Income Tax BD

Income Tax BD Most quality service

ইনকাম ট্যাক্স বিডি এখন মাহতাব সেন্টার এর ৩য় তলায়
17/08/2026

ইনকাম ট্যাক্স বিডি এখন মাহতাব সেন্টার এর ৩য় তলায়

১ জুলাই থেকে ৩০ জুন অর্থবছর নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতায় বড় সমস্যা হলো আমাদের দেশে বাজেটের প্রথম তিন মাসে থাকে বর্ষাকাল। জুলা...
17/08/2026

১ জুলাই থেকে ৩০ জুন অর্থবছর নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতায় বড় সমস্যা হলো আমাদের দেশে বাজেটের প্রথম তিন মাসে থাকে বর্ষাকাল। জুলাই, আগস্ট, সেপ্টেম্বর—এই তিন মাসে কোনো বড় অবকাঠামো কাজ করা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে ডিসেম্বর পর্যন্ত কাজ হয় না। এরপর ডিসেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত কাজ হলেও জুন মাসে তাড়াহুড়া করে কাজ শেষ করে বিল তোলার সংস্কৃতি চালু হয়েছে। এতে কাজের মান ভালো হয় না।
এপ্রিল থেকে মার্চ পর্যন্ত অর্থবছর করা গেলে বর্ষার আগে কাজের প্রথম তিন মাস সময় পাওয়া যাবে। অক্টোবর-ডিসেম্বর এবং জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকগুলোতে বর্ষার প্রভাব থাকবে না। এতে বাজেট বাস্তবায়ন ও উন্নয়ন কার্যক্রমের গতি বাড়বে। কাজ পরিকল্পনা মতো হবে এবং অর্থ লুটপাটের ঝুঁকি কমবে। ভারতেও এপ্রিল থেকে মার্চ অর্থবছর চালু আছে, যা তাদের উন্নয়ন কাজে সুবিধা দিচ্ছে। বাংলাদেশেও এই পরিবর্তন ইতিবাচক ফল দেবে।

আমরা এখন মাহতাব সেন্টার এর ৩য় তলায়
04/08/2026

আমরা এখন মাহতাব সেন্টার এর ৩য় তলায়

ট্যাক্স নলেজ: আধুনিক নাগরিক ও ব্যবসার অপরিহার্য দক্ষতাআমান উল্লাহ সরকারবিশ্ব অর্থনীতি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। ডিজিটাল লেন...
29/07/2026

ট্যাক্স নলেজ: আধুনিক নাগরিক ও ব্যবসার অপরিহার্য দক্ষতা

আমান উল্লাহ সরকার

বিশ্ব অর্থনীতি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। ডিজিটাল লেনদেন, ই-কমার্স, স্টার্টআপ, ফ্রিল্যান্সিং এবং সীমান্ত পেরিয়ে ব্যবসার বিস্তারের ফলে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের আর্থিক কার্যক্রম আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি জটিল হয়ে উঠেছে। এই বাস্তবতায় ট্যাক্স সম্পর্কে প্রাথমিক জ্ঞান আর কেবল কর পরামর্শক বা হিসাবরক্ষকদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; বরং এটি প্রতিটি সচেতন নাগরিক, উদ্যোক্তা, চাকরিজীবী এবং বিনিয়োগকারীর জন্য অপরিহার্য একটি দক্ষতা।

বাংলাদেশে এখনও অনেকের ধারণা, ট্যাক্স মানেই বছরে একবার আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। ট্যাক্স একটি চলমান প্রক্রিয়া, যা ব্যক্তিগত আর্থিক পরিকল্পনা, ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত, বিনিয়োগ, সম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং আইনগত কমপ্লায়েন্সের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ফলে ট্যাক্স সম্পর্কে অজ্ঞতা কেবল আর্থিক ক্ষতির কারণই নয়, অনেক ক্ষেত্রে আইনগত জটিলতারও জন্ম দেয়।

একজন উদ্যোক্তার জন্য ট্যাক্স নলেজ ব্যবসার কৌশলগত সম্পদ। সঠিক কর পরিকল্পনার মাধ্যমে তিনি নগদ অর্থপ্রবাহ (Cash Flow) আরও দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করতে পারেন, অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমাতে পারেন এবং আইনসম্মতভাবে কর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে পারেন। একইভাবে একজন চাকরিজীবী তার প্রাপ্য কর-সুবিধা সম্পর্কে সচেতন হতে পারেন, আর একজন বিনিয়োগকারী আরও তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষম হন।

