High Court Division Permission Preparation Page 01711921416

High Court Division Permission Preparation Page 01711921416 Advocate Md.jahir uddin akand
House 12 Road 33 Sector 7 Uttara Dhaka 01711921416

21/08/2024

সুপ্রীম কোর্ট বারে আমাদের সদস্য হওয়ার জন্য নিম্নে বর্ণিত কাগজগুলো লাগতে পারে। ৬ নং টার ফরম্যাট ছবিতে দেওয়া হলো।
(1) 03 (three) copies passport size color Photo (High Court dress without gown).
(2) Attested photocopy of LL.B Certificate.
(3) Attested photocopy of Enrolment Sanad.
(4) Attested photocopy of High Court Permission Sanad.
(5) A original current certificate from the Secretary of the concern District Bar Association.
(6) 02 (Two) certificates from 02 (Two) Members of this Bar Association.
(7) Attested photocopy of all Academic Certificates.
(8) Attested Photocopy of National Identity Card (NID).
(9) List of 25 (Twenty-Five) Cases of Different kinds conducted independently or with the Senior before the High Court Division.
(10) Nominee(s) passport size color Photo.

11/05/2024
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে অভিযোগকারী/ ভিকটিম তার/তাদের পক্ষে ব্যক্তিগতভাবে আইনজীবী নিযুক্ত করে মামলা পরিচাল...
11/05/2024

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে অভিযোগকারী/ ভিকটিম তার/তাদের পক্ষে ব্যক্তিগতভাবে আইনজীবী নিযুক্ত করে মামলা পরিচালনা করতে পারবেন।

ডিপার্টমেন্ট রিভিউ: আইন ( LL.B & LL.M ) অনেকেই আমার নিকট থেকে জানতে চান আইন পড়া কেমন হবে, চাকরি পাবো কিনা, কোথায় পড়ব ...
10/05/2024

ডিপার্টমেন্ট রিভিউ: আইন ( LL.B & LL.M )
অনেকেই আমার নিকট থেকে জানতে চান আইন পড়া কেমন হবে, চাকরি পাবো কিনা, কোথায় পড়ব এমনকি আইন পড়ে আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিএ তে কেন, লাইন্সেস ছাড়া জাস্ট সনদ নিয়ে কতদূর আগানো যায় এসব প্রচুর প্রশ্ন করে ইনবক্স এ। আমি কর্মব্যাস্ততার জন্য করোনাকালীন সময়ের মত অনলাইন এ কারোর মেসেজের উত্তর ঠিকমত দিতে না পারায় অনেকেই একটা সংক্ষিপ্ত আকারে ওভারভিউ পোস্ট চাচ্ছেন শত শত শিক্ষার্থী এবং অভিভাবক যা আজকে তুলে ধরবো। লিখাগুলো বর্তমান সময়ের অবস্থায় প্রেক্ষিতে লিখেছি।

✅✔️🔗আইন নিয়ে কোথায় পড়াশুনা করবো এবং কোথায় কিভাবে ভর্তি হতে হবে?
বিশ্ববিদ্যালয় বাছাই এর আগে সতর্ক হোন, আগে নিশ্চিত হয়ে নিন যে সেসব ভার্সিটিগুলির আইন বিভাগ বাংলাদেশ বার কাউন্সিল এর অনুমোদিত কিনা। অনুমোদন না থাকলে সেসব জায়গা থেকে পড়ে এডভোকেটশিপের লাইসেন্স পাওয়া সম্ভব নয়। বিদেশি ডিগ্রি নিলে উহা অবশ্যই বার কাউন্সিল এর অনুমোদন প্রাপ্ত হতে হয়। যেমন ইংল্যান্ড ভিত্তিক বার এট ল শেষ করে বারিস্টারগণ বার কাউন্সিল এর লাইসেন্স পাওয়ার পরীক্ষায় বসতে পারবেন।
যারা ফ্রেশ গ্রাজুয়েট হিসেবে ল পড়তে চায়, তাদের জন্যে পাবলিক এবং প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় এ ৪ বছরের LL.B অনার্স পড়ার সুযোগ রয়েছে। ৩ বছরের পাস কোর্স তাদের জন্যে যারা অলরেডি অন্য মেজর থেকে ৪ বছরের অনার্স করে এসেছেন, তারা সান্ধ্যকালীন আইন কলেজে ভর্তি হয়ে আইন পড়তে পারবেন ( ল কলেজ গুলি অবশ্যই বার কাউন্সিল এর অনুমোদপ্রাপ্ত হতে হবে ) ।

🔥🔥🔥🔥বার কাউন্সিল এর অনুমোদন আছে এমন বিশ্ববিদ্যালয় এর তালিকা:
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়(১৪ টি):
উপরের সারির বিশ্ববিদ্যালয় এর মধ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, বিইউপি-Dhaka Cantonment অন্যতম --- সেশন জটের ভয় নেই, দারুন ক্যাম্পাস, খুব ভালো স্টাডি সুবিধা দেয় ( জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এ সবাই হল পেয়ে যাবে প্রথম বর্ষে ) । বাকিগুলির মধ্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়া, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়- পুরান ঢাকা, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, BSMRMU, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় - ত্রিশাল ময়মনিংহ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় - গোপালগঞ্জ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এ পড়তে গেলে বাংলা ইংলিশ সাধারণ জ্ঞান সহ তাদের দেয়া সিলেবাস ফলো করে এডমিশন টেস্ট এ অংশ নিতে হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এ এক লাখ পরীক্ষায় দেয়,যার মধ্যে ১০০ টি আসন থাকলে HSC SSC এর ভালো পয়েন্ট এবং বাংলা ইংলিশে A+/A থাকা সাপেক্ষে ৪০০ এর মধ্যে সিরিয়াল থাকলে আইন বিভাগে সুযোগ পাওয়া যাবে। জাহাঙ্গীনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫৫% আসন ছেলেদের, ৪৫% আসন মেয়েদের এভাবে ডিপার্টমেন্ট দিবে, সাথে SSC HSC এর পয়েন্ট এবং বাংলা ইংলিশের A+/A থাকা সাপেক্ষে আইন বিভাগে পড়ার সুযোগ দেয়। ভর্তি পরীক্ষার জন্যে ইংলিশে Cliff's TOEFL+ Barron's TOEFL+ Master/ Competitive English+ Word Smart vocabulary, অগ্রদূত বাংলা/অভিযাত্রী, বাংলা সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলা বোর্ড বই, বাংলা ব্যাকরণ বোর্ড বই, trending General knowledge book like জোবায়ের জিকে / Mihirs GK, নিয়মিত কারেন্ট এফেয়ার্স টাইপ মাসিক পত্রিকা, সালতামামি পড়তে হবে।

