16/07/2020
চলুন জেনে নেই কুরবানীর সর্বপরি জরুরী মাসলা সমূহ ।
-------------------------------------------------------------------------------------
১ নং প্রশ্ন ;
কুরবানী কাদের উপর ওয়াজিব ?
উত্তর :
প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থমস্তিষ্ক সম্পন্ন প্রত্যেক
মুসলিম নর-নারী, যে ১০ যিলহজ্ব ফজর থেকে ১২ যিলহজ্ব সূর্যাস্ত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনের অতিরিক্ত নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হবে তার উপর কুরবানী করা ওয়াজিব।
২নং প্রশ্ন ;
কুরবানির নেসাব কী?
উত্তর ঃ
স্বর্ণের ক্ষেত্রে সাড়ে সাত (৭.৫)ভরি,
রূপার ক্ষেত্রে সাড়ে বায়ান্ন (৫২.৫) ভরি,
টাকা-পয়সা ও অন্যান্য বস্তুুর ক্ষেত্রে নিসাব হল এর মূল্য, তথা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার মূল্যের সমপরিমাণ হওয়া।
আর সোনা বা রূপা কিংবা টাকা-পয়সা এগুলোর
কোনো একটি যদি পৃথকভাবে নেসাব পরিমাণ না থাকে কিন্তু প্রয়োজন অতিরিক্ত একাধিক বস্তু মিলে সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার মূল্যের সমপরিমাণ হয়ে যায় তাহলেও তার উপর কুরবানী করা ওয়াজিব হবে।
৩ নং প্রশ্ন ঃ
নেসাবের মেয়াদ কতদিন ?
উত্তর ঃ
কুরবানীর নেসাব পুরো বছর থাকা জরুরি নয়;
বরং কুরবানীর তিন দিনের মধ্যে যে কোনো দিন
থাকলেই কুরবানী ওয়াজিব হবে।
৪নং প্রশ্ন ঃ
কুরবানী কতদিন করা যাবে?
উত্তর ঃ
মোট তিনদিন কুরবানী করা যায়।
যিলহজ্বের ১০, ১১ ও ১২ তারিখ সূর্যাস্ত পর্যন্ত।
তবে সম্ভব হলে যিলহজ্বের ১০ তারিখেই কুরবানী করা উত্তম। -
৫নং প্রশ্ন ঃ
যদি কোন শিশু নেসাবের মালিক হয় তাহলে কি তার উপর কুরবানি ওয়াজিব হবে ?
উত্তর ঃ
নাবালেগ শিশু-কিশোর তদ্রূপ যে সুস্থমস্তিষ্কসম্পন্ন নয়,সে নেসাবের মালিক হলেও
তাদের উপর কুরবানী ওয়াজিব নয়। অবশ্য তার
অভিভাবক নিজ সম্পদ দ্বারা তাদের পক্ষে কুরবানী করলে তা সহীহ হবে।
৬নং প্রশ্ন ঃ
মুসাফিরের উপর কি কুরবানী ওয়াজিব ?
উত্তর ঃ
যে ব্যক্তি কুরবানীর দিনগুলোতে
মুসাফির থাকবে (অর্থাৎ ৪৮ মাইল বা প্রায় ৭৮
কিলোমিটার দূরে যাওয়ার নিয়তে নিজ এলাকা ত্যাগ করেছে) তার উপর কুরবানী ওয়াজিব নয়।
৭নং প্রশ্ন ঃ
নাবালেগের পক্ষ থেকে কি কুরবানী দিতে হবে ?
উত্তর ঃ
নাবালেগের পক্ষ থেকে কুরবানী দেওয়া অভিভাবকের উপর ওয়াজিব নয়; বরং মুস্তাহাব।
৮নং প্রশ্ন ঃ
দরিদ্র ব্যক্তির কুরবানীর হুকুম কী?
