Al-Amin Sarkar & Associates

Al-Amin Sarkar & Associates Our mission at Al-Amin Sarkar & Associates is create the best possible law firm customer service exp

মামলাটির মূল নীতিগুলো সহজ বাংলায় এবং তুলনামূলকভাবে বিশ্লেষণ করছি।Government of Bangladesh vs. A.K.M. Abdul Hye and othe...
30/08/2026

মামলাটির মূল নীতিগুলো সহজ বাংলায় এবং তুলনামূলকভাবে বিশ্লেষণ করছি।

Government of Bangladesh vs. A.K.M. Abdul Hye and others, Civil Appeal No. 29 of 1997, judgment dated 28.10.2003
১. মামলার মূল প্রশ্ন
এই মামলায় মূলত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ছিল—

ভুল S.A./R.S. খতিয়ান তৈরি হলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে কি ৬ বছরের মধ্যে খতিয়ান বাতিলের মামলা করতেই হবে?
R.S. খতিয়ানের এন্ট্রির সঠিকতার যে statutory presumption আছে, তা কি চূড়ান্ত?
ভুল R.S. খতিয়ানের ভিত্তিতে কোনো সম্পত্তিকে vested property হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হলে, শুধু সেই রেকর্ডের ভিত্তিতেই কি সরকারের স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়?
২. ৬ বছরের limitation সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ নীতি
আপনার দেওয়া রায়ের paragraph 6 অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আপিলেট ডিভিশন বলেছেন, ভুল record of rights-এর বিরুদ্ধে সরাসরি সেই record-এর legality চ্যালেঞ্জ করে মামলা করা আবশ্যক নয়।

বরং—

যে ব্যক্তির স্বত্ব ভুলভাবে রেকর্ডের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাকে declaration of title-এর মামলা করতে হবে।

দুটি পরিস্থিতি আলাদা করতে হবে
পরিস্থিতি Limitation কখন থেকে?
শুধু ভুল record তৈরি হয়েছে সাধারণভাবে final publication/knowledge-এর তারিখ থেকেই ৬ বছর গণনা হবে না
ভুল record-এর উপর ভিত্তি করে অন্য ব্যক্তি আপনার title অস্বীকার করে দাবি উত্থাপন করেছে সেই denial/claim-এর তারিখ থেকে ৬ বছর
Record entry-কেই cause of action করা হয়েছে final publication-এর তারিখ থেকে ৬ বছর
মূল কথা
খতিয়ানে ভুল নাম উঠেছে = সঙ্গে সঙ্গে ৬ বছরের মধ্যে খতিয়ান সংশোধনের মামলা করতেই হবে—এমন নয়।

কিন্তু ভুল নামের ব্যক্তি যখন সেই record-এর ভিত্তিতে আপনার স্বত্ব অস্বীকার করে, তখন declaration of title-এর cause of action সৃষ্টি হতে পারে।

৩. “Record correction suit” বনাম “Declaration of title suit”
এখানে মামলাটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হলো—

মূল প্রতিকার হচ্ছে title declaration; record correction নিজেই সবসময় মূল প্রতিকার নয়।

অর্থাৎ, বাদী যদি বলেন—

“আমি প্রকৃত মালিক, কিন্তু R.S. খতিয়ানে অন্য ব্যক্তির নাম ভুলভাবে এসেছে।”

তাহলে মূল প্রশ্ন হবে বাদীর title আছে কি না।

খতিয়ানের ভুল এন্ট্রি সেই title-এর পথে বাধা হতে পারে, কিন্তু খতিয়ান নিজে title-এর উৎস নয়।

সহজ সূত্র:
Title → মূল অধিকার
Khatian → সেই অধিকারের record/evidence
Wrong Khatian → title নষ্ট করে না, যদি প্রকৃত title প্রমাণিত হয়।

৪. R.S. খতিয়ানের presumption সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ সংশোধন
High Court Division বলেছিল যে R.S. record-এর entries-এর correctness-এর presumption নেই।

আপিলেট ডিভিশন এই বক্তব্য সঠিক নয় বলে ধরে।

Section 144A-এর অধীনে R.S. খতিয়ানের entries-এর presumption of correctness আছে।

কিন্তু সেটি—

Conclusive নয়, rebuttable।
অর্থাৎ:

