Chowdhury & Associates

Chowdhury & Associates Your trusted legal partner

31/12/2025
White Colour Crime ব্যক্তিদের গলার কাঁটা দুর্নীতি দমন কমিশন। Dudok cases can be proved solely on documentary evidenceWit...
14/12/2025

White Colour Crime ব্যক্তিদের গলার কাঁটা দুর্নীতি দমন কমিশন।

Dudok cases can be proved solely on documentary evidence
Witness statement is not compulsory in every Dudok case.

State vs. Abdul Khaleque

40 DLR (AD) 109

“No particular number of witnesses is required to prove a fact. Conviction can be based even on a single witness or documentary evidence.”

white colour crime বলতে বোঝায় অহিংস, অর্থনৈতিকভাবে অনুপ্রাণিত অপরাধ যা বিশ্বাস, কর্তৃত্ব বা পেশাদার মর্যাদার পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তিদের দ্বারা সাধারণত পদের অপব্যবহার, প্রতারণা বা নথিপত্রের মাধ্যমে সংঘটিত হয়।

Evidence Act, 1872
▪ Section 134

No particular number of witnesses is required.

White-collar crimes do not always require oral witnesses.

দুদক (দুদক) মামলাগুলি কেন হোয়াইট-কলার অপরাধ?

দুদকের মামলাগুলিতে সাধারণত নিম্নলিখিত বিষয়গুলি জড়িত থাকে:

সরকারি পদের অপব্যবহার

আর্থিক অনিয়ম

মিথ্যা ঘোষণা

অনুপাতিক সম্পদের পরিমাণ

ব্যাংক ও আর্থিক জালিয়াতি

কর্মকর্তাদের দ্বারা আত্মসাৎ.

এটি একটি White-collar crimes যা নথি দ্বারা প্রমাণিত, তাই মৌখিক সাক্ষীর অনুপস্থিতি প্রসিকিউশনের উপর কোন প্রভাব ফেলে না।"

দুর্নীতি দমন কমিশন সাক্ষীকে অনুপস্থিতির জন্য সাক্ষীকে গ্রেপ্তার করা যাবে না জরিমানা বা শাস্তি নিজেই আরোপ করা যাবে না

সর্বোপরি কোন দুদক কর্মকর্তা/সরকারি কর্মকর্তা যদি ক্ষমতার ultra virus করে তার বিপরীতে আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারি।

Regard
Md. Abu Horaira Chowdhury
Advocate
Supreme court of Bangladesh
Corporate Chamber
Chowdhury @ Associates
TA 98/1, Azad Plaza (3rd Floor)
Gulshan Badda Link Road, Dhaka
01840-715295

আইনের মাধ্যমে পুলিশের সীমাহীন ক্ষমতা এবং অপব্যবহার : একটি বিশ্লেষণগণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় পুলিশ রাষ্ট্রের আইন প্রয়োগকারী ব...
02/11/2025

আইনের মাধ্যমে পুলিশের সীমাহীন ক্ষমতা এবং অপব্যবহার : একটি বিশ্লেষণ

গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় পুলিশ রাষ্ট্রের আইন প্রয়োগকারী বাহিনী। কিন্তু আইনের কিছু ধারা ও বিধান অনেক সময় এমন ক্ষমতা প্রদান করে যা সঠিকভাবে ব্যবহৃত না হলে নাগরিক অধিকার ও মানবাধিকারের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। নিচে আইনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ ধারা অনুযায়ী পুলিশের ক্ষমতা ও তার সীমাবদ্ধতা আলোচনা করা হলো।

⚖️ ১. দণ্ডবিধি (Penal Code) ধারা ৫৪: বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার

ধারা ৫৪ অনুযায়ী পুলিশ “যে কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ থাকলে” বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে।
সমস্যা:
এই ধারার “যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ” (reasonable suspicion) শব্দগুচ্ছটি অস্পষ্ট এবং পুলিশ ইচ্ছেমতো ব্যাখ্যা করতে পারে।

অপব্যবহারের ধরন:

“যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ” শব্দগুচ্ছটি অস্পষ্ট, ফলে পুলিশ নিজের ইচ্ছামতো ব্যাখ্যা করে যেকোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে।

রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে, ব্যক্তিগত বিরোধে, কিংবা ঘুষের বিনিময়ে পুলিশ এ ধারা ব্যবহার করে নিরপরাধ ব্যক্তিকেও হয়রানি করে।

অনেক সময় গ্রেফতারের পর কোনো মামলা দায়ের না করেই মানুষকে আটক রাখা হয়।

নাগরিকের ব্যক্তিস্বাধীনতা (Constitution Article 32) ও আইনের আশ্রয় পাওয়ার অধিকার (Article 31) লঙ্ঘিত হয়।
এ ধারার অপব্যবহার বহুবার নাগরিকের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করেছে।

বিচারিক নির্দেশনা:
২০০৩ সালে BLAST vs. Bangladesh (55 DLR 363) মামলায় হাইকোর্ট এ ধারার প্রয়োগে কড়াকড়ি নির্দেশনা দেয়, যেন অকারণে কাউকে গ্রেফতার না করা হয়।

⚖️ ২. ফৌজদারি কার্যবিধি (Criminal Procedure Code) ধারা ১৬৭: রিমান্ড বা জিজ্ঞাসাবাদ

ধারা ১৬৭ অনুযায়ী পুলিশ কোনো আসামিকে আদালতের অনুমতি নিয়ে রিমান্ডে নিতে পারে।

অপব্যবহারের ধরন:

অনেক সময় পুলিশ জবানবন্দি আদায় বা স্বীকারোক্তি নেয়ার জন্য শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে।

আদালতকে বিভ্রান্ত করার জন্য “তদন্তের প্রয়োজনে রিমান্ড দরকার” বলে বারবার আবেদন করে।

রিমান্ড শেষে “confessional statement” আদায় করা হয় ভয় বা নির্যাতনের মাধ্যমে।

এটি সংবিধানের ৩৫(৫) অনুচ্ছেদে নিষিদ্ধ নির্যাতনবিরোধী নীতির পরিপন্থী।
এছাড়া, আসামির ন্যায্য বিচার পাওয়ার অধিকারও লঙ্ঘিত হয়।
বাংলাদেশে রিমান্ড অনেক সময় জিজ্ঞাসাবাদের আড়ালে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বিচারিক অবস্থান:
BLAST vs. Bangladesh মামলায় আদালত স্পষ্ট করে বলেছেন, রিমান্ড হবে ব্যতিক্রমী ব্যবস্থা, নিয়ম নয়।
সংবিধানিক দৃষ্টিকোণ:
সংবিধানের ৩৫(৫) অনুচ্ছেদে নির্যাতন নিষিদ্ধ করা হয়েছে, কিন্তু কার্যত এই ধারা নাগরিক অধিকারের প্রতি চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করে।

⚖️ ৩. ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ১৭৩: তদন্ত প্রতিবেদন

ধারা ১৭৩ অনুযায়ী পুলিশ মামলার তদন্ত শেষে প্রতিবেদন দাখিল করে।

অপব্যবহারের ধরন:

ইচ্ছাকৃতভাবে তদন্ত দীর্ঘায়িত করে আসামিকে হয়রানি করা হয়।

প্রভাবশালী আসামিকে বাঁচানোর জন্য “Final Report” দাখিল করে মামলা খারিজের চেষ্টা করা হয়।

কখনো কখনো সাক্ষ্যপ্রমাণ গোপন বা বিকৃত করে “charge sheet” প্রভাবিত করা হয়।

ন্যায়বিচার বিলম্বিত হয় বা ভুক্তভোগী ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিঅপব্যবহারের ধরন:

অনেক সময় পুলিশ জবানবন্দি আদায় বা স্বীকারোক্তি নেয়ার জন্য শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে।

আদালতকে বিভ্রান্ত করার জন্য “তদন্তের প্রয়োজনে রিমান্ড দরকার” বলে বারবার আবেদন করে।

রিমান্ড শেষে “confessional statement” আদায় করা হয় ভয় বা নির্যাতনের মাধ্যমে।

এটি সংবিধানের ৩৫(৫) অনুচ্ছেদে নিষিদ্ধ নির্যাতনবিরোধী নীতির পরিপন্থী।
এছাড়া, আসামির ন্যায্য বিচার পাওয়ার অধিকারও লঙ্ঘিত হয়।
পুলিশ চাইলে তদন্ত বিলম্বিত করতে পারে, প্রভাবিতভাবে রিপোর্ট দিতে পারে, বা আদালতের অনুমতি ছাড়া “final report” জমা দিতে পারে।

