Castle Housing Ltd.

Castle Housing Ltd. একসাথে জমি কিনি, নিজের বাড়ি নিজেই গড়ি!

একসাথে জমি কিনি, নিজের বাড়ি নিজে গড়ি! 🏡🏡🏡আমরা আপনাকে দিচ্ছি নাগরিক সুবিধাবেষ্টিত বসুন্ধরা আবাসিকের N ব্লকে শেয়ারে জমি ...
27/09/2022

একসাথে জমি কিনি, নিজের বাড়ি নিজে গড়ি! 🏡🏡🏡

আমরা আপনাকে দিচ্ছি নাগরিক সুবিধাবেষ্টিত বসুন্ধরা আবাসিকের N ব্লকে শেয়ারে জমি কিনে ৫০% কম খরচে নিজের বাড়ি নিজেই তৈরী করার স্বপ্ন পূরণের সুযোগ। 😍

বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন: 01729-807087

❤️ প্রজেক্ট এর বিবরণঃ
- প্রজেক্টের নাম - Castle Rose
- জমির পরিমাণ - 4 কাঠা
- অবস্থান - ব্লক: N (৩০০ ফুট রাস্তার নিকটে), বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা
- বিল্ডিং - G+৮
- প্রতি ফ্লোরে ইউনিট সংখ্যা - ১ টি
- ফ্ল্যাট সংখ্যা - ৮ টি
- পার্কিং সংখ্যা - ৮ টি
- ফ্ল্যাট সাইজ - 1780 বর্গ ফুট (Gross)
- ফ্ল্যাটের জমির শেয়ার মুল্য - 45.50 লক্ষ টাকা (জমি রেজিস্ট্রেশন মিউটেশন সহ)
জমির শেয়ার + রেজিস্ট্রেশন + নির্মাণ সহ অন্যান্য খরচ মিলে মোট খরচ দাড়াতে পারে শেয়ার প্রতি - 83,০০,০০০/- টাকা More or less.

💛 প্রতিটি ফ্ল্যাটে থাকবে -
- 3 বেড
- 3 বাথ
- 3 বারান্দা
- ড্রয়িং
- ডাইনিং
- ফ্যামেলি লিভিং
- কিচেন
- সার্ভেন্ট বেড

💚 এছাড়া আরো থাকবে -
- প্রেয়ার হল
- লাইব্রেরী
- বার্ডস জোন
- সরোবর
- ঝর্ণা
- প্লে-পার্ক
- একুরিয়াম
- সানকেন লাউঞ্জ
- সুইমিংপুল
- হেলথ ক্লাব
- বারবিকিউ কর্ণার
- ইনডোর গেমস জোন

🧡 প্রকল্পের ২০০ মিটারের মধ্যে রয়েছে -
১. মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজ
২. ক্যামব্রিয়ান স্কুল এন্ড কলেজ
৩. বসুন্ধরা স্পোর্টস জোন
৪. সেন্ট্রাল মসজিদ
৫. ২০০ ফিট ও ১৩০ ফিট (ড্যাপ) রাস্তা
৬. ব্যাংক
৭. শপিংমল
৮. বিশ্ববিদ্যালয়
৯. হাসপাতাল

কিস্তিতে নির্মাণ ও যাবতীয় খরচ পরিশোধ করে আপনার সন্তানের ভবিষৎ নিজ বাড়িতে গড়ে ওঠা নিশ্চিত করুন। সচক্ষে জমির লোকেশন পরিদর্শন ও কাগজ পত্র যাচাই বাছাই করে তারপর বুকিং দিন।

একসাথে জমি কিনি, নিজের বাড়ি নিজে গড়ি! 🏡🏡🏡

= ”খতিয়ান” কি?= ”সি এস খতিয়ান” কি?= ”এস এ খতিয়ান” কি?= ”আর এস খতিয়ান” কি?= ”বি এস খতিয়ান” কি?=“দলিল” কাকে বলে?=“খানাপু...
30/07/2021

