Simplicity Sketch

Simplicity Sketch forever comfortable Design.

10/08/2025

একটি সয়েল টেস্টিং সেটে কোন কোন পরীক্ষাগুলো সাধারণত পাওয়া যায় ও কিভাবে করা হয়?
• সয়েল ক্লাসিফিকেশন
• পার্টিকেল সাইজ ডিস্ট্রিবিউশন
• ময়েশ্চার কন্টেন্ট ডিটারমিনেশন
• স্পেসিফিক গ্র্যাভিটি
• লিকুইড লিমিট আর প্লাস্টিক লিমিট টেস্ট
• ময়েশ্চার কন্টেন্ট
• পার্টিকেল সাইজ আর স্পেসিফিক গ্র্যাভিটি টেস্ট
সাধারণত সয়েল টেস্টিং করার জন্য আলাদা কোম্পানি থাকে। অনেক ক্ষেত্রে জমির সার্ভে কোম্পানি লাইসেন্স থাকা সাপেক্ষে এটি করতে পারে। আপনি আপনার জমির নকশায় নিযুক্ত স্থপতি ও প্রকৌশলীর কাছ থেকে এরকম দক্ষ কোম্পানির সন্ধান পেতে পারেন। বাংলাদেশে জমির মাটি পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি যে পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় তার নাম 'ওয়াশ বোরিং' পদ্ধতি। এখানে যা যা করা হয় তা অনেকটা এরকম:-

পানির সাহায্যে দুই ইঞ্চি ব্যাসের একটি নলকে চাপ প্রয়োগ করে মাটিতে প্রবেশ করানো হয়।
• প্রতি পাঁচ ফুট বা দেড় মিটার পর পর ঘাত সংখ্যা ও মাটির নমুনা সংগ্রহ করা হয়।
• প্রতি পাঁচ ফুট পর পরবর্তী দেড় ফুট পাইপ মাটির অভ্যন্তরে প্রবেশ করাতে যে পরিমাণ আঘাত করতে হয়, তা সাধারণত বিবেচনায় নেয়া হয়
না। এর পরের ১২ ইঞ্চি মাটির ভিতরে পাইপ প্রবেশ করাতে প্রয়োজনীয়
আঘাতের সংখ্যাকেই বলা হয় N এর সাধারণত N এর মান ১৫ এর কম হয়ে থাকে। তবে ১৫ এর বেশি হলে মাটি শক্ত বলে বিবেচনা করা হয়। N এর মান অনুসারে মাটির ভার বহন ক্ষমতা অনেকটা এরকম:

N এর মান মাটি সম্পর্কে মন্তব্য ২ বা কম খুবই নরম
৫-৯
মাঝারি ৯-১৭ শক্ত মাটি ১৭-৩৩ খুবই শক্ত মাটি ৩৩ বা উপরে কঠিন মাটি।
মাটির ভার বহন ক্ষমতা
২-৫ টন/প্রতি বর্গ মিটারে
৫-১০ টন/প্রতি বর্গ মিটারে
১০-২০ টন/প্রতি বর্গ মিটারে
২০-৪০ টন/প্রতি বর্গ মিটারে
৪০ টন/প্রতি বর্গ মিটারে বা বেশি।

জমির মালিক হিসাবে সচেতন থাকা উচিৎ যেন জমির মাপ অনুসারে সুষমভাবে সঠিক সংখ্যায় বোরিং হোল করার মাধ্যমে সয়েল টেস্ট এর মান নিয়ন্ত্রণ করা হয়। জমির মাপ অনুসারে বোরিং হোলের সংখ্যা হবে:
জমির মাপ

বোরিং হোলের সংখ্যা ৩টি তিন কাঠা পর্যন্ত।
তিন থেকে পাঁচ কাঠার মধ্যে ৫টি পাঁচ থেকে ১০ কাঠার মধ্যে
১০ কাঠার উপরে ৮টি ১২টি

স্বাভাবিকভাবে কিছু বিষয় সয়েল টেস্টার বা সার্ভেয়ার খেয়াল ?
স্বাভাবিকভাবে কিছু বিষয় সয়েল টেস্টার বা সার্ভেয়ার খেয়াল রাখছেন কিনা তাও নিশ্চিত হয়ে নিন।
• চাপ প্রয়োগকারী হাতুড়ির ওজন ৬৩.৫ কেজি হতে হবে।
• কমপক্ষে ৩০ ইঞ্চি উচ্চতা থেকে এটিকে আঘাতের সময় নামিয়ে আনতে হবে।

24/07/2025

ম্যাট ফাউন্ডেশন কি? এবং লক্ষ্যনীয় বিষয় সমূহঃ-
----------------------------------------------------------------------
📝ম্যাট_ফাউন্ডেশনঃ-
যখন বিল্ডিং এর সবগুলো কলাম কে একটি মাত্র ফুটিং দ্বারা সংযুক্ত করা হয় তখন তাকে ম্যাট বা র‍্যাফট ফাউন্ডেশন বলা হয়ে থাকে।
সাধারণত মাটির ভার বহন ক্ষমতা খুব কাছাকাছি না পাওয়া গেলে এবং সতন্ত্র ফুটিং ডিজাইনের ক্ষেত্রে বিল্ডিং এরিয়ার সিংহভাগ জায়গা সতন্ত্র ফুটিং কর্তিক দখলের সম্ভাবনা থাকলে এ ফাউন্ডেশন ডিজাইন করা হয়।

📝 কাজ চলাকালীন লক্ষ্যনীয়ঃ-
১। সর্ব প্রথম ড্রইং অনুযায়ী নির্দিষ্ট পুরুত্বের C.C. ঢালাই করতে হবে।
২। ৭-১০ দিন কিউরিং করতে হবে।
৩। রডের ডাবল জালি/নেট ব্যাবহার করা হলে, মাটির উর্দ্ধমূখী চাপের দরুন, নিচের নেটে লং বার নিচে শর্ট বার উপরে, উপরের নেটে শর্ট বার নিচে লং বার উপরে।
৪। দুইটি নেট ব্যাবহার করলে নেট দুটিকে পরস্পর পৃথক করার জন্য এদের মাঝে রিইনফোর্সমেন্ট চেয়ার ব্যাবহার করতে হবে।
৫। ল্যাপিং এর ক্ষেত্রে ড্রয়িং অনুসরন করতে হবে।
৬। প্রত্যেক পার্শ্বে ক্লিয়ার কভার ৩'' অথবা ড্রয়িং ফলো করতে হবে।
৬। বারগুলোর ডায়া এবং স্পেসিং চেক দিতে হবে।
৭। পাইলের রড বের হয়ে থাকলে তা কেটে দিতে হবে অথবা বেইজমেন্ট রডের সাথে বেকে দিয়ে কাস্টিং করা যেতে পারে।
৮। R.C.C. Wall থাকলে ওয়াল এর রড গুলো এবং রডের মাটাম ড্রয়িং অনুযায়ী চেক করতে হবে। ওয়াল এ দুইটি লেয়ার এ রড ব্যাবহার করার জন্য সেপারেটর দিতে হবে। অবশ্যই ফেসবার ব্যাবহার করতে হবে।
৯। ফাউন্ডেশন এবং কংক্রিট ওয়ালের জয়েন্টের স্থান সতর্কতার সাথে ঢালাই করতে হবে, যাতে কোনভাবে ভবিষ্যতে পানি চুয়ানোর সম্ভাবনা না থাকে।
১০। ঢালাইয়ের রেশিও ইঞ্জিনিয়ারের পরামর্শ বা ড্রইং অনুযায়ী ফলো করতে হবে।
১১। কলামের সেন্টার লাইন যথাযথভাবে চেক করে নিতে হবে।
১২। পুরুত্ব অনেক বেশি হলে কংক্রিট দুই লেয়ারে ঢালাই করতে হবে।
১৩। ২১-২৮ দিন পর্যন্ত কিউরিং করতে হবে।

