Legal Lens

Legal Lens "Legal Services and Tax Assistance"

16/12/2025
02/12/2025

ডিভোর্স ছেলে-মেয়ে যে পক্ষ থেকেই হোক, মোহরানা আদায় মেয়েদের অধিকার।

28/05/2025

📢 সময়মতো আয়কর জমা দিন, নিশ্চিন্ত থাকুন! 💰

আয়কর জমা দেওয়ার সময় আসন্ন! ⏳ সরকারি নিয়ম মেনে সময়মতো আয়কর জমা দিয়ে জরিমানা ও জটিলতা এড়িয়ে চলুন।

✅ সঠিক হিসাব রাখুন
✅ সময়মতো রিটার্ন ফাইল করুন
✅ করের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করুন

আপনার সামান্য সচেতনতা **দেশের উন্নয়নে** ভূমিকা রাখে। 🏛️

#আয়কর #ট্যাক্স #সচেতনতা া

👉 সময়ের আগেই প্রস্তুত হোন, নিশ্চিন্তে থাকুন!

[আয়কর সংক্রান্ত যেকোনো সহায়তার জন্য যোগাযোগ করুন]

28/05/2025

জমি ক্র‍য় করার পূর্বে যত আপনজনই হোক না কেন, অবশ্যই যথাযথ কাগজপাতি যাচাই করে নিবেন। অন্যথায় জমি কিনবেন আপনি মামলা করবে আপনার সন্তান, আর সেই মামলা লড়বে আপনার নাতি-নাতনি আর ফল ভোগ করবে তাদের প্রজন্ম। এই জন্য জমি কেনার আগে কষ্ট করুন অন্যথায় নিজেরও ক্ষতি ভবিষ্যতে প্রজন্মের ও ক্ষতি।

27/05/2025

বাংলাদেশে নারী নির্যাতন প্রতিরোধে বেশ কিছু আইন ও নীতি রয়েছে। নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা মোকাবিলায় বাংলাদেশের আইনী কাঠামো ক্রমাগত উন্নত হচ্ছে, তবে বাস্তব প্রয়োগে এখনও চ্যালেঞ্জ রয়েছে।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (২০০০ ও ২০২০ সংশোধনী):
এই আইনে ধর্ষণ, এসিড সন্ত্রাস, যৌতুকের জন্য সহিংসতা, বাল্যবিবাহ, যৌন হয়রানি, নারী ও শিশু বিরোধী অপরাধের কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে।

>>২০২০ সালের সংশোধনীতে, নতুন কিছু অপরাধ যুক্ত করা হয়, যেমন:
@ইভটিজিং*(ধারা ১০): শাস্তি ১ বছর কারাদণ্ড বা জরিমানা।

@ সাইবার অপরাধ(ধারা ৮): ডিজিটাল মাধ্যমে নারী নির্যাতনের শাস্তি ৫ বছর কারাদণ্ড।

@মৃত্যুদণ্ডের বিধান: ধর্ষণের ফলে মৃত্যু বা ধারাবাহিক ধর্ষণের ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যেতে পারে।

>> যৌতুক নিরোধ আইন (২০১৮):
@যৌতুকের দাবিতে নারী নির্যাতন বা হত্যাকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
- শাস্তি: সর্বোচ্চ ১২ বছর কারাদণ্ড ও জরিমানা।

04/01/2025

নিজের অধিকারে আমরা অতন্দ্র প্রহরী,
অপরের অধিকারে লাপাত্তা 🖊️

অনলাইনে কোনো ধরণের প্রতারণা, হয়রানি, নিপীড়ন বা যে কোনো ধরণের সাইবার ক্রাইমের শিকার হলে কি করবেন ?১। প্রথমত, মাথা ঠান্ডা ...
18/05/2024

অনলাইনে কোনো ধরণের প্রতারণা, হয়রানি, নিপীড়ন বা যে কোনো ধরণের সাইবার ক্রাইমের শিকার হলে কি করবেন ?

