Law Solution in Bangladesh

Law Solution in Bangladesh Welcome to Official Page Law Solution in Bangladesh.

25/05/2026
13/12/2025

মেমোরেন্ডাম ও আর্টিকেল অফ অ্যাসোসিয়েশন: কোম্পানি পরিচালনার আইনগত ভিত্তি

একটি কোম্পানি গঠনের ক্ষেত্রে আইনগত কাঠামো নির্ধারণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই কাঠামোর মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে দুটি মৌলিক দলিল— মেমোরেন্ডাম অফ অ্যাসোসিয়েশন (MOA) এবং আর্টিকেল অফ অ্যাসোসিয়েশন (AOA)। কোম্পানির উদ্দেশ্য, ক্ষমতা ও পরিচালন পদ্ধতি নির্ধারণে এই দলিল দুটি অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে।

মেমোরেন্ডাম অফ অ্যাসোসিয়েশনকে সাধারণত একটি কোম্পানির সংবিধান বলা হয়। কারণ, এতে কোম্পানির মৌলিক পরিচয় ও কার্যক্রমের সীমা নির্ধারিত থাকে। MOA-তে কোম্পানির নাম, নিবন্ধিত অফিসের অবস্থান, ব্যবসার উদ্দেশ্য, মূলধনের পরিমাণ এবং শেয়ারহোল্ডারদের দায়-দায়িত্ব উল্লেখ থাকে। এই দলিলের মাধ্যমে কোম্পানি বাইরের জগৎকে জানিয়ে দেয়— সে কী ধরনের ব্যবসা করবে এবং কোন সীমার মধ্যে থেকে কাজ পরিচালনা করবে। আইন অনুযায়ী, MOA-তে উল্লেখিত উদ্দেশ্যের বাইরে গিয়ে কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করলে তা অবৈধ বলে গণ্য হয়।

অন্যদিকে, আর্টিকেল অফ অ্যাসোসিয়েশন হলো কোম্পানির অভ্যন্তরীণ পরিচালন নীতিমালা। এটি কোম্পানির ভেতরের কার্যক্রম কীভাবে চলবে, সেই নিয়ম-কানুন নির্ধারণ করে। AOA-তে শেয়ার ইস্যু ও হস্তান্তরের পদ্ধতি, পরিচালকদের ক্ষমতা ও দায়িত্ব, বোর্ড মিটিং ও সাধারণ সভার নিয়ম, ভোটিং ব্যবস্থা এবং লভ্যাংশ বণ্টনের বিধান অন্তর্ভুক্ত থাকে। সহজভাবে বলা যায়, AOA কোম্পানির দৈনন্দিন প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশিকা।

মেমোরেন্ডাম ও আর্টিকেল অফ অ্যাসোসিয়েশন একে অপরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত হলেও এদের ভূমিকা ভিন্ন। MOA কোম্পানির বাহ্যিক সীমা নির্ধারণ করে, আর AOA সেই সীমার ভেতরে থেকে কোম্পানি কীভাবে পরিচালিত হবে তা নির্দেশনা দেয়। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, AOA কখনোই MOA-এর পরিপন্থী হতে পারে না।

পরিশেষে বলা যায়, একটি কোম্পানির সুশৃঙ্খল ও আইনসম্মত পরিচালনার জন্য মেমোরেন্ডাম ও আর্টিকেল অফ অ্যাসোসিয়েশনের গুরুত্ব অপরিসীম। এই দুটি দলিল কোম্পানিকে যেমন আইনি স্বীকৃতি দেয়, তেমনি ভবিষ্যৎ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনাও প্রদান করে।

04/09/2024

প্রশ্ন ৬৪: অভিযোগপত্র দাখিলের সময় আমি অপ্রাপ্তবয়স্ক ছিলাম। কিন্তু বিচার শুরুর সময় আমি প্রাপ্তবয়স্ক হলাম। এখন আমার বিচার প্রক্রিয়া কি হবে?
উত্তর: অভিযোগপত্র দাখিলের সময় যে আপনি অপ্রাপ্তবয়স্ক ছিলেন সে কারণে আপনি শিশু আইন অনুযায়ীই বিচারের আওতায় পড়বেন।
কেননা শিশু আইনের ২০ ধারায় বলা হয়েছে অপরাধ সংঘটনের তারিখই হবে শিশুর বয়স নির্ধারণের জন্য প্রাসঙ্গিক তারিখ। তবে এরূপ ক্ষেত্রে শিশুকে আটকাদেশ দেওয়া হলে শিশু আইনের ৩৪ ধারার (৫) উপধারার বিধান অনুযায়ী ঐ শিশুকে সরাসরি কেন্দ্রীয় বা জেলা কারাগারে পাঠাতে হবে।

