Adv. Rifat and Associates

Adv. Rifat and Associates Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Adv. Rifat and Associates, Court House Street, Dhaka.

Aspects involving any Court of Bangladesh, Legal Step related with Civil Suits,Criminal Cases,Income Tax & Family matters etc.
---
বাংলাদেশের যেকোনো আদালতের সাথে সম্পর্কিত দেওয়ানি মোকদ্দমা, ফৌজদারি মামলা, আয়কর ও পারিবারিক বিষয়ে আইনি সেবা দেওয়া হয়।

এসি ল্যান্ড (সহকারী কমিশনার, ভূমি) অফিসে কোনো জমির অবৈধ খারিজ (নামজারি) বাতিলের আবেদন করার পরও যদি তা বাতিল না করা হয়, ...
19/05/2026

এসি ল্যান্ড (সহকারী কমিশনার, ভূমি) অফিসে কোনো জমির অবৈধ খারিজ (নামজারি) বাতিলের আবেদন করার পরও যদি তা বাতিল না করা হয়, তাহলে জমির প্রকৃত মালিক বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির কিছু আইনগত ও প্রশাসনিক করণীয় রয়েছে। নিচে ধাপে ধাপে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো—

১. প্রথমে বুঝতে হবে “অবৈধ খারিজ” বলতে কি বোঝায়
যেসব ক্ষেত্রে খারিজ অবৈধ হতে পারে, যেমনঃ
জাল দলিলের মাধ্যমে নামজারি করা
ভুয়া ওয়ারিশ দেখিয়ে খারিজ করা
প্রকৃত মালিককে না জানিয়ে খারিজ করা
আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও খারিজ করা
ভুল দাগ, খতিয়ান বা মালিকানা দেখিয়ে খারিজ করা
প্রতারণা বা তথ্য গোপন করে নামজারি নেওয়া
এসব ক্ষেত্রে খারিজ বাতিলের দাবি করা যায়।

২. এসি ল্যান্ড অফিসে লিখিত আবেদন করতে হবে
প্রথমে সংশ্লিষ্ট এসি ল্যান্ড অফিসে লিখিতভাবে আবেদন করতে হবে।
আবেদনের সাথে যেসব কাগজ লাগবে
দলিলের কপি
খতিয়ানের কপি
পর্চা
খাজনার রসিদ
আদালতের আদেশ (যদি থাকে)
জালিয়াতির প্রমাণ
জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি
আবেদনে যা উল্লেখ করবেন
কেন খারিজ অবৈধ
কিভাবে প্রতারণা হয়েছে
কোন আইনের লঙ্ঘন হয়েছে
খারিজ বাতিলের আবেদন

৩. শুনানিতে উপস্থিত থাকতে হবে
এসি ল্যান্ড সাধারণত উভয় পক্ষকে নোটিশ দিয়ে শুনানি করে।
শুনানিতে—
সব মূল কাগজ দেখাবেন
সাক্ষী থাকলে উপস্থাপন করবেন
জাল দলিল হলে তা উল্লেখ করবেন
আদালতে মামলা থাকলে জানাবেন

৪. এসি ল্যান্ড খারিজ বাতিল না করলে কি করবেন
যদি এসি ল্যান্ড অন্যায়ভাবে আবেদন খারিজ করে দেয় বা দীর্ঘদিন ঝুলিয়ে রাখে, তাহলে পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে হবে।

৫. উচ্চ কর্তৃপক্ষের কাছে আপিল বা অভিযোগ
ক) ইউএনও (UNO) বরাবর অভিযোগ
এসি ল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক অভিযোগ করা যায়।
অভিযোগে উল্লেখ করবেন—
এসি ল্যান্ড আইন অনুসারে ব্যবস্থা নেয়নি
শুনানিতে অনিয়ম হয়েছে
দুর্নীতি বা পক্ষপাতের অভিযোগ (প্রমাণ থাকলে)
খ) জেলা প্রশাসক (DC) বরাবর আবেদন
জেলা প্রশাসক ভূমি প্রশাসনের প্রধান হওয়ায় তার কাছে লিখিত অভিযোগ করা যায়।
ডিসি যা করতে পারেন
তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন
নথি তলব করতে পারেন
পুনঃশুনানির নির্দেশ দিতে পারেন
গ) বিভাগীয় কমিশনারের কাছে অভিযোগ
যদি জেলা প্রশাসনও কার্যকর ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে বিভাগীয় কমিশনার বরাবর অভিযোগ করা যায়।

৬. ভূমি আপিল বোর্ড বা রাজস্ব আদালতে প্রতিকার
যদি খারিজের আদেশ আইনবহির্ভূত হয়, তাহলে রাজস্ব কর্তৃপক্ষের কাছে আপিল/রিভিশন করা যায়।
এক্ষেত্রে একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর সহায়তা নেওয়া ভালো।

