Abdus Sobur & Associates

Abdus Sobur  & Associates Abdus Sobur & Associates is a full service law firm in Bangladesh aiming to provide honest, effective

[[[[ Abdus Sobur & Associates ]]]]
Dear Honorable Persons
--------------------------------------------
Our Service....
# All kinds Cases Consultancy & Legal Support, Advocacy
# Civil, Criminal, Family Laws, Company Laws, Labor
# Company & Society Registration
# Trade License
# TAX
# VAT
# IRC
# ERC

Call: +8801924863399,01796206064

23/02/2026

আপনি কি #প্রতারিত ভাবে #তালাকপ্রাপ্ত হয়েছেন⁉️
আপনার অজান্তেই কি আপনাকে তালাক দিলো⁉️
অথচ আপনি কোন #নোটিশ পেলেন না‼️
কিংবা আপনার ঠিকানার কোন #জনপ্রতিনিধিও এই ব্যাপারে অবগত না‼️
অথবা তাদের অফিসেও কোন নোটিশ পাঠানো হলো না‼️
অথবা আপনার ঠিকানায় না পাঠিয়ে ইচ্ছেকৃত ভুল জায়গায় পাঠানো হলো‼️
এমতাবস্থায় আপনি যদি প্রতারণার স্বীকার হন তবে আপনি পারিবারিক আদালতে তার জন্য অভিযোগ করতে পারেন।এবং সত্যতা প্রমান হলে সে তালাক অবৈধ বা বাতিল হিসাবে গন্য হবে।

১৯৬১ সালের #মুসলিম #পারিবারিক #আইন #অধ্যাদেশ ( , 1961)অনুযায়ী তালাকের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক--

মামলার ধরন:
আপনি "তালাক কার্যকর হয়নি" মর্মে #ঘোষণার জন্য মামলা করতে পারেন। অথবা আপনি যদি স্বামীর সাথে থাকতে চান তবে " #দাম্পত্য #অধিকার #পুনরুদ্ধার" ( )-এর মামলা করতে পারেন।

প্রমানিত হলে আপনি আপনার স্ত্রীর বৈধতা ফেরত পাবেন।

শাস্তির বিধান:**

মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের ৭ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ এই নিয়ম লঙ্ঘন করে নোটিশ না দেয়, তবে তার ১ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা (বা উভয় দণ্ড)হতে পারে।

এমন পরিস্থিতিতে একজন আইনজীবীর সহায়তা নেন।

আইনি সমস্যার প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন
অ্যাডভোকেট আব্দুস সবুর, 01924-863399

21/02/2026

বিদেশে অবস্থান করা অবস্থায় কি তালাক প্রদান করা সম্ভব???

➡️হ্যা সম্ভব!!!

বিদেশ থেকে মুসলিম ধর্মে তা'লা'ক দেওয়ার বৈধ উপায় বাংলাদেশ আইনের আলোকে স্পষ্টভাবে, ধাপে ধাপে ও আইনসহ আলোচনা করা হলো ⬇️⬇️

➡️ প্রযোজ্য আইন
Muslim Family Laws Ordinance, 1961 (MFLO)
👉 ধারা ৭ (Section 7)

➡️ নোটিশ দেওয়ার মাধ্যমে (MFLO S- 7)
POA ছাড়া দূতাবাসের মাধ্যমে বৈধ পদ্ধতি (মুসলিম)

★ ধাপ–১: বিদেশে বসে তালাক প্রদান
স্বামী নিজে তালাক ঘোষণা করবেন (লিখিত আকারে উত্তম)।

★ ধাপ–২: দূতাবাসে তালাকনামা সত্যায়ন (Attestation)
স্বামী নিকটস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস/হাইকমিশনে গিয়ে করবেন:
লিখিত তালাকনামা প্রস্তুত
দূতাবাস কর্তৃক স্বাক্ষর ও পরিচয় সত্যায়ন (Attestation)
📌 এখানে POA লাগে না, কারণ স্বামী নিজে উপস্থিত।
⚠️ মনে রাখবেন:
👉 দূতাবাস তালাক দেয় না, শুধু দলিল সত্যায়ন করে।

★ ধাপ–৩: দূতাবাসের মাধ্যমে নোটিশ প্রেরণ
সত্যায়িত তালাকনামা দিয়ে দূতাবাসের মাধ্যমে (বা নিজে ডাকযোগে) পাঠাতে হবে:
স্ত্রীর বর্তমান ঠিকানায়
স্ত্রীর এলাকার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান / সিটি কর্পোরেশন মেয়রের কাছে
📮 মাধ্যম:
Diplomatic Mail / Registered Post / Courier

