13/05/2026
স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মামলায় দখলই মুখ্য বিবেচ্য — আপিল আদালতের নির্ধারণে হাইকোর্ট বিভাগের হস্তক্ষেপের সীমা দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮
ধারা ১১৫
এটি সুপ্রতিষ্ঠিত আইনগত নীতি যে, আপিল আদালতই হচ্ছে সর্বশেষ “Court of Fact”। আপিল আদালত যদি রেকর্ডভুক্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে কোনো বাস্তব বিষয়ক (finding of fact) সিদ্ধান্তে উপনীত হয়, তবে হাইকোর্ট বিভাগ সাধারণত দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১৫(১) এর অধীনে রিভিশনাল ক্ষমতা প্রয়োগ করে সেই সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ বা তা বাতিল করতে পারে না; যদি না প্রমাণ করা যায় যে—
আপিল আদালতের সিদ্ধান্ত বিকৃত (perverse), অথবা
রেকর্ডভুক্ত সাক্ষ্যের পরিপন্থী, অথবা
সাক্ষ্য-প্রমাণের ভুল পাঠ (misreading of evidence) এর উপর ভিত্তি করে, অথবা
আইনের ভুল ব্যাখ্যা বা ভ্রান্ত ধারণা (misconception of law) থেকে গৃহীত হয়েছে।
আরও সুপ্রতিষ্ঠিত নীতি হলো, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Permanent Injunction) সংক্রান্ত মামলায় মালিকানা (title) বিষয়টি আনুষঙ্গিকভাবে বিবেচিত হতে পারে, তবে মূল বিবেচ্য বিষয় হচ্ছে—বাদী সংশ্লিষ্ট জমিতে একচ্ছত্র দখলে (exclusive possession) আছেন কি না।..(প্যারা-৮)
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮
অর্ডার VII, রুল ৩
বাদী মামলার তফসিলে সি.এস. এবং এস.এ. খতিয়ান নম্বরসহ সংশ্লিষ্ট দাগ নম্বর উল্লেখ করেছেন। ফলে অর্ডার VII, রুল ৩ এর বিধান যথাযথভাবে প্রতিপালিত হয়েছে।
এবং যেহেতু উক্ত দুইটি দাগের কোনো ভগ্নাংশ বা নির্দিষ্ট অংশ দাবি করা হয়নি, তাই জমির “চৌহদ্দি” বা সীমানা উল্লেখ করার প্রয়োজন ছিল না।
রেফারেন্স:
7 SCOB [2016] AD 2
Karim Khan & others Vs. Kala Chand & ওঠেরস
সংগ্রহীত (লিগাল digest)