Mir Mizan & Associates

Mir Mizan & Associates Proficiency in Administrative, Service and Labour Law

১. দেওয়ানী (Civil), ফৌজদারী (Criminal) ও রীট (Writ) বিষয়ে পরামর্শ প্রদান

২. প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনাল/প্রশাসনিক ট্রাইবুনাল(Administrative Appellate Tribunal/Administrative Tribunal) মামলা বিষয়ে পরামর্শ প্রদান

৩. সরকারি কর্মচারী, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত কর্মচারী, স্হানীয় কতৃপক্ষ, বিধিবদ্ধ সংস্হা, কর্পোরেশন বা স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত কর্মকর্তা/কর্মচারীগণের চাকুরীর শর্তাবলী (Terms

& Conditions of Service) বিষয়ে যেকোন প্রকার সমস্যার সমাধান/পরামর্শ প্রদান

৪. দুঃস্হ ও গরীব মানুষের পক্ষে ফ্রি আইনগত সহায়তা প্রদান

কারিগরি ও মাদ্রাসা বদলির নীতিমালা।
06/08/2025

কারিগরি ও মাদ্রাসা
বদলির নীতিমালা।

সরকারি চাকরি আইন (দ্বিতীয় সংশোধন ) অধ্যাদেশ, ২০২৫
24/07/2025

সরকারি চাকরি আইন (দ্বিতীয় সংশোধন ) অধ্যাদেশ, ২০২৫

সবার জানা থাকা উচিত
20/07/2025

সবার জানা থাকা উচিত

সরকারি কলেজের শিক্ষক বদলি বা পদায়ন নীতিমালা, ২০২৫
02/07/2025

সরকারি কলেজের শিক্ষক বদলি বা পদায়ন নীতিমালা, ২০২৫

13/06/2025

আগামীকাল থেকে আমাদের কার্যক্রম পুনরায় শুরু করব ইনশাআল্লাহ।

Special Power of Attorney regarding divorce
31/05/2025

Special Power of Attorney regarding divorce

18/05/2025

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কোনো শিক্ষক যদি গ্রেফতার (arrest) হয়ে জেলে যান, তাহলে তার বেতন এবং হাজিরা (presence) সংক্রান্ত বিষয়গুলো কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসারে পরিচালিত হয়। নিচে বিস্তারিতভাবে বিষয়টি ব্যাখ্যা করা হলো:

---

গ্রেফতার হওয়া শিক্ষকের বেতন ও হাজিরা: বিস্তারিত নিয়ম (বাংলাদেশ প্রসঙ্গে)

১. প্রথম অবস্থায় (গ্রেফতার হওয়ার পরপর):

শিক্ষক যদি গ্রেফতার হয়ে থাকেন এবং ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত হন, তবে গ্রেফতারের দিন থেকেই তিনি বরখাস্ত (suspended) বলে গণ্য হন।

এটি সাধারণত পরিচালনা পর্ষদ (Governing Body) বা ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী করা হয়।

---

২. বরখাস্ত অবস্থায় বেতন:

গ্রেফতারকৃত শিক্ষক বরখাস্ত হলে, তিনি সম্পূর্ণ বেতন পাবেন না। তার পরিবর্তে তাকে "আধা বেতন (subsistence allowance)" দেওয়া হয়ে থাকে।

আধা বেতন কী?

এটি সাধারণত মূল বেতনের ৫০% হয় (কখনও ৩৩% হতে পারে, প্রতিষ্ঠানের নীতিমালাভেদে)।

শিক্ষক যতদিন বরখাস্ত থাকবেন (অথবা বিচারাধীন থাকবেন), ততদিন পুরো বেতনের পরিবর্তে এই ভাতা পাবেন।

---

৩. হাজিরা (Attendance) সংক্রান্ত:

এই সময়কালকে শিক্ষক অনুপস্থিত হিসেবে গণ্য হন, তবে এটিকে "বাধ্যতামূলক অনুপস্থিতি" (Compulsory Leave / Under Suspension) হিসাবে রেকর্ড করা হয়।

হাজিরা রেজিস্টারে তার অনুপস্থিতি উল্লেখ থাকবে, তবে মন্তব্য হিসেবে লেখা থাকে:
"Under suspension due to legal detention" বা "Absent due to arrest" ইত্যাদি।

---

৪. মামলা নিষ্পত্তির পর কী হয়?