উত্তর ঃ
দরিদ্র ব্যক্তির উপর কুরবানী করা ওয়াজিব নয়; কিন্তু সে যদি কুরবানীর নিয়তে কোনো পশু কিনে
তাহলে তা কুরবানী করা ওয়াজিব হয়ে যায়।
৯নং প্রশ্ন ঃ
যদি কেহ কুরবানীর দিনগুলোতে কুরবানি করতে না পারে ?
উত্তর ঃ
কেউ যদি কুরবানীর দিনগুলোতে ওয়াজিব কুরবানী দিতে না পারে, আর যদি সে কোরবানির পশু ক্রয় না করে থকে তাহলে কুরবানীর উপযুক্ত একটি ছাগল বা তার মূল্য সদকা করে দিবে,
আর যদি পশু ক্রয় করে থাকে তাহলে ঐ পশুই
জীবিত সদকা করে দিবে।
১০নং প্রশ্ন ঃ
প্রথম দিন কখন থেকে কুরবানী করা যাবে?
উত্তর ঃ
যেসব এলাকার লোকদের উপর
জুমা ও ঈদের নামায ওয়াজিব তাদের জন্য ঈদের নামাযের আগে কুরবানী করা জায়েয নয়। অবশ্য বৃষ্টিবাদল বা অন্য কোনো ওজরে যদি প্রথম দিন ঈদের নামায না হয় তাহলে ঈদের নামাযের সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর প্রথম দিনেও কুরবানী করা জায়েয।
১১নং প্রশ্ন ঃ
রাতে কী কুরবানী করা যাবে?
উত্তর ঃ
হুম ১০. ১০ ও ১১ তারিখ দিবাগত রাতেও কুরবানী করা জায়েয। তবে দিনে কুরবানী করাই ভালো।
১২নং প্রশ্নঃ
কুরবানীর ক্রয়কৃত পশু সময়ের পর যবাই
করলে এর হুকুম কি?
উত্তর ঃ
যদি কুরবানীর দিনগুলোতে জবাই
করতে না পারে তাহলে খরিদকৃত পশুই সদকা করে দিতে হবে।তবে যদি(সময়ের পরে) জবাই করে ফেলে তাহলে পুরো গোশত সদকা করে দিতে হবে। এক্ষেত্রে গোশতের মূল্য যদি জীবিত পশুর চেয়ে কমে যায় তাহলে যে পরিমাণ মূল্য
হ্রাস পেল তা-ও সদকা করতে হবে।
১৩নংপ্রশ্ন ঃ কোন কোন পশু দ্বারা কুরবানী করা যাবে?
উত্তর ঃ
উট, গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা দ্বারা কুরবানী করা জায়েয। এসব গৃহপালিত পশু
ছাড়া অন্যান্য পশু যেমন হরিণ, বন্যগরু ইত্যাদি দ্বারা কুরবানী করা যাবে।
১৪নং প্রশ্ন ঃ
কুরবানীর পশুর বয়সসীমা কত?
উত্তর ঃ
উট কমপক্ষে ৫ বছরের হতে হবে।
গরু ও মহিষ কমপক্ষে ২ বছরের হতে হবে। আর ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা কমপক্ষে ১ বছরের হতে হবে। তবে ভেড়া ও দুম্বা যদি ১ বছরের কিছু কমও হয়, কিন্তু এমন হৃষ্টপুষ্ট হয় যে, দেখতে ১
বছরের মতো মনে হয় তাহলে তা দ্বারাও কুরবানী করা জায়েয। অবশ্য এক্ষেত্রে কমপক্ষে ৬ মাস বয়সের হতে হবে। উল্লেখ্য, ছাগলের বয়স ১ বছরের কম হলে কোনো অবস্থাতেই তা দ্বারা কুরবানী জায়েয হবে না।
১৫নং প্রশ্ন ঃ
কোন পশুতে কয়টি নাম দেওয়া যাবে ?
