Apex Counsel Law House

Apex Counsel Law House The firm is very practical and honest about what’s a must-have and what’s a nice-to-have.
(7)

১। প্রতিষেধক বা নিষেধাজ্ঞা মূলক রিট (Writ of Prohibition) কি?২। নিষেধাজ্ঞার রিটের (Writ of Prohibition) উদ্দেশ্য এবং পরি...
03/08/2025

১। প্রতিষেধক বা নিষেধাজ্ঞা মূলক রিট (Writ of Prohibition) কি?
২। নিষেধাজ্ঞার রিটের (Writ of Prohibition) উদ্দেশ্য এবং পরিধি?
৩। নিষেধাজ্ঞার রিট জারি করার কারণ সমূহ?
৪। রিট অফ ম্যান্ডামাস বা Writ of Mandamus এবং ৫। রিট অফ প্রোহিবিশন বা Writ of Prohibition মধ্যে পার্থক্য?
৬। সর্টিওরারি রিট (Writ of Certiorari) এবং নিষেধাজ্ঞার রিটের মধ্যে পার্থক্য?

হেবিয়াস কর্পাস রিট বা writ of habeas corpus এবং ম্যান্ডামাস রিটের বা writ of Mandamus তুলনায়, এই রিটের পরিধি সংকীর্ণ এবং শুধুমাত্র একটি বিচারিক সংস্থা এবং আধা-বিচারিক কর্তৃপক্ষের কাছে উচ্চ আদালত কর্তৃক জারি করা হয়। বিস্তৃত অর্থে Writ of Prohibition হলো একটি বিচারিক আদেশ যা উচ্চ আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালত বা কোনো সংস্থাকে কোনো নির্দিষ্ট এখতিয়ারের বাইরে কোনো কাজ করা থেকে বিরত থাকার জন্য দেওয়া হয়। অন্যভাবে বলা যায়, এটি একটি আইনি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে একটি উচ্চ আদালত একটি নিম্ন আদালত বা সংস্থাকে কোনো একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে তাদের এখতিয়ারের বাইরে কোনো কাজ করা থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দেয়।

এই রিট সাধারণত দুটি ক্ষেত্রে জারি করা হয়:
১। যদি কোনো #নিম্ন আদালত বা সংস্থা তার এখতিয়ারের বাইরে কোনো বিষয়ে বিচার করার চেষ্টা করে।
২। যদি কোনো নিম্ন আদালত বা #সংস্থা এমন কোনো কাজ করার চেষ্টা করে যা আইনত নিষিদ্ধ।

#নিষেধাজ্ঞার রিটের উদ্দেশ্য এবং পরিধি:

নিষেধাজ্ঞার রিটের প্রাথমিক উদ্দেশ্য হল নিম্ন আদালত, #প্রশাসনিক সংস্থা বা #ট্রাইব্যুনাল তার এখতিয়ার অতিক্রম করা বা প্রাকৃতিক ন্যায়বিচারের নীতির বিপরীতে কাজ করা থেকে বিরত রাখা। এটি একটি বিচারিক আদেশ হিসেবে কাজ করে, যা আদালত বা ট্রাইব্যুনালকে তার আইনি কর্তৃত্বের বাইরের কার্যক্রম বন্ধ করার নির্দেশ দেয়। সাধারণত পক্ষপাত, এখতিয়ারের অভাব, অথবা প্রাকৃতিক ন্যায়বিচারের নীতি লঙ্ঘনের প্রকৃত আশঙ্কা থাকলে রিট চাওয়া হয়, যেমন ন্যায্য শুনানি অস্বীকার করা বা পক্ষপাতের বিরুদ্ধে নিয়ম লঙ্ঘন করা।

নিষেধাজ্ঞার রিট জারি করার কারণ:

নিষেধাজ্ঞার রিট চাওয়ার কিছু কারণের মধ্যে রয়েছে:
১। এখতিয়ারের অভাব বা lack of :
নিম্ন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল যখন তার আইনানুগ এখতিয়ারের বাইরে কাজ করে তখন নিষেধাজ্ঞার রিট চাওয়া যেতে পারে। এর অর্থ হল আদালত এমন একটি বিষয় গ্রহণ করছে যা তার কর্তৃত্বের বাইরে বা এমন একটি মামলা শুনছে যার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা তাদের নেই। যদি এটি প্রমাণিত হয় যে নিম্ন আদালতের এখতিয়ারের অভাব রয়েছে, তাহলে পরবর্তী কার্যক্রম রোধ করার জন্য রিট জারি করা যেতে পারে।

২। প্রাকৃতিক ন্যায়বিচারের লঙ্ঘন বা of :
প্রাকৃতিক ন্যায়বিচার বলতে ন্যায্যতা এবং যথাযথ প্রক্রিয়ার নীতিগুলিকে বোঝায়। যদি অভিযোগ করা হয় যে নিম্ন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল এই নীতিগুলি লঙ্ঘন করেছে, যেমন ন্যায্য শুনানি অস্বীকার করে, পক্ষপাত প্রদর্শন করে, অথবা শুনানির সুযোগ না দিয়ে, তাহলে কার্যক্রম বন্ধ করার জন্য নিষেধাজ্ঞার রিট চাওয়া যেতে পারে। এটি নিশ্চিত করে যে ন্যায়বিচার পরিবেশিত হয় এবং জড়িত পক্ষগুলির অধিকার সুরক্ষিত হয়।

৩। মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন বা violation of :

যদি একটি নিম্ন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কোনও ব্যক্তি বা সত্তার মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করে, তাহলে নিষেধাজ্ঞার রিট চাওয়া যেতে পারে। মৌলিক অধিকারগুলি সাধারণত সাংবিধানিক বিধান বা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মান দ্বারা সুরক্ষিত থাকে। যদি প্রমাণিত হয় যে নিম্ন আদালতের পদক্ষেপগুলি বাকস্বাধীনতা, ধর্ম বা যথাযথ প্রক্রিয়ার মতো এই অধিকারগুলির লঙ্ঘন করে, তাহলে রিটটি বিচার প্রক্রিয়া বন্ধ করতে এবং সেই অধিকারগুলি রক্ষা করতে ব্যবহার করা যেতে পারে।

৪। আইনের ত্রুটি বা Error of :
কিছু #বিচারব্যবস্থায়, নিম্ন আদালত কর্তৃক প্রণীত আইনের ত্রুটি সংশোধনের জন্য নিষেধাজ্ঞার রিট পাওয়া যেতে পারে। যদি এটি দেখানো যায় যে নিম্ন আদালত আইনের ভুল প্রয়োগ করেছে বা কোনও উল্লেখযোগ্য আইনি ত্রুটি করেছে যা কার্যধারার ন্যায্যতা বা বৈধতাকে প্রভাবিত করে, তাহলে উচ্চ আদালত আরও ভুল পদক্ষেপ রোধ করার জন্য রিট জারি করতে পারে।

৫। #অসাংবিধানিকভাবে বা অতি-অপ্রাসঙ্গিক কাজ বা or highly :
যখন একটি নিম্ন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল অসাংবিধানিকভাবে বা তার আইনগত কর্তৃত্বের বাইরে কাজ করে তখন নিষেধাজ্ঞার রিট চাওয়া যেতে পারে। এটি এমন পরিস্থিতিতে বোঝায় যেখানে আদালত বা ট্রাইব্যুনাল তার ক্ষমতা অতিক্রম করে বা এমনভাবে কাজ করে যা সংবিধান বা শাসক আইনের বিধানের পরিপন্থী। যদি এটি দেখানো যায় যে নিম্ন আদালতের পদক্ষেপ অসাংবিধানিক বা অতি-অপ্রাসঙ্গিক (তার আইনি কর্তৃত্বের বাইরে) তাহলে আরও অসাংবিধানিক বা বেআইনি কাজ রোধ করার জন্য রিট চাওয়া যেতে পারে।

