Independent Education

Call Directions Website Contact the business

Independent Education Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Independent Education, Passport and visa service, House #58, Road #03, (Jamuna Bank Road)Block , Avenue ৳07, Banasree, Rampura Dhaka, Dhaka.

"To empower students worldwide by providing expert guidance and personalized support for international education, helping them navigate academic and cultural transitions with confidence, and unlocking global opportunities for their future success."

14/07/2026

স্টুডেন্ট ভিসায় বড় পরিবর্তন আনছে নিউজিল্যান্ড, শিক্ষার্থীরা পাবেন যেসব সুবিধা।
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য স্টুডেন্ট ভিসা নীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনছে নিউজিল্যান্ড। আগামী ২০ জুলাই থেকে দেশটির পাথওয়ে স্টুডেন্ট ভিসা সংক্রান্ত নতুন নিয়ম কার্যকর হবে। নতুন এই নীতিমালার ফলে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পরিকল্পনায় আরও বেশি নমনীয়তা পাবেন, পাশাপাশি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে নতুন ভিসার আবেদন ছাড়াই বিষয় পরিবর্তনের সুযোগও মিলবে।

ইমিগ্রেশন নিউজিল্যান্ড জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের কাছে দেশটিকে আরও প্রতিযোগিতামূলক ও আকর্ষণীয় করে তুলতেই এসব পরিবর্তন আনা হয়েছে। সরকারের উদ্যোগের অংশ হিসেবে ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করা এবং উচ্চশিক্ষার গন্তব্য হিসেবে নিউজিল্যান্ডের অবস্থান আরও শক্তিশালী করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

বর্তমানে পাথওয়ে স্টুডেন্ট ভিসার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা একটি ভিসা ব্যবহার করে ধারাবাহিকভাবে একাধিক কোর্স সম্পন্ন করতে পারেন। যেমন, ইংরেজি ভাষার কোর্স বা ফাউন্ডেশন প্রোগ্রাম শেষে একই ভিসায় উচ্চশিক্ষার পরবর্তী ধাপে ভর্তি হওয়ার সুযোগ রয়েছে। এতে প্রতিটি কোর্সের জন্য আলাদা স্টুডেন্ট ভিসার আবেদন করতে হয় না।

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য স্টুডেন্ট ভিসা নীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনছে নিউজিল্যান্ড। আগামী ২০ জুলাই থেকে দেশটির পাথওয়ে স্টুডেন্ট ভিসা সংক্রান্ত নতুন নিয়ম কার্যকর হবে। নতুন এই নীতিমালার ফলে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পরিকল্পনায় আরও বেশি নমনীয়তা পাবেন, পাশাপাশি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে নতুন ভিসার আবেদন ছাড়াই বিষয় পরিবর্তনের সুযোগও মিলবে।

ইমিগ্রেশন নিউজিল্যান্ড জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের কাছে দেশটিকে আরও প্রতিযোগিতামূলক ও আকর্ষণীয় করে তুলতেই এসব পরিবর্তন আনা হয়েছে। সরকারের উদ্যোগের অংশ হিসেবে ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করা এবং উচ্চশিক্ষার গন্তব্য হিসেবে নিউজিল্যান্ডের অবস্থান আরও শক্তিশালী করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

বর্তমানে পাথওয়ে স্টুডেন্ট ভিসার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা একটি ভিসা ব্যবহার করে ধারাবাহিকভাবে একাধিক কোর্স সম্পন্ন করতে পারেন। যেমন, ইংরেজি ভাষার কোর্স বা ফাউন্ডেশন প্রোগ্রাম শেষে একই ভিসায় উচ্চশিক্ষার পরবর্তী ধাপে ভর্তি হওয়ার সুযোগ রয়েছে। এতে প্রতিটি কোর্সের জন্য আলাদা স্টুডেন্ট ভিসার আবেদন করতে হয় না।

নতুন নিয়মে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে মাধ্যমিক শিক্ষা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে যাওয়া শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে। আগে ভিসায় নির্দিষ্ট ডিগ্রি ও বিষয় উল্লেখ থাকায় বিষয় পরিবর্তন করতে চাইলে নতুন করে স্টুডেন্ট ভিসার আবেদন করতে হতো। তবে ২০ জুলাই থেকে ভিসায় কেবল ডিগ্রির ধরন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ থাকবে। ফলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন থাকলে একই ডিগ্রির মধ্যে বিষয় পরিবর্তন করতে আর নতুন ভিসার প্রয়োজন হবে না।