(ক) যদি তিনি নির্দোষ প্রমাণিত হন বা মুক্তি পান:

তখন বরখাস্ত আদেশ বাতিল করা হয়।

তার অনুপস্থিত দিনগুলোকে ডিউটি (duty) হিসেবে গণ্য করা হয়।

সেই সময়ের পুরো বেতন বকেয়া হিসেবে প্রদান করা হয় (আধা বেতনের অতিরিক্ত অংশ)।

অবসরের হিসাবেও সেই দিনগুলো যুক্ত হয়।

(খ) যদি তিনি দোষী সাব্যস্ত হন:

তখন বরখাস্ত চূড়ান্ত হয় এবং তার চাকরি বহিষ্কার (dismissed) করা হতে পারে।

সেই সময়ের জন্য তাকে কোনো বেতন দেওয়া হয় না (যা আগেই আধা বেতন হিসেবে পেয়েছেন, তাও ফেরত দিতে হতে পারে)।

হাজিরা স্থায়ীভাবে অনুপস্থিত হিসেবে গণ্য হয়।

---

৫. আইন ও বিধিমালা অনুসরণ:

এসব বিষয়ে "মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের বিধিমালা", "চাকরি প্রবিধান ১৯৭৯" (বা সংশোধিত), এবং "সরকারের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (শৃঙ্খলা) বিধিমালা" প্রযোজ্য।

---

উদাহরণ:

মোঃ রফিকুল ইসলাম নামে একজন শিক্ষক মাদকের মামলায় ৩ মাস জেল খাটলেন।

প্রথম দিন থেকেই বরখাস্ত করা হলো।

তিনি প্রতি মাসে ৫০% করে বেতন পেলেন (যদি এটি ম্যানেজিং কমিটি অনুমোদন করে)।

মামলার রায়ে তিনি নির্দোষ প্রমাণিত হলেন।

পরে তার পূর্ণ বেতন দিয়ে দেওয়া হলো এবং সেই সময়ের হাজিরা ডিউটি হিসেবেই গৃহীত হলো।

---

সংক্ষেপে:

বিষয় অবস্থান

গ্রেফতারের পর চাকরি বরখাস্ত (সাময়িক)
বেতন ৫০% বা নির্ধারিত পরিমাণ
হাজিরা অনুপস্থিত (সাসপেনশন হিসেব)
নির্দোষ প্রমাণিত হলে পূর্ণ বেতন ফেরত ও চাকরি বহাল
দোষী হলে চাকরি বাতিল ও বেতন কাটা

সংগৃহীত

ভিডিও কনফারেন্সে সাক্ষ্যগ্রহন ও শুনানি
14/05/2025

ভিডিও কনফারেন্সে সাক্ষ্যগ্রহন ও শুনানি

08/05/2025

বিচার প্রক্রিয়াকে দ্রুত, আধুনিক ও অপব্যবহারমুক্ত করার উদ্দ্যেশে ২০২৫ সালের দেওয়ানি কার্যবিধি (সংশোধন) অধ্যাদেশে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। যেমন-

১। সাক্ষ্যী দেওয়ার পদ্ধতিতে পরিবর্তন-
আগে সাক্ষীদের মৌখিকভাবে প্রধান সাক্ষ্য (examination-in-chief) দিতে হতো। এখন তা হলফনামা (affidavit) আকারে জমা দিতে হবে। তবে জেরা (cross-examination) আদালতে সরাসরি হবে, যাতে বিচারক সাক্ষীর আচরণ ও বিশ্বাসযোগ্যতা মূল্যায়ন করতে পারেন।

২। ডিজিটাল সমন ব্যবস্থা-
এখন থেকে মোবাইল ফোন, এসএমএস, ভয়েস কল, হোয়াটসঅ্যাপ ও অন্যান্য ডিজিটাল মাধ্যমে সমন পাঠানো যাবে। মামলার আবেদন করার সময় প্রতিপক্ষের মোবাইল নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর এবং ইমেইল (যদি থাকে) উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