৬। স্পষ্টত রায়ে প্রমাণের অভাব:
নিষেধাজ্ঞার রিট চাওয়া যেতে পারে যদি এটি প্রমাণ করা যায় যে একটি নিম্ন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল পর্যাপ্ত প্রমাণ ছাড়াই বা সত্যকে উপেক্ষা করে একটি রায় বা সিদ্ধান্ত দিয়েছে। এই ভিত্তির জন্য সাধারণত দেখানো প্রয়োজন যে নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্ত স্পষ্টতই তথ্যের ত্রুটি বা উপস্থাপিত প্রমাণের ভুল ব্যাখ্যার উপর ভিত্তি করে। প্রমাণের অভাব বা সত্যতার উপর ভিত্তি করে একটি অন্যায্য বা ভুল রায় কার্যকর করা রোধ করার জন্য রিটটি চাওয়া যেতে পারে।

৭। এখতিয়ারের অতিরিক্ততা: নিম্ন আদালতের যদি কোনও নির্দিষ্ট মামলার শুনানির ক্ষমতা থাকে, তবুও এটি তার এখতিয়ারের বাইরে কাজ করতে পারে। এটি তখন ঘটে যখন এটি তার উপর প্রদত্ত ক্ষমতার বাইরে যায় বা এমনভাবে কাজ করে যা স্বেচ্ছাচারী বা অযৌক্তিক। নিম্ন আদালতকে তার আইনানুগ কর্তৃত্বের বাইরে যেতে বাধা দেওয়ার জন্য নিষেধাজ্ঞার রিট চাওয়া যেতে পারে।

রিট অফ ম্যান্ডামাস বা Writ of এবং রিট অফ প্রোহিবিশন বা Writ of মধ্যে পার্থক্য:

১। প্রকৃতিগত পার্থক্য:
রিট অফ ম্যান্ডামাস: রিট অফ ম্যান্ডামাস একটি ল্যাটিন শব্দ যার অর্থ 'আমরা আদেশ করি'। রিট অফ ম্যান্ডামাস হল একটি উচ্চ আদালত থেকে নিম্ন আদালত, সরকারী কর্তৃপক্ষ বা কর্মকর্তার কাছে একটি আদেশ, যা তাদের একটি নির্দিষ্ট কাজ বা কর্তব্য সম্পাদনের নির্দেশ দেয় যা তাদের সরকারী ক্ষমতার মধ্যে পড়ে।

রিট অফ প্রোহিবিশন: রিট অফ ম্যান্ডামাস হল একটি আইনি আদেশ যা একটি নিম্ন আদালত বা ট্রাইব্যুনালকে একটি মামলা পরিচালনা বা একটি নির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ থেকে নিষেধ করে।

২। উদ্দেশ্যগত পার্থক্য:

রিট অফ ম্যান্ডামাস: এটি সাধারণত তখনই চাওয়া হয় যখন কোনও কর্তব্য পালনের একটি স্পষ্ট #আইনি অধিকার থাকে এবং সেই কর্তব্য পালনে ব্যর্থতা বা অস্বীকৃতি থাকে। এটি জনসাধারণের কর্তব্য পালন এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার একটি প্রতিকার।

রিট অফ প্রোহিবিশন: এর উদ্দেশ্য হল একটি নিম্ন আদালত বা কর্তৃপক্ষকে তার এখতিয়ারের বাইরে বা তার আইনী ক্ষমতার অতিরিক্ত কাজ করা থেকে বিরত রাখা। এটি অবৈধ বা যথাযথ কর্তৃত্ব ছাড়াই বিবেচিত কার্যক্রম বন্ধ করার জন্য একটি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা।

যাদের বিরুদ্ধে রিট জারি করা হবে
ম্যান্ডামাসের রিট: ট্রাইব্যুনাল, নিম্ন আদালত, #সরকার, পাবলিক #কর্পোরেশন এবং সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

ম্যান্ডামাসের রিট: বিচার বিভাগীয় এবং আধা-বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।

ম্যান্ডামাসের রিট: যদি কোনও সরকারি কর্মকর্তা আইন অনুসারে জনসাধারণের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু তথ্য প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জানায়, তাহলে কর্মকর্তাকে তথ্য প্রকাশ করতে বাধ্য করার জন্য একটি ম্যান্ডামাসের রিট চাওয়া যেতে পারে।

#সর্টিওরারি রিট ( of ) এবং নিষেধাজ্ঞার রিটের মধ্যে পার্থক্য:

১। সার্টিওরারির রীট: সার্টিওরারি একটি ল্যাটিন শব্দ যার অর্থ 'প্রত্যয়িত হওয়া' বা 'অবহিত হওয়া'।

নিষেধাজ্ঞার রীট: নিষেধাজ্ঞা একটি আইনি শব্দ যা 'নিষেধ করা, প্রতিরোধ করা, নিষিদ্ধ করা বা বাধা দেওয়া' বোঝায়।

২। সার্টিওরারির রীট: এর উদ্দেশ্য হল উচ্চ আদালতের জন্য নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা করার জন্য একটি ব্যবস্থা প্রদান করা, আইনের ব্যাখ্যা এবং প্রয়োগে অভিন্নতা নিশ্চিত করা। এটি উচ্চ আদালতকে এমন মামলা নির্বাচন করার অনুমতি দেয় যা উল্লেখযোগ্য আইনি সমস্যা উত্থাপন করে বা নিম্ন আদালতের মধ্যে বিরোধপূর্ণ সিদ্ধান্ত জড়িত করে।

নিষেধাজ্ঞার রীট: এর উদ্দেশ্য হল একটি নিম্ন আদালত বা সংস্থাকে তার আইনি কর্তৃত্বের বাইরে কাজ করা থেকে বিরত রাখা এবং জড়িত পক্ষগুলির অধিকার লঙ্ঘন না করা।

৩। মঞ্জুরির মানদণ্ড
সার্টিওরারির রীট: বেশিরভাগ বিচারব্যবস্থায়, সার্টিওরারির রীট বিবেচনামূলক, যার অর্থ উচ্চ আদালতের রিট মঞ্জুর করা বা অস্বীকার করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিচক্ষণতা রয়েছে। উচ্চ আদালত সাধারণত উপস্থাপিত আইনি প্রশ্নের গুরুত্ব, নিম্ন আদালতগুলির মধ্যে পরস্পরবিরোধী সিদ্ধান্তের অস্তিত্ব এবং আইনের বিকাশের উপর মামলার সম্ভাব্য প্রভাবের মতো বিষয়গুলি বিবেচনা করে।

নিষেধাজ্ঞার রিট: নিষেধাজ্ঞার রিট সাধারণত তখনই মঞ্জুর করা হয় যখন স্পষ্টভাবে দেখা যায় যে নিম্ন আদালত বা সংস্থা এখতিয়ার ছাড়াই কাজ করছে, অথবা যখন এটি তার আইনগত কর্তৃত্ব অতিক্রম করতে চলেছে। রিট আবেদনকারীকে অবশ্যই দেখাতে হবে যে সমস্যাটির সমাধানের জন্য অন্য কোনও পর্যাপ্ত আইনি প্রতিকার উপলব্ধ নেই।