অনেক সময় ভুক্তভোগী ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়, কারণ তদন্ত পুলিশের হাতে কেন্দ্রীভূত থাকে।

⚖️ ৪. সন্ত্রাস দমন আইন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ইত্যাদি

এই বিশেষ আইনের ধারা গুলোও পুলিশের হাতে ব্যাপক ক্ষমতা দিয়েছে—
বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার,
ইলেকট্রনিক ডিভাইস জব্দ,
অনলাইন নজরদারি ইত্যাদি।
এগুলো অনেক সময় মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও ব্যক্তিস্বাধীনতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়ে পড়ে।

অপব্যবহারের ধরন:

মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বা সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের।

সমালোচনামূলক বক্তব্য বা রাজনৈতিক মন্তব্যের কারণে গ্রেফতার।

“জাতীয় নিরাপত্তা”র অজুহাতে সাধারণ নাগরিকদের হয়রানি।

এটি সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে বর্ণিত মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পরিপন্থী।

আইনের উদ্দেশ্য জনগণের সুরক্ষা, কিন্তু বাস্তবে কিছু ধারার অস্পষ্টতা ও পর্যবেক্ষণের অভাবে পুলিশ তা ব্যবহার করে ভীতি, নির্যাতন ও প্রভাব বিস্তারের হাতিয়ার হিসেবে।
যথাযথ জবাবদিহিতা না থাকায় এই “unfettered power” আইনের শাসনকে দুর্বল করে।
ফলস্বরূপ, জনগণের মধ্যে বিচার ব্যবস্থার প্রতি আস্থাহীনতা বৃদ্ধি পায়।

আইন প্রয়োগের উদ্দেশ্য হওয়া উচিত নাগরিক সুরক্ষা, নয় নাগরিক নিয়ন্ত্রণ।
তাই পুলিশের ক্ষমতা যেন সীমিত, স্বচ্ছ ও আদালতীয় তদারকির অধীনে থাকে, তা নিশ্চিত করাই একটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রের লক্ষণ।


Courtesy By

Md. Abu Horaira Chowdhury
Advocate
Supreme Court of Bangladesh
Corporate Chamber
Chowdhury & Associates
Address- Azad Plaza (3rd Floor)
Gulshan Badda Link Road, Dhaka
01840715295

⚖️ ⚖️ অর্থঋণ মামলা ও Guarantor-এর অধিকার/দায়িত্ব  🔹 ধারা 5 — মামলা দায়ের  যদি ঋণগ্রহীতা ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হয়, ব্যাংক/...
30/10/2025

⚖️ ⚖️ অর্থঋণ মামলা ও Guarantor-এর অধিকার/দায়িত্ব

🔹 ধারা 5 — মামলা দায়ের
যদি ঋণগ্রহীতা ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হয়, ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠান আদালতে মামলা করতে পারে।

🔹 ধারা 12 — নিলাম পূর্ব শর্ত
মামলা দায়েরের আগে বন্ধকী/হাইপোথেকেশন/জামানত সম্পত্তি বিক্রির নোটিশ দিতে হবে। নিলাম বিজ্ঞপ্তি ছাড়া মামলা শুরু করা যায় না।

🔹 ধারা 33 — সম্পত্তি নিলাম
• আদালত ঋণ না পরিশোধে সম্পত্তি বিক্রির নির্দেশ দিতে পারে
• নিলামের আগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে
• নিলামের তারিখ বা শর্ত আদালত পরিবর্তন করতে পারে
• সর্বোচ্চ দরদাতার পক্ষে বিক্রয় নিশ্চিত হয়

🔹 ধারা 34 — বিক্রয় অর্থ বণ্টন
• প্রথমে নিলাম খরচ ও আদালতের ফি
• তারপর ব্যাংকের ঋণ দাবির পরিশোধ
• অবশিষ্ট থাকলে ঋণগ্রহীতাকে ফেরত

