NewLeaf Legal Consultant

NewLeaf Legal Consultant We are Providing Taxation, VAT, Company Formation, Business License, Accounting & Auditing Services
(2)

About NewLeaf Legal Consultant
নিউলিফ লিগ্যাল কনসালটেন্ট - ফেসবুক পেইজ টার্মস এন্ড কন্ডিশন

আপনার ভ্যাট, ট্যাক্স এবং কোম্পানি পরিষেবার জন্য নিউলিফ লিগ্যাল কনসালটেন্ট বেছে নেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আমাদের পরিষেবাগুলির সাথে জড়িত থাকার মাধ্যমে, আপনি নিম্নলিখিত শর্তাবলী মেনে চলতে সম্মত হন:

আমাদের সার্ভিস গ্রহণ করতে চাইলে আপনার সাথে আমাদের প্রথম মিটিং এর পর আমরা আপনাকে একটা প্রপোজাল লেটার পাঠাবো য

েখানে সার্ভিসের ধরন সময়সীমা সরকারি ফি পেমেন্ট অপশন/পেমেন্ট পদ্ধতি ইত্যাদি তথ্য সংযুক্ত থাকবে। আপনি প্রপোজাল লেটারটি গ্রহণ করার পরপর আমরা আমাদের কার্যক্রম শুরু করব।

প্রদত্ত পরিষেবা: নিউলিফ লিগ্যাল কনসালটেন্ট বাংলাদেশের আইন ও প্রবিধান অনুযায়ী পরামর্শ, নিবন্ধন, ফাইলিং এবং সম্মতি সহায়তা সহ ভ্যাট, ট্যাক্স এবং কোম্পানি পরিষেবা প্রদান করে।

ডেলিভারি সময়: আমরা অবিলম্বে এবং দক্ষতার সাথে আমাদের পরিষেবাগুলি সরবরাহ করার চেষ্টা করি। যাইহোক, পরিষেবাগুলি সম্পূর্ণ করার জন্য ডেলিভারির সময় মামলার জটিলতা এবং কাজের চাপের উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হতে পারে এবং সর্বদা আমরা ক্লায়েন্টদের সাথে যোগাযোগ করে সময় সেট করার চেষ্টা করি। সাধারণত, আমরা বাগদানের তারিখ থেকে 30 দিনের মধ্যে আমাদের পরিষেবাগুলি সম্পূর্ণ করার লক্ষ্য রাখি। কোনো বিলম্বের ক্ষেত্রে, আমরা আপনাকে অবিলম্বে অবহিত করব এবং সম্পূর্ণ করার জন্য একটি আনুমানিক সময়রেখা প্রদান করব।

রিটার্ন নীতি: নিউলিফ লিগ্যাল কনসালটেন্ট প্রদত্ত পরিষেবাগুলির জন্য একটি কঠোর নো-রিটার্ন নীতি বজায় রাখে। একবার পরিষেবাগুলি শুরু এবং প্রদান করা হলে, সেগুলি অ-ফেরতযোগ্য বলে গণ্য করা হয়। যাইহোক, যদি আমাদের পরিষেবাগুলির সাথে কোনও সমস্যা বা অসঙ্গতি থাকে, অনুগ্রহ করে অবিলম্বে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন এবং আমরা আপনার সন্তুষ্টির জন্য বিষয়টি সমাধান করার চেষ্টা করব৷ আমরা যদি আমাদের দায়িত্বের জন্য আমাদের কাজটি সময়মতো শেষ করতে না পারি তবে আমরা সরকারী ফি ছাড়াই আপনার অর্থ ফেরত দেব।