৪। সার্টিওরারির রীট: যদি উচ্চ আদালত সার্টিওরারির রীট মঞ্জুর করে, তাহলে এটি কার্যকরভাবে মামলাটি পর্যালোচনা করতে এবং নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্ত সঠিক কিনা তা নির্ধারণ করতে সম্মত হয়। উচ্চ আদালত নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করতে, তা বাতিল করতে, অথবা পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য মামলাটি নিম্ন আদালতে ফেরত পাঠাতে পারে।

নিষেধাজ্ঞার রীট: যদি উচ্চ আদালত নিষেধাজ্ঞার রীট মঞ্জুর করে, তাহলে এটি নিম্ন আদালত বা সংস্থাকে মামলাটি পরিচালনা বা পরবর্তী কোনও পদক্ষেপ নিতে কার্যকরভাবে বাধা দেয়। নিম্ন আদালত বা সংস্থাকে অবশ্যই রিট মেনে চলতে হবে এবং নির্দিষ্ট বিষয়ে তার কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে। নিষেধাজ্ঞার রীট নিম্ন আদালত বা সংস্থার পদক্ষেপের ফলে ভবিষ্যতে হতে পারে এমন ক্ষতি বা অবিচার প্রতিরোধ করার লক্ষ্যে।

৫। সার্টিওরারির রীট: এটি একটি সংশোধনমূলক প্রতিকার, নিম্ন আদালতের আদেশ এবং রায় বাতিল করা হয়।

নিষেধাজ্ঞার রীট: এটি একটি #প্রতিরোধমূলক প্রতিকার, যা নিম্ন আদালতের #আদেশ এবং #রায় -কে বাধা দেয়।

অর্থাৎ যদি কোনো সরকারি কর্মকর্তা তার এখতিয়ারের বাইরে গিয়ে কোনো কাজ করেন, সেক্ষেত্রে উচ্চ আদালত প্রতিষেধক রিট জারির মাধ্যমে সেই কর্মকর্তাকে কাজটি করা থেকে বিরত থাকতে বলতে পারে। এই রিট সাধারণত তখনই জারি করা হয় যখন অন্য কোনো প্রতিকার পাওয়া কঠিন হয়। সাধারণত নিষেধাজ্ঞার রিট "বিকল্প রিট" এবং "অনুষ্ঠিত রিট" এ বিভক্ত। এই বিকল্প রিট প্রাপককে অবিলম্বে কাজ করতে বা প্রত্যাহার করতে এবং কেন নির্দেশটি স্থায়ী করা উচিত নয় তা জানাতে নির্দেশ দেয়।

উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো #পৌরসভা কোনো অবৈধ নির্মাণকাজ শুরু করে, তাহলে উচ্চ আদালত একটি প্রতিষেধক রিট জারির মাধ্যমে পৌরসভাকে সেই নির্মাণকাজ বন্ধ করার নির্দেশ দিতে পারে। এই রিট একটি আদালত বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থাকে তাদের এখতিয়ারের বাইরে কোনো কাজ করতে বাধা দেওয়ার জন্য একটি শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে।

উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো নিম্ন আদালত এমন একটি মামলার বিচার করার চেষ্টা করে যা তার এখতিয়ারের বাইরে, তাহলে একটি উচ্চ আদালত সেই নিম্ন আদালতকে সেই মামলাটির বিচার করা থেকে বিরত থাকার জন্য #প্রতিষেধক রিট জারি করতে পারে।

সংবিধানের নির্বাহী বিভাগ বা শাসন বিভাগ বলতে রাষ্ট্রের সেই অংশকে বোঝায় যা আইন ও নীতিসমূহ বাস্তবায়ন করে। বাংলাদেশের সংবি...
17/07/2025

সংবিধানের নির্বাহী বিভাগ বা শাসন বিভাগ বলতে রাষ্ট্রের সেই অংশকে বোঝায় যা আইন ও নীতিসমূহ বাস্তবায়ন করে। বাংলাদেশের সংবিধানের #চতুর্থ ভাগে #নির্বাহী #বিভাগ (Executive Branch) সম্পর্কিত বিধানগুলো আলোচনা করা হয়েছে। এই অংশে #রাষ্ট্রপতি, #প্রধানমন্ত্রী, #মন্ত্রিসভা এবং অন্যান্য নির্বাহী কার্যাবলী সম্পর্কিত বিষয়গুলি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সংবিধানের অন্যান্য অনুচ্ছেদে বিভিন্ন নির্বাহী বিভাগীয় কার্যাবলী, যেমন- #ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার, #জরুরি #অবস্থা #ঘোষণা, ইত্যাদি আলোচনা করা হয়েছে।

নির্বাহী বিভাগ সরকারের #তিনটি অঙ্গের মধ্যে একটি, যা আইনসভা ( #জাতীয় #সংসদ) ও #বিচার বিভাগের সাথে একত্রে কাজ করে। সংবিধানের চতুর্থ ভাগের এই অনুচ্ছেদ গুলোতে নির্বাহী বিভাগের গঠন, ক্ষমতা এবং দায়িত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা করা হয়েছে।

অনুচ্ছেদ ৪৮:
রাষ্ট্রপতি পদের বিধান এবং তাঁর ক্ষমতা ও দায়িত্ব।

অনুচ্ছেদ ৪৯:
রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার।

অনুচ্ছেদ ৫০:
রাষ্ট্রপতি পদের মেয়াদ এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয়।

অনুচ্ছেদ ৫২:
প্রধানমন্ত্রীর নিয়োগ এবং তাঁর ক্ষমতা ও দায়িত্ব।

অনুচ্ছেদ ৫৩:
মন্ত্রিসভার গঠন ও দায়িত্ব।

অনুচ্ছেদ ৫৫:
নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ।

অনুচ্ছেদ ৫৬:
প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার গঠন ও কার্যপরিধি।

অনুচ্ছেদ ৫৯:
স্থানীয় শাসন বিধান।

অনুচ্ছেদ ৬১:
প্রতিরক্ষা কর্ম বিভাগ সংক্রান্ত বিধান।

অনুচ্ছেদ ৬২:
#আন্তর্জাতিক সম্পর্ক সংক্রান্ত বিধান।

অনুচ্ছেদ ৬৪:
#অ্যাটর্নি #জেনারেল সম্পর্কিত।

উল্লেখ্য যে; অনুচ্ছেদ 22:
রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ।

সংবিধানে নির্বাহী বিভাগ ( ) আইন বাস্তবায়ন ও প্রয়োগ, বৈদেশিক নীতি পরিচালনা এবং রাষ্ট্রের দৈনন্দিন বিষয় পরিচালনার পাশাপাশি এটির নেতৃত্বে এবং নির্দেশনায় রাষ্ট্র কার্যকরভাবে কাজ করা এবং তার নাগরিকদের প্রতি দায়িত্ব পালন করে।

 #সাংবিধানিক  #মৌলিক  #অধিকার     মানুষের  #মানবাধিকার যা একটি দেশের  #সংবিধান দ্বারা নিশ্চিত এবং সুরক্ষিত অর্থাৎ সাংবিধ...
15/07/2025

#সাংবিধানিক #মৌলিক #অধিকার


মানুষের #মানবাধিকার যা একটি দেশের #সংবিধান দ্বারা নিশ্চিত এবং সুরক্ষিত অর্থাৎ সাংবিধানিক মৌলিক অধিকার। যা সংবিধানের ১৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা ইত্যাদি মৌলিক চাহিদা পূরণের অধিকার নয়, বরং সংবিধানের তৃতীয় অংশে বর্ণিত অধিকারগুলোই মৌলিক অধিকার হিসেবে বিবেচিত হয়। বাংলাদেশে এই অধিকারগুলি সংবিধানের তৃতীয় অংশে, বিশেষ করে #অনুচ্ছেদ 26 থেকে 47A পর্যন্ত অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে সমতা, চলাচলের স্বাধীনতা, ধর্ম এবং জীবন ও স্বাধীনতার সুরক্ষা।