১। প্রথমত, মাথা ঠান্ডা রেখে আপনি কি ধরণের ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন তার মাত্রা বোঝার চেষ্টা করুন, এবং সেই ক্ষতির পরিমাণ কমিয়ে আনার জন্য তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। যেমন, ব্যক্তিগতভাবে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হলে ই-মেইল সহ অন্য সকল অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা, কিংবা জালিয়াতির শিকার হলে পরিবার বা কাছের মানুষদের জানানো, যাতে করে আপনার পরিচয়ে তাদের কাছে কেউ অর্থ বা অন্য কোনো কিছু চাইতে না পারে। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে যদি আপনার কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ডাটাবেজ হ্যাক হয়, সেক্ষেত্রে সেই ক্ষতি বন্ধ বা মিনিমাইজ করবার জন্য যথাযথ প্রযুক্তিগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

২। দ্বিতীয়ত, যদি সুনির্দিষ্ট কোনো ওয়েবসাইট বা অ্যাপে আপনি সাইবার ক্রাইমের শিকার হয়ে থাকেন, তাহলে সেই অ্যাপের হেল্পলাইন বা হেল্প সেন্টারে দ্রুত যোগাযোগ করা; ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম বা গুগল সহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের নিজস্ব হেল্পলাইন থাকে, যেখানে দ্রুত যোগাযোগ করে অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধার, কোনো বিশেষ কনটেন্ট ডিলিট করা ইত্যাদি সম্পর্কে সহায়তা পাওয়া যেতে পারে।

৩। তৃতীয়ত, আপনার উপর ঘটে যাওয়া সাইবার ক্রাইমের বিষয়বস্তু এবং এর মাত্রার উপর ভিত্তি করে আইনজীবীর পরামর্শ নিয়ে প্রাথমিকভাবে থানায় জিডি বা অভিযোগ করা, কিংবা সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করা। বিশেষ করে আপনি যদি সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে থাকেন যেখানে উপরের দুইটি পদক্ষেপের মাধ্যমে কোনো সমাধান করা সম্ভব নয়, (যেমন, পরিচিত/অপরিচিত কোনো ব্যক্তি কর্তৃক যৌন বা অন্যান্য ধরণের হয়রানি, চাঁদা দাবী বা ব্ল্যাকমেইল, ইত্যাদি) সেক্ষেত্রে অবশ্যই আইনগত পদক্ষেপই আপনার প্রথম ধাপ হবে।

যদি তাৎক্ষনিকভাবে আইনজীবী, পুলিশ বা আদালতে যাওয়া সম্ভব না হয়, সেক্ষেত্রে দ্রুত নিচের হেল্পলাইনগুলোতে যোগাযোগ করে আপনার বিষয়টি বুঝিয়ে তাদের কাছ থেকে যথাসম্ভব সহযোগিতা নেয়া।

১। Cyber Crime Investigation Division, CTTC, DMP
হেল্পডেস্ক নম্বর : ০১৭৬৯ ৬৯১ ৫২২। ই-মেইল: [email protected]

২। Cyber Police Centre, CID, Bangladesh Police
ফোন : ০১৩২ ০১০ ১৪৮, ই-মেইল: [email protected]

৩। Police Cyber Support for Women - PCSW
ফোন নম্বর: ০১৩২০ ০০০ ৮৮৮, ই-মেইল: [email protected]

৪। জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর - ৯৯৯

সাইবার ক্রাইমের শিকার হওয়া ভিকটিম বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এক ধরণের অসহায়ত্ব, লজ্জা বা গ্লানির অনুভূতি এবং সর্বোপরি মানুষ কি বলবে, এই ধরণের একটা ভীতি কাজ করে। এই বিষয়গুলো কাটিয়ে উঠে যত ত্বরিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা যাবে, ততই বিপদ বা ঝুঁকির মাত্রা কমে আসবে।

17/05/2024

কোথায় কীভাবে পাবেন জমির এই উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট!
➥১. পর্চা বা খতিয়ান।
➥২. দলিল।
➥৩. ম্যাপ বা নকশা।
এই ডকুমেন্টগুলো ছাড়া আপনি জমি বিক্রয়, হস্তান্তর অথবা ব্যাংক লোন হতে নানান সমস্যা হয়।
সেকারণে, জমির খতিয়ান, দলিলসহ সকল কাগজপত্র সংগ্রহে রাখার জন্য সরকারি নানান দপ্তর রয়েছে, যারা ভূমি সংক্রান্ত কাগজপত্র সংগ্রহ করে রাখে। এখন আপনার কাজ হল, ঐ সকল দপ্তরগুলো কে নিশ্চিত করে তাদের শরণাপন্ন হওয়া ও কাগজপত্র গুলো সংগ্রহ করা।
নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো, কোথায়, কীভাবে এবং কত সময়ের ভেতরে আপনি জমির খতিয়ান, দলিল ও নকশা সংগ্রহ করবেন।
➥প্রথমত,আপনার জমির খতিয়ান বা পর্চা কোথায় পাবেন.?
জমির পর্চা বা খতিয়ান মূলত চারটি অফিসে পাবেন। তা হলো,
১/ইউনিয়ন ভূমি অফিস।
২/উপজেলা ভূমি অফিস।
৩/জেলা ডিসি অফিস।
৪/সেটেলমেন্ট অফিস।

