JUBAER AHMED & ASSOCIATES

Call Directions Contact the business

JUBAER AHMED & ASSOCIATES Litigation, consultancy & legal services firm led by efficient advocates & barristers.

We are renowned for delivering legal services in the field of civil, criminal, family & land litigation as well as in banking, company & constitutional law litigation.

12/10/2026
আমাদের আইনী প্রচেষ্টা এবং একটি পারিবারিক মামলা আপোষ মিমাংসার মাধ্যমে সমাধান। পটভূমি: আমাদের মক্কেল একজন ভদ্রমহিলা। তার স...
29/09/2026

আমাদের আইনী প্রচেষ্টা এবং একটি পারিবারিক মামলা আপোষ মিমাংসার মাধ্যমে সমাধান।

পটভূমি:
আমাদের মক্কেল একজন ভদ্রমহিলা। তার স্বামী তার ভরণপোষণ প্রদান করেন না। এমনকি দেনমোহরের টাকাও পরিশোধ করেন নাই।

এমতাবস্থায় আমাদের মক্কেল বাদী হয়ে তার স্বামীর বিরুদ্ধে দেনমোহর ও খোরপোষ এর দাবিতে সংশ্লিষ্ট পারিবারিক আদালতে একটি মামলা দায়ের করে।

আমাদের মক্কেলের স্বামী (বিবাদী) লিখিত জবাব দাখিল করে উক্ত মামলায় প্রতিযোগিতা করে।

বিচারপূর্ব শুনানি:
মামলাটি বিচারপূর্ব শুনানির ধাপে থাকাকালীন বাদীর আইনজীবী হিসেবে আমরা বিবাদী পক্ষের আইনজীবীর সাথে যোগাযোগ করি। পারিবারিক মামলাটি আপোষ মিমাংসার মাধ্যমে সমাধান করার জন্য আমাদের আন্তরিক ইচ্ছার কথা প্রকাশ করি এবং এব্যাপারে তার সহযোগিতা কামনা করি। তিনিও তাতে আন্তরিকভাবে সাড়া দেন।

আপোষ মিমাংসা:
আমরা দুই পক্ষের আইনজীবী মামলার বাদী-বিবাদীদের নিয়ে আমাদের চেম্বারে আলাপ আলোচনার জন্য বসি। শরিয়াহ আইন মোতাবেক বাদীকে তার প্রাপ্য দেনমোহরের টাকা বিবাদীকে যে অবশ্যই পরিশোধ করতে হবে তা বুঝাতে সক্ষম হই। দেনমোহরের টাকা বকেয়া রাখলে তা যে স্বামীর স্থাবর সম্পত্তির উপর দায় সৃষ্টি করে, উচ্চ আদালতের এমন কিছু সিদ্ধান্তও বিবাদীকে দেখাই। পক্ষান্তরে, বাদীকেও আপোষ মিমাংসার স্বার্থে প্রার্থিত টাকা থেকে কিছু ছাড় দিতে রাজি করাতে সক্ষম হই।

সোলে সূত্রে ডিক্রীর আবেদন:
আমাদের দুই পক্ষের আইনজীবীদের চেষ্টায় বাদী ও বিবাদী আপোষ মিমাংসার মাধ্যমে মামলাটি শেষ করতে রাজি হয়। আপোষের শর্ত হিসেবে বিবাদী তার কিছু স্থাবর সম্পত্তি দেনমোহরের অর্থ পরিশোধ বাবদ বাদীর বরাবরে হস্তান্তর করতে সম্মত হয়।

উক্ত শর্ত উল্লেখ করে মামলার বাদী ও বিবাদী পক্ষ যৌথভাবে পারিবারিক আদালত আইনের ১১ ধারা মোতাবেক সোলেসূত্রে মোকদ্দমা নিষ্পত্তির আবেদন করে। এই মর্মে পৃথক পৃথক জবানবন্দিও প্রদান করে।