২৬ অনুচ্ছেদ (মৌলিক অধিকারের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ আইন বাতিল):-

২৬(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, সংবিধানের তৃতীয় ভাগের (মৌলিক অধিকার) সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ যেকোনো আইন বাতিল হয়ে যাবে।

পূর্বের আইনও বাতিল:-
২৬(২) অনুচ্ছেদে আরও বলা হয়েছে যে, সংবিধান প্রবর্তনের পূর্বে প্রণীত কোনো আইন যদি মৌলিক অধিকারের সাথে সাংঘর্ষিক হয়, তবে সেই আইনও বাতিল বলে গণ্য হবে।

২৭ অনুচ্ছেদ (আইনের সামনে সমতা);-

সকল #নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।"

কোনো ব্যক্তি ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ, জন্মস্থান বা অন্য কোনো কারণে আইনের আশ্রয় লাভের ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার হবেন না।

অর্থাৎ আইনের প্রয়োগের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্রের আচরণ একই রকম হবে এবং কোনো ব্যক্তি বিশেষ সুবিধা বা অন্যায্য আচরণ পাবেন না

২৮ অনুচ্ছেদ (ধর্মের ভিত্তিতে বৈষম্য ইত্যাদি);-

রাষ্ট্র কোনো নাগরিকের প্রতি ধর্ম, বর্ণ, জাতি, লিঙ্গ বা জন্মস্থানের ভিত্তিতে বৈষম্য প্রদর্শন করবে না।

#নারী-পুরুষের সমান অধিকার:-
রাষ্ট্রের সর্বক্ষেত্রে এবং জন-জীবনে নারী ও পুরুষের সমান অধিকার থাকবে।

বিশেষ বিধান প্রণয়নের সুযোগ:-
২৮(৪) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, নারী বা শিশুদের জন্য অথবা সমাজের অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান প্রণয়ন করা যাবে।

২৯ অনুচ্ছেদ (সরকারি চাকরিতে সুযোগের সমতা);-

সকল নাগরিকের জন্য #সরকারি চাকরিতে নিয়োগ এবং পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে সমান সুযোগ নিশ্চিত করা হবে এবং এক্ষেত্রে কোনো প্রকার #বৈষম্য করা যাবে না।

৩০ অনুচ্ছেদ (বিদেশী উপাধি নিষিদ্ধকরণ);-

#রাষ্ট্রপতি পূর্বানুমোদন ব্যতীত কোন নাগরিক কোন বিদেশী রাষ্ট্রের নিকট হইতে কোন খেতাব, সম্মান, পুরস্কার বা ভূষণ গ্রহণ করিবেন না।"

৩১ অনুচ্ছেদ (আইনের সুরক্ষার অধিকার);-

প্রত্যেক ব্যক্তি আইনের আশ্রয় লাভের অধিকারী, অর্থাৎ, আইনের মাধ্যমে তার অধিকার রক্ষা করার সুযোগ রয়েছে।

৩২ অনুচ্ছেদ (জীবন ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অধিকার সুরক্ষা);

আইনানুযায়ী ব্যতীত জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতা হইতে কোন ব্যক্তিকে বঞ্চিত করা যাইবে না"।

অর্থাৎ আইনের আশ্রয় ছাড়া কাউকে তার জীবন বা ব্যক্তিগত স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত করা যাবে না

৩৩ অনুচ্ছেদ (গ্রেপ্তার ও আটক সংক্রান্ত সুরক্ষা);-

কোনো ব্যক্তিকে #গ্রেপ্তার করা হলে, তাকে গ্রেপ্তারের কারণ দ্রুত জানাতে হবে এবং তাকে তার মনোনীত #আইনজীবী সাথে পরামর্শ করার এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা যাবে না।

৩৪ অনুচ্ছেদ (জোরপূর্বক শ্রম নিষিদ্ধকরণ);-

সকল প্রকার জবরদস্তি #শ্রম নিষিদ্ধ এবং এই বিধান লঙ্ঘন করলে তা আইনত: দণ্ডনীয় #অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে

৩৫ অনুচ্ছেদ ( #বিচার ও শাস্তির ক্ষেত্রে সুরক্ষা);-

বিচার ও #দণ্ড সম্পর্কিত অধিকার:
কোন ব্যক্তিকে অপরাধের জন্য দোষী সাব্যস্ত করা যাবে না, যদি না অপরাধ সংঘটনের সময় সেই কাজের জন্য কোন আইন প্রণীত থাকে।

একই অপরাধের জন্য একাধিক বিচার ও দণ্ড থেকে সুরক্ষা:
একই অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তিকে একাধিকবার বিচার বা দণ্ড দেওয়া যাবে না।

দ্রুত ও প্রকাশ্য বিচার:-
প্রত্যেক ব্যক্তির অধিকার আছে দ্রুত ও প্রকাশ্য বিচার পাওয়ার।

আত্ম-অপরাধ থেকে সুরক্ষা:-
কোন ব্যক্তিকে তার নিজের বিরুদ্ধে #সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাবে না।

৩৬ অনুচ্ছেদ (চলাচলের স্বাধীনতা);-

প্রত্যেক নাগরিকের বাংলাদেশের ভেতরে অবাধে চলাফেরা, যে কোনো স্থানে বসবাস ও বসতি স্থাপন এবং বাংলাদেশ ত্যাগ ও পুনরায় বাংলাদেশে ফিরে আসার অধিকার থাকবে। তবে, এই স্বাধীনতা আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধা-নিষেধ সাপেক্ষে প্রযোজ্য হবে

৩৭ অনুচ্ছেদ (সমাবেশের স্বাধীনতা);-
নাগরিকরা কোনো প্রকার অস্ত্র ছাড়া শান্তিপূর্ণভাবে একত্রিত হতে পারবে এবং সভা-সমাবেশ ও শোভাযাত্রার আয়োজন করতে পারবে।

৩৮ অনুচ্ছেদ (সংগঠনের স্বাধীনতা);-
নাগরিকরা তাদের পছন্দসই সমিতি বা সংঘ গঠন করতে পারবে, তবে সেই #সংগঠন জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতার পরিপন্থী হওয়া যাবে না এবং সরকার যুক্তিসঙ্গত বিধি-নিষেধ আরোপ করতে পারবে

৩৯ অনুচ্ছেদ (চিন্তা, বিবেক এবং #বাকস্বাধীনতা);-
প্রত্যেক নাগরিকের চিন্তা করার, বিবেক ব্যবহারের এবং মুক্তভাবে মত প্রকাশ করার অধিকার রয়েছে। তবে, এই স্বাধীনতা রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা, নৈতিকতা, আদালত-অবমাননা, ইত্যাদি কারণে যুক্তিসঙ্গতভাবে সীমাবদ্ধ করা যেতে পারে।

৪০ অনুচ্ছেদ (পেশা বা পেশার স্বাধীনতা);-
প্রত্যেক নাগরিকের একটি পেশা বা বৃত্তি বেছে নেবার স্বাধীনতা থাকবে।

যেকোনো বৈধ ব্যবসা বা বাণিজ্য করার স্বাধীনতাও প্রত্যেক নাগরিকের থাকবে।

তবে, এই স্বাধীনতা অবশ্যই আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসংগত বিধিনিষেধের অধীন হবে

