আইন জিজ্ঞাসা Ain Jiggasa

আইন জিজ্ঞাসা Ain Jiggasa আইন জানুন, আইন মানুন।

রেজিষ্ট্রেশন আইন ১৯০৮ এর সংশোধনী  :::সংশোধন কল্পে প্রণীত অধ্যাদেশ অনুযায়ী এখন থেকে ওয়ারিশসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি বিক্রি...
03/01/2026

রেজিষ্ট্রেশন আইন ১৯০৮ এর সংশোধনী :::

সংশোধন কল্পে প্রণীত অধ্যাদেশ অনুযায়ী এখন থেকে ওয়ারিশসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি বিক্রি, পাওয়ার অফ অ্যাটর্নী, হেবা/দান, হেবার ঘোষণা /দানের ঘোষণা সব দলিল রেজিস্ট্রি করা যাবে, নিজ নামে নামজারির প্রয়োজন নেই।

এই সংশোধনীর চুম্বকাংশ ::--

১) বায়না দলিল দাখিলের মেয়াদ ৩০ দিন থেকে ৬০ দিনে উন্নীত করা হয়েছে।
২) বিদেশে সম্পাদিত পাওয়ার অফ অ্যাটর্নী দলিল বাংলাদেশে রেজিস্ট্রেশনের জন্য সাব-রেজিস্ট্রারের বরাবর দাখিলের মেয়াদ ছিল ০৪ মাস, যা এখন ০৬ মাসে উন্নীত করা হয়েছে।
৩) কবলা দলিলের পাশাপাশি এবার দান/হেবার ঘোষণা ও দানপত্র দলিল উত্তরাধিকার সূত্রেও রেজিস্ট্রেশন করা যাবে।
৪) সরকারি ফি আদায়ে সাব-রেজিস্ট্রারকে আরো দায়বদ্ধ করা হয়েছে।

02/11/2024

আপনার যেকোনো আইনানুগ অধিকার নিশ্চিত করতে সর্বদাই আপনার পাশে আছি।

যেকোনো আইনি পরামর্শ পেতে এই পেইজের সাথে থাকুন।
02/09/2024

যেকোনো আইনি পরামর্শ পেতে এই পেইজের সাথে থাকুন।

25/06/2024

নতুন দলিল লিখতে ক্রেতা বা গ্রহিতার যে বিষয়ে সচেতন থাকা জরুরী...
সম্পত্তির দলিল লেখার জন্য ‘দলিল লেখক' এর কাছে দায়িত্ব দিয়েই ক্রেতার দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। কেননা পরবর্তীতে দলিলে ভুল পরিলক্ষিত হলে দলিল লেখক নয় এর মাশুল গুনতে হবে ক্রেতাকেই। তাই এতে ক্রেতার সচেতনতা আবশ্যক। সম্পত্তির দলিল লেখার ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয়ে ক্রেতার লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন:

১। দলিল সম্পাদনকারী তথা জমি দাতা (বিক্রেতা) আইনের দৃষ্টিতে সাবালক ও সুস্থ মস্তিষ্ক সম্পন্ন কি না, আদালত কর্তৃক দেউলিয়া ঘোষিত কি না তা যাচাই করে নিতে হবে৷

২। দলিলের ধরন যেমন- (ক) সাফ কবলা (খ) বায়না পত্র (গ) দানপত্র (ঘ) হেবার ঘোষনাপত্র ইত্যাদি খেয়াল করতে হবে৷

৩। ক্রেতা যে জমিটি কিনতে যাচ্ছেন সেই প্রস্তাবিত জমির পরিমাণ, বিক্রয় মূল্য (বায়না দলিল হলে বায়নায় পরিশোধিত টাকা এবং বাকী টাকা) ইত্যাদি দেখে নিতে হবে।

৪। পক্ষ পরিচয় তথ্য যেমন- দলিল গ্রহীতা/প্রথম পক্ষ, দলিল দাতা/দ্বিতীয় পক্ষ, উভয় পক্ষের পূর্ণ নাম, ঠিকানা, পেশা, ধর্ম ইত্যাদি। দলিল গ্রহীতার ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র এবং দাতার ক্ষেত্রে আগত খতিয়ান (সর্বশেষ জরিপ/নামজারি খতিয়ান) এর সাথে মিল রেখে নাম ঠিকানা লেখা হয়েছে কি না দেখতে হবে।

