No Win No Fee solicitor bd

Call Directions Contact the business

No Win No Fee solicitor bd আইনী পরামর্শ

26/09/2026

ফৌজদারি মামলা High Court-এ বাতিলের আবেদন বিচারাধীন থাকা অবস্থায় গ্রেপ্তারের আশঙ্কা
⚖️━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━⚖️
🟦 ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিষয়: মিথ্যা ফৌজদারি মামলার কার্যক্রম বাতিলের আবেদন High Court Division-এ বিচারাধীন—অন্য জেলায় গেলে গ্রেপ্তার হতে পারেন কি না এবং পুলিশকে নিজে আবেদন দেওয়ার বিষয়
🔵 ১. ❓ প্রশ্ন

আমার বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা ফৌজদারি মামলা চলছে। আমি ইতোমধ্যে High Court Division-এ Code of Criminal Procedure, 1898-এর ধারা ৫৬১A অনুযায়ী মামলাটি বাতিলের আবেদন করেছি, কিন্তু আবেদনটি এখনো বিচারাধীন।

এই অবস্থায় আমি অন্য কোনো স্থানে গেলে কি আমাকে গ্রেপ্তার করার আশঙ্কা আছে? আমি কি নিজে থানায় গিয়ে আমার যাওয়ার উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে একটি আবেদন জমা দিতে পারি?

✅ ২. সংক্ষিপ্ত উত্তর

শুধু ৫৬১A-এর আবেদন বিচারাধীন আছে—এই কারণে আপনার বিরুদ্ধে স্বয়ংক্রিয়ভাবে গ্রেপ্তার-নিষেধাজ্ঞা সৃষ্টি হয় না।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো High Court Division-এর আদেশে কী আছে।

যদি High Court Division আপনার বিরুদ্ধে stay/protection against arrest বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট সুরক্ষা দিয়ে থাকে, তাহলে সেই আদেশ অনুযায়ী আপনার অবস্থান হবে।

কিন্তু শুধু মামলা বাতিলের আবেদন pending থাকলে, সেটিকে নিজে থেকেই arrest protection ধরে নেওয়া নিরাপদ নয়। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, ৫৬১A-এর ক্ষমতা বিশেষ ও ব্যতিক্রমী এবং মামলা বাতিলের আবেদন চলমান থাকা নিজে থেকে নিয়মিত ফৌজদারি প্রক্রিয়াকে স্থগিত করে না।

তাই পুলিশের কাছে নিজে গিয়ে “আমি এখানে কেন এসেছি” মর্মে আবেদন দিলেই গ্রেপ্তার থেকে আইনগত immunity তৈরি হবে—এমন কোনো সাধারণ নিয়ম নেই।

⚖️ ৩. প্রযোজ্য আইন
🔹 Code of Criminal Procedure, 1898 — ধারা ৫৬১A

High Court Division-এর inherent power রয়েছে যাতে আদালতের প্রক্রিয়ার অপব্যবহার রোধ করা যায় এবং ন্যায়বিচারের উদ্দেশ্যে উপযুক্ত আদেশ দেওয়া যায়। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই ক্ষমতা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে এবং ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতে প্রয়োগ করা হয়।

🔹 ধারা ৪৯৬ — Bail

Bailable offence-এর ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী bail পাওয়ার বিধান রয়েছে।

🔹 ধারা ৪৯৭ — Non-bailable offence-এর ক্ষেত্রে Bail

Non-bailable offence-এর ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে আদালত bail দিতে পারেন। বিশেষ করে অভিযোগের উপাদান ও মামলার পরিস্থিতি বিবেচনা করা হয়।

🔹 ধারা ৪৯৮ — High Court Division/Court of Session-এর bail-এর ক্ষমতা

High Court Division বা Court of Session উপযুক্ত ক্ষেত্রে bail দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারে এবং প্রয়োজনীয় শর্ত আরোপ করতে পারে।

⚖️ ৪. আইনি বিশ্লেষণ
🟢 ১. ৫৬১A মামলা pending ≠ automatic arrest protection

আপনার ৫৬১A petition নম্বর থাকা বা Rule pending থাকা গুরুত্বপূর্ণ হলেও সেটিই আপনার বিরুদ্ধে arrest warrant বা অন্যান্য lawful process কার্যকর হওয়া বন্ধ করে না।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করেছে যে ৫৬১A-এর jurisdiction exceptional এবং এটি সাধারণ bail-এর বিকল্প নয়।

অতএব প্রথমেই আপনার আইনজীবীকে High Court Division-এর সর্বশেষ order sheet দেখে নিশ্চিত করতে হবে—

Rule issued হয়েছে কি না;
proceedings stayed হয়েছে কি না;
arrest-এর বিরুদ্ধে কোনো protection আছে কি না;
কোনো নির্দিষ্ট সময়ের জন্য protection দেওয়া হয়েছে কি না;
trial/investigation-এর ওপর কোনো direction আছে কি না।
🟢 ২. Protection না থাকলে গ্রেপ্তারের ঝুঁকি মামলার প্রকৃতির ওপর নির্ভর করবে

মামলাটি কোন ধারায় হয়েছে, FIR/complaint-এর পর্যায় কী, investigation শেষ হয়েছে কি না, charge-sheet হয়েছে কি না, cognizance নেওয়া হয়েছে কি না, warrant আছে কি না—এসবের ওপর বাস্তব ঝুঁকি নির্ভর করবে।

তাই শুধু “quashing pending” তথ্য দিয়ে গ্রেপ্তারের ঝুঁকি নিশ্চিত বা অস্বীকার করা যায় না।

🛡️ ৫. অন্য জেলায় যাওয়ার আগে কী করবেন

যদি আপনার চলাফেরার প্রয়োজন থাকে, তাহলে নিজে থানায় গিয়ে সাধারণ আবেদন জমা দেওয়ার পরিবর্তে আপনার আইনজীবীর মাধ্যমে আগে মামলার বর্তমান procedural status যাচাই করা বেশি নিরাপদ।

বিশেষ করে যাচাই করুন—

১️⃣ FIR/complaint-এর copy
২️⃣ বর্তমান investigation status
৩️⃣ charge-sheet দাখিল হয়েছে কি না
৪️⃣ cognizance নেওয়া হয়েছে কি না
৫️⃣ কোনো warrant জারি হয়েছে কি না
৬️⃣ High Court Division-এর ৫৬১A মামলায় কোনো stay/protection order আছে কি না
৭️⃣ পূর্বে কোনো bail order থাকলে তার শর্ত কী
⚠️ ৬. “আমি থানায় গিয়ে আগে জানিয়ে দেব”—এটি কি যথেষ্ট?