এছাড়া পাথওয়ে স্টুডেন্ট ভিসার আওতা বাড়িয়ে নিউজিল্যান্ড কোয়ালিফিকেশনস অ্যান্ড ক্রেডেনশিয়ালস ফ্রেমওয়ার্ক এর লেভেল ১ থেকে ৪ পর্যন্ত বিভিন্ন শিক্ষাপথ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে থাকবে ইংরেজি ভাষার কোর্স, ফাউন্ডেশন প্রোগ্রাম এবং বিভিন্ন ভোকেশনাল সার্টিফিকেট কোর্স।
ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা অর্জন করতে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্যও এসেছে সুখবর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, প্রথমবারের পাথওয়ে স্টুডেন্ট ভিসাধারীরা এখন মূল কোর্সে ভর্তি হওয়ার আগে সর্বোচ্চ ৩০ সপ্তাহ পর্যন্ত ইংরেজি ভাষা অধ্যয়ন করতে পারবেন। আগে এই সময়সীমা ছিল ২০ সপ্তাহ।
নিউজিল্যান্ড সরকার বলছে, অতিরিক্ত এই সময় শিক্ষার্থীদের ভাষাগত দক্ষতা বাড়াতে সহায়ক হবে এবং উচ্চশিক্ষার মূল কোর্সে অংশ নেওয়ার জন্য আরও ভালো প্রস্তুতি নিশ্চিত করবে।
এর আগে থেকেই নিউজিল্যান্ড আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন সুবিধা দিয়ে আসছে। এর মধ্যে রয়েছে ফান্ডস ট্রান্সফার স্কিম, নির্দিষ্ট শর্তে স্বামী বা স্ত্রী ও সন্তানকে সঙ্গে নেওয়ার সুযোগ এবং সপ্তাহে সর্বোচ্চ ২৫ ঘণ্টা কাজ করার অনুমতি।

স্কলারশিপ, পার্ট-টাইম জব ও স্থায়ী বসবাসের দারুণ সুযোগ    উন্নত গবেষণা, উদ্ভাবনী শিক্ষাপদ্ধতি, শান্তিপূর্ণ সমাজ আর চমৎকার...
21/06/2026

স্কলারশিপ, পার্ট-টাইম জব ও স্থায়ী বসবাসের দারুণ সুযোগ


উন্নত গবেষণা, উদ্ভাবনী শিক্ষাপদ্ধতি, শান্তিপূর্ণ সমাজ আর চমৎকার জীবনমানের কারণে উচ্চশিক্ষার গন্তব্য হিসেবে বিশ্বজুড়ে শিক্ষার্থীদের কাছে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ সুইডেন। শুধু IKEA কিংবা নোবেল প্রাইজের জন্যই নয়, বরং গ্লোবাল ক্যারিয়ার গঠন ও স্থায়ী বসবাসের সুযোগের কারণে দক্ষিণ এশিয়ার, বিশেষ করে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য সুইডেন এখন একটি অন্যতম সেরা পছন্দ।

কেন বেছে নেবেন সুইডেন

বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও আধুনিক স্টুডেন্ট-সেন্ট্রিক শিক্ষাপদ্ধতির জন্য সুইডেন সুপরিচিত।

*ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনা: আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে ১,০০০-এর বেশি ইংরেজি-ভাষার মাস্টার্স প্রোগ্রাম
এবং বেশ কিছু ব্যাচেলর প্রোগ্রাম;

*পড়াশোনার পাশাপাশি কাজের সুযোগ: শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি সপ্তাহে সাধারণত ১৫ ঘণ্টা পার্ট-টাইম কাজ করার সুযোগ পান;

*স্পাউস ও ফ্যামিলি ভিসা: মাস্টার্স ও পিএইচডি পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা তাদের স্পাউস (স্বামী/স্ত্রী) এবং সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে যেতে পারেন। এক্ষেত্রে স্পাউস ফুল-টাইম কাজের সুযোগ পান এবং সন্তানরা বিনা মূল্যে পড়াশোনার সুবিধা পায়;

*জব সার্চ ভিসা ও পিআর (PR): পড়াশোনা শেষে চাকরি খোঁজার জন্য ১ বছরের ‘জব সার্চ ভিসা’ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে চাকরি পাওয়ার পর নির্ধারিত শর্ত ও অভিবাসন নীতি মেনে স্থায়ী বসবাসের (Permanent Residency) আবেদন করা যায়। তবে নির্দিষ্ট সময় বসবাসের পাশাপাশি চাকরি, আয়, স্বনির্ভরতা এবং অন্যান্য অভিবাসন শর্ত পূরণ করতে হয়;
টিউশন ফি ও জীবনযাত্রার খরচ

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) বা ইইএ (EEA)-এর বাইরের শিক্ষার্থীদের জন্য সুইডেনে পড়াশোনা ও থাকার খরচ শহরভেদে কিছুটা কম-বেশি হয়ে থাকে।

*টিউশন ফি: প্রতি বছর প্রায় ৮০,০০০ থেকে ১,৬০,০০০ সুইডিশ ক্রোনা (SEK), যা ইউরোর হিসেবে প্রায় ৭,০০০ থেকে ১৪,০০০ ইউরো। তবে অনেক প্রোগ্রামে স্কলারশিপের মাধ্যমে এই ফি সম্পূর্ণ মওকুফ হতে পারে;

*জীবনযাত্রার খরচ: বাসস্থান ও দৈনন্দিন খরচ মিলিয়ে প্রতি মাসে প্রায় ৮,০০০ থেকে ১২,০০০ সুইডিশ ক্রোনা (৭০০ থেকে ১,১০০ ইউরো) প্রয়োজন হয়;

