Chowdhury & Associates

Chowdhury & Associates Your trusted legal partner

Ex-IGP Bangladesh Police, আইনগতভাবে UAE থেকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণ সম্ভব, তবে এটি সম্পূর্ণভাবে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক ও বিচ...
16/06/2026

Ex-IGP Bangladesh Police, আইনগতভাবে UAE থেকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণ সম্ভব, তবে এটি সম্পূর্ণভাবে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক ও বিচারিক অনুমোদন-নির্ভর একটি প্রক্রিয়া। দেখি আইন কি বলে.....

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি সংযুক্ত আরব আমিরাত (UAE)-এ গ্রেপ্তার হলে তাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া সাধারণত Extradition (প্রত্যর্পণ) ও International Judicial Cooperation এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।

UAE এর আইনগত কাঠামো:
* Federal Law No. 39 of 2006 (International Judicial Cooperation in Criminal Matters)
* Federal Decree-Law No. 38 of 2023 (সংশোধিত বিধান)

* Chambers & Partners (Legal Commentary) অনুযায়ী:
UAE প্রত্যর্পণ আইন অনুযায়ী কোনো ব্যক্তিকে অন্য দেশে হস্তান্তর করা যায় যদি—

1. অপরাধটি UAE-তে ও বাংলাদেশে উভয় দেশে শাস্তিযোগ্য হয় (Dual Criminality)
2. অপরাধের শাস্তি সাধারণত কমপক্ষে ৬ মাস–১ বছর বা তার বেশি হয়
3. আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক (Diplomatic Channel) মাধ্যমে অনুরোধ পাঠানো হয়।
4. UAE Public Prosecution ও আদালত বিচারিক যাচাই শেষে অনুমোদন দেয়

নিম্ন আইন গত প্রক্রিয়া (সংক্ষেপে):
১. UAE-তে গ্রেপ্তার (স্থানীয় আইন বা Interpol Red Notice)
২. বাংলাদেশ সরকারের আনুষ্ঠানিক প্রত্যর্পণ আবেদন।
৩. UAE Public Prosecution কর্তৃক যাচাই।
৪. UAE আদালতের শুনানি ও অনুমোদন।
৫. সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
৬. বাংলাদেশে হস্তান্তর।

দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে। যেহেতু, তাঁর বিরুদ্ধে বর্তমানে ছয়টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ১৪ কোটি ৬২ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় বিচার চলছে। বাকি পাঁচটি মামলার তদন্ত চলমান এবং মামলা সমূহে ০৫ বছর উপর শাস্তি আছে এবং এই গুলো রাজনৈতিক মামলা নয়।

* নিম্নে আইনগত বিষয় আলোচনা করা হইল:
প্রত্যর্পণ কখনোই স্বয়ংক্রিয় নয়। UAE চাইলে প্রত্যাখ্যান করতে পারে যদি—

1. মামলা রাজনৈতিক হয়
2. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র অসম্পূর্ণ থাকে
3. অপরাধ UAE আইনে প্রযোজ্য না হয়
4. মানবাধিকার বা পাবলিক পলিসি সমস্যা থাকে।

তাই আইনগতভাবে UAE থেকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণ সম্ভব, তবে এটি সম্পূর্ণভাবে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক ও বিচারিক অনুমোদন-নির্ভর একটি প্রক্রিয়া।

Courtesy by

Md. Abu Horaira Chowdhury
Advocate
Supreme Court of Bangladesh
Corporate Chamber: Chowdhury and Associates.
TA-98/1, Azad Plaza (3rd Floor), Gulshan Badda Link Road, Dhaka.
Mobile-01840715295.

জেলখানায় বছর এর হিসাব ---কারা কর্তৃপক্ষ ও কারাগারের যাবতীয় বিষয় নিয়ন্ত্রিত হয় Prisons Act, 1894 এর ধারা: ৫৯ এ বর্ণিত Jai...
11/06/2026

জেলখানায় বছর এর হিসাব ---

কারা কর্তৃপক্ষ ও কারাগারের যাবতীয় বিষয় নিয়ন্ত্রিত হয় Prisons Act, 1894 এর ধারা: ৫৯ এ বর্ণিত Jail Code, 1920 মোতাবেক।জেলকোড, ১৯২০ এর ১১শ অধ্যায়ের ৭৫০-৭৮১ বিধিতে সন্নিবেশিত আছে বন্দিদের রেয়াত (remission) মঞ্জুরের বিধানবলী। রেয়াত মানে হলো অব্যাহতি দেয়া বা ছাড় দেয়া বা রেহাই দেয়া।

