myUKIL

myUKIL Our intelligent technology connects users to expert advice, allowing anonymity.

We believe in commitment to provide the best services to the clients so as to enable them to make effective decisions and also helps them to understand better legal environments in which they are operating. MyUkil is a digital platform that directly connects anyone with a phone to experts, including Advocates, Barristers, Legal Consultants and Paralegals, to get the advice they're looking for—hass

le-free and without stigma. Our experts can help you with a wide range of topics of law and rights topics, ranging from general legal issues to property, business related advice. In countries like Bangladesh, where there are many barriers to accessing reliable advice, our service is easy-to-use and very user friendly. Both men and women can ask questions in English, Bangla, Banglish and or using voice messages

23/09/2024

Online Lawyers' platform - MyUkil
https://www.facebook.com/myUkilofficialbd

We believe in commitment to provide the best services to the clients so as to enable them to make effective decisions and also helps them to understand better legal environments in which they are operating.

23/09/2024

কোথায় কীভাবে পাবেন জমির এই উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট?
➥১. পর্চা বা খতিয়ান।
➥২. দলিল।
➥৩. ম্যাপ বা নকশা।
এই ডকুমেন্টগুলো ছাড়া আপনি জমি বিক্রয়, হস্তান্তর অথবা ব্যাংক লোন হতে নানান সমস্যা হয়।
সেকারণে, জমির খতিয়ান, দলিলসহ সকল কাগজপত্র সংগ্রহে রাখার জন্য সরকারি নানান দপ্তর রয়েছে, যারা ভূমি সংক্রান্ত কাগজপত্র সংগ্রহ করে রাখে। এখন আপনার কাজ হল, ঐ সকল দপ্তরগুলো কে নিশ্চিত করে তাদের শরণাপন্ন হওয়া ও কাগজপত্র গুলো সংগ্রহ করা।
নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো, কোথায়, কীভাবে এবং কত সময়ের ভেতরে আপনি জমির খতিয়ান, দলিল ও নকশা সংগ্রহ করবেন।
➥প্রথমত,আপনার জমির খতিয়ান বা পর্চা কোথায় পাবেন.?
জমির পর্চা বা খতিয়ান মূলত চারটি অফিসে পাবেন। তা হলো,
১/ইউনিয়ন ভূমি অফিস।
২/উপজেলা ভূমি অফিস।
৩/জেলা ডিসি অফিস।
৪/সেটেলমেন্ট অফিস।

➤ইউনিয়ন ভূমি অফিস বা তহশিল অফিস। ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যদিও খতিয়ান বা পর্চার বালাম বহি থাকে কিন্তু আপনি এই অফিসে হতে খতিয়ানের কপি নিতে পারবেন না। ইউনিয়ন ভূমি অফিস হতে শুধু খসরা খতিয়ান নিতে পারবেন যেটা আইনত কোন মূল্য নেই তারপরেও এই অফিসটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ আপনার জমির খতিয়ান নাম্বার জানা না থাকলে এই অফিস থেকে জেনে নিতে পারবেন এছাড়া জমির খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর এই অফিসে দিতে হয়।

➤উপজেলা ভূমি অফিস
যদিও উপজেলা ভূমি অফিসের মূল কাজ নামজারী বা খারিজ বা মিউটেশন করা তবে খসরা খতিয়ান তুলতে পারবেন। এই অফিস হতেও খতিয়ানের সার্টিফাইড পর্চা বা কোর্ট পর্চা তুলতে পারবেন না।

➤জেলা ডিসি অফিস
এই অফিস হতে পর্চা বা খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি সংরক্ষণ করতে পারবেন। এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব সর্বাধিক। সব জায়গায় এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব রয়েছে।

➤সেটেলমেন্ট অফিস
শুধুমাত্র নতুন রেকর্ড বা জরিপের পর্চা / খতিয়ান এই অফিস হতে সংগ্রহ করা যাবে।
পাশাপাশি নতুন রেকর্ড এর ম্যাপ ও সংগ্রহ করা যায়।
❖প্রশ্নঃ খতিয়ান তুলতে কত টাকা লাগবে.?
উত্তরঃ সি এস, এস এ, আর এস, এর জন্য কত টাকা দিতে হবে তা নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর। তবে সিটি জরিপের জন্য 100 টাকা খরচ হবে।
➥দ্বিতীয়ত, আপনার জমির দলিল বা বায়া দলিল কোথায় পাবেন?
দলিল বা দলিল এর সার্টিফাইড কপি বা নকল মূলত দুটি অফিস হতে সংগ্রহ করা যায়, তা হলো।
১/উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস।
২/জেলা রেজিস্ট্রি বা সদর রেকর্ড রুম অফিস।

➤উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস
যেখানে নতুন দলিল রেজিস্ট্রেশন করা হয় এই অফিস হতে নতুন দলিলের নকল ও মূল দলিল পাওয়া যায়। কিন্তু পুরাতন দলিল বা বায়া দলিল এই অফিসে পাওয়া যায় না।

➤জেলা রেজিস্ট্রি অফিস বা সদর রেকর্ড রুম।
এই অফিসে নতুন বা পুরাতন দলিলের সার্টিফাইড কপি বা নকল পাওয়া যায়।
❖ প্রশ্নঃ দলিল তুলতে কত টাকা খরচ হয়.?
উত্তরঃ সরকারি খরচ যদিও সামান্য কিন্তু নকলের খরচ নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর।
➥ আপনার জমির মৌজা ম্যাপ বা নকশা কোথায় পাবেন?
সাধারণত ম্যাপ বা নকশা দুইটি অফিসে পাবেন, তা হলো
১/জেলা ডিসি অফিস
২/ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর ( DLR) অফিস, ঢাকা।

➤জেলা ডিসি অফিস:
এই অফিস হতে সিএস, এসএ, আরএস, বিএস যেকোনো মৌজা ম্যাপ সংগ্রহ করা যাবে।
সংগ্রহ করতে যা লাগবে আবেদন ফরম + 20 টাকার কোর্ট ফি এবং 500 টাকা নগদ জমা বাবদ বা ডি.সি.আর বাবদ। অর্থাৎ 530 টাকায় মৌজা ম্যাপ তুলতে পারবেন।

