Dhaka Bhuiya Law Firm

Dhaka Bhuiya Law Firm সিভিল, ক্রিমিনাল এবং কোম্পানি সহ, যেকোন আইনি পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন।

জমিতে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ আছে কিনা জমি ক্রয়ের আগে www.land.gov.bd তে গিয়ে মর্টগেজ তথ্য যাছাই করে নিবেন।
03/01/2023

জমিতে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ আছে কিনা জমি ক্রয়ের আগে www.land.gov.bd তে গিয়ে মর্টগেজ তথ্য যাছাই করে নিবেন।

 #আনা_গন্ডা_সম্পর্কিত_খতিয়ানআনা, গন্ডা, কড়া, ক্রান্তি ও তিল সম্পর্কিত খতিয়ান ( সি.এস, এস.এ, আর.এস, আর.ও.আর খতিয়ান) হইতে ...
18/11/2022

#আনা_গন্ডা_সম্পর্কিত_খতিয়ান
আনা, গন্ডা, কড়া, ক্রান্তি ও তিল সম্পর্কিত খতিয়ান ( সি.এস, এস.এ, আর.এস, আর.ও.আর খতিয়ান) হইতে হিস্যা বাহির করার সুবিধার জন্য নিম্নে আনা, গণ্ডা, কড়া, ক্রান্তি ও তিল এর সাংকেতিক চিহ্ন সমুহের একটি ছক দেওয়া হল। আনা, গণ্ডা, কড়া, ক্রান্তি ও তিল যখন খতিয়ানে ব্যবহার হয় তখন আনা, গণ্ডা, কড়া, ক্রান্তি ও তিল-কে ১ এর ভগ্নাংশ বুঝতে হবে । ১ বলতে ১৬ আনা বুঝায় । ১টাকা = ১৬ আনা ; ১ আনা বলতে সম্পূর্ণ অংশের ১৬ ভাগের ১ অংশ বুঝায় । খতিয়ানের সম্পূর্ণ অংশকে বিভিন্ন ইউনিটে ভাগ করা হয়। যেমন-
১ আনা =২০ গণ্ডা ; ১ গণ্ডা = ৪ কড়া ; ১ কড়া = ৩ ক্রান্তি ; ১ ক্রান্তি = ২০ তিল
আনা সংক্রান্ত
⁄ = ১ আনা
৵ = ২ আনা
৶ = ৩ আনা
৷ = ৪ আনা
৷⁄ = ৫ আনা
৷৵ = ৬ আনা
৷৶ = ৭ আনা
৷৷ = ৮ আনা
৷৷⁄ = ৯ আনা
৷৷৵ = ১০ আনা
৷৷৶ = ১১ আনা
৸ = ১২ আনা
৸ ⁄ = ১৩ আনা
৸৵ = ১৪ আনা
৸৶ = ১৫ আনা
১ = ১৬ আনা
গণ্ডা সংক্রান্ত
১ = ১ গণ্ডা
২ = ২ গণ্ডা
৩ = ৩ গণ্ডা
৪ = ৪ গণ্ডা
৫ = ৫ গণ্ডা
৬ = ৬ গণ্ডা
৭ = ৭ গণ্ডা
৮ = ৮ গণ্ডা
৯ = ৯ গণ্ডা
১০ = ১০ গণ্ডা
১১ = ১১ গণ্ডা
১২ = ১২ গণ্ডা
১৩ = ১৩ গণ্ডা
১৪ = ১৪ গণ্ডা
১৫ = ১৫ গণ্ডা
১৬ = ১৬ গণ্ডা
১৭ = ১৭ গণ্ডা
১৮ = ১৮ গণ্ডা
১৯ = ১৯ গণ্ডা
২০ = ২০ গন্ডা= ⁄ (১ আনা)
[বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ- প্রথমে থাকলে এগুলোর বাম পাশে একটি ইলেক চিহ্ন দিতে হবে ]
কড়া সংক্রান্ত
৷ = ১ কড়া
৷৷ = ২ কড়া
৸ = ৩ কড়া
৪ কড়া= ১ গণ্ডা
[বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ- প্রথমে থাকলে এগুলোর বাম পাশে একটি ইলেক চিহ্ন দিতে হবে ]
ক্রান্তি সংক্রান্ত
৴ = ১ ক্রান্তি
৴৴ = ২ ক্রান্তি
৩ ক্রান্তি = ৷ (১ কড়া)
[বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ- প্রথমে থাকলে এগুলোর বাম পাশে একটি ইলেক চিহ্ন দিতে হবে ]
তিল সংক্রান্ত
১ = ১ তিল
২ = ২ তিল
৩ = ৩ তিল
৪ = ৪ তিল
৫ = ৫ তিল
৬ = ৬ তিল
৭ = ৭ তিল
৮ = ৮ তিল
৯ = ৯ তিল
১০ = ১০ তিল
১১ = ১১ তিল
১২ = ১২ তিল
১৩ = ১৩ তিল
১৪ = ১৪ তিল
১৫ = ১৫ তিল
১৬ = ১৬ তিল
১৭ = ১৭ তিল
১৮ = ১৮ তিল
১৯ = ১৯ তিল
২০ = ২০ তিল = ৴ (১ ক্রান্তি)
[বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ- প্রথমে থাকলে এগুলোর বাম পাশে দুটো ইলেক চিহ্ন দিতে হবে ]

