Abrar & Associates

Abrar & Associates A Law Firm with a passion for success

30/11/2025

খুলনায় আদালতে হাজিরা দিয়ে বের হওয়ার সময় দুইজনকে গু*লি করে ও কু*পি*য়ে হ*/ত্যা।

কমেন্ট 👇🏻

দেওয়ানি মোকদ্দমার ধাপসমূহ (Stages of Civil Suit) # The Code of Civil Procedure, 1908...🔹 মোকদ্দমা দায়ের (Institution of...
18/11/2025

দেওয়ানি মোকদ্দমার ধাপসমূহ (Stages of Civil Suit)
# The Code of Civil Procedure, 1908...

🔹 মোকদ্দমা দায়ের (Institution of Suit) [Order VII- Rules 1–11, Section 26]
বাদী (Plaintiff) আদালতে Plaint দাখিল করে, যেখানে দাবির বিবরণ, পক্ষের নাম, ঠিকানা, কারণ এবং চাওয়া প্রতিকার (relief) উল্লেখ থাকে।

🔹 মোকদ্দমা গ্রহণ ও রেজিস্ট্রেশন (Registration of Suit) [Order IV- Rule 2]
আদালত Plaint যাচাই করে গ্রহণযোগ্য হলে রেজিস্টার করে এবং Case Number প্রদান করে।

🔹সমন জারি (Issue and Service of Summons) [Order V- Rules 1-30, Section 27]
আদালত বিবাদীকে (Defendant) সমন পাঠায় হাজির হওয়ার ও লিখিত জবাব (Written Statement) দাখিলের জন্য।

🔹 লিখিত জবাব (Written Statement by Defendant) [Order VIII, Rules 1–10]
বিবাদী তার প্রতিরক্ষা তুলে ধরে, Plaint-এর অভিযোগ অস্বীকার করে বা ব্যাখ্যা দেয়।
সময়সীমা: সাধারণত 30 দিন, আদালতের অনুমতিতে সবমোট ৬০ দিন পর্যন্ত।

🔹বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (Alternative Dispute Resolution-) [Section 89A, 89B]
২ ধরণের ADR এর বিধান রয়েছে: Mediation (মধ্যস্থতা) & Arbitration (সালিশ)

🔹ইস্যু নির্ধারণ (Framing of Issues) [ Order XIV, Rules 1–7]
উভয় পক্ষের বক্তব্যের আলোকে আদালত নির্ধারণ করে কোন কোন বিষয় নিয়ে সিদ্ধান্ত দিতে হবে।

🔹 সাক্ষ্য গ্রহণ (Recording of Evidence) [Order XVIII, Rules 1–19]
উভয় পক্ষের সাক্ষ্য (Examination-in-chief, Cross-examination, Re-examination) গ্রহণ করা হয়।
প্রমাণের নিয়ম প্রযোজ্য হয় Evidence Act, 1872 অনুযায়ী।

🔹 যুক্তিতর্ক (Hearing of Arguments) [Order XVIII, Rule 2]
উভয় পক্ষের আইনজীবী যুক্তি উপস্থাপন করেন।

🔹 রায় (Judgment) [Order XX, Rule 1, Section 33]
আদালত প্রমাণ ও যুক্তির আলোকে রায় প্রদান করে।

🔹ডিক্রি প্রস্তুত (Preparation of Decree) [Order XX, Rule 6]
রায় ঘোষণার পর আদালত লিখিত ডিক্রি প্রস্তুত করে।

🔹ডিক্রির প্রত্যক্ষ বাস্তবায়ন [Order XXI, Rule 104]
২০২৫ সালের সংশোধনী অনুযায়ী ডিক্রি জারির জন্য পৃথক জারি মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে না। সরাসরি জারি করা যাবে।

কি নির্মম, কি বর্বর—বলবার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি!আজকের সমাজে যেন প্রতিটি স্তরে লুকিয়ে আছে নোংরামি আর অন্ধকার।“পরকীয়া এবং ব...
08/10/2025

কি নির্মম, কি বর্বর—বলবার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি!

আজকের সমাজে যেন প্রতিটি স্তরে লুকিয়ে আছে নোংরামি আর অন্ধকার।
“পরকীয়া এবং বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক", যার ভয়াবহ পরিণতি কল্পনাকেও হার মানায়।

স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন...
স্ত্রীর হাতে স্বামী খুন...
বাবার হাতে সন্তান, আবার সন্তানের হাতে বাবা-মা খুন...
ভাইয়ের হাতে বোন, আবার বোনের হাতে ভাই খুন...
এ কেমন সমাজে বাস করছি আমরা?