একটি ছাগল, ভেড়া বা দুম্বা দ্বারা শুধুএকজনই কুরবানী দিতে পারবে।
আর উট,গরু, মহিষে সর্বোচ্চ সাত জন শরীকহতে পারবে, সাতের অধিক শরীক হলে কারো কুরবানী সহীহ হবে না।
১৬নং প্রশ্ন ঃ
কোন অংশীদারের গলদ নিয়ত থাকলে বাকিদের কুরবানি কি সমস্যা হবে ?
উত্তর ঃ
হুম যদি কেউ আল্লাহ তাআলার হুকুম পালনের উদ্দেশ্যে কুরবানী না করে শুধু গোশত খাওয়ার
নিয়তে কুরবানী করে তাহলে তার কুরবানী সহীহ হবে না। তাকে অংশীদার বানালে শরীকদের কারো কুরবানী হবে না। তাই অত্যন্ত সতর্কতার সাথে শরীক নির্বাচন করতে হবে।
১৭নং প্রশ্ন ঃ
কুরবানীর পশুতে আকীকা করা যাবে কি?
উত্তর ঃ
হ্যাঁ কুরবানীর গরু, মহিষ ও উটে আকীকার
নিয়তে শরীক হতে পারবে। এতে কুরবানী ও আকীকা দুটোই সহিহ হবে।
১৮নং প্রশ্ন ঃ
শরীকদের কারো পুরো বা অধিকাংশ উপার্জন যদি হারাম হয় তাহলে বাকিদের কুরবানি কি সমস্যা হবে?
উত্তর ঃ হুম বাকিদের কোরবানিও নষ্ট হয়ে যাবে।
১৯নং প্রশ্ন ঃ
কেমন পশু কুরবানী দেওয়া উত্তম?
উত্তর ঃ
কুরবানীর পশু হৃষ্টপুষ্ট হওয়া উত্তম।
২০নং প্রশ্ন ঃ
রুগ্ন ও দুর্বল পশুর দ্বারা কুরবানী হবে কী ?
উত্তর ঃ
এমন শুকনো দুর্বল পশু, যা জবাইয়ের স্থান
পর্যন্ত হেঁটে যেতে পারে না তা দ্বারা কুরবানী করা
জায়েয নেই।
২১নং প্রশ্ন ঃ
দাঁত ও শিং নেই এমন পশু দ্বারা কুরবানী হবে কী?
উত্তর ঃ
যে পশুর একটি দাঁতও নেই বা এত বেশি দাঁত
পড়ে গেছে যে, ঘাস বা খাদ্য চিবাতে পারে না ও
যে পশুর শিং একেবারে গোড়া থেকে ভেঙ্গে গেছে, যে কারণে মস্তিষ্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সে পশুর কুরবানী জায়েয নয়।
২২নং প্রশ্ন ঃ
পশুর বয়সের ব্যাপারে বিক্রেতার কথা কি গ্রহণ করা যাবে?
উত্তর ঃ
যদি বিক্রেতা কুরবানীর পশুর বয়স পূর্ণ হয়েছে বলে স্বীকার করে আর পশুর শরীরের অবস্থা
দেখেও তাই মনে হয় তাহলে বিক্রেতার কথার উপর নির্ভর করে পশু কেনা এবং তা দ্বারা কুরবানী করা যাবে।
২৩নং প্রশ্ন ঃ
কুরবানীর পশু থেকে কি উপকৃত হওয়া যাবে ?
উত্তর ঃ
কুরবানীর পশু কেনার পর বা নির্দিষ্ট করার পর তা থেকে উপকৃত হওয়া জায়েয নয়। যেমন হালচাষ
করা, আরোহণ করা, পশম কাটা ইত্যাদি।সুতরাং কুরবানীর পশু দ্বারা এসব করা যাবে না। যদি করে তবে পশমের মূল্য, হালচাষের মূল্য ইত্যাদি সদকা করে দিবে।
২৪নং প্রশ্ন ঃ
কুরবানীর পশুর দুধ পান করা যাবে কী?
