বাংলাদেশ জাতীয় আইনজীবী সমিতি Bangladesh National Bar Association

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • বাংলাদেশ জাতীয় আইনজীবী সমিতি Bangladesh National Bar Association

বাংলাদেশ জাতীয় আইনজীবী সমিতি  Bangladesh National Bar Association Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from বাংলাদেশ জাতীয় আইনজীবী সমিতি Bangladesh National Bar Association, Legal Service, Dhaka.

কবুলিয়ত দলিল:এটি একটি অতি পুরানো ভূমি বন্দোবস্তের চুক্তিপত্র। । পাট্টা ও কবুলিয়তের ভিত্তিতে কৃষকরা জমির মালিকানা ও দখল...
18/08/2026

কবুলিয়ত দলিল:
এটি একটি অতি পুরানো ভূমি বন্দোবস্তের চুক্তিপত্র। । পাট্টা ও কবুলিয়তের ভিত্তিতে কৃষকরা জমির মালিকানা ও দখল প্রমাণের সুযোগ পায়। কৃষকগণ তাদের অধিকার ও দায়িত্ব বর্ণনা করে সরকারকে কবুলিয়ত নামে দলিল সম্পাদন করে দিত, আর সরকারপক্ষ থেকে জমির উপর জনগনের স্বত্ব স্বীকার করে নিয়ে পাট্টা দেওয়া হত।

বর্তমানে কোন সরকারি খাস জমি কোন ভূমিহীনদের নিকট যে দলিলের মাধ্যমে প্রদান করা হয় তাকে কবুলিয়ত বলে। কবুলিয়ত দলিল অবশ্যই রেজিস্ট্রি করতে হবে।

পাট্টা:
জমিদার কর্তৃক প্রজা বরাবর সম্পাদিত দলিল।
পাট্টা একটি অতি পুরানো ভূমি বন্দোবস্তের চুক্তিপত্র, যার আওতায় রাষ্ট্রের পক্ষে খাজনা আদায়ের এজেন্ট হিসেবে জমিদারগণ কতিপয় শর্তসাপেক্ষে রায়তদের নিকট লিখিতভাবে ভূমি বরাদ্দের প্রস্তাব করতেন। অপরদিকে সংশ্লিষ্ট প্রজা বা রায়ত উল্লিখিত শর্তে জমি বন্দোবস্ত গ্রহণে রাজি কি-না সে বিষয়ে লিখিত সম্মতি বা কবুলিয়ত প্রদান করতেন। পাট্টার শর্তগুলির মধ্যে জমির সীমানা বা চৌহদ্দি, জমির পরিমাণ, গুণগত মান, লিজ বা বরাদ্দের মেয়াদ, খাজনার হার এবং খাজনা প্রদানের পদ্ধতি লিপিবদ্ধ থাকত। একজন কৃষক পাট্টা পেলে এবং কবুলিয়ত দিলে তিনি পাট্টাধারী রায়ত হিসেবে পরিচিত হতেন।

পাট্টাধারী রায়তদের নিকট থেকে খাজনা আদায়ের জন্য রাষ্ট্র কর্তৃক নিয়োজিত একটি মধ্যস্বত্বভোগী শ্রেণি ছিল যাদেরকে বলা হতো পাটোয়ারি।

কামরুল ইসলাম, ভূউসক।
১৬.৮.২৩(পুনঃ পোস্ট)

ব্রাজিলে বন্দিদের শিক্ষার প্রতি উৎসাহিত করতে একটি বিশেষ কর্মসূচি চালু রয়েছে। এর আওতায় নির্দিষ্ট বই পড়ে সেটির ওপর একটি...
13/08/2026