শুনানি:
উক্ত দরখাস্ত শুনানিতে আমরা উভয় পক্ষের আইনজীবীরা বিচারিক আদালতে মক্কেলসহ উপস্থিত হয়ে পুরো বিষয়টি তুলে ধরি। অত:পর মাননীয় বিচারক মহোদয় বাদী ও বিবাদীর বক্তব্য আলাদাভাবে শুনে মামলাটি সোলেসূত্রে ডিক্রী প্রদান করেন।

পুনশ্চ:
আমাদের প্রতিপক্ষের আইনজীবীদের আন্তরিকতা এবং মামলার বাদী ও বিবাদীদের বিচক্ষণতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার জন্য আমরা অতি অল্প সময়ের মধ্যে পারিবারিক মামলাটি শেষ করতে পেরেছি। এতে যেমন মামলার বাদী বিবাদী উভয় পক্ষই মামলা পরিচালনার আর্থিক ব্যায় থেকে বেচে গেছেন, তেমনি আদালতের মূল্যবান সময়ও বেচে গেলো।

মক্কেলের নামজারী সম্পন্ন করতে আমাদের আইনী সহায়তা: সম্প্রতি একজন মক্কেল ফ্ল্যাট খরিদ করার দীর্ঘ ১৮ বছর অতিবাহিত হওয়ার পর...
24/09/2026

মক্কেলের নামজারী সম্পন্ন করতে আমাদের আইনী সহায়তা:

সম্প্রতি একজন মক্কেল ফ্ল্যাট খরিদ করার দীর্ঘ ১৮ বছর অতিবাহিত হওয়ার পর তার ক্রয়কৃত ফ্ল্যাটের নামজারী সম্পন্ন করতে আইনী সহায়তার জন্য আমাদের চেম্বারে আসেন।

তিনি আমাদের জানান যে, ফ্ল্যাট ক্রয়ের দলিল ব্যতীত আর কোন কিছুই তার কাছে নেই এবং মূল দলিলটি ভুল হওয়াতে একটি ঘোষণাপত্র দলিল রয়েছে তার নিকট। এমতাবস্থায়, আমাদের চেম্বারের ডকুমেন্টেশন উইং উক্ত মক্কেলের নামজারী সম্পন্ন করতে কাজ শুরু করেন।

আমরা মক্কেলের মালিকানা সংক্রান্ত দলিল পাঠ করে প্রথমে পূর্ববর্তী মালিকগণের বায়া দলিলসমূহের নম্বর খুঁজে বের করি। অতঃপর সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে দলিলগুলোর কপি সংগ্রহ করি। এছাড়া নালিশী সম্পত্তি সংক্রান্ত খতিয়ানসমূহ এবং পেন্টাগ্রাফ নকশা উত্তোলন করি। বায়া দলিল, খতিয়ানসমূহ এবং পেন্টাগ্রাফ বা দাগগুলোর উপর তুলনামূলক নকশা তৈরি করে আমরা দেখতে পাই যে, নালিশী সম্পত্তির উপর আমাদের মোয়াক্কেলের নামে এসএ রেকর্ড মোতাবেক একটি নামজারি রয়েছে। কিন্ত এসএ পরবর্তীতে আরএস এবং সিটি জরিপে তার নাম এবং তিনি যার কাছ থেকে খরিদ করেছেন তার নাম রেকর্ডভূক্ত হয়নি। অর্থাৎ, রেকর্ড ফেইল করেছেন।

এমতাবস্থায়, দু্'টি রেকর্ড ফেইল এবং আরএস ও সিটি রেকর্ড অনুযায়ী নামজারি না থাকাতে মক্কেলের পক্ষে নামজারী সম্পাদন করা কঠিন হয়ে পড়ে।

তথাপি আমরা নামজারী সম্পাদন করার জন্য প্রয়োজনীয় দলিলসমূহ যথাঃ মূল দলিল, বায়া দলিল, সংশ্লিষ্ট খতিয়ান, এসএ রেকর্ড মোতাবেক নামজারী, পেন্টাগ্রাফ, একটি আম-মোক্তারনামা ইত্যাদি সহযোগে মক্কেলের পক্ষে অনলাইনে নামজারীর আবেদন করি।