জাল দলিল শনাক্তের জন্য আগেকার ক্যালেন্ডার প্রয়োজন হয়ে থাকে,যদি দলিলটি পুরাতন হয়ে থাকে আসলে যে দিন দেখিয়ে দলিল করা হয়েছে ...
10/11/2022

জাল দলিল শনাক্তের জন্য আগেকার ক্যালেন্ডার প্রয়োজন হয়ে থাকে,
যদি দলিলটি পুরাতন হয়ে থাকে আসলে যে দিন দেখিয়ে দলিল করা হয়েছে সেটা সরকারি কোন ছুটির দিন ছিল কিনা দেখার জন্য। ১৯৭৩ সাল থেকে কোন এক ব্যক্তি সংগ্রহ করে রেখেছিলেন।

- ১৯৮২ সাল পর্যন্ত সাপ্তাহিক ছুটির দিন ছিল রবিবার।
- ১৯৮৩ ও ১৯৮৪ সালে প্রথম বারের মত শুক্র-শনি ছুটি চালু হয়।
- ১৯৮৫ - ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত শুধুমাত্র শুক্রবার ছুটি ছিল।
-১৯৯৮ সাল থেকে আবারও শুক্র-শনি ছুটি চালু হয় যেটা ২০০১ পর্যন্ত ছিল।
- ২০০২ সাল থেকে শনিবার এর ছুটি বাতিল হয়,
যা পরে ২০০৬ সাল থেকে আবারও চালু করে এবং এখন পর্যন্ত যা টিকে আছে।

''জাল দলিলের আদ্যোপান্ত'' #জাল দলিলঃ সম্পূর্ণভাবে বা আংশিকভাবে জালকৃত যে কোন মিথ্যা দলিলকে জাল দলিল বলে. #দলিলের প্রকারভ...
15/09/2022

''জাল দলিলের আদ্যোপান্ত''

#জাল দলিলঃ সম্পূর্ণভাবে বা আংশিকভাবে জালকৃত যে কোন মিথ্যা দলিলকে জাল দলিল বলে.

#দলিলের প্রকারভদেঃ (১) কবলা দলিল; (২) বিনিময় দলিল; (৩) কবুলিয়ত দলিল; (৪) দানপত্র/হেবা দলিল; (৫) পাওয়ার অব এটর্ণী দলিল; (৬) উইল দলিল; (৭) বায়না দলিল; (৮) চুক্তি দলিল; (৯) পাওয়ার অব এটর্ণী # দলিল; (১০)আপোষনামা দলিল; (১১) লীজ দলিল; (১২) খায় খালাসী দলিল; (১৩) ওছিয়ত নামা দলিল; (১৪) পত্তনী দলিল

# #জাল দলিল চিহ্নিত করণের পদ্ধতি/উপায়( দলিল পরীক্ষা করে)

(ক) হাতের লিখাঃ ১৯৭২ সনের পূর্বের কোন দলিলের মূল কপি যদি বলপেন দিয়ে লিখা থাকে তবে তা জাল দলিল। কারণ তখনও বলপেন আবিস্কার হয় নি।

(খ) ষ্ট্যাম্প উত্তোলনের তারিখ : ষ্ট্যাম্প উত্তোলনের সময় ষ্ট্যাম্পের পেছনে গ্রহিতার নাম, ঠিকানা, ভেন্ডারের নাম, তারিখ, সীল ইত্যাদি থাকে। ষ্ট্যাম্প গ্রহণের তারিখের পূর্বের তারিখ দিয়ে দলিল সৃজন করা হলে তা জাল দলিল।