না।

থানায় একটি application দিয়ে আপনি কোথায় যাচ্ছেন বা কেন যাচ্ছেন তা জানানো যেতে পারে, কিন্তু সেই application নিজে গ্রেপ্তার থেকে আইনি সুরক্ষা সৃষ্টি করে না।

বরং আপনার বিরুদ্ধে যদি কোনো lawful arrest process থাকে, তাহলে থানায় স্বেচ্ছায় উপস্থিত হওয়ার আগে আপনার আইনজীবীকে দিয়ে বর্তমান অবস্থাটি যাচাই করা উচিত।

🟢 ৭. যদি গ্রেপ্তারের বাস্তব আশঙ্কা থাকে

যদি অভিযোগটি non-bailable nature-এর হয় এবং বাস্তবভাবে গ্রেপ্তারের আশঙ্কা থাকে, তাহলে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে আগাম জামিন/গ্রেপ্তার-পরবর্তী bail-এর আইনগত ব্যবস্থা বিবেচনা করা উচিত।

বাংলাদেশের Code of Criminal Procedure-এর কাঠামোতে গ্রেপ্তারের আশঙ্কায় bail protection-এর জন্য প্রযোজ্য আইনগত প্রতিকার রয়েছে; High Court Division বা Court of Session-এর bail jurisdiction-ও ধারা ৪৯৮-এ স্বীকৃত।

এটি ৫৬১A quashing proceeding-এর সঙ্গে একই জিনিস নয়—দুটির উদ্দেশ্য ও আইনগত ফল আলাদা।

🏛 ৮. বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত / প্রতিষ্ঠিত আইনি নীতি

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, ৫৬১A-এর অধীনে মামলা বাতিলের ক্ষমতা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে প্রয়োগ করতে হয়। যেখানে FIR/complaint-এর অভিযোগগুলো গ্রহণ করলেও কোনো অপরাধের উপাদান প্রকাশ পায় না, অথবা proceedings চালিয়ে যাওয়া abuse of process হয়ে দাঁড়ায়, সেখানে High Court Division হস্তক্ষেপ করতে পারে।

আবার যেখানে FIR/charge-sheet-এ prima facie offence প্রকাশ পায় এবং বিষয়টি মূলত evidence-এর ওপর নির্ভরশীল, সেখানে শুধু অভিযোগ মিথ্যা বলা হচ্ছে—এই কারণে ৫৬১A-তে proceedings বাতিল করা সবসময় সম্ভব নয়। সত্য-মিথ্যার প্রশ্ন অনেক ক্ষেত্রে trial-এর বিষয়।

✅ ৯. করণীয়

আপনার অবস্থায় সবচেয়ে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ হলো—

প্রথমে: High Court Division-এর ৫৬১A মামলার সর্বশেষ order সংগ্রহ করুন।

দ্বিতীয়ত: সেখানে কোনো stay/protection against arrest আছে কি না নিশ্চিত করুন।

তৃতীয়ত: FIR/complaint, investigation status, charge-sheet/cognizance এবং warrant-এর অবস্থা যাচাই করুন।

চতুর্থত: protection না থাকলে এবং অভিযোগটি non-bailable হলে, প্রযোজ্য bail remedy সম্পর্কে আপনার আইনজীবীর মাধ্যমে অবিলম্বে পদক্ষেপ নিন।

পঞ্চমত: শুধু নিজের উপস্থিতি জানানোর জন্য থানায় যাওয়াকে arrest protection হিসেবে ধরে নেবেন না।

🎯 ১০. উপসংহার

High Court Division-এ ৫৬১A-এর মামলা pending থাকা মাত্রই আপনাকে গ্রেপ্তার করা যাবে না—এমন blanket protection নেই। আবার মামলা pending থাকলেই অবশ্যই আপনাকে গ্রেপ্তার করা হবে—এমনও নয়।

মূল বিষয় হলো High Court-এর বর্তমান order এবং মূল ফৌজদারি মামলার procedural status।

বিশেষ করে যদি আপনার ৫৬১A মামলায় স্পষ্ট stay/protection against arrest থাকে, তাহলে সেই আদেশের শর্ত অনুযায়ী চলতে হবে। আর যদি এমন protection না থাকে এবং গ্রেপ্তারের বাস্তব আশঙ্কা থাকে, তাহলে থানায় নিজে গিয়ে সাধারণ application দেওয়ার বদলে আপনার আইনজীবীর মাধ্যমে উপযুক্ত bail/protection remedy নেওয়াই আইনগতভাবে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

📞 যোগাযোগ

WhatsApp/IMO: https://api.whatsapp.com/send?phone=8801711235373

এডভোকেট মোহাম্মদ আরিফুর রহমান (বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট)

প্রাক্তন সদস্য: International Bar Association

প্রাক্তন সদস্য: International Lawyers Association

অনার্স ও মাস্টার্স (রসায়ন), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

এলএলবি (জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়)

সার্টিফিকেট ইন বিজনেস ম্যানেজমেন্ট (লন্ডন)

26/09/2026

অনুমতি ছাড়া অন্তরঙ্গ ভিডিও ধারণ/অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া এবং মিথ্যা ঘুষের অভিযোগ
⚖️━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━⚖️
🟦 ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিষয়: হোটেলকর্মীর মাধ্যমে অন্তরঙ্গ ভিডিও ধারণের অভিযোগ, ঘুষ দেওয়ার মিথ্যা দাবি এবং ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়ার আশঙ্কা
🔵 ১. ❓ প্রশ্ন

একজন হোটেলকর্মীর কাছে আমার ও আমার সাবেক সঙ্গীর একটি অন্তরঙ্গ ভিডিও রয়েছে। আমার সাবেক সঙ্গী ও তার বর্তমান স্ত্রী এ বিষয়ে আপত্তি জানানোর পর হোটেল ম্যানেজার দাবি করছেন যে আমি নাকি তাকে ভিডিওটি ধারণ করতে বলেছিলাম এবং ঘুষ দিয়েছিলাম।

কিন্তু আমি তাকে ভিডিও ধারণ করতে বলিনি এবং কোনো ঘুষও দিইনি। ম্যানেজারের কাছে আমার সঙ্গে এ বিষয়ে কোনো লিখিত যোগাযোগ, ই-মেইল বা টেলিফোনিক প্রমাণও নেই। তিনি শুধু মৌখিকভাবে এমন দাবি করছেন।

আমার সাবেক সঙ্গীও এখন আমাকে দোষারোপ করছেন। এই অবস্থায় আমি কি অপরাধী হিসেবে অভিযুক্ত হতে পারি বা আমার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে?