প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় (Data survey- LawTube BD on December, 2023)::
বার কাউন্সিল এর পলিসি অনুসারে বছরে দুটি সেমিস্টার এবং এক সেমিস্টারে কোন ভাবে ৭৫ জন এর বেশি ভর্তি নিতে পারবে না। এই পলিসি অমান্য করলে রেজিস্ট্রেশন স্থগিত সহ বিভিন্ন ব্যাবস্থা নেয়া হবে যার প্রভাব পড়বে সরাসরি শিক্ষার্থীদের উপর। উল্লেখ্য, department change বলে কোন clause নেই যার জন্যে আইন পড়তে গেলে অ্যাডমিশন সিস্টেমের মধ্যে থেকে ভর্তি হতে হবে।
ভালো মানের প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় এ আইন বিভাগে পড়ার জন্যে ভর্তি পরীক্ষা বাধ্যতামূলক। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় এ দশ হাজার আবেদন করে, আইনের জন্যে প্রায় ৩০০০ জন চয়েজ দেয়, এবং সেরা ৫০ জন আইনে পড়ার সূযোগ পায়। ফার্মেসি এবং আইন এর ভর্তি পরীক্ষায় সেকেন্ড স্লট বলে কিছু নেই। চিটাগং এর IIUC তে একই অবস্থা, সেখানে রীতিমত স্ট্রাগল করতে হয় আইন পেতে। আর বার কাউন্সিল এর নজরদারিতে স্টুডেন্ট ভর্তি হচ্ছে যেহেতু, তাই প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি কে খাটো করে দেখার সুযোগ নেই।

🔥🔥🔥🔥যেসব প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের বার কাউন্সিল এর অনুমোদন রয়েছে, সেগুলির জেলা ভিত্তিক তালিকা নিম্নে দেয়া হলো:
যেগুলি তালিকায় উপরে, সেগুলি সে জেলায় বেশ ভালো করছে। ২০২৩ এর সর্বশেষ আপডেট অনুসারে তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।
Data source: https://youtu.be/A0eazu8snqU?si=t3PzRw4pORQ6zK04

চট্রগ্রাম:
International Islamic University of Chittagong - IIUC
Premier University
Port City International University
BGC Trust University of Bangladesh
Chittagong Independent University

কুমিল্লা:
CCN University of Science and Technology
Britannia University

সিলেট:
Sylhet International University - SIUuuuuuu
Metropolitan University
Leading University
North East University of Bangladesh

রাজশাহী:
North Bengal International University
Varendra University

অন্যান্য জেলা:
North Western University, Khulna
First Capital University of Bangladesh, Chuadanga
Global University Bangladesh, Barisal
R. P. Shaha University, Narayangonj
Feni University, Feni
Cox's Bazar International University, Cox's Bazar
Pundra University of Science and Technology, Bogra
Khwaja Yunus Ali University, Sirajgonj
Exim Bank Agricultural University, Chapainawabgonj
Rajshahi Science & Technology University, Natore
Ishakha International University, Kishoreganj
ZH Sikder University of Science and Technology, Shariaitpur
Times University, Bangladesh, Faridpur
Sheikh Fazilatunnesa Mujib University, Jamalpur

ঢাকা জেলা:
BRAC University ( কেবল তাদের আসন সংখ্যা মাত্র ৫০ টি )
East West University
University of Asia Pacific
Eastern University
Southeast University
State University of Bangladesh
Northern University
Stamford University
Asa University of Bangladesh
Fareast International University
The Millennium University
University of Information Technology and Science
Bangladesh Islami University
European University of Bangladesh
Independent University of Bangladesh
Dhaka International University
Bangladesh University
American International University of Bangladesh
Southern University
Primeasia University
Green University of Bangladesh
Prime University
Manarat International University
Gono Bishwabidyalay
University of Development Alternative
Notre Dame University Bangladesh
Uttara University
Sonargaon University
Atish Dipankar University of Science & Technology
Daffodil International University
City University
Sonargaon University
Canadian University of Bangladesh
The People's University of Bangladesh
World University of Bangladesh

🛑আনুমানিক খরচ: ঢাকার মধ্যে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় এর মত ভার্সিটিতে সাড়ে ১২ লাখ টাকা বাজেট থাকলে পড়তে পারেন, অন্যান্য ভালো প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি গুলিতে ৬ থেকে ৮ লাখ টাকা খরচ হয়, ঢাকার বাইরের জেলায় খরচ কম।