অর্থপ্রদানের শর্তাবলী: আমাদের পরিষেবার জন্য অর্থপ্রদান আগাম বা পারস্পরিক সম্মত শর্তাবলী অনুযায়ী প্রয়োজন। আমরা নগদ, ব্যাঙ্ক ট্রান্সফার, মোবাইল ব্যাঙ্কিং বা নিউলিফ লিগ্যাল কনসালটেন্ট দ্বারা নির্দেশিত অন্য কোনও পদ্ধতির মাধ্যমে অর্থপ্রদান গ্রহণ করি। সম্মত শর্তাবলী অনুযায়ী অর্থপ্রদান করতে ব্যর্থতার ফলে পরিষেবা বিলম্বিত হতে পারে বা বাগদান বন্ধ হতে পারে।

গোপনীয়তা: নিউলিফ লিগ্যাল কনসালটেন্ট আমাদের গ্রাহকদের তথ্যের গোপনীয়তাকে সম্মান করে। আমরা আমাদের কাছে প্রদত্ত সমস্ত তথ্য গোপন রাখার অঙ্গীকার করি এবং আইনের প্রয়োজন না হলে পূর্বের সম্মতি ব্যতীত তৃতীয় পক্ষের কাছে তা প্রকাশ করব না।

ক্লায়েন্টের দায়িত্ব: ক্লায়েন্টদের দ্বারা সরবরাহ করা প্রয়োজনীয় পরিষেবা এবং নথিগুলির বিধানের জন্য প্রয়োজনীয় সঠিক এবং সম্পূর্ণ তথ্য প্রদানের জন্য ক্লায়েন্টরা দায়ী। ক্লায়েন্ট দ্বারা প্রদত্ত অসম্পূর্ণ বা ভুল তথ্যের ফলে যেকোন বিলম্ব বা ত্রুটি পরিষেবার সরবরাহের সময় এবং গুণমানকে প্রভাবিত করতে পারে।

গভর্নিং আইন এবং এখতিয়ার: এই শর্তাবলী বাংলাদেশের আইন অনুসারে পরিচালিত হবে এবং বোঝানো হবে। এই শর্তাবলী থেকে বা এর সাথে সম্পর্কিত যে কোন বিরোধ বাংলাদেশের আদালতের একচেটিয়া এখতিয়ারের অধীন হবে।

সংশোধনী: নিউলিফ লিগ্যাল কনসালটেন্ট পূর্ব বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই যে কোন সময় এই শর্তাবলী সংশোধন বা পরিবর্তন করার অধিকার সংরক্ষণ করে। যেকোনো পরিবর্তন আমাদের ওয়েবসাইটে পোস্ট করার পরে বা সরাসরি ক্লায়েন্টদেরকে অবহিত করার সাথে সাথে কার্যকর হবে।

বিক্রয়োত্তর সেবাঃ আমরা কোন রকম বিক্রয়োত্তর সেবা প্রদান করিনা। তবে আমাদের সেবা গ্রহনের পরে আমরা পরবর্তী করনীয় সর্ম্পকে গাইডলাইন দিয়ে থাকি।

আমাদের পরিষেবাগুলির সাথে জড়িত থাকার মাধ্যমে, আপনি স্বীকার করেছেন যে আপনি এই শর্তাবলী পড়েছেন, বুঝেছেন এবং মেনে চলতে সম্মত হয়েছেন৷ এই শর্তাবলী সম্পর্কে আপনার কোন প্রশ্ন বা উদ্বেগ থাকলে, আমাদের পরিষেবাগুলির সাথে এগিয়ে যাওয়ার আগে স্পষ্টতার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

যোগাযোগ:

ঠিকানা: বাড়ি: ২৮/১, কে.এম. ড্যাশ লেন, হাটখোলা রোড, টিকাতলী, ঢাকা-১২০৩, বাংলাদেশ।
ইমেইল: [email protected]
ফোন: +880 1637-055535

**আমাদের জন্য আপনার আগ্রহের জন্য ধন্যবাদ।**

22/08/2026
শুধু অর্থবছরের ক্যালেন্ডার বদলাচ্ছে না-করব্যবস্থার হিসাবের ঘড়িও কি বদলাবে?পোষ্টটি লিখেছেন iftekhar Mahmud ,পোষ্টটি’র লিং...
22/08/2026

শুধু অর্থবছরের ক্যালেন্ডার বদলাচ্ছে না-করব্যবস্থার হিসাবের ঘড়িও কি বদলাবে?