18/06/2025

একটি বিল্ডিং এর পুরো কাজকে যেভাবে ভাগ করবেন।

১. গঠন = ৩৫%
২। ইটের কাজ = 6%
৩। কাঠের কাজ = ৫%
৪. মেটাল কাজ = 2%
৫। প্লাম্বিং এবং স্যানিটারি = 6%
৬. বৈদ্যুতিক কাজ = 7%
৭. প্লাস্টারের কাজ = ৪%
৮. সাধারণ ফ্লোরের টাইলসের কাজ = 6%
৯। টয়লেট এবং কিট ওয়াল টাইলস কাজ = 3%
১০। অ্যালুমিনিয়ামের কাজ = ৪%
১১। ইএমই (লিফটের, জেনারেটর, সাবস্টেশন) = 10%
১২. রং এর কাজ = 3%
১৩। অন্যান্য নাগরিক কাজ = 6%
১৪। ইউটিলিটি সংযোগ এবং বিল = 3%
মোট = ১০০%

✪ শক্তি ~ ৩৫%
- ফুটিং এবং কলাম প্যাডেস্টাল = 20%
- গ্রেড বিম, ইউজিডব্লিউআর টপ স্ল্যাব = 5%
- GF কলাম, সিঁড়ি ইত্যাদি = 4%
- 1ম ফ্লোর স্ল্যাব = 9%
- সাধারণ মেঝে কলাম (5x3%) = 15%
- ২য় তলা স্ল্যাব থেকে ছাদ স্ল্যাব (৫x৮) = ৪০%
- ছাদের টপ = ৭%
TOTAL = 100% (৩৫% যেভাবে আসবে।)

✪ ব্রিক ওয়ার্ক ~ 6%
- GF ইটের কাজ = 6%
- ১ম তলা ইটের কাজ = ১৮%
- ২য় তলা ইটের কাজ = ১৮%
- ৩য় তলা ইটের কাজ = ১৮%
- ৪র্থ তলা ইটের কাজ = ১৮%
- ৫ম তলা ইটের কাজ = ১৮%
-ছাদের টপ ইটের কাজ = ৪%
TOTAL = 100% (৬% যেভাবে হবে।)

✪ কাঠের কাজ ~ 5%
- দরজার ফ্রেম = 40%
- প্রধান দরজা শাটার = 15%
- পারটেক্স ডোর শাটার = ৩৫%
- বিড়ালের দরজা এবং আনুষাঙ্গিক = 10%
TOTAL = 100% (৫% যেভাবে হবে)

✪ মেটাল কাজ ~ 2%
- জানালার গ্রিল = ৫৫%
- ভেরান্দা রেলিং = ২০%
- সিঁড়ি রেইলিং = 10%
- প্রধান দরজা, জেন-সাব, সেফটি গ্রিল = 15%
TOTAL = 100% (২% যেভাবে হবে।)

✪ প্লেম্বিং এবং সেনিটারি কাজ~ 6%
- ইউপিভিসি উল্লম্ব লাইন ডাক্ট থেকে = ২৫%
- জিআই লাইনের কাজ = 30%
- ফিক্সচার এবং ফিটিং = 40%
- নিচ তলা = ৫%
TOTAL = 100% (৬% যেভাবে হবে।)

✪ ইলেকট্রিক্যাল~ 7%
- স্ল্যাবের ভিতরে আটকে রাখা = ১০%
- ওয়ালে তৈরি করা হচ্ছে আই/সি এমকে বক্স=১৫%
- ক্যাবলিং এর কাজ = 55%
- সুইচ-সকেট = 20%
TOTAL = 100% (৭% যেভাবে হবে।)

✪ প্লাস্টার ~ ৪%
- সিলিং প্লাস্টার = ২০%
- অভ্যন্তরীণ ওয়াল প্লাস্টার = ৫০%
- বাইরের প্লাস্টার/ইটের মুখোমুখি = 30%
TOTAL = 100% (৪% যেভাবে হবে।)

✪ সাধারণ ফ্লোরের টাইলস ~ 6%
- সাধারণ মেঝে এবং ভেরান্দা = 75%
- সিঁড়ি, সাধারণ লবি এবং লিফট প্রাচীর = 20%
- GF লিফট লবি, দেয়াল, অভ্যর্থনা = 5%
TOTAL = 100% (৬% যেভাবে হবে।)

✪ টয়লেট ও কিট ওয়াল টাইলস ~ 3%
- বাথ ওয়াল = ৬০%
- রান্নাঘরের দেয়াল = ২০%
- বাথ ফ্লোর = 9%
- বাথ কাউন্টার টপ = ৪%
- রান্নাঘরের মেঝে = 3%
- কিচেন কাউন্টার টপ =৪%
TOTAL = 100% (৩% যেভাবে হবে।)

✪ অ্যালুমিনিয়াম কাজ ~ ৪%
- আউটার ফ্রেমিং- উইন্ডো স্লাইডিং = 40%
- গ্লাস শাটার- জানালা স্লাইডিং = 30%
- ভেরান্দা স্লাইডিং = ২০%
- টয়লেট উচ্চ জানালা = 5%
- কমন এলাকা = 5%
TOTAL = 100% (৪% যেভাবে হবে।)

✪ EME ~ 10%
- লিফট = ৫০%
- জেনারেটর = ২৫%
- সাবস্টেশন = ২০%
- PABX, অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ইত্যাদি = 5%
TOTAL = 100% (১০% যেভাবে হবে।)

✪ পেইন্টের কাজ ~ 3%
- পুটি পর্যন্ত = 40%
- অভ্যন্তরীণ দেয়াল এবং সিলিং 1ম কোট = 20%
- অভ্যন্তরীণ দেয়াল এবং সিলিং ২য় কোট = 15%
- বাইরের রঙ/সিরামিক টাইটস = ২৫%
TOTAL = 100% (৩% যেভাবে হবে।)

✪ অন্য পৌর কাজ ~ 6%
- সীমানা প্রাচীর = 30%
- লাইন টেরেসিং/ ছাদ টপ পেভার = 15%
- লোগো, বাগান পরিচর্যা এবং অন্যান্য = ৪%
- GF BBC = 14%
- জিএফ পেভমেন্ট এবং ফুটপাথ দেব = ১০%
- লিন্টেল, এফ/ স্ল্যাব, ড্রপ ওয়াল, কাউন্টার ল্যাব = ২০%
- কেবল ট্রে = 1%
- স্যানিটারি ডাক্ট কভার, সিলিং ইত্যাদি = ৪%
- রিসেপশন ডেস্ক, লেটার বক্স = 2%
TOTAL = 100% (৬% যেভাবে হবে।)

✪ ইউটিলিটি সংযোগ এবং বিল ~ 3%
- ডেসা/ডিসকো = ৩৫%
- তিতাস = ২০
- ওয়াসা = 15%
- ইউটিলিটি বিল = 30%
TOTAL = 100% (৩% যেভাবে হবে।)

(সংগৃহীত)

18/06/2025

বাড়ি তৈরির হিসাব

২০২৫ সালের একটি বাড়ি তৈরি করতে গেলে কত টাকা খরচ হতে পারে তার একটি হিসাব দেব। অনেক সময় বাড়ির ডিজাইনের উপর বা বাড়ির তৈরির স্থানের উপর বাড়ির নির্মাণ খরচ কম-বেশি হতে পারে। তবে আমি আপনাদেরকে একটি মোটামুটি ধারণা দেব যে একটি বাড়ি তৈরি করতে গেলে আনুমানিক কত টাকা খরচ হতে পারে। আশা করি, আপনারা এই ফলাফলের মাধ্যমে আপনার বাড়ি তৈরির হিসাব বের করতে পারবেন।

বাড়ি তৈরির হিসাব

বাড়ি তৈরির প্রথম ধাপ হলো বাজেট নির্ধারণ। বাজেটের মধ্যে নির্মাণের সমস্ত খরচ অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

১) ভূমি খরচ

বাড়ি তৈরি করার জন্য প্রথমে জমির প্রয়োজন। যদি আপনার জমি না থাকে, তাহলে আপনাকে জমি কিনে নিতে হবে। আর যদি জমি থেকে থাকে, তাহলে জমির মূল্য এখানে যোগ হবে না; এখানে শুধু বিল্ডিং বা নির্মাণের খরচ যোগ হবে।