= ”খতিয়ান” কি?
= ”সি এস খতিয়ান” কি?
= ”এস এ খতিয়ান” কি?
= ”আর এস খতিয়ান” কি?
= ”বি এস খতিয়ান” কি?
=“দলিল” কাকে বলে?
=“খানাপুরি” কাকে বলে?
= ”নামজারি” কাকে বলে ?
=“তফসিল” কাকে বলে?
=“দাগ” নাম্বার/”কিত্তা” কাকে বলে?
= “ছুটা দাগ” কাকে বলে?
= ”পর্চা” কাকে বলে ?
= ”চিটা” কাকে বলে ?
= ”দখলনামা” কাকে বলে ?
= “খাজনা” ককে বলে?
= ”বয়নামা” কাকে বলে ?
= ”জমাবন্দি” কাকে বলে ?
= ”দাখিলা” কাকে বলে ?
= ”DCR” কাকে বলে ?
=“কবুলিয়ত” কাকে বলে ?
= “ফারায়েজ” কাকে বলে?
= “ওয়ারিশ” কাকে বলে?
= ”হুকুমনামা” কাকে বলে ?
= ”জমা খারিজ” কাকে বলে ?
= ”মৌজা” কি/ কাকে বলে ?
= “আমিন” কাকে বলে?
= “কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
= “সিকস্তি” কাকে বলে ?
= “পয়ন্তি” কাকে বলে?
””””””””””””””””””””””””””””””
=খতিয়ানঃ
মৌজা ভিত্তিক এক বা একাধিক ভূমি মালিকের ভূ-সম্পত্তির বিবরণ সহ যে ভূমি রেকর্ড জরিপকালে প্রস্ত্তত করা হয় তাকে খতিয়ান বলে। এতে ভূমধ্যাধিকারীর নাম ও প্রজার নাম, জমির দাগ নং, পরিমাণ, প্রকৃতি, খাজনার হার ইত্যাদি লিপিবদ্ধ থাকে। আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের খতিয়ানের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তন্মধ্যে সিএস, এসএ এবং আরএস উল্লেখযোগ্য। ভূমি জরিপকালে ভূমি মালিকের মালিকানা নিয়ে যে বিবরণ প্রস্তুত করা হয় তাকে “থতিয়ান” বলে। খতিয়ান প্রস্তত করা হয় মৌজা ভিত্তিক।
= সি এস খতিয়ানঃ
১৯১০-২০ সনের মধ্যে সরকারি আমিনগণ প্রতিটি ভূমিখণ্ড পরিমাপ করে উহার আয়তন, অবস্থান ও ব্যবহারের প্রকৃতি নির্দেশক মৌজা নকশা এবং প্রতিটি ভূমিখন্ডের মালিক দখলকারের বিররণ সংবলিত যে খতিয়ান তৈরি করেন সিএস খতিয়ান নামে পরিচিত।
=এস এ খতিয়ানঃ
১৯৫০ সালের জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন পাসের পর সরকার জমিদারি অধিগ্রহণ করেন। তৎপর সরকারি জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে মাঠে না গিয়ে সিএস খতিয়ান সংশোধন করে যে খতিয়ান প্রস্তুত করেন তা এসএ খতিয়ান নামে পরিচিত। কোনো অঞ্চলে এ খতিয়ান আর এস খতিয়ান নামেও পরিচিত। বাংলা ১৩৬২ সালে এই খতিয়ান প্রস্তুত হয় বলে বেশির ভাগ মানুষের কাছে এসএ খতিয়ান ৬২র
খতিয়ান নামেও পরিচিত।
= আর এস খতিয়ানঃ
একবার জরিপ হওয়ার পর তাতে উল্লেখিত ভুলত্রুটি সংশোধনের জন্য পরবর্তীতে যে জরিপ করা হয় তা আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। দেখা যায় যে, এসএ জরিপের আলোকে প্রস্তুতকৃত খতিয়ান প্রস্তুতের সময় জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে তদন্ত করেনি। তাতে অনেক ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়ে গেছে। ওই ত্রুটি-বিচ্যুতি দূর করার জন্য সরকার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরেজমিনে ভূমি মাপ-ঝোঁক করে পুনরায় খতিয়ান প্রস্তুত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। এই খতিয়ান আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। সারাদেশে এখন পর্যন্ত তা সমাপ্ত না হলেও অনেক জেলাতেই আরএস খতিয়ান চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
সরকারি আমিনরা মাঠে গিয়ে সরেজমিনে জমি মাপামাপি করে এই খতিয়ান প্রস্তুত করেন বলে তাতে ভুলত্রুটি কম লক্ষ্য করা যায়। বাংলাদেশের অনেক এলাকায় এই খতিয়ান বি এস খতিয়ান নামেও পরিচিত।
= বি এস খতিয়ানঃ
সর্ব শেষ এই জরিপ ১৯৯০ সা পরিচালিত হয়। ঢাকা অঞ্চলে মহানগর জরিপ হিসাবেও পরিচিত।
= “দলিল” কাকে বলে?
যে কোন লিখিত বিবরণ আইনগত সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য তাকে দলিল বলা হয়। তবে রেজিস্ট্রেশন আইনের বিধান মোতাবেক জমি ক্রেতা এবং বিক্রেতা সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য যে চুক্তিপত্র সম্পাদন ও রেজিস্ট্রি করেন সাধারন ভাবেতাকে দলিল বলে।
= “খানাপুরি” কাকে বলে?
জরিপের সময় মৌজা নক্সা প্রস্তুত করার পর খতিয়ান প্রস্তুতকালে খতিয়ান ফর্মের প্রত্যেকটি কলাম জরিপ কর্মচারী কর্তৃক পূরন করার প্রক্রিয়াকে খানাপুরি বলে।
= নামজারি কাকে বলে ?
ক্রয়সূত্রে/উত্তরাধিকার সূত্রে অথবা যেকোন সূত্রে জমির নতুন মালিক হলে নতুন মালিকের নাম সরকারি খতিয়ানভুক্ত করার প্রক্রিয়াকে নামজারী বলা হয়।
= “তফসিল” কাকে বলে?
জমির পরিচয় বহন করে এমন বিস্তারিত বিবরণকে “তফসিল” বলে। তফসিলে, মৌজার নাম, নাম্বার, খতিয়ার নাম্বার, দাগ নাম্বার, জমির চৌহদ্দি, জমির পরিমাণ সহ ইত্যাদি তথ্য সন্নিবেশ থাকে।
= “দাগ” নাম্বার কাকে বলে? / কিত্তা কি ?
দাগ শব্দের অর্থ ভূমিখ-। ভূমির ভাগ বা অংশ বা পরিমাপ করা হয়েছে এবং যে সময়ে পরিমাপ করা হয়েছিল সেই সময়ে ক্রম অনুসারে প্রদত্ত ওই পরিমাপ সম্পর্কিত নম্বর বা চিহ্ন।
যখন জরিপ ম্যাপ প্রস্তুত করা হয় তখন মৌজা নক্সায় ভূমির সীমানা চিহ্নিত বা সনাক্ত করার লক্ষ্যে প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে আলাদা আলাদ নাম্বার দেয়া হয়। আর এই নাম্বারকে দাগ নাম্বার বলে। একেক দাগ নাম্বারে বিভিন্ন পরিমাণ ভূমি থাকতে পারে। মূলত, দাগ নাম্বার অনুসারে একটি মৌজার অধীনে ভূমি মালিকের সীমানা খূটিঁ বা আইল দিয়ে সরেজমিন প্রর্দশন করা হয়। দাগকে কোথাও কিত্তা বলা হয়।
= “ছুটা দাগ” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে প্রাথমিক অবস্থায় নকশা প্রস্তুত অথবা সংশোধনের সময় নকশার প্রতিটি ভূমি এককে যে নাম্বার দেওয়া হয় সে সময় যদি কোন নাম্বার ভুলে বাদ পড়ে তাবে ছুটা দাগ বলে। আবার প্রাথমিক পর্যায়ে যদি দুটি দাগ একত্রিত করে নকশা পুন: সংশোধন করা হয় তখন যে দাগ নাম্বার বাদ যায় তাকেও ছুটা দাগ বলে।
= পর্চা কীঃ / “পর্চা” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে চূড়ান্ত খতিয়ান প্রস্তত করার পূর্বে ভূমি মালিকদের নিকট খসড়া খতিয়ানের যে অনুলিপি ভুমি মালিকদের প্রদান করা করা হয় তাকে “মাঠ পর্চা” বলে। এই মাঠ পর্চা রেভিনিউ/রাজস্ব অফিসার কর্তৃক তসদিব বা সত্যায়ন হওয়ার পর যদি কারো কোন আপত্তি থাকে তাহলে তা শোনানির পর খতিয়ান চুড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়। আর চুড়ান্ত খতিয়ানের অনুলিপিকে “পর্চা” বলে।
= চিটা কাকে বলে?
একটি ক্ষুদ্র ভূমির পরিমাণ, রকম ইত্যাদির পূর্ণ বিবরণ চিটা নামে পরিচিত। বাটোয়ারা মামলায় প্রাথমিক ডিক্রি দেয়ার পর তাকে ফাইনাল ডিক্রিতে পরিণত করার আগে অ্যাডভোকেট কমিশনার সরেজমিন জমি পরিমাপ করে প্রাথমিক ডিক্রি মতে সম্পত্তি এমনি করে পক্ষদের বুঝায়ে দেন। ওই সময় তিনি যে খসড়া ম্যাপ প্রস্তুত করেন তা চিটা বা চিটাদাগ নামে পরিচিত।
= দখলনামা কাকে বলে?
দখল হস্তান্তরের সনদপত্র। সার্টিফিকেট জারীর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি কোনো সম্পত্তি নিলাম খরিদ করে নিলে সরকার পক্ষ সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দেয়ার পর যে সনদপত্র প্রদান করেন তাকে দখলনামা বলে।
সরকারের লোক সরেজমিনে গিয়ে ঢোল পিটিয়ে, লাল নিশান উড়ায়ে বা বাঁশ গেড়ে দখল প্রদান করেন। কোনো ডিক্রিজারির ক্ষেত্রে কোনো সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় হলে আদালত ওই সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দিয়ে যে সার্টিফিকেট প্রদান করেন তাকেও দখলনামা বলা হয়। যিনি সরকার অথবা আদালতের নিকট থেকে কোনো সম্পত্তির দখলনামা প্রাপ্ত হন, ধরে নিতে হবে যে, দখলনামা প্রাপ্ত ব্যক্তির সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিতে দখল আছে।
= “খাজনা” ককে বলে?
সরকার বার্ষিক ভিত্তিতে প্রজার নিকট থেকে ভূমি ব্যবহারের জন্য যে কর আদায় করে তাকে খাজনা বলে।.
= বয়নামা কাকে বলে?
১৯০৮ সালের দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ আদেশের ৯৪ নিয়ম অনুসারে কোনো স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে আদালত নিলাম ক্রেতাকে নিলামকৃত সম্পত্তির বিবরণ সংবলিত যে সনদ দেন তা বায়নামা নামে পরিচিত।
বায়নামায় নিলাম ক্রেতার নামসহ অন্যান্য তথ্যাবলি লিপিবদ্ধ থাকে। কোনো নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে ক্রেতার অনুকূলে অবশ্যই বায়নামা দিতে হবে।
যে তারিখে নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হয় বায়নামায় সে তারিখ উল্লেখ করতে হয়।
= জমাবন্দিঃ
জমিদারি আমলে জমিদার বা তালুকদারের সেরেস্তায় প্রজার নাম, জমি ও খাজনার বিবরণী লিপিবদ্ধ করার নিয়ম জমাবন্দি নামে পরিচিত। বর্তমানে তহশিল অফিসে অনুরূপ রেকর্ড রাখা হয় এবং তা জমাবন্দি নামে পরিচিত।
= দাখিলা কাকে বলে?
সরকার বা সম্পত্তির মালিককে খাজনা দিলে যে নির্দিষ্ট ফর্ম বা রশিদ ( ফর্ম নং১০৭৭) প্রদান করা হয় তা দাখিলা বা খাজনার রশিদ নামে পরিচিত।
দাখিলা কোনো স্বত্বের দলিল নয়, তবে তা দখল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ বহন করে।
= DCR কাকে বলে?
ভূমি কর ব্যতিত আন্যান্য সরকারি পাওনা আদায় করার পর যে নির্ধারিত ফর্মে (ফর্ম নং ২২২) রশিদ দেওয়া হয় তাকে DCR বলে।
=“কবুলিয়ত” কাকে বলে?
সরকার কর্তৃক কৃষককে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাব প্রজা কর্তৃক গ্রহণ করে খাজনা প্রদানের যে অঙ্গিকার পত্র দেওয়া হয় তাকে কবুলিয়ত বলে।
= “ফারায়েজ” কাকে বলে?
ইসলামি বিধান মোতাবেক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টন করার নিয়ম ও প্রক্রিয়াকে ফারায়েজ বলে।
= “ওয়ারিশ” কাকে বলে?
ওয়ারিশ অর্থ উত্তরাধিকারী । ধর্মীয় বিধানের অনুয়ায়ী কোন ব্যক্তি উইল না করে মৃত্যু বরন করলেতার স্ত্রী, সন্তান বা নিকট আত্মীয়দের মধ্যে যারা তার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে মালিক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণকে ওয়ারিশ বলে।
= হুকুমনামা কাকে বলে?
আমলনামা বা হুকুমনামা বলতে জমিদারের কাছ থেকে জমি বন্দোবস্ত নেয়ার পর প্রজার স্বত্ব দখল প্রমাণের দলিলকে বুঝায়। সংক্ষেপে বলতে গেলে জমিদার কর্তৃক প্রজার বরাবরে দেয়া জমির বন্দোবস্ত সংক্রান্ত নির্দেশপত্রই আমলনামা।
= জমা খারিজ কিঃ
জমা খারিজ অর্থ যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করা। প্রজার কোন জোতের কোন জমি হস্তান্তর বা বন্টনের কারনে মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমি নিয়ে নুতন জোত বা খতিয়ান খোলাকে জমা খারিজ বলা হয়। অন্য কথায় মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমির অংশ নিয়ে নতুন জোত বা খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে।
= “মৌজা” কাকে বলে?
CS জরিপ / ক্যাডষ্টাল জরিপ করা হয় তখন থানা ভিত্তিক এক বা একাধিক গ্রাম, ইউনিয়ন, পাড়া, মহল্লা অালাদা করে বিভিন্ন এককে ভাগ করে ক্রমিক নাম্বার দিয়ে চিহ্তি করা হয়েছে। আর বিভক্তকৃত এই প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে।। এক বা একাদিক গ্রাম বা পাড়া নিয়ে একটি মৌজা ঘঠিত হয়।
= “আমিন” কাকে বলে?
ভূমি জরিপের মাধ্যমে নক্সা ও খতিয়ান প্রস্তত ও ভূমি জরিপ কাজে নিজুক্ত কর্মচারীকে আমিন বলে।
= “কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
ভূমি জরিপ কালে চতুর্ভুজ ও মোরব্বা প্রস্তত করার পর সিকমি লাইনে চেইন চালিয়ে সঠিকভাবে খন্ড খন্ড ভুমির বাস্তব ভৌগলিক চিত্র অঙ্কনের মাধ্যমে নকশা প্রস্তুতের পদ্ধতিকে কিস্তোয়ার বলে।
= “সিকস্তি” কাকে বলে?
নদী ভাংঙ্গনের ফলে যে জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায় তাকে সিকন্তি বলে। সিকন্তি জমি যদি ৩০ বছরের মধ্যে স্বস্থানে পয়ন্তি হয় তাহলে সিকন্তি হওয়ার প্রাক্কালে যিনি ভূমি মালিক ছিলেন তিনি বা তাহার উত্তরাধিকারগন উক্ত জমির মালিকানা শর্ত সাপেক্ষ্যে প্রাপ্য হবেন।
= “পয়ন্তি” কাকে বলে?
নদী গর্ভ থেকে পলি মাটির চর পড়ে জমির সৃষ্টি হওয়াকে পয়ন্তি বলে।

পর্চা কী?সরকারিভাবে জরিপ করা জমিজমার বিবরণসংবলিতসরকারি দলিলই 'খতিয়ান'। এইখতিয়ানে থাকে মৌজার দাগঅনুসারে ভূমির মালিকের না...
29/07/2021