*ভিসার জন্য ব্যাংক ব্যালেন্স: ভিসা আবেদনের জন্য প্রতি মাসের খরচ হিসেবে লিভিং কস্ট বাবদ প্রায় ১০,৬৫৬ সুইডিশ ক্রোনা (SEK) ব্যাংকে দেখাতে হয়;
স্কলারশিপের সুযোগ

সুইডেনে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারি ও বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে দুই ধরনের স্কলারশিপ রয়েছে:

১. SISGP (Swedish Institute Scholarships for Global Professionals): এটি অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ একটি সরকারি স্কলারশিপ। এর অধীনে সম্পূর্ণ টিউশন ফি মওকুফ, প্রতি মাসে ১২,০০০ SEK স্টাইপেন্ড, স্বাস্থ্যবিমা, ভিসা ফি এবং ট্রাভেল গ্রান্ট পাওয়া যায়। বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য এতে বিশেষ কোটা বা বরাদ্দ থাকে। বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন https://si.se/en/apply/scholarships/

২. বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব স্কলারশিপ: লুন্ড ইউনিভার্সিটি (Lund University Global Scholarship), উপসালা (Uppsala IPK Scholarship) ও কেটিএইচসহ (KTH Scholarship) বিভিন্ন নামী বিশ্ববিদ্যালয় মেধার ভিত্তিতে আংশিক বা পূর্ণ টিউশন ফি মওকুফের সুবিধা দেয়। এছাড়া ইউরোপের বিখ্যাত 'Erasmus Mundus' প্রোগ্রামের মাধ্যমেও সুইডেনে পড়ালেখা করা সম্ভব।
ভাষা ও ভর্তির যোগ্যতা

সুইডেনের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আবেদনের জন্য সাধারণত IELTS-এ ৬.৫ অথবা TOEFL-এ ৯০ স্কোর প্রয়োজন হয়। কিছু কিছু বিশ্ববিদ্যালয় PTE এবং Duolingo গ্রহণ করে। নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে মিডিয়াম অব ইনস্ট্রাকশন (MOI) বা পূর্ববর্তী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ইংরেজি মাধ্যমের সার্টিফিকেট গ্রহণযোগ্য হলেও তা খুব একটা সাধারণ নয়।

আবেদন ও ভিসা প্রক্রিয়া

সুইডেনে মূলত দুটি প্রধান সেশনে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়, তবে মূল আবেদনপ্রক্রিয়া শুরু হয় শীতকালে।

*আবেদনের সময়সীমা: প্রতি বছরের ১৬ অক্টোবর থেকে পরবর্তী বছরের ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত মূল আবেদন নেওয়া হয়;

*ফলাফল ও ভিসা: মার্চ-এপ্রিল মাসের মধ্যে ভর্তির ফলাফল প্রকাশ করা হয় এবং মে-জুন মাসের মধ্যে ভিসার জন্য আবেদন করতে হয়;

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

*অফার লেটার;

*স্কলারশিপের প্রমাণ (যদি থাকে);

*ব্যাংক স্টেটমেন্ট;

*ইনস্যুরেন্স;

*পুলিশ ক্লিয়ারেন্স;

*পাসপোর্ট ও ছবি;
আবেদনকেন্দ্র

ঢাকার বারিধারায় অবস্থিত সুইডিশ অ্যাম্বেসি (Swedish Embassy) অথবা ভিএফএস গ্লোবাল (VFS Global)-এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ভিসার আবেদনপত্র জমা দিতে পারবেন।

A full-ride scholarship for ambitious professionals aspiring to read a master's programme in Sweden.

20/06/2026

স্কলারশিপ পেতে যেসব বিষয় জানা প্রয়োজন

বর্তমানে প্রায় সব শিক্ষার্থীই স্বপ্ন দেখে উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পড়তে যাওয়ার। এর মধ্যে কেউ চায় দেশের বাইরে গিয়ে স্নাতক, কেউ স্নাতকোত্তর, কেউবা আবার সরাসরি পিএইচডি বা ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করতে। বর্তমানে বিদেশে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নজরকাড়া সব স্কলারশিপের সুযোগ প্রদান করে থাকে। যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ফুল-ফান্ডেড বা আংশিক অর্থায়নের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষা অর্জন করতে সক্ষম হয়। এটি শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যাদের বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের জন্য পর্যাপ্ত অর্থ নেই তারা এসব স্কলারশিপের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেয়ে থাকে।
আজকে আমরা জানব বিদেশে উচ্চশিক্ষা অর্জনের ক্ষেত্রে স্কলারশিপ পেতে যেসব বিষয় জানা খুবই দরকারি।

১. উচ্চশিক্ষায় স্কলারশিপ প্রদানকারী দেশসমূহ
প্রথমত আপনাকে উচ্চশিক্ষায় স্কলারশিপ প্রদানকারী দেশ সম্পর্কে জানতে হবে। বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের কাছে জনপ্রিয় কয়েকটি দেশ হলো:

*যুক্তরাষ্ট্র;

*যুক্তরাজ্য;

*জার্মানি;

*কানাডা;

*অস্ট্রেলিয়া;

*স্পেন;

*ইতালি;

*আয়ারল্যান্ড;

*জাপান;

*রাশিয়া;

*মালয়েশিয়া;