কারা ব্যাচেলর ডিগ্রি হিসেবে আইন কে বেছে নিবেন ?
আইন পড়া সবার জন্যে নয়।
অনেকে শখ করে বা আবেগের বশে ভালো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এ আইন পড়তে গিয়ে আহামরি কিছু করেন নি ( কোন প্যাশন ছাড়া আইন এ অনার্স করে গ্রাজুয়েট হয়েছেন এমন বেশ কিছু ভাইবোনেরা বর্তমানে কর্পোরেট বহুজাতিক কোম্পানীতে একদম সাধারণ জব করেন, যেখানে job responsibility তে আইনের তেমন কিছুই নেই), আবার কেউ একদম বুড়ো বয়সে ইভিনিং শিডিউলের ল কলেজে পাস কোর্স করে বার কাউন্সিলের সনদ সহ আইন পেশায় এসে বেশ সফল হয়েছেন (মাসে কুড়ি লাখ টাকা আয় করে বুড়োহাড়ের ভেলকি দেখান)। আইনের পড়াশোনা তুলনামূলকভাবে একটু কঠিন, মারপ্যাঁচ তো রয়েছে, এবং নিয়মিত স্টাডির মধ্যে থাকা লাগবে। প্রচুর ফেইলিওর এবং ধাক্কা ফেস করে আবার উঠে ঘুরে দাঁড়াতে হবে, বারবার হেরে গিয়েও হার না মেনে সামনে এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতা অত্যাবশ্যক। প্রচুর পরিশ্রমী করার মানসিকতা থাকলে, আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হলে, দীর্ঘ মেয়াদী প্ল্যান করে ক্যারিয়ার বিল্ড আপের প্ল্যান করলে আইন পড়তে

✳️ব্যারিস্টারি পড়া নিয়ে বিশদ আলোচনা রয়েছে এই পোস্টে: https://www.facebook.com/groups/privatians/permalink/1252952378640473/

♦️কারা আইন পড়তে আসবেন না?
১. ফাঁকিবাজ মার্কা স্টুডেন্ট যারা আরাম করে এলএলবি শেষ করা সহ আরাম করে এডভোকেট জজ কিংবা লিগ্যাল অফিসার হতে চান, তারা দয়া করে আইন পড়তে এসে ধরা খাবেন না। আপনাদের জন্যে ক্যারিয়ার বিল্ড আপের জন্যে আরো ভালো পথ খোলা আছে, সেদিকে গেলে ইনশাল্লাহ মেধা এবং পরিশ্রম মিলিয়ে সফল হবেন।
২. যাদের প্যাশন নেই, মানসিক দক্ষতা কম, ক্রিটিকাল থিংকিং এবিলিটি তুলনামূলকভাবে কম, নিজস্ব চিন্তা বলে তেমন কিছু নেই, কোন যাচাই বাছাই না করে অন্যের কথায় আইন পড়ার হঠাৎ শখ জেগেছে , তারা আইন পড়ার প্ল্যান করার আগে বারবার ভেবে নিবেন।
৩. যাদের আর্থিক অবস্থা ভালো নয়, তাদের পারতপক্ষে আইনে না আসা উত্তম । গ্র্যাজুয়েশনের পর মিনিমাম ফাইন্যান্সিয়াল সাপোর্ট যেন থাকে সেটা নিশ্চিত করে তারপর আইন পড়তে আসুন।
অধিকাংশ ক্ষেত্রেই একজন পাস করা সাধারণ এলএলবি ডিগ্রিধারীর সনদ ছাড়া চলার মত আয়ের তেমন কোন সূযোগ নেই। শিক্ষানবিশ কালে দৈনিক ৩০০ টাকা ভাতা পান, সাথে ড্রাফটিং, ডকুমেন্টেশন, ডেটা এন্ট্রি অপারেটর এর কাজ করতে পারলে মাসে ৯৫০০ টাকার মত আসে, এটাও না পারলে আয় আরো কমে যায়। সনদ পেতে ধরে নেয়া যাক ৫ বছর লাগবে, তো ৫ বছরে থাকা খাওয়া যাতায়াত এর খরচ তো নিজের ফান্ড থেকে ম্যানেজ করতে হয়। তবে, অন্য কর্পোরেট জবে ঢুকে গেলে সেখানে ভালো আয়ের সুযোগ থাকবে ( সেক্ষেত্রে বেশ প্রতিযোগিতা করে ঢুকতে হয়, আর এমবিএ না থাকলে প্রমোশন দিতে চায় না) যেমন সেলস, মার্কেটিং, ক্যাশিয়ার, ইভেন্ট ম্যানেজার, ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি, এইচআর কমিনিকেশন পোষ্টে অবস্থা অনুযায়ী ভালো বেতন ( কোন প্রাইভেট জব স্থায়ী নয় )।
৫. নূন্যতম ধৈর্য্যশক্তি এবং দীর্ঘ মেয়াদী প্ল্যান না থাকলে আইন পড়তে আসবেন না।
সাধারণত, আইনে পড়াশোনা করে যে আউটপুট সেটা লং রান আউটপুট মানে অনেক পরে গিয়ে বেশ ভালো আয় করা শুরু করেন ( ইনকামের গ্রোথ exponential )। উদাহণস্বরূপ, সনদ পাবার পর যে এডভোকেট আজ মাসে ৯০০০ আয় করেন, তিনি ১০ ১৫ বছর পর স্কিলভেদে মাসে ৭ লাখ টাকা, কেউ ১৫ লাখ, কেউ বিশ লাখ আয় করবেন। এসব তখন সম্ভব কেবল দীর্ঘ মেয়াদী প্ল্যান করে ধৈর্য্য সহকারে পরিশ্রম করে টিকে থাকলে।
যেখানে টেক্সটাইল কেমিকাল বিবিএ সিএসই ইইই ফার্মেসি সিভিল মেকানিকাল স্থাপত্য ইংলিশে পড়া শেষ করে শর্ট টার্ম আউটপুট পাওয়া যায় মানে পাস করে সাথে সাথে চাকরি হয়, অন্যদিকে আইনজীবী, উদ্যোক্তা এবং ডাক্তারদের বলার মত ভালো আয় করা শুরু হয় বয়স ৩৫ ৪০ এর দিকে।। বুয়েট থেকে বিএসসি করা এক মামা তো এলএলবি পাস কোর্স করে বর্তমানে একজন সফল এডভোকেট ( মাসে এত টাকা পান যে এগুলি ট্র্যাক রেকর্ড রাখাও তার জন্যে কঠিন হয়ে যায় --- যেখানে শুরুতে উনার তেমন একটা আয় ছিল না, মাসে দুই হাজার টাকা পেতেন --- আর এখন তার নিকট কয়েক লাখ টাকা আসতে থাকে) । এগুলি উনার প্রবল ধৈর্য্যশক্তি এবং Long Term Planning এর ফল।