আপনি কাকে বিচার করবেন?
এই সমাজে নেই ন্যায়, নেই সুস্থ পরিবেশ—
নেই ভদ্রতা, নেই ধার্মিকতা ---
নেই যথাযথ আইন ও আদালত ---
সবকিছুই যেন ভেসে যাচ্ছে অনৈতিকতার স্রোতে...

আল্লাহ সকলকে হিফাজত করুন, ছেলেটিকে জান্নাতের মেহমান হিসেবে কবুল করুন।

শুভ সকাল সবাইকে!🌿🤍চট্টগ্রাম কোর্টের এই মনোরম পরিবেশ কেবল কাজের স্থান নয়; এটি ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সৌন্দর্যের এক জীবন্ত সা...
05/10/2025

শুভ সকাল সবাইকে!🌿🤍
চট্টগ্রাম কোর্টের এই মনোরম পরিবেশ কেবল কাজের স্থান নয়; এটি ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সৌন্দর্যের এক জীবন্ত সাক্ষী। এখানে দাঁড়ালে মনে হয়—ন্যায়বিচার শুধু কাগজের অক্ষরে নয়, প্রকৃতির ছায়াতেও শ্বাস নেয়।❤️💚

Happy Birthday Learned Sir.✨Wish your Happy & Healthy life. 🤍❤️Admin
07/05/2025

Happy Birthday Learned Sir.✨
Wish your Happy & Healthy life. 🤍❤️

Admin

27/02/2025

আগামী এক বছরের মধ্যে ধর্মীয় উপাসনালয়, আদালত, রেলস্টেশন, এয়ারপোর্ট সহ সকল পাবলিক প্লেসে বিনামূল্যে নিরাপদ পানযোগ্য পানি সরবরাহের নির্দেশ।

মহামান্য হাইকোর্টের ঐতিহাসিক রায়✨

👉বন্টননামা দলিল কেন প্রয়োজন?বন্টননামা দলিল না করলে যে সকল জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে:👇ওয়ারিশসূত্রে নামজারি খারিজের কারণ ও মঞ...
16/01/2025

👉বন্টননামা দলিল কেন প্রয়োজন?
বন্টননামা দলিল না করলে যে সকল জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে:👇
ওয়ারিশসূত্রে নামজারি খারিজের কারণ ও মঞ্জুর এর ক্ষেত্রে অদূর ভবিষ্যতে সৃষ্ট জটিলতা সম্পর্কেঃ

১. দাখিলা (খাজনা/এলডি ট্যাক্স): অধিকাংশ ওয়ারিশসূত্রে নামজারির আবেদনে রেকর্ডীয় মালিকের জমির পরিমাণ বেশি থাকে। ফলে খাজনা/এলডি ট্যাক্স এর পরিমাণও বেশি থাকে এবং আবেদনকারী খাজনা/এলডি ট্যাক্স পরিশোধ ছাড়াই মিউটেশনের আবেদন করেন। অথচ ভূমির মালিকানা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে দখল, দাখিলা ও দলিল অত্যাবশ্যকীয়।

২. দখল: অধিকাংশ ওয়ারিশসূত্রে নামজারির আবেদনে রেকর্ডীয় মালিকের একাধিক খতিয়ানে ও দাগে জমি থাকে। কিন্তু ওয়ারিশসূত্রে আবেদনকারী সকল দাগে অংশ অনুসারে দখলে থাকেন না। বরং এক বা গুটিকয়েক দাগে দখল থাকে। সকল দাগে অংশ মোতাবেক দখল না থাকায় মালিকানা পরিবর্তনের শর্তানুসারে (দখল, দাখিলা ও দলিল) মিউটেশনের মাধ্যমে মালিকানা পরিবর্তন সম্ভব নয়।

৩. মিউটেশন তামিল: ওয়ারিশসূত্রে (অনেক ক্ষেত্রে ওয়ারিশের সংখ্যা ২০ জন বা তার বেশি) নামজারির একাধিক আবেদন মঞ্জুর হলে সেক্ষেত্রে ২নং রেজিষ্টারে তামিল করা অসম্ভব হয়ে পড়ে।