পর্চা কী?
সরকারিভাবে জরিপ করা জমিজমার বিবরণসংবলিত
সরকারি দলিলই 'খতিয়ান'। এই
খতিয়ানে থাকে মৌজার দাগ
অনুসারে ভূমির মালিকের নাম, বাবার নাম,
ঠিকানা, মালিকানার বিবরণ, জমির বিবরণ,
মৌজা নম্বর, মৌজার ক্রমিক নম্বর
(জেএল নম্বর), সীমানা,
জমি শ্রেণি দখলকারীর নাম, অংশ প্রভৃতির
হিসাব। আর এই খতিয়ানের অনুলিপিকেই
বলে 'পর্চা'।
পর্চার প্রয়োজনীয়তা
অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দলিল এই পর্চা।
জমি কেনার সময় ক্রেতাকে অবশ্যই
জরিপের মাধ্যমে প্রণীত খতিয়ান ও
নকশা যাচাই করতে হয়। এর সাহায্যে জমির
মৌজা, খতিয়ান ও দাগ নম্বর, দাগে জমির
পরিমাণ জানা সম্ভব। শুধু জমি কেনাবেচাই
নয়, জমি রক্ষণাবেক্ষণ এবং দখলে রাখার
ক্ষেত্রেও পর্চার বেশ গুরুত্ব
রয়েছে। পর্চায় কোনো রকম
সমস্যা থাকলে মালিকানাসংক্রান্ত,
জমি কেনাবেচা কাজে বাধা তৈরি হয়। তাই
পর্চায় কোনো সমস্যা থাকলে দ্রুত
সমাধান করা প্রয়োজন।
মালিকানা নির্ধারণে এর গুরুত্ব
সবচেয়ে বেশি।
ডিজিটাল-পর্চা
আগে জমির
পর্চা তুলতে সবাইকে জেলা সদরের
রেকর্ড রুম (জেলা প্রশাসকের
কার্যালয়ে অবস্থিত জমিসংক্রান্ত তথ্য
ভাণ্ডার) থেকে আবেদন
করতে হতো।
হাতে লেখা পর্চা তুলতে সময়
লেগে যেত ২০ থেকে ২৫ দিন
পর্যন্ত। অল্প দিনে পর্চা বের
করে দেওয়ার নামে ছিল দালাল
বা মধ্যস্বত্বভোগীদের
দৌরাত্ম্যও। তারা সাধারণ মানুষের কাছ
থেকে টাকা হাতিয়ে নিত। এসব
ভোগান্তি থেকে রেহাই দিতে ২০১১
সালে যশোরের তৎকালীন
জেলা প্রশাসক মোস্তাফিজুর রহমান
অনলাইনে আবেদনের মাধ্যমে জমির
পর্চা সরবরাহ করার উদ্যোগ নেন।
পরে একই বছরের নভেম্বর
মাসে দেশের বাকি ৬৩টি জেলায় কাউন্টার,
সার্ভার রুম সেটআপের
মাধ্যমে অনলাইনে জমির পর্চা দেওয়ার
উদ্যোগ নেওয়া হয়।
তবে সে ক্ষেত্রেও
আবেদনকারীকে জেলা সদরে যেতে হতো।
বর্তমানে সাধারণত তিনভাবে জমির খতিয়ান
তোলা যায়। এগুলো হলো-জেলা ই-
সেবাকেন্দ্র, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার
এবং জেলা ওয়েব পোর্টাল। প্রথমত,
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের জেলা ই-
সেবাকেন্দ্রের মাধ্যমে ওয়ানস্টপ
সার্ভিসে জমির খতিয়ান তোলা যায়।
দ্বিতীয়ত, দেশের বিভিন্ন ইউনিয়ন
পরিষদে অবস্থিত ইউডিসি থেকেও খতিয়ান
তোলার জন্য আবেদন করা যায়। এ
ক্ষেত্রে ইউডিসি উদ্যোক্তারা সরকার
নির্ধারিত কোর্ট ফি ছাড়াও জেলা প্রশাসন
থেকে নির্ধারিত হারে সেবা চার্জ
(প্রসেসিং ফি) গ্রহণ করেন। আর
জেলা তথ্য বাতায়নে সংশ্লিষ্ট জেলার
ওয়েব পোর্টালের
মাধ্যমে কারো সহযোগিতা ছাড়াই
ঘরে বসে নির্ধারিত ফরমে আবেদন
করা যায়। এ জন্য
প্রথমে www.bangladesh.gov.bd
ঠিকানায় নির্দিষ্ট জেলার
ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে 'নকলের
জন্য আবেদন'-এ ক্লিক করে ফরম পূরণ
করতে হবে।
খতিয়ানের জন্য
নিজে অনলাইনে আবেদন
করলে প্রয়োজন হবে জেলা প্রশাসক
কর্তৃক নির্ধারিত ফি (৩১ থেকে ৫২ টাকা)।
আর ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে ফরম
পূরণ করে আবেদন করলে কোর্ট
ফি ছাড়া ডেলিভারি চার্জ দেওয়া লাগবে।
অনলাইনে আবেদন করা জমির খতিয়ান
ডাকযোগেও পাওয়া সম্ভব। এ জন্য
অনলাইনে নির্ধারিত
ফরমে প্রয়োজনীয়
তথ্যগুলো যেমন নাম, জাতীয় আইডি,
বর্তমান ঠিকানা, মোবাইল, টেলিফোন
নম্বর, নকলের ধরন যেমন
জরুরি নাকি সাধারণ, উপজেলা, মৌজা,
জেএল নম্বর, খতিয়ান নম্বর,
খতিয়ানটি জেলা সেবাকেন্দ্র
থেকে নাকি ডাকযোগে, কোর্ট
ফিজেলাসেবাকেন্দ্রেনাকিডাকযোগেপ্রেরণ
করবেন সেটি উল্লেখ করতে হয়। এসব
তথ্য পূরণ করে নিচের দিকে 'দাখিল করুন'
বাটনে ক্লিক করতে হয়। এরপর
আবেদনকারীর মোবাইলে এসএমএস
আসবে, যা ডিজিটাল রসিদ হিসেবে বিবেচিত
হবে। এরপর রসিদের নম্বর
অনুযায়ী কোর্ট
ফি ডাকযোগে জেলা ই-
সেবাকেন্দ্রে জমা দিতে হয়। এ
ক্ষেত্রে খামের ওপর জেলা ই-
সেবাকেন্দ্র, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়
ও তার নিচে সংশ্লিষ্ট জেলার নাম উল্লেখ
করতে হয়।
ফলে আবেদনকারীদের
আলাদাভাবে কোর্ট ফি কেনার
প্রয়োজন হয় না।
আবেদনকারী আবেদনের সর্বশেষ
অবস্থা এসএমএস কিংবা অনলাইনের
মাধ্যমে জানতে পারবেন। এ ছাড়া নিজ
ইউনিয়নে ডিজিটাল
সেন্টারে গিয়ে জেলা প্রশাসক কর্তৃক
নির্ধারিত কোর্ট ফি ও ডেলিভারি চার্জ
প্রদানের মাধ্যমে আবেদন করা সম্ভব।
আবেদনের পর
খতিয়ানের (পর্চা/নকল) আবেদনের পর
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট
রেকর্ড রুমের কর্মকর্তারা কয়েক
ধাপে কাজ সম্পন্ন করেন। আবেদন
পাওয়ার পর অফিস সহকারী (প্রাথমিক
বাছাইকারী) আবেদন যাচাই-বাছাই করেন
এবং মৌজা বা উপজেলাভিত্তিক
শর্টিং করেন। শর্টিং করার পর
সহকারী মৌজার বই সংগ্রহ করেন।
অতঃপর মৌজার বই থেকে আবেদন
করা খতিয়ানের মূল তথ্য এন্ট্রি করা হয়।
এরপর যাচাইকারীরা যাচাই-বাছাই
করে তুলনাকারীর কাছে পাঠান।
তুলনাকারী রেকর্ডটি তুলনা করে চূড়ান্ত
অনুমোদনের জন্য
সহকারী কমিশনারের (রেকর্ড রুম)
কাছে পাঠান। সহকারী কমিশনারের চূড়ান্ত
অনুমোদনের পরই
আবেদনকারীকে নির্ধারিত খতিয়ান
দেওয়া হয়। প্রথম দিকে সংশ্লিষ্টদের
স্বাক্ষর দেওয়া না হলেও এখন ই-
পর্চাতে ডিজিটাল স্বাক্ষর দেওয়া হয়।
ফলে এটির নির্ভরযোগ্যতা তৈরি হয়েছে।
কমছে দুর্নীতি
ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার (ইউডিসি)
থেকে অনলাইনে জমির পর্চা ও খতিয়ান
গ্রহণ চালু করায় এই
সেবা প্রদানে মধ্যস্বত্বভোগী দালাল
শ্রেণির দৌরাত্ম্য ও প্রশাসনের এক
শ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারীর
দুর্নীতি কমেছে। আগে খতিয়ান
বা পর্চা গ্রহণ করতে গেলে কয়েক দিন
জেলা রেকর্7ড রুমে ধরনা দিতে হতো।
ছিল টাকা-পয়সার অবৈধ লেনদেন। এখন আর
সেই সুযোগ নেই। সরকার নিকটস্থ
ইউডিসি বা ডাকযোগে খতিয়ান, পর্চার জন্য
আবেদন গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করায়
মধ্যস্বত্বভোগীরা এখন আর সেই
সুযোগ পাচ্ছে না। ফলে নির্ধারিত ফির
বিনিময়ে ঘরে বসেই নিজের খতিয়ান,
পর্চা গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে।
ফলে সাধারণ জনগণের কাছে সরকারের
এই সেবা বেশ সাড়া ফেলেছে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
ভূমি মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসন ও
সরকারের এক্সেস টু ইনফরমেশন
(এটুআই) প্রোগ্রামের যৌথ
উদ্যোগে ৬৪ জেলার রেকর্ডরুমের
সব রেকর্ড এসএ, সিএস, বিআরএস ও
খতিয়ান কপি ডিজিটালাইজ করা হচ্ছে। আনুমানিক
২০১৭ সালের মধ্যে এ কাজ সম্পন্ন
হবে। সহযোগিতায় রয়েছে এটুআই।
এতে প্রায় সাড়ে চার কোটি খতিয়ান
রেকর্ড ডিজিটালাইজ হবে। আর এই
প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে আনুমানিক
৯২ কোটি টাকা। ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে এ
প্রকল্পের জন্য অর্থও বরাদ্দ
করা হয়েছে।
কারিগরি সহায়তা করছে এটুআই।
ইতিমধ্যে দেশের
সবকটি জেলা প্রশাসনে প্রয়োজনীয়
ল্যাপটপ দেওয়া হয়েছে।
২০১০ সাল থেকে এ পর্যন্ত আনুমানিক ১৮
লাখ ডিজিটাল পর্চা প্রদান করা হয়েছে। এসব
রেকর্ড
স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনলাইনে সংরক্ষিত হওয়ায়
হারানো বা নষ্টেরও ভয় নেই।

জাল দলিল চেনার ৯ উপায়:জমি কেনা-বেচার ক্ষেত্রে সাবধান না হলে পরবর্তীতে দীর্ঘদিন ভুগতে হয়। এমন বহু মানুষ রয়েছেন, জমি কেনা-...
28/07/2021

জাল দলিল চেনার ৯ উপায়:
জমি কেনা-বেচার ক্ষেত্রে সাবধান না হলে পরবর্তীতে দীর্ঘদিন ভুগতে হয়। এমন বহু মানুষ রয়েছেন, জমি কেনা-বেচার ক্ষেত্রে আসল দলিল চিনতে না পারায় ঝামেলায় পড়েন। এজন্য দলিল চেনা খুবই জরুরি। আজকে প্রতিবেদনে থাকছে, কিভাবে চেনা যাবে জাল দলিল।

জাল দলিল চেনার উপায়:

১. ভলিউডেমর তথ্য:
সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিলের প্রকৃতি অনুযায়ী চারটি রেজিস্ট্রার বা ভলিউমে লেখা হয়ে থাকে। কোনো দলিল নিয়ে সন্দেহ হলে রেজিস্ট্রি অফিসে সংরক্ষণ করা দলিলের সাল মিলিয়ে দেখতে হবে। এজন্য নির্দিষ্টভাবে দরখাস্ত করতে হবে। এতে দলিলটির যাবতীয় তথ্য দিতে হবে।