Section 144A → Presumption of correctness

কিন্তু

Presumption ≠ Irrebuttable proof

বাদী উপযুক্ত মৌখিক ও documentary evidence দিয়ে সেই presumption rebut করতে পারেন।

৫. এই মামলায় presumption কীভাবে rebut করা হয়েছিল?
এটি অত্যন্ত শিক্ষণীয় অংশ।

সরকারের পক্ষে বলা হয়েছিল যে R.S. Khatian No. 42-এ যাদের নাম রয়েছে তারা recorded tenants এবং তাদের ঠিকানা India হওয়ায় সম্পত্তি vested property হয়েছে।

কিন্তু বাদীপক্ষ প্রমাণ করে—

Durga Charan Mondal-এর ছেলেদের প্রকৃত title-এর কোনো ভিত্তি ছিল না;
তাদের নাম S.A. record-এ কীভাবে এলো, সরকারি সাক্ষী নিজেই তা বলতে পারেননি;
তারা কখন India গিয়েছিল, তাও সরকারি সাক্ষী বলতে পারেননি;
Gonesh Chandra Mondal-এর Sarabo Mouza-র জমিতে স্বত্ব ছিল না;
amicable partition-এর মাধ্যমে Sarabo-র জমি Kartik Mondal-এর অংশে গিয়েছিল;
documentary evidence, বিশেষত Nadabi deed (Ext. 6), সেই অবস্থানকে সমর্থন করেছিল।
ফলে Section 144A-এর statutory presumption rebutted হয়।

৬. “খতিয়ানে নাম আছে” এবং “স্বত্ব আছে”—দুটি এক জিনিস নয়
এই মামলার মাধ্যমে খুব পরিষ্কারভাবে বোঝা যায়:

কোনো ব্যক্তির নাম R.S. Khatian-এ থাকা মাত্রই তার title সৃষ্টি হয় না।

আবার বিপরীত দিক থেকেও—

কারো নাম R.S. Khatian-এ না থাকলেই তার title স্বয়ংক্রিয়ভাবে শেষ হয়ে যায় না।

আদালতকে underlying title-এর chain দেখতে হবে।

এই মামলায় Court C.S. recorded tenants → successive heirs → transfers → subsequent purchasers—এই ধারাবাহিকতা পরীক্ষা করেছে।

৭. Vested property-এর প্রশ্নে রায়টির গুরুত্ব
সরকারের মূল বক্তব্য ছিল:

R.S. Khatian-এ India-তে address → enemy property → পরবর্তীতে vested property।

কিন্তু Appellate Division বলেছে, প্রথমে প্রমাণ করতে হবে যে যাদের নামে property vested হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে, তাদের প্রকৃত title/interest ছিল।

শুধু ভুল খতিয়ানে তাদের নাম থাকার কারণে তাদের সম্পত্তিকে vested property ঘোষণা করা যায় না।

অর্থাৎ:
Wrong R.S. entry

No established title of recorded person

Vested-property list based merely on that wrong entry

Cannot automatically establish Government title

৮. Government-এর claim-এর দুর্বলতা কোথায় ছিল?
সরকারের পক্ষে D.W.1 ছিলেন Assistant Tahshilder।

তিনি বলেছেন সরকার জমি দেখাশোনা করছে।

কিন্তু—

possession-এর পক্ষে corroborative evidence ছিল না;
Government কীভাবে জমি manage করছে তার প্রমাণ ছিল না;
Durga Charan Mondal-এর ছেলেদের নাম কীভাবে S.A. record-এ উঠল তা তিনি জানতেন না;
তারা কখন India গিয়েছিল তাও বলতে পারেননি;
Gonesh Chandra Mondal কখন India গিয়েছিলেন তাও প্রমাণিত হয়নি।
অন্যদিকে বাদীপক্ষ P.W.1–P.W.4-এর মাধ্যমে possession-এর evidence দিয়েছিল এবং documentary evidence-ও দিয়েছিল।

তাই Court বলেছে Government-এর evidence যথেষ্ট নয়।

৯. এই মামলার একটি গুরুত্বপূর্ণ তুলনামূলক নীতি
এখানে তিনটি বিষয় আলাদা করে দেখতে হবে:

ক. Record of Rights
খতিয়ানের entry-এর statutory presumption আছে।

খ. Title
Title আলাদাভাবে deed, inheritance, partition, possession ইত্যাদি evidence দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।