🔹 ধারা 37(1) — আদেশ অমান্য / Warrant
• ঋণগ্রহীতা বা Guarantor আদেশ অমান্য করলে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হতে পারে
• প্রয়োজনে Civil Prison-এ আটক করা যেতে পারে
• Guarantor-এর বিরুদ্ধে Judgment Ex*****on বাধ্যতামূলক

💡 সচেতন নাগরিক মানেই নিরাপদ ও শক্তিশালী সমাজ

*****on ⚖️

Regards

Md Abu Horaira Chowdhury
Advocate
Supreme court of Bangladesh
Corporate Chamber
Chowdhury and Associates
Azad plaza (3rd Floor),
Gulshan Badda link road, Dhaka
01840-715295

৳ ভিন্ন ধর্মের উত্তরাধিকার আইন: বাংলাদেশে আইনি কাঠামোবাংলাদেশে Succession / উত্তরাধিকার নির্ধারিত হয় Personal Law অনুযায়...
23/10/2025

৳ ভিন্ন ধর্মের উত্তরাধিকার আইন: বাংলাদেশে আইনি কাঠামো

বাংলাদেশে Succession / উত্তরাধিকার নির্ধারিত হয় Personal Law অনুযায়ী, যা প্রতিটি ধর্মে ভিন্ন।

1 মুসলিমদের ক্ষেত্রে, উত্তরাধিকার বণ্টন শরীয়াহর বিধান অনুযায়ী হয়, যেখানে ছেলে মেয়ে উভয়ের অধিকার স্বীকৃত; আইনগত কাঠামো হিসেবে বিবেচিত হয় Muslim Family Laws Ordinance, 1961।

2. হিন্দুদের ক্ষেত্রে, উত্তরাধিকার নির্ধারিত হয় প্রচলিত Hindu Succession Principles দ্বারা; স্ত্রী ও কন্যার সম্পত্তির অধিকার সীমিত—যদিও Hindu Inheritance (Property) Act, 1925 অনুসারে কিছু ক্ষেত্রে উত্তরাধিকার স্বীকৃত।

3. খ্রিষ্টানদের ক্ষেত্রে, Succession Act, 1925 প্রযোজ্য, যেখানে স্ত্রী, সন্তান এবং আত্মীয়স্বজনের সম্পত্তিতে স্বচ্ছ আইনগত অধিকার রয়েছে।

4. বৌদ্ধদের ক্ষেত্রে, বাংলাদেশে পৃথক বৌদ্ধ উত্তরাধিকার আইন নেই; তাই সাধারণত Succession Act, 1925 এবং প্রচলিত রীতি কার্যকর হয়।

উত্তরাধিকার বিরোধ এড়াতে উইল (Will), নিবন্ধন ও আইনি পরামর্শ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আইন জানুন, অধিকার আদায় করুন।

Regards

Md Abu Horaira Chowdhury
Advocate
Supreme Court of Bangladesh
Corporate Chamber
TA 98/1 Azad plaza (3rd floor)
Gulshan Badda link road Dhaka
01840-715295

ডিজিটাল নিরাপত্তায় নতুন দিগন্তআপনি কি জানেন? এখন থেকে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস একটি নাগরিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত! সাথে বড় পরি...
22/10/2025

ডিজিটাল নিরাপত্তায় নতুন দিগন্ত

আপনি কি জানেন? এখন থেকে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস একটি নাগরিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত!
সাথে বড় পরিবর্তন হয়েছে — পুরনো আইন-ধারা যারা অনলাইনে কথা বলার কারণে হয়রানির শিকার হয়েছেন, তাদের জন্য রয়েছে সুরাহার সুযোগ।

🔹 আগের আইন ছিল Digital Security Act, 2018 → পরবর্তীতে Cyber Security Act, 2023।
🔹 এখন সেটা বদলে গিয়েছে — Cyber Security Ordinance, 2025-এ বাতিল করা হয়েছে ৯ টি বিতর্কিত ধারা যা বেশিরভাগ হয়রানিমূলক মামলা হয়রানার কাজে ব্যবহৃত হতো।

🔹 নতুন আইন-ফ্রেমে রয়েছে:
✅ অনলাইন জুয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