২. স্বাক্ষর যাচাই:
অনেক সময় স্বাক্ষর জালিয়াতি করে দলিলদাতা বা গ্রহীতার সাজা হয়। এক্ষেত্রে স্বাক্ষর বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে স্বাক্ষরের সত্যতা যাচাই করিয়ে নেয়া যেতে পারে। এছাড়া ভূমি অফিস থেকে বিভিন্ন সিল পরীক্ষা করেও জালিয়াতি নির্ণয় করা যায়।

খেয়াল রাখতে হবে, অনেক আগের দলিলে আগের চিহ্নিত কিছু সিল ব্যবহারই থাকে। আগের দলিল কিন্তু সিল যদি নতুন হয়, তাহলে ধরে নিতে হবে, দলিলটি জাল হতে পারে। একই সঙ্গে তারিখটিও ভালোভাবে যাচাই করতে হবে। দলিল রেজিস্ট্রির তারিখ কোনো সরকারি বন্ধের দিন থাকলে সন্দেহের অবকাশ থাকবে। অনেক সময় অর্পিত সম্পত্তি বা মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি জীবিত দেখিয়ে জাল করা হয়।

৩. মূল মালিক শনাক্ত:
এক জমির একাধিক মালিকের নামে করা থাকলে ধরে নিতে হবে দলিলটি জাল হতে পারে। এক্ষেত্রে সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে মূল মালিক কে, তা নির্ণয় করতে হবে।

৪. নামজারি:
সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিস থেকে জমির মিউটেশন বা নামজারি সম্পর্কে খোঁজ নিতে হবে। নামজারিতে ধারাবাহিকতা ঠিক আছে কি না, সেটা সুচারুভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। যদি দেখা যায়, সিএস জরিপের সঙ্গে বিক্রেতার খতিয়ানের কোনো গরমিল আছে, তাহলে বুঝতে হবে, কোনো জটিলতা আছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, জরিপ খতিয়ানে জমির পরিমাণ পরবর্তী সময়ে যতবার বিক্রি হয়েছে, তার সঙ্গে জমির পরিমাণ মিল আছে কি না, তা যাচাই করে দেখা। দাগ নম্বর, ঠিকানা এসব ঠিক আছে কি না, এসব যাচাই করতে হবে।

৫. আমমোক্তারনামা:
সম্প্রতি কোনো আমমোক্তারনামা দলিল থাকলে তাতে উভয় পক্ষের ছবি ব্যবহার হয়েছে কি না যাচাই করতে হবে।

৬. তারিখ যাচাই:
কোনো দান করা জমি হলে দলিলে সম্পাদনের তারিখ দেখে কবে জমিতে গ্রহীতা দখলে গেছে তা যাচাই করতে হবে। দলিলটি রেজিস্ট্রি করা কি না এবং দলিলদাতার সঙ্গে গ্রহীতার সম্পর্ক কী, তা যাচাই করতে হবে।

৭. লেখক যাচাই:
সম্প্রতি সম্পন্ন হওয়া কোনো বিক্রীত দলিলের দলিল লেখকের নাম ঠিকানা জেনে সরেজমিন কথা বলে নেয়া দরকার।

৮. মালিকানা যাচাই:
জমির স্বত্ব কী বা মালিকানা যাচাই করতে হবে। বিক্রেতার কাছ থেকে সব দলিল, বিশেষ করে ভায়া দলিল চেয়ে নিতে হবে। সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে জানতে হবে সব দলিলের ক্রমিক নম্বর, দলিল নম্বর ঠিক আছে কি না।

৯. সিল-স্ট্যাম্প যাচাই:
দলিল সম্পাদনের সময় ব্যবহৃত স্ট্যাম্পের পেছনে কোন ভেন্ডার থেকে স্ট্যাম্প কেনা হয়েছে এবং কার নামে কেনা হয়েছে খেয়াল রাখুন। প্রতিটি স্ট্যাম্পের পেছনে একটি ক্রমিক নম্বর উল্লেখ থাকে। এ নম্বরটি ঠিক আছে কি না, প্রয়োজনে স্ট্যাম্প বিক্রেতার সঙ্গে দেখা করে যাচাই করে নিন।

খাস জমি বন্দোবস্ত সংক্রান্ত নীতিমালাখাস জমি কি:কোনো জমি যদি সরকারের হাতে ন্যস্ত হয় এবং সেই জমিগুলি যদি সম্পূর্ণ সরকারের...
27/07/2021