৭. দেওয়ানি আদালতে মামলা করা
অনেক ক্ষেত্রে শুধুমাত্র প্রশাসনিক আবেদন যথেষ্ট হয় না। তখন দেওয়ানি আদালতে মামলা করতে হয়।
যেসব মামলা করা যেতে পারে
ঘোষণামূলক মামলা
দলিল বাতিলের মামলা
স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলা
স্বত্ব ঘোষণা মামলা
দখল পুনরুদ্ধার মামলা

৮. জাল দলিল থাকলে ফৌজদারি মামলা
যদি জালিয়াতির মাধ্যমে খারিজ করা হয়ে থাকে, তাহলে ফৌজদারি মামলাও করা যায়।
প্রযোজ্য অপরাধ
জালিয়াতি
প্রতারণা
ভুয়া কাগজ তৈরি
সরকারি রেকর্ডে মিথ্যা তথ্য প্রদান

৯. দুর্নীতির প্রমাণ থাকলে দুদকে অভিযোগ
যদি প্রমাণ থাকে যে—
ঘুষ নিয়ে খারিজ করা হয়েছে
ক্ষমতার অপব্যবহার হয়েছে
ইচ্ছাকৃতভাবে অবৈধ খারিজ বহাল রাখা হয়েছে
তাহলে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অভিযোগ করা যায়।

১০. তথ্য অধিকার আইনে তথ্য সংগ্রহ
অনেক সময় অফিস নথি গোপন করে। তখন তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করে সংগ্রহ করা যায়—
যেমনঃ
নামজারির আবেদনপত্র
শুনানির নোটিশ
আদেশের কপি
তদন্ত প্রতিবেদন

১১. গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা:

💥শুধু খারিজ থাকলেই মালিকানা প্রমাণ হয় না
খারিজ বাতিল করতে হলে মূল মালিকানা প্রমাণ জরুরি।

💥দলিল, রেকর্ড ও দখল—সব মিলিয়ে আদালত সিদ্ধান্ত দেয়।

💥দালাল বা ভুয়া কাগজ থেকে সতর্ক থাকতে হবে
মৌখিক অভিযোগ না করে সবসময় লিখিত আবেদন করবেন।

💥 পরামর্শ : যদি দেখেন—

১। এসি ল্যান্ড ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যবস্থা নিচ্ছে না,
২। প্রতিপক্ষ প্রভাবশালী,
৩। জাল দলিল রয়েছে,
৪ জমির মূল্য বেশি,

তাহলে দ্রুত একজন অভিজ্ঞ ভূমি আইনজীবীর মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া নিরাপদ।

💥 সংক্ষেপে করণীয়-
১. এসি ল্যান্ড অফিসে লিখিত আবেদন
২. শুনানিতে প্রমাণ উপস্থাপন
৩. আবেদন খারিজ হলে ইউএনও/ডিসির কাছে অভিযোগ
৪. প্রয়োজনে আপিল/রিভিশন
৫. দেওয়ানি আদালতে মামলা
৬. জালিয়াতি হলে ফৌজদারি মামলা
৭. দুর্নীতি হলে দুদকে অভিযোগ

এভাবে ধাপে ধাপে এগোলে অবৈধ খারিজের বিরুদ্ধে আইনগত প্রতিকার পাওয়া সম্ভব।

সন্তানের অভিভাবকত্ব ও হাইকোর্টের ঐতিহাসিক রায়: বাবার অধিকার এবং সন্তানের কল্যাণ, সন্তান কার কাছে থাকবে? মায়ের নিকট নাকি ...
09/05/2026

সন্তানের অভিভাবকত্ব ও হাইকোর্টের ঐতিহাসিক রায়: বাবার অধিকার এবং সন্তানের কল্যাণ, সন্তান কার কাছে থাকবে? মায়ের নিকট নাকি বাবার নিকট ? নাকি দাদা-দাদির নিকট নাকি নানা-নানির নিকট ?

এই চিরচেনা লড়াইয়ের অবসান ঘটিয়ে হাইকোর্ট একটি যুগান্তকারী রায় দিয়েছে (Md. Ahsan Ul Monir Vs. Dr. Md. Fakhrul Islam, 15 SCOB [2021] HCD 87)। এই রায়টি আমাদের পারিবারিক আইন ও সন্তানের কাস্টডি সংক্রান্ত বিচারিক ধারণায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

রায়ের মূল বিষয়বস্তুসমূহ বিশ্লেষণ:

১. সন্তানের কল্যাণই সর্বোচ্চ প্রাধান্য (Best Interest of the Child):
আদালত স্পষ্ট জানিয়েছেন, সন্তানের অভিভাবকত্ব নির্ধারণের ক্ষেত্রে মা বা বাবার অধিকারের চেয়ে বড় কথা হলো—সন্তান কার কাছে থাকলে তার শারীরিক, মানসিক ও নৈতিক বিকাশ সবচেয়ে ভালো হবে। একে বলা হয় 'Paramount Consideration'।