ব্রাজিলে বন্দিদের শিক্ষার প্রতি উৎসাহিত করতে একটি বিশেষ কর্মসূচি চালু রয়েছে। এর আওতায় নির্দিষ্ট বই পড়ে সেটির ওপর একটি লিখিত প্রতিবেদন জমা দিলে বন্দিরা তাদের কারাদণ্ড কমানোর সুযোগ পান। সাধারণভাবে, অনুমোদিত প্রতিটি বই পড়া ও প্রতিবেদন সম্পন্ন করার মাধ্যমে সর্বোচ্চ চার দিন পর্যন্ত সাজা কমানো যেতে পারে। তবে এই সুবিধা পেতে বই নির্বাচন, পড়ার সময়সীমা এবং প্রতিবেদনের মানসহ নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণ করতে হয়। কর্মসূচিটির মূল উদ্দেশ্য শুধু সাজা কমানো নয় বরং বন্দিদের পড়াশোনা, জ্ঞান অর্জন, চিন্তাশক্তি ও পুনর্বাসনে উৎসাহিত করা। ধারণাটি কারাগারে সময়কে শিক্ষামূলক কাজে ব্যবহারের একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ হিসেবে পরিচিত।

(Collected)

১) জমির খাজনা (ভূমি উন্নয়ন কর) দেয়ার জন্য নতুন হোল্ডিং খোলার আবেদন করলে তা ৪৮ ঘন্টার মধ্যে নিষ্পত্তি করতে নির্দেশনা দিয়ে...
18/07/2026

১) জমির খাজনা (ভূমি উন্নয়ন কর) দেয়ার জন্য নতুন হোল্ডিং খোলার আবেদন করলে তা ৪৮ ঘন্টার মধ্যে নিষ্পত্তি করতে নির্দেশনা দিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়।

২) হোল্ডিং আবেদন বাতিল হলে তার কারণ উল্লেখ করতে হবে যাতে জনগণ জানতে পারেন।

৩) খাজনার পরিমাণ, বকেয়া সন বা জমির ব্যবহারভিত্তিক শ্রেণি বিষয়ে কোনো আপত্তি দায়ের হলে সহকারী কমিশনার ভূমিকে তা ৭ দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত দিতে বলা হয়েছে।

শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন।

17/07/2026

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর সর্বশেষ সংশোধন

ফৌজদারি কার্যবিধি (দ্বিতীয় সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ ​(অধ্যাদেশ নং ৪১, ২০২৫)

​ধারা- ১:
সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও শুরু
​অত্র আইনের নাম "Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025" এবং ইহা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

​ধারা- ২: (৩২ ধারা সংশোধন)
ম্যাজিস্ট্রেটদের জরিমানার ক্ষমতা বৃদ্ধি ও বেত্রাঘাত বাতিল

​প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট: জরিমানার ক্ষমতা ৫,০০,০০০ (পাঁচ লক্ষ) টাকা (পূর্বে ছিল ১০,০০০ টাকা)

​দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট: জরিমানার ক্ষমতা ৩,০০,০০০ (তিন লক্ষ) টাকা (পূর্বে ছিল ৫,০০০ টাকা।

​তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট: জরিমানার ক্ষমতা ২,০০,০০০ (দুই লক্ষ) টাকা (পূর্বে ছিল ২,০০০ টাকা।

​বেত্রাঘাত বিলোপ: ফৌজদারি আইন থেকে 'Whipping' বা বেত্রাঘাত করার শাস্তির বিধানটি সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত করা হয়েছে।

​ধারা- ৩: (নতুন ধারা ৪৬এ, ৪৬বি, ৪৬সি, ৪৬ডি এবং ৪৬ই সন্নিবেশ)
গ্রেফতারের পদ্ধতি ও অধিকার সম্পর্কিত নতুন বিধান

​৪৬এ (গ্রেফতারের নিয়ম):
গ্রেফতারকারী পুলিশ কর্মকর্তাকে নিজের নাম লেখা দৃশ্যমান পরিচয়পত্র পরতে হবে এবং আসামিকে তা দেখাতে হবে। একটি 'মেমোরেন্ডাম অব অ্যারেস্ট' (গ্রেফতারি মেমো) তৈরি করতে হবে, যেখানে আসামির পরিবারের সদস্য বা স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তির স্বাক্ষর এবং আসামির নিজের স্বাক্ষর থাকবে। আসামিকে বাসার বাইরে থেকে গ্রেফতার করা হলে ১২ ঘণ্টার মধ্যে তার পরিবার বা মনোনীত বন্ধুকে গ্রেফতারের স্থান ও হেফাজতের জায়গা জানাতে হবে। আসামির শরীরে আঘাত থাকলে সরকারি ডাক্তারের মাধ্যমে চিকিৎসা ও মেডিকেল সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে হবে। আসামি চাইলে গ্রেফতারের ১২ ঘণ্টার মধ্যে আইনজীবীর পরামর্শ নিতে বা আত্মীয়ের সাথে দেখা করতে পারবেন।