✅ ২. সংক্ষিপ্ত উত্তর

শুধু হোটেল ম্যানেজারের মৌখিক অভিযোগের কারণে আপনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে অপরাধী হয়ে যাবেন না।

তবে কেউ অভিযোগ করলেই যে মামলা করা যাবে না—এমনও নয়। কোনো ব্যক্তি অভিযোগ করতে পারে; এরপর তদন্ত ও বিচারপর্বে অভিযোগের সত্যতা, আপনার সঙ্গে ভিডিও ধারণের কোনো যোগাযোগ ছিল কি না, টাকা দেওয়ার প্রমাণ আছে কি না, ভিডিও কে ধারণ করেছে, কে সংরক্ষণ করেছে এবং কে অনলাইনে প্রকাশ করেছে—এসব বিষয় প্রমাণের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

বর্তমান বাংলাদেশের সাইবার আইনে কারও অনুমতি ছাড়া তার অন্তরঙ্গ/ব্যক্তিগত ভিডিও ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে ছড়িয়ে দেওয়া বা নির্দিষ্ট অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে প্রকাশ/প্রচার করা গুরুতর বিষয়। ২০২৬ সালের সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৬ বর্তমানে প্রযোজ্য; ২০২৫ সালের অধ্যাদেশটি এই আইন দ্বারা রহিত হয়েছে।

আপনি যদি ভিডিওটি ধারণ, প্রকাশ বা প্রচারের সঙ্গে যুক্ত না থাকেন, তাহলে আপনার প্রধান কাজ হবে নিজের বিরুদ্ধে তৈরি করা অভিযোগের সঙ্গে কোনো যোগসূত্র নেই—এমন documentary/digital evidence সংরক্ষণ করা এবং ভিডিওটি আর ছড়ানো না হয় তাৎক্ষণিকভাবে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া।

⚖️ ৩. প্রযোজ্য আইন
🔹 সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৬

বর্তমান আইনে ব্যক্তিগত/অন্তরঙ্গ ভিডিও অননুমোদিতভাবে ছড়িয়ে দেওয়া, বিশেষ করে ক্ষতিসাধন, ব্ল্যাকমেইলিং, যৌন হয়রানি বা revenge-p**n ধরনের উদ্দেশ্যের সঙ্গে যুক্ত হলে তা গুরুতর সাইবার অপরাধের পর্যায়ে যেতে পারে। পূর্ববর্তী ২০২৫ সালের আইনি কাঠামোতেও এ ধরনের কাজকে স্পষ্টভাবে অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল; ২০২৬ সালের আইন বর্তমানে কার্যকর কাঠামো হিসেবে সেটিকে প্রতিস্থাপন করেছে।

🔹 Evidence Act, 1872 — ধারা ৬৫A ও ৬৫B

SMS, email, chat, digital file, video, electronic communication ইত্যাদি প্রাসঙ্গিক শর্ত পূরণ করলে আদালতে digital evidence হিসেবে উপস্থাপন করা যেতে পারে। ধারা ৬৫A ও ৬৫B digital record-এর admissibility নিয়ে বিশেষ বিধান দেয়।

🔹 Penal Code, 1860 — ধারা ৫০৯

কোনো নারীর privacy-তে intrusion বা তার modesty insult করার উদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট ধরনের কথা, gesture বা object প্রদর্শনের ক্ষেত্রে ধারা ৫০৯ প্রাসঙ্গিক হতে পারে।

⚖️ ৪. আইনি বিশ্লেষণ
🟢 ১. “মৌখিক প্রমাণ আছে” মানেই অভিযোগ প্রমাণিত নয়

ম্যানেজার যদি বলেন—

“তিনি আমাকে ভিডিওটি করতে বলেছিলেন এবং টাকা দিয়েছিলেন।”

এটি তার একটি অভিযোগ/বক্তব্য।

কিন্তু আদালতে প্রশ্ন হবে—

টাকা দেওয়ার কোনো প্রমাণ আছে কি?
ব্যাংক/MFS transaction আছে কি?
কোনো message বা chat আছে কি?
কোনো সাক্ষী আছে কি?
ভিডিও ধারণের সময় আপনার উপস্থিতি বা নির্দেশের প্রমাণ আছে কি?
আপনার ফোন থেকে কোনো communication পাওয়া যায় কি?
ভিডিওটি কে প্রথম ধারণ করেছে?
ভিডিওটি কার device-এ ছিল?
পরে কে copy বা transfer করেছে?

এসব প্রশ্নের উত্তর গুরুত্বপূর্ণ হবে।

🟢 ২. লিখিত বা electronic communication না থাকা আপনার পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে

আপনি যদি সত্যিই ম্যানেজারকে ভিডিও ধারণের নির্দেশ না দিয়ে থাকেন, তাহলে আপনার নিজের ফোন/চ্যাট/ই-মেইল/ব্যাংক বা MFS record-এ এ ধরনের যোগাযোগ না থাকা আপনার অবস্থানকে সমর্থন করতে পারে।

তবে শুধু “আমার কাছে কোনো message নেই” বললেই মামলা শেষ হয়ে যাবে—এমন নিশ্চয়তা দেওয়া যায় না।

অভিযোগকারী অন্য ধরনের সাক্ষ্য বা digital evidence দেওয়ার চেষ্টা করতে পারে। তাই প্রমাণ সংরক্ষণই মূল বিষয়।

🟢 ৩. ভিডিও ধারণ করা এবং ভিডিও প্রকাশ করা—দুটি আলাদা বিষয়

কে ভিডিও ধারণ করেছে এবং কে পরে সেটি online-এ প্রকাশ করেছে—দুটি বিষয় আলাদাভাবে তদন্ত করা দরকার।

আপনি যদি ধারণের নির্দেশ না দিয়ে থাকেন এবং পরবর্তীতে ভিডিও প্রকাশও না করে থাকেন, তাহলে শুধু আপনার সাবেক সঙ্গীর সঙ্গে আপনার সম্পর্ক ছিল বা ভিডিওতে আপনি ছিলেন—এ কারণে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিও ধারণ/প্রকাশের অপরাধ আপনার ওপর বর্তাবে না।

🟢 ৪. ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে দিলে বিষয়টি আরও গুরুতর

যদি আপনার অনুমতি ছাড়া অন্তরঙ্গ ভিডিও online-এ প্রকাশ বা প্রচার করা হয়, তাহলে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া উচিত।

বর্তমান সাইবার আইনের কাঠামোতে revenge p**n, sexual harassment, blackmailing এবং sextortion-এর উদ্দেশ্যে intimate/private video বা similar digital material প্রকাশ/প্রচারের বিরুদ্ধে বিশেষ অপরাধের বিধান রয়েছে।

🛡️ ৫. এখনই আপনার করণীয়
১️⃣ কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তির সঙ্গে একা দেখা করতে যাবেন না।
২️⃣ ম্যানেজারের সঙ্গে পূর্বের সব communication সংরক্ষণ করুন।
৩️⃣ আপনার নিজের phone/chat/email-এর relevant record preserve করুন।
৪️⃣ কোনো message বা evidence delete করবেন না।
৫️⃣ আপনার বিরুদ্ধে “ঘুষ দিয়েছেন” বলা হলে সেই দাবির কোনো documentary basis আছে কি না আইনজীবীর মাধ্যমে নোটিশে জানতে চাওয়া যেতে পারে।
৬️⃣ ভিডিওটি online-এ ছড়ালে বা ছড়ানোর হুমকি দিলে সঙ্গে সঙ্গে আইনজীবীর মাধ্যমে appropriate cyber/criminal complaint-এর ব্যবস্থা করুন।
৭️⃣ ভিডিওটি নিজে অন্য কারও কাছে forward করবেন না।
⚠️ ৬. একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা

আপনার সাবেক সঙ্গী বা তার বর্তমান স্ত্রী যদি আপনাকে দোষারোপ করেন, তাহলে তাদের সঙ্গে উত্তপ্ত argument বা হুমকিমূলক message পাঠানো উচিত নয়।

বিশেষ করে—

“তুমি আমার বিরুদ্ধে গেলে আমি তোমার ভিডিও ছড়িয়ে দেব”

এ ধরনের কোনো message কখনো পাঠাবেন না।

এতে আপনার নিজের অবস্থানই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

🏛 ৭. Digital evidence কীভাবে গুরুত্বপূর্ণ হবে

যদি আপনার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়, তাহলে আপনার আইনজীবী প্রাসঙ্গিক digital record আদালতে উপস্থাপনের বিষয় বিবেচনা করতে পারবেন।

Evidence Act-এর ধারা ৬৫A ও ৬৫B digital record-এর admissibility-এর জন্য বিশেষ বিধান রেখেছে। তাই original phone/device, relevant chat history, email, transaction record এবং অন্যান্য electronic material অক্ষত রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

🟢 ৮. আপনি কি উল্টো আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারেন?

যদি বাস্তবে—

আপনার অনুমতি ছাড়া ভিডিও ধারণ করা হয়ে থাকে;
ভিডিওটি আপনার অনুমতি ছাড়া সংরক্ষণ/প্রচার করা হয়ে থাকে;
online-এ প্রকাশ করা হয়ে থাকে;
প্রকাশের হুমকি দেওয়া হয়;
অথবা আপনার বিরুদ্ধে জেনে-শুনে মিথ্যা ও ক্ষতিকর অভিযোগ ছড়ানো হয়,

তাহলে ঘটনার সুনির্দিষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতে cyber এবং অন্যান্য প্রযোজ্য ফৌজদারি প্রতিকার বিবেচনা করা যেতে পারে।

তবে শুধু “ম্যানেজার আমাকে মিথ্যা বলেছে” এই পর্যায়ে তড়িঘড়ি পাল্টা মামলা করার পরিবর্তে আগে তার বক্তব্য, ভিডিওর origin, digital trail এবং প্রকাশের ঘটনা নথিভুক্ত করা বেশি কার্যকর।

🏛 ৯. বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের প্রতিষ্ঠিত আইনি নীতি

ফৌজদারি দায় নির্ধারণে অভিযোগের সঙ্গে অভিযুক্ত ব্যক্তির নির্দিষ্ট সংশ্লিষ্টতা এবং গ্রহণযোগ্য প্রমাণ গুরুত্বপূর্ণ। শুধু সন্দেহ বা পারস্পরিক অভিযোগকে চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে ধরে অপরাধের দায় নির্ধারণ করা যায় না।

এই ক্ষেত্রে তাই মূল প্রশ্ন হবে—আপনি সত্যিই ভিডিও ধারণের নির্দেশ দিয়েছিলেন বা এর জন্য টাকা দিয়েছিলেন কি না এবং অভিযোগের পক্ষে গ্রহণযোগ্য evidence আছে কি না।

🎯 ১০. উপসংহার

আপনার বর্ণিত তথ্য যদি সঠিক হয়, তাহলে শুধু হোটেল ম্যানেজারের মৌখিক দাবি আপনাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অপরাধী করে না।

তবে অভিযোগের সম্ভাবনাকে হালকাভাবে না নিয়ে এখন থেকেই আপনার নিজের digital records, financial records এবং communication history সংরক্ষণ করা উচিত।

আর যদি অন্তরঙ্গ ভিডিওটি আপনার অনুমতি ছাড়া ধারণ বা online-এ প্রচার করা হয়ে থাকে, তাহলে সেটিকে আলাদা ও গুরুতর আইনগত বিষয় হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। বর্তমান বাংলাদেশের সাইবার আইন এ ধরনের intimate/private material-এর অননুমোদিত প্রচারের বিরুদ্ধে বিশেষ সুরক্ষা দেয়।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো—ভিডিওটি নিজে কারও কাছে forward করবেন না এবং নিজের পক্ষে থাকা original digital evidence অক্ষত রাখুন।

📞 যোগাযোগ

WhatsApp/IMO: https://api.whatsapp.com/send?phone=8801711235373

এডভোকেট মোহাম্মদ আরিফুর রহমান (বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট)

প্রাক্তন সদস্য: International Bar Association

প্রাক্তন সদস্য: International Lawyers Association

অনার্স ও মাস্টার্স (রসায়ন), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

এলএলবি (জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়)

সার্টিফিকেট ইন বিজনেস ম্যানেজমেন্ট (লন্ডন)

26/09/2026

চেক ডিজঅনারের পর একই দিনে অনলাইনে সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করলে ধারা ১৩৮-এর মামলা হতে পারে কি না
⚖️━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━⚖️
🟦 ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিষয়: স্বাক্ষর না মেলার কারণে চেক ফেরত, কিন্তু একই দিনে একই হিসাবে অনলাইনে সম্পূর্ণ অর্থ স্থানান্তর
🔵 ১. ❓ প্রশ্ন

একটি চেক স্বাক্ষর না মেলার কারণে ব্যাংক ফেরত দিয়েছে। কিন্তু চেকটি ফেরত যাওয়ার একই দিনে, চেকে উল্লেখিত একই পরিমাণ টাকা অনলাইনে সেই ব্যক্তির একই ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হয়েছে।

এখন প্রশ্ন—চেকটি ফেরত দেওয়ার পরও যদি প্রাপক চেকটি ফেরত না দেন, তাহলে তিনি কি Negotiable Instruments Act, 1881-এর ধারা ১৩৮ অনুযায়ী চেক ডিজঅনারের মামলা করতে পারবেন?