উক্ত দেশগুলো ছাড়াও বিশ্বের আরও অনেক দেশ রয়েছে যারা উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য স্কলারশিপ প্রদান করে থাকে। যেমন হাঙ্গেরি, চীন, লিথুয়ানিয়া, তুরস্ক, ভারত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিসর ইত্যাদি। এসব দেশের অধিকাংশ স্কলারশিপে সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়, সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারি স্কলারশিপ পোর্টাল অথবা দূতাবাসের মাধ্যমে আবেদন করা যায়। কিছু সরকারি বা দ্বিপাক্ষিক স্কলারশিপের ক্ষেত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মনোনয়ন প্রয়োজন হতে পারে।
২. বিদেশে উচ্চশিক্ষায় বৃত্তির খোঁজ

স্কলারশিপ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সাধারণত বিশ্ববিদ্যালয় ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। দেশভেদে ও বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে স্কলারশিপের যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়। তাই আপনাকে আগে থেকেই ঠিক করে নিতে হবে কোন দেশের কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃত্তির জন্য আবেদন করতে চান। এক্ষেত্রে আপনাকে সাহায্য করবে বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট এবং সরকারি শিক্ষা বিষয়ক পোর্টালগুলো।

এ ছাড়াও বিভিন্ন দেশের দূতাবাসের ওয়েবসাইটে নিয়মিত স্কলারশিপ সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়। সেখানে প্রতি বছরের বিভিন্ন বৃত্তির তথ্য পাওয়া যায়। আপনি চাইলে সরাসরি দূতাবাস বা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও যোগাযোগ করতে পারেন। পাশাপাশি শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইটেও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বৃত্তির তথ্য প্রকাশ করা হয়ে থাকে।

৩. প্রয়োজনীয় নথিপত্র

প্রত্যেক দেশের বিশ্ববিদ্যালয় তাদের স্কলারশিপে আবেদনের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করে দেয়। আপনাকে ওই সময়ের মধ্যেই প্রয়োজনীয় নথিপত্রসহ অনলাইনে আবেদন করতে হবে। সময়সীমা অতিক্রম করলে সাধারণত আবেদন গ্রহণ করা হয় না। তাই আগে থেকেই প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত করে রাখা জরুরি। যেমন:

*পাসপোর্টের কপি;

*স্নাতক পর্যায়ের স্কলারশিপের জন্য উচ্চ মাধ্যমিকের সার্টিফিকেট ও ট্রান্সক্রিপ্ট;

*স্নাতকোত্তর পর্যায়ের স্কলারশিপের জন্য স্নাতক ডিগ্রির সার্টিফিকেট ও ট্রান্সক্রিপ্ট;

*পিএইচডি পর্যায়ের স্কলারশিপের জন্য স্নাতকোত্তর ডিগ্রির সার্টিফিকেট ও ট্রান্সক্রিপ্ট;

*রিকমেন্ডেশন লেটার (Recommendation Letter);

*ভাষাগত দক্ষতার সনদ;

*সিভি বা রেজুমে;

*বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রম ও অর্জনের সনদপত্র;
৪. ভাষাদক্ষতা পরীক্ষা

বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রে অধিকাংশ উন্নত দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি ভাষাদক্ষতার প্রমাণ দেখাতে হয়। এটিকে বিদেশে উচ্চশিক্ষার আবেদনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ ছাড়াও কিছু ক্ষেত্রে মান্ডারিন, জার্মান, ফরাসি, আরবি কিংবা জাপানি ভাষার দক্ষতা প্রয়োজন হতে পারে।

ইংরেজি ভাষার দক্ষতা যাচাইয়ের জন্য অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয় IELTS, TOEFL, PTE অথবা Duolingo English Test গ্রহণ করে থাকে। অন্যদিকে GRE ও GMAT হলো উচ্চশিক্ষার নির্দিষ্ট কিছু প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য ব্যবহৃত পৃথক ভর্তি পরীক্ষা।

আপনার ইংরেজি দক্ষতা বাড়াতে নিয়মিত Speaking, Writing, Reading ও Listening অনুশীলন করা প্রয়োজন। সঠিক প্রস্তুতি গ্রহণ শেষে ব্রিটিশ কাউন্সিল, আইডিপি (IDP) অথবা অন্যান্য অনুমোদিত পরীক্ষাকেন্দ্রে পরীক্ষা দেওয়া যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে প্রয়োজনীয় IELTS বা সমমানের স্কোর ভিন্ন হয়ে থাকে। সাধারণত ৬.০ থেকে ৭.৫ বা তার বেশি স্কোর প্রয়োজন হতে পারে।

৫. অ্যাকাডেমিক ফলাফল

বিদেশে স্কলারশিপ পাওয়ার ক্ষেত্রে অ্যাকাডেমিক ফলাফল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মোটামুটি ভালো একটি সিজিপিএ থাকলে স্কলারশিপ পাওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। তবে অ্যাকাডেমিক ফলাফলের পাশাপাশি গবেষণা অভিজ্ঞতা, ভাষাগত দক্ষতা, নেতৃত্বগুণ ও অন্যান্য অর্জনও মূল্যায়ন করা হয়।
৬. স্টেটমেন্ট অব পারপাস (SOP)