২. বাবা হলেন স্বভাবজাত অভিভাবক (Natural Guardian):

গার্ডিয়ান এন্ড ওয়ার্ডস অ্যাক্ট, ১৮৯০-এর ধারা ১৭ ও ২৫ অনুযায়ী, বাবা হলেন সন্তানের প্রাকৃতিক ও আইনগত অভিভাবক। যদি বাবা নৈতিকভাবে স্খলিত না হন বা সন্তানের জন্য ক্ষতিকর না হন, তবে তাকে অভিভাবকত্ব থেকে বঞ্চিত করা যাবে না।

৩. হিজানাত (Hizanat) এবং ৭ বছর বয়সের নিয়ম:
মুসলিম আইন অনুযায়ী, ছেলে সন্তানের বয়স
৭ বছর পূর্ণ হলে তার কাস্টডি পাওয়ার ক্ষেত্রে বাবা আইনগতভাবে অগ্রাধিকার পান। এই মামলায় শিশুটির বয়স ৭ বছরের বেশি হওয়ায় আদালত বাবার অধিকারকে সমুন্নত
রেখেছেন।

৪. শিশুর 'শিখিয়ে দেওয়া' জবানবন্দি ও আদালতের পর্যবেক্ষণ:
অনেক সময় দেখা যায়, শিশু যার কাছে বড় হচ্ছে (যেমন নানা-নানি), তারা শিশুকে বাবার বিরুদ্ধে কথা বলতে শিখিয়ে দেয়। হাইকোর্ট এই মামলায় পর্যবেক্ষণ করেছেন যে, শিশুটি তার বাবার সাথে থাকতে চায় না বলে যে জবানবন্দি দিয়েছে, তা মূলত 'Tutored' বা শিখিয়ে দেওয়া কথা হতে পারে। তাই শিশুর সব ইচ্ছাই চূড়ান্ত নয় যদি তা তার দীর্ঘমেয়াদী কল্যাণের পরিপন্থী হয়।

৫. ফৌজদারি মামলার প্রভাব:
বাবার বিরুদ্ধে যদি কোনো ফৌজদারি মামলা (যেমন:
আত্মহত্যায় প্ররোচনা বা নারী নির্যাতন) থাকে এবং তিনি যদি আদালত থেকে খালাস পান, তবে সেই মামলা তার কাস্টডি পাওয়ার পথে কোনো বাধা
হতে পারবে না।

৬. সামাজিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা:
আদালত দেখেছেন, বাবা পেশায় একজন ডাক্তার এবং
দাদা-দাদি শিক্ষিত ও সচ্ছল। তাই শিশুর ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করার জন্য বাবার কাছে থাকাই সবচেয়ে নিরাপদ।

শেষ কথা :
এই রায় এটিই প্রমাণ করে যে, আইন কেবল যান্ত্রিক নিয়মে চলে না, বরং শিশুর সুন্দর ভবিষ্যৎ এবং বাবার আইনগত অধিকারকেও সমানভাবে গুরুত্ব দেয়। নানা-নানি বা
অন্য আত্মীয়রা মা মারা যাওয়ার পর আবেগ দিয়ে সন্তানকে আটকে রাখতে পারলেও, আইনের মাপকাঠিতে শেষ পর্যন্ত বাবার অধিকারই প্রতিষ্ঠিত হয়।

06/05/2026

#তালাক বিষয়টা নিয়ে অনেকে অনেক কিছু লিখছেন।কিন্তু আমরা আইনজীবীরা নিচের Court এ এই ধরনের তালাকের ক্ষেত্রে power of attorney টা সঠিকভাবে Foreign Ministry কর্তৃক যাচাই-বাছাই করা হয়েছে কিনা এটা বিশেষভাবে দেখা হয়।

#বিদেশে অবস্থানরত স্বামী কর্তৃক স্ত্রী তালাক

দ্য মুসলিম ফ্যামিলি লজ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬১ এর ৭ ধারার বিধান অনুযায়ী কোনো মুসলিম স্বামী যদি তার স্ত্রীকে তালাক দিতে চায় তবে তাকে তালাক উচ্চারণের পর নিকাহ রেজিস্ট্রারের নিকট নির্ধারিত ফরমে লিখিতভাবে রেজিস্ট্রার করে ওই তালাকের একটি নোটিশ চেয়ারম্যান/মেয়রের নিকট প্রাপ্তি স্বীকারপত্রসহ এবং তালাকের আরেকটি নোটিশের কপি স্ত্রীর ঠিকানায় রেজিস্ট্রার্ড ডাকযোগে পাঠাতে হবে।

