Dr. Uttam Kumar Das and Associates

Dr. Uttam Kumar Das and Associates Dr. Uttam Kumar Das & Associates is an innovative and unique law chamber specialized on labour laws.

যার জন্য প্রযোজ্য।আসন্ন লেবার কোর্ট লইয়ারস সোসাইটির (বার এসোসিয়েশন) কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে আমি সদস্য পদপ্রার্থ...
22/04/2026

যার জন্য প্রযোজ্য।

আসন্ন লেবার কোর্ট লইয়ারস সোসাইটির (বার এসোসিয়েশন) কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে আমি সদস্য পদপ্রার্থী।

সংশ্লিষ্ট সকলের দোয়া, আশীর্বাদ, সমর্থন এবং ভোট প্রত্যাশী।

ড. উত্তম কুমার দাস, এডভোকেট।

শুভ নববর্ষ ১৪৩৩।আপনার এবং পরিবারের মঙ্গল কামনা করি।ড. উত্তম কুমার দাসএডভোকেট, আপীল বিভাগবাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টফোন: ০১৭৫৬...
14/04/2026

শুভ নববর্ষ ১৪৩৩।
আপনার এবং পরিবারের মঙ্গল কামনা করি।

ড. উত্তম কুমার দাস
এডভোকেট, আপীল বিভাগ
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট
ফোন: ০১৭৫৬৮৬৬৮১০।

Internship Opportunity:  To Whom It May Concern. I am a practising Advocate enrolled to practice before the Hon'ble Appe...
28/03/2026

Internship Opportunity:

To Whom It May Concern.

I am a practising Advocate enrolled to practice before the Hon'ble Appellate Division of the Supreme Court of Bangladesh, and also a Legal Academic and Legal Adviser.

My areas of practice are the Constitutional Law, Administrative Law, Service Law and Labour Laws.

We are hereby inviting applications from interested law students and fresh law graduates for the internship/mentorship opportunities in our Law Chambers.

Interested individuals are advised to apply by sending an e-mail attaching an one-page resume (CV), and one-pager stating motivation for the application on/or before 05.04.2026 to [email protected].

Dr. Uttam Kumar Das
LL.M. (Minn., USA), Ph.D. (Law)
Advocate, Appellate Division
Supreme Court of Bangladesh.

07/04/2024

আইনি-গল্প!
শ্রম আইন চর্চা নিয়ে কথা

ড. উত্তম কুমার দাস, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট।

সম্প্রতি (০২/০৪/২০২৪) আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) এবং ইউএনওডিসি’র যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক কর্মশালায় অংশ নিলাম। এতে বিভিন্ন বিষয়ের মধ্যে একটি বিষয় ছিল বিদ্যমান শ্রম আইন চর্চার (প্র্যাকটিসের) ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা (চ্যালেঞ্জ) এবং তার থেকে উত্তরণের পথ বাতলানো।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধানতঃ শ্রম আইন চর্চা (প্র্যাকটিস) করেন এমন আইনজীবী, বিভিন্ন বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে শ্রম আইন পড়ান কিংবা পড়াতে ইচ্ছুক এমন শিক্ষক এবং শ্রম বিষয়ে কাজ করে এমন কিছু এনজিওতে চাকুরীরত ব্যক্তিরা অংশ নেন।

আমি যেহেতু মূলতঃ শ্রম আইন এবং চাকুরী সংক্রান্ত আইন চর্চা (প্র্যাকটিস) করি, তাই যখন প্রশ্ন করা হ’ল- শ্রম আইন চর্চার ক্ষেত্রে আমাদের সামনে চ্যালেঞ্জ কি, আমি তখন প্রথমেই বলি- একজন আইনজীবী হিসাবে নিজের উত্তরণ ঘটানো (Transformation)।

আইনজীবী বলতে আমি যা বুঝাচ্ছি তা হ’ল- যিনি নিয়মিত চেম্বার করেন, ক্লায়েন্ট ব্রিফ নেন ও আইনি পরামর্শ দেন, এবং মাননীয় শ্রম আদালত, শ্রম আপীলেট ট্রাইব্যুনাল কিংবা সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানি করেন ইত্যাদি। (চেম্বারে বসে আইনি মতামত প্রদান কিংবা ট্রেনিং কার্যক্রমকে এই বিবেচনায় নিচ্ছিনা)।