১. রেয়াত (Remission) : রেয়াত দুই প্রকারের হয়: সাধারণ ও বিশেষ রেয়াত।

২. সাধারণ রেয়াত' মঞ্জুর করতে পারেন সিনিয়র জেল সুপারিন্টেন্ডেন্ট বা জেল সুপার বা তার কতৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো জেল কর্মকর্তা।অপরদিকে, সরকার বা আইজি প্রিজন্স অথবা জেল সুপার কার্যকর করতে পারেন 'বিশেষ রেয়াত'।

৩. সাধারণ রেয়াৎ:-কারাগারের সব নিয়ম মেনে চলার জন্য প্রতিমাসে ৩ দিন। শিল্প ও দৈনন্দিন দেয়া কাজগুলো সঠিকভাবে করাে জন্য প্রতিমাসে ২ দিন। কারারক্ষী হিসেবে দায়িত্ব পালনে প্রতিমাসে ৭ দিন ও নৈশপ্রহরী হিসেবে দায়িত্ব পালনে প্রতিমাসে ৬ দিন। শুক্রবার ও অন্যান্য সরকারি ছুটির দিনে বাবুর্চি ও সুইপারের কাজে নিয়োজিত থাকলে অতিরিক্ত হিসেবে প্রতি কোয়ার্টারে ৩ দিন। দণ্ডাদেশ প্রাপ্তির পরবর্তী মাসের ১ তারিখ হতে ১ বছর পার হবার পর; কারা অপরাধের সর্বশেষ শাস্তিভোগের তারিখ হতে ১ বছর অতিক্রম করার পর বন্দি যদি অন্যকোনো কারা অপরাধ না করেন সেক্ষেত্রে বছরে আরও ১৫ দিন সাধারণ রেয়াত পাবেন।

৪. বিশেষ রেয়াত :- জেল সুপার বছরে সর্বোচ্চ ৩০ দিন ও আইজি প্রিজন্স অথবা সরকার বছরে সর্বোচ্চ ৯০ দিন পর্যন্ত বিশেষ রেয়াত প্রদান করতে পারেন। কারাগারে শৃঙ্খলা বা নিয়ম ভঙ্গের বিষয় শনাক্ত করা কিংবা প্রতিরোধ করার কাজে সহযোগিতা করা।হস্তশিল্পে প্রশিক্ষণ প্রদানে কৃতিত্ব।বিশেষ কৃতিত্বপূর্ণ কোনো কাজ কিংবা আয় বৃদ্ধিকারক উন্নতমানের কোনো কাজ।আক্রমণ হতে কারা কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের রক্ষা করা।কারা বিদ্রোহ, বিশৃঙ্খলা, আগুন বা সমপ্রকৃতির জরূরী ক্ষেত্রে কারা কর্মকর্তাকে সহযোগিতা করা।পোশাক ব্যবহারে মিতব্যয়িতা।টেকনিক্যাল বা একাডেমিক ট্রেনিং গ্রহণে দক্ষতা প্রদর্শন। কারাগারের বিধিবিধান পালনে মনোযোগী হওয়া।

৫. জেলকোডের ৭৬৮ বিধি মোতাবেক এক দণ্ডের তৃতীয়াংশের বেশি রেয়াত প্রাপ্তির ক্ষেত্রে সরকারের বিশেষ অনুমতি লাগবে।

সুতরাং একজন কারাবন্দী রেয়াতের ভিত্তিতে দণ্ডাকাল কমিয়ে আনতে পারবেন। সেক্ষেত্রে এমনও হতে পারে বছর ৬ মাসেও হতে পারে কিংবা ৮ মাস বা ১১ মাসেও হতে পারে।

Regards

Md. Abu Horaira Chowdhury
Advocate
Supreme Court of Bangladesh
Corporate Chamber- Chowdhury & Associates
TA-98/1, Azad Plaza (3rd Floor). Gulshan Badda Link Road, Dhaka.
01840-715295

27/05/2026
পুলিশের  “unfettered power” লাগামহীন ক্ষমতা এবং অপব্যবহার : একটি বিশ্লেষণগণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় পুলিশ রাষ্ট্রের আইন প্রয়ো...
27/04/2026

পুলিশের “unfettered power” লাগামহীন ক্ষমতা এবং অপব্যবহার : একটি বিশ্লেষণ

গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় পুলিশ রাষ্ট্রের আইন প্রয়োগকারী বাহিনী। কিন্তু আইনের কিছু ধারা ও বিধান অনেক সময় এমন ক্ষমতা প্রদান করে যা সঠিকভাবে ব্যবহৃত না হলে নাগরিক অধিকার ও মানবাধিকারের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। নিচে আইনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ ধারা অনুযায়ী পুলিশের ক্ষমতা ও তার সীমাবদ্ধতা আলোচনা করা হলো।