(গ) দলিলের প্রাচীনতা পরীক্ষা : ১৯৪৭ সনের পূর্বে, ১৯৬০ সনের পূর্বে। ৬-৯-৬৫ থেকে ১৬-২-৬৯ পর্যন্ত, বাংলাদেশ হওয়ার পরের ইত্যাদি দলিল। ১৯৪৭ সনের ১৪ আগষ্টের পূর্বের দলিলে যদি পাকিস্তান লেখা থাকে; ১৯৬০ সনের পূর্বের দলিলে যদি সিও (রেভিনিউ) লেখা থাকে; ৬-৯-৬৫ থেকে ১৬-২-৬৯ পর্যন্ত সময়ের হিন্দু মালিকের সম্পত্তি বিক্রির ক্ষেত্রে কালেকটরের অনুমতি না থাকলে।

(ঘ)দলিলের গন্ধ পরীক্ষা করে : দলিলকে প্রাচীন বা অনেক পুরাতন করার জন্য নতুন দলিলকে পুরাতন কাঁথা, খড়ের গাদা, বাঁশের চৌঙ্গায় রাখা হয়। তখন এ সকল দ্রব্যাদির গন্ধ পাওয়া যায়। এরূপ দলিলকে সন্দেহের চোখে দেখে অন্যান্য তথ্যাদি যাচাই করতে হবে।

(ঙ)বালাম বহি পরীক্ষা করে: দলিল ও বালাম বহিতে গড় মিল থাকে। মূল দলিল বা সার্টিফাইট কপি বালাম বহির সাথে তুলনা করে গড় মিল নির্নয় করা যায়।

(চ)সাব রেজিস্ট্রি (এস আর) অফিস: ইসলামপুর (জামালপুর), নান্দাইল (ময়মনসিংহ), হরিরামপুর (মানিকগঞ্জ), কসবা (বিঃবাড়িয়া), কেপুপাড়া (পটুয়াখালী), শ্রীপুর, মোহাম্মদপুর (মাগুড়া), ইসলামকাটি (তালা, সাতক্ষীরা), পলাশবাড়ী (গাইবান্দা), আত্রাই, পত্মী তলা, সদর (নওগাঁ), রাজাপুর (ঝালকাটি), ভূয়াপুর (টাংগাইল) ইত্যাদি। বর্ণিত অফিসগুলি ১৯৭১ সানে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছিল। এই অফিসগুলোর ১৯৭২ সনের পূর্বের দলিলসমূহ বালাম বহিতে যাচাই করার সুযোগ নেই। এরূপ দলিল পাওয়া গেলে তা অন্যান্য পদ্ধতিতে সঠিকতা যাচাই করতে হবে।

(ছ) দুই এস আর অফিসের আওতায় দাতার জমি থাকলে: যেখানে দাতার বিক্রিত জমির পরিমাণ বেশী থাকে সেখানে দলিল রেজিস্ট্রি হতে হয়। কোন দাতার বিক্রিত জমির পরিমাণ যদি সাভারে এক একর এবং হরিরামপুরে ২ শতাংশ এবং উক্ত দলিলটি যদি হরিরামপুরে রেজিস্ট্রি হয়ে থাকে তবে তাকে প্রাথমিকভাবে জাল দলিল হিসেবে সন্দেহ করতে হবে।

(জ) রেকর্ড রুম এর তথ্যাদি যাচাই করে: ‘চ’ উপঅনুচ্ছেদে বর্ণিত সাব রেজিস্ট্রি অফিসে ১৯৭১ সনের পূর্বে কোন দলিল রেজিস্ট্রি হয়ে থাকলে এবং উক্ত দলিলে যদি দুটি ভিন্ন সাব রেজিস্ট্রি অফিসের অধীন দাতার জমি থাকে তবে এই দলিলে তফসিলে বর্ণিত দাতার জমি সংশ্লিষ্ট জেলার রেকর্ড রুমের তথ্যের সহিত যাচাই করতে হবে।

(ঝ) দলিলের স্বাক্ষর: দাতার স্বাক্ষর যদি অন্য কোন দলিল বা ডকুমেন্টে পাওয়া যায় তবে তার সহিত সন্দেহকৃত দলিলের স্বাক্ষর যাচাই করা।

(ঞ) তফসিল লিখার ভাষা: ১৯৬০ সনের পূর্বের দলিলে যদি সিও (রেভিনিউ) লেখা থাকে তবে তাকে জাল দলিল হিসেবে সন্দেহ করতে হবে। কারণ ১৯৬০ সনের পূর্বে সিও (রেভিনিউ) পদ ছিল না। ১৯৫৬ সনের পূর্বে কোন দলিলে যদি পূর্ব পাকিস্তান লেখা থাকে তাকেও সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখতে হবে।