🔥🔥🔥🔥আইন পড়ে কথায় ক্যারিয়ার বিল্ড আপ করা যায়??
১. বাংলাদেশ বার কাউন্সিল এর সনদ প্রাপ্তি নিশ্চিত করে এডভোকেট হিসেবে ক্যারিয়ার গঠন করা যায়। একজন এডভোকেট শুরুতে কম আয় করলেও সময়ের সাথে সাথে, অত্যন্ত ধৈর্য্য এর সাথে স্কিল বা দক্ষতা বৃদ্ধির সাথে পাঁচ থেকে দশ বছর পর বহু টাকা আয় করেন।
বেশিরভাগ আইনের শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন থাকে বার কাউন্সিল এর লাইসেন্স নিশ্চিত করা। এমন দেখেছি যে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর আইন বিভাগের এক alumni বিসিএস পুলিশ ক্যাডার হিসেবে যোগদানের পরেও ৭ টি মৌলিক আইন স্টাডি করে বার কাউন্সিল পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে তিন ধাপের পরীক্ষা ( প্রিলি লিখিত ভাইভা ) দিয়ে লাইসেন্স অর্জন করেন।
পড়াশোনা শেষে আইন পেশায় নিয়োজিত হওয়ার জন্য বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের অ্যাডভোকেট এনরোলমেন্ট সনদ পরীক্ষায় পাস করতে হয়। পরীক্ষার সিলেবাস পাওয়া যাবে বার কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে। এ বিষয়ে তথ্য পাওয়া যাবে বার কাউন্সিলে।
a. নিম্ন আদালতে প্র্যাকটিস: বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের অ্যাডভোকেট এনরোলমেন্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেই মিলবে সনদ এবং বারের সদস্য পদ। একজন আইনজীবী একই সঙ্গে দুটি বারের সদস্য হতে পারেন। সাধারণত একজন নবীন আইনজীবী সিনিয়র আইনজীবীর জুনিয়র হিসেবে কাজ শুরু করেন। পরে সিনিয়র হলে নিজে স্বাধীনভাবে নিম্ন আদালতে প্র্যাকটিস করতে পারেন। নিম্ন আদালতে অ্যাডভোকেটরা সাধারণত দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা পরিচালনা করে থাকেন।
b. হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিস: নিম্নআদালতে দুই বছর আইনজীবী হিসেবে কাজের অভিজ্ঞতা থাকলে হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্তির জন্য আবেদন করা যায়। হাইকোর্টে ১০ বছরের বেশি প্র্যাকটিস করছেন, এমন এক সিনিয়র আইনজীবীর সঙ্গে শিক্ষানবিশ চুক্তি করতে হয়। তবে বার-অ্যাট-ল’ বা এলএলএম পরীক্ষায় কমপক্ষে ৫০ শতাংশ নম্বর থাকলে এক বছর পরেই আবেদন করা যায়। এ প্রক্রিয়া অনেকটাই নিম্ন আদালতে অ্যাডভোকেট এনরোলমেন্ট পরীক্ষার মতো।
c. আপিল বিভাগে প্র্যাকটিস: একজন আইনজীবী হাইকোর্ট বিভাগে পাঁচ বছর প্র্যাকটিসের পর আপিল বিভাগে মামলা পরিচালনার জন্য আবেদন করতে পারেন। এক্ষেত্রে লাগবে ‘আপিল বিভাগে প্র্যাকটিসের যোগ্য’ এই মর্মে প্রধান বিচারপতি ও হাইকোর্টের বিচারপতিদের সংখ্যাগরিষ্ঠের দেওয়া প্রত্যয়ন। আর এটি পেলেই আপিল বিভাগে মামলা পরিচালনার যোগ্যতা অর্জন করেন একজন আইনজীবী।