➡️ 📂 প্রমাণ:
প্রেরণের রসিদ ও কপি সংরক্ষণ করুন।

★ ধাপ–৪: ৯০ দিনের সালিশি সময় (আইনগত বাধ্যবাধকতা)
চেয়ারম্যান নোটিশ পাওয়ার দিন থেকে
৯০ দিনের সালিশি (Arbitration Council) সময় শুরু
পুনর্মিলন না হলে—

★ ধাপ–৫: তালাক কার্যকর
নোটিশ প্রাপ্তির ৯০ দিন পর তালাক চূড়ান্তভাবে কার্যকর
চেয়ারম্যান চাইলে তালাক সনদ ইস্যু করবেন

➡️ যে সব কাগজপত্র প্রয়োজন হবে,
১. কাবিননামা
২. জাতীয় পরিচয় পত্র
৩. পাসপোর্ট
৪. পাসপোর্ট সাইজ ছবি
৫. বর্তমান ঠিকানার প্রমান পত্র
➡️ আইনের স্পষ্ট ভিত্তি (MFLO, Section 7)
Section 7(1):
তালাক দিলে স্বামীকে তা লিখিতভাবে চেয়ারম্যানকে জানাতে হবে।
Section 7(2):
চেয়ারম্যান সালিশি পরিষদ গঠন করবেন।
Section 7(3):
নোটিশ পাওয়ার ৯০ দিন পর তা লাক কার্যকর হবে, যদি পুনর্মিলন না হয়।
⚠️ চেয়ারম্যানকে নোটিশ না দিলে তা লা ক আইনত অ বৈ ধ ও দণ্ডনীয় অ প রা ধ।

➡️ গুরুত্বপূর্ণ ভুল ধারণা—এগুলো নয়
❌ শুধু দূতাবাসে তালাকনামা করলে তালাক বৈধ হয় না
❌ শুধু বিদেশি নোটারি করলেও বৈধ হয় না
✔️ চেয়ারম্যানকে নোটিশ = বৈধতার মূল চাবিকাঠি

➡️ মূল কথা (সংক্ষেপে)
✔️ দূতাবাস তালাক কার্যকর করার কর্তৃপক্ষ নয়
✔️ তবে দূতাবাস তালাকনামা সত্যায়ন (attestation) ও নোটিশ প্রেরণে সহায়ক মাধ্যম
✔️ চূড়ান্ত বৈধতা আসে বাংলাদেশের স্থানীয় চেয়ারম্যানকে

➡️ ব্যবহারিক পরামর্শ
তা লা ক নামায় তারিখ, পূর্ণ ঠিকানা, স্বাক্ষর স্পষ্ট রাখুন
স্ত্রীর এলাকার সঠিক চেয়ারম্যান নির্ধারণ করুন
ডাকের রসিদ ও কপি সংরক্ষণ করুন।
#01924863399

24/09/2025

যে কোন আইনগত পরামর্শ ও সহযোগীতায় 01924-863399

Send a message to learn more

 #পারিবারিক_সমস্যায়_ফ্যামিলি_থেরাপিপরিবার হলো শান্তি, ভালোবাসা ও পারস্পরিক সহযোগিতার কেন্দ্র। কিন্তু নানা কারণে এই পরিব...
15/09/2025

#পারিবারিক_সমস্যায়_ফ্যামিলি_থেরাপি

পরিবার হলো শান্তি, ভালোবাসা ও পারস্পরিক সহযোগিতার কেন্দ্র। কিন্তু নানা কারণে এই পরিবারেই দেখা দিতে পারে অশান্তি, ভুল বোঝাবুঝি এবং কলহ। দাম্পত্য কলহ, ভাই-বোনের অসহিষ্ণুতা, অভিভাবক-সন্তানের মতানৈক্য, খাদ্যাভ্যাস বিকার, আচরণগত সমস্যা কিংবা মাদকাসক্তির মতো পরিস্থিতি সহজেই পারিবারিক সম্পর্ককে নষ্ট করে দিতে পারে। এমনকি বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্যের অ্যালঝেইমার রোগও পরিবারে অস্থিরতার জন্ম দেয়, যদি তা সঠিকভাবে সামাল না দেওয়া হয়।

এই সমস্যাগুলোর সমাধান না হলে তা পরিবারজুড়ে দুশ্চিন্তা, মানসিক চাপ ও উদ্বেগ তৈরি করে। একপর্যায়ে গোটা পরিবার মানসিক বিকারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়ে। সমাধানের পথ হলো ফ্যামিলি থেরাপি।

ফ্যামিলি থেরাপি কী?