আমার সৌভাগ্য হ’ল আমি আইন বিষয়ে দেশের এক সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে (যা হ’ল- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়) এলএল. বি. (অনার্স), এলএল. এম. (১৯৯৪) এবং পিএইচ. ডি. (আইন, বছর-২০০২) পর্যায়ের পড়াশুনা এবং গবেষণা করেছি। পরে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব মিনেসোটার আইন বিভাগে থেকে ফুল ব্রাইট বৃত্তির অধীন (হিউবারট হামফ্রি ফেলোশিপ) আইনে দ্বিতীয় মাস্টার্স (২০০৯-২০১০) করেছি।
পেশাগত পর্যায়ে সাংবাদিকতা, গবেষণা, শিক্ষকতা এবং ইন্টারন্যাশনাল সিভিল সার্ভেণ্ট হিসাবে বছর কুড়ি ব্যয় করেছি। তারপর এসেছি সার্বক্ষণিক আইনপেশায়; এবং তা শ্রম আইন নিয়ে।

এত কথা বলার মানে হ’ল- আমাকে অনেক আইনের শিক্ষার্থী কিংবা নবীন আইনজীবী প্রশ্ন করেন, শ্রম আইন চর্চায় ভাল করার উপায় কি। আমার উত্তর হয়- শ্রম আইন হ’ল এক বিশেষ আইন। তার জন্য বিশেষ আগ্রহ, মনোযোগ ও চর্চা দরকার। যাতে লেগে থাকতে হবে।

এযেন অনেকটা শুধুমাত্র গণিত (অংক) শিখলে চলবে না (যা বলতে সাধারণ আইন চর্চা বুঝাচ্ছি)! ঐকিক নিয়মে পারদর্শী হতে হবে!

আমি একটি বিষয় নিয়ে গর্ব করি। দেশের শিল্প, বাণিজ্য, রপ্তানি, অর্থনীতি ইত্যাদি যেভাবে বিস্তৃত হচ্ছে তাতে করে শ্রম ও চাকুরী সংক্রান্ত আইনের চর্চা ও কাজের সুযোগও বিস্তৃত হচ্ছে। এ নিয়ে দেশে-বিদেশে কাজের সুযোগ হয়েছে। শ্রম আইনে নিয়ে আমার যে কাজ তা এখন বিস্তৃত।
সেদিনের কর্মশালায় দল-ভিত্তিক কার্যক্রম থেকে শ্রম আইন চর্চার ক্ষেত্রে যেই যেই চ্যালেঞ্জের বিষয় তুলে ধরা হ’ল তার মধ্যে অন্যতম হ’ল- শ্রম আইনে বিদ্যমান শ্রমিকের সংজ্ঞা।

এক আর এক যোগ করলে যেমন দুই হয়, অনেকে শ্রমিকের সংজ্ঞা তেমন করে চান। তা তো আর হবার নয়! এইক্ষেত্রেই দরকার একজন চর্চাকারীর পারদর্শিতা।

শ্রম আইনের ২(৬৫) ধারার শ্রমিকের যেই সংজ্ঞা তা হ’ল এক মৌলিক সংজ্ঞা; তা প্রযোজ্য শ্রমিক-কর্মচারী নির্বিশেষে সকলের জন্য।
তবে এখানে কোন মানদণ্ড দেওয়া হয়নি। যা অনেক দেশ তাদের সংশ্লিষ্ট আইনে করেছে।

আমাদের শ্রম আইনের বিভিন্ন জায়গায় শ্রমিকের যেই সংজ্ঞা [যেমন- ধারা ২(৬৫), ১৭৫, ১৫০ ইত্যাদি) তা পূর্বে বলবৎ বিভিন্ন আইন থেকে নেওয়া; যেমন- The Payment of Wages Act, 1936, the Shops and Establishment Acts, 1965, the Employment of Labour (Standing Order), 1965, the Industrial Relations Ordinance, 1969, Workman’s Compensation Act, 1923 ইত্যাদি।

ফলে বর্তমান শ্রম আইনের বিভিন্ন অধ্যায়ে উক্ত সংজ্ঞার যেই সুবিন্যাস দরকার ছিল তা করা হয়নি।

শ্রমিকের সংজ্ঞা বিষয়ে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের (মাননীয় আপীল বিভাগ) অবস্থান হ’ল- কোন ব্যক্তির পদবী বিবেচনায় বলা যাবেনা কে শ্রমিক, আর কে শ্রমিক নয়। তদারকির দায়িত্বে নিয়োজিত থেকেও একজন শ্রমিক হতে পারেন। একক্ষেত্রে দেখতে হবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির যেই পদগত ক্ষমতা তার ব্যপ্তি এবং তা বাস্তবায়নে তার স্বাধীনতা। আর এইক্ষেত্রে প্রত্যেকের বিষয় আলাদা-আলাদা।