৫। স্বত্বের বর্ণনা যেমন- জমি দাতার মালিকানার ভিত্তি, দলিল মূলে হলে পূর্বের দলিলের নম্বর ও তারিখ, পর্চা/খতিয়ান নম্বর ইত্যাদি৷

৬। জমির বিক্রেতা যদি জমিটি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়ে থাকে তাহলে মূল মালিকের সাথে বিক্রেতার যোগসূত্র/সম্পর্ক সঠিক আছে কিনা তা জেনে নিতে হবে৷

৭। দলিলে প্রস্তাবিত জমির তফশিল যেমন- জেলার নাম, উপজেলার নাম, রেজিস্ট্রি অফিসের নাম, মৌজার নাম, জেএল নম্বর, দাগ নম্বর, খতিয়ান নম্বর এবং জমির শ্রেণি আগত খতিয়ানের সাথে মিল আছে কি না দেখে নিতে হবে। জমির তফশিল লেখার সময় প্রত্যেক দাগে মোট জমির পরিমাণ কত এবং অত্র বিক্রয় দলিলে উক্ত দাগের মধ্যে কত একর বা শতাংশ জমি বিক্রয় করা হচ্ছে তা প্রতি ক্ষেত্রে লিখে নিতে হবে৷ তবে উল্লেখ্য যে, কোন অবস্থাতেই কয়েকটি দাগের জমি একত্রে যোগ করে একর/শতাংশ লেখা উচিত হবে না৷

৮। ক্রেতা যে জমিটি ক্রয় করতে চাচ্ছে সেই জমিটির চৌহদ্দি ঠিক আছে কি না অর্থাত্‍ উত্তর, দক্ষিণ পূর্ব, পশ্চিম পাশের জমির বর্ণনা সহ মালিকের নাম উল্লেখ করতে হবে৷

৯। জমি বিক্রেতা বা দলিল দাতা দলিলের ১ম পৃষ্ঠার উপরের ডান পাশ্বের নিচ থেকে উপরের দিকে তার নিজ নাম স্বাক্ষর করবেন অথবা নিরক্ষর হলে নিজ নামের উপরে টিপ সহি প্রদান করেছেন কি না তা দেখতে হবে৷ এছাড়াও জমি বিক্রেতা বা দাতা দলিলের শেষ পৃষ্ঠার নিচে স্বাক্ষর বা টিপ সহি করবেন৷ তবে দলিলের প্রতি পৃষ্ঠায় দাতার স্বাক্ষর বা টিপ সহি দিলে ভালো হয়৷

১০। জমির বিক্রেতা দলিলের শেষ পৃষ্ঠার নিচে যে জায়গায় তার নিজ নাম স্বাক্ষর বা টিপ সহি করেছেন ঠিক তার নিচে উক্ত দলিলটির লেখক তার নাম স্বাক্ষর করবেন। এরপর কমপক্ষে ২ জন সাক্ষী এবং অপর একজন জমির বিক্রেতাকে সনাক্ত করে সনাক্তকারী হিসাবে স্বাক্ষর করবেন।

১১। দলিলে যতদূর সম্ভব কাটাকাটি, ঘষামাজা, অষ্পষ্টতা এড়াতে হবে তবুও যদি কোনরূপ ভুল ক্রটি ঘষামাজা বা কাটাকাটি হয়েও যায় তাহলে সেক্ষেত্রে উক্ত কাটাকাটি বা ঘষামাজা যুক্ত লাইন ও শব্দের ক্রম উল্লেখ করে দলিলের শেষাংশে কৈফিয়ত লিখে দলিল লেখককে তার নিচে স্বাক্ষর করতে হবে৷

এছাড়াও জমির ক্রেতাকে সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে- বিভিন্ন জরিপের দাগ নম্বর ও খতিয়ান নম্বর যাতে দলিল লেখকের মাধ্যমে সঠিকভাবে লিখানো হয়৷ এজন্য জমির ক্রেতাকে জমি ক্রয় করার পূর্বেই তহসিল অফিস হতে জমির সঠিক দাগ নম্বর ও খতিয়ান নম্বর জেনে নিতে হবে৷ প্রয়োজনে খতিয়ানের সইমুরী নকল সংগ্রহ করতে হবে।

অনলাইনে প্রথমবার জমির খাজনা দিতে কি কি ডকুমেন্টস লাগে?খাজনা দেয়ার জন‍্য নিম্নলিখিত ডকুমেন্টস এর প্রয়োজন হবেঃ◾ভূমি তথ্য ও...
09/06/2024