চেয়ারম্যান/মেয়র কর্তৃক নিবন্ধিত তালাকের নোটিশ প্রাপ্তির তারিখ হতে ৯০ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে বলে আইনানুগভাবে ধরে নেওয়া হবে। কোনো মুসলিম স্বামী যদি দেশের বাইরে অবস্থান করে এবং স্ত্রী দেশে অবস্থান করে, সে ক্ষেত্রে কোনো কারণবশত যদি তার স্ত্রীকে তালাক দিতে চায় তাহলে তাকেও দ্য মুসলিম ফ্যামিলি লজ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬১ এর ৭ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতি অনুসরণ করে স্ত্রীকে তালাক প্রদান করতে হবে। দেশে কিংবা বিদেশে যেখানেই কেউ অবস্থান করুক না কেন সকল ক্ষেত্রেই উক্ত আইনের ৭ ধারার পদ্ধতি অনুসরণ করেই তালাক কার্যকর করতে হবে।

#বিদেশে অবস্থানকারী স্বামীর পক্ষে তালাক প্রদানের বিষয়

কিন্তু বিদেশে অবস্থানকারী স্বামীর পক্ষে তালাক প্রদানের ক্ষেত্রে দ্য মুসলিম ফ্যামিলি লজ অর্ডিন্যান্সের আইনি বিধান মেনে স্ত্রীকে তালাক দেওয়া অনেক সময় অসম্ভব হয়ে পড়ে। কেননা, বিদেশে অবস্থানরত মুসলিম পুরুষ দু’জন ব্যক্তির সম্মুখে তালাক উচ্চারণ করতে পারলেও উচ্চারিত তালাক নিকাহ রেজিস্ট্রারের নিকট রেজিস্ট্রেশনের সুযোগ তার পক্ষে নেই। বিদেশে অবস্থানরত কোনো মুসলিম ব্যক্তির পক্ষে বিদেশ থেকেই আইনি বিধান মেনে স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার কোনো সুযোগ বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে নেই।

বিদেশে অবস্থানরত বিবাহিত কোনো পুরুষ যদি দেশে আসতে না পারে বা দেশে আসা সম্ভব না হয় এবং কোনো কারণে স্ত্রীকে তালাক দেওয়া তার জন্য অপরিহার্য হয়ে পড়ে, সে ক্ষেত্রে তার উপায় কী হবে? হ্যাঁ, উপায় একটি আছে— আর সেটি হলো স্বামী হিসেবে তালাক প্রদানের ক্ষমতা অন্যকে অর্পণ করা।

#ক্ষমতা অর্পণ (Power of Attorney)

কিন্তু কীভাবে তিনি সেই ক্ষমতা অর্পণ করতে পারবেন বা আদৌ অর্পণ করা আইনসম্মত হবে কি?

একজন সুস্থ সাবালক ব্যক্তি তিনি নিজে ব্যক্তিগতভাবে যে সকল কাজ/ক্ষমতা আইনসম্মতভাবে প্রয়োগ করতে পারেন, তার সবগুলোই তিনি প্রয়োজনে অন্যের নিকট সেই ক্ষমতা অর্পণ করতে পারেন। এখন প্রশ্ন হলো— স্ত্রী তালাকের ক্ষমতা কোনো বিবাহিত পুরুষ অন্যকে প্রদান করতে পারবে কি না? আইনের বিধান অনুসারে একজন বিবাহিত পুরুষ তার স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার ক্ষমতা অন্যকে লিখিতভাবে অর্পণ করতে পারে।

আর যে দলিলের মাধ্যমে এই ক্ষমতা অর্পণ করা হবে, সেই দলিলের নাম “আমমোক্তারনামা” বা “পাওয়ার অব অ্যাটর্নি” দলিল। আইনসম্মতভাবে ব্যক্তিগত সকল ক্ষমতা কীভাবে অন্য ব্যক্তির নিকট অর্পণ করা যায় সে সম্পর্কে বিস্তারিত একটি আইন ২০১২ সালে বাংলাদেশ পার্লামেন্ট কর্তৃক প্রণীত হয়েছে, যার নাম পাওয়ার অব অ্যাটর্নি অ্যাক্ট, ২০১২।

এই আইনের ২ ধারার (১) উপধারায় পাওয়ার অব অ্যাটর্নি কী বুঝায় তা বলা হয়েছে— “পাওয়ার অব অ্যাটর্নি” অর্থ এমন কোনো দলিল যার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি তার পক্ষে উক্ত দলিলে বর্ণিত কাজ সম্পাদনের জন্য আইনানুগভাবে অন্য কোনো ব্যক্তির নিকট ক্ষমতা অর্পণ করে।

পাওয়ার অব অ্যাটর্নির প্রকারভেদ
আইনের বিধান অনুযায়ী পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দুই ধরনের

১. অপরত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি (Irrevocable power of attorney)
২. সাধারণ পাওয়ার অব অ্যাটর্নি (Ordinary power of attorney)