অন্যদিকে, কর আইন সম্পর্কে অজ্ঞতা অনেক সময় বড় ধরনের সমস্যার সৃষ্টি করে। ভুল তথ্য দিয়ে রিটার্ন দাখিল, প্রয়োজনীয় নথি সংরক্ষণে অবহেলা, সময়মতো কর পরিশোধে ব্যর্থতা কিংবা আইন সম্পর্কে অসচেতনতা—এসব কারণে জরিমানা, অতিরিক্ত আর্থিক দায় এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রশাসনিক জটিলতার মুখোমুখি হতে হয়। অথচ সামান্য ট্যাক্স জ্ঞানই এসব ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে দিতে পারে।

কর কেবল সরকারের রাজস্ব সংগ্রহের মাধ্যম নয়; এটি একটি দেশের উন্নয়নের প্রধান ভিত্তি। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো, সামাজিক নিরাপত্তা, প্রযুক্তি এবং জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন খাতের অর্থায়ন মূলত কর রাজস্ব থেকেই আসে। তাই কর প্রদান কেবল আইনগত বাধ্যবাধকতা নয়; এটি দায়িত্বশীল নাগরিকত্বের প্রকাশ এবং রাষ্ট্র গঠনে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

উন্নত বিশ্বের অনেক দেশে ব্যক্তিগত অর্থব্যবস্থা ও ট্যাক্স সম্পর্কে প্রাথমিক শিক্ষা স্কুল-কলেজ থেকেই দেওয়া হয়। কারণ তারা বুঝতে পেরেছে, ট্যাক্স লিটারেসি শুধু কর আদায় বাড়ায় না; বরং আর্থিক শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা এবং সুশাসনের সংস্কৃতিও গড়ে তোলে। বাংলাদেশেও সময়ের দাবি হলো ট্যাক্স শিক্ষাকে আরও জনপ্রিয় ও সহজলভ্য করা। বিশেষ করে তরুণ উদ্যোক্তা, স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠাতা, ফ্রিল্যান্সার এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের মধ্যে ট্যাক্স সচেতনতা বৃদ্ধি করা এখন অত্যন্ত জরুরি।

বর্তমানে কর প্রশাসন দ্রুত ডিজিটাল হচ্ছে। ই-রিটার্ন, অনলাইন কর পরিশোধ, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর কমপ্লায়েন্স এবং স্বয়ংক্রিয় তথ্য যাচাইয়ের যুগে ট্যাক্স সম্পর্কে অজ্ঞ থাকার সুযোগ ক্রমেই কমে আসছে। ভবিষ্যতের অর্থনীতিতে সফল হতে হলে ট্যাক্সকে ভয় নয়, বরং একটি প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।

অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সুশাসন এবং টেকসই প্রবৃদ্ধির পথে এগিয়ে যেতে হলে ট্যাক্স নলেজকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে। পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়িক সংগঠন এবং রাষ্ট্র—সবাইকে এ বিষয়ে সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে। কারণ কর-সচেতন নাগরিকই একটি দায়িত্বশীল সমাজ এবং শক্তিশালী অর্থনীতির ভিত্তি নির্মাণ করতে পারে।

ট্যাক্স নলেজ আজ আর কেবল একটি পেশাগত বিষয় নয়; এটি আধুনিক নাগরিকত্বের পরিচয়, দায়িত্বশীল ব্যবসার ভিত্তি এবং একটি সমৃদ্ধ, স্বচ্ছ ও টেকসই অর্থনীতির অন্যতম পূর্বশর্ত।

— আমান উল্লাহ সরকার
ট্যাক্স এন্ড বিসনেস কন্সাল্টেন্ট

বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম শক্তিশালী ভিত্তি হলো ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা (SME) খাত। এই খাতের পাশাপাশি একটি বিশাল অনান...
27/07/2026

বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম শক্তিশালী ভিত্তি হলো ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা (SME) খাত। এই খাতের পাশাপাশি একটি বিশাল অনানুষ্ঠানিক (Informal) সরবরাহ ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে দেশের পাইকারি ও খুচরা বাজারকে সচল রেখেছে। পুরান ঢাকার মৌলভীবাজার, চকবাজার, ইসলামপুর, বাবুবাজার কিংবা চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের মতো পাইকারি বাজারে প্রতিদিন হাজারো ক্ষুদ্র পরিবহনকারী, কমিশন এজেন্ট, কেরিয়ার ও ডেলিভারি কর্মী ব্যবসায়িক লেনদেনের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে কাজ করেন। তাদের অধিকাংশই নিজস্ব পণ্য বিক্রি করেন না; বরং অন্যের পণ্য নির্ধারিত গন্তব্যে পৌঁছে দিয়ে কমিশন বা সার্ভিস চার্জের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করেন।