অনলাইনে প্রথমবার জমির খাজনা দিতে কি কি ডকুমেন্টস লাগে?
খাজনা দেয়ার জন‍্য নিম্নলিখিত ডকুমেন্টস এর প্রয়োজন হবেঃ

◾ভূমি তথ্য ও সেবা কেন্দ্র ::
১। সর্বশেষ রেকর্ড/খারিজ খতিয়ানের কপি
২। পূর্ববর্তী দাখিলার কপি
৩। জাতীয় পরিচয়পত্র
৪। একটি স্মার্টফোন/কম্পিটার ও ইন্টারনেট কানেকশন
৫। মোবাইল নাম্বার ও পাসওয়ার্ড
৬। জমির অবস্থান অনুযায়ী-বিভাগ, জেলা, উপজেলা, মৌজার তথ্য, খতিয়ান নং ও হোল্ডিং নং

বি:দ্র: বকেয়ার সময় চার বছরের অধিক হলে এবং পূর্ববর্তী খাজনার রশিদ আপনার নিকট থাকলে (যা অনলাইন নয়) প্রথম বার ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে খাজনা দিন।

◾অনলাইনে খাজনা দেয়ার ধাপ সমূহঃ

ধাপ ১: ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন। (ভূমি মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট https://ldtax.gov.bd )

ধাপ ২: নাগরিক নিবন্ধন করুন। (মোবাইল নং, জন্ম তারিখ, আইডি নং দেয়ার পর ওটিপি পাবেন)

ধাপ ৩: প্রোফাইল সেটিং করুন। (প্রফাইলের তথ‍্যগুলি পুরণ করুন)

ধাপ-৪ : জমির খতিয়ান যুক্ত করুন।

ধাপ-৫ : হোল্ডিং ও ভূমি উন্নয়ন করের তথ্য পূরণ করুন।

ধাপ-৬ : পেমেন্ট অপশন সিলেক্ট করুন।

ধাপ-৭: ই-পেমেন্ট করুন।

ধাপ-৮: খাজনা রশিদ ডাউনলোড করুন।

◾খতিয়ানে নাম থাকা যে কোন একজন খাজনা দিতে পারবেন।

◾ওয়ারিশান হলে ওয়ারিশ সনদ সংযুক্ত করে খাজনা দেয়া যাবে।

◾যাদের আইডি কার্ড নেই তারা প্রতিনিধির মাধ‍্যমে খাজনা দিতে পারবেন।

◾খতিয়ানে থাকা সম্পূর্ণ জমির খাজনা দিতে হবে। আংশিক খাজনা দেয়ার নিয়ম নেই।

18/04/2024

মুসলিম সম্পত্তি বন্টন বা মুসলিম ফারায়েজ (শরিয়া আইন অনুযায়ী) নীতিঃ

১। স্ত্রীর দুই অবস্থাঃ
(ক) মৃত ব্যাক্তির সন্তান না থাকলে ১/৪,
( খ) আর থাকলে ১/৮ অংশ পাইবে।

২। স্বামীর দুই অবস্থাঃ
(ক) স্ত্রীর মৃত্যুর পর সন্তান না থাকলে ১/২,
( খ) আর থাকলে ১/৪ অংশ পাইবে।

৩। কন্যার তিন অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র কন্যা থাকলে ১/২ ,
( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) পুত্র কন্যা একসাথে থাকলে ২:১ অনুপাতে পাইবে।

৪। পিতার তিন অবস্থাঃ
(ক) মৃত ব্যাক্তির পুত্র বা পৌত্র বা পুরুষ শ্রেনী বর্তমানে থাকলে ১/৬ অংশ পাইবে,
(খ) পুরুষ শ্রেনি না থাকলে এবং কন্যা বা পৌত্রী বা মহিলা শ্রেনী বর্তমানে থাকলে (১/৬+অবশিষ্ট) অংশ পাইবে,
(গ) পুরুষ বা মহিলা শ্রেনী বর্তমানে না থাকলে অবশিষ্ট সকল অংশ পাইবে।

৫। মায়ের তিন অবস্থাঃ
(ক) মৃত ব্যক্তির সন্তান বা একাধিক ভাইবোন থাকলে ১/৬ অংশ পাইবে,
(খ) মৃত ব্যক্তির যদি কোন সন্তান না থাকে বা ভাইবোন ২ জনের কম থাকলে ১/৩ অংশ পাইবে,
(গ) স্বামী বা স্ত্রীর সাথে পিতা মাতা উভয়ে থাকলে , মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে স্বামী বা স্ত্রীর অংশ দেয়ার পর বাকি সম্পত্তির ১/৩ অংশ পাইবে।