অনেকেই বলে থাকেন, স্কলারশিপ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে সবকিছুর মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো SOP বা Statement of Purpose। এমন অনেক শিক্ষার্থী আছেন যাদের সিজিপিএ বা ভাষা পরীক্ষার স্কোর তুলনামূলক কম হলেও শক্তিশালী SOP-এর মাধ্যমে ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ পেয়েছেন। তাই কীভাবে একটি ভালো SOP তৈরি করা যায় তা নিয়ে আগে থেকেই ভাবনা-চিন্তা করুন। নিজের অ্যাকাডেমিক লক্ষ্য, গবেষণার আগ্রহ, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং অর্জনগুলো সুন্দরভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করুন।

৭. রিকমেন্ডেশন লেটার

স্কলারশিপ পাওয়ার জন্য Recommendation Letter একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বর্তমানে অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে রেফারেন্স জমা দিতে হয়। সাধারণত শিক্ষক, গবেষণা সুপারভাইজার অথবা আবেদনকারীর কাজ সম্পর্কে ভালোভাবে জানেন এমন কোনো অ্যাকাডেমিক ব্যক্তির কাছ থেকে Recommendation Letter নেওয়া উত্তম। একটি শক্তিশালী Recommendation Letter আবেদনকারীর যোগ্যতা ও সম্ভাবনা সম্পর্কে ভর্তি কমিটিকে ইতিবাচক ধারণা দিতে সাহায্য করে।
৮. প্রকাশনা

যদি আপনি গবেষণাভিত্তিক মাস্টার্স কিংবা পিএইচডি করতে চান, তবে গবেষণা অভিজ্ঞতা এবং গবেষণা প্রকাশনা অতিরিক্ত সুবিধা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তবে অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডিতে আবেদনের জন্য গবেষণা প্রকাশনা বাধ্যতামূলক নয়। যদি আপনার কোনো গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত থাকে, তাহলে অবশ্যই তা মানসম্পন্ন ও স্বীকৃত জার্নালে প্রকাশিত হওয়া উচিত। কোনো অপরিচিত বা নিম্নমানের জার্নাল কিংবা শুধু অর্থের বিনিময়ে প্রকাশনা করে এমন জার্নালে প্রকাশিত প্রবন্ধ আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সাধারণত কম গুরুত্ব পায়। তাই গবেষণা প্রকাশনার ক্ষেত্রে জার্নালের মানের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

20/06/2026

ফুল-ফ্রি স্কলারশিপে স্নাতকোত্তরের সুযোগ অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে, করুন আবেদন
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে ফুল-ফ্রি স্কলারশিপ দিচ্ছে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি। “উইডেনফেল্ড হফম্যান স্কলারশিপ“ এর আওতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের এই স্কলারশিপ প্রদান করা হবে। বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশের শিক্ষার্থীরা এ স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের সময়সীমা কোর্সভেদে ভিন্ন ভিন্ন।

অধ্যয়নের সুযোগ যেসব বিষয়ে

সিভিল ল, বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, পাবলিক পলিসি, অ্যাডভান্সড কম্পিউটার সায়েন্স, আফ্রিকান স্টাডিজ, বায়োডাইভার্সিটি, কনজারভেশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট, সোশ্যাল পলিসি, চায়নিজ স্টাডিজ, ডিপ্লোম্যাটিক স্টাডিজ, এডুকেশন, এনার্জি সিস্টেমস, এনভারনমেন্টাল চ্যাঞ্জ অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট, সোশ্যাল ইন্টারভেনশন অ্যান্ড পলিসি ইভ্যালুয়েশন, ফিন্যান্সিয়াল ইকোনমিক্স, গ্লোবাল গভার্ন্যান্স অ্যান্ড ডিপ্লোম্যাসি, হেলথ সায়েন্স অ্যান্ড ইপিডেমিওলোজি, ইন্টারন্যাশনাল হেলথ অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিন, ইসলামিক স্টাডিজ অ্যান্ড হিস্টোরি, মাইগ্রেশন স্টাডিজ, সোশ্যাল সায়েন্স ও ওয়াটার সায়েন্সসহ বিভিন্ন বিষয়ে স্নাতকোত্তর করতে পারবেন।

সুযোগ-সুবিধা

*সম্পূর্ণ টিউশন ফি মওকুফ করবে;

*জীবনযাত্রার খরচের জন্য উপবৃত্তি হিসেবে ২০ হাজার ৭৮০ ব্রিটিশ পাউন্ড প্রদান করবে;

*ইউরোপীয় সংস্কৃতি ও ইতিহাস সম্পর্কে জ্ঞান অর্জনের সুযোগ;

*লিডারশিপ প্রোগ্রাম, মেন্টরশিপ ও নেটওয়ার্কিং সুবিধা;

আবেদনের যোগ্যতা

*স্নাতক ডিগ্রীধারী হতে হবে;

*অ্যাকাডেমিক ফলাফল ভালো হতে হবে;

*তালিকাভুক্ত দেশগুলোর নাগরিক হতে হবে;

