Advocacy Legal - Family, Corporate & Investment Law Firm

Advocacy Legal - Family, Corporate & Investment Law Firm Recognized as a Top 10 Corporate Law Consultant in BD by the Asia Business Outlook. Offering complete legal support under one roof in Dhaka, Bangladesh.

For appointments contact us (11AM–7PM): +88-02-41090957, +88 01977125595
🌐 www.advocacylegalbd.com Our heartiest welcome goes to you. Let us allow to introduce ourselves. ADVOCACY LEGAL is a full service law firm in Bangladesh, which is located very close to the Hazrat Shahjalal International Airport Dhaka, Bangladesh. As a result of being a full service law firm, one can get complete legal servic

es including family, company, IP and high court matters. The legal team of ADVOCACY LEGAL is one of the strongest and largest legal teams in Bangladesh. We are committed to serve our clients with highest priority. We get better with every clients we deal with and we grow by solving their legal problems. ADVOCACY LEGAL also deals with immigration and visa matters. Most importantly, ADVOCACY LEGAL provides complete legal assistance to its foreign clients to setup a new business in Bangladesh and provides post registration legal services. We have a strong advisory panel consisting of senior lawyers regularly practicing in the courts. Under the guidance of our advisory panel we rush to ensure justice for our clients. We welcome you to be a part of our proud Law Firm where every client is a king! Our practice areas are-
High Court & District Court matters, Tribunals, Divorce & Family Law matters, Cross Religion Marriage, Corporate Law matters, Company Registration, Business Setup, Audit Report, Employment Law matters, Intellectual Law matters, Trademark-Copyright Registration, Corporate Tax, VAT & Licenses.


বাংলাদেশের মুসলিম পারিবারিক আইনে, দেনমোহর (মোহরানা) স্ত্রীর নিজস্ব সম্পত্তি।  স্ত্রী মারা গেলে যদি দেনমোহর এখনও পরিশোধ ক...
12/06/2026

বাংলাদেশের মুসলিম পারিবারিক আইনে, দেনমোহর (মোহরানা) স্ত্রীর নিজস্ব সম্পত্তি। স্ত্রী মারা গেলে যদি দেনমোহর এখনও পরিশোধ করা না হয়ে থাকে, তা স্ত্রীর স্বামীর বিরুদ্ধে ঋণ হিসেবে গণ্য হবে।

স্ত্রী মৃত্যুবরণ করলে স্ত্রীর পাওনা দেনমোহর তার সম্পত্তির অংশ হিসেবে গণ্য হবে। স্বামীকে সেই দেনমোহর পরিশোধ করতে হবে। সেই অর্থ স্ত্রীর উত্তরাধিকারীদের মধ্যে ইসলামী উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী বণ্টিত হবে।
উত্তরাধিকারীদের মধ্যে স্বামীও একজন ওয়ারিশ হিসেবে তার নির্ধারিত অংশ পাবেন। অন্যান্য উত্তরাধিকারীদের মতো স্বামীও স্ত্রীর রেখে যাওয়া মোট সম্পদের (দেনমোহরসহ) একটি নির্দিষ্ট অংশ পাবেন যদি তাঁদের কোনো সন্তান থাকে, তবে স্বামী পাবেন মোট সম্পদের ১/৪ অংশ। আর সন্তান না থাকলে স্বামী পাবেন ১/৪ অংশ। স্ত্রীর অন্যান্য উত্তরাধিকারী যেমন ছেলে, মেয়ে এবং বাবা-মা নিয়ম অনুযায়ী বণ্টন করে নেবেন। স্ত্রী মারা গেলে বকেয়া দেনমোহর সরাসরি স্বামীর কাছে চলে যায় না এটি স্ত্রীর ওয়ারিশরা উত্তরাধিকার সূত্রে পায়। স্বামীও ওয়ারিশ হলে তিনি তার আইনগত অংশ পাবেন।
www.advocacylegalbd.com

11/06/2026

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল, রোগীদের দ্রুত সরিয়ে নেবার নির্দেশ।

10/06/2026
07/06/2026

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের মামলায় দুই আসামিকে ফাঁসির আদেশ।

07/06/2026

⚖️ চেক বাউন্স মামলা মানেই কি নিশ্চিত সাজা? আইনের ভেতরে লুকিয়ে থাকা শক্তিশালী অভিযুক্তের আত্মপক্ষ জানেন কি? ধারা ১৩৮-এর মামলা বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত আর্থিক অপরাধ সংক্রান্ত মামলাগুলোর একটি। কিন্তু বাস্তবতা হলো—চেক ডিজঅনার হওয়া আর অপরাধ প্রমাণ হওয়া এক জিনিস নয়।

অনেক সময় অভিযোগকারী পক্ষ এমন ধারণা সৃষ্টি করেন যেন একটি চেক হাতে থাকা এবং সেটি বাউন্স হওয়াই দণ্ডাদেশের জন্য যথেষ্ট। কিন্তু আইন ও বিচারিক নজির সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা বলে।

একজন দক্ষ প্রতিরক্ষা আইনজীবীর প্রথম প্রশ্ন হবে—

🔹 চেকটি কীভাবে অভিযোগকারীর হাতে এলো?