অতঃপর সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসে নামজারী সংক্রান্ত দলিলাদি প্রদর্শন করি। ভূমি অফিসের কাজ শেষ হলে নামজারীর নথি পরবর্তী পদক্ষেপ এর জন্য সংশ্লিষ্ট সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর কার্যালয়ে আসে।

অতঃপর পূর্ববর্তী বায়া মালিকদের নামে রেকর্ড ফেইল এবং আরএস ও সিটি জরিপ মোতাবেক নামজারী না থাকার দরুণ বিজ্ঞ সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং কানুনগো আমাদের মক্কেলের পক্ষে নামজারীর ব্যাপারে আপত্তি তোলেন। উক্ত অফিসে নামজারী সংক্রান্ত শুনানীতে অংশগ্রহণ করে আমরা নালিশী সম্পত্তি সংক্রান্ত সকল বায়া দলিল ও খতিয়ানসমূহ দিয়ে নালিশী সম্পত্তিতে আমাদের মক্কেলের নিরঙ্কুশ মালিকানা অর্জনের বিষয়টি পরিস্কারভাবে তুলে ধরি এবং এ সংক্রান্তে একটি লিখিত বক্তব্যও প্রদান করি। আমরা আমাদের বক্তব্য ও দলিলপত্র দিয়ে এই বিষয়টি প্রমাণ করতে সমর্থ হই যে, নালিশী সম্পত্তির পূর্ববর্তী বায়া মালিকের নামে দু'টি রেকর্ড এবং আরএস, সিটি জরিপ মোতাবেক নামজারী না হলেও আমাদের মক্কেল পর্যন্ত মালিকানার ধারাবাহিকতা সঠিক আছে।

অতঃপর আমাদের দাখিলকৃত দলিলপত্র ও লিখিত বক্তব্যে সন্তুষ্ট হয়ে সংশ্লিষ্ট সহকারি কমিশনার (ভূমি) আমাদের মক্কেলের পক্ষে নামজারী মঞ্জুর করে আদেশ প্রদান করেন।

পরিশেষে, যাবতীয় কার্যক্রম সমাপ্ত করে আমাদের মক্কেলের নামীয় নামজারী খতিয়ান এবং ডিসিআর কপি উত্তোলন করে তা মক্কেলকে বুঝিয়ে দেই।

নিলামে বিক্রীত বন্ধকী সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য আমাদের আইনী লড়াই। পটভূমিঃ আমাদের মক্কেল তার দুটি পৃথক সম্পত্তি বন্ধক রে...
08/09/2026

নিলামে বিক্রীত বন্ধকী সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য আমাদের আইনী লড়াই।

পটভূমিঃ
আমাদের মক্কেল তার দুটি পৃথক সম্পত্তি বন্ধক রেখে ব্যাংক থেকে ঋণ সুবিধা গ্রহণ করে। ব্যবসায়িক লোকসানের দরুণ গৃহীত ঋণ পরিশোধ করতে তিনি ব্যার্থ হন। সংশ্লিষ্ট ব্যাংক তাকে একটি চিঠি দিয়ে অবিলম্বে অপরিশোধিত ঋণ পরিশোধ করতে বলে। আমাদের মক্কেল ঋণটি নবায়ন করার জন্য ব্যাংকে অনুরোধ করেন, কিন্তু ব্যাংক তাতে সাড়া দেয় না।

অতঃপর ব্যাংক অর্থঋণ আদালত আইনের ১২(৩) ধারায় বর্ণিত নিলামের মাধ্যমে আমাদের মক্কেলের বন্ধককৃত অধিক মূল্যবান জমিটি নামমাত্র মূল্যে বিক্রী করে নিলাম ক্রেতাকে দলিল সম্পাদন করে দেয় এবং বিক্রয়লব্ধ টাকা দিয়ে বকেয়া ঋণ সমন্বয় করে নেয়।