শ্রম বিধিমালা (২০১৫) করে “তদারকি কর্মকর্তা” এবং “প্রশাসনিক বা ব্যবস্থাপনামূলক কাজে দায়িত্বপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি”-এর যেই সংজ্ঞা আনা হয়েছিল এক মামলার রায়ে মাননীয় শ্রম আপীলেট ট্রাইব্যুনাল তাকে অবৈধ ঘোষণা করেছেন। যার বিরুদ্ধে কেউ উচ্চ আদালতে যাননি।
(চলবে)।

(এখানকার মতামত লেখকের ব্যক্তিগত। এই বিষয়ে কারো কোন প্রশ্ন কিংবা মতামত থাকলে তা আমাদের জানাতে পারেন। ই-মেইলঃ [email protected]; ফোনঃ ০১৭৫৬৮৬৬৮১০)।

Call now to connect with business.

আইনি-গল্প!শ্রম আইন প্র্যাকটিস এবং প্রাসঙ্গিক কথাড. উত্তম কুমার দাস, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট। শ্রমিকদের নিয়ে কাজ ...
02/04/2024

আইনি-গল্প!
শ্রম আইন প্র্যাকটিস এবং প্রাসঙ্গিক কথা

ড. উত্তম কুমার দাস, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট।

শ্রমিকদের নিয়ে কাজ করে এমন এক আন্তর্জাতিক সংস্থা আয়োজিত এক কর্মশালায় অংশ নিলাম গত ২ এপ্রিল ২০২৪।

যেহেতু আইনজীবী হিসাবে আমার কাজের প্রধানতম ক্ষেত্র শ্রম আইন, তাই আগ্রহ নিয়ে তাতে যোগ দিলাম। আরেকটি বড় কারণ, প্রতিষ্ঠানটি আমার সাবেক কর্মস্থল।

ঐ অনুষ্ঠানে দৃশ্যতঃ তিন ধরণের কাজের লোকজন অংশ নিয়েছেন। প্রথমতঃ যারা মূলতঃ শ্রম আদালতে প্র্যাকটিচরত কিংবা চাকুরী-সংক্রান্ত বিষয়ের আইনজীবী। দ্বিতীয়তঃ বিভিন্ন বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগের শিক্ষক, যারা শ্রম আইন বিষয়ে পাঠদান করেন কিংবা করতে ইচ্ছুক। এবং তৃতীয়তঃ শ্রমিকদের বিষয় নিয়ে কাজ করে এমন ক’টি এনজিওতে চাকুরীরত ব্যক্তিরা।

শ্রম আইন প্র্যাকটিচের ক্ষেত্রে প্রধানতম সমস্যাসমূহ কি তা নিয়ে যে দল-ভিত্তিক চর্চা হয় সেই গ্রুপে আমি ছিলাম। তাতে বেশ কিছু বিষয় চিহ্নিত হয়; তা হ’ল- বিদ্যমান শ্রম আইনে কতিপয় বিষয়ে অস্পষ্টতা, অসম্পূর্ণতা কিংবা পারস্পরিক বিরোধী বিধান। যেমন- শ্রমিকের সংজ্ঞা [ধারা ২(৬৫) ও ১৭৫], অসৎ শ্রম আচরণের ঘটনার প্রতিকারের ক্ষেত্রে সংক্ষুব্ধ শ্রমিকের সরাসরি শ্রম আদালতে না যাওয়ার মতো বিধান (ধারা ৩১৩), শিল্প-বিরোধ নিস্পত্তির ক্ষেত্রে আইনের বিধানের অস্পষ্টতা (বিশেষতঃ সময়সীমা) ইত্যাদি।

আরেকটি বিষয় আলোচনায় আসে। মাননীয় শ্রম আদালতে যে সকল বিচারকগণ আসেন তাঁরা বিচার বিভাগে চাকুরীর ক্ষেত্রে সিনিয়র পর্যায়ের- আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন নিযুক্ত জেলা জজ কিংবা অতিরিক্ত জেলা জজ পর্যায়ের বিচারক। কেউ কেউ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ পদ মর্যাদার।

অনেকক্ষেত্রে দেখা যায় তাদের শ্রম আইনের মতো বিশেষ আইনের জন্য যেইরকম স্পষ্ট ধারণা, জ্ঞান-গরিমা ও সংবেদনশীলতা দরকার তা অনেক সময় থাকেনা। তাঁদের জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও নেই। একই অবস্থা নবাগত আইনজীবীদের ক্ষেত্রে। যার জন্য দরকার বিশেষ প্রশিক্ষণ।