ফ্যামিলি থেরাপি মূলত একটি গ্রুপ সাইকোথেরাপি। এখানে পরিবারের সদস্যদের আচরণ ও সম্পর্ক বিশ্লেষণ করে সমস্যার উৎস খুঁজে বের করা হয়। থেরাপিস্ট সদস্যদের শেখান কীভাবে পারস্পরিক যোগাযোগ উন্নত করা যায়, আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা যায় এবং রোগীর পাশে থেকে তাকে সহযোগিতা করা যায়।

কখন দরকার হয় ফ্যামিলি থেরাপি?

পরিবারের মধ্যে দ্বন্দ্ব বা মতানৈক্য দেখা দিলে

পরিবারের কেউ মাদকাসক্ত হলে

মানসিক বিকারে আক্রান্ত সদস্য থাকলে

ভাই-বোনের মধ্যে অশান্তি বাড়লে

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সদস্য থাকলে

একান্নবর্তী পরিবারের জটিলতা তৈরি হলে

পারিবারিক অস্থিরতা বা অবিশ্বস্ততা দেখা দিলে

ফ্যামিলি থেরাপির উপকারিতা

ফ্যামিলি থেরাপির মাধ্যমে—
১. পারিবারিক দ্বন্দ্ব ও সংঘাত কমে আসে
২. যোগাযোগ ও বোঝাপড়া বৃদ্ধি পায়
৩. সহমর্মিতা ও সহযোগিতার পরিবেশ তৈরি হয়
৪. প্রত্যেক সদস্যের দায়িত্ব ও ভূমিকা স্পষ্ট হয়
৫. আবেগ নিয়ন্ত্রণের দক্ষতা বাড়ে
৬. শিশুর বেড়ে ওঠার জন্য ইতিবাচক পরিবেশ নিশ্চিত হয়
৭. পরিবারের নিষ্ক্রিয় সদস্যরাও সক্রিয় হয়ে ওঠে

পরিবারের ছোটখাটো ভুল বোঝাবুঝি অবহেলা করলে তা বড় সমস্যায় পরিণত হতে পারে। তাই পরিবারের শান্তি ও সুস্থ সম্পর্ক বজায় রাখতে ফ্যামিলি থেরাপি হতে পারে কার্যকর সমাধান। Advocate Abdus Sobur, 01924863399

18/04/2025

আইনি পরামর্শ: কী এবং কেন সবার জন্য গুরুত্বপূর্ণ
✅ আইনি পরামর্শ কী?
আইনি পরামর্শ হলো এমন এক ধরনের সহায়তা, যেখানে একজন আইনজীবী বা আইন-জ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তি আপনার সমস্যা, ঘটনা বা পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রচলিত আইন অনুযায়ী কী করা উচিত—তা ব্যাখ্যা ও নির্দেশনা দেন।

📌 এটি হতে পারে:

মৌখিক বা লিখিত

বিনামূল্যে (Legal Aid) বা পারিশ্রমিকের বিনিময়ে

আদালতের আগে বা পরে নেওয়া

❓ কেন আইনি পরামর্শ নেওয়া উচিত?
১. ✅ আইন না জানলে অধিকার হারানোর ঝুঁকি
অনেক সময় মানুষ আইন না জানার কারণে নিজের অধিকার থেকেই বঞ্চিত হয়। যেমন:

জমি নিয়ে বিরোধে দলিল যাচাই না করে বিশ্বাস করা

কর্মস্থলে মজুরি বা ছুটির অধিকার না চেনা

তালাক, উত্তরাধিকার বা খোরপোষ বিষয়ে ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া

২. ✅ ভুল পথে না গিয়ে সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া যায়
আইনি পরামর্শ নেওয়ার মাধ্যমে আপনি:

কাকে মামলা করবেন, কোথায় করবেন

কোন দলিল বা প্রমাণ লাগবে

আদালত ছাড়া সমাধান সম্ভব কি না
তা বুঝে নিতে পারেন।

৩. ✅ সময়, টাকা ও মানসিক চাপ কমে
একটি ভুল মামলা বা ভুল আইনি পদক্ষেপে বছর ধরে মামলা চলতে পারে, টাকা-পয়সা ও মানসিক চাপ বাড়ে। আগেই আইনজীবীর পরামর্শ নিলে তা এড়ানো যায়।