​৪৬বি (তথ্য সংরক্ষণ):
গ্রেফতারের তথ্য সরকারি রেজিস্টার ও ওই থানার সাধারণ ডায়েরিতে (জিডি) তাৎক্ষণিকভাবে লিখতে হবে। আত্মীয়-স্বজন বা প্রতিবেশী চাইলে পুলিশ এই তথ্য দিতে বাধ্য থাকবে।

​৪৬সি (তথ্য প্রদর্শন):
প্রতিটি থানা ও জেলার সদর দপ্তরে সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) পদমর্যাদার নিচে নন, এমন একজন কর্মকর্তাকে গ্রেফতারের তথ্য সংরক্ষণের দায়িত্ব দিতে হবে এবং এই তথ্য ডিজিটাল ফর্মে প্রদর্শন করতে হবে।

​৪৬ডি (স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা):
পুলিশ হেফাজতে থাকা আসামির স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার যথাযথ যত্ন নেওয়া পুলিশের দায়িত্ব।

​৪৬ই (ডাক্তারি পরীক্ষা):
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি অসুস্থ বা আহত হলে দ্রুত সরকারি মেডিকেল অফিসার বা রেজিস্টার্ড ডাক্তার দিয়ে চিকিৎসা করাতে হবে। নারী আসামির ক্ষেত্রে নারী ডাক্তার বা নার্সের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক। আসামি গুরুতর অসুস্থ হলে সশরীরে হাজির না করে ভিডিও লিংকের মাধ্যমে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে উপস্থাপন করা যাবে।

​ধারা- ৪:
জব্দতালিকা বা সিজার লিস্ট (৫১ ধারা সংশোধন)
​আসামির কাছ থেকে কোনো কিছু জব্দ করা হলে সাক্ষীর সামনে একটি তালিকা প্রস্তুত করতে হবে এবং তার একটি কপি আসামি বা তার মনোনীত ব্যক্তিকে প্রদান করতে হবে।

​ধারা- ৫:
বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের সুনির্দিষ্ট শর্ত (৫৪ ধারা সংশোধন)
​পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার করতে পারবে যদি নিচের ১১টি কারণের কোনোটি থাকেঃ
১। পুলিশের সামনে আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটিত হলে।
২। ৭ বছর বা তার কম শাস্তির অপরাধের ক্ষেত্রে যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ থাকলে; তবে পুলিশকে বিশ্বাস করতে হবে যে গ্রেফতার জরুরি।
৩। ৭ বছরের বেশি কারাদণ্ড বা মৃত্যুদণ্ডের অপরাধ করেছে বলে বিশ্বাসযোগ্য তথ্য থাকলে।
৪। কারও কাছে বৈধ কারণ ছাড়া ঘর ভাঙার বা চুরির সরঞ্জাম থাকলে।
৫। সরকার বা আইন দ্বারা ঘোষিত পলাতক অপরাধী হলে।
৬। কারও কাছে চোরাই মাল পাওয়া গেলে।
৭। পুলিশের আইনি কাজে বাধা দিলে বা আইনি হেফাজত থেকে পালালে।
৮। বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী থেকে পালানো সদস্য (deserter) হলে।
৯। দেশের বাইরে এমন অপরাধ করলে, যা দেশে করলে শাস্তিযোগ্য হতো এবং তা প্রত্যর্পণযোগ্য হলে।
১০। মুক্তি পাওয়া কয়েদি ৫৬৫(৩) ধারার নিয়ম ভাঙলে।
১১। অন্য কোনো পুলিশ কর্মকর্তার কাছ থেকে গ্রেফতারের বৈধ লিখিত অনুরোধ (রিকুইজিশন) আসলে।