✅ ২. সংক্ষিপ্ত উত্তর

মামলা করার চেষ্টা করতে পারেন, কিন্তু একই দেনা/দায়ের সম্পূর্ণ টাকা যদি চেক ডিজঅনারের দিনই প্রাপকের হিসাবে বাস্তবে জমা হয়ে থাকে, তাহলে ধারা ১৩৮-এর মামলায় আপনার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা থাকবে।

তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—বাংলাদেশের বর্তমান ধারা ১৩৮-এর ভাষায় শুধু “চেক dishonoured হয়েছে” যথেষ্ট নয়। ধারা ১৩৮-এর proviso অনুযায়ী dishonoured cheque-এর টাকা দাবি করে notice দেওয়ার পর drawer-কে ৩০ দিনের মধ্যে সেই amount পরিশোধ না করার বিষয়টি অপরাধের statutory condition-এর অংশ।

অতএব, আপনি যদি প্রমাণ করতে পারেন যে—

চেক dishonour → একই দিনে সম্পূর্ণ টাকা online transfer → টাকা payee-এর একই account-এ credited → টাকা সেই cheque-এর পাওনা হিসেবেই পাঠানো হয়েছিল,

তাহলে পরবর্তীতে একই amount-এর জন্য section 138 proceedings হলে আপনার defence যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ হবে।

তবে চেকটি ফেরত নিয়ে নেওয়া বা লিখিতভাবে settlement/receipt নেওয়া সবচেয়ে নিরাপদ।

⚖️ ৩. প্রযোজ্য আইন
🔹 Negotiable Instruments Act, 1881 — ধারা ১৩৮

ধারা ১৩৮ অনুযায়ী নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে cheque dishonour অপরাধ হতে পারে। তবে এর proviso-তে কয়েকটি আবশ্যিক শর্ত রয়েছে—

cheque নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উপস্থাপন করতে হবে;
dishonour-এর তথ্য পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে written demand notice দিতে হবে;
notice পাওয়ার পর drawer-কে ৩০ দিনের মধ্যে cheque-এর টাকা পরিশোধের সুযোগ দিতে হবে;
সেই সময়ের মধ্যে payment না হলে পরবর্তী cause of action সৃষ্টি হয়।
🔹 ধারা ১৪১

Section 138-এর complaint payee বা holder in due course-এর written complaint-এর ভিত্তিতে হতে পারে এবং cause of action সৃষ্টি হওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে complaint করতে হয়।

⚖️ ৪. আইনি বিশ্লেষণ
🟢 ১. একই দিনে সম্পূর্ণ টাকা দেওয়া আপনার পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ

ধরা যাক—

চেকের পরিমাণ = ৳১০,০০,০০০

চেক signature mismatch-এর কারণে ফেরত গেল।

তারপর সেই দিনই আপনি payee-এর সেই একই account-এ online transfer করে ৳১০,০০,০০০ সম্পূর্ণ পরিশোধ করলেন।

এক্ষেত্রে আপনার কাছে থাকতে পারে—

Bank transaction statement + transaction ID + date/time + beneficiary account details + amount

এগুলো দেখিয়ে বলা যাবে যে cheque-এর underlying monetary obligation ইতোমধ্যেই পরিশোধ করা হয়েছে।

🟢 ২. কিন্তু “টাকা পাঠিয়েছি” বললেই যথেষ্ট নয়

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হবে:

অনলাইনে পাঠানো টাকা আসলে কোন উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছিল?

যদি transaction-এর সঙ্গে message/email/reference থাকে, যেমন—

“চেকের amount-এর payment”

অথবা একই সময়ে এমন communication থাকে যাতে বোঝা যায় যে cheque-এর টাকা পরিশোধের জন্যই transfer করা হয়েছে, তাহলে আপনার অবস্থান অনেক বেশি শক্তিশালী হবে।

অন্যদিকে payee যদি দাবি করেন যে online transfer অন্য কোনো transaction-এর জন্য ছিল, তখন বিষয়টি factual evidence-এর ওপর নির্ভর করবে।

🟢 ৩. “Signature mismatch” নিজে থেকেই সব liability শেষ করে না

চেকটি যদি signature mismatch-এর কারণে dishonour হয়ে থাকে, তাহলে dishonour-এর কারণটি bank return memo-তে থাকবে।

কিন্তু section 138-এর বিষয়টি শুধু dishonour-এর কারণেই শেষ হয় না; statutory notice এবং notice পাওয়ার পর payment-এর বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।

⚠️ ৫. Payee চেক ফেরত না দিলে কী করবেন?

এখানেই আপনার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ practical step।

যেহেতু একই amount online transfer করা হয়েছে, এখনই লিখিতভাবে payee-কে জানানো ভালো যে—

চেকের সম্পূর্ণ amount একই দিনে তার account-এ transfer করা হয়েছে এবং সেই কারণে original chequeটি ফেরত দেওয়ার অনুরোধ করা হচ্ছে।

তারপর সেই communication-এর copy সংরক্ষণ করুন।

Payee চেকটি ফেরত না দিলে আপনি নিজে থেকে চেকটি বাতিল করতে পারবেন না, কারণ original instrument তার কাছে রয়েছে।

🛡️ ৬. এখনই যে প্রমাণগুলো সংরক্ষণ করবেন
📌 অবশ্যই রাখবেন—

১. Original cheque-এর photocopy/scan, যদি থাকে।

২. Bank return memo—যেখানে “signature mismatch” উল্লেখ আছে।

৩. Online transfer-এর bank statement।

৪. Transaction ID/reference number।

৫. Transfer-এর exact date ও time।

৬. যে account-এ টাকা পাঠানো হয়েছে তার account details।

৭. একই amount পাঠানো হয়েছে—তার documentary proof।

৮. টাকা পাঠানোর সময় কোনো SMS/WhatsApp/email communication থাকলে সেটি।

৯. Payee-কে cheque ফেরত দেওয়ার request-এর written communication।

১০. Payee-এর কোনো reply থাকলে সেটিও সংরক্ষণ করুন।

🏛 ৭. যদি পরে section 138-এর notice আসে

Notice এলে ignore করবেন না।

বিশেষ করে notice-এ যদি একই cheque-এর amount দাবি করা হয়, তাহলে আপনার আইনজীবীর মাধ্যমে reply-তে স্পষ্টভাবে তুলে ধরা উচিত—

cheque dishonour-এর তারিখ;
dishonour-এর কারণ;
একই দিনে সম্পূর্ণ amount transfer করার তারিখ;
transaction ID;
payee-এর account-এ টাকা credit হওয়ার প্রমাণ;
cheque ফেরত না দেওয়ার বিষয়;
একই amount পুনরায় দাবি করা হলে তার বিরোধিতা।

কারণ section 138-এর proviso-তে notice পাওয়ার পর ৩০ দিনের payment requirement-টি গুরুত্বপূর্ণ।

🔵 ৮. সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য
পরিস্থিতি–১

চেক dishonour হয়েছে → একই দিনে সম্পূর্ণ টাকা payee-এর account-এ credited হয়েছে।

➡️ আপনার defence শক্তিশালী হতে পারে।

পরিস্থিতি–২

শুধু টাকা transfer করার চেষ্টা করা হয়েছে, কিন্তু payee-এর account-এ credit হয়নি।

➡️ বিষয়টি আলাদা হবে।

পরিস্থিতি–৩

আংশিক টাকা transfer হয়েছে।

➡️ সম্পূর্ণ liability/payment discharge হয়েছে বলা কঠিন হবে।

পরিস্থিতি–৪

টাকা অন্য কোনো transaction-এর জন্য পাঠানো হয়েছিল।

➡️ cheque-এর পাওনা পরিশোধ হয়েছে—এমন defence প্রমাণ করা কঠিন হতে পারে।

🎯 ৯. উপসংহার

হ্যাঁ, payee section 138-এর proceedings শুরু করার চেষ্টা করতে পারে; কিন্তু আপনি যদি প্রমাণ করতে পারেন যে cheque dishonour হওয়ার একই দিনে cheque-এর সম্পূর্ণ amount payee-এর একই bank account-এ বাস্তবে credited হয়েছে, তাহলে সেটি আপনার পক্ষে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ documentary defence।