➤ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, (তেজগাঁও সাতরাস্তার মোড়), ঢাকা।
সারা বাংলাদেশের যে কোনো মৌজা ম্যাপ সিএস, এসএ, আরএস, বিএস, জেলা ম্যাপ, বাংলাদেশ ম্যাপ উক্ত অফিস হতে তুলতে পারবেন।
এই অফিসের ম্যাপের গ্রহণযোগ্যতা ও অনেক বেশি। সারা বাংলাদেশের যে কোন ম্যাপ এই অফিসে পাওয়া যায়। ম্যাপ তুলতে খরচ আবেদন ফরম + কোর্ট ফি + ডি.সি.আর মোট= ৫৫০/= টাকা মাত্র।

Send a message to learn more

07/09/2024

রেজিস্টার অফ জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মস (RJSC) এ বিভিন্ন ধরনের কাজের জন্য বিভিন্ন ফর্ম ব্যবহার করা হয়।
নিচে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফর্ম ও তাদের কাজের বিবরণ দেওয়া হলো:

# # # ১. *ফর্ম IX (Form IX)*
- *কাজ:* কোম্পানির ডিরেক্টর বা ম্যানেজারদের নাম, ঠিকানা, এবং অন্যান্য তথ্য পরিবর্তনের জন্য ব্যবহৃত হয়।

# # # ২. *ফর্ম X (Form X)*
- *কাজ:* কোম্পানির সেক্রেটারি নিয়োগ বা পদত্যাগের জন্য ব্যবহৃত হয়।

# # # ৩. *ফর্ম XII (Form XII)*
- *কাজ:* শেয়ারহোল্ডারদের নামের তালিকা এবং তাদের শেয়ারের পরিমাণ জানাতে ব্যবহৃত হয়।

# # # ৪. *ফর্ম XVIII (Form XVIII)*
- *কাজ:* কোম্পানির রেজিস্টার্ড অফিসের ঠিকানা পরিবর্তনের জন্য ব্যবহৃত হয়।

# # # ৫. *ফর্ম XX (Form XX)*
- *কাজ:* কোম্পানির শেয়ার ক্যাপিটাল বৃদ্ধি বা হ্রাস করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

# # # ৬. *ফর্ম XXIII (Form XXIII)*
- *কাজ:* কোম্পানির স্মারকলিপি বা আর্টিকেল অব অ্যাসোসিয়েশন পরিবর্তনের জন্য ব্যবহৃত হয়।

# # # ৭. *ফর্ম ###VI (Form ###VI)*
- *কাজ:* কোম্পানি ডিসলিউশন বা বন্ধের জন্য ব্যবহৃত হয়।

# # # ৮. *ফর্ম 117*
- *কাজ:* কোম্পানির শেয়ারহোল্ডার বা শেয়ার ট্রান্সফার সম্পর্কিত তথ্য জানাতে ব্যবহৃত হয়।

# # # ৯. *ফর্ম 117A*
- *কাজ:* শেয়ার ট্রান্সফারের আপডেটের জন্য ব্যবহৃত হয়।

প্রতিটি ফর্মের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা এবং নির্দিষ্ট ফি প্রযোজ্য হয়, যা RJSC-এর গাইডলাইন অনুযায়ী জমা দিতে হবে। এসব ফর্ম RJSC-এর ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করা যায় এবং সেগুলো পূরণ করে সাবমিট করতে হয়।
ধন্যবাদান্তে,
মাই উকিল সিস্টেম
রিপন চন্দ্র ভৌমিক
অ্যাডভোকেট
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট

কোম্পানি আইন বিষয়ে যে কোন তথ্যের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন।

Send a message to learn more

07/09/2024

আদালত অবমাননা কি ? বিস্তারিত আলোচনা।

রাষ্ট্রের অন্যান্য সকল প্রতিষ্ঠানের চেয়ে আদালতের সম্মান বা মর্যাদা একটু আলাদা। আদালতকে যথাযথ সম্মান প্রদর্শন না করলে বিচার-আচারের প্রতি সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধাবোধ থাকে না ফলে আইনের শাসন প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে আর এ কারণে আদালত অবমাননা বিষয়টি সকলের নিকট যেমন আলোচিত, তেমনি অনেক গুরুত্বপূর্ণও বটে। কিন্তু বর্তমানে প্রচলিত আইনে (দ্য কনটেম্পট অব কোর্টস অ্যাক্ট, ১৯২৬) আদালত অবমাননার কোনো সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা প্রদান করা হয়নি। এর ফলে আদালত অবমাননা বুঝতে বিভিন্ন সময়ে উচ্চ আদালতের দেওয়া আদেশ, নির্দেশ বা পর্যবেক্ষণের ওপর নির্ভর করতে হয়।

সাধারণত আদালত অবমাননা হতে পারে তিনভাবে।

প্রথমতঃ আদালতের অভ্যন্তরে বিচারিক কার্যক্রম চলা অবস্থায় ইচ্ছাকৃতভাবে আদালত বা বিচারককে উদ্দেশ করে ‘অবমাননাকর’ কিছু বলা বা আদালতের কাজে বিঘ্ন সৃষ্টি করা।

দ্বিতীয়তঃ আদালতের দেওয়া কোনো রায়, আদেশ বা নির্দেশ অমান্য করা ।

তৃতীয়তঃ আদালতের বাইরে কোনো সভা–সমাবেশে অথবা সংবাদমাধ্যম বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অথবা অন্য কোথাও আদালত বা বিচারক বা বিচারকার্য নিয়ে ‘মর্যাদাহানিকর’ বক্তব্য প্রদান করা।

বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন হলো এর সংবিধান। সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদে সুপ্রীম কোর্টকে ‘কোর্ট অব রেকর্ড’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