অপরত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বলতে কী বুঝায় তা সংক্ষেপে বলা হয়েছে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি অ্যাক্ট, ২০১২ এর ২ ধারার (৪) উপধারায়। এখানে বলা হয়েছে— স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়, বন্ধক বা অন্য কোনো আর্থিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট উদ্দেশ্যে প্রদত্ত ক্ষমতা যা সহজে বাতিলযোগ্য নয়।

এর বাইরে অন্য সকল ধরনের পাওয়ার অব অ্যাটর্নি হলো সাধারণ পাওয়ার অব অ্যাটর্নি।

#বিদেশে অবস্থানরত স্বামীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্যতা

বিদেশে অবস্থানরত কোনো মুসলিম পুরুষ যদি তার স্ত্রীকে তালাক দিতে চায় তাহলে তাকে প্রথমে একটি সাধারণ পাওয়ার অব অ্যাটর্নি সম্পাদন করতে হবে। পাওয়ার অব অ্যাটর্নি অ্যাক্ট, ২০১২ এর ৬(১) ধারার বিধান অনুযায়ী পাওয়ার/আমমোক্তারনামার রেজিস্ট্রেশনের বাধ্যবাধকতা থাকলেও সাধারণ পাওয়ার অব অ্যাটর্নির ক্ষেত্রে নিবন্ধনের বাধ্যবাধকতা নেই।

#পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মুসাবিদা

একটি পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বা আমমোক্তারনামা দলিল কীভাবে মুসাবিদা করতে হবে সে সম্পর্কে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি অ্যাক্ট, ২০১২ এর ৫ ও ৬ ধারায় বলা হয়েছে।

উক্ত বিধান অনুযায়ী—

দলিলে অবশ্যই পাওয়ার দাতার উদ্দেশ্য, ক্ষমতা ও কার্যাবলির সুস্পষ্ট বিবরণ থাকতে হবে।পাওয়ার গ্রহণকারীর পরিচয় ও স্বাক্ষর সংযুক্ত থাকতে হবে।প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে ছবি ও জাতীয় পরিচয়পত্রের অনুলিপি সংযুক্ত করতে হবে।পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিল মুসাবিদা করতে হবে স্ট্যাম্প পেপারে এবং দ্য স্ট্যাম্প অ্যাক্ট, ১৮৯৯ এর তফসিল অনুযায়ী ১০০০/- টাকা মূল্যের স্ট্যাম্পে এটি সম্পাদন করতে হবে।

#বিদেশ থেকে আমমোক্তারনামা তৈরির প্রক্রিয়া

বিদেশে অবস্থানরত মুসলিম বিবাহিত পুরুষ কর্তৃক স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়ার ক্ষেত্রে আপনি আইনজীবী হিসেবে একটি আমমোক্তারনামা দলিল প্রস্তুত করবেন। এরপর—

নির্ধারিত স্ট্যাম্পে দলিলটি সম্পাদন করবেন

পাওয়ার দাতার পাসপোর্ট সাইজ ছবি সংযুক্ত করবেন

দলিলটি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কাছে বিদেশে পাঠাবেন

তিনি তা নোটারি পাবলিক বা বাংলাদেশ হাইকমিশন/দূতাবাস থেকে সত্যায়িত করবেন।এরপর সেটি বাংলাদেশে পাঠানো হবে।বাংলাদেশে প্রাপ্তির পর সংশ্লিষ্ট ডেপুটি কমিশনারের অফিসে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে ক্ষমতা গ্রহণকারী ব্যক্তি বিদেশে অবস্থানরত স্বামীর পক্ষে স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার কার্যক্রম গ্রহণ করতে পারবেন।

যদি কেউ জমির মালিক না হয়েও প্রতারণা করিয়া নিজের নামে রেকর্ড করালে১৯৫৫ সালের প্রজাস্বত্ব বিধিমালা এর ২৩(৪) বিধি অনুযায়ী র...
29/04/2026

যদি কেউ জমির মালিক না হয়েও প্রতারণা করিয়া নিজের নামে রেকর্ড করালে১৯৫৫ সালের প্রজাস্বত্ব বিধিমালা এর ২৩(৪) বিধি অনুযায়ী রেভিনিউ অফিসার যাহা বর্তমান নাম এসিস্ট্যান্ট কমিশনার ( ল্যান্ড ) প্রকৃত মালিকের নামে রেকর্ড সংশোধন করতে পারবেন।

 #রেজিস্ট্রেশন_আইন_(সংশোধন) ২০২৬, এ কোন কোন উল্লেখযোগ্য বিষয় সংযোজিত হলো দেখে নিন-সংশোধিত আইনের- ➡️ ২ নং ধারা-  বায়নাপত্...
27/04/2026

#রেজিস্ট্রেশন_আইন_(সংশোধন) ২০২৬, এ কোন কোন উল্লেখযোগ্য বিষয় সংযোজিত হলো দেখে নিন-