বিশেষ করে bank return memo + same-day online transfer + transaction ID + beneficiary account + written communication—এই chain-টি সংরক্ষণ করুন।

আর এখনই payee-কে লিখিতভাবে cheque ফেরত দেওয়ার দাবি করা উচিত। পরবর্তীতে কোনো legal notice এলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে documentary evidence-সহ reply দেওয়া উচিত।

📞 যোগাযোগ

WhatsApp/IMO: https://api.whatsapp.com/send?phone=8801711235373

এডভোকেট মোহাম্মদ আরিফুর রহমান (বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট)

প্রাক্তন সদস্য: International Bar Association

প্রাক্তন সদস্য: International Lawyers Association

অনার্স ও মাস্টার্স (রসায়ন), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

এলএলবি (জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়)

সার্টিফিকেট ইন বিজনেস ম্যানেজমেন্ট (লন্ডন)

26/09/2026

চেক ডিজঅনার মামলায় আসামির বিরুদ্ধে B/W জারি হওয়ার পর পরবর্তী করণীয়
⚖️━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━⚖️
🟦 ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিষয়: Negotiable Instruments Act, 1881-এর ধারা ১৩৮-এর মামলায় আসামির বিরুদ্ধে Warrant জারির পর সে যদি warrant গ্রহণ/কার্যকর এড়ানোর চেষ্টা করে
🔵 ১. ❓ প্রশ্ন

আমি Negotiable Instruments Act, 1881-এর ধারা ১৩৮ অনুযায়ী চেক ডিজঅনারের মামলা করেছি। আদালত আসামির বিরুদ্ধে B/W (Bailable Warrant) জারি করেছে। এখন আসামি যদি warrant গ্রহণ না করে বা warrant কার্যকর হতে না দেয়, তাহলে বাদী হিসেবে আমার কী করণীয়?

✅ ২. সংক্ষিপ্ত উত্তর

আসামি শুধু warrant নিতে অস্বীকার করলেই মামলা বন্ধ হয়ে যায় না।

আদালত জারিকৃত warrant কার্যকর করার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে ব্যবস্থা নিতে পারেন। যদি warrant কার্যকর না হয় এবং আদালতের কাছে প্রতীয়মান হয় যে আসামি আত্মগোপন করছেন বা warrant এড়ানোর জন্য নিজেকে গোপন করছেন, তাহলে Code of Criminal Procedure, 1898-এর ধারা ৮৭ অনুযায়ী proclamation এবং পরবর্তী পর্যায়ে ধারা ৮৮ অনুযায়ী সম্পত্তি attachment-এর ব্যবস্থা আসতে পারে।

বর্তমান আইনে, নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে আসামি আত্মগোপন করলে ধারা ৩৩৯B অনুযায়ী অনুপস্থিতিতেও বিচার পরিচালনার পথ রয়েছে, তবে এটি স্বয়ংক্রিয় নয়; আদালতকে আইনের নির্ধারিত শর্ত ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়।

⚖️ ৩. প্রযোজ্য আইন
🔹 Negotiable Instruments Act, 1881 — ধারা ১৩৮

চেকের অপর্যাপ্ত অর্থের কারণে dishonour হলে এবং আইনের নির্ধারিত শর্ত পূরণ হলে ধারা ১৩৮-এর অপরাধ সৃষ্টি হয়।

🔹 Code of Criminal Procedure, 1898 — ধারা ৯০

আদালত নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে summons-এর পরিবর্তে বা তার পাশাপাশি warrant জারি করতে পারেন—বিশেষ করে আদালতের কাছে যদি মনে হয় যে অভিযুক্ত summons মানবেন না, আত্মগোপন করেছেন, অথবা duly served summons পাওয়ার পরও যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া হাজির হননি।

🔹 ধারা ৮৭ — Proclamation

warrant জারি হওয়ার পর আদালতের কাছে যদি বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে আসামি আত্মগোপন করেছেন বা warrant এড়ানোর জন্য নিজেকে লুকিয়ে রেখেছেন, আদালত তাকে নির্দিষ্ট সময়ে হাজির হওয়ার জন্য proclamation জারি করতে পারেন। আইনে নির্ধারিত সময়সীমা কমপক্ষে ৩০ দিন হতে হয়।

🔹 ধারা ৮৮ — Attachment

ধারা ৮৭-এর proclamation জারির পর আদালত পরিস্থিতি অনুযায়ী আত্মগোপনকারী ব্যক্তির movable বা immovable property attachment করার আদেশ দিতে পারেন।

⚖️ ৪. আইনি বিশ্লেষণ
🟢 ১. “Warrant নিতে অস্বীকার” আর “warrant কার্যকর না হওয়া” এক বিষয় নয়

বাদী নিজে warrant কার্যকর করবেন না।

Warrant আদালতের process। সেটি কার্যকর করার দায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের।

তাই warrant জারি হওয়ার পর প্রথম কাজ হলো warrant-এর ex*****on report কী এসেছে তা আদালতের নথি থেকে জানা।

🟢 ২. যদি report আসে—“আসামি পাওয়া যায়নি”

এক্ষেত্রে পরবর্তী তারিখে আপনার আইনজীবী আদালতের কাছে বলতে পারেন যে—

warrant duly issued হলেও আসামি ইচ্ছাকৃতভাবে warrant এড়িয়ে যাচ্ছেন এবং warrant ex*****on সম্ভব হচ্ছে না।

তখন আদালত পরিস্থিতি ও ex*****on report বিবেচনা করে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নিতে পারেন।

শুধু বাদীর মৌখিক বক্তব্যের ভিত্তিতে নয়—warrant ex*****on report অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

🟢 ৩. যদি প্রমাণ হয় আসামি আত্মগোপন করছেন

তাহলে Code of Criminal Procedure-এর ধারা ৮৭ অনুযায়ী proclamation চাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

Proclamation-এ আসামিকে নির্দিষ্ট সময় ও স্থানে আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া হয়। আইনে সেই সময়সীমা publication-এর তারিখ থেকে কমপক্ষে ৩০ দিন হতে হয়।

🟢 ৪. এরপরও হাজির না হলে

পরবর্তী পর্যায়ে ধারা ৮৮ অনুযায়ী তার সম্পত্তি attachment-এর প্রশ্ন আসতে পারে।

তবে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে হবে না। আদালতকে আইনের শর্ত পূরণ হয়েছে কি না তা বিবেচনা করে আদেশ দিতে হবে।

