Md. Kamal Hossain & Associates

Md. Kamal Hossain & Associates Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Md. Kamal Hossain & Associates, Lawyer & Law Firm, Eastern Commercial Complex, Kakrail/Dhaka, Dhaka.

This Chamber is run by highly qualified and experienced Advocates and Barristers dealing with all legal matters such as- Civil, Criminal ,Writ, Company, Admirulty, VAT, Customas, Income Tax refference, Family matters including Marriage and Divorce.

ব্যস্ততা যখন পুরোটা জুড়ে..!!
18/10/2022

ব্যস্ততা যখন পুরোটা জুড়ে..!!

17/10/2022

স্টাফ-রিপোর্টারঃ মুন্সিগঞ্জে পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষ মামলায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা সহ প্রায় ৩৫০ শতাধিক নেতা-কর্মীর...

After a long vacation of 45 days we are back again.
17/10/2022

After a long vacation of 45 days we are back again.

Have a look on it.
03/09/2022

Have a look on it.

আমরা বলতে থাকি, আমরা তো স্বাধীন, যা খুশি করার অধিকার আছে। নীচের ছবিটি দেখুন। এই লোক তার প্রাপ্য বুঝে নিয়েছে।  অন্য ভাগের...
31/08/2022

আমরা বলতে থাকি, আমরা তো স্বাধীন, যা খুশি করার অধিকার আছে। নীচের ছবিটি দেখুন। এই লোক তার প্রাপ্য বুঝে নিয়েছে। অন্য ভাগের সমানই সে নিয়েছে হিসাবে পরিমানে, কিন্তু তা করতে যেয়ে সে অন্যের প্রাপ্য গ্রহনে বিঘ্ন সৃষ্টি করেছে। এ ছাড়াও সে একটা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে যাতে অন্যেরা মানসিক ভাবেও বিরক্ত হচ্ছে।
তার স্বাধীনতার চর্চা অন্যের মানসিক পীড়নের কারন।
এটা হচ্ছে Bad practice of exercising freedom.
এবং এটা আপনি করতে পারেন না। এই ধরনের স্বাধীনতার চর্চা করার অধিকার আপনার নাই।
আপনি given even situation এ যেখান থেকে খুশি আপনার টুকরোটি তুলে নিন - ডান বাম উত্তর দক্ষিণ, কিন্তু ডিজাইন ভেংগে অন্যের স্বস্তি চর্চায় বিঘ্ন ঘটিয়ে নয়। বুদ্ধিমানদের জন্য আছে এতে নিদর্শন!
আমরা স্বাধীনতা আর উচ্ছৃঙ্খলতার পার্থক্যটাই বুঝিনা।

--সংগৃহীত

29/08/2022

মহামান্য আপীল বিভাগ Bangladesh vs Blast 69 DLR (Ad) (2017) 179, মামলার রায়ে বলেন যে,

"(vi) A law enforcing officer shall disclose his identity and if demanded, shall show his identity card to the persons present at the time of arrest."

অর্থাৎ, পুলিশের কাছে কেউ আইডি কার্ড দেখতে চাইলে, পুলিশ তাকে পুলিশের আইডি কার্ড দেখাতে বাধ্য থাকবে।

না দেখালে তা আদালত অবমাননা হবে। এবং পুলিশের নামে মামলা করা যাবে।

Reference - 69 DLR (AD) (2017) 179.

28/08/2022

চেক ডিজঅনারের মামলায় কোনও ব্যক্তিকে জেলে পাঠানো সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদের পরিপন্থি বলে রায়ে পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন হ...

28/08/2022

"বহুল আলোচিত বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদ সদস্যদের হাতে এনে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে দেওয়া আপিল বিভাগের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদনের শুনানির জন্য আগামী ২০ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে। প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে রিভিউ আবেদনের শুনানি হবে।

গত ৮ আগস্ট আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ধার্য করেছেন। রোববার (২৮ আগস্ট) অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড হরিদাস পাল ঢাকা পোস্টকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

২০১৭ সালের ২৪ ডিসেম্বর বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদ সদস্যদের হাতে এনে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে দেওয়া আপিল বিভাগের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন দাখিল করা হয়।

আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় রাষ্ট্রপক্ষ ৯০৮ পৃষ্ঠার এ রিভিউ আবেদনে ষোড়শ সংশোধনীর পক্ষে ৯৪টি যুক্তি দেখিয়ে আপিল বিভাগের রায় বাতিল চাওয়া হয়েছে।

২০১৭ সালের ৩ জুলাই তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির আপিল বেঞ্চ ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করেন।

২০১৭ সালের ৮ মে ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি শুরু হয়। ধারাবাহিকভাবে ১১ দিন শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

আপিল শুনানিতে আদালতে মতামত উপস্থাপনকারী ১০ অ্যামিকাস কিউরির (আদালতের বন্ধু) মধ্যে শুধু ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর পক্ষে মত দেন।