(ট) ভূমি উন্নয়ন কর: ১৯৭৬ সনের পূর্বের দলিলে যদি ভূমি উন্নয়ন কর শব্দটি লিখা থাকে তবে তাকে জাল দলিল হিসেবে সন্দেহ করতে হবে। কারণ ১৯৭৬ সনে ভূমি উন্নয়ন কর অধ্যাদেশ জারির পূর্বে ভূমি ব্যবস্থাপনায় এরূপ শব্দ ছিল না।

(ঠ) দশমিক এর প্রয়োগ: ১৯৬০ সনে পূর্ব পাকিস্তানে দশমিক পদ্ধতির হিসাব প্রবর্তিত হয়। ১৯৬০ সনের পূর্বের কোন দলিলে যদি দশমিক পদ্ধতিতে জমির হিসাব, খাজনার পরিমাণ উল্লেখ থাকে তবে তাকে সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখতে হবে।

(ড) তফসিলে জরিপ তথ্যাদি: এস এ রেকর্ড চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত হওয়ার পরে শুধুমাত্র সিএস রেকর্ড দিয়ে দলিল রেজিস্ট্রি করা হলে, বিআরএস রেকর্ড চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত হওয়ার পর শুধুমাত্র সিএস/এসএ রেকর্ডের তথ্যাদি দিয়ে দলিল রেজিস্ট্রি করা হলে; (বর্তমানে ২৫ বছরের ইতিহাস লিখতে হয়)।

(ঢ) একাধিক রেফারেন্স: কোন দলিলের বর্ণনা অংশে যদি একাধিক দলিল/বিনিয়ম দলিল/রেজিস্ট্রিকৃত আপোষনামা ইত্যাদির রেফারেন্স থাকে তবে সেগুলোর মূল কপি/সার্টিফাইড কপি/ তফসিল যাচাই করা।

(ণ) বিনিময়: কোন দলিলের বর্ণনা অংশে যদি বিনিময় দলিলের রেফারেন্স থাকে তবে সে সকল বিনিময় কেস নথি নিয়মিত হয়েছে কিনা তা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখায় যাচাই করা (ভারত হতে প্রত্যাগতদের বেলায়)।

(ত) কবুলিয়াত/বন্দোবস্ত যাচাই: সরকার কর্তৃক বন্দোবস্তকৃত জমির বন্দোবস্তের যাবতীয় তথ্যাদি ঢওও নম্বর রেজিস্টারে সংরক্ষিত থাকে। কোন দলিলের বর্ণনা অংশে যদি বন্দোবস্তমূলে প্রাপ্ত এরূপ রেফারেন্স থাকে তবে সংশ্লিষ্ট রেজিস্টারসমূহ যাচাই করা।

(থ ) নামজারীর সময় দাতা, গ্রহীতা এবং খতিয়ানের অন্যান্য মালিকদের উপস্থিতিতে যথাযথ শুনানী গ্রহণ করা হলে।

(দ ) পাওয়ার অব এটর্ণী: পাওয়ার অব এটর্ণীর মাধ্যমে ক্ষমতা প্রাপ্ত হয়ে দাতা অন্য কোন ব্যক্তির জমি বিক্রি করলে সে ক্ষেত্রে পাওয়ার অব এটর্ণী যথাযথ ভাবে যাচাই করতে হবে। এক্ষেত্রে পাওয়ার অব এটর্ণীটি যথাযথভাবে স্ট্যাম্পিং করা হয়েছে কিনা/রেজিস্ট্রি কিনা/দাতা জমি বিক্রির ক্ষমতা দিয়েছে কিনা ইত্যাদি তথ্যাদি যাচাই করতে হবে।

# #জাল দলিলে বাতিলের পদ্ধতিঃ

জাল দলিল যেভাবই তৈরী করা হোক না কেন জাল দলিল সম্পর্কে জানার সাথে সাথেই জাল দলিল বাতিলের জন্য দেওয়ানী আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে। জাল দলিল রেজিষ্ট্রি হয়ে থাকলে তা দেওয়ানী আদ

26/08/2022
কিভাবে কোন অসুবিধা ছাড়া জমি বা প্লট কিনবেন?জমি কেনা একটা মানুষের জন্য স্বপ্নের মত। আমরা সবাই চাই আমার মালিকানায় ভালো জা...
28/07/2022

কিভাবে কোন অসুবিধা ছাড়া জমি বা প্লট কিনবেন?

