SKS Legal Services & Associates

SKS Legal Services & Associates Our Law Firm in Bangladesh help you any issue regarding legal problems. We are experts in any litiga Law Consultant Firm
(5)

02/03/2026
'ফ্যামিলি কার্ড' বাস্তবায়ন সংক্রান্ত নির্দেশনা.... ২৪/০২/২০২৬
25/02/2026

'ফ্যামিলি কার্ড' বাস্তবায়ন সংক্রান্ত নির্দেশনা.... ২৪/০২/২০২৬

বিনা অনুমতিতে কর্মে অনুপস্থিতি; বিনা অনুমতিতে অফিস ত্যাগ; ও বিলম্বে অফিসে উপস্থিতি সংক্রান্ত অফিস আদেশCollected
24/02/2026

বিনা অনুমতিতে কর্মে অনুপস্থিতি; বিনা অনুমতিতে অফিস ত্যাগ; ও বিলম্বে অফিসে উপস্থিতি সংক্রান্ত অফিস আদেশ

Collected

29/01/2026

পরিবারের মধ্যে বন্টনামা দলিল করার নিয়ম (২০২৩-২০২৬ সালের তথ্যের ভিত্তিতে) অনুযায়ী, মৃত ব্যক্তির ওয়ারিশদের মধ্যে সম্পত্তি ভাগাভাগির জন্য একটি বন্টননামা দলিল করতে হয়, যেখানে মৃত ব্যক্তির মৃত্যু সনদ, ওয়ারিশ সনদ, সম্পত্তির দলিল, এবং সকল ওয়ারিশের লিখিত সম্মতি আবশ্যক; এটি স্ট্যাম্প পেপারে লিখে রেজিস্ট্রি করতে হয় এবং এর জন্য যথাযথ ফি প্রদান করতে হয়, যা ভবিষ্যতে বিবাদ এড়াতে ও নামজারির জন্য অপরিহার্য।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:

মৃত ব্যক্তির মৃত্যু সনদ (Death Certificate): যার সম্পত্তি বন্টন হবে, তার।

ওয়ারিশ সনদ (Succession Certificate): সকল ওয়ারিশের।

সম্পত্তির মূল দলিল: বন্টন করা হবে এমন সম্পত্তির।

সকল ওয়ারিশের সম্মতিপত্র: প্রত্যেকের স্বাক্ষরসহ।

বন্টনামা দলিলের খসড়া: সম্পত্তির বিবরণ ও অংশ উল্লেখসহ।

পদ্ধতি:
খসড়া তৈরি: একজন আইনজীবীর সহায়তায় একটি বন্টনামা দলিল তৈরি করুন, যেখানে সম্পত্তির প্রতিটি অংশ ও ওয়ারিশদের নাম স্পষ্টভাবে লেখা থাকবে।

স্ট্যাম্প পেপারে লেখা: দলিলটি উপযুক্ত মূল্যের স্ট্যাম্প পেপারে লিখতে হবে।

সকল ওয়ারিশের স্বাক্ষর: সকল ওয়ারিশ (বা তাদের বৈধ প্রতিনিধি) দলিলের উপর স্বাক্ষর করবেন।

রেজিস্ট্রেশন: সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে দলিলটি রেজিস্ট্রি করতে হবে, যা 《1908 সালের রেজিস্ট্রেশন আইন》 অনুযায়ী বাধ্যতামূলক।

ফি জমা: রেজিস্ট্রেশন ফি, ই-ফি, এন-ফি ইত্যাদি ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে সোনালী ব্যাংকে জমা দিতে হবে।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
আইনের প্রয়োগ: 《১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের ১৪৩(খ)》 ধারা অনুযায়ী ওয়ারিশদের মধ্যে বন্টননামা দলিল করা হয়।

উদ্দেশ্য: এটি ওয়ারিশদের মধ্যে ভবিষ্যতে সম্পত্তি সংক্রান্ত বিবাদ এড়াতে এবং নামজারির (Mutation) জন্য একটি চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে কাজ করে।

আইনি বাধ্যবাধকতা: বন্টনামা দলিল ছাড়া ওয়ারিশি সম্পত্তির নামজারি করা কঠিন, তাই এটি রেজিস্ট্রি করা জরুরি।

উৎস কর: বন্টনামা দলিলের ক্ষেত্রে উৎসে কর প্রযোজ্য হয় না

(উৎস কর বিধিমালা, ২০২৪ অনুযায়ী) সংগৃহীত। ゚ ゚viralシviralシfypシ゚viralシalシ ゚

25/01/2026

কীভাবে বুঝবেন মামলাটি কোন পর্যায়ে আছে

👉 একটি মামলা সাধারণত ৬টি মূল পর্যায়ে (ধাপে) চলে, শুরু থেকে রায় বা নিষ্পত্তি পর্যন্ত। নিচে ধাপগুলো এবং সাধারণ মানুষ কীভাবে বুঝতে পারেন মামলাটি এখন কোন পর্যায়ে আছে, তা সহজ ভাষায় বোঝানো হলো:

---

🔴 ১. মামলা দায়ের বা রেজিস্ট্রেশন (Institution/ Filing)

কি হয়: বাদী (যে মামলা করে) আদালতে অভিযোগপত্র বা আবেদন জমা দেন।
📌 কিভাবে বুঝবেন: কোর্ট থেকে একটি মামলা নম্বর (Case Number) পাওয়া যাবে। এটি মানে মামলাটি গৃহীত হয়েছে।

---

🟠 ২. সমন ইস্যু ও জবাব (Summons and Written Statement)

কি হয়: প্রতিপক্ষকে আদালতে হাজির হতে বলা হয় (সমন পাঠানো হয়)। তারা উত্তর দেয় লিখিত আকারে (Written Statement)।
📌 কিভাবে বুঝবেন: আদালত থেকে বিবাদীপক্ষকে ডাক পাঠানো হয়েছে কিনা বা তারা উত্তর জমা দিয়েছে কিনা তা কোর্টে খোঁজ নিয়ে বা মামলার তারিখে দেখে বোঝা যায়।

---

🟡 ৩. ফ্রেমিং অব ইস্যু (Framing of Issues)

কি হয়: আদালত মামলার মূল প্রশ্ন বা বিতর্ক ঠিক করে দেয় — কিসের উপর সিদ্ধান্ত দিতে হবে।
📌 কিভাবে বুঝবেন: কোর্ট অর্ডারে লেখা থাকে “Issue is framed” বা “Issue settled”।

---

🟢 ৪. গবেষণা ও সাক্ষ্য গ্রহণ (Evidence and Hearing)

কি হয়: দুই পক্ষ সাক্ষ্য দেয়, প্রমাণ দেয়। উকিলেরা জেরা করে। আদালত সব শোনে।
📌 কিভাবে বুঝবেন: আদালতে সাক্ষীরা হাজির হয়, নোটে লেখা থাকবে “PW” (Prosecution Witness), “DW” (Defence Witness) ইত্যাদি।

---

🔵 ৫. আর্গুমেন্ট বা যুক্তিতর্ক (Argument)

কি হয়: উভয় পক্ষের উকিলরা যুক্তি উপস্থাপন করে – কে ঠিক আর কে ভুল তা বোঝানোর চেষ্টা করে।
📌 কিভাবে বুঝবেন: কোর্টের অর্ডারে লেখা থাকবে “Argument heard” বা “Fix for Argument”।

---

⚫ ৬. রায় / আদেশ (Judgment or Order)

কি হয়: বিচারক সিদ্ধান্ত দেন কে সঠিক এবং কে ভুল, এবং আদেশ দেন কী হবে।
📌 কিভাবে বুঝবেন: কোর্ট অর্ডারে লেখা থাকবে “Judgment delivered” বা “Fix for Judgment”।

---

✅ একজন সাধারণ মানুষ মামলার অবস্থান কীভাবে বুঝবে?

➤ ১. কোর্টের অর্ডার শিট দেখলে বোঝা যায়
যেমন:

"Summons issued" → ২য় ধাপে

"PW 1 examined" → সাক্ষ্য ধাপে

"Fix for argument" → যুক্তি ধাপে

"Judgment delivered" → রায় ধাপে

➤ ২. আইনজীবীর মাধ্যমে জানা যায়
→ আপনার উকিল কোর্টের পরবর্তী তারিখ ও কাজ সম্পর্কে জানাতে পারেন।

➤ ৩. অনলাইনে (ডিজিটাল কোর্ট হলে)
→ MyCourt App বা জুডিশিয়ারি ওয়েবসাইট থেকেও কেস ট্র্যাকিং করা যায়।

 েলা_আদালতে_চালু_হচ্ছে_ই-বেইলবন্ড। #অনলাইনে জামিননামা গ্রহণে বাধ্যতামূলক হবে নতুন সিস্টেম।ফৌজদারি কার্যবিধির সংশোধনের আল...
20/01/2026

েলা_আদালতে_চালু_হচ্ছে_ই-বেইলবন্ড।
#অনলাইনে জামিননামা গ্রহণে বাধ্যতামূলক হবে নতুন সিস্টেম।

ফৌজদারি কার্যবিধির সংশোধনের আলোকে জেলা পর্যায়ের আদালতে ই-বেইলবন্ড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। The Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025 এর মাধ্যমে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৯ ধারায় অনলাইনে বেইলবন্ড দাখিলের বিধান যুক্ত হওয়ার পর এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৯(৩) ধারার উদ্দেশ্য পূরণে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর দায়রা জজ ও ম্যাজিস্ট্রেটগণকে অনলাইনে বেইলবন্ড গ্রহণের জন্য প্রশাসনিকভাবে প্রস্তুত থাকতে হবে।