*কোর্স শেষে দেশের ফিরে যেতে ইচ্ছুক হতে হবে;

*ইংরেজি দক্ষতা সনদ প্রদর্শন করতে হবে (কোর্সভেদে স্কোর ভিন্ন হতে পারে);

আবেদনপ্রক্রিয়া

অনলাইনে আবেদন করতে হবে। যেহুতু কোর্সভেদে আবেদনের সময়সীমা আলাদা। এজন্য আবেদনকারীকে পছন্দকৃত কোর্সে আবেদনের সময়সীমা অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে দেখে নিতে হবে।

স্কলারশিপে স্নাতক-স্নাতকোত্তর-পিএইচডির সুযোগ পর্তুগালে, মাসিক ভাতাসহ থাকছে যেসব সুবিধা আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ২০২৬-২৭...
20/06/2026

স্কলারশিপে স্নাতক-স্নাতকোত্তর-পিএইচডির সুযোগ পর্তুগালে, মাসিক ভাতাসহ থাকছে যেসব সুবিধা আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে উচ্চশিক্ষায় স্কলারশিপ দিচ্ছে পর্তুগাল সরকার। পর্তুগাল সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত এই স্কলারশিপের আওতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা দেশটির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ পাবেন। বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে। আবেদনের শেষ সময় ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।

পর্তুগাল শুধু ইউরোপের অন্যতম প্রাচীন রাষ্ট্রই নয়, দেশটি এখন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আকর্ষণের নতুন কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। আটলান্টিক মহাসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিম তীরে অবস্থিত এই দেশটি এখন উচ্চশিক্ষার এক সম্ভাবনাময় ঠিকানা। কম খরচ, আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ- সব মিলিয়ে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য পর্তুগাল হতে পারে এক অনন্য সম্ভাবনার দেশ।
*সম্পূর্ণ টিউশন ফি মওকুফ;

*জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহের জন্য মাসিক ১২৫০ ইউরো ভাতা;

*ইউরোপের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় পড়ার সুযোগ;
*পর্তুগিজ ভাষা শিক্ষা বা ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনার সুবিধা;

*আন্তর্জাতিক ও ইউরোপীয় চাকরির বাজারে উন্নত কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা;

*স্বাস্থ্যবিমা ও ভিসা সহায়তা;
*অনলাইন আবেদনপত্র;

*সাম্প্রতিক পাসপোর্ট সাইজের ছবি;

*মোটিভেশন লেটার;

*বৈধ পাসপোর্ট বা জাতীয় পরিচয়পত্র;

*সংশ্লিষ্ট শিক্ষাগত সনদপত্র;

*ভাষাদক্ষতার সনদ (টোফেল/আইইএলটিএস বা সমমানের সনদ);

*সুপারিশপত্র;

*সিভি বা রেজুমে;

*বিশ্ববিদ্যালয়ের চাহিদা অনুযায়ী অন্যান্য নথিপত্র;
*স্নাতকের জন্য মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিক, স্নাতকোত্তরের জন্য থেকে স্নাতক ও পিএইচডির জন্য সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে;

*ইংরেজি বা পর্তুগিজ ভাষায় দক্ষ হতে হবে;
আবেদনপদ্ধতি

অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদনপদ্ধতি ও বিস্তারিত তথ্য জানতে
https://www.gov.pt/servicos/candidatar-se-a-uma-bolsa-de-estudo-para-o-ensino-superior

17/06/2026
17/06/2026

আইইএলটিএস ছাড়াই পড়ুন পোল্যান্ডে, রয়েছে নানা স্কলারশিপ

ইউরোপের শেনজেনভুক্ত একটি দেশ পোল্যান্ড, এর রাজধানীর নাম ওয়ারশ। উচ্চশিক্ষা অর্জনসহ নিজেকে বিকশিত করার জন্য পোল্যান্ড সরকার আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের নানা ধরনের সুযোগ প্রদান করে থাকে। এই দেশে রয়েছে শত বছরের পুরোনো বিশ্বমানের ১০০টিরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয়। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে পোলিশসহ ইংরেজি মিডিয়ামের কোর্স অফার করা হয়ে থাকে। এদেশে ইঞ্জিনিয়ারিং, এগ্রিকালচার, মিউজিক, ফরেস্ট্রি, থিওলজি, অর্থনীতি, ব্যবসায় শিক্ষা, আর্ট ও এডুকেশন, আর্কিওলজি, ফিল্ম ইত্যাদিসহ বহু বিষয়ে পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে।
কিছু কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আইইএলটিএস বা টোয়েফল ছাড়াই ভর্তির সুযোগ দেয়। ইংরেজির দক্ষতা প্রমাণের বিকল্প উপায়ে শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ দেয় এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী পোল্যান্ডে বর্তমানে প্রায় ১১ লাখ শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন শিক্ষা ও স্কলারশিপ কর্মসূচির আওতায় পোল্যান্ডের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আবেদন করতে পারেন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা। পোল্যান্ডে পড়াশোনার একটি অন্যতম সুবিধা হলো স্টাডি ভিসায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্যান্য সেনজেনভুক্ত দেশ ভ্রমণের সুযোগ পাওয়া।