গ. Vested Property
কোনো property vested property হয়েছে দাবি করলে শুধু ভুল record দেখালেই হবে না; vesting-এর আইনগত ভিত্তি ও প্রকৃত title/interest প্রতিষ্ঠিত হতে হবে।

১০. আপনার দেওয়া মামলাটির ratio সংক্ষেপে
Government of Bangladesh vs. A.K.M. Abdul Hye and others (28.10.2003) মামলার প্রধান ratio আমি এভাবে সাজাব—

(১) Wrong record of rights-এর বিরুদ্ধে record বাতিল/সংশোধনের জন্য পৃথক suit সবসময় অপরিহার্য নয়।

(২) Wrong record-এর কারণে title affected হলে declaration of title-এর suit করা যায়।

(৩) Wrongly recorded person-এর পক্ষ থেকে title denial/claim হলে সেই denial-এর তারিখ থেকে limitation-এর প্রশ্ন দেখা দিতে পারে।

(৪) Section 144A অনুযায়ী R.S. Khatian-এর entry-এর correctness-এর presumption আছে।

(৫) সেই presumption rebuttable, conclusive নয়।

(৬) Documentary ও oral evidence দ্বারা R.S. entry ভুল প্রমাণ করা যায়।

(৭) শুধু R.S. Khatian-এ নাম থাকা দ্বারা title সৃষ্টি হয় না।

(৮) ভুল R.S. entry-এর উপর ভিত্তি করে কোনো property-কে vested property হিসেবে তালিকাভুক্ত করলেই Government-এর title স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় না।

১১. একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা
এই রায়কে “খতিয়ান সংশোধনের মামলা কখনো লাগবে না”—এই absolute proposition হিসেবে ব্যবহার করা ঠিক হবে না।

সঠিক proposition হলো:

“Wrong record-এর বিরুদ্ধে affected person-কে সব ক্ষেত্রে আলাদাভাবে record correction suit করতে হবে না; প্রকৃত title প্রতিষ্ঠার জন্য declaration of title suit যথেষ্ট হতে পারে, এবং limitation-এর commencement নির্ভর করবে cause of action-এর প্রকৃত প্রকৃতির উপর।”

“ভুল R.S. রেকর্ডের বিরুদ্ধে পৃথক রেকর্ড সংশোধনের মামলা অপরিহার্য নয়; প্রকৃত স্বত্বের ঘোষণার মামলা করা যায়। তবে R.S. খতিয়ানের এন্ট্রির সঠিকতার presumption থাকলেও তা rebuttable.”
Government of Bangladesh vs. A.K.M. Abdul Hye & others, 28.10.2003, Civil Appeal No. 29 of 1997.

এই মামলায় Section 144A-এর presumption এবং declaration of title-এর limitation—এই দুটি বিষয়কে আলাদা করে দেখা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

অগ্রক্রয়
14/08/2026

অগ্রক্রয়

এ.সি. ল্যান্ডের নামজারি আদেশের ভিত্তিতে সম্পত্তির মূল মালিকানা প্রমানিত হয় না।
14/08/2026

এ.সি. ল্যান্ডের নামজারি আদেশের ভিত্তিতে সম্পত্তির মূল মালিকানা প্রমানিত হয় না।

খতিয়ান স্বত্বের দলিল নয়
13/08/2026

খতিয়ান স্বত্বের দলিল নয়

জানতে হবে বুঝতে হবে
12/08/2026

জানতে হবে বুঝতে হবে

11/06/2026

শুধুমাত্র Joint Account Holder হওয়ার কারণে কোনো ব্যক্তিকে Negotiable Instruments Act-এর ১৩৮ ধারার অধীনে ফৌজদারি দায়ে অভিযুক্ত করা যাবে না। ১৩৮ ধারার দায় মূলত সেই ব্যক্তির উপর বর্তায়, যিনি চেকটি ড্র, স্বাক্ষর ও ইস্যু করেছেন। ফৌজদারি আইনের সাধারণ নীতি হলো, আইন স্পষ্টভাবে অনুমোদন না করলে একজনের কাজের জন্য অন্যজনকে দায়ী করা যায় না। তাই স্বামী-স্ত্রীর যৌথ হিসাব থেকে চেক ইস্যু হলেও, চেকে স্বাক্ষর না করা Joint Account Holder-এর বিরুদ্ধে ১৩৮ ধারার কার্যক্রম আইনসম্মত নয়।