নিলামে বিক্রীত বন্ধকী সম্পত্তি ফিরে পেতে ভুক্তভোগী মক্কেল আমাদের সাথে যোগাযোগ করে।

রীট পিটিশন দায়েরঃ
আমরা উক্ত নিলাম প্রক্রিয়া চ্যালেঞ্জ করে আমাদের মক্কেলের পক্ষে মহামান্য হাইকোর্টে একটি রীট পিটিশন দায়ের করি। মোশন শুনানীকালে আমরা নিলাম প্রক্রিয়া চ্যালেঞ্জ করার তিনটি কারণ তুলে ধরি, যথাঃ-

(১) নিলামটি প্রতারণামুলকভাবে অতি সন্তর্পণে অনুষ্ঠিত হয় এবং উক্ত বিষয়ে আমাদের মক্কেলকে কোন কিছু জানতে দেয়া হয় না।

(২) নিলামে বিস্ময়কর কম দামে আমাদের মক্কেলের অধিক মূল্যবান সম্পত্তিটি বিক্রী করে দেয়া হয়। নিলামে যে দামে আমাদের মক্কেলের সম্পত্তি বিক্রী করা হয়েছে, প্রকৃতপক্ষে সম্পত্তিটির মুল্য তিনগুন বেশী।

(৩) পুরো নিলামটি ছিলো আমাদের মক্কেলের স্বার্থবিরোধী। কেননা, আমাদের মক্কেলের অপর বন্ধককৃত সম্পত্তিটি নিলামে বিক্রী করেই বকেয়া ঋণ আদায় ও সমন্বয় করা সম্ভব থাকা সত্ত্বেও কম মূল্যে তার অধিক মুল্যবান সম্পত্তিটি বিক্রয় করা হয়।

এছাড়াও আমাদের মক্কেল নিলাম বিক্রয়ের সমূদয় টাকা এককালীন পরিশোধ করতে এবং প্রয়োজনে নিলাম ক্রেতাকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করতেও সম্মত হয়।

এছাড়া নিলাম বিক্রয়ের টাকা পরিশোধ করে বিক্রীত সম্পত্তি ফেরত পাওয়ার নজির সৃষ্টিকারী আপীল বিভাগের একটি রায় আমরা মহামান্য হাইকোর্টের নজরে আনি।

আদেশঃ
মোশন শুনানী শেষে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগ "কেন আমাদের মক্কেলকে তার বিক্রীত বন্ধকী সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের অর্থ প্রাপ্তি সাপেক্ষে ফেরত প্রদান করা হবে না" - এই মর্মে বাংলাদেশ ব্যাংক, নিলাম বিক্রেতা ব্যাংক ও নিলাম ক্রেতাকে কারণ দর্শাতে নির্দেশ প্রদান করেন।

Mr. Jubaer Ahmed, Advocate, Supreme Court of Bangladesh and Head of Chambers, JUBAER AHMED & ASSOCIATES was invited to a...
28/08/2026

Mr. Jubaer Ahmed, Advocate, Supreme Court of Bangladesh and Head of Chambers, JUBAER AHMED & ASSOCIATES was invited to adjudicate in the quarter final round of the first National Moot Court Competition on Cyber Laws organised by the Department of Law, State University of Bangladesh.

দুর্নীতির মামলায় সরকারী কর্মচারী গ্রেফতার ও জামিনআমাদের মক্কেল তার সংশ্লিষ্ট জেলার ভূমি অধিগ্রহণ শাখার একজন সার্ভেয়ার। স...
25/08/2026

দুর্নীতির মামলায় সরকারী কর্মচারী গ্রেফতার ও জামিন

আমাদের মক্কেল তার সংশ্লিষ্ট জেলার ভূমি অধিগ্রহণ শাখার একজন সার্ভেয়ার। সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশন তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় একটি মামলা দায়ের করে। মামলায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি ও মামলার অন্যান্য আসামী অন্য ব্যক্তির ভূমি অধিগ্রহণের টাকা আত্নসাত করেছেন। উক্ত মামলায় তিনি সংশ্লিষ্ট বিশেষ জজ আদালতে আত্নসমর্পণ করলে বিজ্ঞ আদালত তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।