৪১ অনুচ্ছেদ (ধর্মের স্বাধীনতা);-

প্রত্যেক নাগরিকের যে কোনো ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচার করার অধিকার রয়েছে।

তবে, এই অধিকার আইন, জনশৃঙ্খলা এবং নৈতিকতার দ্বারা সীমাবদ্ধ। এছাড়াও, প্রত্যেক ধর্মীয় সম্প্রদায় ও উপ-সম্প্রদায়ের নিজস্ব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের স্থাপন, রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার অধিকার রয়েছে।

৪২ অনুচ্ছেদ (সম্পত্তির অধিকার):

প্রত্যেক নাগরিকের সম্পত্তি অর্জন, ধারণ, হস্তান্তর এবং বিলি-ব্যবস্থা করার অধিকার রয়েছে। তবে এই অধিকার আইনের দ্বারা আরোপিত বাধানিষেধ সাপেক্ষে প্রযোজ্য। এছাড়াও, আইনের কর্তৃত্ব ব্যতীত কোনো সম্পত্তি বাধ্যতামূলকভাবে গ্রহণ, জাতীয়করণ বা অধিগ্রহণ করা যাবে না।

৪৩ অনুচ্ছেদ (বাসস্থান এবং চিঠিপত্রের সুরক্ষা)::-

অনুচ্ছেদ ৪৩(ক):
প্রত্যেক নাগরিকের নিজ গৃহে প্রবেশ, তল্লাশি ও আটক থেকে নিরাপদ থাকার অধিকার থাকবে।

অনুচ্ছেদ ৪৩(খ):
চিঠিপত্র ও যোগাযোগের অন্যান্য মাধ্যমের গোপনীয়তা রক্ষার অধিকার থাকবে।

৪৪ অনুচ্ছেদ (মৌলিক অধিকার প্রয়োগ);-
যদি কোনো ব্যক্তি মনে করেন যে, তার মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে, তাহলে তিনি সংবিধানের ৪৪ অনুচ্ছেদের অধীনে হাইকোর্টে রিট আবেদন করে প্রতিকার চাইতে পারেন।

সংবিধানের ৪৪ অনুচ্ছেদ ও ১০২ অনুচ্ছেদের অধীনে #বাংলাদেশের #সুপ্রিম #কোর্টের #হাইকোর্ট বিভাগের #রিট এখতিয়ারের মাধ্যমে এই অধিকারগুলির প্রয়োগ নিশ্চিত করা হয়েছে।

সংবিধানের ৪৫ অনুচ্ছেদ:-

সংবিধানের মৌলিক অধিকারের যে ধারাগুলো আছে, সেগুলো সাধারণত সকল নাগরিকের জন্য প্রযোজ্য হলেও, সামরিক বা আধা-সামরিক বাহিনীর সদস্যদের জন্য প্রযোজ্য হবে না, যদি সেই বিধান তাদের শৃঙ্খলারক্ষা বা কর্তব্য পালনের সাথে সাংঘর্ষিক হয়।

সংবিধানের ৪৬ অনুচ্ছেদ "দায়মুক্তি-বিধানের ক্ষমতা":-

জাতীয় মুক্তি সংগ্রাম বা দেশের স্বার্থে সম্পাদিত কাজের জন্য সরকারি কর্মচারী বা অন্য কেউ দায়মুক্তি পাবেন। অর্থাৎ, তাদের কাজের জন্য তাদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না, যদি না সেই কাজগুলো সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলীর পরিপন্থী হয়

অনুচ্ছেদ ৪৭: কতিপয় আইনের হেফাজত::-

এই অনুচ্ছেদের মূল বিষয় হল কিছু বিশেষ আইন, যা মূলত স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বা তার পরবর্তী সময়ে প্রণীত হয়েছিল, সেগুলোর হেফাজত করা। এর মানে হল, এই আইনগুলো সংবিধানের মৌলিক অধিকার সম্পর্কিত বিধান দ্বারা প্রভাবিত হবে না।

অনুচ্ছেদ ৪৭(১): এই উপধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কোনো আইন স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বা তার পরবর্তী সময়ে প্রণীত হয়ে থাকে এবং সেই আইন যদি সংবিধানের মৌলিক অধিকার সম্পর্কিত বিধানগুলোর সাথে সাংঘর্ষিক হয়, তবুও সেই আইন বাতিল বা পরিবর্তন করা যাবে না।

অনুচ্ছেদ ৪৭(২): এই উপধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কোন ব্যক্তি এমন কোন আইনের অধীনে অভিযুক্ত হন, যা ৪৭(১) এ উল্লেখিত আইনের অন্তর্ভুক্ত, তাহলে সংবিধানের ৩১, ৩৫(১) ও (৩), এবং ৪৪ অনুচ্ছেদে উল্লেখিত অধিকারগুলো তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

অনুচ্ছেদ ৪৭(৩): এখানে বলা হয়েছে, যদি কোন ব্যক্তি ৪৭(১) এ উল্লেখিত আইনের অধীনে অভিযুক্ত হন, তাহলে তার বিচার সংবিধানের ১৪০(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গঠিত ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে হতে পারে।

সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদ এমন কিছু বিশেষ আইনকে সুরক্ষা দেয় যা #স্বাধীনতা #যুদ্ধ এবং এর পরবর্তী সময়ের প্রেক্ষাপটে প্রণীত হয়েছিল। এই আইনগুলো সংবিধানের মৌলিক অধিকারের সাথে সাংঘর্ষিক হলেও, সেগুলোর কার্যকারিতা বজায় থাকবে।

সরকারি চাকরিজীবী ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারী অপরাধে মামলা ও গ্রেফতার এবং পরবর্তী আইনানুগ কাযর্ক্রম! #সংবিধানের ২৭ ও ৩১  #অ...
06/07/2025

সরকারি চাকরিজীবী ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারী অপরাধে মামলা ও গ্রেফতার এবং পরবর্তী আইনানুগ কাযর্ক্রম!

#সংবিধানের ২৭ ও ৩১ #অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সকলেই আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।
সরকারি চাকরিতে থাকলে যেকোনো #ফৌজদারি অপরাধ করে পার পাওয়া যায়; এমন একটা বিশ্বাস এখন মানুষের মনের মধ্যে আর নাই।এক্ষেত্রে, অপরাধের শ্রেণী অনুযায়ী ব্যক্তির ক্ষেত্রে #সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৬৪ এবং সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়ে থাকে।

ব্যক্তি সরকারি চাকরিজীবীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা হলে সরকারি চাকরি আইন ২০১৮ দিয়ে সেটি পরিচালিত হয়ে থাকে। কোনো সরকারি চাকরিজীবী #দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলে কী হবে, তা এই আইনের ৪২ ধারায় বলা আছে।

এক্ষেত্রে, মামলাটি #বিচারাধীন থাকা অবস্থায় তার চাকরির উপর কি প্রভাব পড়বে, তা নির্ভর করে মামলার #অভিযোগ এবং আদালতের রায়ের উপর।

যদি #আদালত কর্তৃক #অভিযোগপত্র গৃহীত হওয়ার পূর্বে গ্রেফতারের প্রয়োজন হয়, তবে ২০১৮ সালের সরকারি চাকরি আইনের ৪১(১) #ধারা অনুযায়ী; সরকার বা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি নিতে হবে।(ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৭ ধারা অনুযায়ী, বিচারক, #ম্যাজিস্ট্রেট বা কোনো সরকারি কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনের সাথে সম্পর্কিত কোনো কাজের জন্য সরকারের পূর্বানুমতি ছাড়া মামলা আমলে নেয়া যায় না।)