জমি কেনা একটা মানুষের জন্য স্বপ্নের মত। আমরা সবাই চাই আমার মালিকানায় ভালো জায়গায় কিছু জমি থাকুক। এজন্য আমরা আমাদের সঞ্চয়ের একটা বড় অংশ জমিতে বিনিয়োগ করতে চাই। কিন্তু আমাদের সমাজে জমি কেনা অনেক ঝামেলার একটা ব্যাপার, যেখানে অনেক প্রতারক চক্র আমাদের মিথ্যা কাগজপত্র ও আশ্বাসে ভুলিয়ে প্রতারণার সুযোগ নিতে চায়।
তাই আমরা অনেকেই জমি সংক্রান্ত বিষয় না জানার কারণে জমি কিনতে গিয়ে হিমসিম খাই। এজন্য আমাদের সবারই জমি কেনার প্রক্রিয়া জেনে রাখা উচিত। যাতে করে জমি কেনার সময় কোন ঝামেলায় পড়তে না হয় সেই সাথে প্রতারক চক্র কে প্রতারণা করার সুযোগ করে না দেই।
আমাদের সাইটে আমরা নিয়মিতভাবে আপনাদের জন্য জমি বিষয়ক কিছু তথ্য নিয়ে আলোচনা করে থাকি। এরই ধারাবাহিকতায় আজ আমরা জমি কেনার সময় কি কি প্রক্রিয়া অনুসরন করতে হয় তার বিস্তারিত আলোচনা করবো। আসুন দেখে নিই জমি কেনার সময় কি কি প্রক্রিয়া অনুসরন করতে হয়।

জমি কেনার প্রক্রিয়াগুলি জেনে নিই
এখন আমরা জমি বা প্লট কেনার সময় কি কি প্রক্রিয়ায় যেতে হয় তার বিস্তারিত নিয়ে আলোচনা করবো।

জমির দলিলের মূল কপি যাচাই করা
জমি কেনার শুরুতেই জমির দলিলের মূল কপি দেখে নিতে হবে। সেই থাকে ভালো করে লক্ষ করতে হবে যে দলিলে উল্লেক্ষিত ব্যক্তি আর আজকের বিক্রেতা একই ব্যক্তি কিনা। একই ব্যাক্তি না হলে কোন ভাবেই এই জমি কেনায় আগানো যাবে না।

অনেক সময় জমির জাল দলিল সরবরাহ করা হয়। এতে করে জমির ক্রেতার ঠকার সম্ভাবনা থাকে। তাই জমি কেনার প্রক্রিয়ার শুরুতেই আপনি দলিলের মূল কপি বুঝে নিন এবং সেই সাথে দলিলের সাথে বিক্রেতার মিল আছে কিনা তা দেখে নিন।

#রেজিস্টার অফিসের ক্লিয়ারেন্স
জমি কেনার সময় দলিল যাচাই করার পর যেটা দেখতে হবে তা হলো, জমির কোন আইনি সমস্যা আছে কিনা, সেই সাথে সরকারের নিকট কোন খাজনা বাকি আছে কিনা তাও যাচাই করতে হবে। এসব যাচাই না করে জমি ক্রয় করলে সব বকেয়া খাজনা এবং অন্য কোন সমস্যা থাকলে তা ক্রেতাকে বহন করতে হবে।

ক্রেতাকে কি কি কাগজপত্র দেখতে হবে?
আসুন দেখে নি জমির ক্রেতাকে কি কি কাগজপত্র যাচাই করে নিতে হবে।

১) জমির মূল দলিল । মূল দলিলে পূর্বের মালিকের নাম সঠিকভাবে থাকতে হবে।
২) সাব রেজিস্টার অফিস হতে গত ৩০ বছরের এই জমির কোন মামলা আছে কিনা তার প্রমাণপত্র ।
৩) জমির নামে কোন ব্যাংক ঋন থাকলে তা সম্পূর্ন পরিশোধের ছাড়পত্র।
৪) জমির সকল খাজনা পরিশোধের রশিদ।
৫) জমির দলিলটি সরকারীভাবে রেজিস্ট্রি করা আছে কিনা তা যাচাই করে নেয়া।
৬) স্ট্যাম্প ডিউটি ও রেজিস্ট্রেশন ফি জমা দেয়ার রশিদ
৭) জমির নকশা বুঝে নেয়া।

# জমির দাম সাব্যস্ত হওয়া
জমির কাগজপত্র বুঝে নেয়া হলে জমির দাম সাব্যস্ত হতে হবে। দুই পক্ষের ঐক্যমতে এই দাম সাব্যস্ত হতে হবে। দাম সাব্যস্ত হলে অবশ্যই সাক্ষী থাকতে হবে।