৬। বৈপিত্রীয় ভাইবোনদের তিন অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র বৈপিত্রীয় ভাইবোন থাকলে ১/৬ অংশ,
(খ) একাধিক থাকলে ১/৩ অংশ পাইবে
(গ) মৃত ব্যাক্তির পুত্র বা পৌত্র,পিতা বা দাদা থাকলে বঞ্চিত হইবে।

৭। পৌত্রীগনের ছয় অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র পৌত্রী থাকলে ১/২,
( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) যদি মৃত ব্যক্তির একজন মাত্র কন্যা থাকে তাহলে পৌত্রীগন ১/৬ অংশ পাইবে,
(ঘ) যদি মৃত ব্যক্তির একাধিক কন্যা থাকে তাহলে পৌত্রীগন বঞ্চিত হইবে,
(ঙ) মৃত্যু ব্যক্তির পৌত্রী ও পৌত্র একই সাথে থাকলে অংশীদার হইবে,
(চ) যদি মৃত ব্যক্তির পুত্র থাকে তাহলে পৌত্রীগন বঞ্চিত হইবে।

৮। সহোদরা বোনদের পাঁচ অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র সহোদরা বোন থাকলে ১/২,
( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) সহোদরা বোনের সাথে সহোদরা ভাই থাকলে আসাবা হইবে,
(ঘ) যদি মৃত ব্যক্তির একজন মাত্র কন্যা বা পৌত্রী থাকে তাহলে সহোদরা বোনগন ১/৬ অংশ পাইবে। একাধিক কন্যা বা পৌত্রী থাকলে এবং অন্য কোন ওয়ারিশ না থাকলে অংশীদার হইবে,
(ঙ) মৃত ব্যাক্তির পুরুষ শ্রেনীর ওয়ারিশ থাকলে সহোদরা বোনগন বঞ্চিত হইবে।

৯। বৈমাত্রেয় বোনদের সাত অবস্থাঃ
(ক) যদি মৃত ব্যাক্তির সহোদরা বোন না থাকে ও একজন মাত্র বৈমাত্রিয় বোন থাকলে ১/২,
(খ)একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) যদি মৃত ব্যক্তির একজন মাত্র সহোদরা বোন থাকে তাহলে বৈমাত্রেয় বোন ১/৬ অংশ পাইবে,
(ঘ) যদি মৃত ব্যক্তির একাধিক সহোদরা বোন থাকে তাহলে বৈমাত্রেয় বোনগণ বঞ্চিত হইবে,
(ঙ)যদি মৃত ব্যক্তির একাধিক সহোদরা বোন থাকে এবং বৈমাত্রিয় বোনের সাথে বৈমাত্রেয় ভাই থাকলে একএে অংশীদার হইবে।
(চ) মৃত ব্যাক্তির কন্যা বা পৌত্রী থাকলে এবং অন্য কোন ওয়ারিশ না থাকলে বৈমাত্রেয় বোনগণ অবশিষ্ট অংশ পাইবে,
(ছ) মৃত ব্যক্তির পুরুষ ওয়ারিশ থাকলে বৈমাত্রেয় বোনগন বঞ্চিত হইবে।

১০। দাদী নানীর ২ অবস্থাঃ
(ক) পিতৃ বা মাতৃ সম্পর্কের এক বা একাধিক যাহাই হোক ১/৬ অংশ পাইবে,
(খ) মৃত ব্যক্তির মাতা জীবিত থাকলে বঞ্চিত হইবে। তবে পিতা জীবিত থাকলে দাদী বঞ্চিত।

28/08/2023

রেকর্ড আপনার দাদার নামে। দলিল আছে কি না জানা নেই, এক্ষেত্রে করনীয় কি?