Income Tax 1st July 2024
02/07/2024

Income Tax 1st July 2024

02/04/2024

♦পেনশন এর সহজ হিসাব। নিজের হিসাব নিজেই করে নিতে পারেন।
ধরুন, আপনার শেষ Basic ২৮০০০/= টাকা
ল্যাম গ্রান্ট: শেষ Basic×১৮
উদাহরণ, ল্যাম গ্রান্ট, যা পেনশন/পিআরএল এর শুরুতে এককালীন পাবেন ২৮০০০x১৮=৫,০৪,০০০/=টাকা (তবে এটা নির্ভর করে ওই ব্যাক্তির ছুটি পাওনা থাকার উপর। যত মাস ছুটি পাওনা তাতো মাসের Basic একত্রে পাবেন, তবে সেটা সর্বোচ্চ ১৮ মাসের বেশি নয়।)
গ্রাচুইটি: যা পিআরএল শেষ হলে এককালীন পাবেন। ধরুন পি আর এল শেষে ইনক্রিমেন্টসহ আপনার শেষ বেসিক ২৮০০০+১২০০ (ইনক্রিমেন্ট)=২৯,২০০ টাকা বা,
শেষ (বেসিক×৯০%)÷২=( )×২৩০
উদাহরণ: (২৯,২০০×৯০%)÷২=()×২৩০=()
=(২৬২৮০÷২)×২৩০
=১৩১৪০×২৩০
=৩০,৩২,০০০/=টাকা, এখানে শেষ বেসিক এর সাথে পি আর এল এ থাকার সময়ের একটি ইনক্রিমেন্ট যোগ হবে এবং সেই ভাবে হিসাব করতে হবে।
পেনশন: (শেষ বেসিকx৯০%)÷২=( )+১৫০০
উদাহরণ: (২৯,২০০×৯০%)÷২=()+১৫০০/=টাকা
=(২৬,২৮০÷২)=()+১৫০০/=টাকা
=১৩,১৪০+১৫০০/=টাকা
=১৪,৬৪০/= টাকা যা আপনি প্রতি মাসে চিকিৎসা ভাতাসহ পেনশন পাবেন, আর প্রতি বছর দুইটি উৎসব ভাতা ও পহেলা বৈশাখে ২০%হারে একবার ভাতা পাবেন। প্রতিটি উৎসব ভাতা পাবেন আপনার মাসিক পেনশন এর সমান অর্থাৎ ১৩,১৪০/=টাকা হারে। আপনার বয়স ৬৫ বছর হলে চিকিৎসা ভাতা ১৫০০ এর স্থলে প্রতি মাসে ২৫০০ টাকা হারে পাবেন।

28/09/2023

একজন করদাতাকে তাঁর সব ধরনের আয়ের ওপর কর দিতে হয় না। কোনো কোনো আয় থাকে পুরোপুরি করমুক্ত; আবার কোনো আয়ে নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত কর অব্যাহতি সুবিধা মেলে। নতুন আইন আয়কর আইনে এমন ২২টি খাত চিহ্নিত করা হয়েছে।