খাস জমি বন্দোবস্ত সংক্রান্ত নীতিমালা
খাস জমি কি:
কোনো জমি যদি সরকারের হাতে ন্যস্ত হয় এবং সেই জমিগুলি যদি সম্পূর্ণ সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন এবং সরকার,এই জমিগুলি সরকার কর্তৃক প্রণীত পদ্ধতি অনুযায়ী বন্দোবস্ত দিতে পারেন অথবা অন্য কোনো ভাবে ব্যবহার করতে পারেন তাহলে উক্ত ভূমিগুলিকে খাস জমি বলে।
১৯৫০ সালের স্টেট একুইজিশন এন্ড টেনান্সি এক্টের ৭৬ ধারার ১ উপধারায় খাস জমি সম্বন্ধে বলা হয়েছে। উক্ত ধারায় বলা হয়েছে যে,কোনো ভূমি যদি সরকারের হাতে ন্যস্ত হয় এবং সেই জমিগুলি যদি সম্পূর্ণ সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন থাকে তাহলে সরকার,এই ভূমিগুলি সরকার কর্তৃক প্রণীত পদ্ধতি অনুযায়ী বন্দোবস্ত দিতে পারেন,অথবা অন্য কোনো ভাবে ব্যবহার করতে পারেন, সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন উপরোক্ত ভূমিগুলিকে খাস জমি হিসাবে বুঝাবে।
তবে অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের যথা বন বা পূর্ত কিংবা সড়ক ও জনপথ এর স্বত্বাধীন বা মালিকানাধীন বা নিয়ন্ত্রণাধীন ভূমিকে সরকারের খাস জমি হিসাবে গন্য করা যাবে না।
(১৯৫০ সালের স্টেট একুইজিশন এন্ড টেনান্সি এক্টের ৭৬ ধারা এবং ৮৭ ধারা)
(গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ এর সংবিধানের ১৪৩ অনুচ্ছেদ)
অধিকার:
১৯৯৫ সালের খাস জমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্ত নীতিমালা এবং ১৯৯৮ সালের ১৫ সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত খাস জমি সংক্রান্ত সংশোধিত গেজেট মতে-
কোনো জমি গুলি খাস জমি তা জানার অধিকার।
ভূমিহীন ব্যক্তি হলে খাস জমি বন্দোবস্ত পাবার অধিকার।
ভুলক্রমে কোনো ব্যক্তির জমি খাস জমি হিসেবে গণ্য হলে কিংবা কোন ভূমিহীন ব্যক্তিকে বন্দোবস্ত দিলে তা বাতিল করার অধিকার।
খাস জমি সংক্রান্ত কোন আপত্তি থাকলে আপিলের অধিকার।
ভূমিহীনরা খাস জমি বন্দোবস্ত পাবার জন্য দরখাস্ত দাখিলের জন্য সময় পাবার অধিকার।
জেলা প্রশাসক কর্তৃক খাস জমি বন্দোবস্ত পাবার পর ১ কপি পূনর্বাসন কার্ড পাবার অধিকার।
যদি কোন ভুমিহীন সমিতি থাকে তাহলে ভুমিহীন সমিতির খাস জমি বরাদ্দ পাবার অধিকার।
ভুমিহীন পরিবার কর্তৃক খাস জমির জন্য প্রদত্ত সেলামি/টাকা প্রদানের এবং খাজনা প্রদানের রশিদ পাবার অধিকার।
খাস জমি বন্দোবস্ত পাবার ক্ষেত্রে কবুলিয়ত ফরম/স্বীকৃতি পত্রের এক কপি নিজের কাছে রাখার অধিকার।
জমি দখলে রাখার অধিকার এবং উত্তরাধীকারী গণের নাম পরিবর্তনের অধিকার।
খাস জমি বন্দোবস্ত পাবার পর তা বিনা রেজিস্ট্রেশন ফিতে নিজ নাম রেজিস্ট্রি করে নেয়ার অধিকার ।
খাস জমি বন্দোবস্ত পাবার পর তার সীমানা চিহ্নিত করে রাখার অধিকার।
যদি কোনো ব্যক্তি তার নিজ জমিতে হাস মুরগীর খামার বা দুগ্ধ খামার করে থাকেন তাহলে ঐ ব্যক্তির খামার সংলগ্ন খাস জমি বন্দোবস্ত পাবার অধিকার।
বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মত্‌স খামার স্থাপনের জন্য সরকারী খাস পুকুর দীর্ঘ মেয়াদের জন্য বন্দোবস্ত পাবার অধিকার।
বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ফুলের চাষ, ফলের বাগান এবং রাবার বাগান করার জন্য খাস জমি বন্দোবস্ত পাবার অধিকার।
লংঘন:
কোন জমি গুলি খাস জমি সে বিষয়ে না জানানো।
ভুমিহীন ব্যক্তিকে খাস জমি বরাদ্দ না দেওয়া।
ভুলক্রমে কোনো ব্যক্তির জমি খাস জমি হিসেবে গণ্য হলে তা বাতিল করার জন্য সুযোগ না দেওয়া।
খাস জমি সংক্রান্ত কোন আপত্তি থাকলে আপিলের সুযোগ না দেওয়া।
ভূমিহীনরা খাস জমি বন্দোবস্ত পাবার জন্য দরখাস্ত দাখিলের জন্য সময় না দেওয়া।
জেলা প্রশাসক কর্তৃক খাস জমি বন্দোবস্ত পাবার পর ১ কপি পূনর্বাসন কার্ড প্রদান না করা।
যদি কোন ভুমিহীন সমিতি থাকে তাহলে ভুমিহীন সমিতিকে খাস জমি বন্দোবস্ত না দেওয়া।
ভুমিহীন পরিবার কর্তৃক খাস জমির জন্য প্রদত্ত সেলামি/টাকা প্রদানের এবং খাজনা প্রদানের রশিদ প্রদান না করা
খাস জমি দখলে রাখতে না দেওয়া।
খাস জমিতে উত্তরাধীকারী গণের নাম পরিবর্তন করতে না দেওয়া।
খাস জমি বন্দোবস্ত পাবার পর তা বিনা রেজিষ্ট্রেশন ফিতে নিজ নাম রেজিষ্ট্রি করে দিতে অস্বীকার করা।
খাস জমি বন্দোবস্ত পাবার পর তার সীমানা চিহ্নিত করে রাখাতে না দেওয়া।
প্রতিকার:
থানা খাস জমি বন্দোবস্ত কমিটির নিকট খাস জমি সংক্রান্ত যেকোন বিষয়ে কোনো সমস্যা দেখা গেলে লিখিত দরখাস্ত দাখিল করতে হবে ।
কতদিনের মধ্যে?
সমস্যা সৃষ্টির তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে।
আপিলের সুযোগ আছে কি?
আছে।
থানা খাস জমি বন্দোবস্ত কমিটির কোন সিদ্ধান্তের বিরূদ্ধে আপিল করা যাবে।
কোথায় আপিল করতে হবে?
জেলা প্রশাসকের নিকট।
কতদিনের মধ্যে?
১৫ দিনের মধ্যে
জেলা কমিটির কোন সিদ্ধান্তের বিরূদ্ধে আপিল করা যাবে কি?
যাবে
কোথায় আপিল করতে হবে?
জাতীয় নির্বাহী কমিটির নিকট।
কতদিনের মধ্যে?
৩০ দিনের মধ্যে।
খাস জমি সম্পর্কে বিস্তারিত:
যেগুলি খাস জমি হিসাবে গন্য হবে:
প্রত্যেক মৌজার এর ১ নং খতিয়ানভুক্ত সম্পূর্ণ জমি খাস জমি হিসাবে পরিচিত ৷
পরিত্যাক্ত কৃষি জমি ১৯৫০ সালের স্টেট একুইজিশন এন্ড টেনান্সি এক্টের বিধান বলে খাস করা হয়ে থাকে ৷
পয়স্তিভূমি, নদীতে বা সাগরে ভেঙ্গে যাওয়া জমি পুনরায় জেগে উঠলে এবং নদী বা সাগরে সরে যাওয়ার দরুন জেগে ওঠা ভূমি ১৯৫০ সালের স্টেট একুইজিশন এন্ড টেনান্সি এক্টের ৮৭ ধারা মোতাবেক খাস জমি হিসাবে গণ্য হবে ৷
কোন হোল্ডিং বা ইহার অংশ বিশেষ (কৃষি বা অকৃষি যাই হোক) বকেয়া খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের জন্য ১৯১৩ সালের বেঙ্গল পাবলিক ডিমান্ড রিকভারি এক্ট মোতাবেক দায়ের কৃত সার্টিফিকেট মামলায় নিলামকৃত ভূমি সরকার ক্রয় করলে সেই ভূমিও খাস জমি হিসাবে গণ্য হবে ৷
যে সব পরিবার বা সংস্থা প্রেসিডেন্টের আদেশ নং ৯৮/১৯৭২ এর ৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ১০০ বিঘার অতিরিক্ত যে সমস্ত ভূমি সরকারের বরাবরে সমপর্ন করেছেন সেগুলি জমিও খাস জমি হিসাবে পরিগণিত হয়েছে ৷
প্রেসিডেন্টের আদেশ নং ৯৮/১৯৭২ এর ৩ অনুচ্ছেদ এর 'বি' উপ অনুচ্ছেদ এবং সংস্কার অধ্যাদেশ ১৯৮৪, অধ্যাদেশ নং ১০/১৯৮৪ এর ৪ নং ধারার ৩ উপধারা লংঘন করে কোন মালিক বা সংস্থা ১০০ বিঘার ও ৬০ বিঘার অতিরিক্ত কৃষি ভূমি ক্রয় করলে উক্ত অতিরিক্ত জমি সরকারের খাস জমি হিসাবে অন্তর্ভূক্ত হবে ৷
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪৩ অনুচ্ছেদে (১) এর গ উপ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বলা হয়েছে যে বাংলাদেশে অবস্থিত প্রকৃত মালিকাবিহীন যে কোন সম্পত্তি উক্ত অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পতিত ভূমি/খালি ভূমি বা খাস ভূমি হিসাবে গণ্য হবে ৷
ভূমিহীন কারা:
১৯৯৮ সালের ১৫ই সেপ্টেম্বরে গেজেটে প্রকাশিত সংশোধনী মতে
খাস জমি বন্দোবস্ত দেয়ার ক্ষেত্রে যে পরিবারগুলিকে ভূমিহীন পরিবার হিসাবে গণ্য করা হবে সেগুলি হলো
যে পরিবারের বসতবাটি এবং কৃষি জমি কিছুই নাই কিন্তু পরিবারটি কৃষি নির্ভর।
যে পরিবারের বসতবাটি আছে কিন্তু কৃষি জমি নাই অথচ কৃষি নির্ভর।
যে পরিবারের বসতবাটি এবং কৃষি জমি উভয়ই আছে কিন্তু মোট জমির পরিমাণ ০.৫০ একরের কম, অথচ কৃষি নির্ভর।
কৃষি নির্ভর পরিবার বলতে এক বা একাধিক সদস্য কৃষি শ্রমিক হিসাবে বর্তমানে অন্যের জমিতে নিয়োজিত আছে কিংবা বর্গাচাষ করে ৷
কৃষি খাস জমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্ত নীতিমালা
ভূমিকা: ভূমি মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনাধীন কৃষি ও অকৃষি এই দুই প্রকারের সরকারী খাসজমি আছে। অকৃষি খাসজমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্ত সংক্রান্ত একটি নীতিমালা বিগত ৮ ই মার্চ ১৯৯৫ তারিখে প্রকাশিত বাংলাদেশ গেজেট-এর মাধ্যমে জারী করা হয়েছে। বর্তমানে এই নীতিমালা অনুযায়ী অকৃষি খাসজমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্ত কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে। অপরদিকে দেশের প্রতিটি জেলায়ই কম বেশী কৃষি খাসজমি রয়েছে। ১৯৭২ সাল হতেই সরকারের ভূমি সংস্কার কর্মসূচী অনুযায়ী কৃষি খাসজমি ভূমিহীনদের মধ্যে বিতরণ করা হয়ে আসছিল। ভূমিহীনদের মধ্যে কৃষি খাসজমি বিতরণের বিষয়ে সর্বশেষ ১৯৮৭ সালের ১লা জুলাই তারিখে একটি নীতিমালা জারী করা হয়েছিল। এই নীতিমালায় কৃষি খাসজমি কেবল ভূমিহীনদের মধ্যেই বিতরণের বিধান রাখা হয়। এই নীতিমালার আওতায় ভূমিহীনদের মধ্যেই কৃষি খাসজমি বিতরণের কার্যক্রম বহুপূর্বেই সম্পন্ন করার কথা ছিল। কিন্তু ইহা একটি ব্যাপক ও জটিল কার্যক্রম বিধায় সরকার ভূমিহীনদের মধ্যে কৃষি খাসজমি বন্টন কর্মসূচী অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে উহার সময়সীমা বৃদ্ধি করেন।