✅ নারীর ও শিশুর প্রতি ডিজিটাল হয়রানি ও যৌন নির্যাতন এখন স্পষ্টভাবে অপরাধ।

✅ এআই-সহ আধুনিক সাইবার ক্রাইমও আইনত নিয়ন্ত্রণের আওতায় — যাতে সময়মতো প্রতিক্রিয়া দেয়া যায়।

ধারা ২০: অনলাইন জুয়া, সাইবার প্রতারণা বা হয়রানিতে সংশ্লিষ্ট অপরাধ।
→ “যে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা অনলাইন জুয়া আয়োজন করে বা সহযোগিতা/প্রচার করে, তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ২ (দুই) বছরের কারাদণ্ড বা ১ কোটি টাকার জরিমানা অথবা উভয়ই হতে পারে।”

ধারা ২৫: ডিজিটাল মাধ্যমের ফলে নারীর বা শিশুর প্রতি হয়রানি, ব্ল্যাকমেইল, রিভেঞ্জ পর্ন (revenge p**n), এআই-ভিত্তিক শিশু যৌন-দুর্ব্যবহার ইত্যাদি।

“সাধারণ ক্ষেত্রে: সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকার জরিমানা বা উভয়ই। তবে যদি ভুক্তভোগী নারী বা শিশু হয়, তাহলে সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড বা ২০ লাখ টাকার জরিমানা হতে পারে।”

✅ আপনার করণীয়

🔸 অনলাইনে তথ্য ভাগ করার আগে ভালোভাবে যাচাই করুন
🔸 অন্যের সম্পর্কে মানহানি, অপপ্রচার বা হেয় প্রচারণায় অংশ না নিন
🔸 পাসওয়ার্ড, ব্যক্তিগত তথ্য ও অর্থ-লেনদেন নিরাপদ রাখুন
🔸 অনলাইনে হয়রানি, হ্যাকিং বা অন্যায় কর্মকাণ্ড দেখলে অবিলম্বে রিপোর্ট করুন.

🔐 অনলাইনে সাবধান! তথ্য শেয়ার করার আগে যাচাই করুন, ব্যক্তিগত তথ্য নিরাপদ রাখুন, হয়রানির শিকার হলে দ্রুত ব্যবস্থা নিন।
#ডিজিটালনিরাপত্তা

নিশ্চিত করুন: নিরাপদ ইন্টারনেট, সচেতন ব্যবহারকারী, এবং সুশৃঙ্খল ডিজিটাল সমাজ গড়তে আমরা একসাথে এগিয়ে যাবো।
#ডিজিটালনিরাপত্তা

Regards

Md. Abu Horaira Chowdhury
Advocate
Supreme Court of Bangladesh
Corporate Chamber-
Azad Plaza( 3rd Floor) Gulshan- Badda Link Road, Dhaka
01840-715295

ইসলামী ব্যাংকের আবারও competency exam-এর সার্কুলার এই পদক্ষেপ  আদালত   “Contempt of Court” হিসেবে গণ্য হবে"?"আদালত অবমান...
24/09/2025

ইসলামী ব্যাংকের আবারও competency exam-এর সার্কুলার এই পদক্ষেপ আদালত “Contempt of Court” হিসেবে গণ্য হবে"?"

আদালত অবমাননা (Contempt of Court)

আদালত অবমাননা এমন একটি আইনগত অপরাধ যা আদালতের মর্যাদা, শৃঙ্খলা ও বিচারকার্য পরিচালনার ক্ষমতাকে ব্যাহত করে। কোনো ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে আদালতের আদেশ অমান্য করে, আদালতের বিচার প্রক্রিয়াকে বিঘ্নিত করে বা বিচারকদের অসম্মান করে, তবে সেটিকে “আদালত অবমাননা” বলা হয়। এটি বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারের পথে একটি বড় বাধা।

আদালত অবমাননার ধরন

বাংলাদেশে সাধারণত আদালত অবমাননার তিনটি প্রধান ধরন রয়েছে –

1. আদেশ বা রায় অমান্য করা (Civil Contempt):
আদালতের কোনো নির্দেশ, আদেশ, ডিক্রি বা নিষেধাজ্ঞা ইচ্ছাকৃতভাবে অমান্য করলে বা তা পালন না করলে এটি দেওয়ানি অবমাননা হিসেবে গণ্য হয়।