♦️কোন কোন ক্ষেত্রে একজন এডভোকেট কাজ করেন: ???
a. দেওয়ানি মামলা: সম্পত্তির ওপর স্বত্ব ও দখলের অধিকার নিয়ে যে মামলা হয়, সেটাই দেওয়ানি মামলা। আদালতের ভাষায় এটিকে ‘মোকদ্দমা’ বলে। সব ধরনের দৃশ্যমান স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি এবং অদৃশ্য সব ধরনের অধিকারসংক্রান্ত মোকদ্দমা আইনজীবীরা জেলা জজ আদালতে পরিচালনা করেন। এ মামলা পরিচালনার জন্য ১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দেওয়ানি কার্যবিধি আইন, সাক্ষ্য আইনের বিভিন্ন ধারা সম্পর্কে ভালো দখল থাকতে হয়।
b. ফৌজদারি মামলা: চুরি, ডাকাতি, খুন, মারামারি, ধর্ষণ ইত্যাদি সংঘটিত অপরাধের বিচার ফৌজদারি মামলার আওতাধীন। এ মামলা আইনজীবীরা ফৌজদারি আদালতে পরিচালনা করে থাকেন। এ মামলা পরিচালনার জন্য ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি, দণ্ডবিধি ও সাক্ষ্য আইনের বিভিন্ন ধারা সম্পর্কে ভালো জ্ঞান রাখতে হয়।
c. ইনকাম ট্যাক্স আইনজীবী: যারা আইন বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন, কিন্তু অ্যাডভোকেট না, তারাও চাইলে আয়কর আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিসের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও ট্যাক্স বারের সদস্য পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন। বিবিএ, এমবিএ কিংবা টাক্সেশন এর উপর ডিগ্রিধারীরাও আয়কর আইনজীবী হওয়ার জন্য এনবিআরে আবেদন করতে পারেন। একই সঙ্গে তাদের ট্যাক্স বারের সদস্য হতে হয়। আইনের শিক্ষার্থীদের অ্যাডভোকেট এনরোলমেন্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণের পর ট্যাক্স বারের সদস্য হতে হবে। আবেদন করতে হবে নির্ধারিত ফরমে। আয়কর আইনজীবীরা আয়কর, সম্পদ, আমদানি শুল্ক, আবগারি শুল্ক ইত্যাদি বিষয়ে মামলা পরিচালনা করেন। তাদের আয়কর অধ্যাদেশ, ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন, সম্পদ বিবরণী ইত্যাদি বিষয়ে ভালো জ্ঞান রাখতে হয়।
d. করপোরেট ল’ প্র্যাকটিস অ্যান্ড লিটিগেশন: যিনি করপোরেশন আইনে বিশেষ জ্ঞান রাখেন, তিনি করপোরেট আইনজীবী। করপোরেট খাতে আইনজীবীদের কাজের ক্ষেত্র দিন দিন বাড়ছে। করপোরেট আইনজীবী হতে হলে কন্ট্রাক্ট ল, কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন, ট্রেড লাইসেন্স, ট্যাক্স ল, অ্যাকাউন্টিং, সিকিউরিটি ল, দেউলিয়া আইন, মেধাস্বত্ব আইন সম্পর্কে ভালো জ্ঞান থাকতে হবে। আইন বিষয়ে পড়েও বা অ্যাডভোকেট হয়েও কোর্টে প্র্যাকটিস করতে না চাইলে বিভিন্ন ল’ ফার্মে কাজের সুযোগ পেতে পারেন। ল’ ফার্মগুলোয় বিভিন্ন কোম্পানির ডকুমেন্টেশন প্রস্তুত, লিগ্যাল অ্যাডভাইস দেওয়া, ফাইল তৈরি, মামলার ড্রাফট তৈরির কাজ করতে পারেন।
e. আরও কাজের ক্ষেত্র: বাংলাদেশে তেমন প্রচলন না থাকলে International Business, সাইবার ক্রাইম, ইমিগ্রেশন, স্পোর্টস ও মিডিয়া আইনজীবী হলে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও পেতে পারেন কাজের সুযোগ। তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারের ফলে সাইবার বিষয়ে নানা ধরনের আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে। আর মিডিয়া, মিডিয়াকর্মী বা সেলিব্রিটিদের বিভিন্ন আইনি জটিলতার ক্ষেত্রে অভিজ্ঞদের কদর বাংলাদেশেও তৈরি হচ্ছে।
🔥অ্যাডভোকেটশিপ লাইসেন্স পেতে কিংবা সফল এডভোকেট হতে সিজিপিএ কোন ম্যাটার করে না, এখানে লিগ্যাল নলেজ, স্কিল, ক্রিটিকাল থিংকিং এবিলিটির দরকার হয় প্রচুর।

২. বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ পরিক্ষার মাধ্যমে বিচারক (judge) হিসেবে নিয়োগলাভ এর সুযোগ:
অনার্সে সিজিপিএ ২.২৫ নিয়েই আবেদন, যেখানে নলেজ স্কিল ম্যাটার করে খুব ( সিজিপিএ খুব বেশি একটা matter নয় )। মাস্টার্স বাধ্যতামূলক নয়।
জেলা পর্যায়ের আদালতে প্রাথমিকভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে দক্ষতা, নিরপেক্ষতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে পদক্রমানুসারে ধীরে ধীরে দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি থেকে শুরু করে প্রধান বিচারপতি পর্যন্ত হতে পারেন।
এ পদে নিযুক্ত হতে হলে আপনাকে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন নিয়ন্ত্রিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। সত্যি কথা বলতে জজ হতে গেলে প্রচুর পড়তে হবে, বিসিএস এর সিলেবাসের সাথে ৪০ টা আইনের বিষয় মাথায় রেখে একদিনের প্রিলি পরীক্ষা, প্রিলি টিকে গেলে দশ দিন ব্যাপী চলা রিটেন এক্সাম দিতে হবে। রিটেন এ টিকে গেলে ভাইভা। জজদের লাইফ এ যেমন নিয়মিত স্ট্রাগল করতে হয়, তেমনি খুব স্ট্রাগল করে একজন জজ হতে হয়।
প্রিলিমিনারি পরীক্ষাঃ ১০০ নম্বর (পাশ নম্বরঃ ৫০)
লিখিত পরীক্ষায়ঃ ১০০০ নম্বর (পাশ নম্বরঃ গড়ে ৫০%)
মৌখিক পরীক্ষাঃ ১০০ নম্বর (পাশ নম্বরঃ ৫০)
বিস্তারিত সিলেবাস জুডিশিয়াল কমিশনের ওয়েবসাইট এ দেয়া আছে।
প্রিলিমিনারি পরীক্ষা দেয় প্রায় ৬০০০+ , সেখান থেকে প্রিলি পাস করে ধরুন ১০০০ জন। প্রিলি পাস করা প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষা দিতে হয় যা দশদিন হয়। এই লিখিত তে ১০০০ এর মধ্যে প্রায় ৬০০ জন ভাইভা তে ডাক পাবে। ভাইভা তে ৬০০ জনের মধ্যে সেটা ১০০ জন +- জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। ১০০ জন সুপারিশপ্রাপ্তদের মধ্যে প্রায় ৯০ জন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এর সাবেক শিক্ষার্থী। বাকিরা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় এর ( ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, ইস্টার্ন, IIUC, প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়, State University, Northern University, UAP, আশা, Stamford University, Southeast University, Metropolitan University Sylhet, Leading University Sylhet দের খুঁজে পাওয়া যায় নিয়মিত ) . পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এর মধ্যে ৭টি তথা রাবি, ঢাবি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় এর alumni দের নিয়মিত পাওয়া যায়।
জজ হতে হলে অবশ্যই বাংলা ইংলিশ সাধারণ জ্ঞান এর সাথে গণিত, বিজ্ঞান, ভূগোল এবং আইসিটি পড়তে হবে 🤣 এমনিও inheritance এর অংক উত্তর করতে হবে। মানে গণিত বিজ্ঞান না পারলে আর সম্ভব নয় 🤣🤣🤣।
একজন সহকারী জজের মাসিক আয় কেমন?২০১৬ সালের বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস বেতন স্কেলে মূল বেতন ৳৩০৯৩৫ – ৳৬৮৪৩০।(6th Grade)। বেতন কাঠামো বেশ ভালোই এদিকে।