🟢 ৫. Trial in absentia-এর বিষয়

বর্তমান আইনে Code of Criminal Procedure-এর ধারা ৩৩৯B-তে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে এমন আসামির বিরুদ্ধে trial in absentia-এর ব্যবস্থা রয়েছে, যিনি আত্মগোপন করেছেন বা এমনভাবে নিজেকে লুকিয়ে রেখেছেন যে তাকে গ্রেপ্তার করে বিচারের জন্য হাজির করার তাৎক্ষণিক সম্ভাবনা নেই। ২০২৬ সালের সংশোধনের পর এই প্রক্রিয়ায় জাতীয় দৈনিক বাংলা পত্রিকায় প্রকাশের পাশাপাশি আদালত নির্দিষ্ট সরকারি website-এ প্রকাশের নির্দেশও দিতে পারেন।

তবে আপনার মামলায় warrant জারি হয়েছে বলেই সঙ্গে সঙ্গে অনুপস্থিতিতে trial শুরু হবে—এমন নয়। ধারা ৩৩৯B-এর শর্তগুলো পূরণ হয়েছে কি না আদালতকে তা বিবেচনা করতে হবে।

🏛 ৫. বাদী হিসেবে আপনার করণীয়

পরবর্তী তারিখে আপনার আইনজীবীকে মূলত এই বিষয়গুলো দেখতে হবে—

১️⃣ Warrant-এর ex*****on report সংগ্রহ করুন।
২️⃣ Report-এ আসামির ঠিকানা, অনুপস্থিতি বা warrant এড়ানোর কোনো উল্লেখ আছে কি না দেখুন।
৩️⃣ আসামি ইচ্ছাকৃতভাবে আত্মগোপন করলে ধারা ৮৭-এর proclamation-এর জন্য আবেদন করুন।
৪️⃣ proclamation-এর পরও হাজির না হলে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ধারা ৮৮-এর attachment-এর বিষয়টি আদালতের সামনে তুলুন।
৫️⃣ আইনগত শর্ত পূরণ হলে ধারা ৩৩৯B অনুযায়ী trial in absentia-এর ব্যবস্থা চাওয়া যায় কি না আদালতের বিবেচনার জন্য উপস্থাপন করুন।
⚠️ ৬. একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

আসামি যদি পরে আদালতে এসে bail চায়, তাহলে শুধু warrant জারি হয়েছে বলে তার bail আবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে শেষ হয়ে যায় না। আদালত তার হাজিরা, warrant-এর কারণ এবং মামলার প্রাসঙ্গিক পরিস্থিতি বিবেচনা করবেন।

তাই বাদী হিসেবে আপনার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত warrant-এর যথাযথ ex*****on এবং court record-এ আসামির ইচ্ছাকৃত অনুপস্থিতির বিষয়টি properly recorded করা।

⚖️ ৭. মামলার এখতিয়ার সম্পর্কেও সতর্ক থাকুন

বর্তমান আইনে চেকের face value ৫ লাখ টাকার বেশি হলে ধারা ১৩৮-এর মামলা Metropolitan Joint Sessions Judge বা Joint Sessions Judge আদালতে বিচারযোগ্য; ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত হলে Metropolitan Magistrate বা Magistrate of the First Class-এর আদালতে বিচারযোগ্য। এই পরিবর্তন ২০২৬ সালের সংশোধনে করা হয়েছে।

তাই আপনার মামলার cheque amount অনুযায়ী বর্তমান trial court-এর jurisdiction ঠিক আছে কি না আইনজীবীর মাধ্যমে যাচাই করে নেওয়াও ভালো।

🎯 ৮. উপসংহার

আসামি যদি B/W গ্রহণ বা warrant কার্যকর হওয়া এড়ানোর চেষ্টা করেন, তাহলে বাদীর জন্য মামলা শেষ হয়ে যায় না।

আপনার জন্য বাস্তব procedural sequence হবে—

B/W → ex*****on report → ইচ্ছাকৃত আত্মগোপনের প্রমাণ → প্রয়োজনে CrPC ধারা ৮৭-এর proclamation → প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ধারা ৮৮-এর attachment → আইনের শর্ত পূরণ হলে ধারা ৩৩৯B-এর অধীনে অনুপস্থিতিতে বিচার।

তবে প্রতিটি ধাপের জন্য আদালতের আদেশ প্রয়োজন; বাদী নিজে কোনো warrant বা attachment কার্যকর করতে পারেন না।

📞 যোগাযোগ

WhatsApp/IMO: https://api.whatsapp.com/send?phone=8801711235373

এডভোকেট মোহাম্মদ আরিফুর রহমান (বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট)

প্রাক্তন সদস্য: International Bar Association

প্রাক্তন সদস্য: International Lawyers Association

অনার্স ও মাস্টার্স (রসায়ন), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

এলএলবি (জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়)

সার্টিফিকেট ইন বিজনেস ম্যানেজমেন্ট (লন্ডন)

26/09/2026

আইনজীবীদের আয়কর ও কর নির্ধারণের ভিত্তি
⚖️━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━⚖️
🟦 ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিষয়: আইনজীবী হিসেবে পেশাগত আয়ের ওপর আয়কর—করদাতার বাসস্থান নাকি আইনজীবী হিসেবে নিবন্ধনের স্থান প্রাসঙ্গিক?
🔵 ১. ❓ প্রশ্ন

একজন আইনজীবী পেশা পরিচালনা করলে তার পেশাগত আয়ের ওপর কীভাবে আয়কর নির্ধারিত হয়? করদাতার করের দায় কি তার বাসস্থান/অবস্থান অনুযায়ী নির্ধারিত হবে, নাকি তিনি যে স্থানে আইনজীবী হিসেবে নিবন্ধিত সেখানে কর দিতে হবে?

✅ ২. সংক্ষিপ্ত উত্তর

বাংলাদেশের আয়কর আইন, ২০২৩ অনুযায়ী আইনজীবীর পেশাগত আয় সাধারণত “Income from business or profession”-এর আওতায় পড়ে। অর্থাৎ আইনজীবীর পেশা থেকে অর্জিত প্রকৃত আয় হিসাব করে কর নির্ধারণ করা হয়।

শুধু কোন বার অ্যাসোসিয়েশন বা কোন এলাকায় আইনজীবী হিসেবে নিবন্ধিত—এটি একাই তার চূড়ান্ত করের দায় নির্ধারণ করে না।

তবে assessment jurisdiction এবং বিশেষ করে ন্যূনতম করের অবস্থানভিত্তিক হার নির্ধারণের ক্ষেত্রে পেশা পরিচালনার স্থান গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। NBR-এর ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ব্যবসা/পেশা একাধিক স্থানে পরিচালিত হলে প্রধান পেশাগত কার্যক্রমের স্থান বিবেচ্য হয়।

⚖️ ৩. প্রযোজ্য আইন
আয়কর আইন, ২০২৩ — পেশাগত আয়

আইন অনুযায়ী কোনো assessee যে পেশা পরিচালনা করেন, সেই পেশা থেকে অর্জিত profit and gains “Income from business or profession” হিসেবে গণ্য হয়। ফলে আইনজীবীর professional receipts, allowable expenses এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক adjustment বিবেচনা করে taxable income নির্ধারণ করা হয়।