৪. ✅ নাগরিক দায়িত্ব ও সচেতনতা বাড়ে
সচেতন নাগরিক হিসেবে আপনার পরিবার, প্রতিবেশী বা সমাজকে সঠিক পথে পরামর্শ দিতে পারার জন্য নিজেরও আইনি জ্ঞান থাকা প্রয়োজন। এটি সমাজে সুবিচার প্রতিষ্ঠায় সহায়ক।

🎯 কারা আইনি পরামর্শ নিতে পারেন?
জমি বা সম্পত্তি নিয়ে দ্বন্দ্বে পড়া ব্যক্তি

তালাক, খোরপোষ, সন্তানের হেফাজত সংক্রান্ত বিষয়

কর্মস্থলে হয়রানি বা বঞ্চনার শিকার

কোনো ব্যবসা শুরু করার আগে আইনগত দিক জানতে চাওয়া ব্যক্তি

সরকারি/বেসরকারি সেবা নিয়ে ক্ষুব্ধ জনগণ

📌 কোথায় পাওয়া যায় আইনি পরামর্শ?
আইনজীবী চেম্বার বা ফার্ম

জেলা লিগ্যাল এইড অফিস (বিনামূল্যে আইন সহায়তা)

অনলাইন প্ল্যাটফর্ম বা হটলাইন

কনস্যুলেট অফিস (বিদেশে অবস্থানকারীদের জন্য)

🟢
আইনি পরামর্শ শুধু মামলার সময় নয়, জীবনের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে প্রয়োজন—চুক্তি, সম্পত্তি, পরিবার, কর্মসংস্থান বা নাগরিক অধিকার রক্ষায়। সঠিক সময়ে সঠিক আইনজীবীর সহায়তা নিলে আপনি নিজেও সচেতন ও নিরাপদ থাকবেন।

বাংলাদেশে ডিভোর্স সংক্রান্ত জটিলতা ও আইনী পরামর্শ: একটি বাস্তবভিত্তিক বিশ্লেষণযে কোন আইনি পরামর্শের জন্য 01924-863399---...
18/04/2025

বাংলাদেশে ডিভোর্স সংক্রান্ত জটিলতা ও আইনী পরামর্শ: একটি বাস্তবভিত্তিক বিশ্লেষণ
যে কোন আইনি পরামর্শের জন্য 01924-863399
-------------------------
বর্তমানে বাংলাদেশে বিবাহবিচ্ছেদের হার ক্রমেই বাড়ছে, বিশেষ করে শহরাঞ্চলে। এর পেছনে পারিবারিক দ্বন্দ্ব, সামাজিক ও অর্থনৈতিক চাপ, মনের অমিলসহ নানান কারণ কাজ করছে। তবে এর চেয়েও বড় সমস্যা হলো—তালাক প্রক্রিয়ার জটিলতা ও আইনী অজ্ঞতা। অনেক নারী-পুরুষই সঠিক আইনি প্রক্রিয়া জানেন না, যার ফলে তারা হয়রানির শিকার হন বা দীর্ঘদিন মানসিক ও আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত থাকেন।

ডিভোর্স বা তালাকের আইনী কাঠামো (বাংলাদেশ প্রসঙ্গে)
১. মুসলিম ব্যক্তিগত আইন অনুযায়ী (Muslim Family Laws Ordinance, 1961):
পুরুষ কর্তৃক তালাক প্রদানের নিয়ম:
স্বামীকে লিখিতভাবে তালাকনামা দিতে হবে।

তালাক দেওয়ার পর তা তালাক রেজিস্ট্রার (Chairman বা স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ/সিটি কর্পোরেশন)-এর কাছে পাঠাতে হবে।

রেজিস্ট্রার নোটিশ পাওয়ার পর ৯০ দিন (তিন মাস) সময় গণনা শুরু হবে। এই সময়কে 'আইদ্দতকাল' বলা হয়।

এই ৯০ দিনের মধ্যে মার্জ বা পুনর্মিলনের সুযোগ রাখা হয়।

যদি কোনো সমঝোতা না হয়, তবে ৯০ দিন শেষে তালাক কার্যকর হয়।

নারী কর্তৃক তালাক (খুলা বা delegated divorce):
স্বামী তালাকের অধিকার স্ত্রীকে যদি প্রদান করে (তাকদিম), তবে স্ত্রী নিজেও তালাক দিতে পারেন।