সর্বশেষ
শিক্ষাঙ্গন
উচ্চশিক্ষা
শিক্ষা প্রশাসন
ভর্তি পরীক্ষা
কর্মসংস্থান
স্কলারশিপ
খেলাধুলা
অর্থনীতি
জাতীয়
ভিডিও স্টোরি
Eng

আইইএলটিএস ছাড়াই পড়ুন পোল্যান্ডে, রয়েছে নানা স্কলারশিপ
টিডিসি ডেস্ক
১৬ জুন ২০২৬, ১০:১৪ PM
পোল্যান্ডে আইইএলটিএস ছাড়াই উচ্চশিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী হলে আবেদন করুন দ্রুতই
পোল্যান্ডে আইইএলটিএস ছাড়াই উচ্চশিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী হলে আবেদন করুন দ্রুতই © সংগৃহীত

ইউরোপের শেনজেনভুক্ত একটি দেশ পোল্যান্ড, এর রাজধানীর নাম ওয়ারশ। উচ্চশিক্ষা অর্জনসহ নিজেকে বিকশিত করার জন্য পোল্যান্ড সরকার আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের নানা ধরনের সুযোগ প্রদান করে থাকে। এই দেশে রয়েছে শত বছরের পুরোনো বিশ্বমানের ১০০টিরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয়। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে পোলিশসহ ইংরেজি মিডিয়ামের কোর্স অফার করা হয়ে থাকে। এদেশে ইঞ্জিনিয়ারিং, এগ্রিকালচার, মিউজিক, ফরেস্ট্রি, থিওলজি, অর্থনীতি, ব্যবসায় শিক্ষা, আর্ট ও এডুকেশন, আর্কিওলজি, ফিল্ম ইত্যাদিসহ বহু বিষয়ে পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে।

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের পোল্যান্ডের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিভিন্ন কোর্সে পড়ার সুযোগ দেওয়া হয়ে থাকে। পোল্যান্ডের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ইংরেজিতে দক্ষতার প্রমাণের জন্য আইইএলটিএস বা টোয়েফলের পরীক্ষার সনদ প্রদান করতে হয়। তবে কিছু কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আইইএলটিএস বা টোয়েফল ছাড়াই ভর্তির সুযোগ দেয়। ইংরেজির দক্ষতা প্রমাণের বিকল্প উপায়ে শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ দেয় এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী পোল্যান্ডে বর্তমানে প্রায় ১১ লাখ শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন শিক্ষা ও স্কলারশিপ কর্মসূচির আওতায় পোল্যান্ডের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আবেদন করতে পারেন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা। পোল্যান্ডে পড়াশোনার একটি অন্যতম সুবিধা হলো স্টাডি ভিসায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্যান্য সেনজেনভুক্ত দেশ ভ্রমণের সুযোগ পাওয়া।

আরও পড়ুন: বিনা মূল্যে ইন্টার্নশিপের সুযোগ জাপানে, করুন আবেদন

যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে আইইএলটিএস ছাড়াই অধ্যয়নের সুযোগ আছে

*ওয়ারশ ইউনিভার্সিটি;

*অ্যাডাম মিকিউইচ ইউনিভার্সিটি, পোজনান;

*সাইলেসিয়া ইউনিভার্সিটি, ক্যাটোভিস;

*জাগিয়েলোনিয়ান ইউনিভার্সিটি;

*এজিএইচ ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি;

*ওয়ারশ ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি;

*গদানস্ক ইউনিভার্সিটি;

*রকলো ইউনিভার্সিটি;

*পোজনান ইউনিভার্সিটি অব মেডিকেল সায়েন্সেস;

*লডজ ইউনিভার্সিটি.

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য পোল্যান্ডের নজরকাড়া কিছু স্কলারশিপ

*ইগনাসি লুকাশেভিচ স্কলারশিপ প্রোগ্রাম;

*পলোনিস্তা স্কলারশিপ প্রোগ্রাম;

*ওয়ারশ ইউনিভার্সিটি স্কলারশিপ;

*মারিয়া কুরি-স্ক্লোদভস্কা ইউনিভার্সিটি স্কলারশিপ;

*উলাম ইন্টারন্যাশনাল প্রোগ্রাম;

*লাজারস্কি ইউনিভার্সিটি স্কলারশিপ;

*ইরাসমাস মুন্ডাস স্কলারশিপ;
আইইএলটিএসের বিকল্প হিসেবে যে যোগ্যতা থাকতে হবে আপনার

*কোনো শিক্ষার্থী যদি আগে একটি ইংরেজি মাধ্যমের ইনস্টিটিউট বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ডিগ্রি সম্পন্ন করে থাকেন, তাহলে তিনি ‘ইংরেজি ভাষার দক্ষতা’ সনদ (MOI Certificate) ব্যবহার করতে পারেন। আইইএলটিএস ও টোয়েফলের বিকল্প হিসেবে সেই সনদ বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদনের সময় জমা দেওয়া যায়। কিছু বিশ্ববিদ্যালয় পূর্ববর্তী প্রতিষ্ঠান থেকে প্রদত্ত ইংরেজি দক্ষতার সনদ গ্রহণ করে থাকে।