এবার দেখা যাক, কোন কোন আয়ে এমন সুবিধা পাবেন।
১. সরকারি পেনশন তহবিল থেকে করদাতার গৃহীত বা বকেয়া পেনশন;
২. সরকারি আনুতোষিক তহবিল থেকে করদাতার প্রাপ্ত ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত;
৩. কোনো স্বীকৃত ভবিষ্য তহবিল, অনুমোদিত বার্ধক্য তহবিল, পেনশন তহবিল এবং অনুমোদিত আনুতোষিক তহবিল থেকে তাদের সুবিধাভোগীদের মাঝে বিতরণ করা আয়, যাতে ইতিমধ্যে করারোপ করা হয়েছে;
৪. ১৯২৫ সালের ভবিষ্য তহবিল আইনে প্রযোজ্য এমন কোনো ভবিষ্য তহবিলে উদ্ভূত বা উপচিত অথবা ভবিষ্য তহবিল হতে উদ্ভূত আয়;
৫. সরকারি সংস্থা, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা স্বায়ত্তশাসিত বা আধা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা ও তাদের নিয়ন্ত্রিত ইউনিট বা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীর স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণের সময় এই উদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক অনুমোদিত কোনো পরিকল্পনা অনুসারে গৃহীত যেকোনো পরিমাণ অর্থ;
৬. পেনশনারস সেভিংস সার্টিফিকেট থেকে সুদ হিসেবে গৃহীত কোনো অর্থ বা গৃহীত অর্থের সমষ্টি, যে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আয় বর্ষের শেষে ওই সার্টিফিকেটের বিনিয়োগ করা অর্থের মোট পুঞ্জীভূত অর্জিত মূল্য/প্রকৃত মূল/আক্ষরিক মূল্য/ক্রয়মূল্য (অনধিক ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত);
৭. কোনো নিয়োগকারী কর্তৃক কোনো কর্মচারীর ব্যয় পুনর্ভরণ যদি ক) ওই ব্যয় সম্পূর্ণভাবে এবং আবশ্যকতা অনুসারে কর্মচারীর দায়িত্ব পালনের সূত্রে খরচ হয়, খ) নিয়োগকারীর জন্য ওই কর্মচারীর মাধ্যমে এমন ব্যয় নির্বাহ সর্বাধিক সুবিধাজনক ছিল;
৮. কোনো অংশীদারি ফার্মের অংশীদার হিসেবে কোনো করদাতা কর্তৃক মূলধনি আয়ের অংশ হিসেবে প্রাপ্ত আয়ের অংশ, যার ওপর ওই ফার্ম কর্তৃক কর পরিশোধ করা হয়েছে;
৯. হিন্দু অবিভক্ত পরিবারের সদস্য হিসেবে একজন করদাতা যে পরিমাণ অর্থপ্রাপ্ত হন, যার ওপর ওই পরিবার কর্তৃক কর পরিশোধিত;
১০. বাংলাদেশি কোনো স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতা কর্তৃক বিদেশে উপার্জিত কোনো আয়, যা তিনি বৈদেশিক রেমিট্যান্স সম্পর্কিত বিদ্যমান আইন অনুসারে বাংলাদেশে এনেছেন;
১১. কোনো করদাতা কর্তৃক ওয়েজ আর্নার্স ডেভেলপমেন্ট ফান্ড, ইউএস ডলার প্রিমিয়াম বন্ড, ইউএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট বন্ড, ইউরো প্রিমিয়াম বন্ড, ইউরো ইনভেস্টমেন্ট বন্ড, পাউন্ড স্টার্লিং ইনভেস্টমেন্ট বন্ড বা পাউন্ড স্টার্লিং প্রিমিয়াম বন্ড থেকে গৃহীত আয়;
১২. রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর কোনো স্বাভাবিক ব্যক্তির আয়, যা কেবল ওই পার্বত্য জেলায় পরিচালিত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে উদ্ভূত হয়েছে;
১৩. কোনো স্বাভাবিক ব্যক্তির ‘কৃষি থেকে আয়’ খাতের আওতাভুক্ত অনধিক ২ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় যদি ওই ব্যক্তি ক) পেশায় একজন কৃষক হন, খ) জমি চাষাবাদ থেকে আয় কিংবা সুদ বা মুনাফা বাবদ অনধিক ২০ হাজার টাকা আয় ছাড়া অন্য কোনো আয় থাকে;
১৪. ২০২০ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত নিবাসী বা অনাবাসী বাংলাদেশি ব্যক্তির আয় (আয়ের খাতগুলো হলো সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট; সফটওয়্যার বা অ্যাপ্লিকেশন কাস্টমাইজেশন; নেশনওয়াইড টেলিকমিউনিকেশন ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক (এনটিটিএন); ডিজিটাল অ্যানিমেশন; ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট; ওয়েবসাইট সার্ভিস; ওয়েব লিস্টিং; আইটি প্রসেস আউটসোর্সিং; ওয়েবসাইট হোস্টিং; ডিজিটাল গ্রাফিকস ডিজাইন; ডিজিটাল ডেটা এন্ট্রি ও প্রসেসিং; ডিজিটাল ডেটা অ্যানালিটিক্স; গ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিস; আইটি সহায়তা ও সফটওয়্যার মেইনটেন্যান্স সার্ভিস; সফটওয়্যার টেস্ট ল্যাব সার্ভিস; কল সেন্টার সার্ভিস; ওভারসিজ মেডিকেল ট্রান্সক্রিপশন; সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সার্ভিস; ডকুমেন্ট কনভারশন, ইমেজিং ও ডিজিটাল আর্কাইভিং; রোবোটিকস প্রসেস সার্ভিস; ক্লাউড সার্ভিস; সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন; ই-লার্নিং প্ল্যাটফর্ম; ই-বুক পাবলিকেশন; মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট সার্ভিস; এবং আইটি ফ্রিল্যান্সিং);