২) নকশা খরচ

বাড়িটি কয় তলা হবে এবং বাড়ির ডিজাইন কেমন হবে, তার ওপর বাড়ির ডিজাইন খরচ নির্ভর করে। যদি কম খরচে বাড়ির ডিজাইন করতে চান, সেক্ষেত্রে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। আমরা কম খরচে সমগ্র বাংলাদেশে ডিজাইন করে থাকি। আমাদের ফোন নম্বর: ০১৭৭৫২০২৯২০

৩) নির্মাণ খরচ

একতলা বাড়ি বা ডুপ্লেক্স বাড়ির জন্য প্রতি স্কয়ার ফিট ২২০০ টাকা থেকে ২৫০০ টাকার মতো খরচ হতে পারে, যা স্থান এবং বাড়ির ডিজাইন অনুযায়ী কম-বেশি হতে পারে।
যদি ধরি, একটি ডুপ্লেক্স বাড়ির মোট স্কয়ার ফিট হচ্ছে ১৫০০ স্কয়ার ফিট। তাহলে হিসাব হবে:
১৫০০ × ২২০০ = ৩,৩০,০০০ টাকা।

অর্থাৎ, ডুপ্লেক্স বাড়িটি তৈরি করতে প্রায় ৩৩ লক্ষ টাকা খরচ হবে।

আবাসিক ৩ তলা থেকে ৬ তলা পর্যন্ত বাড়ির নির্মাণ প্রতি বর্গ ফুট এ সর্বনিম্ন ২৫০০ থেকে ২৮০০ টাকা খরচ হয়।
আবাসিক ৭ তলা থেকে ৮ তলা পর্যন্ত বাড়ির নির্মাণ প্রতি বর্গ ফুট এ সর্বনিম্ন ২৭০০ থেকে ৩০০০ টাকা খরচ হয়।
আবাসিক ৯ তলা থেকে ১০ তলা পর্যন্ত বাড়ির নির্মাণ প্রতি বর্গ ফুট এ সর্বনিম্ন ৩০০০ থেকে ৩৫০০ টাকা খরচ হয়।
৪) অতিরিক্ত খরচ

এর মধ্যে ইলেকট্রিসিটি, প্লাম্বিং, ইন্টেরিয়র ডিজাইন, আসবাবপত্র এবং অন্যান্য খরচ অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। সাধারণত এটি ১০-১৫% হয়ে থাকে।

বাড়ি নির্মাণ খরচ বা বাড়ি তৈরির হিসাব

আমরা ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে প্রতি স্কয়ার ফিটে কত টাকা খরচ হবে, তার যদি আরো বিস্তারিত হিসাব বের করতে চাই, মানে কোন খাতে কত টাকা খরচ হবে। আমরা যে একটি প্রাথমিক হিসাব করেছিলাম যে ১৫০০ স্কয়ার ফিট বাড়ির জন্য ৩৩ লাখ টাকা খরচ পড়বে, তা কোন খাতে কত টাকা খরচ পড়বে, তার একটা ডেমো আমরা নিচে প্রকাশ করছি।

ভিত্তি ও কাঠামো = ৩৫% (১,১৫৫,০০০ টাকা)
ইটের কাজ = ১০% (৩৩০,০০০ টাকা)
ফ্রেম ও কাঠের কাজ = ৫% (১৬৫,০০০ টাকা)
প্লাস্টার = ৪% (১৩২,০০০ টাকা)
টাইলস ও ফ্লোর সংক্রান্ত কাজ = ৭% (২৩১,০০০ টাকা)
বৈদ্যুতিক ও সেনেটারী সরঞ্জামাদি = ৬% (১৯৮,০০০ টাকা)
রঙ এর কাজ = ৩% (৯৯,০০০ টাকা)
রান্নঘর ও টয়লেট এর সাজসজ্জা = ৩% (৯৯,০০০ টাকা)
অ্যালুমিনিয়াম ও জানালার ফ্রেমিং এর সাজসজ্জা = ৭% (২৩১,০০০ টাকা)
মিস্ত্রি খরচ= ২০% (৬৬০,০০০ টাকা)
মোট খরচ = ১০০% (৩৩ লক্ষ টাকা)

কিছু প্রাথমিক হিসাব জেনে রাখুন

৫” ওয়াল গাঁথুনিতে প্রতি ১’ (স্কয়ার ফিট) গাঁথুনীতে ৫টি ইট লাগে।
৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ১ সিএফটি খোয়া হয়।
সিমেন্ট, বালি ও পানির মিশ্রণে তৈরি মশলা ৩০—৪৫ মিনিটের মধ্যে ব্যবহার করতে হবে।
গাঁথুনীর কাজের ক্ষেত্রে ১ দিনে সর্বোচ্চ ৫ ফুট পর্যন্ত এবং একবারে সর্বোচ্চ ৩ ফুট পর্যন্ত গাঁথুনীর কাজ করা উচিত।
গাঁথুনীতে মসালার পুরুত্ব ১/২ ইঞ্চির বেশী হবে না।
ইটের কাজ শুরুর ১২ ঘন্টা পূর্বে ইট হাউজে ভিজাতে হবে।
উপসংহার

২০২৪ সালে একটি ১৫০০ বর্গফুটের বাড়ি তৈরির জন্য আনুমানিক খরচ প্রায় ৩৩ লক্ষ টাকা হতে পারে। তবে, স্থান, ডিজাইন এবং অন্যান্য ফ্যাক্টরের কারণে এই খরচে পরিবর্তন আসতে পারে। তাই সঠিক বাজেট তৈরির জন্য স্থানীয় বাজার ও নির্মাণ প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে পরামর্শ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি এই তথ্য আপনাকে সাহায্য করবে আপনার বাড়ি তৈরির পরিকল্পনা করতে!

19/05/2025

বিল্ডিং নির্মাণে যে তথ্য গুলো জানা উচিত(সিভিল
ইঞ্জিনিয়ারিং)
→১ ব্যাগ সিমেন্ট এ পানি লাগে ২১ লিটার।
→১০” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ সিএফটি গাথুনীতে
১০ টি ইট লাগে।
→০৫” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট)
গাথুনীতে ০৫ টি ইট লাগে।
→ ছলিং এ প্রতিস্কয়ার ফুট এর জন্য ০৩ টি ইট লাগে।
→ ০৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ১ সিএফটি খোয়া হয়।
→ ১ টি ইটে খোয়া হয় ০.১১ ঘনফুট।
→১ স্কয়ার ফুট গাথুঁনিতে ১:৪ অনুপাতে সিমেন্ট
লাগে ০.০২১ ব্যাগ, বালু লাগে ০.১২ ঘনফুট।
→১ স্কয়ার ফুট ইটের গাথুঁনিতে ১:৫ অনুপাতে
সিমেন্ট লাগে ০.০২০ ব্যাগ, বালু ০.১২৪ ঘনফুট।
→ ১ ঘনফুট ঢালাইয়ের জন্য ১:২:৪ অনুপাতে
সিমেন্ট লাগে ০.১৭২ ব্যাগ,বালু লাগে ০.৪৫ ঘনফুট,
খোয়া লাগে ০.৮৮ ঘনফুট।
* গাথুনীর প্লাষ্টারে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট
দিতে হয়।
বি.দ্র :- প্লাস্টারের ফ্রেশ সাইডে মসলার পুরুত্ব
আধা ইন্চি এর রাফ সাইডে মসলার পুরুত্ব পনে এক
ইঞ্চি বা ১৫ মিমি . . সিলিং প্লাষ্টারে (১:৩ বা ১:৪)
অনুপাতে সিমেন্ট দেয়া যায় । এবং মসলার পুরুত্ব 6 মিমি বীম এবং কলাম সিলিং এর জন্য ।
→ প্রতি এস,এফ,টি নিট ফিনিশিং করতে =
০.০২৩৫ কেজি সিমেন্ট লাগে।