​শর্তঃ নিবর্তনমূলক আটক (প্রিভেন্টিভ ডিটেনশন) আইনের অধীনে এই ধারায় কাউকে গ্রেফতার করা যাবে না।

​ধারা- ৬: (নতুন ধারা ৫৪এ সন্নিবেশ)
গ্রেফতারের কারণ অবহিতকরণ-
​বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতারের সময় পুলিশ আসামিকে গ্রেফতারের সুনির্দিষ্ট কারণ তাৎক্ষণিকভাবে মৌখিকভাবে জানাবে।

​ধারা- ৭: (নতুন ধারা ৫৭এ সন্নিবেশ)
পুলিশের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা-
​গ্রেফতারের আইনি বিধান পুলিশ ঠিকমতো পালন করেছে কিনা, ম্যাজিস্ট্রেট তা যাচাই করবেন। অবহেলা বা আইন লঙ্ঘন প্রমাণিত হলে ম্যাজিস্ট্রেট সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেবেন।

​ধারা- ৮ ও ৯: (৬৯ ও ৭০ ধারা সংশোধন)
সমন জারির আধুনিকায়ন-
​সমন এখন কাগজের পাশাপাশি ডিজিটাল মাধ্যমেও (এসএমএস, ভয়েস কল, ইনস্ট্যান্ট মেসেজ বা ই-মেইল) পাঠানো যাবে। পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক 'পুরুষ' সদস্যের বদলে যেকোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্য সমন গ্রহণ করতে পারবেন।

​ধারা- ১০: (১৬৭ ধারা সংশোধন)
রিমান্ড বা পুলিশ হেফাজত-
​আসামিকে সর্বমোট ১৫ দিনের বেশি পুলিশ হেফাজতে (রিমান্ডে) রাখা যাবে না। এরপর তাকে বিচারিক হেফাজতে (জেলে) পাঠাতে হবে।
​তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা ক্ষমতাহীন দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট রিমান্ড মঞ্জুর করতে পারবেন না।
​রিমান্ডে দেওয়ার আগে আসামিকে সরকারি ডাক্তার দিয়ে পরীক্ষা করাতে হবে।
​রিমান্ড শেষে শরীরে আঘাতের চিহ্ন বা নির্যাতনের অভিযোগ থাকলে ম্যাজিস্ট্রেট পুনরায় ডাক্তারি পরীক্ষার নির্দেশ দেবেন এবং নির্যাতনের প্রমাণ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।

​ধারা- ১১: (নতুন ধারা ১৬৭এ সন্নিবেশ)
শোন অ্যারেস্ট ও বেআইনি আটক-
​অন্য মামলায় জেলে থাকা কাউকে নতুন মামলায় গ্রেফতার দেখাতে হলে তাকে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করতে হবে, কেস ডায়েরি দেখাতে হবে এবং তার বক্তব্য শুনতে হবে। নিবর্তনমূলক আটক (বিনা বিচারে আটক) উদ্দেশ্যে কাউকে গ্রেফতার করা হলে ম্যাজিস্ট্রেট জেলে পাঠানোর আদেশ দেবেন না। পুলিশের বেআইনি কাজের প্রমাণ পেলে ম্যাজিস্ট্রেট দণ্ডবিধির ২২০ ধারা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবেন।

​ধারা- ১২: (নতুন ধারা ১৭৩বি সন্নিবেশ)
তদন্তের সময়সীমা ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা-
​মামলার তদন্ত ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে শেষ করতে হবে। যৌক্তিক কারণে ম্যাজিস্ট্রেট সময় বাড়াতে পারবেন।
​তদন্ত কর্মকর্তা যদি ইচ্ছাকৃত অবহেলা করেন, বা কাউকে বাঁচাতে প্রমাণ নষ্ট করেন, তবে আদালত তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিতে পারবেন।
​সুবিচারের স্বার্থে আদালত চাইলে অভিযুক্ত কোনো ব্যক্তিকে আসামির বদলে 'সাক্ষী' হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ দিতে পারবেন।