একই সঙ্গে এই অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে সুপ্রীম কোর্টকে তাঁর অবমাননার জন্য তদন্তের আদেশদান বা দণ্ডাদেশের ক্ষমতাসহ আইন সাপেক্ষে অনুরূপ আদালতের সব ক্ষমতার অধিকারী করা হয়েছে। তাই সুপ্রীম কোর্ট চাইলে যেকোনো আদালত অবমাননার ঘটনা আমলে নিতে এবং বিচার করতে পারবেন।

আদালত অবমাননা বিষয়ে আইনঃ
ব্রিটিশ শাসনামলে আদালত অবমাননা আইন, ১৯২৬ প্রণয়ন করা হয়েছিল। এ আইনটিতে দণ্ডের কথা উল্লেখ থাকলেও আদালত অবমাননার ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। এর ফলে এটা ছিল অনেকটা আদালতের ‘ইচ্ছাধীন’ বিষয়। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের উত্তরাধিকার হিসেবে আমাদের দেশের মতো ভারত ও পাকিস্তানেও একই আইন প্রচলিত ছিল।

ভারতে ১৯৭১ সালে এবং পাকিস্তানে ১৯৭৪ সালে এ বিষয়ে নতুন করে আইন প্রণয়ন করা হয়। আদালত অবমাননা বিষয়টিকে সুনির্দিষ্ট করতে প্রথমে ২০০৮ সালে আদালত অবমাননা অধ্যাদেশ এবং পরে ২০১৩ সালে আদালত অবমাননা আইন প্রণয়ন করা হয়। কিন্তু হাইকোর্ট ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে আদালত অবমাননা আইনটিকে অবৈধ ঘোষণা করে। এর প্রায় ৯ বছর পর ২০২২ সালের নভেম্বরে আদালত অবমাননা নিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়। এ রায়ের বিরুদ্ধে আদালতের কোনো স্থাগিতাদেশ না থাকায় আদালত অবমাননা আইন, ১৯২৬ বহাল থেকে যায়।

আদালত অবমাননার শাস্তিঃ
১৮৬০ সালের দণ্ডবিধি আইনের ২২৮ ধারামতে, কোনো সরকারি কর্মচারী কোনো বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের যেকোনো পর্যায়ে দায়িত্বপালনকালে কোনো ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁকে (দায়িত্বরত ব্যক্তিকে) ‘অপমান’ করেন বা কাজে বাধা দেন, তবে অভিযুক্ত ব্যক্তি সর্বোচ্চ ছয় মাস পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোনো পরিমাণ অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। ফৌজদারি আইনের ৩৫ অধ্যায়ের বিধান অনুসারে, বিচারকার্য সমাপ্তির পূর্বে আদালতের সামনে ‘অবমাননা’ ঘটলে অনধিক ২০০ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে ১ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিতে পারেন।

তবে ক্ষেত্রবিশেষে আদালত অবমাননার অভিযোগে অনধিক ছয় মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা এক হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করতে পারেন। এ ছাড়া আদালত অবমাননা আইন, ১৯২৬ অনুসারে অবমাননাকারীকে অনধিক ৬ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা ২ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করে আদালত সাজা দিতে পারেন।

সেক্ষেত্রে ঐ ব্যক্তিকে আদালত নোটিসের মাধ্যমে কারণ দর্শাতে বলতে পারেন। এতে সন্তুষ্ট না হলে আদালত দণ্ডারোপ করতে পারেন। কিন্তু এ ধরনের অপরাধে কেউ আদালতের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করলে আদালত তাঁকে বিশেষ সতর্ক করে ক্ষমা করারও এখতিয়ার রাখেন।

ধন্যবাদান্তে,
মাই উকিল সিস্টেম
রিপন চন্দ্র ভৌমিক
আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।

শেয়ার করে আপনার টাইমলাইনে রেখে দিন অন্যকে জানার সুযোগ করে দিন।

Send a message to learn more

07/09/2024

আসুন জেনে নিই মূসক কি?
মূল্য সংযোজন কর বা মূসক হচ্ছে বাংলাদেশে সরবরাহকৃত পণ্য বা সেবা মূল্যের উপর ১৫% হারে আরোপিত একটি কর। অব্যাহতিপ্রাপ্ত পণ্য বা সেবা ব্যতীত বাংলাদেশে উৎপাদিত, সরবরাহকৃত বা আমদানীকৃত সকল পণ্য ও সেবার উপর মূসক প্রযোজ্য। বাংলাদেশের ভেতরে সম্পাদিত লেনদেনের জন্য যিনি পন্য সরবরাহ বা সেবা প্রদান করছেন তার কাছ থেকে মূসক আদায় করা হয়ে থাকে। তাদেরকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আওতাধীন ভ্যাট অফিসে নিবন্ধিত হতে হবে এবং কর মেয়াদের শেষে কর ও দাখিলপত্র প্রদান করতে হবে।
ধন্যবাদান্তে,
মাই উকিল সিস্টেম

Send a message to learn more

07/09/2024

আগাম জামিন কখন নিবেন? কেন নেবেন ? কোথা থেকে নেবেন?

সাধারণভাবে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি করলে পুলিশ কর্তৃক আসামি গ্রেপ্তার হওয়ার পরেই জামিনের জন্য আবেদন করেন অথবা আসামিকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিলে আসামি আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করেন।

কিন্তু কিছু কিছু ক্ষেত্রে অভিযোগকারী কর্তৃক থানায় অভিযোগ দায়েরের পর পুলিশ আদালতের ওয়ারেন্ট ছাড়াই আসামীকে গ্রেফতার করতে এবং পরে এই সকল ক্ষেত্রে পুলিশ আসামিকে গ্রেপ্তারের পর থানার ভিতরে পুলিশ কর্তৃক শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে পারে সুতরাং থানায় মামলা করার পর আসামিকে ধরে নির্যাতন থেকে বাঁচার জন্য হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নিতে হয় কারণ আগাম জামিন নিলে তখন পুলিশ গ্রেফতার করতে পারে না । এছাড়া পুলিশ জোর করে স্বীকারোক্তি আদায় করতে পারে। ক্রস ফায়ারও ঘটতে পারে। অনেক সময় পুলিশ আসামীকে ম্যাজিস্ট্রেট এর সামনে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদানে বাধ্য করতে পারে।

