Advocate Saiful Islam Saif

Call Directions Website Contact the business

Advocate Saiful Islam Saif Our practice is your solution. We live and breathe the law 24/7. Any emergency - 01775561617

Update from South Korea 🇰🇷Today, I had a meeting at the Bangladesh Embassy with the Charge d’Affaires and Counsellor (Po...
27/08/2026

Update from South Korea 🇰🇷

Today, I had a meeting at the Bangladesh Embassy with the Charge d’Affaires and Counsellor (Political), Mr. Ashfaqu Rahman.

We discussed the entire matter concerning the students’ tuition fee refund, the ongoing judicial proceedings, and the possible ways to recover the students’ money. They kindly understood the situation and shared valuable thoughts and advice on how we can move forward.

We also discussed the responsibilities of agencies working in the study-abroad sector. Proper guidance is extremely important, and students should be encouraged to apply with IELTS or the required language qualifications whenever possible, as applying without proper preparation can create significant difficulties later.

Most importantly, this matter is now before the Court. The matter will therefore be decided through the competent court, and no one should interfere with the independence of the judiciary.

I will inform everyone about the details and the latest developments tomorrow at the Court. I will also visit the University and continue working on the matter.

Everyone, please keep the students in your prayers. 🤲

I will try my very best to protect the interests of the students and help them recover their money through the proper legal process.

Thank you all for your support, trust and prayers.

Advocate Saiful Islam
27.08.2026

01/05/2026
কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা-এর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন সিরাজগঞ্জের আদালত।আজ মঙ্গলবার (২...
21/04/2026

কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা-এর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন সিরাজগঞ্জের আদালত।

আজ মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) আদালত এই আদেশ প্রদান করেন।

জেলা প্রশাসকের (ডিসি) বদলি সংক্রান্ত বিষয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জের ধরে তার বিরুদ্ধে এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত হয় গত ২৭ মার্চ। কুষ্টিয়ার হরিপুর জামে মসজিদে জুমার নামাজের খুতবার আগে মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখার সময় এমপি আমির হামজা অভিযোগ করেন যে, কুষ্টিয়ার বর্তমান জেলা প্রশাসক এখানে বদলি হয়ে আসার জন্য প্রায় ২০ থেকে ৩০ কোটি টাকা ব্যয় করেছেন।

তার এই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং বিষয়টি নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৩ এপ্রিল এমপি আমির হামজাকে একটি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়। নোটিশে উল্লেখ করা হয় যে, তার এমন বক্তব্যে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে এবং জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।

নোটিশে তাকে সাত দিনের সময় বেঁধে দিয়ে জানতে চাওয়া হয়েছিল জেলা প্রশাসক ঠিক কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রদান করেছেন, তার নাম প্রকাশ করতে হবে এবং বক্তব্যের পক্ষে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করতে হবে।

কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উক্ত অভিযোগের স্বপক্ষে কোনো প্রমাণ বা তথ্য জনসম্মুখে প্রকাশ করতে ব্যর্থ হন তিনি। ফলে বিষয়টি আদালতের নজরে এলে আদালত আজ তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন।

আইন সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রশাসনের একজন শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তথ্যপ্রমাণ ছাড়া এমন গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধের পর্যায়ে পড়ে এবং এটি সরকারি চাকুরিজীবীদের মর্যাদাহানি করে। বিশেষ করে একজন দায়িত্বশীল সংসদ সদস্যের কাছ থেকে এমন মন্তব্য আরও বেশি সংবেদনশীল হিসেবে বিবেচিত হয়।

মামলার আইনজীবী আব্দুল মজিদ জানান, একজন দায়িত্বশীল সংসদ সদস্যের কাছ থেকে এমন অসংলগ্ন ও ভিত্তিহীন বক্তব্য কোনোভাবেই প্রত্যাশিত নয়। তিনি বলেন, সরকার যখন দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছে, তখন প্রশাসনের বিরুদ্ধে এ ধরনের গুরুতর অভিযোগ তোলার আগে অবশ্যই পর্যাপ্ত তথ্য ও প্রমাণ থাকা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হওয়া এবং জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর কারণেই আদালত এই কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছেন।

10/04/2026

কাকে, কখন, কীভাবে গ্রেফতার করা যায়: আইনের বাস্তবতা!