এছাড়া, স্ত্রী স্বামীকে তালাক দিতে না চাইলে, তিনি ফ্যামিলি কোর্টে মামলা করে বিচ্ছেদের আবেদন করতে পারেন (খুলা)।

সমসাময়িক জটিলতা ও চ্যালেঞ্জ
১. তালাকের নোটিশ না পাঠানো:
অনেক পুরুষ মৌখিকভাবে বা ফোনে তালাক ঘোষণা করেন, কিন্তু আইন অনুযায়ী নোটিশ না পাঠালে তা অবৈধ ও কার্যকর হয় না। এতে নারী আইনী অনিশ্চয়তায় পড়েন—বিবাহিত না তালাকপ্রাপ্ত, সেটা পরিষ্কার হয় না।

২. নারী পক্ষের হয়রানি ও অনিশ্চয়তা:
বিচ্ছেদের পরও অনেক নারী মাহর, খোরপোষ, সন্তান ভরণপোষণ ইত্যাদি অধিকার পান না, বা তা পেতে দীর্ঘ মামলা করতে হয়।

৩. সামাজিক চাপ ও অপব্যাখ্যা:
ডিভোর্সকে সামাজিকভাবে এখনও একটি নেতিবাচক ও লজ্জাজনক বিষয় হিসেবে দেখা হয়। ফলে অনেক নারী-পুরুষ আইনের সাহায্য না নিয়ে সহ্য করে যান, যা মানসিক স্বাস্থ্য ও মানবাধিকারের পরিপন্থী।

৪. হিন্দু ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের ক্ষেত্রে আইনগত ফাঁক:
বাংলাদেশে হিন্দুদের জন্য এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক “ডিভোর্স আইন” নেই। ফলে হিন্দু নারীরা বিচ্ছেদ চাইলে অনেক বেশি সমস্যার সম্মুখীন হন।

আইনী পরামর্শ ও করণীয়
তালাক বা ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে একজন পারিবারিক আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করুন।

তালাকের রেজিস্ট্রেশন ও নোটিশ পাঠানো বাধ্যতামূলক—তা না হলে তালাক কার্যকর হয় না।

স্ত্রীদের খোরপোষ, মাহর, ভরণপোষণ, সন্তানের হেফাজত ও সম্পত্তির অধিকার সম্পর্কে সচেতন হতে হবে।

ডিভোর্স সংক্রান্ত সমস্যা বা হয়রানি হলে স্থানীয় ফ্যামিলি কোর্টে মামলা করা যায়।

হিন্দু বিবাহ বিচ্ছেদের ক্ষেত্রেও সংবিধান অনুযায়ী মানবাধিকার ও সমতার প্রশ্ন তুলে উচ্চ আদালতে রিট করা যেতে পারে।

----------------
ডিভোর্স একটি সামাজিক বাস্তবতা। এটি যেন একটি সম্মানজনক, ন্যায্য ও আইনসম্মত প্রক্রিয়া হয়, সে জন্য প্রয়োজন আইনী জ্ঞান, সামাজিক সচেতনতা এবং আইনের যথাযথ প্রয়োগ। প্রতিটি নাগরিকের উচিত—নিজের অধিকার জানা, প্রয়োজনে আইনি সহায়তা নেওয়া এবং অন্যায় বা হয়রানির বিরুদ্ধে সাহসের সঙ্গে দাঁড়ানো।

তালাকের পর সন্তান কার কাছে থাকবে: মার কাছে না বাবার কাছে? "আমি কি বাবার কাছে থাকবো, না মায়ের কাছে?"এই প্রশ্নটা শুনলেই যে...
22/03/2025

তালাকের পর সন্তান কার কাছে থাকবে: মার কাছে না বাবার কাছে?

"আমি কি বাবার কাছে থাকবো, না মায়ের কাছে?"
এই প্রশ্নটা শুনলেই যেন একটা কষ্টের অনুভূতি জাগে। তালাক শুধু স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের ইতি নয়; সন্তানের জীবনের হিসাবনিকাশও বদলে দেয়। সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত হয়—সন্তান কার কাছে থাকবে? মায়ের মমতা, না বাবার নিরাপত্তা? ধর্মীয় আইন কী বলে? আর আদালত কীভাবে সিদ্ধান্ত নেয়?