🔹 চেকটি কি প্রকৃতপক্ষে কোনো বৈধ দায় (legally enforceable liability) পূরণের জন্য দেওয়া হয়েছিল?

🔹 চেকটি কি নিরাপত্তা (Security Cheque) হিসেবে দেওয়া হয়েছিল?

🔹 চেকটি কি জোরপূর্বক, প্রতারণার মাধ্যমে অথবা বেআইনিভাবে সংগ্রহ করা হয়েছিল?

🔹 অভিযোগকারী কি প্রকৃতপক্ষে "Holder in Due Course"?

আইন স্বীকার করে যে, সব চেক সমান নয়।

যদি কোনো চেক—

✔️ চুরি হয়ে যায়,

✔️ প্রতারণার মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়,

✔️ জবরদস্তি করে নেওয়া হয়,

✔️ কোনো বৈধ consideration ছাড়া হস্তান্তরিত হয়,

তাহলে সেই চেককে কেন্দ্র করে দায়-দেনার প্রশ্ন আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যায়।

এ কারণেই অনেক ধারা ১৩৮-এর মামলা বিচার শেষে ব্যর্থ হয়, কারণ আদালত শুধু চেক নয়, চেকের পেছনের গল্পও শুনতে চান।

একটি চেক কেবল একটি কাগজ।

কিন্তু সেই কাগজের পেছনে যদি বৈধ লেনদেন, আইনগত অধিকার এবং গ্রহণযোগ্য consideration না থাকে, তাহলে অভিযোগকারীকে আদালতে আরও অনেক প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়।

📚 প্রাসঙ্গিক নজির:

Shafiqul Islam and others Vs. Bangladesh and others, 2 SCOB [2015] HCD 1 at pp. 14-15 (Mirza Hussain Haider, J.)

মামলার ঘটনা

আবেদনকারীদের অন্যতম যুক্তি ছিল যে, সব ধরনের চেককে যান্ত্রিকভাবে ধারা ১৩৮-এর আওতায় আনা যায় না। বিশেষ করে চুরি, প্রতারণা, জোরপূর্বক সংগ্রহ অথবা বৈধ লেনদেনবিহীন চেকের ক্ষেত্রে অভিযুক্তের আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার অবশ্যই থাকতে হবে।

আদালতের সিদ্ধান্ত (Ratio)

মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগ স্পষ্টভাবে পর্যবেক্ষণ করেন যে, ধারা ১৩৮-এর পরিধি বিস্তৃত হলেও Negotiable Instruments Act-এর ধারা 43, 58 এবং 118 অনুযায়ী অভিযুক্তের প্রতিরক্ষা গ্রহণের অধিকার বহাল রয়েছে।

আদালত বলেন—

✔️ Fraudulently obtained cheque, stolen cheque বা unlawfully obtained cheque নিয়ে প্রতিরক্ষা তোলা যাবে;

✔️ Consideration ছাড়া ইস্যুকৃত চেক নিয়ে প্রশ্ন তোলা যাবে;

✔️ অভিযোগকারী প্রকৃত Holder in Due Course কি না, তা বিচারযোগ্য বিষয়;

✔️ ধারা ১৩৮ কোনো ব্যক্তিকে প্রতিরক্ষাহীন করে না।

অর্থাৎ, আদালতের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো—চেকটি কেন, কীভাবে এবং কোন আইনি সম্পর্কের ভিত্তিতে ইস্যু করা হয়েছিল।

একজন অভিজ্ঞ আইনজীবী জানেন, অনেক সময় মামলার ভাগ্য নির্ধারণ করে চেকটি নয়—চেকের উৎস।

আপনি এবং আপনার পরিবারের সবাইকে জানাই ঈদের শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক।
27/05/2026

আপনি এবং আপনার পরিবারের সবাইকে জানাই ঈদের শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক।

27/05/2026

তালাকের পর সন্তানের সাথে দেখা-সাক্ষাৎ করতে না দিলে করনীয় কি???