আবার অনেক সময় আমলী আদালত মামলা দায়েরের পর সরাসরি আসামি বরাবর ওয়ারেন্ট ইস্যু করে । আমলী আদালত এরকম ওয়ারেন্ট ইস্যু করলেও আগামজামিন নেওয়ার সুযোগ আছে।

বাংলাদেশে আগাম জামিন প্রদানের ক্ষমতা সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ এবং অধস্তন আদালতের থাকলেও অনুশীলন কেবলমাত্র হাইকোর্ট ডিভিশনেরই আছে এবং হাইকোর্ট ডিভিশন বর্তমান সর্বোচ্চ ৮ সপ্তাহের জন্য আগাম জামিন প্রদান করেন এবং সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে হাজির হয়ে স্থায়ী জামিন গ্রহণের নির্দেশনা দিয়ে থাকেন।

হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নিলে সুবিধা হলো হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন মঞ্জুর হলে অধস্তন আদালতে জামিন মঞ্জুর হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে।
সূত্র- 17 ALR (AD) 59
ধন্যবাদান্তে,
মাই উকিল সিস্টেম

Send a message to learn more

05/09/2024

মিথ্যা যৌতুক বা নারী নির্যাতনের মামলায় আপনার করনীয়:

আমাদের সমাজে নারী নির্যাতনের ঘটনা অস্বীকার করার কোন অবকাশ নেই। বাংলাদেশের সর্বত্র নারী নির্যাতনের ঘটনা খুবই নিত্যনৈমিত্তিক। আর এজন্যই নারী নির্যাতনকে প্রতিরোধ করার জন্য ২০০০ সালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন পাশ হয়।

বাংলাদেশে নারী নির্যাতনের বেশিরভাগ মামলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এর ১১গ ধারায় করা হয়। ১১গ ধারায় যৌতুকের জন্য নির্যাতনের কথা বলা হয়েছে কিন্তু এই ধারার এখন সারা বাংলাদেশে অপপ্রয়োগ হচ্ছে। যেমন:
১) সংসারে বনিবনা হচ্ছে না এই ধারায় মামলা হচ্ছে।
২) স্ত্রী আর সংসার করতে চাই না কিন্তু দেনমোহর আদায়ের জন্য এই ধারায় মামলা হচ্ছে।

নারী নির্যাতনের মামলা সাধারণভাবে থানায় দায়ের করা হয় কিন্তু থানা যদি মামলা নিতে অস্বীকার করে তখন অভিযোগকারী কোর্টে গিয়ে মামলা করেন।

মামলা যদি থানায় করে তখন করনীয়:

থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ কর্তৃক আসামি গ্রেপ্তার হওয়ার আশংকা থাকে কারণ এই মামলায় পুলিশ বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেপ্তার করতে পারে। সুতরাং মামলা হয়েছে এটা জানার পর পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার এড়াতে খুব দ্রুত হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নিতে হবে। আগাম জামিন না নিলে অনেক সময় পুলিশ গ্রেফতার করার পর নির্যাতন করতে পারে।

আগাম জামিন নেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট নিম্ন আদালতে গিয়ে আবার জামিন নিতে হবে।
আগাম জামিন নেওয়ার পর মামলাটির ভিত্তি যদি খুব দুর্বল হয় অথবা মামলার ঘটনা মিথ্যা হয় তাহলে মামলাটি বাতিল করার জন্য হাইকোর্ট এ আসতে হবে।

মামলাটি আদালতে দায়ের করা হলে:

মামলাটি আদালতে দায়ের করা হলে হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিনের কোন প্রয়োজন নেই। তখন সংশ্লিষ্ট আদালতে হাজির হওয়ার পর জামিন নিতে হবে। আদালত যদি জামিন নামঞ্জুর করে তাহলে হাইকোর্টে আসতে হবে।

জামিন নেওয়ার পর মামলাটি যদি হয়রানি মূলক বা মিথ্যা হয় তাহলে হাইকোর্ট থেকে মামলাটি বাতিল করার পদক্ষেপ নিতে হবে।
মামলা স্থানান্তর: এক জেলার মামলা অন্য জেলায় স্থানান্তর করা যায়। আর এজন্যও হাইকোর্টে আসতে হবে।

হাইকোর্ট যদি মনে করেন মামলা করার কোন ভিত্তি নেই তাহলে হাইকোর্ট মামলা বাতিল করার ক্ষমতা রাখেন।

বাংলাদেশে স্ত্রীকে তালাক দেয়ার পরপরই তালাক দাতা ও তার পরিবারেকে শায়েস্তা করার জন্য তালাকের বিষয় গোপন করে থানা কিংবা কোর্টে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়ে থাকে।

শুরুতেই জানার চেস্টা করতে হবে মামলাটি থানায় না-কি কোর্টে পিটিশন আকারে হয়েছে। এর পর মামলার কপিটি সংগ্রহের চেষ্টা করতে হবে। মামলাটি যদি থানায় হয়, তাহলে তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে তালাকের কপিসহ মিথ্যা মামলার ডকুমেন্টসগুলো প্রদান করতে হবে। পুলিশ আপনার বিরুদ্ধে অভিযোগটির সত্যতা না পেলে আপনাকে নির্দোষ দেখিয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে পারেন।

আর তদন্তকারী কর্মকর্তা যদি এ কাজটি না করে চার্জশীট দাখিল করেন, তাহলে আপনি বিচারিক আদালতে মামলা থেকে অব্যাহতির জন্য আবেদন করতে পারেন। অব্যাহতির আবেদন কোন কারণে নাকচ হলে উচ্চ আদালতে প্রতিকার চাইতে পারেন।