শহিদ একজন ক্ষুদ্র কেরিয়ার ও কমিশনভিত্তিক পরিবহনকারী।
তিনি ১৯৯৪ সাল থেকে পুরান ঢাকার বিভিন্ন পাইকারি ব্যবসায়ীর পণ্য ঢাকার বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছে সাইকেলের মাধ্যমে পৌঁছে দিচ্ছেন। তার নিজের কোনো পণ্য নেই, কোনো গুদাম নেই, উল্লেখযোগ্য মূলধনও নেই। প্রতিটি চালান সফলভাবে সরবরাহ করার পর তিনি একটি কেরিয়ার চার্জ পান বা কমিশন পান।
সম্প্রতি খিলগাঁওয়ের একজন মশলা ব্যবসায়ী ২ লাখ টাকার এলাচ, গোলমরিচ ও লবঙ্গ ক্রয় করেন। শহিদ পণ্যটি সরবরাহ করেন। ক্রেতা তার সেবার জন্য শহিদকে নগদ ১,০০০ টাকা কমিশন প্রদান করেন এবং পণ্যের মূল্য ২,০০,০০০ টাকা পরের দিন শহিদের ব্যাংক একাউন্টে পাঠিয়ে দেন ।

এ ধরনের লেনদেন প্রতিদিন বহুবার ঘটে। ফলে ২০২৬-২০২৭ করবর্ষে শহিদের ব্যাংক হিসাবে প্রায় ১০ কোটি টাকার লেনদেন (Gross Turnover) সম্পন্ন হয়। কিন্তু এই পুরো অর্থ তার নিজস্ব বিক্রয় আয় নয়; এটি মূলত অন্যের পণ্যের মূল্য, যা তার মাধ্যমে স্থানান্তরিত হয়েছে। তার প্রকৃত বার্ষিক কমিশনভিত্তিক আয় প্রায় ৬ লাখ টাকার কাছাকাছি ।
বর্তমানে তার মোট নিট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১১ লাখ টাকা, বিপরীতে রয়েছে ২ লাখ টাকার ব্যাংক ঋণ। তিনি ট্রেড লাইসেন্সধারী, টিআইএনধারী এবং গত ৯ বছর ধরে নিয়মিত আয়কর রিটার্ন দাখিল করে আসছেন।

অর্থ আইন, ২০২৬-এর মাধ্যমে আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ১৬৩-এ সংশোধন এনে টার্নওভারভিত্তিক করের বিধান সংযোজন করা হয়েছে। যদি কোনো করদাতার ওপর গ্রস টার্নওভারের ১% হারে টার্নওভার কর প্রযোজ্য হয়, তাহলে শহিদের ক্ষেত্রে হিসাব দাঁড়াবে—
• বার্ষিক গ্রস টার্নওভার: ১০ কোটি টাকা
• টার্নওভার কর (১%): ১০ লাখ টাকা
অর্থাৎ, যার প্রকৃত বার্ষিক আয় প্রায় ৬ লাখ টাকা, তাকে শুধুমাত্র টার্নওভারের ভিত্তিতে ১০ লাখ টাকা কর পরিশোধ করতে হতে পারে। এটি তার প্রকৃত আয়েরও প্রায় ১৬৭%।
এ ধরনের পরিস্থিতিতে করের পরিমাণ করদাতার প্রকৃত আয়, মুনাফা বা কর পরিশোধ সক্ষমতার সঙ্গে কোনোভাবেই সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে না।

করব্যবস্থার একটি মৌলিক নীতি হলো Ability to Pay Principle—অর্থাৎ করদাতার প্রকৃত আয় ও আর্থিক সক্ষমতার ভিত্তিতে কর নির্ধারণ করা। একই সঙ্গে Equity ও Fairness-এর নীতিও করব্যবস্থার অন্যতম ভিত্তি।
যেসব ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান শুধুমাত্র কমিশন, এজেন্সি, পরিবহন বা কেরিয়ার সেবার মাধ্যমে আয় করেন, তাদের ব্যাংক হিসাব দিয়ে যে অর্থ প্রবাহিত হয়, তার অধিকাংশই তাদের নিজস্ব বিক্রয় বা আয় নয়। ফলে সেই মোট লেনদেনকে করের ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করলে প্রকৃত আয় ও করযোগ্য সক্ষমতার মধ্যে গুরুতর বৈষম্য সৃষ্টি হতে পারে।
এর সম্ভাব্য প্রভাব হতে পারে—
• ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক ব্যবসায়ীদের ওপর অসামঞ্জস্যপূর্ণ করের বোঝা সৃষ্টি।
• ব্যাংকিং চ্যানেল ব্যবহার নিরুৎসাহিত হওয়া।
• অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী টিআইএন বাতিল বা রিটার্ন দাখিল বন্ধ করতে উৎসাহিত হতে পারেন।
• অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতির (Informal Economy) পরিধি আরও বৃদ্ধি পাওয়ার ঝুঁকি।
• সরকারের দীর্ঘমেয়াদি কর-জাল (Tax Net) সম্প্রসারণের লক্ষ্য ব্যাহত হতে পারে।