অপর নয় অ্যামিকাস কিউরি ড. কামাল হোসেন, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এম আই ফারুকী, আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া, প্রাক্তন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এফ এম হাসান আরিফ ব্যারিস্টার এম. আমিরুল ইসলাম, বিচারপতি টিএইচ খান, ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ, ফিদা এম কামাল, এ জে মোহাম্মদ আলী সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর বিপক্ষে তাদের মতামত তুলে ধরেন।

২০১৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি ষোড়শ সংশোধনীর আপিল শুনানিতে অ্যামিকাস কিউরি নিয়োগ দেন আপিল বিভাগ।

২০১৬ সালের ১১ আগস্ট সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে দেওয়া রায় সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। পরে এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন রাষ্ট্রপক্ষ।

২০১৬ সালের ৫ মে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী, বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ বলে রায় ঘোষণা করেন।

রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আইনসভার কাছে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা রয়েছে। দেশের সংবিধানেও শুরুতে এই বিধান ছিল। তবে সেটি ইতিহাসের দুর্ঘটনা মাত্র। রায়ে আরো বলা হয়, কমনওয়েলথভুক্ত রাষ্ট্রগুলোর ৬৩ শতাংশের অ্যাডহক ট্রাইব্যুনাল বা ডিসিপ্লিনারি কাউন্সিলরের মাধ্যমে বিচারপতি অপসারণের বিধান রয়েছে।

আদালত রায়ে আরো বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানে ৭০ অনুচ্ছেদের ফলে দলের বিরুদ্ধে এমপিরা ভোট দিতে পারেন না। তারা দলের হাইকমান্ডের কাছে জিম্মি। নিজস্ব কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষমতা নেই। ৭০ অনুচ্ছেদ রাখার ফলে এমপিদের সব সময় দলের অনুগত থাকতে হয়। বিচারপতি অপসারণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও তারা দলের বাইরে যেতে পারেন না। যদিও বিভিন্ন উন্নত দেশে এমপিরা স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষমতা আছে।

রায়ে আরো বলা হয়, মানুষের ধারণা হলো— বিচারপতি অপসারণের ক্ষমতা সংসদ সদস্যদের হাতে থাকলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হবে। সে ক্ষেত্রে বিচার বিভাগের প্রতি মানুষের আস্থা দুর্বল হয়ে যাবে। মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের বিধানটি তুলে দিয়ে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী পাস হয়। ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ৯৬ অনুচ্ছেদে পরিবর্তন এনে বিচারকের অপসারণের ক্ষমতা সংসদ সদস্যদের হাতে পুনরায় ফিরিয়ে দেওয়া হয়। যেটি ১৯৭২ সালের সংবিধানেও ছিল।

সংবিধানে এই সংশোধনী হওয়ায় মৌল কাঠামোতে পরিবর্তন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করবে; এমন যুক্তিতে ওই সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে একই বছরের ৫ নভেম্বর হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করা হয়। ওই রিটের ওপর প্রাথমিক শুনানি শেষে হাইকোর্ট ২০১৪ সালের ৯ নভেম্বর রুল জারি করেন।"

27/08/2022

People are more afraid of the laws of Man than of God, because their punishment seems to be nearest.

26/08/2022

জাতিসংঘের সাথে আমেরিকার একটা চুক্তি রয়েছে যে চুক্তির আওতায় জাতিসংঘের সদস্য ভুক্ত কোন দেশের প্রতিনিধি জাতিসংঘের কোন প্রোগ্রামে আসতে চাইলে আমেরিকা তাদেরকে ভিসা দিবে। ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আমেরিকার যদি কোন নিষেধাজ্ঞাও থাকে তারপরেও জাতিসংঘের প্রোগ্রামে আসতে বাধা দেওয়ার এক্তিয়ার আমেরিকার নাই ।তাই উক্ত ব্যক্তিকে ভিসা দিতে আমেরিকা বাধ্য। জাতিসংঘের প্রোগ্রামে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের সদস্য হিসেবে আমাদের আইজিপি বেনজির সাহেব অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তার বিরুদ্ধে আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র জাতিসংঘের প্রোগ্রামে অংশগ্রহণের জন্য আমেরিকা তাকে ভিসা দিয়েছে। যে কারণে তার ভিসাটি স্পেসিফিক। সে কোন কোন এলাকায় যেতে পারবে সেটা স্পেসিফিক করে বলা আছে। সুতরাং আমেরিকার ভিসা পাওয়া মানে এই নয় যে বেনজির আহমেদের বিরুদ্ধে আমেরিকা তার পূর্বের আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। তিনি তার ব্যক্তিগত সফরে যেতে চাইলে ওই নিষেধাজ্ঞার আওতায় ভিসা পাওয়ার কোন সুযোগ থাকবে না। আমেরিকার আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হয়নি এবং এটা নিয়ে ভিন্ন কোন ব্যাখ্যা দেওয়ার সুযোগ নেই।

Short break during court hours... 😇
25/08/2022

Short break during court hours... 😇

Address

Eastern Commercial Complex, Kakrail/Dhaka
Dhaka
1205

Telephone

+8801716210036

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md. Kamal Hossain & Associates posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Md. Kamal Hossain & Associates:

Share