পোষ্টটি লিখেছেন iftekhar Mahmud ,
পোষ্টটি’র লিংক বা পোষ্টটি বিন্দুমাত্র পরিবর্তন না করে হুবহু শেয়ার করতে পারবেন। কিন্তু পোষ্টটি’র কিছু অংশ কপি করা নিষেধ।

বাংলাদেশের অর্থবছর দীর্ঘদিন ধরে ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত পরিচালিত হয়ে আসছে। কিন্তু সাম্প্রতিক সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অর্থবছর ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ করার উদ্যোগ অনুমোদিত হয়েছে।
বর্তমান পরিকল্পনা অনুযায়ী—

📌 ২০২৭–২৮ অর্থবছর হবে একটি ৯ মাসের অন্তর্বর্তী সময়কাল, অর্থাৎ জুলাই ২০২৭ থেকে মার্চ ২০২৮ পর্যন্ত।

📌 এরপর ২০২৮–২৯ অর্থবছর থেকে নতুন এপ্রিল–মার্চ অর্থবছর চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
এ পরিবর্তন বাস্তবায়নের জন্য আইন, প্রশাসনিক কাঠামো এবং সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ও সমন্বয় করতে হবে।

কিন্তু একজন করদাতার জন্য এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো—
❓ অর্থবছর পরিবর্তন হলে কি আয়বর্ষ, করবর্ষ ও আয়কর রিটার্নের হিসাবও স্বয়ংক্রিয়ভাবে বদলে যাবে?
উত্তর হলো—এমনটি ধরে নেওয়া ঠিক হবে না।
কারণ সরকারি অর্থবছর এবং আয়কর আইনের আয়বর্ষ ও করবর্ষ একই বিষয় নয়।

🧑‍💼 একটি বাস্তবধর্মী পরিস্থিতি
ধরা যাক, একজন চাকরিজীবী করদাতার—
বেতন ও অন্যান্য আয় রয়েছে;
ব্যাংক আমানত থেকে সুদ আসে;
কিছু বিনিয়োগ রয়েছে;
উৎসে কর কর্তন করা হয়েছে;
নিয়মিত আয়কর রিটার্ন দাখিল করেন।
বর্তমান ব্যবস্থায় তিনি সাধারণত ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সময়ের আয় ও সংশ্লিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে আয়কর হিসাবের সঙ্গে পরিচিত।
এখন অর্থবছর এপ্রিল–মার্চে পরিবর্তনের খবর শুনে তিনি ভাবলেন—
“তাহলে কি আগামী বছর থেকেই আমার আয়কর রিটার্ন এপ্রিল থেকে মার্চ পর্যন্ত হিসাব করতে হবে?”
এখানেই সবচেয়ে বড় ভুল বোঝাবুঝির সম্ভাবনা।

⚖️ আইনি ভিত্তি: অর্থবছর আর আয়বর্ষ এক বিষয় নয়
বর্তমান আয়কর আইন, ২০২৩-এ করবর্ষ এবং আয়বর্ষের ধারণা বিদ্যমান আইনি কাঠামোর সঙ্গে সম্পর্কিত।
সাধারণভাবে একটি নির্দিষ্ট আয়বর্ষে অর্জিত আয় সংশ্লিষ্ট পরবর্তী করবর্ষে আয়কর ব্যবস্থার আওতায় আসে।
অন্যদিকে, সরকারি অর্থবছর হলো রাষ্ট্রীয় বাজেট, সরকারি আয়-ব্যয় ও আর্থিক হিসাব পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত একটি সময়কাল। অর্থাৎ—
সরকারি অর্থবছর পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেই আয়কর আইনের প্রতিটি সময়সীমা, আয়বর্ষ, করবর্ষ, রিটার্ন দাখিলের সময় বা উৎসে করের সমন্বয় ইতোমধ্যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিবর্তিত হয়ে গেছে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাবে না।
এ ধরনের পরিবর্তনের জন্য সংশ্লিষ্ট আইন, বিধি, প্রশাসনিক নির্দেশনা এবং বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার সমন্বয় প্রয়োজন হতে পারে।