রাষ্ট্রের রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি অবশ্যই প্রয়োজনীয় এবং প্রশংসনীয়। তবে করব্যবস্থা এমন হওয়া উচিত, যা একই সঙ্গে রাজস্ব আহরণ, কর ন্যায্যতা এবং অর্থনৈতিক বাস্তবতা—এই তিনটির মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখে।

শহিদ ভাই কেবল একজন ব্যক্তির নাম নয়; তিনি বাংলাদেশের হাজার হাজার ক্ষুদ্র কেরিয়ার, কমিশন এজেন্ট ও প্রান্তিক ব্যবসায়ীর প্রতীক। তারা দেশের সরবরাহ ব্যবস্থাকে সচল রাখেন, ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে ব্যবহার করেন, নিয়মিত কর রিটার্ন দাখিল করেন এবং রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব পালন করেন।
করব্যবস্থার উদ্দেশ্য কখনোই সৎ করদাতাকে শাস্তি দেওয়া নয়; বরং কর পরিশোধে উৎসাহিত করা। তাই অর্থ আইন, ২০২৬-এর ধারা ১৬৩-এর অধীনে টার্নওভারভিত্তিক করের বিধান বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র ও কমিশনভিত্তিক ব্যবসার প্রকৃতি, প্রকৃত আয় এবং করদাতার আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পুনর্বিবেচনা করা সময়ের দাবি।

সেপ্টেম্বর এর মধ্যে ট্যাক্স রিটার্ন জমা করুন
23/07/2026

সেপ্টেম্বর এর মধ্যে ট্যাক্স রিটার্ন জমা করুন

জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে অনলাইনে রিটার্ন জমা দিলে নিট প্রদেয় করের ওপর ৫% (সর্বোচ্চ ২৫,০০০ টাকা পর্যন্ত) বিশেষ ছ...
22/07/2026

জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে অনলাইনে রিটার্ন জমা দিলে নিট প্রদেয় করের ওপর ৫% (সর্বোচ্চ ২৫,০০০ টাকা পর্যন্ত) বিশেষ ছাড় বা প্রণোদনা পাওয়া যাবে ।

মুনাফা বা লোকসান নির্বিশেষে তাহার ব্যবসা বা পেশার গ্রস প্রাপ্তির (Gross Receipt) উপর নির্দিষ্ট হারে টার্নওভার কর প্রযোজ্...
22/07/2026

মুনাফা বা লোকসান নির্বিশেষে তাহার ব্যবসা বা পেশার গ্রস প্রাপ্তির (Gross Receipt) উপর নির্দিষ্ট হারে টার্নওভার কর প্রযোজ্য হইবে ।

আয়কর আইন অনুযায়ী যেসব ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে ট্যাক্স সুবিধা পাওয়া যাবে, সেগুলো BAS ও IFRS মেনে Deferred Tax Asset হিসেবে হিস...
21/07/2026

আয়কর আইন অনুযায়ী যেসব ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে ট্যাক্স সুবিধা পাওয়া যাবে, সেগুলো BAS ও IFRS মেনে Deferred Tax Asset হিসেবে হিসাবভুক্ত করতে হবে। এছাড়া আর্থিক বিবরণীর নোট বা টীকা অংশে (Notes to the Financial Statements) বিস্তারিত বিবরণ (যেমন: হিসাবায়নের ভিত্তি, পদ্ধতি, পরিমাণ, সমন্বয়ের সময় ইত্যাদি) উল্লেখ করতে হবে।

​শ্রেণীকৃত ঋণ/অগ্রিম/বিনিয়োগের সঞ্চিতির (Provision) ক্ষেত্রে নিয়ম :
​(ক) Deferred Tax Asset হিসাবভুক্ত করার কারণে কর পরবর্তী আয়ে (Profit after Tax) যে পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে, তা লভ্যাংশ (Dividend) হিসেবে বিতরণ করা যাবে না।
​(খ) বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন এবং মূলধন পর্যাপ্ততা সংক্রান্ত বিবরণীতে Regulatory Eligible Capital নির্ধারণের সময় অবিভক্ত মুনাফা (Retained Earnings) থেকে এই সংক্রান্ত Deferred Tax Asset-এর পরিমাণ বাদ দিতে হবে।
​(গ) আর্থিক বিবরণীর টীকা অংশে (Notes) শ্রেণীকৃত ঋণের বিপরীতে সৃষ্টি হওয়া Deferred Tax Asset-এর বিস্তারিত ব্যাখ্যা (পরিমাণ, হিসাবায়ন পদ্ধতি, উৎস বছর, সংযোজন ও আদায় তথ্য ইত্যাদি) প্রদান করতে হবে।




Address

৬১ বিজয়নগর, পল্টন, ঢাকা ১০০০
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Income Tax BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category