Advocate & Lawyer Chamber Dhaka Mob:01711337019

Advocate & Lawyer Chamber Dhaka Mob:01711337019 Advocate Jahir Uddin Akand.

Mob:&:Wjatsapp- 01711921416

ঢাকা উত্তরা ল চেম্বার :-
বাড়ী ১২ রোড ৩৩ সেক্টর ৭ উত্তরা ঢাকা
সাক্ষাত/পরামর্শ শুক্রবার ও শনিবার

ময়মনসিংহ ল চেম্বার
১৬/১পাদরি মিশন রোড আলিয়া মাদ্রাসা মোড় মোবা ০১৭১১৯২১৪১৬

20/08/2026

হ্যাঁ। মুতা বিবাহ ও হিল্লা বিবাহ—দুটিকে আলাদা করে দেখতে হবে। কুরআনের আয়াত, হাদিস এবং শিয়া-সুন্নি ফিকহে এ দুটির অবস্থান এক নয়।
বিয়ে তালাক যৌতুক উত্তরাধিকার আইনি সমস্যা ও সমাধান ০১৭১১৯২১৪১৬

১. মুতা বিবাহ (نِكَاحُ الْمُتْعَةِ)

মুতা হলো নির্দিষ্ট সময়ের জন্য চুক্তিভিত্তিক বিবাহ—যেমন এক মাস, এক বছর ইত্যাদি—যেখানে মোহর নির্ধারিত থাকে। ইমামিয়া/দ্বাদশী শিয়া ফিকহে এটি বৈধ বিবাহের একটি ধরন। 

কুরআনের প্রধান আয়াত: ৪:২৪

فَمَا اسْتَمْتَعْتُم بِهِ مِنْهُنَّ فَآتُوهُنَّ أُجُورَهُنَّ فَرِيضَةً

বাংলা উচ্চারণ:
ফামাস্তামতা‘তুম বিহি মিনহুন্না ফা-আতূহুন্না উজূরাহুন্না ফারীদাহ।

অর্থের মূল বক্তব্য: নারীদের সঙ্গে বৈধভাবে উপভোগ/সম্পর্ক স্থাপনের ক্ষেত্রে তাদের নির্ধারিত মোহর প্রদান করতে হবে।

শিয়া ব্যাখ্যা: ইমামিয়া শিয়ারা ৪:২৪-এর “ইস্তামতা‘তুম”-কে মুতা বিবাহের দলিল হিসেবে গ্রহণ করেন। আয়াতটি রহিত হয়েছে—সুন্নি মতের এই দাবিকে তারা গ্রহণ করেন না।

সুন্নি মত

সুন্নি ফিকহের চার মাযহাবের প্রচলিত অবস্থান হলো—মুতা প্রথমদিকে অনুমোদিত হয়েছিল, পরে রাসুল ﷺ তা নিষিদ্ধ করেন; তাই বর্তমানে মুতা হারাম।

সহিহ মুসলিমে একাধিক বর্ণনায় মুতা প্রথমে অনুমোদিত হওয়ার কথা এবং পরে নিষিদ্ধ হওয়ার কথা এসেছে।

তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক বিতর্ক আছে: সহিহ মুসলিম ১৪০৫c-তে জাবির (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে তারা রাসুল ﷺ-এর সময়ে এবং আবু বকর (রা.)-এর সময়ে, এমনকি উমর (রা.)-এর সময়েও মুতা করতেন; পরে উমর (রা.) তা নিষেধ করেন।

অর্থাৎ “কে কখন নিষেধ করলেন এবং নবী ﷺ-এর চূড়ান্ত নিষেধাজ্ঞা কখন হয়েছিল”—এটি ঐতিহাসিক হাদিস-আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

শিয়া অবস্থান

বর্তমান দ্বাদশী শিয়া ফিকহে, যেমন আয়াতুল্লাহ সিস্তানির ফতোয়ায়:

মুতা বৈধ, তবে নির্দিষ্ট সময় ও মোহর অবশ্যই চুক্তিতে নির্ধারিত হতে হবে।

মুতার কিছু ফিকহি বৈশিষ্ট্যও স্থায়ী বিবাহ থেকে আলাদা—যেমন সাধারণভাবে স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক উত্তরাধিকার থাকে না এবং স্ত্রীর ভরণপোষণের অধিকার স্থায়ী বিবাহের মতো নয়।