2. আদালতের কার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টি বা বিচার ব্যবস্থায় হস্তক্ষেপ (Criminal Contempt):
আদালতের কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ করা, সাক্ষীদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করা, মামলার ফলাফলকে প্রভাবিত করার জন্য প্রচার চালানো ইত্যাদি অপরাধ ফৌজদারি অবমাননা হিসেবে বিবেচিত হয়।

3. আদালত বা বিচারকের মর্যাদাহানি বা অসম্মানজনক মন্তব্য (Scandalising the Court):
বিচারক বা আদালতের সম্পর্কে অপমানজনক, অবমাননাকর বা অসম্মানজনক বক্তব্য প্রদান করলে সেটি আদালতের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করে এবং অবমাননা হিসেবে ধরা হয়।

ইসলামী ব্যাংক একটি competency exam এর সার্কুলার দেয়।

এর বিরুদ্ধে একটি রিট (Writ Petition-13974/25) দায়ের হয়।

হাইকোর্ট বাংলাদেশ ব্যাংককে নির্দেশ দেন যেন “competency exam” বাদ দিয়ে শুধু promotional exam এর মাধ্যমে পদোন্নতি দেওয়া হয়।

তবুও ইসলামী ব্যাংক আবারও competency exam-এর সার্কুলার দেয়।

Pending Hearing the rule ইসলামী ব্যাংকের এই পদক্ষেপ আদালত অবমাননা (Contempt of Court) হবে.

বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০৮ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্ট (হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগ) আদালত অবমাননার জন্য বিচার ও শাস্তি প্রদানের ক্ষমতা রাখে।

যদি কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সরকারি সংস্থা —

ইচ্ছাকৃতভাবে আদালতের আদেশ অমান্য করে,

আদালতের নির্দেশের পরেও বিপরীত কাজ করে,

আদালতের নির্দেশকে অগ্রাহ্য করে একই রকম কার্যক্রম চালায়,

তাহলে Pending Hearing the rule ইসলামী ব্যাংকের আবারও competency exam-এর সার্কুলার এই পদক্ষেপ আদালত সেটি “Civil Contempt of Court” হিসেবে গণ্য হবে।

আদালত অবমাননার শাস্তি

বাংলাদেশ সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগ) আদালত অবমাননার জন্য শাস্তি দিতে পারে।
শাস্তি সাধারণত হতে পারে:

জরিমানা

কারাদণ্ড (সাধারণত ৬ মাস পর্যন্ত)

উভয়ই

প্রত্যেকটি ঘটনা আদালত নিজ বিবেচনায় বিচার করে থাকে এবং শাস্তির মাত্রা অপরাধের প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে।

Regards

Md. Abu Horaira Chowdhury
Advocate
Supreme Court of Bangladesh
Court Corporate Chamber
TA-98/1, Azad Plaza (3rd Floor)
Gulshan Badda Link Road, Dhaka
01840-715295

বাংলাদেশের ভূমি-সংক্রান্ত আইন ও প্রতিকারবাংলাদেশ একটি কৃষিপ্রধান দেশ, যেখানে ভূমি হলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। ভূমি সম...
10/09/2025

বাংলাদেশের ভূমি-সংক্রান্ত আইন ও প্রতিকার

বাংলাদেশ একটি কৃষিপ্রধান দেশ, যেখানে ভূমি হলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। ভূমি সম্পর্কিত বিরোধ বা মামলা নিত্যদিনের ঘটনা। এজন্য সরকার বিভিন্ন সময়ে ভূমি আইন ও বিধি প্রণয়ন করেছে, যাতে মালিকানা, দখল, উত্তরাধিকার, খাজনা, রেজিস্ট্রেশন ও ভূমি ব্যবস্থাপনা স্পষ্টভাবে নির্ধারিত হয়।

গুরুত্বপূর্ণ ভূমি-সংক্রান্ত আইনসমূহ

State Acquisition and Tenancy Act, 1950 (SAT Act) – জমির মালিকানা, খাজনা আদায় এবং দখল সম্পর্কিত বিধান।