⚖️ ১. দণ্ডবিধি (Penal Code) ধারা ৫৪: বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার

ধারা ৫৪ অনুযায়ী পুলিশ “যে কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ থাকলে” বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে।
সমস্যা:
এই ধারার “যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ” (reasonable suspicion) শব্দগুচ্ছটি অস্পষ্ট এবং পুলিশ ইচ্ছেমতো ব্যাখ্যা করতে পারে।

অপব্যবহারের ধরন:

“যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ” শব্দগুচ্ছটি অস্পষ্ট, ফলে পুলিশ নিজের ইচ্ছামতো ব্যাখ্যা করে যেকোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে।

রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে, ব্যক্তিগত বিরোধে, কিংবা ঘুষের বিনিময়ে পুলিশ এ ধারা ব্যবহার করে নিরপরাধ ব্যক্তিকেও হয়রানি করে।

অনেক সময় গ্রেফতারের পর কোনো মামলা দায়ের না করেই মানুষকে আটক রাখা হয়।

নাগরিকের ব্যক্তিস্বাধীনতা (Constitution Article 32) ও আইনের আশ্রয় পাওয়ার অধিকার (Article 31) লঙ্ঘিত হয়।
এ ধারার অপব্যবহার বহুবার নাগরিকের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করেছে।

বিচারিক নির্দেশনা:
২০০৩ সালে BLAST vs. Bangladesh (55 DLR 363) মামলায় হাইকোর্ট এ ধারার প্রয়োগে কড়াকড়ি নির্দেশনা দেয়, যেন অকারণে কাউকে গ্রেফতার না করা হয়।

⚖️ ২. ফৌজদারি কার্যবিধি (Criminal Procedure Code) ধারা ১৬৭: রিমান্ড বা জিজ্ঞাসাবাদ

ধারা ১৬৭ অনুযায়ী পুলিশ কোনো আসামিকে আদালতের অনুমতি নিয়ে রিমান্ডে নিতে পারে।

অপব্যবহারের ধরন:

অনেক সময় পুলিশ জবানবন্দি আদায় বা স্বীকারোক্তি নেয়ার জন্য শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে।

আদালতকে বিভ্রান্ত করার জন্য “তদন্তের প্রয়োজনে রিমান্ড দরকার” বলে বারবার আবেদন করে।

রিমান্ড শেষে “confessional statement” আদায় করা হয় ভয় বা নির্যাতনের মাধ্যমে।

এটি সংবিধানের ৩৫(৫) অনুচ্ছেদে নিষিদ্ধ নির্যাতনবিরোধী নীতির পরিপন্থী।
এছাড়া, আসামির ন্যায্য বিচার পাওয়ার অধিকারও লঙ্ঘিত হয়।
বাংলাদেশে রিমান্ড অনেক সময় জিজ্ঞাসাবাদের আড়ালে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বিচারিক অবস্থান:
BLAST vs. Bangladesh মামলায় আদালত স্পষ্ট করে বলেছেন, রিমান্ড হবে ব্যতিক্রমী ব্যবস্থা, নিয়ম নয়।
সংবিধানিক দৃষ্টিকোণ:
সংবিধানের ৩৫(৫) অনুচ্ছেদে নির্যাতন নিষিদ্ধ করা হয়েছে, কিন্তু কার্যত এই ধারা নাগরিক অধিকারের প্রতি চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করে।

⚖️ ৩. ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ১৭৩: তদন্ত প্রতিবেদন

ধারা ১৭৩ অনুযায়ী পুলিশ মামলার তদন্ত শেষে প্রতিবেদন দাখিল করে।

অপব্যবহারের ধরন:

ইচ্ছাকৃতভাবে তদন্ত দীর্ঘায়িত করে আসামিকে হয়রানি করা হয়।

প্রভাবশালী আসামিকে বাঁচানোর জন্য “Final Report” দাখিল করে মামলা খারিজের চেষ্টা করা হয়।

কখনো কখনো সাক্ষ্যপ্রমাণ গোপন বা বিকৃত করে “charge sheet” প্রভাবিত করা হয়।

ন্যায়বিচার বিলম্বিত হয় বা ভুক্তভোগী ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিঅপব্যবহারের ধরন:

অনেক সময় পুলিশ জবানবন্দি আদায় বা স্বীকারোক্তি নেয়ার জন্য শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে।

আদালতকে বিভ্রান্ত করার জন্য “তদন্তের প্রয়োজনে রিমান্ড দরকার” বলে বারবার আবেদন করে।