৪. ওয়ারিশকে বঞ্চিত করা: অনেকক্ষেত্রে এক বা একাধিক ওয়ারিশকে অথবা বিশেষ করে সৎ ভাই-বোনদের বঞ্চিত করা হয় এবং ১৫০ ধারার মামলার সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।

৫. খাজনা/এলডি ট্যাক্স আদায়ে জটিলতা: একজন ওয়ারিশ মিউটেশনের মাধ্যমে রেকর্ডীয় খতিয়ান থেকে বের হয়ে গেলে বাকি ওয়ারিশদের রেকর্ডীয় খতিয়ান সমুদয় খাজনা/এলডি ট্যাক্স পরিশোধ করতে হয় নতুবা বাকি ওয়ারিশদের খাজনা/এলডি ট্যাক্স বকেয়া হিসেবে থেকে যায়।

৬. হস্তান্তর পরবর্তী দখল: এক বা একাধিক ওয়ারিশ প্রভাবশালী ব্যক্তির কাছে জমি হস্তান্তর করলে নতুন প্রভাবশালী মালিক একাধিক দাগে ও খতিয়ানে জমি ক্রয় করলেও তুলনামূলক দামি ও সুবিধাজনক জমি দখল করেন। ফলে বাকি ওয়ারিশরা ন্যায্য অধিকারের আশায় দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়ান।

৭. পরবর্তী জরিপ: একাধিক দাগে ও খতিয়ানে অংশ অনুযায়ী জমি থাকলেও এক বা গুটিকয়েক দাগে ভোগদখল থাকলে পরবর্তীতে জরিপের সময় জটিলতার সৃষ্টি হবে। একাধিক দাগে জমি থাকলে দখল অনুসারে এক দাগে রেকর্ড করার সুযোগ থাকবে না।
Abrar & Associates

জমির দলিল বৈধ কি না কিভাবে বুঝবেন?জমি কেনা বা বিক্রি একটি গুরুত্বপূর্ণ লেনদেন, এবং এর সাথে জড়িত আইনি প্রক্রিয়াগুলি বোঝ...
29/12/2024