সংক্ষেপে

বিষয় দ্বাদশী শিয়া সুন্নি

মুতা জায়েজ হারাম
সময় নির্ধারণ আবশ্যক প্রযোজ্য নয়
মোহর আবশ্যক —
৪:২৪ মুতা বৈধতার দলিল মুতা নয়/পরবর্তী নিষেধাজ্ঞায় রহিত

---

২. হিল্লা বিবাহ

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য আছে।

কুরআনে “হিল্লা বিবাহ” নামে কোনো বিবাহের বিধান নেই। কুরআনে বলা হয়েছে, কোনো নারীকে তার স্বামী তৃতীয়বার তালাক দিলে সে প্রথম স্বামীর জন্য আর বৈধ হবে না, যতক্ষণ না সে অন্য একজন স্বামীকে বিবাহ করে। তারপর দ্বিতীয় স্বামী যদি তাকে তালাক দেয় বা বিবাহটি স্বাভাবিকভাবে শেষ হয়, তখন প্রথম স্বামীর সঙ্গে পুনর্বিবাহের সুযোগ হতে পারে।

সূরা আল-বাকারা ২:২৩০

فَإِن طَلَّقَهَا فَلَا تَحِلُّ لَهُ مِنۢ بَعْدُ حَتَّىٰ تَنكِحَ زَوْجًا غَيْرَهُۥ ۗ فَإِن طَلَّقَهَا فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِمَآ أَن يَتَرَاجَعَا

বাংলা উচ্চারণ:
ফা-ইন তাল্লাকাহা ফালা তাহিল্লু লাহু মিন বা‘দু হাত্তা তানকিহা যাওজান গাইরাহু; ফা-ইন তাল্লাকাহা ফালা জুনাহা ‘আলাইহিমা আইঁ ইয়াতারাজা‘আ।

অর্থ:
“অতঃপর সে যদি তাকে (তৃতীয়বার) তালাক দেয়, তাহলে সে তার জন্য বৈধ হবে না, যতক্ষণ না সে অন্য স্বামীকে বিবাহ করে। অতঃপর সেই স্বামী যদি তাকে তালাক দেয়, তাহলে উভয়ের পুনরায় একত্রিত হওয়ার ব্যাপারে কোনো অপরাধ নেই…”

তাহলে “হিল্লা” কোথা থেকে এলো?

এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো:

কুরআন স্বাভাবিক দ্বিতীয় বিবাহের কথা বলেছে; প্রথম স্বামীর কাছে ফেরানোর উদ্দেশ্যে সাজানো/চুক্তিবদ্ধ দ্বিতীয় বিবাহের কথা বলেনি।

অর্থাৎ—

প্রথম স্বামী → তৃতীয় তালাক → নারী অন্য পুরুষকে স্বাভাবিকভাবে বিবাহ করল → প্রকৃত দাম্পত্য জীবন হলো → পরে দ্বিতীয় স্বামী নিজ ইচ্ছায় তালাক দিল/বিবাহ শেষ হলো → ইদ্দত শেষে প্রথম স্বামীকে পুনরায় বিবাহ করা সম্ভব।

কিন্তু—

“তুমি শুধু কয়েকদিনের জন্য তাকে বিয়ে করবে, সহবাস করবে, তারপর তালাক দিয়ে দেবে, যাতে সে প্রথম স্বামীর কাছে ফিরে যেতে পারে”—এই পরিকল্পিত হিল্লা সুন্নি হাদিসে কঠোরভাবে নিন্দিত।

ইবন মাজাহ ১৯৩৪-এ রাসুল ﷺ-এর নামে মুহাল্লিল (যে ব্যক্তি হিল্লার জন্য বিয়ে করে) এবং মুহাল্লাল লাহু (যার জন্য হিল্লা করা হয়)—উভয়ের ওপর লানতের বর্ণনা রয়েছে।