৩. মানবাধিকার সংগঠন, সোশাল ওয়েলফেয়ার সংগঠন, এনজিও, দূতাবাস, ব্যাংক, বীমা সহ বিভিন্ন কোম্পানির লিগ্যাল অফিসার/ আইনি উপদেষ্টা এবং রিসার্চার পদে নিয়োগ প্রাপ্তির সুযোগ:
এই ক্ষেত্রে অনেক চাকুরী প্রার্থীদের শর্টলিস্টিং করে লিখিত পরীক্ষায় বসতে দেয়। তাই ভালো সিজিপিএ এর পাশাপাশি ভালো ইন্সটিটিউশন, SSC HSC এর ফলাফল, স্থায়ী ঠিকানার জেলা, মানসম্মত সিভি খুবই গুরত্বপূর্ণ। ভালো ভার্সিটি থেকে না পড়লে, সিজিপিএ সাধারণত ৩ এর নিচে থাকলে, স্পেসিফিক জেলা কিংবা ভালো সিভি না হলে শর্ট লিস্টিং এ আবেদন বাদ করে দেয়। এসব চাকুরির পরিক্ষার জন্যে English Math বাংলা বিজ্ঞান সাধারন জ্ঞান এর সাথে উক্ত প্রতিষ্ঠান বা সংগঠন সংক্রান্ত কিছু আইন যেমন: ব্যাংক, বীমা, কোম্পানি,চুক্তি, ভূমি আইন, সম্পত্তি হস্তান্তর সংক্রান্ত আইন, রেজিষ্টেশন আইন, Tort, Partnership, Bankruptcy, Money Laundering, Negotiate Instrument Act, Constitution, Civil procedure, Criminal procedure, Penal code, Evidence act, SR act, Limitation act, সাইবার নিরাপত্তা আইন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, Human Rights, Environment , Real Estates, International law, Refugee সংক্রান্ত আইন জানা লাগবে। তিন ধাপে নিয়োগ পরীক্ষা শেষে যাচাই-বাছাই করে নিয়োগ দেয়া হয়। যোগ্যতা হিসেবে অনেক যায়গায় LLM, MDS, PGD, MBA কিংবা সমমানের ডিগ্রি চায়।