সংশোধিত আইনের-
➡️ ২ নং ধারা- বায়নাপত্র দলিল সম্পাদনের ৬০ দিনের মধ্যে রেজিস্ট্রেশনের জন্য দাখিল করতে হবে।

➡️৩ নং ধারা- বাংলাদেশের বাহিরে সম্পাদিত #দলিল বাংলাদেশে প্রবেশের ৬ মাসের মধ্যে রেজিস্ট্রেশনের জন্য দাখিল করতে হবে। (পূর্বে ৪ মাসের মধ্যে করতে হতো)

➡️৪ নং ধারা- পূর্বসূরির নামে রেকর্ডের মাধ্যমে সৃষ্ট খতিয়ান বা নামজারি খতিয়ান থাকলে নিজ নামে নামজারি ছাড়াই ওয়ারিশ সনদ দিয়ে সাফ-কবলা, দানপত্র, হেবার ঘোষণা, দানের ঘোষণা এবং পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিল (পাওয়ার অব অ্যাটর্নি আইনের অধীনে) দলিল সম্পাদনা করা যাবে।

অর্থাৎ, পিতা-মাতা, দাদা-দাদী ইত্যাদির নামে খতিয়ান বা নামজারি থাকলে তাদের ওয়ারিশদের পুনরায় নামজারি না করলেও চলবে । ওয়ারিশান সনদের মাধ্যমেই তারা জমি হস্তান্তর করতে পারবেন।

তবে তাদের ওই পূর্বসূরীদের নামে কেবল দলিল থাকলে হবে না, ঐ দলিলমূলে রেকর্ডীয় খতিয়ান বা নামজারি থাকতে হবে। শুধু দলিল থাকলে আগে ঐ দলিলমূলে ওয়ারিশসূত্রে নামজারি করে আসতে হবে।

➡️ ৯ নং ধারা- ডিজিটাল পদ্ধতিতে অনলাইন দলিল রেজিস্ট্রেশন তথা ই- রেজিস্ট্রেশনকে আইনগতভাবে বৈধতা ও স্বীকৃতি প্রদান করা হয়েছে।

এছাড়াও আরও বিভিন্ন বিষয় সংযোজিত হয়েছে।

মিসকেসের মাধ্যমে খতিয়ানের করণিক ভুল' সংশোধনের ধাপসমূহ -
25/04/2026

মিসকেসের মাধ্যমে খতিয়ানের করণিক ভুল' সংশোধনের ধাপসমূহ -

 #ভূমি_মালিকানা_সনদ : ভূমি মালিকানা সনদ বা CLO (Certificate of Land Ownership) ২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে এটি পুরোদমে ...
25/04/2026

#ভূমি_মালিকানা_সনদ :

ভূমি মালিকানা সনদ বা CLO (Certificate of Land Ownership) ২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে এটি পুরোদমে কার্যকর হবে।

ভূমি মন্ত্রণালয় জমি সংক্রান্ত সকল তথ্য একটি ডিজিটাল ডাটাবেজে নিয়ে আসার কাজ করছে। এই কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ২০২৫ সালের জুলাই থেকে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ২০২৬ সালের মধ্যেই সারা দেশে ডিজিটাল "ভূমি মালিকানা সনদ বা স্মার্ট কার্ড" বিতরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এবং সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ী CLO কে মালিকানার চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে গণ্য করা হবে।

বর্তমানে মালিকানা প্রমাণের জন্য দলিল, খতিয়ান বা পর্চা আলাদাভাবে রাখতে হয়। সিএলও চালু হলে একটি মাত্র ডিজিটাল কার্ড বা কিউআর কোড যুক্ত সনদের মাধ্যমেই মালিকানার সব তথ্য যাচাই করা যাবে।

💥সনদ পাওয়ার পূর্বশর্ত -

ভূমি মালিকানা সনদ পেতে হলে জমি মালিকদের কিছু বিষয় নিশ্চিত করতে হবে:

নামজারি (Mutation) সম্পন্ন করা: আপনার নামে জমির খতিয়ান বা নামজারি অবশ্যই থাকতে হবে।

হালনাগাদ খাজনা: নিয়মিত ভূমি উন্নয়ন কর বা খাজনা পরিশোধ করা থাকলে সিএলও পাওয়া সহজ হবে। বর্তমানে ভূমি তথ্য বাতায়ন থেকে অনলাইনে খাজনা দেওয়া বাধ্যতামূলক।

স্মার্ট কার্ড ভিত্তিক ব্যবস্থা: এটি মূলত একটি কিউআর কোড সম্বলিত স্মার্ট কার্ড হবে, যা ভূমি ব্যবস্থাপনা অটোমেশন প্রকল্পের মাধ্যমে প্রদান করা হবে।

💥 এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?