🔄 ৯ মাসের অন্তর্বর্তী সময়কাল কেন গুরুত্বপূর্ণ?
এখানে একটি বিশেষ বিষয় রয়েছে।
বর্তমান পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২৭–২৮ অর্থবছর জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত ৯ মাসের একটি অন্তর্বর্তী অর্থবছর হিসেবে বিবেচিত হওয়ার কথা।
এখন প্রশ্ন হলো— এই ৯ মাসের সময়কালকে কেন্দ্র করে ভবিষ্যতে—
আয়বর্ষ কীভাবে নির্ধারিত হবে?
করবর্ষের সংজ্ঞায় পরিবর্তন আসবে কি?
ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের রিটার্ন কোন সময়কাল ধরে প্রস্তুত হবে?
কোম্পানির হিসাববছর ও আয়কর হিসাবের মধ্যে কী ধরনের সমন্বয় প্রয়োজন হবে?
উৎসে কর্তিত কর কোন সময়ের বিপরীতে সমন্বয় হবে?
পূর্ববর্তী সময়ের ক্ষতি বা কর-সমন্বয় কীভাবে পরিচালিত হবে?

এসব প্রশ্নের চূড়ান্ত উত্তর সংশ্লিষ্ট আইনগত ও প্রশাসনিক পরিবর্তন কার্যকর হওয়ার পরই স্পষ্টভাবে নির্ধারিত হবে।
তাই এখনই নিজের হিসাবপদ্ধতি পরিবর্তন করে ফেলা যুক্তিসঙ্গত নয়।

📊 বাস্তব উদাহরণ
ধরা যাক, একজন করদাতার বর্তমান হিসাব অনুযায়ী—
বার্ষিক চাকরিজীবী আয়: ৳১২,০০,০০০
ব্যাংক সুদ: ৳১,২০,০০০
অন্যান্য বৈধ আয়: ৳৮০,০০০
মোট আয় = ৳১৪,০০,০০০
এর বিপরীতে—
ব্যাংক সুদের ওপর উৎসে কর্তিত কর: ৳১২,০০০
বেতন থেকে কর্তিত কর: প্রযোজ্য পরিমাণ
অন্যান্য কর সমন্বয়: প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী
বর্তমান আইনি কাঠামোয় আয় ও করের হিসাব যে আয়বর্ষের জন্য প্রযোজ্য, সেই কাঠামো অনুসরণ করেই রিটার্ন প্রস্তুত করতে হবে।
ভবিষ্যতে অর্থবছরের পরিবর্তনের ফলে যদি আয়কর আইনের সময়কালেও পরিবর্তন আনা হয়, তাহলে একই ৳১৪,০০,০০০ আয় কোন সময়সীমার মধ্যে পড়বে—সেটি নতুন আইন বা নির্দেশনার ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে।
অর্থাৎ—
📌 ক্যালেন্ডার পরিবর্তন মানেই করের হিসাব স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিবর্তন নয়।