​ধারা- ১৩: (২৪৭ ধারা সংশোধন)
ভাষাগত পরিবর্তন-
​নালিশি মামলার ক্ষেত্রে "If the summons has been issued on complaint, and upon" এর জায়গায় "In a case instituted upon complaint, if on" শব্দগুচ্ছ প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।

​ধারা- ১৪: (২৫০ ধারা সংশোধন)
মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলার ক্ষতিপূরণ
​মিথ্যা বা হয়রানিমূলক মামলার ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগকারীকে জরিমানা করতে বাধ্য থাকবেন। ক্ষতিপূরণের পরিমাণ:
​১,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা;
​৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫,০০০ টাকা;
​১০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫,০০০ টাকা এবং
​সর্বোচ্চ ৩,০০০ টাকার জায়গায় ১,০০,০০০ (এক লক্ষ) টাকা করা হয়েছে।

​ধারা- ১৫ ও ১৬: (২৬০ ও নতুন ধারা ২৬৪এ)
সংক্ষিপ্ত বিচার বা সামারি ট্রায়াল-
​সংক্ষিপ্ত বিচারের ক্ষেত্রে আর্থিক এখতিয়ার ১০,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫,০০,০০০ টাকা করা হয়েছে। সম্ভব হলে একই দিনে চার্জ গঠন, সাক্ষ্য গ্রহণ, আসামিকে পরীক্ষা ও রায় ঘোষণা সম্পন্ন করতে হবে।

​ধারা- ১৭: পলাতক আসামির বিজ্ঞপ্তি (৩৩৯বি ধারা সংশোধন)
​পলাতক আসামিকে হাজির হওয়ার জন্য জাতীয় বাংলা পত্রিকার পাশাপাশি আদালত, জেলা প্রশাসক বা পুলিশের সরকারি ওয়েবসাইটেও বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা যাবে।

​ধারা- ১৮: (৩৪৫ ধারা সংশোধন)
আপোষ-মীমাংসা
​দণ্ডবিধির ১৪৩ ধারা (বেআইনি সমাবেশ) এখন আপোষযোগ্য করা হয়েছে। আদালত চাইলে আপোষযোগ্য মামলাগুলোতে উভয় পক্ষকে লিগ্যাল এইড অফিসার, আইনজীবী বা নিজেদের মধ্যে আপোষ করার সুযোগ করে দিতে পারবেন এবং চুক্তিপত্র সংরক্ষণ করে আদেশ দেবেন।

​ধারা- ১৯ ও ২০: (৩৯০-৩৯৬ ধারা সংশোধন)
বেত্রাঘাত বিলোপ
​ফৌজদারি কার্যবিধি থেকে বেত্রাঘাত বা চাবুক মারার (Whipping) শাস্তি সম্পূর্ণ বিলুপ্ত করা হয়েছে।

​ধারা- ২১ ও ২২: (৪১৩ ও ৪১৪ ধারা সংশোধন)
আপিলের অযোগ্য জরিমানা
​যেসব ক্ষেত্রে আপিল করা যায় না, এমন জরিমানার পরিমাণ বাড়িয়ে ৫,০০০ টাকা করা হয়েছে।

​ধারা- ২৩ ও ২৪: (৪৯৬ ও ৪৯৯ ধারা সংশোধন)
জামিন ও ডিজিটাল বন্ড-
​জামিন দেওয়ার সময় আদালত আসামির পালানো ঠেকাতে বা ভালো আচরণের জন্য যুক্তিসঙ্গত শর্ত আরোপ করতে পারবেন। আসামিরা আদালতের অনুমতি নিয়ে অনলাইনেও জামিননামা (Bail bond) দাখিল করতে পারবেন, যা জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) দিয়ে যাচাই করা হবে।