কাউকে গ্রেফতার করার বিষয়টি একটি সংবেদনশীল ও আইননির্ভর প্রক্রিয়া, যা নির্দিষ্ট বিধান ও শর্তসাপেক্ষে সম্পন্ন হয়। “কাকে, কখন, কীভাবে গ্রেফতার করা যায়: আইনের বাস্তবতা” শীর্ষক আলোচনায় তুলে ধরা হয়েছে গ্রেফতারের আইনগত ভিত্তি, প্রযোজ্য পরিস্থিতি এবং সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়াগুলো। এতে ব্যাখ্যা করা হয়েছে কোন পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাউকে গ্রেফতার করতে পারে, গ্রেফতারের আগে ও পরে কী কী নিয়ম অনুসরণ করতে হয়, এবং নাগরিকের অধিকার কীভাবে সুরক্ষিত থাকে। বাস্তব উদাহরণ ও প্রাসঙ্গিক আইন বিশ্লেষণের মাধ্যমে বিষয়টি সহজ ও বোধগম্য করে উপস্থাপন করা হয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষ আইন সম্পর্কে সচেতন হতে পারে এবং নিজের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা।

— এডভোকেট সাইফুল ইসলাম

#আইনজানুন িক্ষা

জাতীয় সংসদে ‘কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিওর (সংশোধন) আইন-২০২৬’ কণ্ঠভোটে পাস হয়েছে। এর মাধ্যমে Code of Criminal Procedure, 18...
09/04/2026

জাতীয় সংসদে ‘কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিওর (সংশোধন) আইন-২০২৬’ কণ্ঠভোটে পাস হয়েছে। এর মাধ্যমে Code of Criminal Procedure, 1898-এ গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনে গ্রেপ্তার ও বিচার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
📌 মূল পরিবর্তনসমূহ:
🔹 ১. গ্রেপ্তার সংক্রান্ত সুরক্ষা (ধারা ৪৬এ–৪৬ই)
▪️ পরিবারকে অবহিতকরণ: গ্রেপ্তারের সর্বোচ্চ ১২ ঘণ্টার মধ্যে পরিবার/আত্মীয় বা আইনজীবীকে জানানো বাধ্যতামূলক।
▪️ পরিচয়পত্র প্রদর্শন: গ্রেপ্তারকারী কর্মকর্তাকে দৃশ্যমান ID কার্ড প্রদর্শন করতে হবে।
▪️ আইনি পরামর্শের অধিকার: গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে আইনজীবী বা নিকটাত্মীয়ের সাথে পরামর্শের সুযোগ দিতে হবে।
🔹 ২. নথিবদ্ধকরণ ও স্বচ্ছতা
▪️ জিডিতে অন্তর্ভুক্তি: গ্রেপ্তারের কারণ, সময় এবং অবহিতকরণের তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে থানার GD-তে লিপিবদ্ধ করতে হবে।
▪️ গ্রেপ্তার মেমোরেন্ডাম: অন্য থানার কর্মকর্তা গ্রেপ্তার করলে সংশ্লিষ্ট থানার ওসিকে অনুলিপি পাঠাতে হবে।
▪️ সাক্ষীর উপস্থিতি: অন্তত একজন সাক্ষীর উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে; না থাকলে কারণ উল্লেখ করতে হবে।
🔹 ৩. বিচারিক ও প্রশাসনিক পরিবর্তন
▪️ জরিমানার ক্ষমতা বৃদ্ধি (ধারা ৩২):
১ম শ্রেণী – ৫ লাখ টাকা
২য় শ্রেণী – ৩ লাখ টাকা
৩য় শ্রেণী – ২ লাখ টাকা
▪️ স্বাস্থ্য পরীক্ষা (ধারা ১৬৭): রিমান্ডের আগে ও পরে অভিযুক্তের শারীরিক পরীক্ষা বাধ্যতামূলক।
▪️ তদন্ত তদারকি (ধারা ১৭৩এ): চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়ার আগে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিবেদন চাইতে পারবেন।
📣 মূল লক্ষ্য:
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, নাগরিক অধিকার সুরক্ষা এবং বিচার প্রক্রিয়ায় জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।

06/04/2026

হিল্লা বিয়ে নিয়ে আইন কি বলে?

হিল্লা বিয়ে নিয়ে অনেক ভুল ধারণা আছে।
তিন তালাকের পর স্ত্রী সরাসরি আগের স্বামীর কাছে ফিরতে পারে না—এটা সত্য। তবে “পরিকল্পিত হিল্লা বিয়ে” (শুধু আগের স্বামীর কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য অন্য কারো সাথে চুক্তিভিত্তিক বিয়ে) ইসলামে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
ইসলামে বলা হয়েছে, যদি কোনো নারী স্বাভাবিকভাবে অন্য একজনকে বিয়ে করে এবং সেই বিয়ে বাস্তব কারণে শেষ হয়, তখনই সে আগের স্বামীর সাথে পুনরায় বিয়ে করতে পারে।
বাংলাদেশের আইনেও জোরপূর্বক বা প্রতারণামূলক বিয়ে অপরাধ।
👉 তাই হিল্লা বিয়ে কোনো শর্টকাট নয়, বরং ভুলভাবে ব্যবহার করলে তা পাপ ও আইনত দণ্ডনীয় হতে পারে।