*আবার কিছু ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিক্ষার্থীর ইংরেজি ভাষার দক্ষতা মূল্যায়নের জন্য অনলাইন বা ভিডিও সাক্ষাৎকার নিয়ে থাকে। সেই সাক্ষাৎকারে সন্তোষজনক পারফরম্যান্স করলে আইইএলটিএসের সনদের প্রয়োজনীয়তা থেকে ছাড় পাওয়া যেতে পারে;

*ইংরেজি ভাষা পরীক্ষার ক্ষেত্রে পোল্যান্ডের কিছু বিশ্ববিদ্যালয় আইইএলটিএস ছাড়াও অন্যান্য ইংরেজি ভাষার দক্ষতা পরীক্ষা গ্রহণ করে থাকে। যেমন: ডুওলিঙ্গো ইংলিশ টেস্ট (DET) অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গ্রহণযোগ্য;

*আবার আপনি যদি ইংরেজিভাষী দেশের নাগরিক হয়ে থাকেন অথবা ইংরেজিভাষী দেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা কার্যক্রম সম্পন্ন করে থাকেন, সেক্ষেত্রে অনেক বিশ্ববিদ্যালয় আইইএলটিএসের সনদ ছাড়াই আবেদন গ্রহণ করে.

15/06/2026

অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনা করতে যাচ্ছেন, নতুন শিক্ষার্থীদের জন্য ৭ করণীয়

১. বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করুন

অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছানোর পর প্রথমেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি ও নিবন্ধন নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি ওরিয়েন্টেশন কার্যক্রমে অংশ নিয়ে ক্যাম্পাস সুবিধা, শিক্ষার্থী সহায়তা সেবা এবং একাডেমিক নিয়মকানুন সম্পর্কে ধারণা নেওয়া প্রয়োজন। নতুন ঠিকানায় ওঠার সাত দিনের মধ্যে সেটি প্রতিষ্ঠানকে জানানোও গুরুত্বপূর্ণ।

২. স্থানীয় ব্যাংক হিসাব খুলুন

দৈনন্দিন খরচ, বাসাভাড়া পরিশোধ বা ভবিষ্যতে চাকরির বেতন গ্রহণের জন্য দ্রুত একটি অস্ট্রেলিয়ান ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার পরামর্শ দেওয়া হয়। এতে বড় অঙ্কের নগদ অর্থ বহনের প্রয়োজনও কমে যায়।

৩. মোবাইল ও ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করুন

স্থানীয় সিম কার্ড বা মোবাইল প্ল্যান কিনে যোগাযোগব্যবস্থা সচল রাখা জরুরি। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন নোটিশ, চাকরির সুযোগ এবং জরুরি বার্তা পেতে এটি সহায়ক ভূমিকা রাখে।

৪. গণপরিবহনব্যবস্থা সম্পর্কে জানুন

অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন শহরে গণপরিবহন ব্যবহারের জন্য আলাদা ট্রাভেল কার্ড রয়েছে। যেমন: সিডনিতে ‘ওপাল কার্ড’ এবং পার্থে ‘স্মার্টরাইডার কার্ড’। বাস, ট্রেন ও ফেরি চলাচলের রুট এবং সময়সূচি জানা থাকলে যাতায়াত সহজ হয়।

৫. ক্লাস শুরুর প্রস্তুতি নিন

কোর্স কাঠামো, বিষয়ভিত্তিক প্রয়োজনীয়তা, অ্যাসাইনমেন্টের সময়সীমা এবং মূল্যায়ন পদ্ধতি সম্পর্কে আগে থেকেই ধারণা নেওয়া উচিত। একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় বইপত্র ও অনলাইন শিক্ষাব্যবস্থা ব্যবহারে অভ্যস্ত হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য উপকারী।

৬. আর্থিক পরিকল্পনা ও কাজের প্রস্তুতি নিন

আবাসন, খাদ্য, যাতায়াত ও অন্যান্য খরচ বিবেচনায় মাসিক বাজেট তৈরি করা প্রয়োজন। যাঁরা খণ্ডকালীন চাকরি করতে চান, তাঁদের ট্যাক্স ফাইল নম্বর (TFN) সংগ্রহ করতে হবে। কিছু ধরনের কাজের ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ান বিজনেস নম্বর (ABN) প্রয়োজন হতে পারে।

৭. স্বাস্থ্য ও মানসিক সুস্থতার প্রতি গুরুত্ব দিন

নিকটস্থ স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র ও চিকিৎসা সুবিধা সম্পর্কে জেনে রাখা, জরুরি যোগাযোগ নম্বর সংরক্ষণ করা এবং প্রয়োজনে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের বিষয়ে সচেতন থাকা জরুরি। পাশাপাশি খেলাধুলা বা শারীরিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ নতুন পরিবেশে মানিয়ে নিতে সহায়তা করতে পারে।

Address

House #58, Road#03, (Jamuna Bank Road)Block#G, Avenue ৳07, Banasree, Rampura Dhaka
Dhaka
1219

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
18:00 - 19:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801760911566

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Independent Education posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Independent Education:

Shortcuts

Share