আর যদি থানায় মামলা না হয়ে আদালতে সি.আর বা পিটিশন মামলা দায়ের হয়, তাহলে আদালত সমন দিতে পারেন কিংবা গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করতে পারেন। এ ক্ষেত্রেও আদালতে একজন আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইতে পারেন। ক্ষেত্র বিশেষে হাইকোর্ট বিভাগ থেকে আগাম জামিন নিতে পারেন।

আপনার স্ত্রী কিংবা স্ত্রীর পরিবারের কেউ আপনাকে ক্ষতিসাধনের ইচ্ছায় মিথ্যা যৌতুকের মামলা করেন কিংবা মামলা করাতে সহায়তা করলে, যিনি মিথ্যা মামলা করেছেন বা করতে সহযোগিতা করেছেন তারা প্রত্যেকে ৫ বছরের কারাদণ্ড বা অনধিক ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। তবে এ মামলাটি করতে হবে যখন আপনি মিথ্যা মামলার দায় থেকে বেকসুর খালাস পাবেন। তারপর আদালতে আবেদনের মাধ্যমে মামলাটি করতে হবে। যৌতুক নিরোধ আইন ৬ ধারায় এ কথাগুলো স্পষ্ট করে বলা আছে।

মনে রাখবেন যৌতুকের অভিযোগে যে কেবল স্ত্রীই মামলা করতে পারবেন, তা নয়, স্ত্রী যদি আপনার কাছে যৌতুক দাবি করেন, আপনিও স্ত্রীর বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধ আইনে মামলা করতে পারেন।

এবার জেনে নিই তালাকের পর আপনার স্ত্রী যৌতুক মামলা করলে সে মামলার ফলাফল কি হবে। যৌতুকের অপরাধ প্রমাণ করতে হলে ঘটনার তারিখ থেকে এক বৎসর কাল সময়ের মধ্যে যৌতুকের মামলা করতে হয়। উক্ত সময় অতিক্রান্তের পর মামলা রুজু করলে তা সম্পূর্ণ বেআইনী হবে এবং ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৬১ (এ) ধারামতে বাতিল যোগ্য হবে। (১৬ বিএলডি, এডি, ১১৮)। এজন্য তালাক প্রাপ্তির পর মামলা হলে বাদীপক্ষ থেকে মামলা প্রমাণ করা মুশকিল হয়ে পড়ে।

দন্ড বিধির ২১১ ধারা অনুযায়ী মিথ্যা মামলা করা একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আপনি নির্দোষ প্রমাণিত হলে মিথ্যা অভিযোগকারী বা মামলা দায়েরকারীর বিরুদ্ধে আপনি পাল্টা মামলা করতে পারেন। এছাড়া দণ্ডবিধির ১৯১ ও ১৯৩ ধারায় মিথ্যা সাক্ষ্যদানের শাস্তির জন্য সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদণ্ডসহ অর্থদণ্ডের কথা উল্লেখ আছে।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০-এর ১৭ ধারায়ও মিথ্যা মামলা দায়েরের শাস্তির কথা উল্লেখ আছে। এখানে বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি কারও ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে এই আইনের অন্য কোনো ধারায় মামলা করার জন্য আইনানুগ কারণ না জেনেও মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেন অথবা অভিযোগ করান, তবে সেই অভিযোগকারী অনধিক সাত বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং অতিরিক্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। কাজেই তালাকের পর যদি মিথ্যা মামলার শিকার হন, তাহলে আইন ও আদালতের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে মামলাটি লড়ে যান।

ধন্যবাদান্তে,
মাই উকিল সিস্টেম
রিপন চন্দ্র ভৌমিক
আইনজীবী,
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।

শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিন।

Send a message to learn more

05/09/2024

নারী কর্তৃক পুরুষ নির্যাতন এবং বাংলাদেশের আইন :

বাংলাদেশের পুরুষদের একটা বিরাট অংশ বহুদিন ধরে পুরুষ নির্যাতনের জন্য আলাদা আইন প্রণয়নের দাবি উত্থাপন করছে। তাদের দাবি নারী নির্যাতনের জন্য আলাদা আইন থাকলেও বাংলাদেশে পুরুষ নির্যাতনের কোন আলাদা আইন নেই। তারা আরও বলে যে বাংলাদেশে পুরুষদের একটি বিশাল অংশ নারী কর্তৃক নির্যাতনের শিকার হচ্ছে।

বিষয়টি ব্যাখ্যা করার জন্য চারটি আইনের উল্লেখ করা অবশ্যক।

১। দণ্ডবিধি, ১৮৬০
২ । নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০
৩। যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৮
৪। পারিবারিক সহিংসতা নিরোধ আইন, ২০১০

দণ্ডবিধি, ১৮৬০ অনুসারে শারীরিকভাবে নির্যাতনের শিকার হলে পুরুষ কিংবা স্ত্রী যেই হোক এই আইনের মাধ্যমে মামলা করতে পারবে। এই আইনের 323 ধারা, 324 ধারা, 325 ধারা 326 ধারা অনুসারে শারীরিকভাবে নির্যাতিত পুরুষ কিংবা স্ত্রী মামলা করতে পারবে।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুসারে কেবল নারী ও শিশু যৌতুকের জন্য শারীরিকভাবে নির্যাতনের শিকার হলে মামলা করতে পারবে। পুরুষ এ আইন অনুসারে কোন মামলা করতে পারেনা । নারীদের জন্য দণ্ডবিধিতে প্রতিকার থাকা সত্ত্বেও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করার সুযোগ আছে শুধু মাত্র যৌতুকের জন্য নির্যাতনকে প্রতিরোধ করার জন্য। বাংলাদেশ যৌতুকের জন্য নারী নির্যাতনের ঘটনা অহরহ কিন্তু যৌতুকের জন্য পুরুষ নির্যাতনের ঘটনা খুবই বিরল। আর যদি নির্যাতনের শিকার হয়ও তবে দণ্ডবিধি অনুসারে প্রতিকার পেতে কোন বাধা নেই।

যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৮ অনুসারে স্ত্রী এবং পুরুষ উভয়েই মামলা করার অধিকার রাখে।এই আইন অনুসারে বিবাহ বলবৎ রাখার শর্তে বিবাহের যে কোন পক্ষ যদি যৌতুক দাবি করে তাহলে যে কোনো পক্ষই মামলা করার অধিকার রাখে সুতরাং এই আইন অনুসারে নারীরা যেমন মামলা করতে পারবে ঠিক পুরুষও তেমন মামলা করতে পারবে সুতরাং এই আইনের ভিতরে নারী-পুরুষ কোন বৈষম্য নেই। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলেও সত্য যে বাংলাদেশের বেশিরভাগ বিচারক, আইনজীবী এবং সাধারণ মানুষ মনে করে যে, এই আইন অনুসারে কেবল নারীরাই মামলা করতে পারবে।

পারিবারিক সহিংসতা আইন, ২০১০ অনুসারে কেবলমাত্র নারী এবং শিশুরাই মামলা করতে পারে। সত্যিকার অর্থে এই আইনের অধীনে মামলা করলে আসামির কোন সাজা হয় না বরং আদালত আসামিকে সহিংসতা বন্ধ করার জন্য একটি আদেশ প্রদান করে। এই আদেশ ভঙ্গ করলেই কেবল তাকে শাস্তি দেওয়া যায় সুতরাং এই আইনটা অনেক দুর্বল আইন। এই আইনে মামলা হয় না বললেই চলে। মূলত বিবাহ বিদ্যমান থাকা অবস্থায় কিভাবে পারিবারিক সহিংসতা রোধ করা যায় এ কথা চিন্তা করেই এই আইন প্রণয়ন করা হয়েছিল।

সত্যিকার অর্থে পুরুষদের অভিযোগ হলো তারা নারী কর্তৃক শারীরিক নয় বরং মানসিক ভাবে নির্যাতিত হচ্ছে। মানসিকভাবে নির্যাতিত হলে বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে কোনো প্রতিকার না থাকলেও মানসিক নির্যাতনে অবসাদগ্রস্ত ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তালাক প্রদান করতে পারে। আর যদি কোন পুরুষ, স্ত্রী কর্তৃক শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয় তাহলে দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ৩২৩, ৩২৪, ৩২৫, ৩২৬ ধারা অনুসারে প্রতিকার পেতে পারে।

শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিন।
অন্যদের জানার সুযোগ তৈরি করুন।

ধন্যবাদান্তে,
মাই উকিল সিস্টেম
রিপন চন্দ্র ভৌমিক
আইনজীবী
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।

Send a message to learn more

05/09/2024

বন্ধকী সম্পত্তি নিলামে উঠলে আপনার করণীয়:

মানুষ বিভিন্ন সময়ে টাকার প্রয়োজনে ব্যাংক অথবা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ গ্রহণ করে। কোন ব্যক্তিকে ব্যাংক অথবা কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ গ্রহণ করতে নিজের বসত-বাড়ি কিংবা অন্য কোন সম্পত্তি সংশ্লিষ্ট ব্যাংক অথবা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বন্ধক রাখতে হয়।

বসত-বাড়ি কিংবা অন্য কোন সম্পত্তি ব্যাংকের কাছে বন্ধক রাখার ফলে ব্যাংক আপনার কাছ থেকে উক্ত সম্পত্তির আমমোক্তারনামা নিয়ে রাখে । আমমোক্তারনামা নিয়ে রাখার কারণে আপনি যদি ঋণ খেলাপি হিসেবে গণ্য হন তাহলে ব্যাংক অথবা আর্থিক প্রতিষ্ঠান আপনার সম্পত্তি নিলাম ডেকে বিক্রি করতে পারবেন। ব্যাংক থেকে গৃহীত টাকা দিতে যদি আপনি অক্ষম হন তাহলে আপনি ঋণ খেলাপি হিসেবে গণ্য হবেন।
আপনি যদি ঋণ খেলাপি হিসেবে গণ্য হন তাহলে ব্যাংক আমমোক্তারনামা বলে আপনার বন্ধক রাখা বসত-বাড়ি কিংবা অন্য কোন সম্পত্তি বিক্রি করতে পারবেন।নিলামের জন্য ব্যাংক কিংবা আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে হয়। অনেক সময় ব্যাংক অথবা আর্থিক প্রতিষ্ঠান কোন প্রকার পূর্ব নোটিশ ছাড়াই নিলামের বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে।

শেষ মুহূর্তে আপনার বসত-বাড়ি কিংবা অন্য কোন সম্পত্তিকে নিলামের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার একমাত্র মোক্ষম উপায় হলো বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে রিট দায়ের করা। বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে রিট দায়ের করে এই নিলাম বন্ধ করা সম্ভব।
শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ করে দিন
ধন্যবাদান্তে,
মাই উকিল সিস্টেম

Send a message to learn more

05/09/2024

গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্ত আসামি কেন জামিন পাবে?

আদালতে সময়মত হাজির করার শর্তে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে সাময়িকভাবে আইনগত হেফাজত থেকে মুক্তি প্রদান করাকে জামিন বলে। মামলার যেকোন পর্যায়ে জামিন মঞ্জুর করা যায়। এমনকি বিচার শুরু হবার পরও জামিন মঞ্জুর করা যায়।

কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন অপরাধের অভিযোগ থাকলেই তাকে দোষী বলা যায় না। আদালতে অপরাধ প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত তাকে নির্দোষ ধরতে হবে এটাই আইনের নীতি। তাই দোষী প্রমানিত হবার পুর্বে কাউকে আটকে রাখা হলে তা ন্যায় বিচারের পরিপন্থি হবে।

এছাড়া অভিযুক্ত ব্যাক্তি আটক থাকলে তার সামাজিক,পারিবারিক,শারিরিক,
মানসিক নানাবিধ সমস্যা হতে পারে। তাই অহেতুক তাকে আটক রাখা আইনে সমর্থনীয় নয়। আবার বিচারের সময় অপরাধীকে আদালতে থাকা প্রয়োজন, তাই বিচারের সময় তার উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য ফৌজদারি কার্যবিধিতে জামিনের বিধান রাখা হয়েছে।