আদালত আরও পর্যবেক্ষণ করেন যে, Negotiable Instruments Act-এর ১৪০ ধারায় কোম্পানির ক্ষেত্রে Vicarious Liability-এর বিধান থাকলেও সেই বিধান Joint Account Holder-এর ক্ষেত্রে সম্প্রসারিত করা যায় না। কোনো ব্যক্তি ঋণের জন্য দেওয়ানি দায়ে আবদ্ধ হতে পারেন, কিন্তু কেবল সেই কারণে তাঁর বিরুদ্ধে ১৩৮ ধারার ফৌজদারি দায় আরোপ করা যাবে না। সুতরাং, চেকটি ড্র, স্বাক্ষর বা ইস্যু করার সঙ্গে সম্পৃক্ততার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ না থাকলে Joint Account Holder-এর বিরুদ্ধে ১৩৮ ধারার মামলা টেকসই হবে না।

Rouson Ara Mia Vs State & Another (Criminal Misc. Case No. 27569 of 2023)

পাওয়ার অফ অ্যাটর্নির মাধ্যমে চেকের মামলা (NI Act) সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ রায়: 56 DLR (AD) 17মামলার পটভূমি:আসামি হাসিবুল ...
06/05/2026

পাওয়ার অফ অ্যাটর্নির মাধ্যমে চেকের মামলা (NI Act) সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ রায়: 56 DLR (AD) 17

মামলার পটভূমি:

আসামি হাসিবুল বাশার তার আত্মীয় আনোয়ারুল ইসলামের কাছ থেকে ৩০,৭৭,০০০ টাকা ধার নিয়েছিলেন। এই টাকা পরিশোধের জন্য তিনি ৩টি চেক প্রদান করেন। কিন্তু চেকে উল্লিখিত টাকা ব্যাংকে না থাকায় বা পেমেন্ট বন্ধ করে দেওয়ায় চেকগুলো বারবার ডিজঅনার হয়। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে লিগ্যাল নোটিশ দেওয়ার পরও টাকা পরিশোধ না করায় আনোয়ারুল ইসলামের নিয়োজিত অ্যাটর্নি (পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি প্রাপ্ত ব্যক্তি) গুলজার রহমান ঢাকার সিএমএম আদালতে এনআই অ্যাক্টের ১৩৮ ধারায় মামলা দায়ের করেন।

আসামি পক্ষের বক্তব্য:

আসামিপক্ষ মামলাটি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে (৫৬১এ ধারা অনুযায়ী) কোয়াশমেন্টের আবেদন করেন। তাদের প্রধান যুক্তি ছিল:

১. এনআই অ্যাক্টের ১৪১ ধারা অনুযায়ী, মামলাটি সরাসরি 'পেয়ী' (Payee) বা যার নামে চেক তাকেই করতে হবে।
২. যেহেতু আনোয়ারুল ইসলামের বদলে তার অ্যাটর্নি মামলা করেছেন এবং জবানবন্দি দিয়েছেন, তাই এই আইনি প্রক্রিয়া অবৈধ।

হাইকোর্ট বিভাগের রায়:

হাইকোর্ট বিভাগ বিভাগ রুলটি খারিজ করে অভিমত দেন যে, পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি দ্বারা চেকের মামলা চলতে আইনি কোন বাধা নেই।

আপিল বিভাগের পর্যবেক্ষণ:

* পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি আইন অনুযায়ী, একজন আমমোক্তার (Attorney) তার দাতার পক্ষে মামলা করা বা আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষমতা রাখেন।

* পূর্বের নজির (যেমন- ১৯৯৬ BLD (AD) ২০৬) টেনে আদালত বলেন, পেয়ীর পক্ষে তার অ্যাটর্নি মামলা দায়ের করলে এবং আদালত ২০০ ধারায় ওই অ্যাটর্নির জবানবন্দি গ্রহণ করে আমল (Cognizance) নিলে তা সম্পূর্ণ বৈধ।

ফলাফল:
আপিল বিভাগ হাসিবুল বাশারের লিভ টু আপিল পিটিশনটি খারিজ করে দেন এবং হাইকোর্ট বিভাগের রায় বহাল রাখেন।