মামলা বিচারাধীন থাকা অবস্থায়, সরকারি কর্মচারী তার দায়িত্ব পালন করতে পারবেন, তবে কিছু ক্ষেত্রে #নিষেধাজ্ঞার সম্মুখীন হতে পারেন। যদি মামলাটি ব্যক্তির চাকরির সাথে সম্পর্কিত না হয়, তাহলে চাকরি সাধারণত স্বাভাবিকভাবে চলতে থাকে।যদি মামলায় আপনি দোষী সাব্যস্ত হন, তবেই ব্যক্তির চাকরি যাওয়ার সম্ভবনা থাকে অথবা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অন্য কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হতে পারে।

অএ আইনের ধারা ৪২(২) -এ বলা আছে কোনো সরকারি কর্মচারী ফৌজদারি মামলায় আদালত থেকে ১ (এক) বছর মেয়াদের বা কম #কারাদণ্ড বা #অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইলে, কর্তৃপক্ষ তাঁকে নিচের যেকোনো দণ্ড প্রদান করতে পারবে:

ক. তিরস্কার করা;

খ. নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য পদোন্নতি বা বেতন বৃদ্ধি স্থগিত রাখতে পারবে;

গ. নিম্নপদ বা নিম্নতর বেতন স্কেলে অবনমিত করতে পারবে; অথবা

ঘ. কোনো #আইন বা সরকারি আদেশ অমান্য করলে বা কর্তব্যে ইচ্ছাকৃত অবহেলার কারণে সরকারি অর্থ বা সম্পত্তির ক্ষতি হলে উপযুক্ত #ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে।

সরকারি কর্মচারী (শৃংখলা ও আপিল) #বিধিমালা, ২০১৮ এর অধীনে সরকারি কর্মচারী কর্তৃক শাস্তিযোগ্য যেকোনো বিধি লঙ্ঘন অথবা ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে, তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা যেতে পারে।

#বিভাগীয় মামলায় কী শাস্তি হতে পারে?

সরকারি চাকরি আইন (সার্ভিস রুল) ২০১৮-এর #দশম অধ্যায়ে সরকারি কর্মচারীর অনুসরণীয় নীতি, আচরণ, শৃঙ্খলা ইত্যাদির বিশদ ব্যাখ্যা আছে। অএ আইনের ৩২ ধারায়~ ‘নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ, বিভাগীয় কার্যধারায় দোষী সাব্যস্ত কোনো কর্মচারীকে এতৎসংক্রান্ত বিধির বিধান সাপেক্ষে নিম্নবর্ণিত এক বা একাধিক লঘু বা গুরুদণ্ড আরোপ করিতে পারিবে, যথা:-

(১) #লঘুদণ্ডসমূহ:-

(অ) তিরস্কার;

(আ) নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য পদোন্নতি বা বেতন বৃদ্ধি স্থগিতকরণ;

(ই) বেতন স্কেলের নিম্ন ধাপে অবনমিতকরণ;

(ঈ) কোনো আইন বা সরকারি আদেশ অমান্যকরণ অথবা কর্তব্যে ইচ্ছাকৃত অবহেলার কারণে সরকারি অর্থ বা সম্পত্তির ক্ষতি সংঘটিত হইলে যথোপযুক্ত ক্ষতিপূরণ আদায়।

(২) #গুরুদণ্ডসমূহ:-

(অ) নিম্ন পদ বা নিম্নতর বেতন স্কেলে অবনমিতকরণ;

(আ) বাধ্যতামূলক অবসর প্রদান;

(ই) চাকরি হইতে অপসারণ;

(ঈ) চাকরি হইতে বরখাস্ত।

অবশ্য, অভিযোগ থেকে অব্যাহতি পেলে বা খালাস পেলে, সাময়িক বরখাস্তের আদেশ বাতিল হয়ে যায়।

এক্ষেত্রে, সরকারি চাকরিজীবী ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ #মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন হয়ে থাকলে আইনানুযায়ী তিনি
প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন।

১। মিথ্যা মামলাকারী ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারি কার্যবিধি ( -1898) ২৫০ ধারা অনুযায়ী মিথ্যা মামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে আদালত ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ করতে পারেন।

২। #দণ্ডবিধি (Penal Code-1860 ) ২১১ ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে কারো বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করে, তবে তার দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।

৩। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১৭ ধারায় মিথ্যা মামলা বা অভিযোগের দায়ে অপরাধীর সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

৪। মিথ্যা মামলা করার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ক্ষতিপূরণ এবং মানহানির জন্যেও #দেওয়ানি আদালতে মানি স্যুট ( Suit) মোকাদ্দমা করতে পারেন।

৫। মিথ্যা মামলা দায়ের করলে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারা অনুযায়ী মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য শাস্তির সম্মুখীন হতে পারেন।

সরকারি চাকরিজীবী ব্যক্তি স্ত্রী কর্তৃক বিয়ে অথবা তালাক (বিচ্ছেদ) পরবর্তী বকেয়া/অপরিশোধিত দেনমোহর পরিশোধ হওয়ার পরেও যদি মিথ্যা মামলা বা হয়রানির শিকার হন; যেমন- #পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩, #যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৮ - ধারা ৩ ও ৪ এবং #নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ - ধারা ১১(গ) ধারার অপরাধের ক্ষেত্রে; আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধন) #অধ্যাদেশ, ২০২৫ অনুযায়ী আপনার স্ত্রীকে মামলার আগে মধ্যস্থতার পথে হাঁটতে হবে।এক্ষেত্রে সরকারি চাকরিজীবী ব্যক্তি মামলা পরবর্তী আইন ও আদালতের শরণাপন্ন হওয়া এবং মিথ্যা মামলা বা হয়রানির শিকার হলে আইনানুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা বা অভিযোগের স্বপক্ষে বা বিপক্ষে প্রমাণ সংগ্রহে যথেষ্ট সময় পাবেন।

1. হেফাজত (Custody) কী?2. শিশু হেফাজত (Child Custody) কী?3. বিচারিক আদালত কখন সন্তান অথবা শিশুদের জন্য হেফাজতের আদেশ দিয...
04/07/2025

1. হেফাজত (Custody) কী?
2. শিশু হেফাজত (Child Custody) কী?
3. বিচারিক আদালত কখন সন্তান অথবা শিশুদের জন্য হেফাজতের আদেশ দিয়ে থাকেন? (In what circumstances can a trial court order legal custody for a child?)
4. বিচারিক আদালত শিশুর হেফাজতের জন্য কি ধরণের আদেশ প্রদান করেন? (What are the types of orders that trial courts grant for child custody?)



1. হেফাজত (Custody) কী?

#হেফাজত, যা "হেফাজতের দায়িত্ব" নামেও অভিহিত। এর অর্থ হল আপনার সন্তানের যত্ন নেওয়ার এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার #আইনি অধিকার (Legal ) এবং পরিপূর্ণ দায়িত্ব থাকা।
১৮ বছরের কম বয়সী শিশু বা কোনও ব্যক্তি বা সম্পত্তির অংশকে সুরক্ষা ও নিয়ন্ত্রণ করার অথবা তা করার অধিকার রাখাও হেফাজত। হেফাজত শব্দটি #ফৌজদারি ( ) এবং #পারিবারিক আইনে ( 's) ব্যবহৃত হয়।

2. শিশু হেফাজত (Child Custody) কী?

