25/04/2026
এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন,আমরা কর জরিপের একটা বড় প্রজেক্ট নিতে চাই।আমি আসার পর থেকেই এই চেষ্টাটা করছি,কিন্তু এখনো অগ্রগতি হয়নি।এই প্রজেক্টটা নিতে হবে।
সারা বাংলাদেশে আমাদের যদি ১০ বছরও লাগে, ফেজ ওয়াইজ আমরা সারা বাংলাদেশে একদম চিরুনী অভিযান দেবো। তারপরও আমাদের এই জরিপ কার্যক্রম কমপ্লিট করতে হবে।তিনি আরও বলেন,হোল্ডিং এর বাইরেও যেমন আমাদের ডেস্কো আছে, ডিপিডিসি আছে,যেখানে ইলেকট্রিক মিটার আছে। আমরা যেটা করবো ট্যাক্স রিটার্নের সঙ্গে এগুলোকে লিঙ্ক করবো।
যখন কেউ ট্যাক্স রিটার্ন সাবমিট করতে যাবে তখন দেখা যাবে যে উনাকে জানান দেয়া হবে আপনার নামে এতটা ইলেকট্রিক মিটার আছে। অমুক অমুক জায়গায় এই প্রপার্টিগুলো আছে। এগুলোকে যদি উনি ওনার ওয়েলথ না দেখান অথবা এই প্রপার্টিগুলোর ইনকাম না দেখান।তাহলে উনাকে এটার জন্য এক্সপ্লেইন করতে হবে। নাহলে উনি রিটার্ন সাবমিট করতে পারবে না।
অনলাইন কর নিয়ে আবদুর রহমান খান বলেন, যেহেতু আমরা অনলাইনে কর রিটার্ন শতভাগ কম্পালসারি করেছি। এটা খুবই সাকসেসফুল হয়েছে।আমাদের অলমোস্ট যারা ট্যাক্স রিটার্ন দেওয়ার সবাই রিটার্ন দিয়ে দিয়েছে। কিছু ট্যাক্স পেয়ার সময় চেয়েছেন। আমি গতকালকে দেখলাম ৫ হাজারের মত করছে প্রতিদিন। ফলে কর ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ কিন্তু কমে যাবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা ব্যাংকিং সিস্টেমের সঙ্গে ইন্টিগ্রেট করছি। ট্যাক্স পেয়ার যখন রিটার্ন সাবমিট করবে তখন ওনাকে একটা অপশন দেবে। তাকে জিজ্ঞেস করা হবে- আপনার ব্যাংকের যে চারটা ইনফরমেশন লাগে রিটার্ন সাবমিট করার জন্য একটা হচ্ছে ক্লোজিং ব্যালেন্স কত, আরেকটা হচ্ছে মুনাফা কত পেলেন, মুনাফার মধ্যে কত ট্যাক্স কাটলো এবং ব্যাংক আপনাকে কত চার্জ করলো। আপনাকে জিজ্ঞেস করা হবে যে এই তথ্যগুলো কী আপনি অটোমেটিক্যালি ব্যাংক থেকে নিতে চান?
আপনি যদি ইয়েস বলেন, তাহলে আপনার ইনফরমেশন সব রিটার্নে চলে আসবে। প্রথমে আমরা ভলেন্টিয়ারি করবো, কারণ আপনার যদি ছয়টা-সাতটা ব্যাংক একাউন্ট থাকে। ছয়-সাত জায়গায় আপনার লোক পাঠানোর দরকার তো নাই। অনেক ব্যাংক আছে স্টেটমেন্টের জন্য আবার আপনাকে চার্জ করে। কোন দরকার নাই, আপনি ক্লিক করবেন আপনার সব তথ্য চলে আসবে। আমরা আবার তখন দেখবো কতজন নিজেরা এটা নিয়ে আসছে, আর কতজন আনে নাই। যারা আনে নাই স্বাভাবিকভাবে তাদের দিকে আমাদের চোখ একটু কিলবিল করবে। আমরা একটু ভালো করে দেখার জন্য ম্যাগনিফাইং গ্লাস লাগাবো। ওনাদেরটা বোঝার জন্য।