সিএলও চালু হলে একই জমি একাধিকবার বিক্রি বা ভুয়া দলিল তৈরি করা অসম্ভব হয়ে পড়বে, ব্যাংক লোন বা জমি কেনাবেচার সময় দীর্ঘসূত্রিতা কমবে, জমি হস্তান্তর বা বিক্রির সাথে সাথেই ডিজিটাল সিস্টেমে সিএলও আপডেট হয়ে যাবে।

আপনার জমির মালিকানা এই নতুন ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত করতে দ্রুত আপনার ই-নামজারী সম্পন্ন করুন এবং খাজনা পরিশোধ করে দাখিলা সংগ্রহ করে রাখুন।

সুপ্রিম কোর্ট এর শারীরিক ও ভার্চুয়াল শুনানি প্রসঙ্গে -
22/04/2026

সুপ্রিম কোর্ট এর শারীরিক ও ভার্চুয়াল শুনানি প্রসঙ্গে -

21/04/2026

#খতিয়ানে_জমি_বেশি_কিন্তু_নকশায়_জমি_কম_জেনে_নিন_আপনার_করণীয়_কি_?

🔹 ১️। প্রথমেই বুঝে নিন সমস্যাটা কী:
খতিয়ানে (Record of Rights) জমির পরিমাণ যেমন লেখা আছে, নকশায় (Cadastral Map) দেখা যায় তার চেয়ে কম। মানে কাগজে জমি বেশি, কিন্তু মানচিত্রে মাপ কম দেখাচ্ছে।

🔹 ২️। এটা কেন হয়?

➡️ পুরোনো জরিপে ভুল মাপা বা ভুল হিসাব

➡️নদী ভাঙন বা জমি হারানো

➡️ পার্শ্ববর্তী দাগের সাথে সীমা গুলিয়ে যাওয়া

➡️ পরবর্তীতে জরিপে জমির আকার পরিবর্তন

🔹 ৩️। প্রথমে যাচাই করুন:

➡️ আপনার জমির দাগ নম্বর, খতিয়ান নম্বর, মৌজা নাম, এবং জরিপের ধরন (CS, SA, RS, BS ইত্যাদি) ঠিক আছে কি না।

➡️ নকশা অনুযায়ী আপনার জমির মাপজোক করে দেখুন।

🔹 ৪️। উপজেলা ভূমি অফিসে যোগাযোগ করুন:
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা ভূমি সহকারী কর্মকর্তার কাছে আবেদন করুন, যাতে তারা মাঠ জরিপ করে বাস্তব অবস্থার সাথে খতিয়ান ও নকশা মিলিয়ে দেখে।

🔹 ৫️। প্রয়োজনে “রিভিশন জরিপ” বা “সংশোধনী আবেদন” করুন:
যদি প্রমাণ হয় যে আপনার জমি বাস্তবে খতিয়ানের মতোই আছে, কিন্তু নকশায় ভুল আছে —

➡️ তাহলে আপনি জরিপ সংশোধনের আবেদন করতে পারবেন (Survey Correction Application)।

🔹 ৬️। নোটিশের পর পরিমাপ হবে:
ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার ও কানুনগো现场 গিয়ে জমি মেপে দেখবেন।
যদি সত্যিই ভুল থাকে, তারা রিপোর্ট দিয়ে সংশোধনের সুপারিশ করবেন।

🔹 ৭️। আদালতের মাধ্যমে সমাধান:
যদি প্রশাসনিকভাবে সমাধান না হয়, তখন সিভিল কোর্টে “ডিক্লারেটরি স্যুট” (Declaratory Suit) দায়ের করে জমির সঠিক সীমা ও পরিমাণ নির্ধারণের আবেদন করা যায়।

🔹 ৮️। জমির সীমা নির্ধারণ করে পাকা “দাগ সীমানা চিহ্ন” দিন:
পরবর্তী বিভ্রান্তি এড়াতে জমির সীমানা পাকা চিহ্ন বা পিলার বসিয়ে দিন।

🔹 ৯️। সমস্ত কাগজপত্র একসাথে রাখুন:
খতিয়ান, দলিল, নকশা, পরিমাপ রিপোর্ট — সব একসাথে ফাইল করে রাখুন। ভবিষ্যতে মামলা বা তর্কে এগুলোই হবে আপনার প্রমাণ।

🔹 �১০। সতর্ক থাকুন:

➡️ প্রতিবেশী দাগের জমি কেউ দখল করে নিচ্ছে কি না দেখুন।

➡️ জমির মাপ না মিললে সাথে সাথে পদক্ষেপ নিন — দেরি করলে বিপদ বাড়বে।

“খতিয়ানে বেশি, নকশায় কম” মানে আপনি জমি হারিয়ে ফেলেছেন — এটা সবসময় ঠিক নয়!
বরং সঠিক তদন্ত আর আবেদন করলে অনেক সময় জমি পুনরুদ্ধারও সম্ভব।