করদাতার অবস্থান ও ন্যূনতম কর

NBR-এর বর্তমান নির্দেশনা অনুযায়ী, করদাতার আয় কোথায় অর্জিত হয়েছে তার চেয়ে করদাতার অবস্থান ন্যূনতম করের হার নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ। একই বছরে একাধিক স্থানে অবস্থান করলে যেখানে সর্বাধিক সময় অবস্থান করেছেন সেই অবস্থান বিবেচিত হতে পারে। আর ব্যবসা বা পেশার ক্ষেত্রে প্রধান ব্যবসা/পেশা পরিচালনার স্থান বিবেচনা করা হয়।

Assessment jurisdiction

আয়কর আইনের assessment-jurisdiction সংক্রান্ত বিধান অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি ব্যবসা, পেশা বা vocation পরিচালনা করলে সংশ্লিষ্ট এলাকার কর কর্তৃপক্ষের অধিক্ষেত্র নির্ধারণে সেই পেশা পরিচালনার স্থান, অথবা একাধিক স্থানে হলে principal place of business/profession গুরুত্বপূর্ণ। অন্যান্য ক্ষেত্রে সাধারণত করদাতার residence বিবেচিত হয়।

⚖️ ৪. আইনি বিশ্লেষণ
🟢 আইনজীবীর ক্ষেত্রে তিনটি বিষয় আলাদা করে দেখতে হবে

১. পেশাগত আয় কত?
এটি মূল কর হিসাবের বিষয়।

২. করদাতার residence/position কোথায়?
এটি বিশেষ করে applicable minimum tax এবং jurisdiction-এর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

৩. আইনজীবী বাস্তবে কোথায় practice করেন?
Assessment jurisdiction এবং পেশাগত অবস্থান নির্ধারণে এটি গুরুত্বপূর্ণ।

অতএব, “আমি অমুক জেলায় Advocate হিসেবে registered, তাই আমার পুরো tax liability শুধু ওই জেলার ভিত্তিতে হবে”—এমন সরল নিয়ম নেই।

🟢 উদাহরণ

ধরা যাক একজন আইনজীবী ঢাকায় নিয়মিত chamber পরিচালনা করেন এবং ঢাকাতেই তার প্রধান professional activities হয়, কিন্তু তার স্থায়ী বাসস্থান অন্য জেলায়।

এ ক্ষেত্রে শুধু স্থায়ী বাড়ির ঠিকানা দেখে বিষয়টি নির্ধারণ করা হবে না। তিনি কোথায় পেশা পরিচালনা করেন এবং কোনটি তার principal place of profession—এটি assessment jurisdiction-এর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।

আবার কোনো আইনজীবী একাধিক স্থানে practice করলে বাস্তবে কোনটি তার প্রধান professional place এবং সংশ্লিষ্ট কর আইনের অবস্থানভিত্তিক বিধান কী—তা দেখতে হবে।

🏛 ৫. গুরুত্বপূর্ণ বিষয় — Advocate registration

আইনজীবী হিসেবে recognized professional body-তে registration থাকাও কর-সংক্রান্ত compliance-এর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান আইনে recognized professional body-তে lawyer হিসেবে registered থাকা নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে return/proof-of-return সংক্রান্ত বাধ্যবাধকতার সঙ্গেও সম্পর্কিত হতে পারে।

অর্থাৎ Advocate registration এবং income-tax registration/return filing—দুটি আলাদা বিষয়, যদিও একটি অন্যটির ওপর compliance-এর ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে।

✅ ৬. কর নির্ধারণের সাধারণ পদ্ধতি

একজন practicing lawyer-এর ক্ষেত্রে সাধারণভাবে—

Professional receipts
➖ আইনসম্মতভাবে অনুমোদিত deductible professional expenses
= পেশাগত আয়

এরপর অন্যান্য taxable income থাকলে সেগুলোও প্রযোজ্য বিধান অনুযায়ী মোট আয়ের সঙ্গে বিবেচিত হবে এবং প্রযোজ্য tax rate, rebate, minimum tax ও অন্যান্য বিধান প্রয়োগ করে চূড়ান্ত tax liability নির্ধারিত হবে।

শুধু client থেকে পাওয়া মোট টাকা দেখেই চূড়ান্ত income-tax liability নির্ধারণ করা ঠিক নয়।

🛡️ ৭. একজন আইনজীবীর কী কী record রাখা উচিত

পেশাগত আয় সঠিকভাবে নির্ধারণের জন্য—

Professional fee-এর হিসাব
ব্যাংক statement
chamber rent
professional staff-এর বৈধ ব্যয়
office utilities
professional subscriptions
আইনজীবী পেশার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত অন্যান্য গ্রহণযোগ্য ব্যয়ের record
withholding tax/TDS certificate
tax return এবং supporting documents

সুশৃঙ্খলভাবে সংরক্ষণ করা উচিত।

বিশেষ করে cash এবং bank receipt-এর মধ্যে অসামঞ্জস্য থাকলে পরবর্তীতে tax assessment-এ সমস্যা তৈরি হতে পারে।

🎯 ৮. উপসংহার

সুতরাং, আইনজীবীর আয়কর নির্ধারণ শুধু তিনি কোথায় Advocate হিসেবে registered—তার ওপর নির্ভর করে না।

মূল বিষয় হলো তার পেশাগত আয়, আইনসম্মত deductions/adjustments, অন্যান্য taxable income এবং প্রযোজ্য tax provisions।

অন্যদিকে কোন কর অফিসে assessment হবে এবং ন্যূনতম করের ক্ষেত্রে কোন এলাকার বিধান প্রযোজ্য হবে, সেখানে residence এবং বিশেষ করে principal place of profession গুরুত্বপূর্ণ। NBR-এর বর্তমান ব্যাখ্যায় ব্যবসা/পেশার ক্ষেত্রে প্রধান পেশাগত স্থানকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

অতএব, একজন আইনজীবীর ক্ষেত্রে “domicile বনাম advocate registration”—এই দুটির মধ্যে একটিকে একক ভিত্তি ধরে tax liability নির্ধারণ করা যায় না। প্রকৃত professional activity, residence, principal place of profession এবং প্রযোজ্য আয়কর বিধান একসঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।

📞 যোগাযোগ

WhatsApp/IMO: https://api.whatsapp.com/send?phone=8801711235373

এডভোকেট মোহাম্মদ আরিফুর রহমান (বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট)

প্রাক্তন সদস্য: International Bar Association

প্রাক্তন সদস্য: International Lawyers Association

অনার্স ও মাস্টার্স (রসায়ন), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

এলএলবি (জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়)

সার্টিফিকেট ইন বিজনেস ম্যানেজমেন্ট (লন্ডন)

Address

Judge Court
Dhaka

Telephone

+8801711235373

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when No Win No Fee solicitor bd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to No Win No Fee solicitor bd:

Shortcuts

Share

Category