জমির দলিল বৈধ কি না কিভাবে বুঝবেন?
জমি কেনা বা বিক্রি একটি গুরুত্বপূর্ণ লেনদেন, এবং এর সাথে জড়িত আইনি প্রক্রিয়াগুলি বোঝা জরুরি। জমির দলিল হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ নথি যা মালিকানার অধিকার প্রমাণ করে। তাই, জমি কেনার আগে দলিলটি সঠিকভাবে যাচাই করে নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জমি কেনা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ, এবং আইনি জটিলতা এড়াতে জমির দলিলের বৈধতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। একটি জমির দলিল বৈধ কিনা তা নির্ধারণ করার জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে।
১. দলিলের মূল কপি পরীক্ষা করুন:
👉নিশ্চিত করুন যে দলিলটি সঠিকভাবে সাব-রেজিস্ট্রারের দ্বারা স্বাক্ষরিত এবং সিল করা আছে।
👉দলিলের মূল কপিতে থাকা ছবি এবং মালিকের বর্তমান ছবি মিলে যাচ্ছে কিনা তা পরীক্ষা করুন।
👉দলিলের সকল পাতায় সঠিকভাবে স্ট্যাম্প লাগানো আছে কিনা তা নিশ্চিত করুন।
২. দলিলের তথ্য যাচাই করুন:
👉দলিলে উল্লেখিত মালিকের নাম, ঠিকানা, জমির পরিমাণ, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর ইত্যাদি তথ্য সঠিক কিনা তা খতিয়ান, দাগ খতিয়ান, এবং সরকারি রেকর্ডের সাথে মিলিয়ে দেখুন।
👉দলিলে উল্লেখিত সাক্ষীদের নাম এবং ঠিকানা সঠিক কিনা তা যাচাই করুন।
৩. আইনি পরামর্শ নিন:
👉একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া জমির দলিলের বৈধতা নিশ্চিত করার সবচেয়ে নিরাপদ উপায়।
👉আইনজীবী দলিলের সকল দিক বিশ্লেষণ করে আপনাকে দলিলটি বৈধ কিনা তা জানাতে পারবেন।
৪. অনলাইন মাধ্যম ব্যবহার করুন:
👉সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে গিয়ে জমির দলিলের তথ্য অনলাইনে যাচাই করতে পারেন।
👉কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও জমির দলিলের বৈধতা যাচাই করার সার্ভিস প্রদান করে।
৫. সতর্কতা অবলম্বন করুন:
👉দলিলের বৈধতা সম্পর্কে কোন সন্দেহ থাকলে দলিলটি ক্রয় করা থেকে বিরত থাকুন।
অসৎ ব্যক্তিদের প্রতারণার শিকার হতে সাবধান থাকুন।
👉জমি কেনার আগে জমির দলিলের বৈধতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উপরে উল্লেখিত পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করে আপনি একটি জমির দলিল বৈধ কিনা তা নির্ধারণ করতে পারবেন।
জমির দলিল বৈধ কিনা তা বোঝার জন্য কিছু প্রশ্ন ও উত্তর
১) দলিলে কি সকল প্রয়োজনীয় তথ্য আছে?
দলিলে জমির মালিকের নাম, ঠিকানা, জমির পরিমাণ, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর, মৌজা, উপজেলা, জেলা স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে কিনা?
,👉দলিলের সাক্ষীদের নাম, ঠিকানা স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে কিনা?
👉দলিলের স্বাক্ষর ও তারিখ স্পষ্টভাবে আছে কিনা?
২) দলিলের স্ট্যাম্প ও রেজিস্ট্রেশন
👉দলিলে সরকার নির্ধারিত স্ট্যাম্প ব্যবহার করা হয়েছে কিনা?
👉দলিলটি সঠিকভাবে রেজিস্ট্রি করা হয়েছে কিনা?
রেজিস্ট্রারের স্বাক্ষর ও তারিখ স্পষ্টভাবে আছে কিনা?
৩) দলিলের মালিকানার ধরণ।
👉দলিলের মাধ্যমে মালিকানা কিভাবে অর্জিত হয়েছে (উত্তরাধিকার, ক্রয়, বিনিময়, দান ইত্যাদি)?
👉মালিকানার ধরণ কি (মালিকানা, দখল, ভাগচাষ ইত্যাদি)?
👉মালিকানার কোনো শর্ত বা বাধা আছে কিনা?
৪) জমির অবস্থা
👉জমি কি বাস্তবে বিদ্যমান?
👉জমির মালিকানা বিতর্কমুক্ত কিনা?
👉জমির উপর কোনো ঋণ বা বন্ধক আছে কিনা?
৫) আইনি পরামর্শ
জমির দলিল বৈধ কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া উচিত। পরামর্শ গ্রহণ করুন Adv Abrarul Hoque Abed স্যার থেকে।
৬. দলিলের বয়স:
প্রশ্ন: কত বছরের পুরোনো দলিল বৈধ?
উত্তর: দলিলের বয়সের কোন নির্দিষ্ট সীমা নেই। তবে, 1976 সালের আগের দলিলগুলো "পুরাতন দলিল" হিসেবে বিবেচিত হয় এবং বৈধতা যাচাইয়ের জন্য অতিরিক্ত যাচাই-বাছাই প্রয়োজন হতে পারে।
৭. দলিলের ধরন:
প্রশ্ন: কত ধরণের জমির দলিল আছে?
উত্তর: বাংলাদেশে 4 ধরণের জমির দলিল আছে:
°দাগ নম্বর খতিয়ান
°মৌজা খতিয়ান
°সিএস খতিয়ান
°আরএস খতিয়ান
৮. দলিলের মালিকানা:
প্রশ্ন: দলিলে একাধিক মালিকের নাম থাকলে কী করবেন?
উত্তর: সকল মালিকের সম্মতি ছাড়া জমি বিক্রি করা যাবে না। মালিকানা পরিবর্তনের জন্য সকলের স্বাক্ষর এবং সম্মতি প্রয়োজন।
৯. দলিলের মিউটেশন:
প্রশ্ন: মিউটেশন কী?
উত্তর: মিউটেশন হলো জমির মালিকানা পরিবর্তনের নথিভুক্তি প্রক্রিয়া। নতুন মালিকের নাম খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য মিউটেশন করা আবশ্যক।
১০. দলিলের জালিয়াতি:
প্রশ্ন: জাল দলিলের বৈশিষ্ট্যগুলো কী কী?
উত্তর: জাল দলিলে ভুল বানান, অস্পষ্ট তথ্য, মিথ্যা স্বাক্ষর, এবং অসঙ্গতিপূর্ণ তথ্য থাকতে পারে।
১১. দলিল যাচাই:
প্রশ্ন: জমির দলিল যাচাই করার সর্বোত্তম উপায় কী?
উত্তর: সাব-রেজিস্ট্রার অফিস: আপনি যেখানে জমি অবস্থিত সেখানকার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে গিয়ে দলিলের মূল কপি এবং খতিয়ানের সাথে মিলিয়ে দেখতে পারেন।
ভূমি অফিস: আপনি যেখানে জমি অবস্থিত সেখানকার ভূমি অফিসে গিয়ে দলিলের তথ্য অনলাইনে যাচাই করতে পারেন।
আইনজীবীর পরামর্শ: একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া জমির দলিলের বৈধতা যাচাই করার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায়।
১২. দলিল সংক্রান্ত আইনি জটিলতা:
প্রশ্ন: জমির দলিল সংক্রান্ত আইনি জটিলতা সমাধানের জন্য কী করবেন?
উত্তর: জমির দলিল সংক্রান্ত আইনি জটিলতা সমাধানের জন্য একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করা উচিত।
Abrar & Associates
☎️ 01713 614441