আর নাসাঈ ৩৪১৬-তেও মুহাল্লিল ও মুহাল্লাল লাহুর ওপর লানতের বর্ণনা এসেছে।

---

৩. সুন্নি ও শিয়া মতের তুলনা

বিষয় সুন্নি মত দ্বাদশী শিয়া মত

মুতা ❌ বর্তমানে হারাম ✅ জায়েজ
মুতা ৪:২৪-এর মাধ্যমে প্রমাণিত? না হ্যাঁ
তৃতীয় তালাকের পর অন্য পুরুষকে বিয়ে প্রয়োজনীয় শর্ত প্রয়োজনীয় শর্ত
পরিকল্পিত হিল্লা ❌ হারাম/কঠোরভাবে নিন্দিত ❌ বৈধ শরিয়তসম্মত পদ্ধতি নয়
স্বাভাবিক দ্বিতীয় বিবাহের পর বিচ্ছেদ হলে প্রথম স্বামীকে বিয়ে ✅ সম্ভব ✅ সম্ভব

একটি সূক্ষ্ম বিষয়

“হিল্লা” এবং “দ্বিতীয় বিবাহ” এক জিনিস নয়।

কুরআন দ্বিতীয় স্বামীর সঙ্গে প্রকৃত বিবাহকে শর্ত করেছে; কিন্তু পূর্বপরিকল্পিত “হিল্লা করানোর ব্যবসা” বা সাময়িকভাবে বিয়ে করে তালাক দেওয়ার ব্যবস্থা কুরআনের বক্তব্য নয়। সহিহ বুখারিতে আয়িশা (রা.)-এর বর্ণনায়ও দ্বিতীয় স্বামীর সঙ্গে প্রকৃত দাম্পত্য সম্পর্ক হওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে।

সুতরাং সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত সিদ্ধান্ত:

> মুতা: শিয়া ফিকহে জায়েজ, সুন্নি ফিকহে হারাম।
হিল্লা: কুরআনে “হিল্লা” নামে কোনো প্রথা নেই; কুরআন ২:২৩০-এ তৃতীয় তালাকের পর প্রকৃত দ্বিতীয় বিবাহের বিধান দিয়েছে। পূর্বপরিকল্পিত হিল্লা—বিশেষ করে শুধু প্রথম স্বামীর কাছে ফেরানোর উদ্দেশ্যে—হাদিসে কঠোরভাবে নিন্দিত।