📕একটি বাস্তব গল্প: মীমের বিভক্ত জীবন:

মীমের বয়স মাত্র আট বছর। মা-বাবার বিচ্ছেদের পর সে মায়ের কাছে থাকতে চায়। কিন্তু তার বাবা আদালতে মামলা করেছেন তাকে নিজের কাছে নেওয়ার জন্য। বাবা বলছেন, তিনি আর্থিকভাবে বেশি স্বচ্ছল, ভালো স্কুলে পড়াতে পারবেন। মা বলছেন, "সন্তানের জন্য শুধু টাকা যথেষ্ট নয়, মায়ের ভালোবাসা দরকার।" কোর্টে বিচারক প্রথমে মীমের মতামত শোনেন। শিশুটি চোখ ভেজা গলায় বলে, "আমি মায়ের কাছে থাকতে চাই। বাবা অনেক ভালো, কিন্তু মা ছাড়া আমি থাকতে পারবো না।"
আদালত তার মানসিক স্বাস্থ্য, বয়স এবং ভবিষ্যৎ বিবেচনা করে রায় দেন—মীম মায়ের কাছেই থাকবে, তবে বাবা নিয়মিত দেখা করতে পারবেন এবং সন্তানের খরচ বহন করবেন।
এটা শুধু মীমের গল্প নয়। বাংলাদেশে প্রতি বছর হাজারো শিশু তালাকের কারণে এই জটিল বাস্তবতার মুখোমুখি হয়।

📖এবার আসি ধর্মীয় আইনের দৃষ্টিকোণ এ-

বাংলাদেশে মুসলিম, হিন্দু ও খ্রিস্টান পারিবারিক আইন অনুযায়ী সন্তান কার কাছে থাকবে, তা ভিন্নভাবে নির্ধারিত হয়।

✅মুসলিম আইন: সাধারণত ছেলেশিশু ৭ বছর এবং মেয়েশিশু ৯ বছর পর্যন্ত মায়ের হেফাজতে থাকে।
👉এরপর বাবার অধিকার বেশি, তবে আদালত শিশুর কল্যাণ বিচার করে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

✅হিন্দু আইন:পিতা সন্তানের স্বাভাবিক অভিভাবক হলেও মা আদালতে দাবি করলে হেফাজত পেতে পারেন।
👉সন্তানের কল্যাণের বিষয়টি মূল বিবেচ্য।

✅খ্রিস্টান আইন: পিতাই আইনি অভিভাবক হিসেবে বিবেচিত হন, তবে মায়ের দাবি উপেক্ষা করা হয় না।
👉সন্তানের স্বার্থ দেখেই আদালত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয়।

⚖️আদালত কীভাবে সিদ্ধান্ত নেয়?

আইনগত কাঠামোর বাইরে আদালত সাধারণত শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থ (Best Interest of the Child) ভিত্তিতে রায় দেয়।

🔊কোন বিষয়গুলো বিচারক বিবেচনা করেন?

🧑‍🦰শিশুর বয়স ও মানসিক অবস্থা: মা-বাবার বিচ্ছেদের পর শিশুর মানসিক স্থিতিশীলতা কাদের কাছে নিশ্চিত হবে?

🤵‍♂️/🧕মা-বাবার আর্থিক ও সামাজিক অবস্থান: কে ভালোভাবে লালন-পালন করতে সক্ষম?

🧑‍🦳শিশুর মতামত: যদি শিশুর বয়স ১২ বছরের বেশি হয়, তাহলে তার ইচ্ছাও গুরুত্ব পায়।

🤵/🧕মা-বাবার চরিত্র ও জীবনযাপন: কেউ মাদকাসক্ত, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত কি না, সেটিও বিবেচিত হয়।

📖একটি গবেষণা বলছে, বাংলাদেশে তালাকপ্রাপ্ত দম্পতিদের মধ্যে প্রায় ৭০% ক্ষেত্রে শিশু মায়ের হেফাজতে থাকে। তবে এটি নিশ্চিত নয় যে আদালত সবসময় মায়ের পক্ষ নেবে।

📣তাহলে, সন্তানের অভিভাবকত্ব কার?
আইন বলবে এক কথা, কিন্তু বাস্তবতা বলবে আরেক।
✅মায়ের কাছে থাকার বয়সসীমা নির্ধারিত, কিন্তু শিশুর কল্যাণ দেখেই আদালত সিদ্ধান্ত দেয়।
✅বাবা যদি দায়িত্ববান হন, আদালত তাকে হেফাজত দিতে পারে।
👉শিশুর মানসিক ও শারীরিক কল্যাণই শেষ কথা।