কোম্পানী কর দাতাদের জ্ঞাতার্থেঃ ১৫  জানুয়ারি, ২০২৫ এর পরিবর্তে ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫ পর্যন্ত কোম্পানী করদাতাদের আয়কর রিটার...
24/12/2024

কোম্পানী কর দাতাদের জ্ঞাতার্থেঃ
১৫ জানুয়ারি, ২০২৫ এর পরিবর্তে ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫ পর্যন্ত কোম্পানী করদাতাদের আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে।
Abrar & Associates
☎️01713614441

ফ্ল্যাট কেনার সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিবেচনা করা প্রয়োজন, যাতে আপনি ভবিষ্যতে কোনো ঝামেলায় না পড়েন। নিম্নলিখিত বিষয়গু...
24/12/2024

ফ্ল্যাট কেনার সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিবেচনা করা প্রয়োজন, যাতে আপনি ভবিষ্যতে কোনো ঝামেলায় না পড়েন। নিম্নলিখিত বিষয়গুলো নজরে রাখা খুবই জরুরি:
◼️ ১. আইনি বৈধতা ও কাগজপত্র
- ফ্ল্যাটের মালিকানার কাগজপত্র: ফ্ল্যাটের ডেভেলপারের কাছে প্রয়োজনীয় জমির দলিল, প্রকল্পের অনুমোদনপত্র, এবং অন্যান্য কাগজপত্র চেক করা অত্যন্ত জরুরি।
- খতিয়ান ও পর্চা: জমির বৈধতা নিশ্চিত করতে জমির খতিয়ান ও পর্চা যাচাই করতে হবে। এটি ভূমির প্রকৃত মালিকের প্রমাণ দেয়।
- সিটি কর্পোরেশন বা RAJUK অনুমোদন: ফ্ল্যাটের নকশা এবং নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন থাকা আবশ্যক।
- BNBC (বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড): ফ্ল্যাটের নির্মাণ BNBC-এর নিয়ম মেনে হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করুন। এটি ফ্ল্যাটের স্থায়িত্ব এবং নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
◼️ ২. প্রকল্পের অবস্থান ও পরিবেশ
- অবস্থান: ফ্ল্যাটের লোকেশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নিকটবর্তী স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, মার্কেট, এবং অফিস থেকে দূরত্ব লক্ষ্য করুন। এছাড়াও পরিবহন সুবিধা, রাস্তা, এবং নিকটবর্তী যানজটের অবস্থা বিবেচনা করুন।
- ভবিষ্যৎ উন্নয়ন: এলাকার উন্নয়ন সম্ভাবনা আছে কিনা তা বিবেচনায় রাখুন, যেমন রেলওয়ে, মেট্রোরেল, বা অন্য অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্প।
◼️ ৩. বিল্ডিংয়ের মান ও নির্মাণের গুণগত মান**
- নির্মাণ সামগ্রী: ফ্ল্যাট নির্মাণে ব্যবহার করা সামগ্রী (সিমেন্ট, ইট, রড ইত্যাদি) ভালো মানের কিনা তা নিশ্চিত করুন। নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহৃত হলে ভবিষ্যতে সমস্যা দেখা দিতে পারে।
- প্লাম্বিং এবং বৈদ্যুতিক কাজ: ভবনের ভিতরে যে প্লাম্বিং এবং ইলেকট্রিক্যাল কাজ করা হয়েছে, তা ভালোভাবে চেক করুন। পানির প্রবাহ, ইলেকট্রিক্যাল ওয়্যারিং, এবং ফিটিং সঠিক মানের কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে।
◼️ ৪. জমির মালিকানার স্ট্যাটাস ও প্রকল্পের আইনি অবস্থান