নজির:
চেক ডিজঅনারের মামলায় মূল পাওনাদারের পরিবর্তে তার আইনগত প্রতিনিধি বা পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি প্রাপ্ত ব্যক্তি মামলা করতে পারবেন এবং তা আইনের পরিপন্থী নয়।
Collected

08/04/2026

জাতীয় সংসদে 'কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিওর (সংশোধন) আইন-২০২৬' কণ্ঠভোটে পাস হয়েছে । এই সংশোধনীর মাধ্যমে ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এনে গ্রেপ্তার ও বিচার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে ।
ফৌজদারি কার্যবিধি বা ক্রিমিনাল প্রসিডিউর বিষয়ে পাস হওয়া মূল পরিবর্তনগুলো নিচে দেওয়া হলো:

১. গ্রেপ্তার সংক্রান্ত সুরক্ষা (৪৬এ-৪৬ই ধারা)
#পরিবারকে অবহিতকরণ: কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার সর্বোচ্চ ১২ ঘণ্টার মধ্যে তার পরিবার, আত্মীয়স্বজন বা আইনজীবীকে বিষয়টি জানানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে ।
#পরিচয়পত্র প্রদর্শন: গ্রেপ্তারকারী কর্মকর্তাকে অবশ্যই তার দৃশ্যমান পরিচয়পত্র (ID card) সাথে রাখতে হবে এবং গ্রেপ্তারের সময় তা প্রদর্শন করতে হবে ।
#আইনি পরামর্শ: গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে তার আইনজীবী বা নিকটাত্মীয়ের সাথে পরামর্শ করার সুযোগ দিতে হবে ।
২. নথিবদ্ধকরণ ও স্বচ্ছতা
#জিডিতে অন্তর্ভুক্তি: গ্রেপ্তারের কারণ, সময় এবং কাকে তথ্য জানানো হয়েছে—এসব বিস্তারিত তথ্য অবিলম্বে স্থানীয় থানার জেনারেল ডায়েরিতে (জিডি) লিপিবদ্ধ করতে হবে ।
#গ্রেপ্তার মেমোরেন্ডাম: গ্রেপ্তারকারী কর্মকর্তা যদি ওই থানার না হন, তবে তাকে গ্রেপ্তারের একটি অনুলিপি (Memorandum) সংশ্লিষ্ট থানার ওসির কাছে পাঠাতে হবে ।
#সাক্ষীর উপস্থিতি: গ্রেপ্তারের সময় অন্তত একজন সাক্ষীর (পরিবারের সদস্য বা স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি) উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। সাক্ষী না পাওয়া গেলে তার কারণ নথিবদ্ধ করতে হবে।
৩. বিচারিক ও প্রশাসনিক পরিবর্তন
#জরিমানার ক্ষমতা বৃদ্ধি (৩২ ধারা): ম্যাজিস্ট্রেটদের জরিমানা করার ক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে। প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট এখন সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা, দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট ৩ লাখ টাকা এবং তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট ২ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করতে পারবেন ।
#স্বাস্থ্য পরীক্ষা (১৬৭ ধারা): পুলিশ রিমান্ডে নেওয়ার আগে এবং পরে অভিযুক্ত ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা পরীক্ষার বিধান রাখা হয়েছে।
#তদন্ত তদারকি (১৭৩এ ধারা): চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিলের আগে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের তদন্তের অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিবেদন (Interim report) চাওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের মাননীয় Vacation Judge এর মামলা শুনানী সংক্রান্ত।
15/03/2026

মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের মাননীয় Vacation Judge এর মামলা শুনানী সংক্রান্ত।

আয়কর আইনজীবী নিবন্ধন পরীক্ষা-২০২৬ এর বিজ্ঞপ্তি। আবেদনের শেষ তারিখঃ ২১ এপ্রিল ২০২৬ইংরেজী।
09/03/2026

আয়কর আইনজীবী নিবন্ধন পরীক্ষা-২০২৬ এর বিজ্ঞপ্তি। আবেদনের শেষ তারিখঃ
২১ এপ্রিল ২০২৬ইংরেজী।

Address

8, 8/1 Dhaka Bar Association, Kotwali
Dhaka
1100

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801916919193

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al-Amin Sarkar & Associates posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Al-Amin Sarkar & Associates:

Shortcuts

Share