ইটের মাপ:- প্রচলিত নিয়মে
————++-———++—-—
→ মসলা ছাড়া (৯.৫” x৪.৫” x২.৭৫”)
→ মসলাসহ = (১০” x৫” x ৩”)
কনভার্ট এর জন্য:-
——–++—–——-
10 mm =1 cm
100 cm = 1 m
1″ = 25.4 mm
1″ = 2.54 cm
39.37″ = 1 m
12″ = 1′ Fit
3′ = 1 Yard (গজ)
1 Yard = 36″
72 Fit = 1 bandil.
# রডের হিসাব
———————————————
1″ = 8 suta
1/2″ = 4 suta
1/4″= 2 suta
1/8″ = 1 suta
বি.দ্র:- ১ সুত = ৩.২০ মিলি প্রায়।
# রডের ওজন {(dia x dia) ÷162.2 }÷3.28 = kg
——————————————————–
৮ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১২০ কেজি।
১০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১৮৮ কেজি।
১২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.২৭০৬ কেজি।
১৬ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৪৮১২ কেজি।
২০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৭৫১৮ কেজি।
২২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৯০৯৭ কেজি।

19/05/2025

ছাদ ঢালাইয়ের হিসাব।
১৫০০ বর্গ ফিট একটি ছাদ ঢালাই এর ইট, বালু, সিমেন্ট এবং রড এর পরিমান বের করার হিসাব

মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট
ছাদের পুরুত্ব= ৫ ইঞ্চি

তাহলে ছাদের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ = ৫০ X ৩০ = ১৫০০ বর্গ ফিট
এবং ছাদের আয়তন = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ X পুরুত্ব = ৫০ X ৩০ X ০.৪১৬৬ (৫/১২ ইঞ্চি কে ফিট হিসেবে)
= ৬২৪.৯ বা ৬২৫ ঘনফিট/সিএফটি

আদ্র অবস্থায় আয়তন মোট আয়তনের চেয়ে দেড়গুন বেড়ে যায় তাই
আদ্র আবস্থায় আয়তন = ৬২৫ X ১.৫ = ৯৩৭.৫ বা ৯৩৮ ঘনফিট/সিএফটি

সিমেন্ট বালু ও খোয়ার অনুপাত = সিমেন্ট: বালু: খোয়া = ১: ২: ৪
অনুপাতের যোগফল = ১+২+৪ = ৭

সিমেন্ট এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X সিমেন্ট অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ১) ÷ ৭ = ১৩৪ ঘনফিট/সিএফটি
= ১০৮ ব্যাগ (১.২৫ ঘনফিট/সিএফটি = ১ ব্যাগ)

বালু এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X বালুর অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ২) ÷ ৭ = ২৬৮ ঘনফিট/সিএফটি

খোয়া এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X খোয়ার অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ৪) ÷ ৭ = ৫৩৬ ঘনফিট/সিএফটি
= ৭৮৮২.৩ বা ৭৮৮৩ টি ইট থেকে তৈরি খোয়া (১ টি ইট = ০.০৬৮ ঘনফিট/সিএফটি)

রড এর পরিমান = শুকনো অবস্থায় আয়তন X ২২২ X ১.৫% (রডের একক ওজন ২২২কেজি/ সিএফটি)
= ৬২৫ X ২২২ X (১.৫ ÷ ১০০)
= ২০৮১.২৫ বা ২০৮২ কেজি
= ২.০৮২ টন

আয়তন, রড বসানোর দুরত্ব ও রডের মিলিমিটার অনুসারে রডের হিসাব
ছাদে সাধারনত ১০ মিলিমিটার, ১২ মিলিমিটার, ১৬ মিলিমিটার রড ব্যবহার করা হয়
এবং ছাদে রড থেকে রডের দুরত্ব ৫ ইঞ্চি থেকে ৭ ইঞ্চি হয়ে থাকে

মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট

আমরা যদি ৫ ইঞ্চি পর পর রড বসাই তাহলে

৫০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৫০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৬০০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ১২০+১
= ১২১ পিস (প্রতি পিস ৩০ ফিট দৈর্ঘের)
= ৩৬৩০ ফিট

৩০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৩০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৩৬০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ৭২+১
= ৭৩ পিস (প্রতি পিস ৫০ ফিট দৈর্ঘের)
= ৩৬৫০ ফিট

মোট রডের পরিমান = ৩৬৩০ ফিট+ ৩৬৫০ ফিট
=৭২৮০ ফিট

রডের ওজন = D²/৫৩২.২ কেজি (D হল রডের ডায়া বা মিলিমিটার)
= ১২²/ ৫৩২.২ কেজি (১২ মিলিমিটার রড এর ক্ষেত্রে)
= ০.২৭ কেজি (প্রতি ফিট এ)

মোট ওজন= ৭২৮০ X ০.২৭ কেজি
= ১৯৬৫.৬ বা ১৯৬৬ কেজি
= ১.৯৬৬ টন (আরও ৫-১০% অপচয় এর জন্য বাড়তি রডের দরকার হবে)
= ২০৬৪.৩ বা ২০৬৫ কেজি(৫% বাড়তি ধরে)ছাদ ঢালাইয়ের হিসাব।

১৫০০ বর্গ ফিট একটি ছাদ ঢালাই এর ইট, বালু, সিমেন্ট এবং রড এর পরিমান বের করার হিসাব

মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট
ছাদের পুরুত্ব= ৫ ইঞ্চি

তাহলে ছাদের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ = ৫০ X ৩০ = ১৫০০ বর্গ ফিট
এবং ছাদের আয়তন = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ X পুরুত্ব = ৫০ X ৩০ X ০.৪১৬৬ (৫/১২ ইঞ্চি কে ফিট হিসেবে)
= ৬২৪.৯ বা ৬২৫ ঘনফিট/সিএফটি

আদ্র অবস্থায় আয়তন মোট আয়তনের চেয়ে দেড়গুন বেড়ে যায় তাই
আদ্র আবস্থায় আয়তন = ৬২৫ X ১.৫ = ৯৩৭.৫ বা ৯৩৮ ঘনফিট/সিএফটি

সিমেন্ট বালু ও খোয়ার অনুপাত = সিমেন্ট: বালু: খোয়া = ১: ২: ৪
অনুপাতের যোগফল = ১+২+৪ = ৭

সিমেন্ট এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X সিমেন্ট অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ১) ÷ ৭ = ১৩৪ ঘনফিট/সিএফটি
= ১০৮ ব্যাগ (১.২৫ ঘনফিট/সিএফটি = ১ ব্যাগ)

বালু এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X বালুর অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ২) ÷ ৭ = ২৬৮ ঘনফিট/সিএফটি

খোয়া এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X খোয়ার অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ৪) ÷ ৭ = ৫৩৬ ঘনফিট/সিএফটি
= ৭৮৮২.৩ বা ৭৮৮৩ টি ইট থেকে তৈরি খোয়া (১ টি ইট = ০.০৬৮ ঘনফিট/সিএফটি)

রড এর পরিমান = শুকনো অবস্থায় আয়তন X ২২২ X ১.৫% (রডের একক ওজন ২২২কেজি/ সিএফটি)
= ৬২৫ X ২২২ X (১.৫ ÷ ১০০)
= ২০৮১.২৫ বা ২০৮২ কেজি
= ২.০৮২ টন

আয়তন, রড বসানোর দুরত্ব ও রডের মিলিমিটার অনুসারে রডের হিসাব
ছাদে সাধারনত ১০ মিলিমিটার, ১২ মিলিমিটার, ১৬ মিলিমিটার রড ব্যবহার করা হয়
এবং ছাদে রড থেকে রডের দুরত্ব ৫ ইঞ্চি থেকে ৭ ইঞ্চি হয়ে থাকে

মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট

আমরা যদি ৫ ইঞ্চি পর পর রড বসাই তাহলে

৫০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৫০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৬০০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ১২০+১
= ১২১ পিস (প্রতি পিস ৩০ ফিট দৈর্ঘের)
= ৩৬৩০ ফিট

৩০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৩০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৩৬০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ৭২+১
= ৭৩ পিস (প্রতি পিস ৫০ ফিট দৈর্ঘের)
= ৩৬৫০ ফিট