উত্তর
না কুরবানীর পশুর দুধ পান করা যাবে না। যদি
জবাইয়ের সময় আসন্ন হয় আর দুধ দোহন না করলে পশুর কষ্ট হবে না বলে মনে হয় তাহলে দোহন করবে না। প্রয়োজনে ওলানে ঠান্ডা পানি ছিটিয়ে দেবে। এতে দুধের চাপ কমে যাবে। যদি দুধ দোহন করে ফেলে তাহলে তা সদকা করে দিতে হবে। নিজে পান করে থাকলে মূল্য
সদকা করে দিবে।
২৫নং প্রশ্ন ঃ
পশু জবাইয়ের পূর্বে যদি কোনো শরীক মৃত্যু বরং করে?
উত্তর ঃ
কয়েকজন মিলে কুরবানী করার ক্ষেত্রে জবাইয়ের আগে কোনো শরীকের মৃত্যু হলে তার
ওয়ারিসরা যদি মৃতের পক্ষ থেকে কুরবানী করার
অনুমতি দেয় তবে তা জায়েয হবে। নতুবা ওই শরীকের টাকা ফেরত দিতে হবে। অবশ্য তার
স্থলে অন্যকে শরীক করা যাবে।
২৬নং প্রশ্ন ঃ
মৃতের পক্ষ থেকে কুরবানী করা যাবে?
উত্তর ঃ
হুম মৃত ব্যাক্তির পক্ষ থেকে কুরবানী করা
জায়েয। মৃত ব্যক্তি যদি ওসিয়ত না করে থাকে তবে সেটি নফল কুরবানী হিসেবে গণ্য হবে। কুরবানীর স্বাভাবিক গোশতের মতো তা নিজেরাও খেতে পারবে এবং আত্মীয়-স্বজনকেও দিতে পারবে। আর যদি মৃত ব্যক্তি কুরবানীর ওসিয়ত করে গিয়ে থাকে তবে এর গোশত নিজেরা খেতে পারবে না। গরীব-মিসকীনদের মাঝে সদকা করে দিতে হবে।
২৭নং প্রশ্ন ঃ
কুরবানীর গোশত ফ্রিজে বা শুকিয়ে জমিয়ে রাখা যাবে কী?
উত্তর ঃ
হুম কুরবানীর গোশত ফ্রিজে ও শুকিয়ে জমিয়ে রেখে খাওয়া জায়েয।
২৮নং প্রশ্ন ঃ
কুরবানীর গোশত কি ভাবে বণ্টন করা হবে?
উত্তর ঃ
শরীকে কুরবানী করলে ওজন করে গোশত বণ্টন করতে হবে। অনুমান করে ভাগ করা জায়েয নয়।
আর কুরবানীর গোশতের এক তৃতীয়াংশ গরীব
মিসকীনকে এবং এক তৃতীয়াংশ আত্মীয়-স্বজন
ও পাড়া-প্রতিবেশীকে দেওয়া উত্তম।
অবশ্য পুরো গোশত যদি নিজে রেখে দেয় তাতেও কোনো অসুবিধা নেই।
২৯নং প্রশ্ন ঃ
কুরবানীর পশুর গোশত, চর্বি বিক্রি করা বা কশাইকে বিনিময় হিসেবে দেওয়া যাবে কী?
উত্তর ঃ
কুরবানীর গোশত, চর্বি ইত্যাদি
বিক্রি করা জায়েয নয়। বিক্রি করলে পূর্ণ মূল্য সদকা করে দিতে হবে। আর জবাইকারী বা কসাই বা কাজে সহযোগিতাকারীকে চামড়া, গোশত বা কুরবানীর পশুর কোনো কিছু পারিশ্রমিক হিসেবে দেওয়া জায়েয হবে না। অবশ্য পূর্ণ পারিশ্রমিক দেওয়ার পর পূর্বচুক্তি ছাড়া হাদিয়া হিসাবে গোশত বা তরকারী দেওয়া যাবে।
৩০নং প্রশ্ন ঃ
কুরবানির গোস্তো হিন্দু বা বিধর্মীদের দেওয়া যাবে কী?