📕তালাক শুধু স্বামী-স্ত্রীর নয়, সন্তানের জীবনকেও গভীরভাবে প্রভাবিত করে। আইন আছে, বিচার আছে, কিন্তু দিনশেষে সবচেয়ে বড় বিষয়—সন্তানের ভালো থাকা। তাই মা-বাবার উচিত নিজেদের ইগোর চেয়ে সন্তানের মঙ্গলের কথা ভাবা।

📢আপনার মতামত কী? আপনি কি মনে করেন, হেফাজতের ক্ষেত্রে মাকে বেশি অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত, নাকি বাবাকেও সমান সুযোগ দেওয়া উচিত? কমেন্টে জানান!

যদি আপনার স্বামী বিদেশ থেকে কোনো দায়িত্ব না নেয় এবং তালাকও না দেয়, তাহলে আপনার কিছু আইনি ও ব্যক্তিগত পদক্ষেপ নেওয়ার সুযো...
02/03/2025

যদি আপনার স্বামী বিদেশ থেকে কোনো দায়িত্ব না নেয় এবং তালাকও না দেয়, তাহলে আপনার কিছু আইনি ও ব্যক্তিগত পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

প্রশ্ন: আমার বিয়ে হয়েছে প্রায় তিন বছর। দুই বছরের একটি ছেলেও আছে। আমার স্বামী প্রায় দুই বছর ধরে বিদেশে থাকে। একরকম সবার অমতে আমাদের বিয়ে হয়েছিল। এই তিন বছরে আমি কখনো আমার স্বামীর বাড়িতে যাইনি। যাইনি বললে ভুল হবে, তারা আমাকে নেয়নি। এমনকি আমার স্বামীও আমাদের খরচ দেয় না। আবার আমাকে তালাকও দিতে চায় না। এ অবস্থায় আমার কী করা উচিত?

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বাংলাদেশে প্রচলিত পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ ১৯৮৫ বলে দাম্পত্য অধিকার পুনরায় প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের বিষয়টি পারিবারিক আদালতের এখতিয়ারে দেওয়া রয়েছে এবং আইনানুযায়ী আদালত ডিক্রি জারি করতে পারেন। আপনার স্বামী যেহেতু কোনো কারণ ছাড়া আপনাকে তাঁর বাড়িতে তুলে নিচ্ছেন না, তাই দাম্পত্য অধিকার দাবি করে আপনি পারিবারিক আদালতে প্রতিকার চাইতে পারেন। যেহেতু আপনার স্বামী কোনো আইনসংগত কারণ ছাড়া আপনার সঙ্গে একত্রে বসবাস বন্ধ করেছেন, সে ক্ষেত্রে স্ত্রী হিসেবে আপনি দাম্পত্য অধিকার চাইতে পারেন এবং স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করতে পারেন।

দাম্পত্য অধিকার উদ্ধারের বিষয়টি সাধারণত আদালতের বিবেচনার ব্যাপার। উভয়ের মধ্যে বিয়ে কার্যকর আছে কি না, তা আদালত দেখতে চাইবেন। এই অধিকার প্রতিষ্ঠায় আপনাকে প্রমাণ করতে হবে যে আপনার স্বামী কোনো কারণ ছাড়াই আপনাকে তুলে নিচ্ছেন না।

এবার আসা যাক ভরণপোষণ বিষয়ে। ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অনুযায়ী, খোরপোষ বা ভরণপোষণ স্ত্রীর আইনগত অধিকার। স্ত্রীর খোরপোষ স্বামীর জন্য বাধ্যতামূলক। স্ত্রী স্বামীর সঙ্গে বসবাস না করেও খোরপোষ দাবি করতে পারেন। যত দিন বিয়ে বলবৎ থাকবে, তত দিনই স্বামী খোরপোষ দিতে বাধ্য থাকবেন। খোরপোষের পরিমাণ নির্ধারণ করার সময় সালিসি পরিষদ স্ত্রীর পরিবারের সামাজিক পদমর্যাদা, স্বামীর উপার্জন এবং অন্যান্য বিষয় বিবেচনা করে খোরপোষের পরিমাণ নির্ধারণ করবে।