আইনের ভাষায়, শিশু হেফাজত বলতে ১৮ বছরের কম বয়সী শিশুর যত্ন এবং নিয়ন্ত্রণের জন্য এক বা একাধিক ব্যক্তিকে নিয়োগ করাকে বোঝায়।

যদি আপনি আলাদা থাকেন এবং আপনার সন্তান থাকে; তাহলে সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগের বিষয়গুলির মধ্যে একটি হবে আপনার সন্তানের হেফাজত এবং লালন-পালনের ভাবনা। শিশুর আইনি হেফাজতের ( ) প্রয়োজন হলে, আদালতের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়; এক্ষেত্রে যেকোনো পরিস্থিতিতে, আদালতের প্রধান বিচার্য বিষয় থাকে "শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থ" ( 's best interest) অর্থাৎ যা শিশুর ভবিষ্যৎ এবং মঙ্গলের জন্য সবচেয়ে উপযোগী।

3. বিচারিক আদালত কখন সন্তান অথবা শিশুদের জন্য হেফাজতের আদেশ দিয়ে থাকেন? (In what circumstances can a trial court order legal custody for a child?)

সাধারণত শিশুর বয়স, স্বাস্থ্য, ধর্ম, শিক্ষা এবং সন্তানের শারীরিক, মানসিক এবং সামাজিক অর্থাৎ মৌলিক চাহিদা (Basic Needs) পূরণের জন্য ক্ষমতা ইত্যাদি অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিবেচনা করে বিচারিক আদালত হেফাজতের আদেশ প্রদান করেন।
প্রধানত;
১। পিতা-মাতার বিচ্ছেদ বা #বিবাহ- #বিচ্ছেদ;
২। পিতা-মাতার বা যেকোনো এক জনের #মৃত্যু;
৩। পিতা-মাতার কর্তব্য পালনে ব্যর্থতা অর্থাৎ যখন পিতা-মাতা কর্তৃক অবহেলা, নির্যাতন বা #মাদকদ্রব্যের অপব্যবহারের মতো সমস্যার কারণে সন্তানের সুস্থতা ও স্বার্থ ঝুঁকির মধ্যে থাকে, তখন আইনত হেফাজত ব্যবস্থা নির্ধারণ করতে #বিচারিক #আদালত আদেশ প্রদান করেন।

4. বিচারিক আদালত শিশুর হেফাজতের জন্য কি ধরণের #আদেশ প্রদান করেন? ((What are the types of that courts grant for child Legal custody?)

ক্ষেত্রবিশেষে শিশুর বা আপনার সন্তানের হেফাজত নির্ধারনে বিচারিক আদালত ৪ ধরনের আইনি হেফাজতের আদেশ প্রদান করেন। যেমন:
১। শারীরিক হেফাজত ( custody);
২। #যৌথ হেফাজত ( Legal Custody);
৩। #একক হেফাজত ( Legal Custody);
৪। #তৃতীয় পক্ষের হেফাজত ( Legal Custody)।

৫ টি দেওয়ানি ও ৪ টি ফৌজদারি আইনে 'আইনগত সহায়তা প্রদান আইন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এর   সংশোধনীতে আপসযোগ্য ও পারিবারিক, ...
04/07/2025

৫ টি দেওয়ানি ও ৪ টি ফৌজদারি আইনে 'আইনগত সহায়তা প্রদান আইন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এর সংশোধনীতে আপসযোগ্য ও পারিবারিক, দেওয়ানি, ফৌজদারি ও চেকের মামলাগুলোকে (অনধিক ৫ লাখ টাকা মূল্যমান চেকের ক্ষেত্রে) মামলা পূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রমের আওতায় বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এধরনের মামলাগুলো আদালতে দায়ের করার পূর্বে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে আবশ্যিকভাবে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে আপসের চেষ্টা করতে হবে। নতুন অধ্যাদেশ অনুযায়ী পারিবারিক সহিংসতা ও সামাজিক অস্থিরতা কমানো সম্ভব হবে যখন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১১(গ) ধারার অপরাধের ক্ষেত্রে নির্যাতনের শিকার নারীকে মামলার আগে মধ্যস্থতার পথে হাঁটতে হবে!

 #চর্চিত ও  #অজ্ঞাত∆∆∆• অস্ত্র আইন (Arms Act) ও নীতিমালা: #অস্ত্র  #আইন, ১৮৭৮ একটি ব্রিটিশ ভারতীয় আইন যা আগ্নেয়াস্ত্র,...
01/07/2025

#চর্চিত ও #অজ্ঞাত
∆∆∆• অস্ত্র আইন (Arms Act) ও নীতিমালা:

#অস্ত্র #আইন, ১৮৭৮ একটি ব্রিটিশ ভারতীয় আইন যা আগ্নেয়াস্ত্র, বিস্ফোরক এবং সামরিক সরঞ্জামাদি নিয়ন্ত্রণ করে। এটি মূলত 1857 সালের সিপাহী বিদ্রোহের পর প্রণয়ন করা হয়েছিল, যার মূল লক্ষ্য ছিল জনগণের হাতে থাকা অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ করা। এই আইনটি বর্তমানে বাংলাদেশেও প্রযোজ্য এবং এর মাধ্যমে লাইসেন্স বিহীন অস্ত্র পরিবহন, ব্যবহার , আমদানি, তৈরি এবং বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

#স্বরাষ্ট্র #মন্ত্রণালয়ের #রাজনৈতিক অধিশাখা কর্তৃক জারিকৃত আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স প্রদান, #নবায়ন ও ব্যবহার নীতিমালা,২০১৬ অনুযায়ী, ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য প্রত্যেক নাগরিক লাইসেন্স করা আগ্নেয়াস্ত্র বহন করতে পারেন।

#নীতিমালা ১(গ) অনুযায়ী, কোন ব্যক্তির #নিরাপত্তার জন্য ব্যক্তিগত আগ্নেয়াস্ত্র রাখা প্রয়োজন অন্যথায় তার নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে এ বিষয়ে সন্তুষ্ট হলেই কেবলমাত্র তাকে আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স প্রদানের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

এই ধরনের লাইসেন্স প্রদানের জন্য কিছু সাধারণ নিয়ম ও শর্তাবলী প্রযোজ্য হয়। এর মধ্যে বয়স, শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা, করদাতা হওয়া, এবং নির্দিষ্ট পরিমাণ আয়কর পরিশোধের প্রমাণপত্র ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

ব্যক্তি পর্যায়ে #আগ্নেয়াস্ত্র #লাইসেন্স ব্যবহার নীতিমালা প্রদানের শর্তঅনুসারে;

নীতিমালা ৩ (খ) অনুযায়ী:- শারীরিক ও মানসিকভাবে সমর্থ ৩০-৭০ বছর বয়স সীমার মধ্যে হতে হবে;

নীতিমালা ৩ (গ) অনুযায়ী:- ব্যক্তিশ্রেণির #করদাতা হতে হবে;

নীতিমালা ৩ (ঘ) অনুযায়ী:- আবেদনের পূর্ববর্তী #তিন বছর ধরে বছরে কমপক্ষে তিন লাখ টাকা করে #আয়কর দিতে হবে এবং এবং শটগানের জন্য ন্যূনতম ১ লাখ টাকা আয়কর দিতে হবে। লাইসেন্সের আবেদনের সময় তাকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ( #এনবিআর) একটি #প্রত্যয়নপত্র জমা দিতে হবে;

নীতিমালায় ৫ (ক এবং খ) অনুযায়ী:- কোনো ব্যক্তি #ফৌজদারি #মামলার #চার্জশিটভুক্ত #আসামি হয়ে থাকেন, তাহলে তিনি আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স পাবেন না।

একইভাবে কোনো ব্যক্তি ফৌজদারি #আদালতে সাজা পাওয়ার পর ৫ বছরের মধ্যে লাইসেন্স পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন না।