#জমির বায়না করা
জমি দাম সাব্যস্ত হলে ১০%-১৫% টাকা অগ্রিম দিয়ে জমির বায়নাপত্র করতে হবে। বায়নাপত্রে বাকি টাকা কবে দেয়া হবে এবং কতদিনের মাঝে জমি বুঝিয়ে দেয়া হবে তার বিবরন থাকতে হবে।

#দলিল রেজিস্ট্রি করা
জমির মূল টাকা পরিশোধ হলে জমির ডিউটি ফি ও রেজিস্ট্রি ফি জমা দিয়ে জমির দলিল রেজিস্ট্রি করতে হবে ।

05/07/2022

এখন আর শুধুমাত্র ১২ ডিজিটের টিআইএন (TIN) কপি জমা দিলেই হবে না, আয় ব্যয়, বিনিয়োগ, ব্যবসা, স্হাবর ও অস্হাবর সম্পদের হিসাব সম্বলিত আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে বাধ্যতামূলক।..........................................................
২০২২-২০২৩ অর্থবছরের বাজেটে টিআইএন (TIN) জমার পাশাপাশি সেসব সুবিধা নিতে আপনাকে অবশ্যই আয়কর রিটার্ন জমার প্রাপ্তিস্বীকার পত্র (Acknowledgement Slip) / আয়কর প্রত্যয়ন সনদ জমা দিতে হবেঃ

১. সঞ্চয়পত্র ক্রয়: পাঁচ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্রর ক্ষেত্রে আয়কর রিটার্ন জমার প্রমাণ দেখাতে হবে। যেখানে তিনি সঞ্চয়পত্র কেনার আবেদন করবেন, সেখানেই রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র দিতে হবে।

২. ব্যাংক ঋণ: কোন ব্যাংক থেকে পাঁচ লাখ টাকার বেশি ঋণ নেয়ার আবেদন করলে আয়কর রিটার্নের প্রমাণপত্র দিতে হবে।

৩. ব্যাংকে জমা: ব্যাংক জমার সুদ আয় থেকে উৎস কর কর্তনে টিআইএন সনদ থাকলে ১০ শতাংশ কাটা হয়ে থাকে। না থাকলে ১৫ শতাংশ কাটা হয়। এখন থেকে টিআইএনের পরিবর্ততে রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে। তাহলেই তিনি ওই সুবিধা পাবেন। না হলে বেশি উৎস কর দিতে হবে।

৪. জমি-ফ্ল্যাট ক্রয়: সিটি কর্পোরেশন, জেলা সদরের পৌর এলাকা অথবা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় ১০ লাখ টাকা বেশি মূল্যের জমি বা ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রি, বিক্রি, দলিল হস্তান্তর, পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দিতে হলে এতদিন শুধুমাত্র টিআইএন সার্টিফিকেট জমা দিতে হতো। কিন্তু এখন থেকে ক্রেতাকে রেজিস্ট্রি অফিসে রিটার্ন জমার স্লিপ বা সনদ জমা দিতে হবে।

৫. ক্রেডিট কার্ড গ্রহণ: যেকোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ক্রেডিট কার্ড নিতে হলে এখন থেকে আয়কর রিটার্নের প্রাপ্তিস্বীকার পত্র জমা দিতে হবে। নাহলে মিলবে না ক্রেডিট কার্ড।

৬. গাড়ি ক্রয়, মালিকানা পরিবর্তন: দুই বা তিন চাকা ছাড়া যেকোনো মোটরগাড়ি নিবন্ধন, মালিকানা পরিবর্তন বা ফিটনেস নবায়ন করতে রিটার্ন জমা স্লিপ দেখাতে হবে। আগে শুধুমাত্র টিআইএন দিতে হতো, কিন্তু এখন থেকে রিটার্ন দাখিলের কপি দিতে হবে।

৭. ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়ানো: সিটি কর্পোরেশন বা জেলা সদর, পৌরসভায় সন্তান বা পোষ্যদের আন্তর্জাতিক পাঠ্যক্রমের আওতায় ইংরেজি মিডিয়াম স্কুল বা জাতীয় পাঠ্যক্রমের আওতায় ইংরেজি ভার্সনে ভর্তি করাতে হলে আয়কর রিটার্ন জমার স্লিপ বা সনদ জমা দিতে হবে।

৮. গ্যাসের সংযোগ: দেশের যেকোনো স্থানে বাণিজ্যিক বা শিল্প কারখানায় গ্যাসের সংযোগ নিতে হলে এবং সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বাসা বাড়ির গ্যাসের সংযোগ নিতে বা আগের সংযোগ বজায় রাখতে হলে রিটার্ন জমার স্লিপ বা সনদ লাগবে।