মোট রডের পরিমান = ৩৬৩০ ফিট+ ৩৬৫০ ফিট
=৭২৮০ ফিট

রডের ওজন = D²/৫৩২.২ কেজি (D হল রডের ডায়া বা মিলিমিটার)
= ১২²/ ৫৩২.২ কেজি (১২ মিলিমিটার রড এর ক্ষেত্রে)
= ০.২৭ কেজি (প্রতি ফিট এ)

মোট ওজন= ৭২৮০ X ০.২৭ কেজি
= ১৯৬৫.৬ বা ১৯৬৬ কেজি
= ১.৯৬৬ টন (আরও ৫-১০% অপচয় এর জন্য বাড়তি রডের দরকার হবে)
= ২০৬৪.৩ বা ২০৬৫ কেজি(৫% বাড়তি ধরে)

#ইঞ্জিনিয়ারিং_টিপস #ছাদঢালাই #সিভিলইঞ্জিনিয়ার #নির্মানকাজ #রডের_হিসাব #বিল্ডিং_কন্সট্রাকশন

19/05/2025

সেপটিক ট্যাংক কেমন হওয়া প্রয়োজন?
আসুন এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানি।
---------------------------------------------------------------------
সেপটিক ট্যাংক ডিজাইনঃ-

১। সেপটিক ট্যাংকের দৈর্ঘ্য প্রস্থের ২ থেকে ৮ গুণ ধরতে হবে।
২৷ ভিত্তিতে ১:৩:৬ অথবা ১:২:৪ অনুপাতে সিসি ঢালাই করতে হবে।
৩। সিমেন্ট মসলা দ্বারা ইটের গাঁথুনী করে সেপটিক ট্যাংক নির্মাণ করতে হবে।
৪। ভিতরের দেওয়ালে ১:৩ অনুপাতে ১২ মিমি পুরুত্বে প্লাস্টার করতে হবে।
৫। সেপটিক ট্যাংকের নূন্যতম প্রস্থ ৬০ সেমি এবং তরলের গভীরতা ১ মিটার ধরতে হবে।
৬। সেপটিক ট্যাংক পরিষ্কার করতে নামার আগে অবশ্যই বিষাক্ত গ্যাসের উপস্থিতি পরীক্ষা করা উচিত।

আসুন সেপটিক ট্যাংকের আয়তন নির্ণয় করতে শিখিঃ-
---------------------------------------------------------------------
ধরি,
আমরা ১০০ জন ব্যবহারকারী জন্য সেফটিক ট্যাংক তৈরী করবো।
আমাদের দেশে সিউয়েজের সর্বোচ্চ হার গড়ে দৈনিক প্রতিজনের জন্য ৯০ লিটার থেকে ১২০ লিটার পর্যন্ত ধরা হয়।
সুতরাং আমরা ধরি,
জনপ্রতি দৈনিক সর্বোচ্চ সিউয়েজ প্রবাহের হার =১১০ লিটার।
সুতরাং দৈনিক মোট সিউয়েজের পরিমাণ
= (১০০×১১০)= ১১০০০ লিটার।
= ৩৮৮.৪৬ ঘনফুট।
অবরোধকাল ধরলাম = ১ দিন।
সুতরাং কক্ষের তরল ধারণ ক্ষমতা = (৩৮৮.৪৬×১)
=৩৮৮.৪৬ ঘনফুট।
মনেকরি, কক্ষে তরলের গভীরতা = ৪ ফুট।
কক্ষের তলের ক্ষেত্রফল =(৩৮৮.৪৬÷৪)=
৯৭.১১ বর্গফুট।
মনেকরি, ট্যাংকের প্রস্থ = B
এবং দৈর্ঘ্য = L =৩B
সুতরাং তলের ক্ষেত্রফল = B×৩B =৩B²
সুতরাং ৩B²= ৯৭.১১
বা, B² =(৯৭.১১÷৩) =৩২.৩৭
বা, B = √৩২.৩৭
সুতরাং B = ৫.৬৮ ফুট
সুতরাং L= ৩B =৩×৫.৬৮ =১৭.০৪ ফুট
মুক্ত এলাকার গভীরতা ২.৫০ ফুট ধরা হলে, মোট
গভীরতা হবে = (৪+২.৫০)= ৬.৫০ ফুট।
সুতরাং সেপটিক ট্যাংকের আয়তন = দৈর্ঘ্য ×প্রস্থ
×গভীরতা
=(১৭.০৪×৫.৬৮×৬.৫০) ফুট।

সুতরাং ১০০ জন ব্যবহারকারীর জন্য সেফটিক
ট্যাংকের আয়তন হবে = (১৭.০৪×৫.৬৮×৬.৫০) ঘনফুট।

এখানে সম্ভাব্য একটা ধারণা দেয়া হলো যেকোনো ধরনের বিল্ডিং এর আর্কিটেকচারাল , স্ট্রাকচারাল, ইলেকট্রিক্যাল ও স্যানিটারি ডিজাইন ও 3D ভিউ অভিজ্ঞ আর্কিটেক্ট ও ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা অবশ্যই করিয়ে নিবেন।

19/05/2025

SPT টেস্ট ও বিয়ারিং ক্যাপাসিটি নির্নয় বিস্তারিতঃ

Standard Pe*******on Test (SPT) কি?

গতিশীল অথবা স্থীর লোড প্রয়োগের মাধ্যমে মাটির পেনিট্রেশন প্রতিবন্ধকতা পরিমাপ করতে যে পরীক্ষা করা হয় তাকে Pe*******on Test বলে। সাধারণত বালি মাটির
ভারবহন ক্ষমতা নির্ণয়ের জন্য যে পরীক্ষা করা হয় তাকে Standard Pe*******on Test (আদর্শ পেনিট্রেশন পরীক্ষা) বলে।

কেন করা হয় ??
===========
মাটির পেনিট্রেশন প্রতিবন্ধকতা পরিমাপ এবং বালি মাটির ভারবহন ক্ষমতা নির্ণয়ের জন্য Standard Pe*******on Test করা হয়।

Standard Pe*******on Test পদ্ধতি
=========================
এ পরীক্ষার জন্য পেনিট্রোমিটার নামক স্পিলিট ব্যারেল নমুনা সংগ্রাহক ব্যবহার করা হয়। একটি 50 mm বাহিরের এবং 35 mm
ভিতরের ব্যাস বিশিষ্ট ফাঁপা স্টীল পাইপকে স্পিলিট ব্যারেল বা স্পিলিট স্পুন নমুনা সংগ্রাহক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এর দৈর্ঘ্য 60 cm এর কম নয়।
প্রথমে মাটিতে 55 mm থেকে 150 mm ব্যাস বিশিষ্ট একটি গর্ত করা হয় এবং ড্রিল রডের সাথে স্পিলিট ব্যারেল নমুনা সংগ্রাহকটি যুক্ত করে গর্তের নিচের প্রান্তে স্থাপন করা
হয়। তারপর 65 kg ওজনের হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে নমুনা সংগ্রাহকটিকে মাটির অভ্যন্তরে কমপক্ষে 60 cm প্রবেশ করানো হয়। হাতুড়িকে 75 cm উপর হতে মিনিটে 30
বার হয়। প্রথম 15 cm প্রবেশ করাতে আঘাতের সংখ্যা হিসাব করা হয় না। বাকি 30 cm প্রবেশ করাতে আঘাতের সংখ্যা হিসাব করা হয়। এ 30 cm প্রবেশ করাতে আঘাতের
সংখ্যাকে পেনিট্রেশন রেজিস্ট্যান্স (Pe*******on Resistance) বলে। একে N দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

SPT value এর Correction করার কারণঃ
===========================
সূক্ষ্ম বালি বা পলিযুক্ত বালি মাটি পানি তলের নিচে অবস্থিত হলে Pe*******on Resistance বেশি পাওয়া যায়। টারজাগী এবং
পেক বলেছেন, যদি Pe*******on Resistance এর মান 15 এর বেশি হয় তবে নিম্নের সূত্রের সাহায্যে একটি সমতুল্য পেনিট্রেশন রেজিস্ট্যান্স এর মান নির্ণয় করা হয়।
সমতুল্য পেনিট্রেশন রেজিস্ট্যান্স, Ne = 15+½(N-15)