➤ইউনিয়ন ভূমি অফিস বা তহশিল অফিস। ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যদিও খতিয়ান বা পর্চার বালাম বহি থাকে কিন্তু আপনি এই অফিসে হতে খতিয়ানের কপি নিতে পারবেন না। ইউনিয়ন ভূমি অফিস হতে শুধু খসরা খতিয়ান নিতে পারবেন যেটা আইনত কোন মূল্য নেই তারপরেও এই অফিসটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ আপনার জমির খতিয়ান নাম্বার জানা না থাকলে এই অফিস থেকে জেনে নিতে পারবেন এছাড়া জমির খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর এই অফিসে দিতে হয়।

➤উপজেলা ভূমি অফিস
যদিও উপজেলা ভূমি অফিসের মূল কাজ নামজারী বা খারিজ বা মিউটেশন করা তবে খসরা খতিয়ান তুলতে পারবেন। এই অফিস হতেও খতিয়ানের সার্টিফাইড পর্চা বা কোর্ট পর্চা তুলতে পারবেন না।

➤জেলা ডিসি অফিস
এই অফিস হতে পর্চা বা খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি সংরক্ষণ করতে পারবেন। এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব সর্বাধিক। সব জায়গায় এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব রয়েছে।

➤সেটেলমেন্ট অফিস
শুধুমাত্র নতুন রেকর্ড বা জরিপের পর্চা / খতিয়ান এই অফিস হতে সংগ্রহ করা যাবে।
পাশাপাশি নতুন রেকর্ড এর ম্যাপ ও সংগ্রহ করা যায়।
❖প্রশ্নঃ খতিয়ান তুলতে কত টাকা লাগবে.?
উত্তরঃ সি এস, এস এ, আর এস, এর জন্য কত টাকা দিতে হবে তা নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর। তবে সিটি জরিপের জন্য 100 টাকা খরচ হবে।
➥দ্বিতীয়ত, আপনার জমির দলিল বা বায়া দলিল কোথায় পাবেন?
দলিল বা দলিল এর সার্টিফাইড কপি বা নকল মূলত দুটি অফিস হতে সংগ্রহ করা যায়, তা হলো।
১/উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস।
২/জেলা রেজিস্ট্রি বা সদর রেকর্ড রুম অফিস।

➤উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস
যেখানে নতুন দলিল রেজিস্ট্রেশন করা হয় এই অফিস হতে নতুন দলিলের নকল ও মূল দলিল পাওয়া যায়। কিন্তু পুরাতন দলিল বা বায়া দলিল এই অফিসে পাওয়া যায় না।

➤জেলা রেজিস্ট্রি অফিস বা সদর রেকর্ড রুম।
এই অফিসে নতুন বা পুরাতন দলিলের সার্টিফাইড কপি বা নকল পাওয়া যায়।
❖ প্রশ্নঃ দলিল তুলতে কত টাকা খরচ হয়.?
উত্তরঃ সরকারি খরচ যদিও সামান্য কিন্তু নকলের খরচ নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর।
➥ আপনার জমির মৌজা ম্যাপ বা নকশা কোথায় পাবেন?
সাধারণত ম্যাপ বা নকশা দুইটি অফিসে পাবেন, তা হলো
১/জেলা ডিসি অফিস
২/ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর ( DLR) অফিস, ঢাকা।

➤জেলা ডিসি অফিস:
এই অফিস হতে সিএস, এসএ, আরএস, বিএস যেকোনো মৌজা ম্যাপ সংগ্রহ করা যাবে।
সংগ্রহ করতে যা লাগবে আবেদন ফরম + 20 টাকার কোর্ট ফি এবং 500 টাকা নগদ জমা বাবদ বা ডি.সি.আর বাবদ। অর্থাৎ 530 টাকায় মৌজা ম্যাপ তুলতে পারবেন।