খাসজমি বন্টনের ক্ষেত্রে অনিয়ম সংঘটিত হওয়ার সংবাদ পাওয়া যায়। তাছাড়া বিভিন্ন সময়ে কৃষি খাসজমি বন্টনের ফলে সর্বত্রই বন্দোবস্তযোগ্য জমির পরিমাণ কমে গেছে। অপরদিকে জনসংখ্যা ক্রমবৃদ্ধির ফলে ভূমিহীনদের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে বন্দোবস্ত পাওয়ার যোগ্য ভূমিহীনদের সংখ্যার তুলনায় বন্দোবস্তযোগ্য কৃষি খাসজমির অপ্রতুলতা তীব্রভাবে অনুভূত হয়। এর ফলে খাসজমি বন্টনের ক্ষেত্রে নানা প্রকার জটিলতার উদ্ভব হচ্ছে বলে সারাদেশ হতে বিভিন্ন মাধ্যমে সংবাদ পাওয়া যায়। তাই প্রকৃত ভূমিহীনদের মধ্যে বন্দোবস্তযোগ্য কৃষি খাসজমি সুষমভাবে এবং অধিক সংখ্যক ব্যক্তি/পরিবারকে জমি প্রদানের লক্ষ্যে একটি সুষ্ঠু ও গণমুখী নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা তীব্রভাবে অনুভূত হয়। সেই কারণে বর্তমান সরকার বিগত ১৩-০৮-১৯৯৬ তারিখে জারীকৃত এক আদেশের মাধ্যমে ভূমিহীনদের মধ্যে কৃষি খাসজমি বন্টন স্থগিত রাখেন।
সময়ের বিবর্তনে এবং জনসাধারণের আর্থসামাজিক অবস্থার পরিবর্তনের ফলে উদ্ভুত পরিস্থিতিতে ভূমিহীনদের মধ্যে কৃষি খাস জমি বন্টনের একটি সুষ্ঠু ও গণমুখী নীতিমালা প্রণয়ন করা প্রয়োজন। এই নীতিমালার আওতায় রাংগামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি- এই তিনটি পার্বত্য জেলা ব্যতীত বাকী ৬১টি জেলার বন্দোবস্তযোগ্য সকল কৃষি খাসজমি ভূমিহীনদের মধ্যে বন্টন করতে হবে।
(ক) এই নীতিমালা জারীর তারিখ হতে কার্যকর হবে।
(খ) এই নীতিমালা জারীর পর হইতে ভূমিহীনদের মধ্যে কৃষি খাসজমি বন্টন সংক্রান্ত ইতিপূর্বে জারীকৃত সকল আদেশ, পরিপত্র, স্মারক, নীতিমালার কার্যকারিতা বাতিল হয়েছে বলে গণ্য হবে।
(গ) এই নীতিমালা জারীর পূর্বে প্রচলিত নিয়মনীতি মোতাবেক খাস কৃষি জমির যে সকল বন্দোবস্ত দেয়া হয়েছে, ঐ সকল বন্দোবস্ত বহাল থাকবে। তাছাড়া পূর্বের নীতিমালার আওতায় যে সকল বন্দোবস্ত কেইস জেলা প্রশাসক কর্তৃক ১৩-৮-৯৬ইং তারিখের পূর্বে চূড়ান্তভাবে অনুমোদিত হয়েছে কিন্তু কবুলিয়ত রেজিস্ট্রি করা হয় নাই; সে সকল কেইসও বহাল থাকবে এবং কবুলিয়ত সম্পাদন ও রেজিস্ট্রি করে দিতে হবে।
তবে ১৯৭২ইং তারিখের পর বিধি বর্হির্ভূতভাবে যদি কোনো কৃষককে কৃষি খাস জমি বন্দোবস্ত দেয়া থাকে তাহলে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও প্রমাণের ভিত্তিতে থানা কমিটি জেলা কমিটির নিকট বন্দোবস্ত বাতিলের সুপারিশ করতে পারবে এবং জেলা কমিটির সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত গণ্য হবে
(১৯৮৭ সালের ১লা জুলাই তারিখে জারীকৃত নীতিমালা যা বর্তমানে প্রচলিত),
(কৃষি খাস বন্দোবস্ত নীতিমালা-১৯৯৭) এবং
(১৯৯৮ সনে ১৫ সেপ্টেম্বরের গেজেটে প্রকাশিত খাস জমি বন্দোবস্ত নীতিমালার সংশোধনী মতে)।
জাতীয় কৃষি খাস জমি ব্যবস্থাপনা নির্বাহী কমিটির গঠন
(১৯৯৮ সনে ১৫ সেপ্টেম্বরের গেজেটে প্রকাশিত সংশোধনী মতে)৷
ভূমিহীনদের মধ্যে কৃষি খাস জমি বন্টন কার্যক্রম সম্পর্কে নীতিনির্ধারনী কার্যক্রম সম্পাদনের উদ্দেশ্যে এবং সময়ে সময়ে তদারকীর জন্য একটি জাতীয় কৃষি খাসজমি ব্যবস্থাপনা নির্বাহী কমিটি, জেলা, পর্যায়ে একটি জেলা কৃষি খাসজমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্ত কমিটি এবং উক্ত কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য থানা পর্যায়ে থানা কৃষি খাসজমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্ত কমিটি গঠন করেছেন ৷ এ সকল কমিটির গঠন ও কার্যপরিধি/ দায়িত্ব নিম্নরূপ:
(ক) জাতীয় কৃষি খাস জমি ব্যবস্থাপনা নির্বাহী কমিটির গঠন:
সভাপতি
(১) মন্ত্রী, ভূমি মন্ত্রণালয়
সদস্যবৃন্দ
(২-৭) ৬ বিভাগ হইতে ৬জন সংসদ সদস্য ( মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সহিত আলোচনাক্রমে মাননীয় ভূমি মন্ত্রী কর্তৃক মনোনীত)
(৮) সচিব, ভূমি মন্ত্রণালয়
(৯) সচিব, কৃষি মন্ত্রণালয়
(১০) সচিব, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়
(১১) সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
(১২) সচিব, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
(১৩) মহাপরিচালক, ভূমি রেকর্ড ও জরীপ অধিদপ্তর ( ১ঌঌ৮ সনে সংশোধিত)
(১৪) চেয়ারম্যান, ভূমি আপিল বোর্ড
(১৫) চেয়ারম্যান, ভূমি সংস্কার বোর্ড
(১৬-২১) ৬টি বিভাগের ৬ জন বিভাগীয় কমিশনার
(২২) বেসরকারী সংস্থা এডাব এর চেয়ারম্যান বা তার ১ জন প্রতিনিধি
(২২-২৩) জাতীয় পর্যায়ের কৃষক সংগঠনের পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সম্মতিক্রমে মাননীয় ভূমি মন্ত্রী কর্তৃক মনোনীত দুইজন প্রতিনিধি ৷
সদস্য-সচিব
(২৪) যুগ্ম-সচিব (প্রশাসন), ভূমি মন্ত্রণালয়
(খ) জাতীয় কৃষি খাস জমি ব্যবস্থাপনা নির্বাহী কমিটির কার্যপরিধি
এই কমিটি দেশব্যাপী কৃষি খাস জমি বরাদ্দ সম্পর্কে নীতি নির্ধারণী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন ৷
এই কমিটি দেশব্যাপী কৃষি খাস জমি বরাদ্দ ও ব্যবস্থাপনার অগ্রগতি মূল্যায়ন করবেন ৷
কৃষি খাস জমি চিহ্নিত ও বরাদ্দ সংক্রান্ত বিভিন্ন অঞ্চলে উদ্ভুত সমস্যা সমাধানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন ৷
এই কমিটি প্রতি তিন মাসে কমপক্ষে একবার বৈঠকে মিলিত হবেন ৷
জেলা কৃষি খাস জমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্ত কমিটির গঠন ও কার্যপরিধি:
(১৯৯৮ সনে ১৫ই সেপ্টেম্বরের গেজেটে প্রকাশিত সংশোধনী মতে)
আহবায়ক
(১) জেলা প্রশাসক
সদস্যবৃন্দ
(২) পুলিশ সুপার
(৩) অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)
(৪) সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় বন কমকর্তা
(৫) জেলা কৃষি কর্মকর্তা
(৬) জেলা কৃষক সংগঠনের দুজন প্রতিনিধি (ভূমি মন্ত্রী কর্তৃক মনোনীত)
(৭) জেলা কৃষক সমবায় সংগঠনের একজন প্রতিনিধি (ভূমি মন্ত্রী কর্তৃক মনোনীত)
(৮) ভূমি মন্ত্রণালয় কর্তৃক মনোনীত বেসরকারী সংস্থা এডাব এর একজন প্রতিনিধি কিংবা জেলায় কর্মরত যে কোন বেসরকারী সংস্থার একজন প্রতিনিধি
(৯) জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংগঠনের একজন মুক্তিযোদ্ধা প্রতিনিধি (মাননীয় ভূমি মন্ত্রী কর্তৃক মনোনীত)
সদস্য -সচিব
(১০) রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর
ভূমি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মাননীয় মন্ত্রী কর্তৃক মনোনীত একজন সংসদ সদস্য এই কমিটির উপদেষ্টা থাকবেন ৷ তাছাড়া জেলা কমিটি প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট ইউ,পি, চেয়ারম্যানকে উক্ত কমিটিতে সংযুক্ত করতে পারবেন ৷
জেলা কমিটিতে আলোচনার সময় সংশ্লিষ্ট থানা নির্বাহী অফিসার ও জেলা পর্যায়ের সমাজ কল্যাণ কর্মকর্তা সদস্য হিসাবে অন্তর্ভূক্ত হবে ।
জেলা কৃষি খাস জমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্ত কমিটির কার্যপরিধি:
জেলা কৃষি খাস জমি বরাদ্দ কর্মসূচী বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিধিমালা প্রচার ৷
থানা কৃষি খাস জমি বরাদ্দ কর্মসূচী অনুযায়ী ভূমিহীনদের মধ্যে কৃষি খাস জমি বন্টনের প্রস্তাব অনুমোদন ও থানা কমিটির কার্যক্রম পর্যালোচনা ও তদারকী ৷
ভূমিহীনদের মধ্যে কৃষি খাস জমি সংক্রান্ত অনিয়ম সম্পর্কে সরেজমিন তদন্ত ক্রমে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ ৷
কমিটি প্রতিমাসে একবার বৈঠকে মিলিত হবেন এবং জেলার ভূমিহীনদের মধ্যে কৃষি খাস জমি বন্দোবস্ত কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে প্রতিমাসে ভূমি মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন প্রেরণ করবেন ৷
থানা কৃষি খাস জমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্ত কমিটির গঠন:
(১৯৯৮ সনে ১৫ সেপ্টেম্বরের গেজেটে প্রকাশিত সংশোধনী মতে)।
চেয়ারম্যান
(১) থানা নির্বাহী কর্মকর্তা
সদস্যবৃন্দ
(২) থানা কৃষি কর্মকর্তা
(৩) ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা
(৪) থানা সমবায় কর্মকর্তা
(৫) বন বিভাগের সংশ্লিষ্ট রেঞ্জ অফিসার
(৬) ইউ, পি, চেয়ারম্যান (সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের জন্য)
(৭) বিত্তহীন সমবায় সমিতির ১ জন প্রতিনিধি (জেলা প্রশাসক কর্তৃক মনোনীত)
(৮) থানা কৃষক সংগঠনের একজন প্রতিনিধি (ভূমি মন্ত্রী কর্তৃক মনোনীত)