SPT থেকে বিয়ারিং ক্যাপাসিটি নির্ণয়ঃ
=======================

এস.পি.টি বা স্ট্যান্ডার্ড পেনিট্রেশন টেষ্ট থেকে মাটির বিয়ারিং ক্যাপাসিটি নির্ণয় করা যায়।

’s সুত্র:

ফুটিং এর চওড়া চার ফুট বা এর চেয়ে কম হলে
Qa = (N/4) *K

ফুটিং এর চওড়া চার ফুটের বেশি হলে
Qa = (N/6)[(B+1)/B]2*K

’ সুত্র:

চওড়া চার ফুটের কম হলে
Qa = (N/2.5) * K

ফুটিং এর চওড়া চার ফুটের বেশি হলে
Qa = (N/4)[(B+1)/B]2* K
Qa: এলাওয়াবল বিয়ারিং ক্যাপাসিটি (কিলো পাউন্ড / স্কয়ারফুট )[ kips/ft2]
N: ফুটিং এর তলার এস.পি.টি সংখ্যা
B: ফুটিং এর চওড়া (ফুট হিসাবে)
K = 1 + 0.33(D/B) ≤1.33
D: মাটির উপরিভাগ থেকে ফুটিং এর তলার দুরত্ব বা গভীরতা (ফুট হিসাবে)

উদাহরণ-০১: এস.পি.টি নম্বর ১০, ফুটিং এর চওড়া তিন ফুট এবং ফুটিং এর তলা মাটির উপরিভাগ থেকে দুই ফুট নিচে আছে। তাহলে বিয়ারিং কত ?
উত্তর:
Meryerhof's অনুসারে
K = 1+0.33(D/B) = 1+0.33*(2/3) = 1.22
Qa = (N/4) * K = (10 /4) *1.22 = 3.05 kips/ft2
Bowles’ অনুসারে:
Qa = (N/2.5) * K = (10 /2.5) *1.22 = 4.88 kips/ft2
এখান থেকে নিরাপত্তার স্বার্থে কমটা নেয়াই ভাল, সুতরাং ক্যাপাসিটি 3.05 kips/ft2

উদাহরণ-০২: এস.পি.টি নম্বর ২০, ফুটিং এর চওড়া আট ফুট এবং ফুটিং এর তলা মাটির উপরিভাগ থেকে চার ফুট নিচে আছে। তাহলে বিয়ারিং কত ?
Meryerhof's অনুসারে
K = 1+0.33(D/B) = 1+0.33*(4/8) = 1.17
Qa = (N/6)[(B+1)/B]^2 * K = (20/6)[(8+1)/8]^2 *1.17 = 4.94 kips/ft2
Bowles’ অনুসারে:
Qa = (N/4)[(B+1)/B]^2 * K = (20/4)[(8+1)/8]^2 *1.17 = 7.40 kips/ft

এখান থেকে নিরাপত্তার স্বার্থে কমটা নেয়াই ভাল, সুতরাং ক্যাপাসিটি 4.94 kips/ft2

লেখাটা অনেক দামী সম্পদ হবে একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের কাছে ।
(টাইমলাইনে শেয়ার করে রাখুন-যেকোন সময় কাজে আসতে পারে)

#ইঞ্জিনিয়ারিং_টিপস #ছাদঢালাই #সিভিলইঞ্জিনিয়ার #নির্মানকাজ #রডের_হিসাব #বিল্ডিং_কন্সট্রাকশন

পাইলিংয়ের মালামালের এস্টিমেটঃ------------------------------------------------------------------------একটি 18" ডায়া পাইল...
18/05/2025

পাইলিংয়ের মালামালের এস্টিমেটঃ-
-----------------------------------------------------------------------
একটি 18" ডায়া পাইলের ইনফরম্যাশন দেওয়া হলো এর এষ্টিমেট কিভাবে করবো?
পাইলের দৈর্ঘ্য = 51'- 6"
পাইলের ডায়া = 18"
পাইল কাভারিং = 3"
পাইলের মেইন রড = 7 টি 16 মিলি
পাইলের রিং = 10 মিলি = 0.375"
রিং দূরত্ব = 5" পরপর
কাট অফ লেভেল = 2'- 0"
অনুপাত (1:1.5:3)
বোরিং দৈর্ঘ্য 51'-6"

🔹মালামালের পরিমানঃ-
ঢালাই এর পরিমান = πd^2/4 X পাইলের দৈর্ঘ্য
ঢালাই এর পরিমান = π(1'-6")2/4 X 51'- 6" = 90.96 ঘনফুট ।
শুকনা মসলা = 90.96 x 1.5 = 136.44 ঘনফুট ।
অনুপাতের যোগফল = ( 1 + 1.5 + 3) = 5.50
সিমেন্ট = (136.44 x 1 x 0.8 )/ 5.5 = 19.85 ব্যাগ বা 20 ব্যাগ । (প্রতি Cft = 0.8 ব্যাগ)
বালি = 136.44 X 1.5 /5.5 = 37.21 বা 38 Cft
পাথর = 136.44 X 3 /5.5 = 74.42 বা 75 cft

🔹মেইন রডের দৈর্ঘ্য = পাইলের দৈর্ঘ্য - নিচের সি সি ঢালাই + 1টা ল্যাপিং দৈর্ঘ্য
= (51'- 6" - 1'-6") + 3'-0" (ল্যাপিং 3' - 0') = 53'-0"
রডের ওজন= রডের দৈর্ঘ্য x সংখ্যা x প্রতি ফুটের ওজন
= 53'-0" x 7 x 0.48
= 178.08 কেজি

🔹রিং রডের দৈর্ঘ্য = L = Nr(D + d) + 8d
এখানে, N =রিং এর সংখ্যা;D = পাইলের ক্লিয়ার কভার বাদে খাচার ডায়া ফুটে
D = পাইলের ডায়া - দুই পাশের ক্লিয়ার কভার
= 18"- (3"×2)
=18"-6" = 12" =1'-0"
d = স্পাইরাল রডের ডায়া ফুটে, যেমন 10 মিমি = 0.033' ফুট ।

🔹স্পাইরাল সংখ্যা N = (পাইলের দৈর্ঘ্য - উপরে নিচে স্পাইরাল ছাড়া অংশ) + স্পাইরাল রডের স্পেসিং + উপরে-নিচে 2টা
=[{51'-6"-(2'-0"+1'-6")}÷0'-5"]+2
= [(51'-6"-3'-6"}÷0'-5"]+1
= [{48'-0"+0'-5"]+1
= 97 পিছ।

🔹স্পাইরাল রডের দৈর্ঘ্য L = Nr(D + d) + 8d
বা, {97× 3.14× (1' + 0.033)} + (8×0.033)
বা, {97× 3.14×1.033'}+ 0.264
= 314.90 ফুট
রিং রড = রডের দৈর্ঘ্য X প্রতি ফুটের ওজন
=314.90 X0.19 = 59.83 কেজি

🔹রডের পরিমান কেজিতে= মেইন রড+ রিং রড
মোট রড = 178.08 +59.83 = 237.91 কেজি

তাহলে-
সিমেন্ট: ২০ ব্যাগ
বালি: ৩৮ সিএফটি
পাথর: ৭৫ সিএফটি
রড: ২৩৮ কেজি
ধন্যবাদ

লে-আউট (Layout) কী এবং কেন গুরুত্বপূর্ণলে-আউট এর সংজ্ঞা:লে-আউট হল এমন একটি প্রাথমিক ধাপ, যেখানে নির্মাণ সাইটে ভবনের অবস্...
12/05/2025