➤ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, (তেজগাঁও সাতরাস্তার মোড়), ঢাকা।
সারা বাংলাদেশের যে কোনো মৌজা ম্যাপ সিএস, এসএ, আরএস, বিএস, জেলা ম্যাপ, বাংলাদেশ ম্যাপ উক্ত অফিস হতে তুলতে পারবেন।
এই অফিসের ম্যাপের গ্রহণযোগ্যতা ও অনেক বেশি। সারা বাংলাদেশের যে কোন ম্যাপ এই অফিসে পাওয়া যায়। ম্যাপ তুলতে খরচ আবেদন ফরম + কোর্ট ফি + ডি.সি.আর মোট= ৫৫০/= টাকা মাত্র।

❖প্রশ্নঃ ম্যপ তুলতে কতদিন সময় লাগে?
উত্তরঃ আবেদন করার দিন হতে, ৫-৮ কার্য দিবসের ভিতরে ম্যাপ সরবরাহ করা হয়।

©Motiur Rahman
Supreme Court of Bangladesh

12/05/2024

আল কোরআনের ৪ টি মোটিভেশনাল শব্দ খুবই উপকারী ছোট্ট হলেও ব্যাপক অর্থবোধক!!!
"লা তাহযান"
অর্থঃঅতীত নিয়ে কখনো হতাশ হবেন না।
"লা তাখাফ"
অর্থঃভবিষ্যত নিয়ে কখনো দুশ্চিন্তা করবেন না
তা ন্যাস্ত করে দিতে হবে আল্লাহর কাছে।
" লা তাগদাব"
অর্থঃজীবনে চলার পথে বিভিন্ন সময় অনাকাঙ্ক্ষিত বিষয়ের সম্মুখীন হতে হবে। রাগ করবেন না
" লা তাসখাত"
অর্থঃআল্লাহর কোন ফয়সালার প্রতি অসন্তুষ্ট হবেন না

15/04/2024

উত্তরাধিকার সম্পত্তি যত দ্রুত ভাগ করে নেওয়া যায় , ততই নিজেদের জন্য সুবিধাজনক। যত দেরি তত ভোগান্তি।।

Congratulations Team Australia
19/11/2023

Congratulations Team Australia

29/10/2022

একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক বিশ্বে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদন্ড কতটুকু যুক্তিযুক্ত! আধুনিকতার ছোয়া আমাদের ব্যক্তিগত জীবন থেকে মহাকাশ গবেষনা পর্যন্ত এগিয়ে নিয়েছে, কিন্তু বিচারবিভাগে কতটুকু প্রতিফলিত হয়েছে তা হয়তো আড়ালেই থেকে যায়।
যদিও বিশ্বের অনেক রাষ্ট্রে আইন থাকা শর্তেও মৃত্যুদন্ড কার্যকর থেকে বিরত রয়েছে। যেমন- কিউবা, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, ইথিওপিয়া, গাম্বিয়া, গায়ানা, জামাইকা, লেবানন, লেসথো, কাতার, সেন্ট লুসিয়া, জিম্বাবুয়ে।
অন্যদিকে, ইংল্যান্ড, কানাডা নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়াসহ বেশ কিছু দেশে মৃত্যু দন্ডের বিধান নেই।
এখন প্রশ্ন জাগতে পারে, মৃত্যুদন্ড বাতিল করলে অপরাধ এর প্রবনতা বেড়ে যাবে। তখন কি হতে পারে? এই ক্ষেত্রে বিকল্প ব্যবস্থা পদ্ধতি অনুসরণ করায় শ্রেয়। কিন্তু আধুনিক বিশ্বে অনেক রাষ্ট্রে এর চর্চা খুবই সীমিত।যেমন-অপরাধীদের ক্ষেত্রে রিহ্যাবিলিটেশন।
সুতরাং, আমরা যদি আজকের বিশ্বকে আধুনিক বিশ্ব বলে সংজ্ঞায়িত করতে চাই, তাহলে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদন্ড বড়ই বেমানান।।

Address

Savar
Dhaka
1350

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Legal Lens posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share