বাংলাদেশে তালাকের পর সন্তানকে দেখা করার অধিকার (visitation/access) স্বয়ংক্রিয়ভাবে শেষ হয়ে যায় না। সন্তানের হেফাজত (custody) একজনের কাছে থাকলেও অন্য অভিভাবকের সন্তানের সাথে যুক্তিসঙ্গতভাবে দেখা করা ও যোগাযোগ রাখার অধিকার থাকতে পারে, বিশেষ করে যদি তা সন্তানের কল্যাণের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়।
যদি সন্তানকে দেখা করতে না দেওয়া হয়, সাধারণত করণীয় হতে পারে:
প্রথমে আলোচনার মাধ্যমে নির্দিষ্ট সাক্ষাতের সময়সূচি ঠিক করার চেষ্টা করা।
আইনজীবীর মাধ্যমে একটি আনুষ্ঠানিক লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো।
সমাধান না হলে পারিবারিক আদালতে (Family Court) সাক্ষাৎ/অ্যাক্সেসের অধিকার নির্ধারণের জন্য আবেদন করা। আদালত সন্তানের সর্বোত্তম স্বার্থ বিবেচনা করে নির্দিষ্ট দিন, সময়, ছুটি, ফোন বা ভিডিও কলের ব্যবস্থাও নির্ধারণ করতে পারে।
যদি আগে থেকেই আদালতের আদেশ থাকে এবং সেটি মানা না হয়, তাহলে সেই আদেশ বাস্তবায়নের জন্য আদালতে আবেদন করা যায়।
বাংলাদেশে ছোট সন্তানের ক্ষেত্রে হেফাজত ও অভিভাবকত্বের বিষয়গুলো ধর্ম, সন্তানের বয়স এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে সন্তানের কল্যাণের ভিত্তিতে বিচার করা হয়।

Copyright- Advocacy Legal
www.advocacylegalbd.com
01977125595

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
23/05/2026

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

21/05/2026

রামিসার মামলায় বাদী পক্ষের আইনজীবী হলেন জনাব শিশির মনির।

অনেকেই ইসলামে একাধিক বিয়ের অনুমতিকে শুধুমাত্র “অনুমতি” হিসেবে দেখেন, কিন্তু এর সাথে যে কঠিন শর্ত জড়িত আছে, সেটি প্রায়...
07/05/2026

অনেকেই ইসলামে একাধিক বিয়ের অনুমতিকে শুধুমাত্র “অনুমতি” হিসেবে দেখেন, কিন্তু এর সাথে যে কঠিন শর্ত জড়িত আছে, সেটি প্রায়ই উপেক্ষা করা হয়। ইসলাম কখনোই অবিচারকে সমর্থন করে না। বরং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাকেই মূল শর্ত হিসেবে দাঁড় করিয়েছে।
পবিত্র Quran-এ আল্লাহ তাআলা বলেন:
“তোমরা যদি আশঙ্কা কর যে, স্ত্রীদের মধ্যে ন্যায়বিচার করতে পারবে না, তাহলে একটিই যথেষ্ট।”
— সূরা আন-নিসা ৪:৩
এই আয়াতে একাধিক বিয়েকে নিঃশর্ত উৎসাহ দেওয়া হয়নি। বরং স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, ন্যায়বিচার করতে না পারার আশঙ্কা থাকলে একজন স্ত্রীতেই সীমাবদ্ধ থাকতে হবে। এখানে “ন্যায়বিচার” বলতে শুধু খরচ নয়, সময়, দায়িত্ব, আচরণ এবং অধিকারেও সমতা বোঝানো হয়েছে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ আয়াতে আল্লাহ বলেন:
“তোমরা কখনোই স্ত্রীদের মধ্যে পুরোপুরি সমতা রক্ষা করতে সক্ষম হবে না, যদিও তোমরা তা খুব চাও।”
— সূরা আন-নিসা ৪:১২৯
ইসলামি চিন্তাবিদরা এই আয়াত থেকে ব্যাখ্যা করেছেন যে, মানুষের পক্ষে হৃদয়ের অনুভূতি পুরোপুরি সমান রাখা সম্ভব নয়। তাই ইসলাম বাস্তবতাকে সামনে এনে পুরুষকে সতর্ক করেছে, যেন কোনো স্ত্রী অবহেলিত বা ঝুলন্ত অবস্থায় না থাকে।
অর্থাৎ, ইসলাম একাধিক বিয়েকে বাধ্যতামূলক বা সাধারণ নিয়ম হিসেবে দেয়নি। এটি একটি বিশেষ পরিস্থিতিতে সীমিত অনুমতি, যার কেন্দ্রবিন্দু হলো ন্যায়বিচার। বাস্তবে সেই ন্যায়বিচার করা অত্যন্ত কঠিন বলেই কোরআন বারবার সতর্ক করেছে।
তাই নিজের সুবিধামতো শুধু “চারটি বিয়ে করা যায়” অংশটুকু বলা কিন্তু “সমান আচরণ ও ন্যায়বিচার” শর্তটি এড়িয়ে যাওয়া, ইসলামের পূর্ণ বক্তব্যকে উপস্থাপন করে না।
---
মোঃ নওশাদ পারভেজ
আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
চেম্বার প্রধান, অ্যাডভোকেসি লিগ্যাল
পারিবারিক ও ব্যবসায়িক আইন উপদেষ্টা

Address

Level 4, House No. 37, Road No. 7, Sector No. 3, Uttara
Dhaka
1230

Opening Hours

Monday 11:00 - 20:00
Tuesday 11:00 - 20:00
Wednesday 11:00 - 20:00
Thursday 11:00 - 20:00
Saturday 11:00 - 19:00
Sunday 11:00 - 20:00

Telephone

+8801795762000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Advocacy Legal - Family, Corporate & Investment Law Firm posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Advocacy Legal - Family, Corporate & Investment Law Firm:

Share