লে-আউট (Layout) কী এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ
লে-আউট এর সংজ্ঞা:
লে-আউট হল এমন একটি প্রাথমিক ধাপ, যেখানে নির্মাণ সাইটে ভবনের অবস্থান নির্ধারণ করা হয় এবং প্ল্যান অনুযায়ী মাটিতে মাপ দিয়ে চিহ্নিত করা হয়। এটি হল ভবনের "নির্ভুল স্থানাঙ্ক নির্ধারণ" প্রক্রিয়া।
লে-আউট এর উদ্দেশ্য:
ভবনের সঠিক অবস্থান নির্ধারণ করা
সঠিক কলাম, ওয়াল, বীমের স্থান নির্ধারণ করা
প্ল্যান মোতাবেক কাজ নিশ্চিত করা
মিসম্যাচ বা ডিজাইন ত্রুটি প্রতিরোধ করা
সাইটে নির্মাণ কাজের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা।
লে-আউট এর ধাপসমূহ:
১. সাইট ক্লিয়ারিং ও লেভেলিং:
গাছপালা, ময়লা বা যে কোনো বাধা সরিয়ে ফেলা
সাইট সমান করা যাতে কাজ সহজ হয়
২. রেফারেন্স পয়েন্ট বা বেইঞ্চ মার্ক স্থাপন:
নির্দিষ্ট একটি উচ্চতা বা স্থানে 'বেঞ্চমার্ক' নির্ধারণ করা হয় (Govt. survey mark অথবা স্থায়ী কোনো অবজেক্ট)
এই পয়েন্ট থেকে পরবর্তী সব মাপ নেওয়া হয়
৩. মূল রেখা (Main Line) নির্ধারণ:
সাধারণত প্ল্যান অনুযায়ী একটি মুখ্য দেয়ালের কেন্দ্ররেখা বা বাইরের প্রান্তকে মূল রেখা ধরা হয়
এই রেখাকে বেস ধরে অন্যান্য রেখা তৈরি হয়
৪. রাইট অ্যাঙ্গেল স্থাপন:
৩-৪-৫ নিয়ম ব্যবহার করে ৯০ ডিগ্রি কোণ নির্ধারণ করা হয় (Pythagorean Theorem)
এতে ভবনের কোনা সঠিকভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব হয়
৫. চেইন ও টেপ দ্বারা পরিমাপ:
নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্য মেপে চিহ্ন বসানো হয়
ক্রস চেক করে ভুল মাপ প্রতিরোধ করা হয়
৬. ল্যাথ/উডেন পেগ ও লাইন মার্কিং:
কাঠের পেগ পুঁতে তারে বা চুন দিয়ে রেখা টানা হয়
সেখানেই খুঁড়ার কাজ (excavation) শুরু হয়
লে-আউট করতে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম:
মেজারিং টেপ/চেইন
লেভেল মেশিন (অটো লেভেল বা ডাম্পি লেভেল)
থিওডোলাইট (যদি জটিল স্ট্রাকচার হয়)
কাঠের পেগ/বাঁশ
চুন/পেইন্ট
হাতুড়ি
দড়ি/সুতলি
লে-আউট করার সময় সতর্কতা:
প্ল্যান অনুযায়ী কাজ হচ্ছে কি না যাচাই
কোণ সঠিক হচ্ছে কি না পরীক্ষা
পাশের জমির সীমারেখা ও রোড লাইন মেনে চলা
যন্ত্রপাতি ঠিকভাবে কাজ করছে কি না যাচাই
প্রতিটি দিক থেকে ক্রস-চেক
একজন দক্ষ লে-আউট ইঞ্জিনিয়ারের ভূমিকা:
সঠিক রিডিং নেওয়া
দলের নেতৃত্ব দেওয়া
যন্ত্রপাতি ব্যবহার জানা
সাব-কন্ট্রাক্টর ও লেবারদের বোঝানো
ড্রইং অনুযায়ী কাজ নিশ্চিত করা

🌍🏗 বুর্জ খলিফা: আধুনিক স্থাপত্য ও প্রকৌশলের এক অনন্য নিদর্শন!আপনারা কি জানেন, বুর্জ খলিফা শুধু একটি সুউচ্চ ভবন নয়, এটি আ...
04/03/2025

🌍🏗 বুর্জ খলিফা: আধুনিক স্থাপত্য ও প্রকৌশলের এক অনন্য নিদর্শন!

আপনারা কি জানেন, বুর্জ খলিফা শুধু একটি সুউচ্চ ভবন নয়, এটি আধুনিক ইঞ্জিনিয়ারিং ও নকশার এক অবিশ্বাস্য চমক! এই চিত্রটি বুর্জ খলিফার নির্মাণশৈলী, কাঠামোগত বিশ্লেষণ এবং অন্যান্য বিশ্বখ্যাত স্থাপনার তুলনামূলক বিশ্লেষণ তুলে ধরেছে। আসুন এক নজরে দেখি, কীভাবে এই অবকাঠামো পৃথিবীর ইতিহাসে নিজের জায়গা করে নিয়েছে!

🔍 বুর্জ খলিফার বিস্ময়কর তথ্য:
📏 উচ্চতা: ৮২৯.৮ মিটার (২,৭২২ ফুট) – এটি এতটাই উঁচু যে, উপরের তলা থেকে সূর্যাস্ত দুইবার দেখা যায়!
🏗 মোট তলা: ১৬৩ – যা বিশ্বের অধিকাংশ সুউচ্চ ভবনের চেয়েও অনেক বেশি।
🚀 দ্রুততম লিফট: ৬৪ কিমি/ঘণ্টা গতিতে উঠে যাওয়া লিফট!
💎 ব্যবহার: আবাসিক, বাণিজ্যিক অফিস, হোটেল, পর্যবেক্ষণ ডেক এবং বিনোদন কেন্দ্র।
🛠 নির্মাণকাল: ২০০৪ - ২০১০ (৬ বছরেই এই বিস্ময় তৈরি!)

🏗 ইঞ্জিনিয়ারিং ও নকশার বিস্ময়
✅ Y-আকৃতির কাঠামো: পুরো ভবনটি Y-আকৃতির নকশায় তৈরি, যা বাতাসের চাপ সহ্য করতে সাহায্য করে।
✅ স্টিল ও কংক্রিটের নিখুঁত সমন্বয়: ১১,০০০ টন ইস্পাত এবং ৩,৩০,০০০ কিউবিক মিটার কংক্রিট ব্যবহার করা হয়েছে, যা ১০০,০০০ হাতির ওজনের সমান!
✅ বিশ্বের দীর্ঘতম লিফট: লিফটটি ৫১৪ মিটার উঁচুতে উঠতে পারে, যা একটি নতুন রেকর্ড!
✅ গ্লাস প্যানেল: ৩৩,০০০ কাঁচের প্যানেল ব্যবহার করা হয়েছে, যা সূর্যের তাপ কমিয়ে ভবনের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।

🌍 বিশ্বের অন্যান্য উচ্চতম ভবনের তুলনা
📌 গুয়ারাংঝৌ টিভি টাওয়ার (৬১০ মিটার) – বুর্জ খলিফার থেকে প্রায় ২১৮ মিটার কম।
📌 সাংহাই টাওয়ার (৬৩২ মিটার) – চীনের সবচেয়ে উঁচু ভবন!
📌 সিএন টাওয়ার (৫৫৩ মিটার) – কানাডার এই প্রতীকী স্থাপনাও বুর্জ খলিফার নিচেই রয়ে গেছে।
📌 আইফেল টাওয়ার (৩০০ মিটার) – এক সময়ের বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু কাঠামো, কিন্তু এখন এটি বুর্জ খলিফার এক-তৃতীয়াংশ উচ্চতায় দাঁড়িয়ে!

🔥 কেন এটি আজও একটি স্থাপত্য বিস্ময়?
🌆 এটি শুধুমাত্র উচ্চতার জন্য বিখ্যাত নয়, বরং শক্তিশালী স্থাপত্য, জলবায়ু-বান্ধব ডিজাইন এবং টেকসই নির্মাণশৈলীর জন্য এটি সারা বিশ্বে প্রশংসিত। প্রতিদিন হাজার হাজার পর্যটক এই ভবন দেখতে আসেন এবং উপভোগ করেন বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু পর্যবেক্ষণ ডেক থেকে দুবাই শহরের অবিশ্বাস্য দৃশ্য!