৯. বিদ্যুৎ সংযোগ: সিটি কর্পোরেশন বা সেনানিবাস এলাকায় নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে হলে রিটার্নের প্রাপ্তিস্বীকার পত্র জমা দিতে হবে। গ্রাম বা সিটি কর্পোরেশন এলাকার বাইরে অবশ্য এই নিয়ম বাধ্যতামূলক করা হয়নি।

১০. বাড়িভাড়া: জমি বা বাড়ি ভাড়া দিয়ে অনেকে আয় করে থাকেন। আয় যাই হোক না কেন, এই ধরনের আয়ের ক্ষেত্রে আয়কর রিটার্ন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

১১. সরকারি আয়: সরকার বা সরকারি কোন সংস্থা, কর্পোরেশন থেকে বেতন হিসাবে মূল বেতন ১৬ হাজার টাকা বা বেশি হলেই আয়কর রিটার্ন জমা দেয়ার প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে।

১২. বেসরকারি বেতন: বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে বেতন নেয়ার সময় বার্ষিক আয়কর রিটার্ন প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে।

১৩. এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের আয়: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরকারি অংশ বা এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের আয় মাসে ১৬ হাজার টাকার বেশি হলেই আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে।

১৪. নকশার অনুমোদন: ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী শহরে ভবন নির্মাণের অনুমোদন চাইলে আবেদনপত্রের সঙ্গে রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র দিতে হবে।

১৫. জনপ্রতিনিধি: জাতীয় সংসদ, সিটি কর্পোরেশন, জেলা পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলায় কোন নির্বাচনে প্রার্থী হতে হলে আবেদনপত্রের সঙ্গে আয়কর রিটার্ন জমা দেয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

১৬. ফান্ডের রিটার্ন: পেনশন ফান্ড, অনুমোদিত গ্র্যাচুইটি ফান্ড, স্বীকৃত প্রভিডেন্ট ফান্ড, অনুমোদিত সুপার এন্যুয়েশন ফান্ড এবং শ্রমিক অংশগ্রহণ তহবিল ছাড়া অন্যান্য ফান্ডের রিটার্ন দাখিলের প্রস্তাব করা হয়েছে।

১৭. ট্রেড লাইসেন্স: সিটি কর্পোরেশন বা পৌর এলাকায় ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তি ও নবায়ন করতে হলে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হবে। তবে এর বাইরের অন্যান্য এলাকায় এই নিয়ম প্রস্তাব করা হয়নি।

১৮. ডিজিটাল পণ্য ও সেবা: ডিজিটাল প্লাটফর্মে কোন পণ্য বা সেবা বিক্রি করতে হলে আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র থাকতে হবে।

১৯. মোবাইল ব্যাংকিং: মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অথবা ইলেকট্রনিক উপায়ে অর্থ হস্তান্তরে কমিশন, ফি জাতীয় অর্থ পেতে হলে রিটার্ন দাখিল করতে হবে।

২০. সমবায় সমিতি: সোসাইটি রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্টের আওতায় কোন সমিতি বা ক্লাব গঠিত হলে বা এ ধরণের ক্লাবের সদস্য হলে আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে।

এছাড়া আরও যেসব সেবা পেতে রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, সেগুলো হলোঃ
# ডাক্তার, আইনজীবী, চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট, প্রকৌশলী, স্থপতি ইত্যাদি পেশাজীবী সংগঠনের সদস্য হলে বা সদস্য হতে চাইলে
# পরামর্শক, ক্যাটারিং, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট, জনবল বা নিরাপত্তা সেবা দিয়ে অর্থ গ্রহণ করতে
# বিবাহ নিবন্ধক বা কাজী হিসাবে লাইসেন্স পেতে
# আমদানি-রপ্তানির সনদ পেতে চাইলে
# আমদানির এলসি খুলতে চাইলে
# কোম্পানি পরিচালক বা শেয়ারহোল্ডার পদ পেতে
# ব্যবসা বা বাণিজ্য সংগঠনের বা সমিতির সদস্যপদ গ্রহণ
# বীমা কোম্পানির এজেন্ট হিসাবে তালিকাভুক্তি বা নবায়ন করতে
# বীমা বা সার্ভেয়ার হিসাবে নিবন্ধন নিতে
# অস্ত্রের লাইসেন্স নেয়ার আবেদন করলে
# ওষুধ ব্যবসার জন্য ড্রাগ লাইসেন্স থাকলে বা করাতে
# অগ্নি-নিরাপত্তা লাইসেন্স,
# পরিবেশ ছাড়পত্র
# বিএসটিআই লাইসেন্স পেতে চাইলে
# লঞ্চ, স্টিমার, ট্রলার, কার্গো, বার্জ ইত্যাদি নৌযানের সার্ভে সার্টিফিকেটের জন্য
# ইটভাটার অনুমোদন নিতে হলে
# পরিবহন সেবার ব্যবসা করলে
# কোন কোম্পানির ডিস্ট্রিবিউটর বা এজেন্টশিপ চাইলে।
# পণ্য সরবরাহের ঠিকাদারী