আমরা উক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্ত করার জন্য মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৪৯৮ ধারায় একটি দরখাস্ত দায়ের করি। মুল মামলার নথির গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রের সার্টিফাইড কপি আমরা উক্ত দরখাস্তের সাথে সংযোজন করে দেই।

উক্ত দরখাস্তের মোশন শুনানিতে অংশগ্রহণ করেন আমাদের হেড অব চেম্বার্স বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের বিজ্ঞ আইনজীবী জনাব Jubaer Ahmed। মোশন শুনানি কালে তিনি "এফ আই আর" থেকে আসামীর বিরুদ্ধে আনীত সুনির্দিষ্ট অভিযোগটি পাঠ করেন যাতে বলা হয়েছে আমাদের মক্কেল মামলার অন্যান্য আসামীদের সাথে যোগসাজসী করে ভূমি অধিগ্রহণের টাকা আত্নসাত করেছে।

এরপর মামলার তদন্ত প্রতিবেদন থেকে আমাদের মক্কেলের বিরুদ্ধে প্রাপ্ত তথ্য পাঠ করেন যেখানে বলা হয়েছে তিনি অধিগ্রহণকৃত জমি সঠিকভাবে সার্ভে করেন নাই এবং ক্ষতিপূরণ সঠিকভাবে নিরুপণ করা হয়নি। কিন্তু তিনি নিজে টাকা আত্নসাত করেছেন এমন কিছু লেখা হয়নি।

অধিকন্তু, অত্র মামলার বিষয়বস্তুর সাথে সম্পর্কিত একটি সার্টিফিকেট মামলার রায়ের বিষয়ে আমরা মহামান্য হাইকোর্ট এর দৃষ্টি আকর্ষণ করি, যেখানে দেখা যায় অত্র মামলার ১নং আসামী ভুয়া কাগজপত্র জমা দিয়ে অন্যের অধিগ্রহণকৃত জমির টাকা তুলে নিয়েছে। উক্ত বিষয়ে দায়েরকৃত সার্টিফিকেট মামলায় তিনি সব টাকা সরকারকে ফেরপ্রদান করেছেন।

উক্ত কাগজপত্রের তুলনামূলক বিশ্লেষণ থেকে মহামান্য হাইকোর্ট পরিষ্কার বুঝতে পারলেন যে আমাদের মক্কেল প্রকৃতপক্ষে কোন টাকা আত্নসাত করেন নাই এবং ১ং আসামীর প্রতারণার সাথেও তিনি জড়িত নন।

সার্বিক দিক বিবেচনা করে মহামান্য হাইকোর্ট আমাদের মক্কেলকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন প্রদান করেছেন।

মামলাটি পরিচালনায় আরও অংশগ্রহণ করেন আমাদের লিটিগেশন টিমের সদস্য বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের বিজ্ঞ আইনজীবী জনাব Bakhtear Khandaker এবং জনাব Adv Syed Aziz Ahmed।

মামলাটি পরিচালনা করে আমাদের একটি বিরাট উপলব্ধি হলো। আর তা হলো সরকারী কর্মচারীদের শুধু সৎ থাকলেই চলে না। একইসাথে দক্ষ, বুদ্ধিমান ও সচেতন থাকতে হয় যাতে কোন অসৎ এবং প্রতারক লোকের কুট চালে নিরীহ কর্মচারীকে বিপদে পড়তে না হয়।

ডিক্রী সংশোধন সংক্রান্ত দরখাস্ত শুনানী পটভূমি: আমাদের মক্কেল সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে একটি বন্টনের (partition) মোকদ্দমা ...
20/08/2026

ডিক্রী সংশোধন সংক্রান্ত দরখাস্ত শুনানী

পটভূমি:

আমাদের মক্কেল সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে একটি বন্টনের (partition) মোকদ্দমা দায়ের করেন। মোকদ্দমার নালিশী সম্পত্তির তপসিলে তিনি সংশ্লিষ্ট সি এস, এস এ এবং আর এস খতিয়ান ও দাগ নম্বর উল্লেখ করেন। মোকদ্দমাটি দায়েরের সময় অত্র এলাকায় বি আর এস জরিপ সম্পন্ন না হওয়াতে নালিশী সম্পত্তির তপসিলে কোন বি আর এস খতিয়ান ও দাগ নম্বর উল্লেখ ছিল না।

বিচারিক আদালত মোকদ্দমাটি নিষ্পত্তি করে প্রাথমিক ডিক্রী প্রদান করেন। ডিক্রী বাস্তবায়নে আমাদের মক্কেল জারী মোকদ্দমা দায়ের করলে আদালত চূড়ান্ত ডিক্রী (final decree) প্রদান করেন। তদানুসারে আমাদের মক্কেল নালিশী সম্পত্তির দখল অর্জন করেন। ইতিমধ্যে উক্ত এলাকায় বি আর এস জরিপ সম্পন্ন হয়ে নালিশী সম্পত্তি সংক্রান্ত বি আর এস খতিয়ান ও দাগ নম্বর প্রকাশিত হয়।

পরবর্তীতে আমাদের মক্কেল উক্ত চূড়ান্ত ডিক্রীর ভিত্তিতে নালিশী সম্পত্তির নামজারী (mutation) করতে গেলে সংশ্লিষ্ট অফিস ডিক্রীর তপসিলে হাল বি আর এস খতিয়ান ও দাগ নম্বর উল্লেখ না থাকায় নামজারী করে দিতে অস্বীকৃতি জানায়।

ডিক্রী সংশোধনের দরখাস্ত:

এমতাবস্থায় আমাদের মক্কেল আমাদের সাথে যোগাযোগ করলে আমরা সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে দেওয়ানী কার্যবিধি আইনের ১৫১, ১৫২ ও ১৫৩ ধারায় ডিক্রী সংশোধনের জন্য একটি দরখাস্ত দায়ের করি। উক্ত দরখাস্তে মুল বন্টন মোকদ্দমার আরজির তপসিলে নালিশী সম্পত্তি সংক্রান্ত সদ্য প্রকাশিত বি আর এস খতিয়ান ও দাগ নম্বর সংযোজন ও তদানুসারে ডিক্রী সংশোধনের জন্য প্রার্থনা করি।

দরখাস্ত শুনানি:

দরখাস্ত শুনানি করেন বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের বিজ্ঞ আইনজীবী জনাব Jubaer Ahmed। দরখাস্ত শুনানীকালে বিজ্ঞ বিচারিক আদালত কয়েকটি আইনগত প্রশ্ন উত্থাপন করেন, যথাঃ (১) একটি মামলা নিষ্পত্তি করে চূড়ান্ত ডিক্রী দেবার পর বিচারিক আদালত (functus officio) হবার পরও ডিক্রী সংশোধন করতে পারে কিনা?

উক্ত প্রশ্নের উত্তরে আমরা দেওয়ানী কার্যবিধি আইনের ১৫১, ১৫২ ও ১৫৩ ধারা উল্লেখ করে যুক্তি প্রদর্শন করি যে, ন্যায়বিচার নিশ্চিতের স্বার্থে (for ends of justice ) বিজ্ঞ বিচারিক আদালত ডিক্রী সংশোধন করতে পারে। এমনকি এই ব্যাপারে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের দুটি সিদ্ধান্তও আমরা বিজ্ঞ আদালতের নজরে নিয়ে আসি, যথা: "the court can always amend the decree if there is a mistake that had crept in for bringing the decree in conformity of the judgment" [1986 BLD (AD) 251] এবং "section 151 of the Code of Civil Procedure providing inherent power of the court read with section 153 of the Code of Civil Procedure provides general power to amend given to the court at any time to amend any defect or error in any proceeding of the suit and for determining the real question or issue raised or depending on such proceeding" [12 BLT(HCD) 33].