📌 আপনার মতামত জানান! আপনি কি কখনো বুর্জ খলিফা দেখেছেন? ভবিষ্যতে এমন আরও অবিশ্বাস্য স্থাপত্য সম্পর্কে জানতে চান? কমেন্ট করুন ও শেয়ার করুন আপনার বন্ধুদের সাথে!

See less

04/02/2025

✍️ খুব সহজেই Soil Test এর N ভেল্যু দেখে জেনে নিন মাটির অবস্থা....

✅ N value 2 বা এর কম হলে Very Soft মাটি বুঝতে হবে , যার ভার বহন ক্ষমতা প্রতি বর্গমিটারে মাত্র 2 টন।
✅ N value 2-5 হলে Soft মাটি, ভারবহন ক্ষমতা 2-5 Ton/ Sqm.
✅ N value 5-9 হলে Medium মাটি, ভারবহন ক্ষমতা 5-10 T/ Sqm
✅ N value 9-17 হলে Stiff বা শক্ত মাটি, ভারবহন ক্ষমতা 10-20T/ Sqm
✅ N value 17-33, Very Stiff বা খুবই শক্ত মাটি, ভারবহন ক্ষমতা 20-40 T/ Sqm
✅ N value 33 এর উপরে হলে Hard বা খুবই কঠিন মাটি বুঝতে হবে, যার ভার বহন ক্ষমতা বর্গমিটার 40 Ton এর উপরে
👉 Reff.......BNBC, Soil & Foundation

📢 কতটুকু জমির জন্য কতটি বোরহোল করতে হবে❓
✅ ৩ কাঠা পর্যন্ত জমির জন্য ৩ টি।
✅ ৩-৫ কাঠার জন্য ৫টি।
✅ ৫-১০ কাঠার জন্য ৮ টি বোরহোল প্রযোজ্য।
👉 Reff..BUET, TESTING OF MATERIALS AND SERVICES.

Soil Test কি❓
সয়েল টেস্ট’ এর বাংলা অর্থ হলো মাটি পরীক্ষা, তবে ইঞ্জিনিয়ারিং ভাষায় স্থাপনা বা বিল্ডিং এর ভূনিন্মস্থ মাটির পরীক্ষা করাকে ‘সয়েল টেস্ট’ বা ‘সাব-সয়েল ইনভেস্টিগেশন’ বলে।

Soil Test কেন করা হয়❓
ভূনিন্মস্থ মাটির নিরাপদ ভারবহন ক্ষমতা নিরুপণের জন্য সয়েল টেস্ট করা হয়। মনে রাখবেন যে কোন ধরনের স্থাপনা যেমন, আবাসিক ভবন, বাণিজ্যিক ভবন, স্কুল-কলেজ, মসজিদ-মন্দির, হাসপাতাল, শপিং কমপ্লেক্স, ব্রিজ-কালভার্ট, সড়ক-মহাসড়ক, রেললাইন, এয়ারপোর্ট, পাওয়ার প্লান্ট ইত্যাদি ডিজাইনের জন্য সয়েল টেস্ট অপরিহার্য।

তবে আমাদের দেশের মাটির নিরাপদ ভার বহন ক্ষমতা বর্গমিটারে ৯-১০ টন থাকে বলে প্রকৌশলীগন সাধারনত Light Structure (এক দুইতলা ভবন) এর জন্য সয়েল টেস্ট রেফার করেন না, এই হালকা ভবনগুলোর ফাউন্ডেশনে এর থেকে বেশি লোড আসে না। তবে অবশ্যই তিনের অধিক ভবনের জন্য সয়েল টেস্ট জরুরী।

মনে রাখবেন সয়েলটেস্ট ছাড়া ডিজাইন করা আর ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন ছাড়া ঔষধ খাওয়া একই কথা। ইহা ছাড়া ভূনিন্মস্থ মাটির বৈশিষ্ট্য জানা কারও পক্ষে সম্ভব নয়, একমাত্র সয়েল টেস্ট রিপোর্ট দেখেই একজন প্রকৌশলীর পক্ষে বলা সম্ভব স্থাপনা সুরক্ষার জন্য কি ধরনের ফাউন্ডেশন প্রয়োজন ।

Soil Test কিভাবে করা হয়❓
আমাদের দেশে সাধারনত ওয়াশ বোরিং পদ্ধতিতে সয়েল ইনভেস্টিগেশনের কাজ করা হয়। এই পদ্ধতিতে পানির সাহায্যে ২” ব্যাসের পাইপকে হ্যামারিং করে মাটির অভ্যন্তরে প্রবেশ করানো হয়। প্রতি ৫ ফুট বা ১.৫ মিটার পর পর মাটির নমুনা এবং ঘাতের সংখ্যা (N) কাউন্ট করা হয়।

প্রতি ৫ ফুট পর পর পরবর্তী ১.৫ ফুট বা ১৮ ইঞ্চি পাইপ মাটির অভ্যন্তরে প্রবেশ করানো সময় N এর মান লিপিবদ্ধ করতে হয়, তবে এই ১৮ ইঞ্চির মধ্যে প্রথম ৬ ইঞ্চির জন্য ঘাত সংখ্যা বিবেচনায় নেওয়া হয়না।
অর্থাৎ পরবর্তী ১২ ইঞ্চি প্রবেশের জন্য যতগুলো আঘাতের প্রয়োজন হয় সেই সংখ্যাই হলো N এর মান। যদি ১২ ইঞ্চি ঢুকাতে ১৫ বার ঘাতের প্রয়োজন হয় তবে N এর মান হবে ১৫। এই N এর মান মাটির লেয়ার ভেদে ভিন্ন ভিন্ন হয়, যেমন প্রথম ১০-১৫ ফুটের মধ্যে N এর মান থাকে খুবই কম হয়।
⏩ N এর মান ১৫ এর উপরে পেলে বুঝতে হবে শক্ত মাটি লেয়ার⏪

Soil Test করার সময় সর্তকতা সমূহ কি কি❓
✅ হ্যামারের ওজন ৬৩.৫ কেজি কিনা নিশ্চিত করতে হবে এবং ইহা ৩০ ইঞ্চি উচ্চতা থেকে ড্রপিং হচ্ছে কিনা?
✅ প্রতি ৫ ফুট পর পর আলাদা আলাদ প্যাকেটে নমুনা মাটি সংরক্ষন করছে কিনা?
✅ N Value সঠিকভাবে কাউন্ট এবং লিপিবদ্ধ করা হচ্ছে কিনা?
⏩ মাটি ভাল থাকলেও কমপক্ষে ৬০ ফুট পর্যন্ত স্যাম্পল কালেকশন করা উত্তম ⏪

Soil Test কাদের দিয়ে করাবেন❓
✅ যাদের নিজস্ব ল্যাব রয়েছে এবং
✅ অভিজ্ঞতা সম্পন্ন সয়েল প্রকৌশলী রয়েছে।

কোম্পানি ভেদে প্রতিটি বোরহোলের জন্য ৬ থেকে ২০ হাজার পর্যন্ত নেওয়া হয়, তবে কেউ যদি মাত্র ৬ হাজার টাকায় করে দেওয়ার প্রস্তাব দেয় তবে বুঝতে হবে আপনি তার কাছ থেকে কখনোই প্রকৃত রিপোর্ট পাবেন না।
জেনে রাখুন BUET থেকে টেস্ট করালে শুধু মাত্র একটি বোরহোলের জন্য খরচ পরবে ৭০-৮০ হাজার টাকা, যেখানে Physical & Index Properties, Compaction and Density Tests, Direct Shear Tests, Triaxle Shear Tests, Strength and Deformation Characteristics, Permeability and Seepage Characteristics ইত্যাদি টেস্ট সমূহ করতে ৮-২০ হাজার টাকা চলে যাবে।

সুতরাং শুধু মাত্র ৫/৬ হাজার টাকায় কেবল মাত্র অন্যজনের কপি করা রিপোর্টই পাওয়া সম্ভব।

#মাটিপরীক্ষা

Address

Dhaka
1230

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Simplicity Sketch posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Simplicity Sketch:

Share

Category