দেশীয় ও বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর ম্যানেজমেন্ট, মার্কেটিং, হিউম্যান রিসোর্স ইত্যাদি জেনারেল সাইডের বিভাগে অন্যান্য বিষয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে আইনের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারে। ভোগ্য পণ্য কোম্পানী- ইউনিলিভার, নেসলে, সিগারেট কোম্পানি- ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো, জুতা কোম্পানি- বাটা, এপেক্স, স্টিল তৈরির কোম্পানি- BSRM, KSRM, তারকা হোটেল- রেস্টুরেন্ট ব্যবসা, রূপ চর্চার বিউটি পার্লার থেকে শুরু করে গ্রামীন ফোন, এয়ারটেল ইত্যাদি মোবাইল অপারেটর পর্যন্ত প্রায় সব ন্যাশনাল কিংবা মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানিতেই ‘কর্পোরেট লিগ্যাল এফেয়ার্স’ বিভাগ আছে। আর যেখানেই লিগ্যান ডিভিশান সেখানেই ‘ল’ ডিগ্রিধারী প্রার্থীর চাহিদা। আর এসব পদে নিয়োগ লাভ শুধুই আইনের জন্য সংরক্ষিত !
রিয়েল এস্টেট কোম্পানি জায়গা জমি, এপার্টমেন্ট, ফ্ল্যাট আর চুক্তিনামা ও চুক্তিভঙ্গ নিয়েই যেহেতু এদের কাজ- কাজবার তাই সেখানে গ্যাঞ্জাম আর বিরোধের সমূহ সম্ভাবনা।
সরকারি বেসরকারি এনজিও ( যেমন ব্র‍্যাক) , উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান ও মানবাধিকার সংস্থার যে কোন ডিভিশনে অন্যান্য বিষয়ের ডিগ্রিধারীদের সাথে কাজ করার সুযোগের পাশাপাশি একজন আইনের শিক্ষার্থীর সুযোগ আছে এসব প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার ‘ল ডিভিশন’ এ নিয়োগ পাওয়ার।
আবার অনেকগুলো এনজিও ও মানবাধিকার সংস্থা আছে যাদের মূল কাজটাই হচ্ছে আইনগত সহায়তা নিয়ে। যেমনঃ আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক), বেলা, ব্লাস্ট, বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতি, ব্র্যাক ইত্যাদি। যেখানেই আইন নিয়ে কাজ সেখানেই আইনের ডিগ্রিধারী চাই। আইন ভিন্ন আর কারো সুযোগ নাই !
আন্তর্জাতিক সংস্থা, বিদেশী দূতাবাস আইনের ডিগ্রিধারীদের জন্য জাতিসংঘের অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন সংস্থা যেমন UNHCR, UNDP, WHO, Save the Children, IOM, ILO ইত্যাদিতে আছে আইন সংশ্লিষ্ট নানান কাজের সুযোগ।
বাংলাদেশে অবস্থিত বিদেশী দূতাবাসগুলোতেও ‘আইন কর্মকর্তা’ হিসেবে নিয়োগের সুযোগ আইনের ডিগ্রিধারীদের জন্য সংরক্ষিত আছে।
সরকারি ও স্বায়ত্ত্বশাসিত কমিশন ও প্রতিষ্ঠান যেমন দুদক, নির্বাচন কমিশন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, পাবলিক সার্ভিস কমিশন, ওয়াসা, পিডিবি, পেট্রো বাংলা, বাপেক্স সহ প্রায় সব সরকারি, আধা সরকারি ও স্বায়ত্ত্বশাসিত কমিশন ও প্রতিষ্ঠানে আইন কর্মকর্তা ও প্যানেল আইনজীবী হিসেবে আইনের ডিগ্রিধারীদের নিয়োগ লাভের অবারিত সুযোগ আছে। এখানে বার কাউন্সিল এর লাইসেন্স ছাড়া যাওয়া জয়েন করা সম্ভব নয়। গার্মেন্টস খাতের সাথে শ্রম আইন, নিরাপত্তা ও শ্রমিক অধিকারের বিষয় ওতপ্রোতভাবে জড়িত। গার্মেন্টস কোম্পানি ও বাইয়িং হাউজগুলো এসব বিষয় অনুপুঙ্খভাবে নজরদারি করার জন্য অডিটর ও কমপ্লায়েন্স ডিভিশনে আইনের ডিগ্রিধারীদের নিয়োগের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দিয়ে থাকেন।
এই অডিটিং ও কমপ্লায়েন্স সেক্টরটি এখনো নতুন ও সম্প্রসারণশীল। তাই আইনের ডিগ্রি নেওয়া শেষ করে আপনারা BGMEA Institute of Fashion &Technology (BIFT) Chittagong, Bangladesh Institute of Management (BIM),কিংবা Bangladesh Garment Management Institute (BGMI) এর অধীনে ‘Diploma in Social Compliance, Labour law and HRM’ এই ডিগ্রি নিয়ে সহজেই এই সেক্টরে উচ্চ বেতনে কাজের সুযোগ পেতে পারেন।একই সাথে আইন জানে আবার কমপ্লায়েন্স ও অডিটিং ডিগ্রিও আছে- এমন প্রার্থী কোম্পানি হাতছাড়া করতে চাইবেনা।
আইনের একজন স্নাতক যে কোন ভালো মানের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে Human Resource Management কে মেজর Evening or Executive MBA ডিগ্রি নিতে পারেন। অথবা নিদেনপক্ষে Post Graduate Diploma in Human Resource Management (PGD in HRM) কিংবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর Masters in Postgraduate Human Resource Management (MPHRM) ডিগ্রি নিতে পারলে দেশের শীর্ষ স্থানীয় কর্পোরেট হাউস, ব্যাংক, অন্যান্য কোম্পানী কিংবা গার্মেন্টেস সেক্টরে ‘হিউম্যান রিসোর্স অফিসার’ হিসেবে যোগ দেওয়ার বিরাট সুযোগ রয়েছে কারন ল ও হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট খুব ঘনিষ্ট সম্পর্কিত। কোন কোম্পানি যদি এই দুই বিষয়ে একই সাথে ডিগ্রিধারী যোগ্য কোন প্রার্থীকে পায় তাহলে দুই বিভাগে আলাদা দু’জন লোক নিয়োগের বিলাসিতার বদলে একজনকেই নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেবে- এবং বুঝতেই পারছেন সেটি আপনিই ! আশা করি, আমার ল ব্যাকগ্রাউন্ড থাকার পরে কেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিএ তে ভর্তি হয়েছি নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন। বাংলাদেশে এমবিএ করলে দেশের প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয় থেকে করুন, নাহলে করার ই দরকার নাই ( প্রাইভেটে করলে ঢাকা কিংবা চিটাগং বেজড প্রতিষ্ঠান থেকে এমবিএ করুন )

৪.সেনাবাহিনী, নৌ বাহিনী, বিমান বাহিনীঃ
একজন আইনের শিক্ষার্থী লেফটেন্যান্ট, সাব লেফটেন্যান্ট, ফ্লাইং অফিসার হয়ে কমিশন্ড অফিসারের পদমর্যাদায় সেনা, নৌ কিংবা বিমানবাহিনীতে স্বল্প মেয়াদী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ‘জাজ এডভোকেট জেনারেল’ বিভাগে যোগ দিতে পারেন। সামরিক আইন-আদালত ও সামরিক বিচার নিয়ে এদের কাজ কর্ম।