রিমান্ড শেষে “confessional statement” আদায় করা হয় ভয় বা নির্যাতনের মাধ্যমে।

এটি সংবিধানের ৩৫(৫) অনুচ্ছেদে নিষিদ্ধ নির্যাতনবিরোধী নীতির পরিপন্থী।
এছাড়া, আসামির ন্যায্য বিচার পাওয়ার অধিকারও লঙ্ঘিত হয়।
পুলিশ চাইলে তদন্ত বিলম্বিত করতে পারে, প্রভাবিতভাবে রিপোর্ট দিতে পারে, বা আদালতের অনুমতি ছাড়া “final report” জমা দিতে পারে।

অনেক সময় ভুক্তভোগী ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়, কারণ তদন্ত পুলিশের হাতে কেন্দ্রীভূত থাকে।

⚖️ ৪. সন্ত্রাস দমন আইন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ইত্যাদি

এই বিশেষ আইনের ধারা গুলোও পুলিশের হাতে ব্যাপক ক্ষমতা দিয়েছে—
বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার,
ইলেকট্রনিক ডিভাইস জব্দ,
অনলাইন নজরদারি ইত্যাদি।
এগুলো অনেক সময় মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও ব্যক্তিস্বাধীনতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়ে পড়ে।

অপব্যবহারের ধরন:

মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বা সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের।

সমালোচনামূলক বক্তব্য বা রাজনৈতিক মন্তব্যের কারণে গ্রেফতার।

“জাতীয় নিরাপত্তা”র অজুহাতে সাধারণ নাগরিকদের হয়রানি।

এটি সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে বর্ণিত মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পরিপন্থী।

আইনের উদ্দেশ্য জনগণের সুরক্ষা, কিন্তু বাস্তবে কিছু ধারার অস্পষ্টতা ও পর্যবেক্ষণের অভাবে পুলিশ তা ব্যবহার করে ভীতি, নির্যাতন ও প্রভাব বিস্তারের হাতিয়ার হিসেবে।
যথাযথ জবাবদিহিতা না থাকায় এই “unfettered power” আইনের শাসনকে দুর্বল করে।
ফলস্বরূপ, জনগণের মধ্যে বিচার ব্যবস্থার প্রতি আস্থাহীনতা বৃদ্ধি পায়।

আইন প্রয়োগের উদ্দেশ্য হওয়া উচিত নাগরিক সুরক্ষা, নয় নাগরিক নিয়ন্ত্রণ।
তাই পুলিশের ক্ষমতা যেন সীমিত, স্বচ্ছ ও আদালতীয় তদারকির অধীনে থাকে, তা নিশ্চিত করাই একটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রের লক্ষণ।

Courtesy By

Md. Abu Horaira Chowdhury
Advocate
Supreme Court Bar Association
Corporate Chamber
Chowdhury & Associates
Address- Azad Plaza (3rd Floor)
Gulshan Badda Link Road, Dhaka
01840-715295

I've just reached 7K followers! Thank you for continuing support. I could never have made it without each and every one ...
23/04/2026

I've just reached 7K followers! Thank you for continuing support. I could never have made it without each and every one of you. 🙏🤗🎉

ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির পাসপোর্ট পাওয়া বা না পাওয়ার বিষয়টি প্রধানত “বাংলাদেশ পাসপোর্ট আদেশ, ১৯৭৩” (The Banglade...
23/04/2026

ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির পাসপোর্ট পাওয়া বা না পাওয়ার বিষয়টি প্রধানত “বাংলাদেশ পাসপোর্ট আদেশ, ১৯৭৩” (The Bangladesh Passport Order, 1973) এবং উচ্চ আদালতের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল। প্রচলিত আইন এবং বর্তমান পরিস্থিতির আলোকে এর ব্যাখ্যা আলোচনা করা হলো:

১. বাংলাদেশ পাসপোর্ট আদেশ, ১৯৭৩ অনুযায়ী বিধান
এই আদেশের অনুচ্ছেদ ৬-এ পাসপোর্ট ইস্যু করতে অস্বীকার করার কারণগুলো উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে দুটি বিশেষ দিক প্রাসঙ্গিক:

ক) বিচারাধীন মামলা (Article 6(1)(e)): যদি কোনো ব্যক্তি ফৌজদারি আদালতে বিচারাধীন কোনো মামলায় হাজিরা এড়ানোর চেষ্টা করেন বা আদালত কর্তৃক তার দেশত্যাগের ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা থাকে, তবে পাসপোর্ট কর্তৃপক্ষ তাকে পাসপোর্ট দিতে অস্বীকার করতে পারে।