৩। ডিক্রির স্বয়ংক্রিয় কার্যকারিতা-
আগে আদালতের রায় (ডিক্রি) কার্যকর করতে আলাদা আবেদন করতে হতো। এখন আর্থিক ডিক্রিসহ কিছু ডিক্রি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হবে।

৪। একতরফা রায় বাতিলের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা-
আগে একতরফা রায় বাতিল করতে একাধিকবার আবেদন করা যেত। এখন থেকে একজন বাদী বা বিবাদী একবারের বেশি এ ধরনের আবেদন করতে পারবে না।

৫। আপিল প্রক্রিয়ায় সংস্কার-
Order 41 Rule 21 অনুযায়ী, পুনঃশুনানি এখন একবারের বেশি করা যাবে না। এছাড়া Rule 24-এ যে কার্যক্রমগুলো আগে ঐচ্ছিক ছিল, সেগুলো এখন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

৬। মুলতবি সীমিতকরণ-
আগে একেকটি মামলায় ছয়বার পর্যন্ত মুলতবি (adjournment) চাওয়া যেত। নতুন সংশোধনী অনুযায়ী এখন চারবারের বেশি মুলতবি চাওয়া যাবে না।

খ তফসিলভুক্ত সম্পত্তির বিষয়ে সরকারের নতুন নির্দেশনা।
02/05/2025

খ তফসিলভুক্ত সম্পত্তির বিষয়ে সরকারের নতুন নির্দেশনা।

✅ সরকারি চাকরিজীবী হিসেবে কেউ মারা গেলে তাঁর পরিবার পেনশন-গ্রাচুইটি, প্রভিডেন্ট ফান্ড ছাড়াও অন্য যেসব আর্থিক সুবিধাদি প্...
01/05/2025

✅ সরকারি চাকরিজীবী হিসেবে কেউ মারা গেলে তাঁর পরিবার পেনশন-গ্রাচুইটি, প্রভিডেন্ট ফান্ড ছাড়াও অন্য যেসব আর্থিক সুবিধাদি প্রাপ্য হবেনঃ

১) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এককালীন মঞ্জুরী ৮,০০,০০০/-(আট লক্ষ) টাকা।

২) বাংলাদেশ কমর্চারী কল্যাণ বোর্ড থেকে যৌথবীমার এককালীন ২,০০,০০০/-(দুই লক্ষ) টাকা।

৩) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে দাফন-কাফন/অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া বাবৎ এককালীন ৩০,০০০/-(ত্রিশহাজার) টাকা এবং কল্যাণ তহবিল থেকে দাফন-কাফন/অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া বাবৎ সহায়তা ১০,০০০/-(দশ হাজার) টাকা।

৪) কল্যাণ তহবিল থেকে মৃতব্যক্তির পরিবারকে ১৫ বছর পযর্ন্ত প্রতিমাসে ২,০০০/-টাকা ভাতা।[ ৩,৬০,০০০/- টাকা]

৫) কল্যাণ তহবিল হতে সাধারণ চিকিৎসা অনুদান সর্বোচ্চ ৪০,০০০/- (চল্লিশ হাজার) টাকা এবং জটিল ও দুরারোগ্য ব্যধির চিকিৎসা অনুদান ২,০০,০০০/-(দুই লক্ষ) টাকা।

[চাকরিজীবীর মৃত্যুর ৬ মাসের মধ্যে আবেদন করতে হবে।যথাযথ কারণ ব্যাখ্যাসহ ১ বছরের মধ্যে আবেদন না করলে দাবী তামাদি হয়ে যাবে।]

৫) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে চাকরিরত অবস্থায় গুরুতর আহত হয়ে স্থায়ীভাবে অক্ষম হলে ৪,০০,০০০/-(চার লক্ষ) টাকা।

[প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সহকারে পোস্ট করা হলো]।

Address

Meherba Plaza (5th Floor), Suite: 5-F, 33 Topkhana Road, Shahbag
Dhaka
1000

Telephone

+8801792126616

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mir Mizan & Associates posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Mir Mizan & Associates:

Share