(৯) স্থানীয় সত্‌, নিষ্ঠাবান ও জনহিতকর কার্যে উত্সাহী একজন গণ্যমান্য ব্যক্তি
(জেলা প্রশাসক, সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যদের পরামর্শক্রমে মনোনয়ন দিবেন)
(১০) স্থানীয় কলেজ কিংবা হাইস্কুলের প্রধান একজন (জেলা প্রশাসক সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যের সহিত পরামর্শক্রমে মনোনয়ন দিবেন)
(১১) এডাব বা এডাব কর্তৃক সুপারিশকৃত স্থানীয় এনজিও প্রতিনিধি একজন
(১২) থানা মুক্তিযোদ্ধা সংগঠনের একজন মুক্তিযোদ্ধা প্রতিনিধি (ভূমি মন্ত্রী কর্তৃক মনোনীত)
(১৩) এই কমিটিতে থানা সমাজ কল্যাণ কর্মকর্তা, টিসিসি এ চেয়ারম্যান এবং একজন মহিলা প্রতিনিধিকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করা হলো। মহিলা প্রতিনিধি এই কমিটি কর্তৃক মনোনীত হবেন।
(১৪) সহকারী কমিশনার (ভূমি)-সদস্য সচিব।
তাছাড়া, সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্য ও ভবিষ্যতে থানা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচন হইলে নির্বাচিত চেয়ারম্যান উক্ত কমিটির উপদেষ্টা থাকবেন। এখানে আরেকটি বিষয় উল্লেখ্য যে, একাধিক থানা নিয়ে গঠিত প্রশাসনিক ইউনিটের ক্ষেত্রে প্রতিটি থানায় উপরোক্ত মতে পৃথক পৃথক কমিটি গঠিত হবে। তবে এই ক্ষেত্রে অফিসিয়াল সদস্যগণ একই থাকবেন, কেবলমাত্র ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা এবং বেসরকারী ও মনোনীত সদস্যগণ সংশ্লিষ্ট থানার আওতাধীন হতে হবে।
থানা কৃষি খাস জমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্ত কমিটির কার্যপরিধি:
থানার আওতাধীন এলাকায় কৃষি খাস জমি চিহ্নিতকরণ ও উদ্ধারকরণ।
উদ্ধারকৃত কৃষি খাস জমিকে নীতিমালা অনুযায়ী বন্দোবস্ত প্রদানের সুবিধার্থে প্লট বিভক্তিকরণ।
সরকারের কৃষি খাস জমি বরাদ্দ কর্মসূচী সম্পর্কে প্রচারের ব্যবস্থা গ্রহণ।
ভূমিহীনদের নিকট হতে দরখাস্ত আহবান এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি)এর মাধ্যমে দরখাস্ত গ্রহণ।
প্রাপ্ত দরখাস্ত বাছাই এবং নীতিমালা অনুযায়ী ভূমিহীনদের অগ্রাধিকার তালিকা প্রণয়ন।
নির্বাচিত ভূমিহীনদের জন্য খাস প্লট বরাদ্দ দেওয়া সম্পর্কে সুপারিশ প্রদান।
বন্দোবস্তপ্রাপ্ত ভূমিহীনকে দখল প্রদান নিশ্চিতকরণ।
বন্দোবস্ত গ্রহীতা প্রাপ্ত জমি যথাযথভাবে ব্যবহার করছে কিনা, কেহ বন্দোবস্ত শর্তাবলী সঠিকভাবে প্রতিপালন করছে কিনা সে সম্পর্কে তদারকী ও শর্তভঙ্গ করলে জেলা প্রশাসকের নিকট বিধিগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুপারিশ করা।
সরকার কর্তৃক প্রদত্ত অন্যান্য সকল দায়িত্ব প্রতিপালন।
ভূমিহীন পরিবারের অগ্রাধিকার তালিকা
(১৯৯৮ সনের সংশোধনী মতে)
দুঃস্থ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ৷
নদী ভাংগা পরিবার (যার সকল জমি ভেঙ্গে গিয়েছে)
সক্ষমপুত্রসহ বিধবা বা স্বামী পরিত্যাক্তা পরিবার ৷
কৃষি জমিহীন ও বসতবাটিহীন পরিবার
অধিগ্রহণের ফলে ভূমিহীন হয়ে পড়েছে এমন পরিবার ৷
১০ শতাংশ বসতবাটি আছে কিন্তু কৃষিযোগ্য জমি নেই এমন কৃষি নির্ভর পরিবার
এই নীতিমালা জারীর এক মাসের মধ্যে জাতীয় কৃষি খাসজমি ব্যবস্থাপনা নির্বাহী কমিটি গঠন করতে হবে৷ ভূমি মন্ত্রণালয় এ কার্যক্রম গ্রহণ করবেন ৷
নীতিমালা জারীর এক মাসের মধ্যে জেলা কৃষি খাসজমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্ত কমিটি গঠন করতে হবে ৷ এই ব্যাপারে জেলা প্রশাসক প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করবেন ৷
এই নীতিমালা জারীর এক মাসের মধ্যে থানা কৃষি খাস জমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্ত কমিটি গঠন করতে হবে ৷ এই ব্যাপারে থানা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন ৷
ভূমিহীনদের নিকট থেকে কিভাবে দরখাস্ত আহবান করতে হবে?
জেলা প্রশাসক যুগল ছবি(স্বামী ও স্ত্রী একসাথে তোলা ছবি) গ্রহনের জন্য জেলাধীন সকল উপজেলার মৌজাওয়ারী দরখাস্ত আহবানের জন্য একটি সময়সূচী নির্ধারণ করে দেবেন ৷
দরখাস্ত জমা দেওয়ার জন্য কমপক্ষে এক মাস সর্বোচ্চ দুই মাস সময় দিতে হবে ৷ প্রতিটি দরখাস্তের সাথে পরিবার প্রধান (স্বামী স্ত্রী)-এর তিন কপি ফটো দিতে হবে ৷
জেলা প্রশাসকের নির্দেশে জেলা তথ্য অফিসার জেলার বড় বড় হাট/বাজারে লোক সমাগমের দিনে ব্যাপকভাবে মাইকযোগে প্রচারের ব্যবস্থা করবে ৷
উপজেলার সকল বাজারের ইজারাদার এবং ইউনিয়নের দফাদার, মহাল্লাদারগণের দ্বারা বিজ্ঞপ্তিটি ঢোল শহরতের মাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচার করতে হবে এবং তাহাদের নিকট থেকে তামিল রিপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে ৷
উপজেলার সকল অফিস, রাজস্ব অফিস, থানা, ইউনিয়ন, তহশীল ইত্যাদি সকল অফিসের নোটিশ বোর্ডে বিজ্ঞপ্তি টানাতে হবে৷ বিভিন্ন সভা সমিতিতে এ সম্পর্কে জানাতে হবে ৷ উপজেলার মাসিক সভায় আলোচনার জন্য এই প্রচার কার্যক্রমকে আলোচ্য সূচীভূক্ত করতে হবে ৷
দরখাস্ত একটি নির্ধারিত ফরমে করতে হবে৷ ফর্মের নমুনা সংযোজনী-৬ এ দেয়া হলো৷ উপজেলা থেকে মুদ্রণ করে এই ফরম বিলি করতে হবে৷ মুদ্রণ ব্যয় বাবদ উপজেলা পরিষদ ইচ্ছে করলে প্রতিটি ফরমের জন্য ১.০০ (এক টাকা) হারে মুল্য আদায় করতে পারেন৷ সকল তথ্য সম্বলিত হাতে লেখা দরখাস্তও গ্রহণ করা হবে ৷
উপজেলার সকল কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও ছাত্রদের উপজেলা পরিষদ থেকে পত্র দিয়ে দরখাস্ত সমূহ পূরণে ভূমিহীনদের সহায়তা করার জন্য অনুরোধ জানাতে হবে৷ ইহা প্রচারনার একটি অংশ হিসাবেও বিবেচিত হবে ৷
দরখাস্ত জমা গ্রহণ ও বাছাই পদ্ধতি:
নির্ধারিত ফরমে দরখাস্তসমূহ উপজেলা রাজস্ব কর্মকর্তা গ্রহণ করবেন ৷ গ্রহণের সাথে সাথে তিনি তারিখ ও সময় উল্লেখ করে একটি প্রাপ্তি স্বীকার রশীদ দেবেন ৷ এই রশিদের সম্ভাব্য কত তারিখে এবং কোথায় নির্বাচনের জন্য হাজির হতে হবে তা উল্লেখ করতে হবে ৷ এই রশীদ মুদ্রিত সিরিয়াল নম্বর ও দ্বিতীয় কার্বন কপি সহ বই আকারে হবে৷ জেলা প্রশাসক এই রশিদ মুদ্রণ করে দেবেন ৷
দরখাস্ত দাখিলের নির্ধারিত সময় সীমার মধ্যে প্রাপ্ত দরখাস্তসমূহ বিবেচনার জন্য নির্ধারিত তারিখের পরবর্তী অফিস দিনে উপজেলা ভূমি সংস্কার কমিটি একটি প্রাথমিক সভায় বসবে ৷
প্রাপ্ত দরখাস্ত সমূহকে নীতিমালার আলোকে সজ্জিতকরণ এবং সম্ভাব্য অগ্রাধিকার তালিকার একটি খসড়া এই সভায় প্রণয়ন করতে হবে৷ এজন্য সংযোজনী-৫ এ প্রদত্ত ছক ব্যবহার করতে হবে ৷
অসম্পূর্ণ দরখাস্ত এবং সংশ্লিষ্ট অজ্ঞাত ব্যক্তিসহ কমিটির বিবেচনার অযোগ্য ব্যক্তিদের দরখাস্ত এই সভায় বাতিল করা যাবে৷ পিতার জমি থাকলে কোন ছেলে, কর্মক্ষম পুরুষহীন কোন পরিবার, সক্ষম পুত্রহীন বিধবা যিনি নিজে ক্ষেত মজুর নন এমন একটি ব্যক্তি ও পরিবার খাস কৃষি জমি পাওয়ার উপযুক্ত বিবেচিত হবেন না ৷
সভায় কার্যবিবরণী প্রস্তুত করতে হবে এবং নির্বাচিত এবং বাতিলকৃত আবেদনকারীদের পৃথক তালিকা প্রস্তুত করে উপস্থিত সকল সদস্যদের সম্মতি ও দস্তখত গ্রহণ করতে হবে এবং ঐ দিনই বাতিল ও গৃহীত আবেদনপত্রগুলির তালিকা নির্বাহী অফিসারের নোটিশ বোর্ডের মাধ্যমে প্রকাশ করতে হবে ৷
কমিটির সকল সিদ্ধান্ত সর্বসম্মত হওয়া বাঞ্জনীয় ৷ তবে কোন ক্ষেত্রে দ্বিমত দেখা গেলে সভাপতি বাদে উপস্থিত সকল অফিসিয়াল, নন-অফিসিয়াল সদস্যদের প্রত্যক্ষ সংখ্যাগরিষ্ট ভোটে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে৷ উভয় পক্ষে সমান সংখ্যক ভোট পড়লে নির্বাহী অফিসার নির্ণায়ক (কাস্টিং) ভোট দেবেন ৷
মৌজাওয়ারী যোগ্য ভূমিহীনদের অগ্রাধিকার তালিকা প্রণয়নের প্রকাশ্য সভা:
প্রাথমিক সভার পরে ভূমিহীনদের যথার্থতা যাচাইয়ের জন্য সম্ভব হলে প্রতিটি মৌজায়, এবং তা না হলে প্রতিটি ইউনিয়নের একটি প্রকাশ্য স্থানে উপজেলা ভূমি বন্টন কমিটির একটি বিশেষ সভা হবে ৷
এই সভার তারিখ নির্ধারণ এবং যাবতীয় প্রচারের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ৷ যেখানে সম্ভব সেখানে তিনি জনসংযোগ বিভাগের সহায়তা নেবেন ৷ নির্বাহী অফিসার আবশ্যিকভাবে এলাকায় সংসদ সদস্য ও উপজেলা চেয়ারম্যানকে এই সভায় উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানাবেন ৷ সভায় উপস্থিত জ্যেষ্ঠ জনপ্রতিনিধি এবং অন্যান্য জনপ্রতিনিধিকে এই সভায় যথাক্রমে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি করা যাবে৷ উপজেলা ভূমি সংস্কার কমিটির সভাপতিই এই সভায় সভাপতিত্ব করবেন ৷
সভার প্রারম্ভে সরকারের ভূমি সংস্কার অভিযানের উদ্দেশ্য এবং খাস জমি বন্টনের সামাজিক সুফলাদি সম্পর্কে ব্যাখ্যা করে জনগণের সহযোগিতা কামনা করতে হবে ৷