 #চেকের_মামলার_শুরু_থেকে_শেষ।• চেকের মামলা শুরু হয় চেক ডিজঅনার দিয়ে। • চেক ডিজঅনার হলে ৩০ দিনের মধ্যে চেকদাতা বরাবর নোটি...
19/01/2026

#চেকের_মামলার_শুরু_থেকে_শেষ।

• চেকের মামলা শুরু হয় চেক ডিজঅনার দিয়ে।

• চেক ডিজঅনার হলে ৩০ দিনের মধ্যে চেকদাতা বরাবর নোটিশ দিতে হয়।

• ৩০ দিন অতিক্রান্ত হওয়ার পরেও যদি চেকদাতা টাকা প্রদান না করে তাহলে পরবর্তী ১ মাসের মধ্যে প্রথম শ্রেনির ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে অভিযোগ দায়ের করা যাবে।

• ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগ আমলে নিয়ে আসামি বরাবর সমন প্রেরন করবে।

• সমন পেয়ে আসামি আদালতে হাজির হয়ে জামিন নিতে পারবে। চেকের মামলা জামিনযোগ্য।

• আসামি জামিন নিলে ম্যাজিস্ট্রেট বিচারের জন্য মামলাটি দায়রা আদালতে বদলি করে দিবে।

• যুগ্ম দায়রা জজ মামলাটির বিচার করবেন।

• চার্জ শুনানির জন্য ধার্য তারিখে আদালত সন্তুষ্ট হলে আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করবেন।

• চার্জ শুনানির জন্য ধার্য তারিখে আদালত সন্তুষ্ট হলে আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করবেন।

• চার্জ গঠনের পর সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ধার্য করবেন।

• বাদী সাক্ষ্য প্রদান করবেন। সাক্ষ্য প্রদানের সময় মূল চেকটি আদালতে জমা দিতে হবে। পাশাপাশি লিগ্যাল নোটিশ, চেক ডিজঅনার স্লিপ ইত্যাদি আদালতে জমা দিতে হবে।।

• আসামী পক্ষের আইনজীবী বাদীকে জেরা করতে পারবেন।

• বাদী পক্ষের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত ৩৪২ ধারার জন্য রাখবেন। আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আসামি সাফাই সাক্ষ্য দিবে কিনা তা জানতে চাওয়া হয়।

• আসামি সাফাই সাক্ষ্য দিতে চাইলে আসামি পক্ষের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে। বাদীপক্ষের আইনজীবী আসামি পক্ষের সাক্ষীকে জেরা করবে।

• সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে যুক্তিতর্কের জন্য তারিখ রাখা হবে।

• যুক্তিতর্ক শেষ হলে আদালত রায়ের জন্য দিন ধার্য রাখবে।

• আদালত রায় দিতে পারে অনধিক ১ বছর কারাদণ্ড অথবা চেকের ৩ গুন অর্থদণ্ড অথবা উভয়দণ্ড।

• আসামি চাইলে চেকে বর্ণিত টাকার ৫০% জমা দিয়ে আপিল দায়েরের শর্তে জামিন নিতে পারবেন।

• আপিল দায়েরের সময়সীমা ৩০ দিন। দায়রা জজ আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে।

• দায়রা জজ আদালতের রায়ে সংক্ষুব্ধ হলে হাইকোর্ট ডিভিশনে রিভিশন দায়ের করা যাবে।

• আসামি সমন পেয়ে আদালতে হাজির না হলে আদালত আসামির বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট ইস্যু করতে পারবে।

• পুলিশ আসামিকে গ্রেফতার করতে না পারলে আদালত আসামির বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি করতে পারবে।

• তারপরও আসামি হাজির না হলে আসামির অনুপস্থিতিতে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হবে। সেক্ষেত্রে আসামিকে হাজির হওয়ার জন্য দৈনিক বাংলা জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে।

• আসামি হাজির না হলে আসামির অনুপস্থিতিতে বিচার চলবে।

R. K. Shajib
LLB (Hons), LLM
Legal Consultant

অামা‌দের প‌রিবা‌রের পক্ষ থে‌কে সকল‌কে জানাই মহান বিজয় দিব‌সের শু‌ভেচ্ছ।
15/12/2025

অামা‌দের প‌রিবা‌রের পক্ষ থে‌কে সকল‌কে জানাই মহান বিজয় দিব‌সের শু‌ভেচ্ছ।

Address

Dhaka
1217

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SKS Legal Services & Associates posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to SKS Legal Services & Associates:

Shortcuts

Share

Category