আবার এমনটি দেখা যায় যে, শ্রম আদালতের কোন বিচারক হয়ত শ্রম আইনের ক্ষেত্রে দক্ষ ও আগ্রহী হয়ে উঠেছেন, এমন সময় সরকারী নিয়মে তাঁর বদলীর আদেশ এসে যায়। তখন তাঁকে হয়ত এমন স্থানে বদলী করা হয়, যার সঙ্গে শ্রম আইনের আর কোন সম্পর্ক নেই।

এইক্ষেত্রে দক্ষিণ আফ্রিকার উদাহরণ বিবেচনা করা যেতে পারে। সংশ্লিষ্ট বিচারকের আগ্রহ ও পারদর্শিতার বিবেচনায় তাঁকে শ্রম আদালতেই রাখা হবে। সরকারী নিয়মমতো দেশের বিভিন্ন শ্রম আদালতে তাঁকে পর্যায়ক্রমে বদলী করা হবে। এমন বিচারকের জন্য দেশে-বিদেশে প্রয়োজনমত প্রশিক্ষণ ও উচ্চ শিক্ষার ব্যবস্থা করবে সরকার কিংবা আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) মতো প্রতিষ্ঠান।

আর দেশের অর্থনীতি ও শ্রম বাজারের বিস্তার, শ্রম অধিকার নিয়ে কূটনীতি ও ভু-রাজনীতির কারণে বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইন্সস্টিটিউট এবং লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে শ্রম আইন নিয়ে উপযুক্ত পঠন-পাঠনের ব্যবস্থা করা দরকার।

শ্রমিকের সংজ্ঞা নিয়ে অন্য লেখায় আলোচনা করবো।

(সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কারও কোন প্রশ্ন কিংবা মতামত থাকলে ই-মেইল করতে পারেন- [email protected]).

22/04/2023

ঈদ মোবারক।
আপনার এবং পরিবারের সার্বিক মঙ্গল কামনা করি।

ড. উত্তম কুমার দাস
এডভোকেট
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট
ফোন: ০১৭৫৬৮৬৬৮১০।

Its tomorrow. Interested persons may contact the DCCI.
11/08/2022

Its tomorrow.

Interested persons may contact the DCCI.

আমাদের ল' চেম্বারে (মেহেরবা প্লাজা) নতুন সংগ্রহ। সুপ্রীম কোর্ট কেসেস (শ্রম আইন ও সার্ভিস মেটার)- ভারতীয় সুপ্রীম কোর্টের ...
26/07/2022

আমাদের ল' চেম্বারে (মেহেরবা প্লাজা) নতুন সংগ্রহ।

সুপ্রীম কোর্ট কেসেস (শ্রম আইন ও সার্ভিস মেটার)- ভারতীয় সুপ্রীম কোর্টের গুরুত্বপূর্ণ মামলার রায়ের সংকলন।

- ড. উত্তম কুমার দাস, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।…

14/05/2022

আইনি-গল্প!

বিষয়টি আমাদের পেশাগত সাফল্যের অংশ।

সম্মানিত ক্লায়েন্টরা একটি বহুজাতিক টেলিযোগাযোগ কোম্পানির পদস্থ কর্মচারী। উক্ত কোম্পানীর বৃহৎ অংশের মালিকানা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াভিত্তিক এক কোম্পানির।

কর্মচারীদের বিরুদ্ধে নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান অসদাচরণের তদন্ত করার উদ্যোগ নেয়। এই মর্মে গত অক্টোবর মাসের শেষ সপ্তাহে তাদেরকে পৃথক-পৃথকভাবে কারণ-দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়। এর মধ্যে একজনকে নোটিশ দেয়া হয় তার পদত্যাগপত্র দাখিল করার পরের দিন।

ক্লায়েন্টরা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে আমরা সংশ্লিষ্ট তদন্ত-কার্যক্রমকে চ্যালেঞ্জ করার তিনটি গ্রাউন্ড বা বিষয় খুঁজে পাই। তার ভিত্তিতে ঢাকার বিজ্ঞ শ্রম আদালতে অভিযোগ মামলা দায়ের করা হয়। এর আগে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট মালিক বরাবর অনুযোগপত্র দাখিল করা হয়। মামলা দায়েরের সঙ্গে আমরা অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ চেয়ে আবেদন দাখিল করি। বাদীপক্ষের আবেদনের শুনানি শেষে বিজ্ঞ আদালত তদন্ত কার্যক্রমের উপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেন।