- জমির মালিকানার স্ট্যাটাস: জমির উপরে কোনো আইনি সমস্যা (মামলা, বিরোধ) আছে কিনা তা নিশ্চিত করুন। প্রয়োজনে আপনার আইনজীবীর মাধ্যমে জমির মালিকানার খোঁজ নিতে পারেন।
- ডেভেলপারের রেপুটেশন: ডেভেলপারের পূর্ববর্তী প্রকল্প এবং তাদের রেপুটেশন যাচাই করুন। ডেভেলপার নির্দিষ্ট সময়ে ফ্ল্যাট ডেলিভারি দিতে সক্ষম হয়েছে কিনা তা দেখুন।
◼️ ৫. ফ্ল্যাটের ডিজাইন ও ফ্যাসিলিটিজ
- ইন্টেরিয়র ডিজাইন: ফ্ল্যাটের ডিজাইন, ঘরের আকার, প্রয়োজনীয় বাথরুম এবং বেডরুমের সংখ্যা, এবং অন্যান্য ফ্যাসিলিটিজ চেক করুন।
- উত্তরণ ও আলো-বাতাসের ব্যবস্থা: ফ্ল্যাটে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস প্রবেশ করছে কিনা, এবং প্রতিদিনের রোদ-বাতাসের প্রবাহ কেমন, তা যাচাই করুন।
- সার্ভিস সুবিধা: লিফট, জেনারেটর, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, পার্কিং, এবং কমন স্পেসের অবস্থা যাচাই করতে হবে। পার্কিংয়ের জন্য আলাদা ফি বা জায়গার ব্যবস্থা আছে কিনা তা নিশ্চিত করুন।
◼️ ৬. ফ্ল্যাটের মূল্যের সাথে তুলনা
- মূল্য নির্ধারণ: ফ্ল্যাটের দাম বাজারের সঙ্গে তুলনা করে দেখুন। একই এলাকায় অন্যান্য ফ্ল্যাটের মূল্য কত, তা জেনে নেওয়া ভালো।
- EMI বা লোন সুবিধা: ব্যাংক লোনের মাধ্যমে ফ্ল্যাট কিনতে চাইলে সেই অপশনগুলি সম্পর্কে জানতে হবে। কোন ব্যাংক কত শতাংশ ইন্টারেস্টে লোন দিচ্ছে তা যাচাই করা প্রয়োজন।
◼️ ৭. রক্ষণাবেক্ষণ খরচ
- মাসিক বা বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণ: ডেভেলপার বা অ্যাসোসিয়েশন রক্ষণাবেক্ষণ খরচ নেয় কিনা এবং তা কী কী সার্ভিসের জন্য, তা আগে থেকেই জেনে নিতে হবে।
◼️ ৮. প্রকল্পের ডেলিভারি সময়
- নির্ধারিত সময়: ফ্ল্যাট নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হস্তান্তর করা হবে কিনা তা নিয়ে ডেভেলপারের কাছ থেকে নিশ্চিত হতে হবে। সময়মতো ডেলিভারি না পেলে কীভাবে সমাধান হবে, সেই শর্তগুলো চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
◼️ ৯. অ্যামেনিটিস
- কমন ফ্যাসিলিটিজ: ভবনের কমন ফ্যাসিলিটিজ যেমন কমিউনিটি হল, গার্ডেন, সুইমিং পুল ইত্যাদি আছে কিনা তা জেনে নিন। এই সুবিধাগুলোর জন্য অতিরিক্ত ফি লাগবে কিনা তাও জানুন।
◼️ ১০. রেজিস্ট্রেশন ও নামজারি খরচ
- ফ্ল্যাট কেনার সময় স্ট্যাম্প ডিউটি, রেজিস্ট্রেশন ফি, ভ্যাট, এবং নামজারি খরচ কত হবে তা আগেই হিসাব করে নিন।
এসব বিষয়গুলো ভালোভাবে যাচাই করলে, ফ্ল্যাট
কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া অনেক সহজ ও নিরাপদ হবে।
যে কোন আইনী প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন 👇🏻
Abrar & Associates
☎️01713614441

Address

Dhaka

Telephone

+8801894433434

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Abrar & Associates posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share