20/08/2026

বিয়ে তালাক যৌতুক উত্তরাধিকার আইনি সমস্যা ও সমাধান ০১৭১১৯২১৪১৬

20/08/2026

অন্য লোকের স্ত্রীর সাথে ব্যভিচার করলে ৫ বছর পর্যন্ত জেল।

19/08/2026

বাংলাদেশের প্রচলিত আইন (বিশেষ করে মুসলিম পারিবারিক আইন ও হিন্দু পারিবারিক আইনি বিধান) এবং সাধারণ পারিবারিক বিধি অনুযায়ী স্ত্রী বা স্বামীকে তালাক বা বিবাহবিচ্ছেদের আইনি গ্রাউন্ড নিচে আলোচনা করা হলো।
01711-921416
**স্ত্রী কর্তৃক স্বামীকে তালাক বা বিচ্ছেদের কারণ (স্ত্রী যেসব কারণে বিচ্ছেদ চাইতে পারেন)**
১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন অনুযায়ী একজন স্ত্রী নিম্নলিখিত ক্ষেত্রগুলোতে আদালতের মাধ্যমে বা তালাক-ই-তৌফিজের (কাবিননামার ১৮ নম্বর ধারার ক্ষমতা) মাধ্যমে বিচ্ছেদ দাবি করতে পারেন:
* **খোরপোষ না দেওয়া:** স্বামী টানা ২ বছর যাবৎ স্ত্রীর ভরণপোষণ বা খোরপোষ দিতে ব্যর্থ হলে।
* **খোঁজ না থাকা:** টানা ৪ বছর ধরে স্বামীর কোনো সন্ধান বা খোঁজখবর না পাওয়া গেলে।
* **কারাদণ্ড:** স্বামী কোনো অপরাধে ৭ বছর বা তার বেশি মেয়াদের জন্য দণ্ডিত হলে।
* **পারিবারিক দায়িত্ব পালনে অবহেলা:** কোনো যুক্তিযুক্ত কারণ ছাড়াই স্বামী ৩ বছর ধরে দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে।
* **নপুংসকতা বা শারীরিক অক্ষমতা:** বিয়ের সময় স্বামী নপুংসক থাকলে এবং তা বজায় থাকলে, অথবা ২ বছর ধরে মারাত্মক মানসিক বা সংক্রামক ব্যাধিতে ভুগলে।
* **অন্যান্য বিবাহ বা অসমতা:** স্ত্রীর সম্মতি ছাড়া বা আইনের নিয়ম না মেনে স্বামী দ্বিতীয় বিবাহ করলে।
* **নৃশংসতা বা অত্যাচার:**
* স্ত্রীকে শারীরিক বা মানসিকভাবে নির্যাতন করলে।
* চরিত্রহীন জীবনযাপন করলে বা অন্য নারীর সাথে আসক্ত থাকলে।
* স্ত্রীকে অনৈতিক কাজ করতে বাধ্য করলে।
* স্ত্রীর নিজ সম্পত্তি ব্যবহারে বাধা দিলে বা সম্পত্তি জবরদখল করলে।
* একাদিক স্ত্রী থাকলে সবার সাথে সমান বিচার বা আচরণ না করলে।
**স্বামী কর্তৃক বউকে তালাক দেওয়ার কারণ**
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১ অনুযায়ী স্বামী যেকোনো সময় স্ত্রীকে তালাক দিতে পারেন, তবে সাধারণত প্রধান কারণগুলো হলো:
* **ব্যভিচার বা চরিত্রহীনতা:** স্ত্রী পরকীয়ায় লিপ্ত হলে বা বিশ্বস্ততা ভঙ্গ করলে।
* **দাম্পত্য জীবন পরিচালনায় অস্বীকৃতি:** কোনো গ্রহণযোগ্য কারণ ছাড়া স্ত্রী দীর্ঘদিন স্বামীর সাথে বাস করতে অস্বীকার করলে বা অবাধ্য (নূশুজ) হলে।
* **মানসিক বা শারীরিক নির্যাতন:** স্ত্রী স্বামী বা স্বামীর পরিবারের প্রতি চরম দুর্ব্যবহার বা মানসিক নির্যাতন চালালে।
* **গুরুতর তথ্য গোপন:** বিয়ের আগে গুরুতর কোনো রোগ, পূর্ববর্তী বিবাহ বা শারীরিক অক্ষমতার তথ্য গোপন রাখলে।
* **স্বভাবজাত অমিল:** দাম্পত্য জীবনে পারস্পরিক বনিবনা না হওয়া বা স্থায়ীভাবে সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি হওয়া।
**বিচ্ছেদের আইনি প্রক্রিয়া**
* **মুসলিম আইন অনুযায়ী:** তালাক দিতে চাইলে স্বামীকে বা স্ত্রীকে (যদি কাবিননামায় ক্ষমতা দেওয়া থাকে) নোটিশ লিখে অন্য পক্ষকে এবং সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান/সিটি কর্পোরেশনের মেয়রকে রেজিস্ট্রি ডাকযোগে পাঠাতে হয়। নোটিশ প্রাপ্তির ৯০ দিনের মধ্যে আপস না হলে তালাক চূড়ান্তভাবে কার্যকর হয়।
* **হিন্দু আইন অনুযায়ী:** হিন্দু আইনে সাধারণ তালাকের বিধান না থাকলেও পৃথকভাবে বসবাসের এবং খোরপোষের দাবি জানানোর আইনি অধিকার রয়েছে।
*(নোট: তালাক বা বিবাহবিচ্ছেদের মতো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে পারস্পরিক আলোচনা, পারিবারিক সালিশ বা পেশাদার আইনি পরামর্শ নেওয়া শ্রেয়।)
বিয়ে তালাক যৌতুক উত্তরাধিকার আইনি সমস্যা ও সমাধান ০১৭১১৯২১৪১৬

Address

Bari-12 Road-33 Sector-7 Uttara Dhaka
Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Advocate & Lawyer Chamber Dhaka Mob:01711337019 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Advocate & Lawyer Chamber Dhaka Mob:01711337019:

Shortcuts

Share