খ) নৈতিক স্খলন ও সাজা (Article 6(1)(c)): যদি আবেদনকারী আবেদনের পূর্ববর্তী ৫ বছরের মধ্যে নৈতিক স্খলনজনিত কোনো অপরাধে কমপক্ষে ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত হন, তবে তাকে পাসপোর্ট দেওয়া হবে না।

২. বর্তমান আইনি প্রেক্ষাপট (২০২৪-২০২৬)
সাম্প্রতিক সময়ে (২০২৪-এর পরবর্তী প্রেক্ষাপটে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ইমিগ্রেশন বিভাগ পাসপোর্ট প্রদানের ক্ষেত্রে অধিকতর কড়াকড়ি আরোপ করেছে।

মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত: ২০২৫ সালের মে মাসে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি, দেশ-বিদেশে পলাতক আসামি এবং সুনির্দিষ্ট ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্তদের পাসপোর্ট সেবা বন্ধ বা বাতিল করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

পুলিশি তদন্ত (Verification): পাসপোর্টের আবেদনের পর পুলিশ ভেরিফিকেশনের সময় যদি দেখা যায় আবেদনকারীর বিরুদ্ধে কোনো “গুরুতর” ফৌজদারি মামলা (যেমন—হত্যা, জালিয়াতি বা রাষ্ট্রের নিরাপত্তাবিরোধী মামলা) আছে এবং মামলাটি চার্জশিট পর্যায়ে বা বিচারাধীন রয়েছে, তবে পুলিশ সাধারণত নেতিবাচক রিপোর্ট প্রদান করে। এর ফলে পাসপোর্ট প্রদান প্রক্রিয়া আটকে যায়।

৩. উচ্চ আদালতের পর্যবেক্ষণ
সুপ্রিম কোর্টের বিভিন্ন রায়ে বলা হয়েছে যে, পাসপোর্ট পাওয়া একজন নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকারের অংশ। তবে আদালতের সুনির্দিষ্ট কোনো নিষেধাজ্ঞা বা পরোয়ানা থাকলে পাসপোর্ট ইস্যু করা বা বিদেশে যাওয়ার সুযোগ থাকে না। যদি মামলাটি প্রাথমিক পর্যায়ে থাকে এবং আদালত থেকে কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকে, তবে আইনিভাবে পাসপোর্ট পেতে বাধা নেই। তবে বর্তমানে নীতিগতভাবে “অভিযুক্ত” ব্যক্তিদের ভেরিফিকেশনে বিশেষ কড়াকড়ি করা হচ্ছে।

পরিস্থিতি অনুযায়ী বাস্তব চিত্র:

সাধারণ মামলা (তদন্তাধীন): পুলিশের রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে প্রাপ্তি সাপেক্ষে; তবে অনেক ক্ষেত্রে ডিআইপি (DIP) স্থগিত রাখতে পারে।
আদালতে বিচারাধীন (চার্জশিট পরবর্তী): আদালতের বিশেষ অনুমতি বা অনাপত্তি ছাড়া পাসপোর্ট পাওয়া প্রায় অসম্ভব।
ফেরারি বা পলাতক আসামি: কোনোভাবেই পাসপোর্ট পাওয়ার সুযোগ নেই।
সাজাপ্রাপ্ত আসামি: সাজা ভোগ করার পর নির্দিষ্ট সময় পার না হওয়া পর্যন্ত পাসপোর্ট পাবেন না।
ভুক্তভোগী কেউ যদি নির্দিষ্ট কোনো মামলার কারণে পাসপোর্ট আটকে থাকে, তবে সংশ্লিষ্ট আদালত থেকে পাসপোর্ট পাওয়ার জন্য অনাপত্তি বা বিদেশে যাওয়ার অনুমতি সংক্রান্ত আদেশ গ্রহণ করা সবচেয়ে কার্যকর সমাধান হতে পারে। এছাড়াও আদালতের আদেশ ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের ওপর বাধ্যতামূলক এবং তা পালন করা কর্তৃপক্ষের জন্য আবশ্যক।

Courtesy By
Md. Abu Horaira Chowdhury
Advocate
Supreme Court of Bangladesh
Head of Corporate Chamber
Chowdhury & Associates
Azad Plaza (3rd floor), Gulshan Badda Link Road, Dhaka
01840-715295

Address

TA‑98/1, Azad Plaza,‑Badda Link Road, Badda, Dhaka On Google Mapsda Link Road, Badda, Dhaka
Dhaka
GULSHAN

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Chowdhury & Associates posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share