২১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি আদালতে মামলা দায়ের করা হয়।

এই ঘটনার সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী ছিল রাকিব-তামিমার ৯-১০ বছরের কন্যাসন্তান তুবা। ইউটিউব এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় মায়ের নাচ-গান ও অন্য একজনের সাথে বিয়ের ভিডিও দেখে অবুঝ শিশুটি মানসিকভাবে মারাত্মক বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

সে বাবাকে বারবার প্রশ্ন করতে থাকে, "মা এভাবে বিয়ে করছে কেন?" স্কুলে গেলে সহপাঠী ও চারপাশের মানুষের হাজারো কৌতূহলী প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হতো তাকে।

সাধারণত সমাজে পুরুষদের ক্ষেত্রে এমন ঘটনায় পরিবার বলে, "যা হয়েছে ভালো হয়েছে, তুমি আবার বিয়ে করো।" কিন্তু একজন পুরুষ হিসেবে রাকিব শুধু নিজের জন্য নয়, বরং তাঁর কন্যাসন্তানের মানসিক আঘাত এবং ক্ষুণ্ন হওয়া সামাজিক মর্যাদার বিচার চাইতে এই আইনি লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত নেন।

মামলাটি দায়ের করার পর আদালত এর সত্যতা যাচাইয়ের জন্য পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (PBI)-কে তদন্তের দায়িত্ব দেয়। তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মিজানুর রহমান দীর্ঘ ৬ মাস অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে তদন্ত চালান।

তদন্ত চলাকালীন তামিমা ও নাসির দাবি করেন যে, ২০১৬ সালেই রাকিবকে ডিভোর্স দেওয়া হয়েছে এবং তার বৈধতা স্বরূপ কিছু ডাক রসিদ (Post Receipt) ও নোটিশের কাগজপত্র জমা দেন। কিন্তু পিবিআই যখন এই কাগজপত্রগুলো যাচাইয়ের জন্য বাংলাদেশ ডাক বিভাগে পাঠায়, তখন থলের বিড়াল বেরিয়ে পড়ে!

ডাক বিভাগের ডেপুটি জেনারেল আদালতে এসে সাক্ষ্য দিয়ে জানান, ওই রসিদগুলোর নম্বর ও স্বাক্ষর সম্পূর্ণ ভুয়া।

আরও হাস্যকর বিষয় ছিল, ২০১৬ সালের ডিভোর্সের নোটিশে তামিমা এমন একটি ঠিকানা ব্যবহার করেছিলেন, যেখানে তিনি আসলে তারও ৭ মাস পরে থাকতে শুরু করেন! অর্থাৎ, কাগজে কলমে তিনি ভবিষ্যৎ দেখে ফেলেছিলেন। এমনকি ২০১৮ সালের পাসপোর্ট এবং চাকরির নথিতেও তামিমা তাঁর স্বামী হিসেবে রাকিব হাসানের নামই ব্যবহার করেছিলেন। তারা দুজনে লা মেরিডিয়ান হোটেলসহ বিভিন্ন জায়গায় স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে থেকেছেন, যার প্রমাণ ও সিসিটিভি ফুটেজ আদালতে দাখিল করা হয়।

এর ফলে মামলায় নতুন দুটি ধারা যুক্ত হয়—৪৬৮ ধারা (জাল কাগজ তৈরি) এবং ৪৭১ ধারা (জাল কাগজকে খাঁটি হিসেবে চালানো)।

মামলাটি প্রায় ৫ বছর ধরে ঝুলে থাকার অন্যতম কারণ ছিল আসামিপক্ষ বারবার উচ্চ আদালতে গিয়ে রিভিশন আবেদন করছিল। কিন্তু প্রতিবারই উচ্চ আদালত তা খারিজ করে নিম্ন আদালতে মামলা প্রমাণের নির্দেশ দেন।

২০২৩ সাল থেকে শুরু হয় মূল সাক্ষ্যগ্রহণ। আদালতে নিজের মায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে সত্য সাক্ষ্য দেয় ছোট শিশু তুবা। এছাড়া সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ ও সিটি কর্পোরেশনের চেয়ারম্যানরা এসে সাক্ষ্য দেন যে, ডিভোর্সের কোনো নোটিশ বা সালিশি কাউন্সিল কখনোই গঠিত হয়নি। এমনকি তামিমা নিজেই জেরার মুখে স্বীকার করেন যে তিনি চেয়ারম্যানকে কোনো নোটিশ পাঠাননি।

অন্যদিকে, বিয়ের পরপরই নাসির হোসেন রাকিবকে ফোন করে বলেছিলেন যে তিনি সবকিছু জেনেশুনেই তামিমাকে বিয়ে করেছেন। তামিমাও স্বীকার করেন যে নাসির তাকে মেসেঞ্জারে নক করে প্রলুব্ধ করেছিলেন এবং পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছিলেন।

কিন্তু আজ ১০ জুন এই বহুল আলোচিত মামলার অনাকাঙ্ক্ষিত রায় আসে ক্রিকেটার নাসির ও তামিমা মামলা থেকে খালাস।

প্রত্যাশা অনুযায়ী আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া উচিতছিল। আইনি ধারা অনুযায়ী কার কী শাস্তি হতে পারত, তার একটি বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:

তামিমা সুলতানার বিরুদ্ধে অভিযোগ ও সম্ভাব্য সাজা:

• ৪৯৪ ধারা (ডিভোর্স না দিয়ে পুনরায় বিয়ে): আইনত প্রথম বিয়ে বহাল থাকা অবস্থায় কোনো নারী দ্বিতীয় বিয়ে করলে তা অবৈধ। এই ধারায় সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।

• ৪৬৮ ও ৪৭১ ধারা (দলিল জালিয়াতি ও তা ব্যবহার): ভুয়া ডিভোর্স পেপার তৈরি ও তা সত্য বলে চালানোর জন্য এই ধারায় আরও ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

নাসির হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ও সম্ভাব্য সাজা:

• ৪৯৮ ধারা (অন্যের স্ত্রীকে প্রলুব্ধ করে নিয়ে যাওয়া): নাসির জেনেশুনে রাকিবের স্ত্রীকে প্রলুব্ধ করেছেন। এই ধারায় সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।

• ৪৯৭ ধারা (ব্যভিচার/Adultery): ডিভোর্স ছাড়া অন্যের স্ত্রীর সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন এই ধারার আওতাভুক্ত। আসামিপক্ষ দাবি করেছিল রাকিব তাদের শারীরিক সম্পর্ক চোখে দেখেননি, যা আদালতে হাস্যকর বলে প্রমাণিত হয়। এই ধারায় সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।

সব মিলিয়ে নাসির এবং তামিমা—উভয়েরই অন্তত ৭ বছরের দৃষ্টান্তমূলক সাজা হওয়া উচিত।

এই দীর্ঘ লড়াইয়ে বাদীপক্ষের আইনজীবীকে ২০২৩ সালে প্রকাশ্য আদালতেই হুমকি দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে তিনি আদালতে লিখিত অভিযোগ করেন এবং গণমাধ্যমকে জানান। আসামিপক্ষের অন্য আইনজীবীরা বিভিন্ন সময় 'আপস' বা সমঝোতার প্রস্তাব পাঠালেও রাকিব এবং তাঁর আইনজীবী তা কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করেন।

রাকিব হাসান তামিমাকে জোর করে ফিরিয়ে আনার জন্য এই মামলা করেননি। তিনি সমাজকে একটি বার্তা দিতে চেয়েছেন। সমাজে পরকীয়া ও ব্যভিচার এখন ক্যান্সারের মতো ছড়িয়ে পড়ছে, যার বলি হচ্ছে নিষ্পাপ শিশুরা। প্রথমে পরকিয়া তারপর বিচ্ছেদ এর ফলশ্রুতিতে আজ এক নিষ্পাপ শিশুকে তার পিতামাতা রাস্তায় ফেলে যায় I এই মামলার রায় সমাজে একটি শক্ত বার্তা দেবে—টাকা বা প্রভাব থাকলেই পার পাওয়া যায় না, আইন লঙ্ঘন করলে এবং জালিয়াতি করলে সাজা পেতেই হবে।

আজকের এই রায় প্রমাণ করে যে, বাংলাদেশের বিচার বিভাগ এখন প্রাচীন এবং জটিল আইনের অধীনেও মামলার পূর্ণাঙ্গ আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সক্ষম নয়। এটি একদিকে যেমন অপরাধপ্রবণ মানসিকতার জন্য একটি সহায়ক রায়, অন্যদিকে দেশের আইন ও বিচার ব্যবস্থার বিবর্তনের একটি ঐতিহাসিক দলিল।

08/06/2026

১০০ দিনে ৬০৫ জন খুন হয়েছে, কিন্তু সাধারণ মানুষ কেবল রামিসার বিচার পেয়েই সন্তুষ্ট। এটাই বাংলাদেশের আবেগী মানুষের ন্যায়বিচারের নমুনা, তারা দীর্ঘমেয়াদী বা টেকসই কোনো সমাধান বোঝে না।

゚

রামিশা হত্যা মামলার বহুল আলোচিত রায় আজ ঘোষণা করা হয়েছে।আদালত ১ নম্বর আসামি সোহেল রানাকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছেন এবং এ...
07/06/2026

রামিশা হত্যা মামলার বহুল আলোচিত রায় আজ ঘোষণা করা হয়েছে।

আদালত ১ নম্বর আসামি সোহেল রানাকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছেন এবং একই সঙ্গে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন।

এছাড়া ২ নম্বর আসামি স্বপ্না আক্তারকেও মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়েছে এবং ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

ভূমি অফিসে হয়রানি, ঘুষ,অনিয়মের শিকার হলে.এখন সরাসরি অভিযোগ ফর্ম পূরণ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানাতে পারে...
06/06/2026

ভূমি অফিসে হয়রানি, ঘুষ,অনিয়মের শিকার হলে.এখন সরাসরি অভিযোগ ফর্ম পূরণ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানাতে পারেন ⚖️

আদালতের করিডোরে ⚖️
06/06/2026

আদালতের করিডোরে ⚖️

05/06/2026

পিতা-মাতাকে ভরণপোষণ না দিলে ১ লাখ টাকা জরিমানা এবং ৩ মাসের কারাদণ্ড ⚖️

Address

Dhaka Bar Association, 6-7, Court House Street Kotwali
Dhaka
1100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Advocate Erfanur Rahman posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Advocate Erfanur Rahman:

Shortcuts

Share