১৫. ২০২৪ সালের জুন মাস পর্যন্ত হস্তশিল্প রপ্তানির আয়;
১৬. ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প থেকে আয়, শিল্পমালিক নারী হলে বার্ষিক টার্নওভার অনধিক ৭০ লাখ টাকা এবং অন্য ক্ষেত্রে বার্ষিক টার্নওভার ৫০ লাখ টাকা;
১৭. শর্তসাপেক্ষে ব্যাংক, বিমা বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান ব্যতীত ব্যক্তি কর্তৃক জিরো কুপন বন্ড থেকে উদ্ভূত আয়;
১৮. চাকরি থেকে আয়-এর (যাতায়াত, চিকিৎসাসহ অন্যান্য ভাতা হিসেবে প্রাপ্ত) মোট আয়ের এক-তৃতীয়াংশ বা সাড়ে চার লাখ টাকা, যা কম;
১৯. বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে গৃহীত সম্মানী বা ভাতা প্রকৃতির কোনো অর্থ বা সরকারের নিকট গৃহীত কল্যাণ ভাতা;
২০. সরকার থেকে কোনো পুরস্কারের অর্থ;
২১. বৃদ্ধাশ্রম পরিচালনা থেকে আয়;
২২. ২০৩০ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সমুদ্রগামী বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ যদি বৈদেশিক মুদ্রা বাংলাদেশে আনে।

06/09/2023

প্রশ্ন: আমার বিয়ে হয়েছে প্রায় তিন বছর। দুই বছরের একটি ছেলেও আছে। আমার স্বামী প্রায় দুই বছর ধরে বিদেশে থাকে। একরকম সবার অমতে আমাদের বিয়ে হয়েছিল। এই তিন বছরে আমি কখনো আমার স্বামীর বাড়িতে যাইনি। যাইনি বললে ভুল হবে, তারা আমাকে নেয়নি। এমনকি আমার স্বামীও আমাদের খরচ দেয় না। আবার আমাকে তালাকও দিতে চায় না। এ অবস্থায় আমার কী করা উচিত?

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বাংলাদেশে প্রচলিত পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ ১৯৮৫ বলে দাম্পত্য অধিকার পুনরায় প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের বিষয়টি পারিবারিক আদালতের এখতিয়ারে দেওয়া রয়েছে এবং আইনানুযায়ী আদালত ডিক্রি জারি করতে পারেন। আপনার স্বামী যেহেতু কোনো কারণ ছাড়া আপনাকে তাঁর বাড়িতে তুলে নিচ্ছেন না, তাই দাম্পত্য অধিকার দাবি করে আপনি পারিবারিক আদালতে প্রতিকার চাইতে পারেন। যেহেতু আপনার স্বামী কোনো আইনসংগত কারণ ছাড়া আপনার সঙ্গে একত্রে বসবাস বন্ধ করেছেন, সে ক্ষেত্রে স্ত্রী হিসেবে আপনি দাম্পত্য অধিকার চাইতে পারেন এবং স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করতে পারেন।

দাম্পত্য অধিকার উদ্ধারের বিষয়টি সাধারণত আদালতের বিবেচনার ব্যাপার। উভয়ের মধ্যে বিয়ে কার্যকর আছে কি না, তা আদালত দেখতে চাইবেন। এই অধিকার প্রতিষ্ঠায় আপনাকে প্রমাণ করতে হবে যে আপনার স্বামী কোনো কারণ ছাড়াই আপনাকে তুলে নিচ্ছেন না।