❌ করদাতারা যে ভুলগুলো করতে পারেন
১️⃣ সংবাদ দেখে রিটার্নের সময়কাল নিজের মতো পরিবর্তন করা
সরকারি অর্থবছরের পরিবর্তনের খবর শুনেই আয়কর হিসাব এপ্রিল–মার্চে শুরু করে দেওয়া সঠিক পদ্ধতি নয়।
২️⃣ “অর্থবছর” ও “আয়বর্ষ” একই মনে করা
দুটি বিষয় পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও আইনগতভাবে সবসময় একই অর্থ বহন করে না।
৩️⃣ ৯ মাসের অন্তর্বর্তী সময়কাল উপেক্ষা করা
এই বিশেষ সময়কাল ভবিষ্যতে হিসাব, কর ও কর-সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
৪️⃣ উৎসে করের দলিল ও আয়বর্ষের মিল যাচাই না করা
ব্যাংক সুদ, বেতন, বিভিন্ন সেবা বা অন্যান্য উৎস থেকে কর্তিত করের সনদ কোন সময়ের জন্য প্রযোজ্য—এটি সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা জরুরি।
৫️⃣ আইন পরিবর্তনের আগে অনুমানের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া
কর-সংক্রান্ত বিষয়ে “সম্ভবত এমন হবে” ধরে হিসাব করলে পরবর্তীতে তথ্য সংশোধন বা অতিরিক্ত কর-সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতার প্রয়োজন হতে পারে।

📁 করদাতার করণীয়
অর্থবছর পরিবর্তনের এই সময়ে কিছু বিষয় বিশেষভাবে গুছিয়ে রাখা ভালো—
✅ আয় ও ব্যয়ের হিসাব নিয়মিত সংরক্ষণ করুন।
✅ ব্যাংক হিসাবের বিবরণী ও ব্যাংক সুদের সনদ সংরক্ষণ করুন।
✅ উৎসে কর্তিত করের প্রমাণপত্র সংরক্ষণ করুন।
✅ বেতন, ব্যবসা বা পেশাগত আয়ের দলিল আলাদা করে রাখুন।
✅ বিনিয়োগ, সম্পদ ও দায়সংক্রান্ত নথিপত্র হালনাগাদ রাখুন।
✅ ভবিষ্যতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নতুন নির্দেশনা প্রকাশিত হলে তা বর্তমান আইন ও পূর্ববর্তী প্রক্রিয়ার সঙ্গে মিলিয়ে দেখুন।

💡 একটি গুরুত্বপূর্ণ ভুল ধারণা দূর করা প্রয়োজন
অনেকে ভাবতে পারেন—
“অর্থবছর এপ্রিল–মার্চ হলে আমার আয় বেড়ে বা কমে যাবে, কিংবা করও স্বয়ংক্রিয়ভাবে বদলে যাবে।”

বাস্তবে অর্থবছরের সময়সীমা পরিবর্তন মূলত রাষ্ট্রীয় বাজেট, সরকারি হিসাব, উন্নয়ন ব্যয়, রাজস্ব ব্যবস্থাপনা এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমের সময়চক্র পরিবর্তনের বিষয়।

এতে একজন করদাতার কর-দায়, আয়বর্ষ, করবর্ষ বা রিটার্নের পদ্ধতিতে কী প্রভাব পড়বে—তা নির্ভর করবে প্রযোজ্য আইন এবং ভবিষ্যতে জারিকৃত সংশ্লিষ্ট বিধি, সংশোধনী ও নির্দেশনার ওপর।

👨‍💼 পেশাগত পর্যবেক্ষণ
আয়কর রিটার্ন শুধু একটি নির্দিষ্ট ফরম পূরণ করার বিষয় নয়।
এটি একজন করদাতার—
আয়,
উৎসে কর্তিত কর,
বিনিয়োগ,
সম্পদ,
দায় এবং
আর্থিক তথ্যের
মধ্যে একটি আইনসম্মত ও সামঞ্জস্যপূর্ণ কর-সংক্রান্ত নথি তৈরি করার প্রক্রিয়া।

আর যখন রাষ্ট্রীয় অর্থবছরের মতো একটি মৌলিক সময়কাঠামো পরিবর্তিত হয়, তখন শুধু “নতুন তারিখ” জানলেই যথেষ্ট নয়।