নীতিমালায় ৬ অনুযায়ী:- আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স পেতে আবেদনকারীকে তার নিজ স্থায়ী ঠিকানার সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের ( #ডিসি) কাছে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে।

নীতিমালা ৭ (ক এবং খ) অনুযায়ী:- #জেলা #ম্যাজিস্ট্রেট আবেদনকারীর প্রাক-পরিচয় যাচাই-বাছাই ও সাক্ষাৎকার নেবেন এবং আবেদনকারীর শারীরিক ও মানসিক সামর্থ্য, আবেদন করা অস্ত্র এবং এর রক্ষণাবেক্ষণ সম্পর্কে জ্ঞান ও অস্ত্রের প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে নির্ধারিত ফরমে মন্তব্য লিপিবদ্ধ করবেন।

নীতিমালা ৮ এর (ক ও খ) অনুযায়ী:- সকল আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান অনুসরণ সাপেক্ষে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষমতাবান থাকবেন। জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যালয়ের আগ্নেয়াস্ত্র শাখায় উক্ত জেলার ইস্যুকৃত সকল আগ্নেয়াস্ত্রের রেকর্ড সংরক্ষিত হবে এবং যোগ্য বিবেচিত হলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট লাইসেন্স ইস্যু করার নির্দেশ দিবেন।

নীতিমালা ৪ (ক) অনুযায়ী:- একজন ব্যক্তির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সর্বোচ্চ একটি পিস্তল বা রিভলভার এবং একটি শটগান বা রাইফেলের লাইসেন্স দেওয়া যাবে। অর্থাৎ, একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ দুটি অস্ত্রের লাইসেন্স পাবেন।

নীতিমালা ৩২ অনুযায়ী:- সরকারের #মন্ত্রী, #প্রতিমন্ত্রীসহ উচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তিরা লাইসেন্স পাওয়ার ক্ষেত্রে বয়স এবং আয়কর সম্পর্কিত বিধানের বিশেষ ছাড় পাবেন।

সর্বশেষ, অস্ত্র আইনের ধারা ও নীতিমালা ভঙ্গের জন্য বিভিন্ন ধারায় বিভিন্ন অপরাধের জন্য বিভিন্ন শাস্তির বিধান রয়েছে।
যেমন:
অস্ত্র আইন, ১৮৭৮ এর ১৯(ক) ধারা:- এই ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি এই আইনের ৬, ১৩, ১৪, বা ১৫ ধারার বিধান লঙ্ঘন করে, তবে তাকে #যাবজ্জীবন #কারাদণ্ড বা অন্য কোনো কঠোর কারাদণ্ড দেওয়া যেতে পারে, যার মেয়াদ ৭ বছরের কম হবে না।

এস এ খতিয়ান (SA Khatian)/State Acquisition Khatian এবং "পাকিস্তান সার্ভে" (Pakistan Survey):জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্ব...
30/06/2025

এস এ খতিয়ান (SA Khatian)/State Acquisition Khatian এবং "পাকিস্তান সার্ভে" (Pakistan Survey):
জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ পাসের পর সি.এস (C.S) খতিয়ানের ভুল সংশোধন করে নতুন করে যে ভূমি জরিপ পরিচালনা করা হয়েছিল এবং জরিপ পরবর্তী প্রস্তুতকৃত নথি কিংবা আইনি দলিল হল এস.এ খতিয়ান।

এসএ খতিয়ান (SA Khatian) ১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন ধারা-৩ অনুযায়ী জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত করে অএ আইনের ধারা-১৭ অনুযায়ী প্রস্তুতকৃত খতিয়ান। অএ আইনের অধীনে ১৯৫৬ থেকে ১৯৬২ সালের মধ্যে এস.এ খতিয়ান প্রস্তুত করা হয়েছিল।

এই খতিয়ান প্রস্তুত করার সময় জরিপ কর্মচারীরা মাঠ পর্যায়ে না গিয়ে সি.এস(C.S) খতিয়ান সংশোধন করে প্রস্তুত করেছিলেন এবং এস এ খতিয়ান সাধারণত হাতে লেখা হতো এবং এটি প্রিন্ট করা হতো না।

এস. এ খতিয়ান (State Acquisition Khatian) চেনার কিছু উপায়:
১। এক পৃষ্ঠার হবে:
এসএ খতিয়ান সাধারণত এক পৃষ্ঠার হয়ে থাকে।
২। আড়াআড়িভাবে থাকবে:
এটি ছবির মতো আড়াআড়িভাবে সাজানো থাকে।
৩। সাবেক ও হাল নম্বর:
খতিয়ানের ডান পাশে উপরে "সাবেক" (CS খতিয়ান নম্বর) এবং নিচে "হাল" (এসএ খতিয়ান নম্বর) লেখা থাকে।
৪। হাতে লেখা:
এসএ খতিয়ান সাধারণত হাতে লেখা হয়ে থাকে, কম্পিউটার প্রিন্ট করা নয়।
৫। অংশ সনাক্তকরণ:
খতিয়ানের অংশে আনা, কড়া, ক্রান্তি ইত্যাদি সনাতন পদ্ধতিতে উল্লেখ করা থাকে।
৬। জমির মালিকানা:
এসএ খতিয়ানে জমির মালিকানা এবং অন্যান্য বিবরণ উল্লেখ থাকে।
৭। রেকর্ড সংশোধন:
এসএ খতিয়ান মূলত সিএস খতিয়ানের (CS Khatian) কিছু ভুল সংশোধন করে প্রস্তুত করা হয়েছিল।
৮। 'রে' বা 'সা' নং উল্লেখ থাকে না:
এই খতিয়ানে "রে" বা "সা" নম্বর বা "রেকর্ড জরিপ নম্বর" উল্লেখ থাকে না।
√√• "রে. সা. নং" সাধারণত সিএস (CS) বা বিএস (BS) খতিয়ানে দেখা যায়।
এস এ খতিয়ান তৈরির সময় মাঠ পর্যায়ে সরেজমিনে তদন্ত না করে সিএস (C.S) খতিয়ান সংশোধন করা হয়েছিল, যা অনেক ক্ষেত্রে ত্রুটিপূর্ণ ছিল। কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, এস এ খতিয়ানে জমির মালিকানা সঠিকভাবে নিরূপণ করা হয়নি, যার ফলে মালিকানা সংক্রান্ত জটিলতা তৈরি হয়েছে।
এস এ খতিয়ানে ভুল থাকার কারণে পরবর্তীকালে রেকর্ড সংশোধনে সমস্যা হয়েছে। এই বিতর্কগুলো মূলত এস এ খতিয়ানের নির্ভরযোগ্যতা এবং কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করে।

∆∆∆ "পাকিস্তান সার্ভে" (Pakistan Survey):
পিএস জরিপ বা পাকিস্তান সার্ভে" (Pakistan Survey) বা পাকিস্তান আমলের জরিপ এবং এস.এ খতিয়ান একই জরিপ প্রক্রিয়ার ফল, যা মূলত জমিদারী প্রথা বিলুপ্তির পর ভূমি মালিকানা নির্ধারণের জন্য করা হয়েছিল।

Address

Dhaka

Opening Hours

Monday 10:00 - 22:30
Tuesday 10:00 - 22:30
Wednesday 10:00 - 22:30
Thursday 10:00 - 22:30
Saturday 10:30 - 22:30
Sunday 10:00 - 22:30

Telephone

+8801332319711

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Apex Counsel Law House posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Apex Counsel Law House:

Share