সংশ্লিষ্ট মালিকপক্ষ মামলায় অংশ নেন। তারা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদনের বিরুদ্ধে জবাব দেন এবং শুনানি করেন। শুনানী শেষে বিজ্ঞ আদালত বাদীপক্ষে দাখিল করা অন্তর্বর্তীকালীন আদেশের আবেদন খারিজ করে দেন। ফলে আর কোনো অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা থাকেনা। তদন্ত করার পথ সুগম হয়।

বিজ্ঞ শ্রম আদালতে যে শুনানি হয় তার জন্য আমরা যথেষ্ট গবেষণানির্ভর উপস্থাপনা, সংশ্লিষ্ট মামলার সিদ্ধান্তের উদ্ধৃতি এবং কথিত তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন হলে কি কি ভাবে তাকে চ্যালেঞ্জ করা যাবে তা বিস্তৃত ভাবে উপস্থাপন করি। দুই পক্ষের শুনানি মিলিয়ে তিন-চারদিন ধরে তা চলে।

শুনানীঅন্তে বিজ্ঞ আদালতের আদেশ বাদীপক্ষ অর্থাৎ আমাদের বিরুদ্ধে গেলেও কার্যত: লাভ হয়। কোম্পানিরপক্ষ বুঝতে পারেন তাদের বিরুদ্ধে কি চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে! শুনানিতে সেটা দেখানোও আমাদের উদ্দেশ্য ছিল।

এর পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর্মচারী ও নিয়োগকারী কোম্পানির মধ্যে আপোষরফা হয়েছে। ঘোষণা করা হয়েছে যে উক্ত তদন্ত কার্যক্রম আর চলবেনা। সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের সাময়িক বরখাস্ত-অবস্থা থেকে কর্মস্থলে পুনর্বহাল করা হয়েছে। পাঁচজনের একজন ইতিমধ্যে অন্য কোম্পানিতে যোগদান করেছেন। ইতোমধ্যে শ্রম আদালতের মামলা বাদীপক্ষ থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

এই মামলা পরিচালনা করতে গিয়ে ব্যক্তিগতভাবে আমার পড়াশোনা ও গবেষণার সমৃদ্ধি ঘটেছে যা ভবিষ্যতে পথ চলার পাথেয় হবে।

আমার বন্ধুবর আইনজীবী ও সংশ্লিষ্ট অন্যরা অনেক সময় ফোন করে কে শ্রমিক আর কে শ্রমিক না তা নিয়ে জানতে চান। এমনকি বাহাস করেন!

অনেক সময় তাদেরকে বলি- কে শ্রমিককে আর কে শ্রমিক না তা আলোচনার বিষয় নয়। সংশ্লিষ্ট ঘটনার প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট মালিকের সঙ্গে আলোচনায় কিংবা বিজ্ঞ আদালতের সামনে প্রাসঙ্গিক কাগজপত্র উপস্থাপন করে বিজ্ঞ আদালতকে বিষয়টি বুঝতে দিয়ে আইনের সুরক্ষা আদায়ই মূল বিষয়।

আমার বন্ধুদের জ্ঞাতার্থে বলছি- উপরে যেসব কর্মচারীর কথা বলা হলো তাদের পদ-পদবী কর্পোরেট কালচারে ভাইস-প্রেসিডেন্ট ও অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস-প্রেসিডেন্ট পর্যায়ের। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সার্ভিস রুল আমাদের ক্লায়েন্টদের পক্ষে সহায়ক ছিল।

(মতামত একান্ত ব্যক্তিগত এবং জনসচেতনতা তৈরীর লক্ষ্যে প্রচারিত।)

ড. উত্তম কুমার দাস, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট এবং শ্রম ও চাকরি সংক্রান্ত আইনে বিশেষজ্ঞ।



(ছবি: বাংলাদেশ টেলিভিশনের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান আইন-আদালতের রেকর্ডিং-এর সময় তোলা)

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাননীয় সচিব জনাব মোঃ এহছানে এলাহী এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম...
11/05/2022

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাননীয় সচিব জনাব মোঃ এহছানে এলাহী এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও শ্রম আইন বিশেষজ্ঞ এডভোকেট ড. উত্তম কুমার দাস এক অনুষ্ঠানে।

Address

33 Topkhana Road, Meherba Plaza, 12-M, 12th Floor
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Uttam Kumar Das and Associates posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Dr. Uttam Kumar Das and Associates:

Share