04/07/2022

জীবনের ধর্ম হলো কর্ম।। কর্ম নাই জীবনের দু-পয়সা মূল্য নাই।।

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম :আসসালামু আলাইকুম ভাই ও বোনেরা।Dhaka Bhuiya law firm  এব মাধ্যমে ২০২২ সালে সকল অসহায় দরিদ্র মা...
10/05/2022

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম :

আসসালামু আলাইকুম ভাই ও বোনেরা।
Dhaka Bhuiya law firm এব মাধ্যমে ২০২২ সালে সকল অসহায় দরিদ্র মানুষের জন্য আইনী সেবা আমরা বিনামূল্যে করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি।

বিঃদ্রঃ যারা অসহায় দরিদ্র তাদের সার্বিক দিন বিবেনায় আমরা আমাদের নিধ্যারিত ফরম ফিলাপের মাধ্যমে আইনী সহয়তা প্রদান করবো।

আমাদের বিগত ২০১৩ সাল থেকে অভিজ্ঞ আইনজীবী দ্বারা পরিচালিত করা হয়।

আমরা সমগ্র বাংলাদেশের যেকোন জেলা সহ মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের সকল মামলা দক্ষতার সহিত পরিচালনায় বদ্ধ পরিকর ও অঙ্গীকারাবদ্ধ।

আমাদের সেবা সমূহঃ
১. দেওয়ানী মোকদ্দমা
২. ফৌজদারী মামলা
৩. ইনকাম ট্যাক্স ও শ্রম আইনের মামলা
৪. কোম্পানি সংক্রান্ত সকল মামলা ও রেজিষ্ট্রেশন
৫. শ্রম আদালতের সকল মামলা মোকদ্দমা

প্রয়োজনে যোগাযোগ করুনঃ
Dhaka Bhuiya law Firm....

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম :আসসালামু আলাইকুম ভাই ও বোনেরা।Dhaka Bhuiya law firm  এব মাধ্যমে ২০২২ সালে সকল অসহায় দরিদ্র মা...
03/03/2022

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম :

আসসালামু আলাইকুম ভাই ও বোনেরা।
Dhaka Bhuiya law firm এব মাধ্যমে ২০২২ সালে সকল অসহায় দরিদ্র মানুষের জন্য আইনী সেবা আমরা বিনামূল্যে করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি।

বিঃদ্রঃ যারা অসহায় দরিদ্র তাদের সার্বিক দিন বিবেনায় আমরা আমাদের নিধ্যারিত ফরম ফিলাপের মাধ্যমে আইনী সহয়তা প্রদান করবো।

আমাদের বিগত ২০১৩ সাল থেকে অভিজ্ঞ আইনজীবী দ্বারা পরিচালিত করা হয়।

আমরা সমগ্র বাংলাদেশের যেকোন জেলা সহ মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের সকল মামলা দক্ষতার সহিত পরিচালনায় বদ্ধ পরিকর ও অঙ্গীকারাবদ্ধ।

আমাদের সেবা সমূহঃ
১. দেওয়ানী মোকদ্দমা
২. ফৌজদারী মামলা
৩. ইনকাম ট্যাক্স ও শ্রম আইনের মামলা
৪. কোম্পানি সংক্রান্ত সকল মামলা ও রেজিষ্ট্রেশন
৫. শ্রম আদালতের সকল মামলা মোকদ্দমা

প্রয়োজনে যোগাযোগ করুনঃ
Dhaka Bhuiya law Firm....

Address

৪৫/৪৫/১ রজনী চৌধুরী লেন, সূএাপুর
Dhaka
1100

Opening Hours

Monday 09:00 - 20:00
Tuesday 09:00 - 20:00
Wednesday 09:00 - 20:00
Thursday 09:00 - 20:00
Friday 09:00 - 20:00
Saturday 09:00 - 20:00
Sunday 09:00 - 20:00

Telephone

+8801719337687

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dhaka Bhuiya Law Firm posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Dhaka Bhuiya Law Firm:

Share