— এডভোকেট সাইফুল ইসলাম
#আইনজানুন িক্ষা

03/04/2026

১৪৫ ধারা জারি কি?
বাংলাদেশের দণ্ডবিধির ১৪৫ ধারা হলো আদালতের নির্দেশনা ও বিচার সংক্রান্ত ক্ষমতা।
এটি আদালতকে অপরাধ তদন্ত, সমন জারি ও শাস্তি দেওয়ার সুযোগ দেয়।
সহজ কথায়, আদালতের হাত শক্ত করার আইন।

— এডভোকেট সাইফুল ইসলাম

#আইনজানুন িক্ষা

31/03/2026

১৪৪ ধারা জারি কী?
বাংলাদেশে বা ভারতীয় উপমহাদেশে “১৪৪ ধারা” বলতে বোঝানো হয় Criminal Procedure Code Section 144 অনুযায়ী প্রশাসনের একটি বিশেষ ক্ষমতা, যার মাধ্যমে কোনো এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য জরুরি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
🔹 ১৪৪ ধারা জারির মূল উদ্দেশ্য
জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা
দাঙ্গা, সংঘর্ষ বা সহিংসতা প্রতিরোধ করা
আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঠেকানো
🔹 ১৪৪ ধারার অধীনে কী কী নিষেধাজ্ঞা থাকে?
সাধারণত এই ধারার আওতায়—
৪ জন বা তার বেশি মানুষের জমায়েত নিষিদ্ধ
মিছিল, সমাবেশ, সভা বন্ধ রাখা
অস্ত্র বহন করা নিষিদ্ধ
কখনও কখনও নির্দিষ্ট এলাকায় চলাচলেও সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়
🔹 কে এই ধারা জারি করে?
জেলা প্রশাসক (ডিসি)
ম্যাজিস্ট্রেট (এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট)
🔹 কতদিন পর্যন্ত কার্যকর থাকে?
সাধারণত নির্দিষ্ট সময়ের জন্য (কয়েক দিন বা পরিস্থিতি অনুযায়ী)
পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তা প্রত্যাহার করা হয়

— এডভোকেট সাইফুল ইসলাম

#আইনজানুন িক্ষা

10/03/2026

ব্যবসা কিভাবে শুরু করবেন?
অনেকেই ব্যবসা শুরু করতে চান, কিন্তু কোথা থেকে শুরু করবেন তা বুঝতে পারেন না। সফলভাবে ব্যবসা শুরু করতে হলে আগে একটি ভালো পরিকল্পনা, সঠিক আইডিয়া এবং বাজার সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা জরুরি।
প্রথমে ঠিক করুন আপনি কোন ধরনের ব্যবসা করবেন এবং সেই ব্যবসার বাজারে চাহিদা কতটা আছে। এরপর প্রয়োজন হলে ট্রেড লাইসেন্স, টিআইএন বা অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করুন। পাশাপাশি একটি পরিষ্কার বাজেট ও ব্যবসার পরিকল্পনা তৈরি করুন।
সঠিক পরিকল্পনা, ধৈর্য এবং পরিশ্রম থাকলে ছোট উদ্যোগও একসময় বড় ব্যবসায় পরিণত হতে পারে। তাই ব্যবসা শুরু করার আগে ভালোভাবে জেনে-বুঝে এবং পরিকল্পনা করে এগিয়ে যান।

— এডভোকেট সাইফুল ইসলাম

#আইনজানুন িক্ষা

09/03/2026

অধ্যাদেশ কি?
অধ্যাদেশ হলো এমন একটি আইনগত ব্যবস্থা, যা সংসদ অধিবেশন না থাকলে রাষ্ট্রপতি জরুরি পরিস্থিতিতে জারি করতে পারেন। দেশের জরুরি প্রয়োজন বা গুরুত্বপূর্ণ কোনো বিষয় দ্রুত সমাধানের জন্য সাময়িকভাবে এই আইন প্রণয়ন করা হয়।
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, সংসদ চলমান না থাকলে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করার ক্ষমতা রাখেন। তবে সংসদ অধিবেশন শুরু হলে সেই অধ্যাদেশ সংসদে উপস্থাপন করতে হয়। সংসদ যদি তা অনুমোদন করে, তাহলে সেটি আইন হিসেবে কার্যকর থাকে; আর অনুমোদন না পেলে অধ্যাদেশের কার্যকারিতা শেষ হয়ে যায়।
সহজভাবে বলতে গেলে, সংসদ না থাকাকালীন সময়ে জরুরি প্রয়োজনে যে অস্থায়ী আইন জারি করা হয়, তাকেই অধ্যাদেশ বলা হয়।

— এডভোকেট সাইফুল ইসলাম

#আইনজানুন িক্ষা

Address

Dhaka
1229

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Advocate Saiful Islam Saif posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Advocate Saiful Islam Saif:

Shortcuts

Share