এবার আসা যাক ভরণপোষণ বিষয়ে। ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অনুযায়ী, খোরপোষ বা ভরণপোষণ স্ত্রীর আইনগত অধিকার। স্ত্রীর খোরপোষ স্বামীর জন্য বাধ্যতামূলক। স্ত্রী স্বামীর সঙ্গে বসবাস না করেও খোরপোষ দাবি করতে পারেন। যত দিন বিয়ে বলবৎ থাকবে, তত দিনই স্বামী খোরপোষ দিতে বাধ্য থাকবেন। খোরপোষের পরিমাণ নির্ধারণ করার সময় সালিসি পরিষদ স্ত্রীর পরিবারের সামাজিক পদমর্যাদা, স্বামীর উপার্জন এবং অন্যান্য বিষয় বিবেচনা করে খোরপোষের পরিমাণ নির্ধারণ করবে।

ভরণপোষণ আদায়ের জন্য আপনি স্থানীয় চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করতে পারবেন। চেয়ারম্যান বিষয়টি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণের উদ্দেশ্যে একটি সালিসি পরিষদ গঠন করবে। ওই সালিসি পরিষদ স্বামী কর্তৃক খোরপোষ হিসাবে দেয় টাকার পরিমাণ নির্ধারণ করে একটি সার্টিফিকেট ইস্যু করতে পারে। যেকোনো পক্ষ নির্ধারিত পদ্ধতিতে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে ইস্যুকৃত সার্টিফিকেটটি পুনর্বিবেচনার উদ্দেশ্যে সহকারী জজের কাছে আবেদন করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সহকারী জজের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে এবং এর বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না। এরপর এই ভরণপোষণ যথাসময়ে দেওয়া না হলে, এটা বকেয়া রাজস্বের আকারে আদায়যোগ্য হবে।

কোন শর্ত ভঙ্গ করলে, চেয়ারম্যান কর্তৃক সালিসি পরিষদের সিদ্ধান্ত না মানলে এবং আদালতের নিয়ম–নির্দেশ অমান্য করলে স্বামীর বিরুদ্ধে আদালতের আশ্রয় নিতে পারেন স্ত্রী। সন্তানের ভরণপোষণ ও অভিভাবকত্ব মুসলিম আইন ও রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী, বাবাই সন্তানের প্রকৃত অভিভাবক। তাই সন্তানের ভরণপোষণের সব দায়দায়িত্ব হচ্ছে বাবার। সন্তানেরা পারিবারিক আদালতে মামলা করে ভরণপোষণ আদায় করতে পারবে।

23/08/2023

সালিশ (Arbitration) প্রক্রিয়াটি অনেকটা মধ্যস্থতা পদ্ধতির অনুরূপ।এ কারণেই সালিশ কার্যক্রম (Arbitration) কে মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উন্নত সংস্করণ বলে মনে করা হয়। কেননা মধ্যস্থতা কার্যক্রমে মধ্যস্থতাকারী বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে পক্ষগণের উপর কোন পন্থা চাপিয়ে দিতে পারেন কিন্তু সালিশ কার্যক্রমের সালিশকারী (Conciliator)পক্ষগণের ওপর রায় চাপিয়ে দিতে পারে। এ ধরনের রায়কে রোয়েদাদ (Award) বলা হয়। সালিশ (Arbitration) প্রক্রিয়াটি সালিশ আইন-২০০১ দ্বারা পরিচালিত হয়ে থাকে। বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ আইনের ২১০ বিরোধ সালিসীর (Conciliation) মাধ্যমে নিষ্পত্তি কথা বলা হয়েছে।

21/08/2023

মধ্যস্থতা কার্যক্রম (Mediation) এ পদ্ধতিতে কোন বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে পক্ষদ্বয়ের মধ্যে নিরপেক্ষ তৃতীয় কোন পক্ষ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিযুক্ত করা হয় এবং কোন পক্ষের ওপর সিদ্ধান্ত চাপিয়ে না দিয়ে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে দুটি পক্ষকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করা হয়। দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯[ক] এবং অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ২২ ধারাতে মধ্যস্থতা বিষয়ে বলা হয়েছে।

20/08/2023

আলাপ-আলোচনা (Negotiation) হল এমন একটি পদ্ধতি যেখানেই কোন বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে বিরোধের দুই পক্ষই যখন তৃতীয় পক্ষের সাহায্য ছাড়াই একটি সুবিধাজনক পরিণতির দিকে পৌঁছে বা একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হয়ে সমাধান করে থাকে। আলাপ-আলোচনার [Negotiation] মাধ্যমে শিল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এর ২১০(২) ২১০(৩) উপধারায় বলা আছে।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Law Solution in Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share