কমিটির প্রাথমিক সভায় নির্বাচিত মৌজাওয়ারী খসড়া অগ্রাধিকার তালিকা থেকে একজন করে ভূমিহীন পরিবারের প্রধানকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে তাদের প্রাপ্য যোগ্যতা ও অগ্রপ্রাপ্যতা সাব্যস্ত করতে হবে ৷
এই সভায় নির্বাহী অফিসার উপস্থিত চেয়ারম্যান,ওয়ার্ড মেম্বারদের সনাক্তির ভিত্তিতে আবেদনকারীদের দরখাস্তের সাথে প্রদত্ত ছবি সত্যায়িত করে নেবেন এবং ছবির অপর পিঠে প্রত্যয়ন স্বাক্ষর দেবেন ৷ প্রত্যয়িত ছবির কপি কবুলিয়ত ফরমে এবং ১ কপি পুনর্বাসন কার্ডের সাথে যুক্ত হবে ৷
উপজেলার সর্বত্র (প্রতি ইউনিয়ন কমপক্ষে একবার) এভাবে সকল আবেদনকারীদের সরেজমিনে পরীক্ষার পর বাতিলকৃত দরখাস্তসমূহ বাদে অবশিষ্ট দরখাস্তে ক্রমিক নম্বর সমম্বয় করে চূড়ান্ত অগ্রাধিকার তালিক প্রণযন করতে হবে৷ উপজেলা সদরের সকল অফিস, ইউনিয়ন, তহশীল অফিস ও থানায় অগ্রাধিকার তালিকা টানিয়ে বিরুদ্ধে কারো কোন অভিযোগ থাকলে তা পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে জেলা প্রশাসকের নিকট দাখিল করতে বলা হবে ৷ জেলা প্রশাসকের কাছে তালিকায় মুদ্রিত পরিবারদের ভূমিহীন হিসাবে যোগ্যতা এবং অগ্রগণ্য তালিকায় অবস্থান সম্পর্কে প্রশ্ন করা ছাড়া তালিকা প্রস্তুতের বৈধতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন করা যাবে না ৷ এই ব্যাপারে জেলা প্রশাসকের সিদ্ধান্তই হবে চূড়ান্ত ৷
প্রকাশিত এই চূড়ান্ত তালিকায় সুস্পষ্ট ভাবে ইহা উল্লেখ করতে হবে যে, অগ্রপ্রাপ্য তালিকায় নাম অন্তর্ভূক্তি কোন ক্রমেই জমি প্রদানের কোন প্রকার নিশ্চয়তা বহন করবে না ৷ জমি বন্টনের সময় অগ্রপাপ্য তালিকার সাথে ভূমিহীনদের বাসস্থান, খাস জমির অবস্থান এবং বর্তমান দখল অবস্থাও কমিটির সভায় বিবেচনা করা হবে ৷
উপরোক্ত সকল পর্যায়ের জন্য জেলা প্রশাসক তার সুবিধামত সর্বশেষ সময়সীমা বেধে একটি গণ-বিজ্ঞপ্তি দেবেন৷ এজন্য সংযোজনী-৭ এর ছকটি ব্যবহার করা যেতে পারে ৷
ভূমিহীন নির্ণয় ও তালিকা প্রণয়নে সতর্কতা
ভূমিহীনদের নির্বাচন এবং তালিকা প্রণয়নে সর্বাধিক সতর্কতা ও কঠোর নিরপেক্ষতা অবলম্বন করতে হবে ৷
ভূমিহীনদের তালিকা প্রণয়নে কোন কারচুপি বা অসত্‍ উদ্দেশ্যের অভিযোগ পাওয়া গেলে জেলা প্রশাসক তত্ক্ষনাত্‍ একজন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসককে তদন্তের জন্য নিয়োগ করবেন ৷
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকগণ এই ধরনের তদন্ত কাজের জন্য নির্দেশ পাওয়ার পর সাত দিনের বেশী সময় নিবেন না ৷
তদন্তে কারো বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ প্রমাণিত হলে, জেলা প্রশাসক তার সুবিবেচনা বিভাগীয় মামলা অথবা উভয় মামলা রুজু করার নির্দেশ দেবেন এবং প্রয়োজনীয় কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন ৷
কোন ভূমিহীন পরিবারকে কোন প্লট দেয়া হবে তা নির্ধারণ প্রক্রিয়া
ভূমিহীন বাছাই প্রক্রিয়াগুলি সম্পন্ন হবার পরে প্রতিটি মৌজার প্রাপ্ত খাস কৃষি জমির একটি প্লট করা তালিকা এবং যোগ্য ভূমিহীনদের একটি অগ্রাধিকার তালিকা প্রণীত হবে ৷ উপজেলা ভূমি সংস্কার কমিটি এভাবে ভূমিহীনদের অগ্রাধিকার নাম অনুসারে প্রাপ্ত জমি ভূমিহীনদের মধ্যে বন্টনের সুপারিশ প্রণয়ন করবেন ৷ এই সুপারিশও সর্বসম্মত হওয়া বাঞ্চনীয় ৷ মত বিরোধ দেখা দিলে পূর্বে বর্ণিত কাস্টিং ভোটের প্রক্রিয়া অবলম্বন করতে হবে ৷
প্রণীত ভূমিহীনদের তালিকায় চিহ্নিত কোনো ভূমিহীন বৈধভাবে যদি কোনো খাস কৃষি জমির দখলে থাকে তাহলে বরাদ্দের ব্যাপারে সেই ভূমিহীন অগ্রাধিকার পারে ৷
যে এলাকার জমি বন্দোবস্ত দেয়া হবে সেই এলাকার ভূমিহীন পরিবার অগ্রাধিকার পাবে৷ অর্থাত্‍ যে মৌজার জমি বন্দোবস্ত দেয়া হবে সেই মৌজার তালিকাভূক্ত ভূমিহীনদের দাবীই অগ্রগণ্য হবে ৷
জমি বরাদ্দের সময় লক্ষ্য রাখতে হবে যাতে জমি প্রাপ্ত পরিবারের প্রাপ্য জমির পরিমাণ যেন নিজ সম্পত্তিসহ সাকুল্য ২.০০ একরের বেশী না হয় ৷
যেখানে মনোনীত এনজিও এবং অন্যান্য সরকারী, আধা সরকারী এবং স্বায়ত্বশাসিত সংস্থা কর্তৃক সংগঠিত ভূমিহীন সমিতি বা দল আছে, সেখানকার প্রাপ্ত খাস জমি, ভূমিহীন সমিতির সদস্যদের মধ্যে, যদি তারা অন্যান্য বিবেচনায় প্রাপ্তিযোগ্য বলে বিবেচিত হন তবে অগ্রাধিকার পাবে ৷
যদি উপরোক্ত অগ্রাধিকার রক্ষা করতে গিয়ে প্রণীত তালিকার অগ্রপ্রাপ্যতা ভঙ্গ করার প্রয়োজন দেখা দেয় তাহলে কমিটির সভায় সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়ে ভঙ্গ করা যাবে ৷ তবে এ ক্ষেত্রে কার্য্য বিবরণীতে বিশেষ কারণটি বিস্তারিত লিখতে হবে৷ প্রণীত অগ্রাধিকার তালিকায় মন্তব্য কলামে কার্য্য বিবরণীর অনুচ্ছেদ নম্বর লিখে রাখতে হবে ৷ নির্বাচনের দিনেই উপজেলা পরিষদ নোটিশ বোর্ডের মাধ্যমে নির্বাচিত ভূমিহীনদের তালিকা প্রকাশ করতে হবে এবং যথাসম্ভব দ্রুত সভার কার্য্য বিবরণী প্রস্তুত করে জেলা প্রশাসককে অবহিত করতে হবে ৷
কমিটির সিদ্ধান্তে কেউ সংক্ষুদ্ধ হলে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের ৭ দিনের মধ্যে জেলা প্রশাসকের কাছে শুধুমাত্র নিম্নোক্ত দুইটি কারণে আপিল করতে পারবে:
(ক) আবেদনকারীর অগ্রাধিকার লংঘন করে অন্যকে খাস জমি বন্দোবস্ত দেয়া হয়েছে ৷
(খ) আবেদনকারী একজন তালিকাভুক্ত ভূমিহীন এবং তাহার বৈধ দখলীয় আবাদী খাস জমি অপরকে বন্দোবস্ত দেয়া হয়েছে ৷
উল্লেখ্য যে, খাস জমির স্বত্ব বা নির্বাচিত ভূমিহীনের বৈধতা নিয়ে এই পর্যায়ে কোন আপীল করা যাবে না ৷
সংশ্লিষ্ট আপীলের ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসকের রায়ই হবে চূড়ান্ত ৷
বন্দোবস্তের সিদ্ধান্ত পরবতী কার্যক্রম
জেলা প্রশাসক কর্তৃক মামলাটির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণের পরে উহা সংশ্লিষ্ট উপজেলায় ফেরত পাঠাতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট ভূমিহীনকে অনুলিপি যোগে তার পরবতী করণীয় সম্পর্কে জানিয়ে দিতে হবে ৷
ভূমিহীন পরিবার প্রধান ঐ অবগতি পত্র পেয়ে প্রতি একর বা তার অংশের জন্য ১.০০(এক টাকা) হারে সেলামী ও চলতি বত্সরের খাজনা ডি,সি,আরের মাধ্যমে তহশীল অফিসে জমা দিয়ে রশিদ সংগ্রহ করবে ৷
উক্ত রশিদ এবং জেলা প্রশাসকের অনুমোদনের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অফিস থেকে একসেট মুদ্রিত কবুলিয়ত ফরম (সংযোজনী ৮) পূরণ করতে হবে ৷ এর একটি সেটে ৪টি কপি থাকবে ৷ মূল কপিটি কবুলিয়ত সম্পাদনকারীর জন্য, ২য় কপি থাকবে কেইস রেকর্ডের সাথে, তৃতীয় কপি থাকবে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে, ৪র্থ কপি থাকবে রেজিষ্ট্রি অফিসে ৷ এই কবুলিয়ত ফরম জেলা প্রশাসক মুদ্রণ করে দেবেন ৷
সরকারের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক বরাবরে এই কবুলিয়ত দিতে হবে ৷ কবুলিয়তের মূল কপিতে প্রয়োজনীয় ননজুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্প লাগাতে হবে ৷
উপজেলা নির্বাহী অফিসার জেলা প্রশাসকের সাথে আলাপ করে কখন, কোথায়, কিভাবে বন্দোবস্তি প্রাপ্ত ভূমিহীন দম্পত্তিকে উপস্থিত করে কবুলিয়ত সম্পাদন করা হবে তা স্থির করবেন এবং জেলা প্রশাসকের নির্দেশে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন ৷
সরকারের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক সম্পাদিত কবুলিয়ত গ্রহণ করবেন এবং নির্বাচিত জমি বন্দোবস্ত দেবেন৷ তিনি কবুলিয়ত ফরমের নির্ধারিত স্থানে স্বাক্ষর দান করবেন ৷
বন্দোবস্ত দেওয়া জমি কোনক্রমেই বিক্রয় বা হস্তান্তর করা যাবে না তবে উত্তরাধিকারীদের নাম পরিবরর্তন করা যাবে ৷ এই বন্দোবস্তের মেয়াদ হবে ৯৯ বছর।
জেলা প্রশাসক কর্তৃক কবুলিয়ত গ্রহণের পরে সংশ্লষ্ট রেজিষ্ট্রি অফিসে উহা রেজিষ্ট্রি করতে হবে ৷ এই কবুলিয়ত রেজিস্ট্রেশনের জন্য কোন রেজিষ্ট্রেশন ফিস এর প্রয়োজন হবে না ৷ভূমিহীনদের কাছে বন্দোবস্ত দেওয়া জমি ও পরিবারের একটি বিবরণী উপজেলা রাজস্ব কর্মকর্তা কর্তৃক সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে পাঠাতে হবে ৷ সাব-রেজিষ্ট্রার একটি পৃথক নথি খুলে এই অবগতি পত্রসমূহ ভবিষ্যত রেফারেন্স

Address

Abdus Shobahan Dhali Road, Solmaid, Vatara, House/3, House Name/Motimahal
Dhaka
1229

Opening Hours

Monday 10:00 - 21:00
Tuesday 10:00 - 21:00
Wednesday 10:00 - 21:00
Thursday 10:00 - 21:00
Friday 10:00 - 21:00
Saturday 10:00 - 21:00
Sunday 10:00 - 21:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Castle Housing Ltd. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Castle Housing Ltd.:

Share

Category