Registration Act, 1908 – জমি কেনা-বেচা, দান বা হস্তান্তরের জন্য দলিল রেজিস্ট্রেশনের বাধ্যবাধকতা।

Transfer of Property Act, 1882 – সম্পত্তি হস্তান্তরের নিয়ম ও শর্তাবলি।

Land Reform Ordinance, 1984 – ভূমির সীমা নির্ধারণ (Ceiling) ও ভূমিহীনদের জমি বিতরণের বিধান।

Survey and Settlement Laws – ভূমি জরিপ, রেকর্ড সংশোধন ও নামজারি বিষয়ক আইন।

Specific Relief Act, 1877 – জমি সংক্রান্ত চুক্তি বাস্তবায়ন বা বাতিল করার প্রতিকার।

ভূমি-সংক্রান্ত অপরাধমূলক আইন (Criminal Laws)
১. দণ্ডবিধি, ১৮৬০ (Penal Code, 1860)

ভূমি-সংক্রান্ত অপরাধ মোকাবেলায় দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারা প্রযোজ্য হয়ঃ

ধারা 420 (Cheating): জমি বিক্রয়ে প্রতারণা করলে।

ধারা 423, 424 (Fraudulent deeds): ভুয়া বা প্রতারণামূলক দলিল তৈরি।

ধারা 468, 471 (Forgery & using forged documents): দলিল জালিয়াতি ও জাল দলিল ব্যবহার।

ধারা 447 (Criminal Trespass): অনুমতি ছাড়া অন্যের জমিতে প্রবেশ।

ধারা 448–452 (House trespass): ঘরবাড়ি বা স্থাপনায় অনধিকার প্রবেশ।

ধারা 504, 506 (Criminal intimidation): জমি বিরোধে হুমকি দেওয়া।

ধারা 143–148 (Unlawful assembly & rioting): জমি দখল করতে দলবদ্ধ হয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি।
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩

২. বিশেষ আইন

Special Powers Act, 1974 (ধারা 15): চাঁদাবাজি বা জবরদখল করলে।

Prevention of Land Grabbing Act, 2010: জবরদখল প্রতিরোধ ও দণ্ড।

Public Demands Recovery Act, 1913: সরকারের পাওনা ভুয়া দলিলে দখল করলে প্রতিকার

ভূমি-সংক্রান্ত সাধারণ বিরোধ

জমির দখল নিয়ে বিরোধ

দলিল জালিয়াতি বা দ্বৈত রেজিস্ট্রেশন

উত্তরাধিকার সূত্রে অংশীদারি সংক্রান্ত বিরোধ

ভোগদখল বনাম রেকর্ড (খতিয়ান) বিভ্রান্তি

ভূমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত ক্ষতিপূরণ বিরোধ

প্রতিকার (Relief) পাওয়ার উপায়

দেওয়ানি মামলা (Civil Suit):

ঘোষণামূলক মামলা (Declaratory Suit) – মালিকানা বা দখলের স্বীকৃতির জন্য।

পুনঃপ্রবেশ মামলা (Recovery of Possession) – অবৈধ দখলকারীকে উচ্ছেদ করে জমি ফেরত পাওয়ার জন্য।

নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন মামলা (Specific Performance) – ক্রয় চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য।

অপরাধমূলক প্রতিকার (Criminal Remedies):

জমি দখল বা জবরদখলের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির আওতায় মামলা।

দলিল জালিয়াতি বা প্রতারণার অভিযোগ ফৌজদারি আদালতে করা যায়।

প্রশাসনিক প্রতিকার:

নামজারি (Mutation) আবেদন বা রেকর্ড সংশোধন রাজস্ব কর্তৃপক্ষের নিকট করা যায়।

ভুয়া দলিল বাতিল বা জমির সঠিক রেকর্ড নিশ্চিত করার জন্য উপযুক্ত ভূমি অফিসে আবেদন।

অস্থায়ী প্রতিকার (Injunction):

আদালত থেকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary Injunction) নেওয়া যায়, যাতে বিরোধ চলাকালীন জমির অবস্থা অপরিবর্তিত থাকে।

ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩

আইনটির মূল বৈশিষ্ট্য

অপরাধের ধরন:

জাল দলিল ব্যবহার করে জমি দখল

প্রতারণামূলক বা ভুয়া মালিকানা সৃষ্টি

গোপন বা মিথ্যা তথ্য দিয়ে জমি দখল

জবরদখল

শাস্তি:

ন্যূনতম ২ বছর কারাদণ্ড

সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড (জরিমানা সহ বা এককভাবে)

সরকারি কর্মচারী জড়িত থাকলেও একই শাস্তি প্রযোজ্য

প্রতিকার:

আদালতের মাধ্যমে বিচার

মধ্যস্থতা (Arbitration) পদ্ধতির সুযোগ রাখা হয়েছে দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য

প্রতারণামূলক দলিল প্রমাণিত হলে জেলা প্রশাসক ও জেলা রেজিস্ট্রারকে জানানো বাধ্যতামূলক (বিধিমালা ২০২৪ অনুযায়ী)

সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যাচ্ছে, এই আইনের আওতায় ৩ মাসের মধ্যেই জমি পুনরুদ্ধারের নজির তৈরি হয়েছে।

Regards

Md. Abu Horaira Chowdhury
Advocate
Supreme Court of Bangladesh
Corporate Chamber
Chowdhury & Associates
TA-98/1, Azad Plaza (3rd Floor)
Gulshan Badda Link Road, Dhaka
01840-715295

white colour crime ব্যক্তিদের গলার কাঁটা দুর্নীতি দমন কমিশন। তথাপি দুদক আইনের খুঁটিনাটি. দুর্নীতি দমন কমিশন এ নিজস্ব এখত...
06/09/2025

white colour crime ব্যক্তিদের গলার কাঁটা দুর্নীতি দমন কমিশন।
তথাপি দুদক আইনের খুঁটিনাটি.

দুর্নীতি দমন কমিশন এ নিজস্ব এখতিয়ার দুদক আইন ২০০৪,মানি লন্ডারিং আইন ২০১২, দন্ডবিধি ১৮৬০, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭, এই সকল আইন ধারা পরিচালিত হয়।
দুদক সাধারণত দুই ধরনের অপরাধ দেখে।

১.দুর্নীতি সম্পর্কিত অপরাধ ঘুষ অবৈধ সম্পদ অর্জন ক্ষমতার অপব্যবহার ইত্যাদি.

২.মানি লন্ডারিং অপরাধ অর্থ পাচার বা অবৈধ অর্থ বৈধ করার প্রক্রিয়া।

দুদক কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পূর্বে বা মামলা দায়েরের পরে নিম্ন বর্ণিত কর্মকাণ্ড সম্পাদিত করে।

১.দুর্নীতি দমন কমিশনার ২০০৪ এর ধারা ১৯ মোতাবেক অভিযুক্ত সম্পত্তি সম্বন্ধে অনুসন্ধান ও প্রয়োজনী এটাচমেন্ট ফ্রিজ জব্দ করা।

২.ধারা ২০ অনুসারে সম্পদ অর্জনের উৎস যাচাই প্রয়োজনীয়তা আদালতের মাধ্যমে সম্পত্তি জব্দ এবং রিসিভার নিয়োগ করতে পারে।

৩.মানিলন্ডারিং আইন ২০১২ এর ৮-১০ ধারা মোতাবেক করার অভিযুক্ত ব্যক্তির ব্যাংক একাউন্ট লেনদেন বন্ধ বা ফ্রিজ করার ক্ষমতা রয়েছে ক্ষমতা রয়েছে।

৪.দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪ ধারার ১৯ এর ৩ অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দেশের বাইরে যাওয়ার থেকে বিরত রাখতে পারে।

সর্বোপরি কোন দুদক কর্মকর্তা/সরকারি কর্মকর্তা যদি ক্ষমতার ultra virus করে তার বিপরীতে আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারি।

Regard

Abu Horaira Chowdhury
Advocate
Supreme court of Bangladesh
Corporate Chamber
Chowdhury @ Associates
TA 98/1, Azad Plaza (3rd Floor)
Gulshan Badda Link Road, Dhaka
01840-715295

Address

TA‑98/1, Azad Plaza,‑Badda Link Road, Badda, Dhaka On Google Mapsda Link Road, Badda, Dhaka
Dhaka
GULSHAN

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Chowdhury & Associates posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share