20/04/2026

#ফ্ল্যাট_কেনার_আগে_যে_আইনি_ডকুমেন্টগুলো_অবশ্যই_যাচাই_করতে_হবে-

১️। জমির মালিকানা সংক্রান্ত কাগজপত্র
• RS, SA, CS, Khatian (যা প্রযোজ্য)
• #হালনাগাদ নামজারি (Mutation) খতিয়ান
• #সর্বশেষ পর্চা ও খাজনা পরিশোধের রসিদ
• #মৌজা ম্যাপ ও জমির নকশা

🔍 নিশ্চিত করতে হবে জমিটি নিরবচ্ছিন্ন ও বৈধ মালিকানাধীন কিনা।

২️। #ডেভেলপার ও জমির মালিকের মধ্যে চুক্তিপত্র
• Development Agreement
• Power of Attorney (POA) – নিবন্ধিত ও কার্যকর কিনা
• POA বাতিল হয়নি কি না তা যাচাই

৩️। #অনুমোদন ও লাইসেন্স সংক্রান্ত ডকুমেন্ট
• রাজউক/সিডিএ/কেডিএ অনুমোদিত বিল্ডিং প্ল্যান
• ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্র (Land Use Clearance)
• সিটি কর্পোরেশন / পৌরসভার অনুমোদন

৪️। #ফ্ল্যাট বিক্রয় সংক্রান্ত ডকুমেন্ট
• Agreement for Sale (রেজিস্ট্রেশনযোগ্য)
• Payment Schedule ও রশিদ
• ফ্ল্যাটের সাইজ, অবস্থান ও শেয়ার উল্লেখ আছে কিনা
• হ্যান্ডওভার তারিখ ও দেরি হলে ক্ষতিপূরণ ধারা

৫️। #মামলাজনিত বিষয় যাচাই
• জমি বা বিল্ডিং নিয়ে কোনো
• সিভিল মামলা
• ফৌজদারি মামলা
• ইনজাংশন অর্ডার আছে কি না

🔎 প্রয়োজনে কোর্ট সার্চ করানো উচিত।

৬️। #ফ্ল্যাট হস্তান্তরের সময় প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট
• রেজিস্ট্রেশনকৃত কবলা দলিল
• ফ্ল্যাটের দখল বুঝে নেওয়ার ডকুমেন্ট
• ইউটিলিটি সংযোগ (গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি)
• অকুপেন্সি সার্টিফিকেট (যদি থাকে)

❌ ফ্ল্যাট কেনার সময় যে বিষয়গুলো অবশ্যই বর্জনীয়

🚫 ফেসবুক বিজ্ঞাপনের উপর নির্ভর করা
🚫 মৌখিক আশ্বাসে টাকা প্রদান
🚫 রেজিস্ট্রেশন ছাড়া সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ
🚫 অনুমোদনহীন বা আংশিক অনুমোদিত ভবনে ফ্ল্যাট ক্রয়
🚫 আইনজীবীর পরামর্শ ছাড়া চুক্তিতে স্বাক্ষর

⚖️ গুরুত্বপূর্ণ আইনি পরামর্শ -

✔️ ফ্ল্যাট কেনার আগে অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ আইনজীবি দিয়ে ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন করান
✔️ সব অর্থ লেনদেন ব্যাংকিং চ্যানেলে করুন
✔️ চুক্তিপত্রে আপনার অধিকার স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে কিনা নিশ্চিত করুন

📌 সঠিক যাচাই আপনাকে ভবিষ্যতের বড় আইনি ঝামেলা থেকে রক্ষা করতে পারে।
ফ্ল্যাট কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ধৈর্য্য ও আইনগত সচেতনতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ

 #চেক_ডিজঅনার_মামলায়_বড়_পরিবর্তন- 💥 এখন কোন মামলা কোন আদালতে যাবে?চালুন জানে নেই...💥The Negotiable Instruments Act, 1881...
18/04/2026

#চেক_ডিজঅনার_মামলায়_বড়_পরিবর্তন-

💥 এখন কোন মামলা কোন আদালতে যাবে?চালুন জানে নেই...

💥The Negotiable Instruments Act, 1881 এর ১৪১(গ) ধারা সংশোধন এর ফলে এখন আর সব মামলা একই আদালতে হবে না।

➡️আগে কী হতো?

আগে ১৩৮ ধারার (চেক ডিজঅনার) মামলাগুলো সাধারণত সেশন কোর্টে বিচার হতো।

➡️ এখন নতুন নিয়ম—

✅ চেকের মূল্য ৫ লক্ষ টাকার বেশি হলে, মামলা হবে যুগ্ম দায়রা জজ / মেট্রোপলিটন যুগ্ম দায়রা জজ আদালতে,

✅ চেকের মূল্য ৫ লক্ষ টাকা বা তার কম হলে, মামলা হবে ম্যাজিস্ট্রেট / মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে।

Address

Court House Street
Dhaka
1100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Adv. Rifat and Associates posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Adv. Rifat and Associates:

Share