আপনাদের যদি এরকম হয় তাহলে আপনাদের দলিল খুঁজে বের করতে হবে বা দলিল আছে কি না সেটা জানতে হবে।

আপনারা জমির দলিল ২ টি উপায়ে উঠাতে পারবেন।

প্রথম উপায় : প্রথমে নিচের তিনটি ধাপ অনূসরণ করুন।
👉প্রথম ধাপ : প্রথমে জমির দাগ নাম্বার জানুন।
আপনি যে দাগটি জানেন সেটা কি দাগ তা নিশ্চিত হোন ।
আপনি যে দাগটি জানেন সেটা
CS দাগ, না RS দাগ, না BS দাগ নিশ্চিত হোন ।

👉ধাপ ২: দাগ নম্বর জেনে খতিয়ান নাম্বার জানুন।
কোথা থেকে জানবেন? ইউনিয়ন ভূমি বা তফসিল অফিস হতে।

👉ধাপ ৩: খতিয়ানে যদি নামজারি বা খারিজ করা থাকে তাহলে দেখুন কার নামে নামজারি করা। নামজারি বা জমাভাগের কেস বা নথি বের করে নিন। নামজারি বা খারিজের নথিতে দলিলের নাম্বার দেয়া থাকে ওইখান থেকে দলিল নাম্বার নিয়ে নকল বা সার্টিফাইড কপির জন্য আবেদন করবেন।

✒️কোথায় করবেন? জেলা রেকর্ড রুম অথবা সাব রেজিস্ট্রি অফিস। আপনার জমির দলিল যদি বর্তমান সাল থেকে ৫-৬ বছর আগের হয় তাহলে সাব রেজিস্টি অফিস হতে দলিলের নকল বা সার্টিফাইড কপি নিতে পারবেন।
আর দলিল টি যদি অনেক বছর আগের হয় তাহলে জেলা রেজিস্ট্রার অফিস এর জেলা রেকর্ড রুম হতে সংগ্রহ করতে হবে।

উপায় ২:- উপরোক্ত তিনটি ধাপ অনুসরণ করেও যদি দলিল নম্বর বা দলিল না পান তখন দলিল তল্লাশি বা সার্চ করতে হবে।
তল্লাশি বা সার্চ করতে যা যা লাগবে -
১. সম্ভাব্য সাল।
২. দলিল দাতা ও গ্রহীতার নাম।
৩. দলিল দাতা ও গ্রহীতার বাবার নাম।
৪. দাগ নম্বর ও মৌজার নাম।

"Injustice anywhere is a threat to justice everywhere."
22/08/2023

"Injustice anywhere is a threat to justice everywhere."

কোথায় কীভাবে পাবেন জমির এই উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট?➥১. পর্চা বা খতিয়ান। ➥২. দলিল। ➥৩. ম্যাপ বা নকশা।এই ডকুমেন্টগুলো ছাড়া ...
30/05/2023

কোথায় কীভাবে পাবেন জমির এই উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট?
➥১. পর্চা বা খতিয়ান।
➥২. দলিল।
➥৩. ম্যাপ বা নকশা।
এই ডকুমেন্টগুলো ছাড়া আপনি জমি বিক্রয়, হস্তান্তর অথবা ব্যাংক লোন হতে নানান সমস্যা হয়।
সেকারণে, জমির খতিয়ান, দলিলসহ সকল কাগজপত্র সংগ্রহে রাখার জন্য সরকারি নানান দপ্তর রয়েছে, যারা ভূমি সংক্রান্ত কাগজপত্র সংগ্রহ করে রাখে। এখন আপনার কাজ হল, ঐ সকল দপ্তরগুলো কে নিশ্চিত করে তাদের শরণাপন্ন হওয়া ও কাগজপত্র গুলো সংগ্রহ করা।
নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো, কোথায়, কীভাবে এবং কত সময়ের ভেতরে আপনি জমির খতিয়ান, দলিল ও নকশা সংগ্রহ করবেন।
➥প্রথমত,আপনার জমির খতিয়ান বা পর্চা কোথায় পাবেন.?
জমির পর্চা বা খতিয়ান মূলত চারটি অফিসে পাবেন। তা হলো,
১/ইউনিয়ন ভূমি অফিস।
২/উপজেলা ভূমি অফিস।
৩/জেলা ডিসি অফিস।
৪/সেটেলমেন্ট অফিস।

➤ইউনিয়ন ভূমি অফিস বা তহশিল অফিস। ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যদিও খতিয়ান বা পর্চার বালাম বহি থাকে কিন্তু আপনি এই অফিসে হতে খতিয়ানের কপি নিতে পারবেন না। ইউনিয়ন ভূমি অফিস হতে শুধু খসরা খতিয়ান নিতে পারবেন যেটা আইনত কোন মূল্য নেই তারপরেও এই অফিসটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ আপনার জমির খতিয়ান নাম্বার জানা না থাকলে এই অফিস থেকে জেনে নিতে পারবেন এছাড়া জমির খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর এই অফিসে দিতে হয়।