​ধারা- ২৫: (৫৪০এ ধারা সংশোধন)
আসামির হাজিরা মওকুফ
​তদন্ত পর্যায়ে আসামি জামিনে থাকলে এবং তার আইনজীবী উপস্থিত থাকলে, ম্যাজিস্ট্রেট যুক্তিসঙ্গত কারণে আসামির ব্যক্তিগত হাজিরা মওকুফ করতে পারবেন।

​ধারা- ২৬: (৫৪৪ ধারা সংশোধন)
সাক্ষী ও ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা
​মামলার বাদী, ভুক্তভোগী এবং সাক্ষীদের নিরাপত্তার জন্য আদালত যেকোনো পর্যায়ে প্রয়োজনীয় আদেশ দিতে পারবেন।

​ধারা ২৭:
দ্বিতীয় তফসিলের সংশোধন (SCHEDULE II)
​দণ্ডবিধির ১৪৩ ধারাকে আপোষযোগ্য (Compoundable) এবং ১৪৪ ধারাকে আপোষ-অযোগ্য (Not Compoundable) করা হয়েছে।
​দণ্ডবিধির ৩২৫ ধারার (গুরুতর আঘাত) ক্ষেত্রে সমনের বদলে ওয়ারেন্ট ইস্যু হবে এবং এটি জামিন-অযোগ্য (Not bailable) অপরাধ বলে গণ্য হবে।

​ধারা ২৮:
নতুন ফর্ম সংযোজন (SCHEDULE V, Form IA)
​তফসিলে গ্রেফতারের একটি আদর্শ 'মেমোরেন্ডাম অব অ্যারেস্ট' ফর্ম যুক্ত করা হয়েছে। এতে আসামির নাম, পরিচয়, এনআইডি, গ্রেফতারের কারণ, স্বাস্থ্যগত অবস্থা, সাক্ষীর স্বাক্ষর এবং গ্রেফতারকারী কর্মকর্তার বিস্তারিত তথ্য লেখার নির্ধারিত ছক রয়েছে।

24/06/2026
⛔স্ত্রী মারা গেলে যদি ছেলে না থাকে তাহলে ঐ স্ত্রীর সম্পত্তি কে কে পাবে? ডিটেইল তথ‍্য সহ👇বাংলাদেশে (মুসলিম পারিবারিক উত্ত...
25/05/2026

⛔স্ত্রী মারা গেলে যদি ছেলে না থাকে তাহলে ঐ স্ত্রীর সম্পত্তি কে কে পাবে? ডিটেইল তথ‍্য সহ👇

বাংলাদেশে (মুসলিম পারিবারিক উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী) কোনো স্ত্রী মারা গেলে তার সম্পত্তি কারা পাবে, তা নির্ভর করে তিনি কাদের রেখে গেছেন তার উপর। ছেলে না থাকলেও অন্য উত্তরাধিকারী থাকলে তারা অংশ পায়। নিচে সহজভাবে ব্যাখ্যা করছি।

১) স্ত্রী মারা গেলে স্বামী কত পাবে?

যদি মৃত স্ত্রীর কোনো সন্তান না থাকে (ছেলে বা মেয়ে কেউ না থাকে), তাহলে স্বামী পাবে:

মোট সম্পত্তির ১/২ (অর্ধেক)

আর যদি সন্তান থাকে, তাহলে স্বামী পায় ১/৪।

২) স্ত্রী মারা গেলে এবং ছেলে না থাকলে কারা সম্পত্তি পাবে?

কেস–১: শুধু স্বামী আছে, সন্তান নেই

উদাহরণ:

স্ত্রী মারা গেছেন

সন্তান নেই

বাবা-মাও নেই

তাহলে:

স্বামী পাবে ১/২

বাকি অংশ যাবে অন্যান্য নিকট আত্মীয়দের মধ্যে (যেমন ভাই-বোন ইত্যাদি)

কেস–২: স্বামী ও মেয়ে আছে, ছেলে নেই

যদি:

১ জন মেয়ে থাকে → মেয়ে পাবে ১/২

একাধিক মেয়ে → তারা সম্মিলিতভাবে পাবে ২/৩

স্বামী তখন পাবে ১/৪ (কারণ সন্তান আছে)।

কেস–৩: স্বামী, মেয়ে ও বাবা-মা আছে

ধরুন:

স্বামী

১ মেয়ে

বাবা

মা

তাহলে সাধারণভাবে:

স্বামী → ১/৪

মেয়ে → ১/২

মা → ১/৬

বাকি অংশ বাবা পাবেন

৩) যদি কোনো সন্তানই না থাকে

তাহলে উত্তরাধিকার সাধারণত এভাবে যায়:

স্বামী

বাবা-মা

ভাই-বোন

দাদা-দাদি / নানা-নানি

অন্যান্য নিকট আত্মীয়

৪) স্ত্রী নিজের অর্জিত সম্পত্তি হলে কী হবে?

যে সম্পত্তি:

স্ত্রী নিজে কিনেছেন,

চাকরির টাকায় করেছেন,

উপহার পেয়েছেন,

মোহরানা পেয়েছেন,

সবই তার ব্যক্তিগত সম্পত্তি হিসেবে গণ্য হবে এবং মৃত্যুর পরে ইসলামী ফারায়েজ অনুযায়ী বণ্টন হবে।

৫) যৌতুক বা স্বামীর সম্পত্তি কি স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্ত্রীর সম্পত্তি?

না।
স্বামীর নামে থাকা সম্পত্তি স্ত্রী মারা গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার উত্তরাধিকারীদের কাছে যায় না। যে সম্পত্তি স্ত্রীর নামে বা মালিকানায় ছিল, শুধু সেটাই বণ্টন হবে।

৬) গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

সম্পত্তি বণ্টনের আগে:

দাফন-কাফনের খরচ,

দেনা-পাওনা,

বৈধ ওসিয়ত (সর্বোচ্চ ১/৩ পর্যন্ত)

এসব পরিশোধ করতে হয়।

একটি সহজ উদাহরণ

ধরুন একজন স্ত্রী মারা গেলেন। রেখে গেলেন:

স্বামী

২ মেয়ে

মা

মোট সম্পত্তি = ১২ লাখ টাকা

তাহলে আনুমানিক:

স্বামী → ৩ লাখ (১/৪)

২ মেয়ে → ৮ লাখ (সম্মিলিত ২/৩)

মা → ২ লাখ (১/৬)

(বাস্তবে হিসাব সামান্য পরিবর্তিত হতে পারে নির্দিষ্ট উত্তরাধিকারীর উপস্থিতির কারণে।) cp

#সম্পত্তি_বণ্টন #স্ত্রীর_সম্পত্তি_বণ্টন #পরিবারের_সম্পত্তির_বণ্টন #ভূমি_আইন

ব্যক্তিগত উদ্যোগেও খনন করা যাবে খাল। বিক্রি করা যাবে মাটি । পরিপত্র জারি
20/05/2026

ব্যক্তিগত উদ্যোগেও খনন করা যাবে খাল। বিক্রি করা যাবে মাটি ।
পরিপত্র জারি

৩(তিন) মাসের মধ্যে বেদখল জমি ফেরত পাওয়ার আবেদন।
04/05/2026

৩(তিন) মাসের মধ্যে বেদখল জমি ফেরত পাওয়ার আবেদন।

ফরেন_পাওয়ারঅব_অ্যাটর্নি_দলিলের নমুনা  কপি।  সংগ্রহে রাখতে পারেন।
23/04/2026

ফরেন_পাওয়ারঅব_অ্যাটর্নি_দলিলের নমুনা কপি।
সংগ্রহে রাখতে পারেন।

Address

Dhaka
1100

Opening Hours

Monday 06:00 - 12:00
Tuesday 06:00 - 00:00
Wednesday 06:00 - 00:00
Thursday 06:00 - 00:00
Friday 06:00 - 00:00
Saturday 06:00 - 00:00
Sunday 06:00 - 00:00

Telephone

+8801866203604

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাংলাদেশ জাতীয় আইনজীবী সমিতি Bangladesh National Bar Association posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to বাংলাদেশ জাতীয় আইনজীবী সমিতি Bangladesh National Bar Association:

Shortcuts

Share

Category