ভরণপোষণ আদায়ের জন্য আপনি স্থানীয় চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করতে পারবেন। চেয়ারম্যান বিষয়টি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণের উদ্দেশ্যে একটি সালিসি পরিষদ গঠন করবে। ওই সালিসি পরিষদ স্বামী কর্তৃক খোরপোষ হিসাবে দেয় টাকার পরিমাণ নির্ধারণ করে একটি সার্টিফিকেট ইস্যু করতে পারে। যেকোনো পক্ষ নির্ধারিত পদ্ধতিতে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে ইস্যুকৃত সার্টিফিকেটটি পুনর্বিবেচনার উদ্দেশ্যে সহকারী জজের কাছে আবেদন করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সহকারী জজের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে এবং এর বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না। এরপর এই ভরণপোষণ যথাসময়ে দেওয়া না হলে, এটা বকেয়া রাজস্বের আকারে আদায়যোগ্য হবে।

কোন শর্ত ভঙ্গ করলে, চেয়ারম্যান কর্তৃক সালিসি পরিষদের সিদ্ধান্ত না মানলে এবং আদালতের নিয়ম–নির্দেশ অমান্য করলে স্বামীর বিরুদ্ধে আদালতের আশ্রয় নিতে পারেন স্ত্রী। সন্তানের ভরণপোষণ ও অভিভাবকত্ব মুসলিম আইন ও রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী, বাবাই সন্তানের প্রকৃত অভিভাবক। তাই সন্তানের ভরণপোষণের সব দায়দায়িত্ব হচ্ছে বাবার। সন্তানেরা পারিবারিক আদালতে মামলা করে ভরণপোষণ আদায় করতে পারবে।

সরাসরি অ্যাডভোকেট, 01924-863399whatsapp

29/10/2024

For INCOME TAX RETURN SUBMISSION : আয়কর বর্ষ ২০২৪-২০২৫ এ আয়কর রিটার্ন জমা দিতে আপনার যা যা প্রয়োজন :
ব্যক্তিগত তথ্য :
1. Photocopy of e-TIN certificate.
2. Photocopy of NID
3. Bank statement
4. Last Year Income Tax Return Copy
5. TAX Challan and AIT Documents
চাকুরির তথ্য :
1. Salary certificate.
2. Bank statement from 01-07-2023 to 30-06-2024.
3. Provident Certificate
4. TDS Challan
ব্যবসায়ের তথ্য:
1. ট্রেড লাইসেন্স
2. বার্ষিক ক্রয়-বিক্রয় ও আয় বিবরনী
3. সম্পদ ও দায় বিবরনী
4. ব্যাংক বিবরনী
বিনিয়োগের তথ্য:
1. D.P.S.
2. Insurance certificate
3. Share Market Investment
4. সঞ্চয় পত্র
সম্পদ ও দায় বিবরনীঃ
1. House, Apartment (যদি নিজ নামে ০১/০৭/২০২৩ হতে ৩০/০৬/২০২৪ সময়ের মধ্যে কিনে থাকেন এর দলিলের ফটোকপি)
2. Land, Car, Furniture, Electronics, etc. (যদি নিজের নামে ০১/০৭/২০২৩ হতে ৩০/০৬/২০২৪ সময়ের মধ্যে বিনিয়োগ থাকলে এর ফটোকপি।
3. Bank Loan info. (যদি নিজ নামে হয়)
4. Others Loan (যদি নিজ নামে হয়)

https://www.jaijaidinbd.com/feature/law-and-justice/327258সব শিশুর জন্য সামাজিক ইতিবাচকতার মাইলফলকসন্তানের অভিভাবক হিসেব...
22/10/2024

https://www.jaijaidinbd.com/feature/law-and-justice/327258
সব শিশুর জন্য সামাজিক ইতিবাচকতার মাইলফলক
সন্তানের অভিভাবক হিসেবে মায়ের স্বীকৃতির ঐতিহাসিক রায়

ম অ্যাডভোকেট সিরাজ প্রামাণিক সন্তানের স্বাভাবিক এবং আইনগত অভিভাবক হলেন পিতা। সম্প্রতি শিক্ষাসহ প্রয়োজনীয় সব ফর...

Address

#Chamber (01): Gulfeshan Plaza, Suite No. 12N, 69, Outer Circular Road, ( 8 Shahid Sangbadik Salina Parvin Sarak) Mogbazar Dhaka, #JUDGE COURT: 31, Court House Street, Agarbatti Goli, Choudhary Villa,
Dhaka
1100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Abdus Sobur & Associates posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Abdus Sobur & Associates:

Share