(২) বিজ্ঞ আদালত দেওয়ানী কার্যবিধি আইনের ১৫২ ধারা উদ্ধৃতি করে প্রশ্ন উত্থাপন করেন, যেহেতু উক্ত ধারায় শুধুমাত্র প্রদানকৃত ডিক্রীর করণিক (clerical) বা গাণিতিক (arithmatical) ভুল ত্রুটি সংশোধনের ক্ষমতা রয়েছে, সেহেতু বিজ্ঞ বিচারিক আদালত প্রদানকৃত ডিক্রীর তপসিলে নতুন কোন খতিয়ান ও দাগ নম্বর সংযোজন করতে পারে কিনা?

উক্ত প্রশ্নের উত্তরে আমরা দেওয়ানী কার্যবিধি আইনের ১৫১ ও ১৫৩ ধারা দুটি একত্রে পড়ি এবং যুক্তি প্রদর্শন করি যে, আদালত কর্তৃক প্রদানকৃত ডিক্রী বলবৎ (enforce) করা না গেলে বিচার পূর্ণতা (complete) পায় না, ন্যায়বিচার (justice) নিশ্চিত হয় না। যেহেতু বি আর এস খতিয়ান ও দাগ নম্বর ডিক্রীতে না থাকার দরুণ উক্ত ডিক্রীর ফল লাভ করা সম্ভব হচ্ছে না অর্থাৎ ডিক্রীটিকে বলবৎ করা যাচ্ছে না সেহেতু ন্যায়বিচারের স্বার্থে এবং ডিক্রীটির কার্যকারিতা (enforceability) নিশ্চিত করতে বিজ্ঞ আদালত ডিক্রীর তপসিলে সংশ্লিষ্ট বি আর এস খতিয়ান ও দাগ নম্বর সংযোজন করতে পারেন। আমরা আমাদের যুক্তির সমর্থনে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের একটি রায় আদালতের নজরে নিয়ে আসি যেখানে দেখা যায় আমাদের মামলার মতো একই ঘটনায় আদালত খতিয়ান ও দাগ নম্বর পরিবর্তন করে ডিক্রী সংশোধন করেছিলো। "By mistake a wrong plot number was included in the suit property. Court even after the decree and while in seizing of the case can correct the mistake" [29 DLR 81].

ফলাফল:

বিজ্ঞ বিচারিক আদালত আমাদের যুক্তিতর্ক শুনে এবং প্রদর্শিত কেইস ল দেখে এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, ডিক্রীর তপসিলে নতুন খতিয়ান ও দাগ নম্বর সংযোজন করে ডিক্রী সংশোধন করতে কোন আইনগত বাধা নেই।

শুনানী শেষে বিজ্ঞ আদালত আমাদের জানান, ডিক্রীর তপসিলে উল্লেখিত সাবেক খতিয়ান ও দাগ নম্বরের সাথে আমাদের দরখাস্তে বর্ণিত হাল বি আর এস খতিয়ান ও দাগ নম্বরের মিল রয়েছে কিনা তা তিনি খতিয়ে দেখে আদেশ প্রদান করবেন।

[বি.দ্র. লেখাটি শিক্ষামুলক উদ্দেশ্যে পোস্ট করা হয়েছে ]

It is the inherent power of every court to do Justice.
16/08/2026

It is the inherent power of every court to do Justice.

Litigation wing of JUBAER AHMED & ASSOCIATES headed by learned Advocate of the Supreme Court of Bangladesh Mr. Jubaer Ah...
07/06/2026

Litigation wing of JUBAER AHMED & ASSOCIATES headed by learned Advocate of the Supreme Court of Bangladesh Mr. Jubaer Ahmed.

Address

House No. 120, Banker's Row, Tejgaon
Dhaka
DHAKA1205

Opening Hours

Monday 09:00 - 21:00
Tuesday 09:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 21:00
Thursday 09:00 - 21:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 21:00

Telephone

+8801912136944

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when JUBAER AHMED & ASSOCIATES posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to JUBAER AHMED & ASSOCIATES:

Shortcuts

Share

Category