বোঝা জরুরি—
কোন পরিবর্তনটি শুধু প্রশাসনিক, আর কোন পরিবর্তনটি সরাসরি আয়কর আইন ও করদাতার কর-সংক্রান্ত দায়বদ্ধতাকে প্রভাবিত করছে।

শেষ কথা
বাংলাদেশের অর্থবছর জুলাই–জুন থেকে এপ্রিল–মার্চে পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ কাঠামোগত পরিবর্তন।

সরকারের ঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২৭–২৮ অর্থবছর হবে ৯ মাসের অন্তর্বর্তী সময়কাল এবং ২০২৮–২৯ অর্থবছর থেকে নতুন এপ্রিল–মার্চ অর্থবছর চালুর কথা রয়েছে।

তবে একজন সচেতন করদাতার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—
অর্থবছর পরিবর্তনের খবর শুনে নিজের আয়কর হিসাব, আয়বর্ষ বা রিটার্নের সময়কাল অনুমানের ভিত্তিতে পরিবর্তন না করা।

প্রযোজ্য আইন, সংশোধনী, সরকারি প্রজ্ঞাপন, বিধি এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আনুষ্ঠানিক নির্দেশনার ভিত্তিতেই কর-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া নিরাপদ।

❓ আপনার আয়কর রিটার্নে প্রদর্শিত আয়, উৎসে কর্তিত কর, ব্যাংক লেনদেন এবং সম্পদ বৃদ্ধির হিসাব—সবগুলো কি একই প্রযোজ্য সময়কালের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ?

সতর্কতা:
এই পোস্টটি সাধারণ কর-সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। নির্দিষ্ট করদাতার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য আইন, দলিলপত্র এবং ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক পরিস্থিতি অনুযায়ী কর-প্রভাব ভিন্ন হতে পারে। অর্থবছর পরিবর্তনসংক্রান্ত আইনগত ও প্রশাসনিক বাস্তবায়নের অগ্রগতির সঙ্গে নতুন নির্দেশনা প্রযোজ্য হতে পারে।

২০২৬ সালে ঢাকা ট্যাকসেস বার এসোসিয়েশনের সদস্যপদ প্রাপ্ত নবীন সদস্যদের সনদপত্র বিতরণ ও প্রশিক্ষণ কর্মশালা সংক্রান্ত প্রথম...
22/08/2026

২০২৬ সালে ঢাকা ট্যাকসেস বার এসোসিয়েশনের সদস্যপদ প্রাপ্ত নবীন সদস্যদের সনদপত্র বিতরণ ও প্রশিক্ষণ কর্মশালা সংক্রান্ত প্রথম ধাপের নোটিশ।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিটের নতুন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সৈয়দ মহিদুল হাসান......
22/08/2026

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিটের নতুন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সৈয়দ মহিদুল হাসান......

নতুন আরো কর অঞ্চলকে আসছে
19/08/2026

নতুন আরো কর অঞ্চলকে আসছে

কাস্টমস হাউস, ঢাকা হতে ১১তম হতে ২০তম গ্রেডের সরাসরি নিয়োগের ভিত্তিতে শূণ্যপদ পূরণের ছাড়পত্র প্রদান।।
19/08/2026

কাস্টমস হাউস, ঢাকা হতে ১১তম হতে ২০তম গ্রেডের সরাসরি নিয়োগের ভিত্তিতে শূণ্যপদ পূরণের ছাড়পত্র প্রদান।।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তথ্য GEMS সফটওয়‍্যারে অন্তর্ভুক্তকরণ।।
19/08/2026

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তথ্য GEMS সফটওয়‍্যারে অন্তর্ভুক্তকরণ।।

Address

28/1, K. M. Dash Lane, Hatkhola Road, Tikatoli
Dhaka
1203

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when NewLeaf Legal Consultant posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category