➤উপজেলা ভূমি অফিস
যদিও উপজেলা ভূমি অফিসের মূল কাজ নামজারী বা খারিজ বা মিউটেশন করা তবে খসরা খতিয়ান তুলতে পারবেন। এই অফিস হতেও খতিয়ানের সার্টিফাইড পর্চা বা কোর্ট পর্চা তুলতে পারবেন না।

➤জেলা ডিসি অফিস
এই অফিস হতে পর্চা বা খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি সংরক্ষণ করতে পারবেন। এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব সর্বাধিক। সব জায়গায় এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব রয়েছে।

➤সেটেলমেন্ট অফিস
শুধুমাত্র নতুন রেকর্ড বা জরিপের পর্চা / খতিয়ান এই অফিস হতে সংগ্রহ করা যাবে।
পাশাপাশি নতুন রেকর্ড এর ম্যাপ ও সংগ্রহ করা যায়।
❖প্রশ্নঃ খতিয়ান তুলতে কত টাকা লাগবে.?
উত্তরঃ সি এস, এস এ, আর এস, এর জন্য কত টাকা দিতে হবে তা নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর। তবে সিটি জরিপের জন্য 100 টাকা খরচ হবে।
➥দ্বিতীয়ত, আপনার জমির দলিল বা বায়া দলিল কোথায় পাবেন?
দলিল বা দলিল এর সার্টিফাইড কপি বা নকল মূলত দুটি অফিস হতে সংগ্রহ করা যায়, তা হলো।
১/উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস।
২/জেলা রেজিস্ট্রি বা সদর রেকর্ড রুম অফিস।

➤উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস
যেখানে নতুন দলিল রেজিস্ট্রেশন করা হয় এই অফিস হতে নতুন দলিলের নকল ও মূল দলিল পাওয়া যায়। কিন্তু পুরাতন দলিল বা বায়া দলিল এই অফিসে পাওয়া যায় না।

➤জেলা রেজিস্ট্রি অফিস বা সদর রেকর্ড রুম।
এই অফিসে নতুন বা পুরাতন দলিলের সার্টিফাইড কপি বা নকল পাওয়া যায়।
❖ প্রশ্নঃ দলিল তুলতে কত টাকা খরচ হয়.?
উত্তরঃ সরকারি খরচ যদিও সামান্য কিন্তু নকলের খরচ নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর।
➥ আপনার জমির মৌজা ম্যাপ বা নকশা কোথায় পাবেন?
সাধারণত ম্যাপ বা নকশা দুইটি অফিসে পাবেন, তা হলো
১/জেলা ডিসি অফিস
২/ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর ( DLR) অফিস, ঢাকা।

➤জেলা ডিসি অফিস:
এই অফিস হতে সিএস, এসএ, আরএস, বিএস যেকোনো মৌজা ম্যাপ সংগ্রহ করা যাবে।
সংগ্রহ করতে যা লাগবে আবেদন ফরম + 20 টাকার কোর্ট ফি এবং 500 টাকা নগদ জমা বাবদ বা ডি.সি.আর বাবদ। অর্থাৎ 530 টাকায় মৌজা ম্যাপ তুলতে পারবেন।

➤ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, (তেজগাঁও সাতরাস্তার মোড়), ঢাকা।
সারা বাংলাদেশের যে কোনো মৌজা ম্যাপ সিএস, এসএ, আরএস, বিএস, জেলা ম্যাপ, বাংলাদেশ ম্যাপ উক্ত অফিস হতে তুলতে পারবেন।
এই অফিসের ম্যাপের গ্রহণযোগ্যতা ও অনেক বেশি। সারা বাংলাদেশের যে কোন ম্যাপ এই অফিসে পাওয়া যায়। ম্যাপ তুলতে খরচ আবেদন ফরম + কোর্ট ফি + ডি.সি.আর মোট= ৫৫০/= টাকা মাত্র।

❖প্রশ্নঃ ম্যপ তুলতে কতদিন সময় লাগে?
উত্তরঃ আবেদন করার দিন হতে, ৫-৮ কার্য দিবসের ভিতরে ম্যাপ সরবরাহ করা হয়।

Happy new year - 2022.
01/01/2022

Happy new year - 2022.

Address

Dhaka Bar Association
Dhaka

Telephone

+8801713826372

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আইন জিজ্ঞাসা Ain Jiggasa posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to আইন জিজ্ঞাসা Ain Jiggasa:

Share