৫. আইন কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা:
সিজিপিএ ৩.৫+ সহ ভালো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে অনার্স মাস্টার্স এবং মানসম্মত একাধিক গবেষণাপত্রের প্রকাশনা থাকলে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাওয়া সম্ভব। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্বদ্যালয়ের, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় , ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, বিইউপি এর মত বেশ ভালো রিসার্চ ফ্যাসিলিটি আছে এমন ভার্সিটি থেকে পড়াশোনা করে অনেকেই শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেছেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, IIUC, প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়, পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়, লিডিং ইউনিভার্সিটি, মেট্রোপলিটন, নর্থ ইস্ট, Sylhet International University (SIUuuu), বরেন্দ্র, নর্থ বেঙ্গল, ইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়, ইস্টার্ন, University of Asia Pacific, নর্দার্ন ইউনিভার্সিটি, স্টেট ইউনিভার্সিটি এর অনেকেই শিক্ষকতার পেশায় যোগ দিয়েছেন। যেমনঃ ব্র‍্যাক ইউনিভার্সিটি থেকে পাস করা পিজুয়ার রহমান স্যার এখন ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষকতা করছেন। তেমনি জনপ্রিয় শিক্ষক হাসিব স্যার তিনিও ব্র‍্যাক ইউনিভার্সিটির সাবেক স্টুডেন্ট, তিনি ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষকতা পরে ব্র‍্যাক ইউনিভার্সিটিতে যোগ দেন। আবার তাসনোভা মিস তিনিও ব্র‍্যাকের সাবেক গ্রাজুয়েট, এলএলএম করেন ইস্টার্ন এ, তিনিও ব্র‍্যাক ইউনিভার্সিটির শিক্ষক ছিলেন ( পরে অবশ্য তিনি সহকারী জজ হিসেবে নিয়োগ পান)। আবার নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় এর আইন বিভাগে শিক্ষকতায় আছেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা Himalaya Saha ma'am।
শিক্ষকতার ন্যূনতম ৩ বছরের অভিজ্ঞতা ও গবেষণা প্রবন্ধ থাকলে মোটা অংকের বেতনের চাকুরির পেছনে আপনাকে দৌড়াতে হবেনা, চাকুরিই আপনাকে খুঁজে নেবে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নয় বরং আপনিই সিদ্ধান্ত নেবেন- কোথায় ও কতো বেতনে জয়েন করবেন ! এই সেক্টরে চাহিদা এমনই বেশি যে অনার্সে ভালো ফল থাকলে মাস্টার্সের রেজাল্ট প্রকাশ হওয়ার আগেই অনেক প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি আইনের যোগ্য প্রার্থীকে ‘অগ্রীম এপয়েন্টমেন্ট লেটার’ দিয়ে বুকড করে রাখে ( ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় এর এলামনাই পিজয়ার স্যার ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে একজন শিক্ষক হিসেবে এভাবে জয়েন করেন) . .

বিসিএস ও অন্য যে কোনো নন ক্যাডারের চাকরি, ব্যাংক, স্বায়ত্তশাসিত ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে চাকরির ক্ষেত্রে আইনের ছাত্রদের অন্য ব্যাকগ্রাউন্ডের শিক্ষার্থীদের মতো সমান সুযোগ আছে। এক্ষেত্রে বাংলা, ইংলিশ, ইতিহাস, ইঞ্জিনিয়ার, বিবিএ, এমনকি ফাইন আর্টস ডিগ্রিধারীদের সাথে প্রতিযোগিতা করে টিকতে হবে। বিসিএস দেয় তিন লাখ, আর নিয়োগ প্রাপ্ত হবেন প্রায় ২০০০ জন। বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন পোস্টে পরীক্ষা দেয় প্রায় দুই লাখ, নিবে ১০০০ জন। কিন্ত কোন পোস্ট আইন সংক্রান্ত হলে শুধু আইনের ছাত্র আবেদন করবে, তাতে ৩০ জন নিবে, প্রার্থী থাকবে প্রায় ৩০০০ জন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত কোন জিজ্ঞাসা থাকলে কমেন্ট করতে বা ইনবক্সেআসলে বিস্তারিত উত্তর দেয়া হবে।

Post:
Ahsanul Kabir (Text here: https://www.facebook.com/versitian.circle)
Bachelor of Laws (LL.B Honours) from BRAC University
Masters in Business Administration in Management, University of Dhaka


More necessary links regarding LLB & LLM

✅How to start legal studies:; https://www.facebook.com/groups/privatians/permalink/1252944265307951/

☑️LLB admission and the reason behind study in Law: https://www.facebook.com/groups/privatians/permalink/1252944325307945/

🔥🔥🔥 How to become an advocate: https://www.facebook.com/groups/privatians/permalink/1252945771974467/

🔥🔥🔥 Career opportunity and procedures to become an advocate : https://www.facebook.com/groups/privatians/permalink/1252946278641083/

🔥🔥🔥 How to become a judge and career opportunities in different sectors : https://www.facebook.com/groups/privatians/permalink/1252947108641000/

❤️❤️❤️ Basic idea about advocate, Lawyer, pleader, attorney, solicitor and Barrister: https://www.facebook.com/groups/privatians/permalink/1252950048640706/

⭐Basic concept about legal sectors : https://www.facebook.com/groups/privatians/permalink/1252938901975154/

⭐ Basic concept about LLB : https://www.facebook.com/groups/privatians/permalink/1252939748641736/

হাইকোর্ট পারমিশন পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ২০২৪  তারিখ ১০-০৫-২০২৪..Written Examination for Permission to Practise in the High ...
10/05/2024

হাইকোর্ট পারমিশন পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ২০২৪ তারিখ ১০-০৫-২০২৪..Written Examination for Permission to Practise in the High Court Division of the Supreme Court of Bangladesh, 2024 [Date: 10 May, 2024]

Writ pettition /2024/ 10 / May
10/05/2024

Writ pettition /2024/ 10 / May

Address

Iban Akand Law & Associates, House 12 Road 33 Sector 7 Uttara Dhaka, Mob 01711921416 Email :/Advocateakand@gmail
Dhaka
1230

Opening Hours

Tuesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801711921416

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when High Court Division Permission Preparation Page 01711921416 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to High Court Division Permission Preparation Page 01711921416:

Share