উত্তর ঃ
হুম কুরবানীর গোশত হিন্দু ও অন্য
ধর্মাবলম্বীকে দেওয়া যাবে।
৩১নং প্রশ্ন ঃ
কুরবানীর পশু চুরি বা মরে গেলে কী করবো ?
উত্তর ঃ
কুরবানীর পশু যদি চুরি হয়ে যায় বা মরে
যায় আর কুরবানীদাতার উপর পূর্ব থেকে কুরবানী ওয়াজিব থাকে তাহলে আরেকটি পশু কুরবানী করতে হবে।
গরীব হলে (যার উপর কুরবানী ওয়াজিব নয়)
তার জন্য আরেকটি পশু কুরবানী করা ওয়াজিব নয়।
৩২নং প্রশ্নঃ সুদের টাকা দিয়ে কে কুরবানী হবে?
উত্তর ঃ
কুরবানী ওয়াজিব এমন ব্যক্তিওঋণের টাকা দিয়ে কুরবানী করলে ওয়াজিব আদায় হয়ে যাবে।
তবে সুদের উপর ঋণ নিয়ে কুরবানী করা যাবে না।
৩৩নং প্রশ্ন ঃ
নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লামের পক্ষ থেকে কুরবানী করা যাবে ?
উত্তর ঃ
সামর্থ্যবান ব্যক্তির রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পক্ষ থেকে কুরবানী করা উত্তম। এটি বড় সৌভাগ্যের বিষয়ও বটে। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আলী
রা.কে তার পক্ষ থেকে কুরবানী করার ওসিয়্যত
করেছিলেন। তাই তিনি প্রতি বছর রাসূলুল্লাহ
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পক্ষ থেকেও
কুরবানী দিতেন।
৩৪নং প্রশ্ন ঃ
বিদেশে অবস্থানরত লোকদের কুরবানী কি অন্যত্রে করা যাবে ?
উত্তর ঃ
হুম বিদেশে অবস্থানরত ব্যক্তির জন্য নিজ দেশে বা অন্য কোথাও কুরবানী করা জায়েয।
৩৫নং প্রশ্ন ঃ
কুরবানীর চামড়া কী কী করা যাবে?
উত্তর ঃ
যদি চায় তাহলে সে নিজেও ব্যবহার করতে পারবে। তবে কেউ যদি নিজে ব্যবহার
না করে বিক্রি করে তবে বিক্রিলব্ধ মূল্য পুরোটা সদকা করে দিতে হবে।
৩৬নং প্রশ্ন ঃ
কুরবানীর পশুতে আকীকা বা হজ্জের কুরবানীর নিয়্যাত করা যাবে?
উত্তর ঃ
হুম এক কুরবানীর পশুতে আকীকা ও হজ্বের
কুরবানীর নিয়ত করা যাবে। এতে প্রত্যেকের নিয়তকৃত ইবাদত আদায় হয়ে যাবে।
৩৭নং প্রশ্ন ঃ
ঈদের দিন কুরবানীর গোশত দিয়ে খানা শুরু করার ফজিলত কী ?
উত্তর ঃ
ঈদুল আযহার দিন সর্বপ্রথম নিজ কুরবানীর গোশত দিয়ে খানা শুরু করা সুন্নত। অর্থাৎ সকাল
থেকে কিছু না খেয়ে প্রথমে কুরবানীর গোশত খাওয়া সুন্নত। এই সুন্নত শুধু ১০ যিলহজ্বের জন্য।১১ বা ১২ তারিখের গোশত দিয়ে খানা শুরু করা সুন্নত নয়।
আল্লাহ আমাদের সহিহ মাসলা মাসায়েল জেনে আমল করার তাওফিক দান করুন,।
মোহাম্মদ মুমিনুল ইসলাম
নওগাঁ জেলা সদর।