আদালত জামিন মঞ্জুরে আইন ও সুবিবেচনামূলক এখতিয়ার প্রয়োগের ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত বিষয় সমূহ বিবেচনায় নেন:
১। সাধারণত আসামী পুরুষ, মহিলা, শিশু ও বয়স্ক কিনা।
২। আসামিকে জামিন দিলে মামলার তদন্তে বিঘ্ন বা মামলা পরিচালনায় অন্য কোন সমস্যা হবে কিনা?
৩। আসামী রোগাক্রান্ত অথবা জখম প্রাপ্ত কিনা।
৪। জামিন পেলে আসামী সুবিধাজনক জায়গায় চলে যাবে কিনা?
৫। জামিন দিলে আসামী পলাতক হবে কিনা?
৬। জামিন না পেলে আসামীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পরবে কিনা?
৭। আনীত অভিযোগ ঘৃন্য বা জঘন্য কিনা?
৮। দুর্ধর্ষ বা অভ্যাস গত অপরাধী হিসেবে আসামীর দুর্নাম আছে কিনা? ৯। আসামীর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ যুক্তিসংগত মনে হয় কিনা?
১০। আসামী হাজতে থাকলে তার পরিবার অনাহারে থাকবে কিনা?
১১। আসামীর নাম এজহারে আছে কিনা?
১২। আসামী কার্যবিধি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোকতিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে কিনা?
১৩। আসামী পুলিশ কতৃক ধৃত হয়ে ,নাকি স্বেচ্চায় আত্মসমর্পন করেছে ?
১৪। আসামী হাতেনাতে ধৃত কিনা, আসামির নিকট হতে কৌন অবৈধ মালামাল উদ্ধার করেছে কিনা?
১৫। আসামীর হাজত বাস দীর্ঘ সময় ধরে কিনা?
১৬। মামলাটি পক্ষদ্বয়ের মধে কোন পূর্ব শত্রুতার জের কিনা বা পাল্টাপাল্টি মামলা কিনা?

ফৌজদারী কার্যবিধি অনুসারে আসামী মুক্তি পেতে পারে;

(ক) জামিন যোগ্য অপরাধঃ

ধারা ৪৯৬। জামিনের অযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি ব্যতীত অপর কোন ব্যক্তি কোন থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার কর্তৃক বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতার হলে বা আটক থাকলে, বা আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করা হলে, সে যদি উক্ত অফিসারের হেফাজতে থাকার সময় বা উক্ত আদালতের কার্যক্রমের কোন পর্যায়ে জামানত দিতে প্রস্তুত থাকে তা হলে তাকে জামিনে মুক্তি দেয় তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত অফিসার বা আদালত উপযুক্ত মনে করলে তার নিকট হতে জামানত গ্রহণের পরিবর্তে সে অতঃপর বর্ণিতভাবে হাজির হবার জন্য জামিনদার ব্যতীত মুচলেকা সম্পাদন করলে তাকে মুক্তি দিতে পারবেন। তবে আরও শর্ত থাকে যে, এই ধারার কোন বিধান ১০৭ ধারার (৪) উপধারা বা ১১৭ ধারার (৩) উপধারার কোন বিধানকে প্রভাবিত করবে বলে গণ্য হবে না।

(খ),জামিন-অযোগ্য অপরাধঃ

ধারা ৪৯৭।যখন জামিনের অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন মঞ্জুর করা যাবেঃ

(১) জামিনের অযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তি থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার কর্তৃক বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতার হলে বা আটক থাকলে অথবা আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করা হলে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া কিন্তু সে মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডনীয় কোন অপরাধে দোষী বলে বিশ্বাস করার যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকলে উক্তরূপে দেওয়া যাবে নাঃ তবে শর্ত থাকে যে, আদালত এইরূপ অপরাধে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তি ষোল বৎসরের কম বয়স্ক বা স্ত্রীলোক বা পীড়িত বা অক্ষম হলে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন।

(২) ক্ষেত্রমতে তদন্ত, ইনকোয়ারী বা বিচারের কোন পর্যায়ে উক্ত অফিসার বা আদলতের নিকট যদি প্রতিয়মান হয় যে, আসামী জামিনের অযোগ্য কোন অপরাধ করেছে বলে বিশ্বাস করার যুক্তিসঙ্গত কারণ নাই, কিন্তু তার অপরাধ-সম্পর্কে আরও ইনকোয়ারির পর্যাপ্ত হেতু রহয়েছে, তাহলে এইরূপ ইনকোয়ারী সাপেক্ষে আসামীকে জামি অথবা উক্ত অফিসার বা আদলত বা আদালতের ইচ্ছানুযাসারে সে অতঃপর বর্ণিতভাবে হাজির হবার জন্য জামিনদার ব্যতীত মুচলেকা সম্পাদন করলে তাকে মুক্তি দিতে পারবেন।

(৩) কোন অফিসার বা আদালত (১) উপধারা বা (২) উপধারা অনুসারে কোনব্যক্তিকে মুক্তি দিলে তার ঐরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।

(৪) জামিনের অযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিচার সমাপ্ত হবার পর এবং রায় দানের পূর্বে কোন সময় আদালত যদি মনে করেন যে, আসামী উক্ত অপরাধে দোষী নয় বলে বিশ্বাস করার যুক্তিসঙ্গত কারণ রয়েছে, তা হলে আসামী হাজতে থাকলে রায় শ্রবণের উদ্দেশ্যে হাজির হবার জন্য জামিনদার ব্যতীত মুচলেকা সম্পাদনের পর তাকে মুক্তি দিবেন।

(৫) হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালত এবং নিজে মুক্তি দিয়ে থাকলে অন্য কোন আদালত এই ধারা অনুসারে মুক্তিপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে ও তাকে হাজতে প্রেরণ করতে পারবেন।
ধন্যবাদান্তে,
মাই উকিল সিস্টেম

Send a message to learn more

05/09/2024

মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন হলে আপনার করনীয়:

প্রায় সব দেশের সংবিধানে রাষ্ট্রের নাগরিকদের কিছু অধিকারের নিশ্চয়তা দেওয়া থাকে। সংবিধানে উল্লিখিত অধিকারগুলোই একজন নাগরিকের মৌলিক অধিকার। অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা প্রভৃতিকে অনেকেই মৌলিক অধিকার বলে থাকলেও এগুলো হচ্ছে জীবনধারণের মৌলিক উপকরণ। মৌলিক অধিকার নয়।

বাংলাদেশের সংবিধানে তৃতীয় ভাগে নাগরিকের মৌলিক অধিকার নিয়ে বলা হয়েছে। সংবিধানে এ অধ্যায়ের শুরুতেই ২৬ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, মৌলিক অধিকারের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ কোনো আইন করা যাবে না। আর যদি করা হয়, তবে তা বাতিল হয়ে যাবে।

সংবিধানে যেসব মৌলিক অধিকার আছেঃ

আইনের দৃষ্টিতে সমতা এবং আইনের আশ্রয়লাভ: আইনের দৃষ্টিতে প্রত্যেক নাগরিক সমান এবং আইনের সমান আশ্রয়লাভের অধিকারী। রাষ্ট্রের যেকোনো নাগরিকের আইনের আশ্রয়লাভের অধিকার আছে। কোনো ব্যক্তির জীবন, স্বাধীনতা, সুনাম বা সম্পত্তির হানি ঘটে এমন কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে না।

বৈষম্য করা যাবে না এবং সমান সুযোগ:
ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ, বাসস্থান বা পেশাগত কারণে কোনো নাগরিকের প্রতি বৈষম্য করা যাবে না। প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ এবং পদ লাভের ক্ষেত্রে সবার সমান সুযোগ থাকবে এবং বৈষম্য করা যাবে না।

জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার:
আইন অনুযায়ী ব্যতীত কাউকে জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত করা যাবে না।

গ্রেপ্তার ও আটকে রক্ষাকবচ:
কোনো কারণে কাউকে আটক করা হলে, সেটির কারণ জানিয়ে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ দিতে হবে। কোনো অবস্থায় কাউকে ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় হাজতে রাখা যাবে না। আটকের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পার্শ্ববর্তী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আটক ব্যক্তিকে হাজির করে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।

জবরদস্তিমূলক শ্রম নিষিদ্ধ:
ফৌজদারি অপরাধের সাজাপ্রাপ্ত আসামি ছাড়া কাউকে জোর-জবরদস্তি করে কোনো কাজ করানো যাবে না।

বিচার ও দণ্ড:
কেউ কোনো অপরাধ করলে তাঁর বিচার অবশ্যই ওই সময়ে প্রচলিত আইনে করতে হবে। এক অপরাধের জন্য একাধিকবার শাস্তি দেওয়া যাবে না। প্রত্যেক নাগরিকের স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বিচারের অধিকার রয়েছে। কাউকে নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাবে না। কোনোভাবেই নিষ্ঠুর, অমানুষিক বা লাঞ্ছনাকর দণ্ড দেওয়া যাবে না।

চলাফেরার স্বাধীনতা:
দেশের যেকোনো স্থানে অবাধ চলাফেরা, যেকোনো স্থানে বসবাস ও বসতি স্থাপন এবং দেশত্যাগের পর পুনঃপ্রবেশের স্বাধীনতা রয়েছে নাগরিকদের। তবে এ স্বাধীনতা হবে জনস্বার্থে যুক্তিসংগত বাধানিষেধ সাপেক্ষে।

সমাবেশ ও সংগঠনের স্বাধীনতা:
যেকোনো সমাবেশ বা সংগঠনের অধিকার দেওয়া হয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রেও জনশৃঙ্খলা, জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতার স্বার্থ আইন দ্বারা বাধানিষেধ সাপেক্ষে অধিকার ভোগ করতে পারবে।

চিন্তা, বিবেক ও বাক্‌স্বাধীনতা:
রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে আইনের মাধ্যমে যুক্তিসংগত বাধানিষেধ সাপেক্ষে প্রত্যেক নাগরিকের চিন্তা, বিবেক ও বাক্‌স্বাধীনতা থাকবে। সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতাও একটি মৌলিক অধিকার।

পেশা ও ধর্মের স্বাধীনতা:
যেকোনো নাগরিক আইন দ্বারা বাধানিষেধ সাপেক্ষে যেকোনো কাজকে নিজের পেশা হিসেবে বাছাই করতে পারবেন। আইন, জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতার সাপেক্ষে প্রত্যেক নাগরিকের নিজ নিজ ধর্ম পালনের স্বাধীনতা থাকবে।

সম্পত্তির অধিকার:
আইনের মাধ্যমে আরোপিত বাধানিষেধ সাপেক্ষে প্রত্যেক নাগরিক সম্পত্তি অর্জন, ধারণ, হস্তান্তর করতে পারবেন।

গৃহ ও যোগাযোগের অধিকার:
রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলার স্বার্থে আইনের মাধ্যমে আরোপিত বাধানিষেধ সাপেক্ষে প্রত্যেক নাগরিকের নিজ গৃহে নিরাপত্তা লাভের অধিকার থাকবে। চিঠিপত্র ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে গোপনীয়তা রক্ষার অধিকার থাকবে।

মৌলিক অধিকার হরণ হলে আপনার করনীয়ঃ

যদি কোনো কারণে মৌলিক অধিকার থেকে কেউ বঞ্চিত হয়, তাহলে এ ক্ষেত্রে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে রিট আবেদন করার অধিকার রয়েছে।
আদালত চাইলে যিনি মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করেন তাকে আদালতে হাজির করতে পারে। এছাড়া যেকোন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে।
শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিন
ধন্যবাদান্তে,
মাই উকিল সিস্টেম
রিপন চন্দ্র ভৌমিক
আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।

Send a message to learn more

Address

Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when myUKIL posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to myUKIL:

Share

Category