Advocate Shafiqul Islam Leon

Advocate Shafiqul Islam Leon আইনি সেবা ও পরামর্শ পেতে পেইজে ফলো করে সাথে থাকুন।
মোবাইল- 01929230875
Blood Group- O+

আমি বাংলাদেশের একজন স্থায়ী নাগরিক। আমি এডভোকেট হিসাবে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল থেকে সনদ প্রাপ্ত হইয়াছি। আমি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, ঢাকা এবং কুমিল্লা জজ কোর্টে নিয়মিত দেওয়ানী, ফেীজদারী, রিট পিটিশন, জামিন সংক্রান্ত মামলা, জমির মামলা, পারিবারিক মামলা পরিচালনা করে থাকি। আমার জীবনের একমাত্র লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো মানুষের জন্য কাজ করা। এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কাজ করা।

24/05/2026

ভাইরাল হলেই কেবল বিচার হয়, ভাইরাল না হলে ২০ বছরেও কেনো বিচার সম্পন্ন হয় না.....?

24/05/2026
24/05/2026

ভাইরাল হলেই শুধুমাত্র বিচার হবে দ্রুত। না হলে বিচার হবে না.......
রাগ করলা

24/05/2026

আপনার মাদ্রাসা পড়ুয়া শিশু সন্তান মেয়ে হোক, ছেলে হোক- কঠোর নজরদারিতে রাখুন।
আবাসিক মাদ্রাসায় তাদের কিছুতেই ভর্তি করাবেন না।

24/05/2026

ভাইরাল হলে স্পেশাল কোর্ট বসাবেন, ভাইরাল না হলে বিচার পাবে না এটা একটা অথর্ব রাষ্ট্র ব্যবস্থা। এটা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখানো এদেশের বিচার পাওয়া সম্পূর্ণ রাজনৈতিক স্বদিচ্ছার উপর।। এসব তামাশা বাদ দিয়ে আপামর জনগণের জন্য দ্রুত বিচারের ব্যবস্থা করুন।

নয়াকান্দি বাজার, তিতাস কুমিল্লা।
24/05/2026

নয়াকান্দি বাজার, তিতাস কুমিল্লা।

24/05/2026

#নয়াকান্দি #তিতাস #কুমিল্লা

24/05/2026

নবীন আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে কিছু বেসিক আইনি বিষয়ঃ
চার্জশিট গৃহীত হবার পর আগাম জামিনের কোন সুযোগ নেই।
সি.আর মামলার ক্ষেত্রে মামলা শুধু মামলা আমলে নিলেই আগাম জামিন নয়, বরং ওয়ারেন্ট ইস্যুর পর আগাম জামিন হতে পারে। 71 DLR অনুযায়ী, ৮ সপ্তাহের বেশী আগাম জামিনের সুযোগ নেই।
মামলা স্টে বা কোয়াশমেন্ট হয় আইনগত ত্রুটি, আদালতের কার্যপ্রণালীর অপব্যবহার, ন্যায়বিচারের উদ্দেশ্য বা অযৌক্তিক/ কাল্পনিক ঘটনা হলে। ঘটনাগুলো বিষয়ে বা ডিফেন্স গ্রাউন্ডে মামলা স্টের সুযোগ নেই, ঘটনাগত বিষয়- ডিফেন্স প্রমাণিত হবে ট্রায়ালে। জায়গা-জমি, চুক্তি, ব‍্যবসায়িক লেনদেন, সিভিল ম‍্যাটারে ক্রিমিনাল মামলা চলতে পারে না।

মাদক ও অস্ত্র বা গোল্ড বা অবৈধ জিনিসের ক্ষেত্রে দেখতে হবে, manner of recovery অর্থাৎ কীভাবে বা কোথা থেকে উদ্ধার এবং দেখতে হবে control, possession and knowledge ছিল কি না???
মার্ডার, মারামারি মামলায় দেখতে হবে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ কী এবং এজাহারে বর্ণিত অভিযোগ ময়নাতদন্ত রিপোর্ট বা ইনজুরি রিপোর্টের সাথে মিল রয়েছি কি না!!!!
নারী-শিশু মামলায় দেখতে হবে, এজাহারের সাথে ২২ ধারা, মেডিকেল, ডিএন রিপোর্টে কী কী অসঙ্গতি রয়েছে।

আপিল বিভাগ কর্তৃক স্বীকৃত, জামিনযোগ্য ধারার অধীনে অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা প্রয়োগ করার কোনো অধিকার নেই অর্থাৎ জামিন দেয়া উচিত।
একাধিক আসামীর মধ্যে same footing এ অন‍্য আসামী জামিনে মুক্তি পেলে সহঅবস্থানের অন্যান্য আসামী জামিন পাবার হকদার।

পারিবারিক মামলার মূল বিষয়, বাচ্চার কল‍্যাণ নিশ্চিত।
ব‍্যাংক যথাযথ প্রক্রিয়া ব‍্যতিত সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করলে চাইলে তার বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রীটে প্রতিকার রয়েছে।

ক্রিমিনাল মামলায় আসামীপক্ষ যদি জেরা করতে না পারে বা কোন সাক্ষ্য না আনলেও, তার প্রতিকূলে কোন অনুমান করা সঠিক হবে না। আসামী যদি রাষ্ট্রপক্ষ/ বাদীপক্ষের সাক্ষীর উপর নির্ভর করে, শুধুমাত্র 342 স্টেজে নিজেকে নির্দোষ বলে দাবী করে, তবে রাষ্ট্রপক্ষকেই beyond reasonable doubt প্রমাণ করতে হবে। যদি প্রমাণ না করতে পারে, তবে আসামীকে নির্দোষ বলে ধরে নেয়া হবে।
মূলত অধিকাংশ ক্রিমিনাল মামলায় মামলার সকল কাগজ ভালোভাবে পড়লে, অধিকাংশ মামলায় কিছু না কিছু বিচ‍্যুতি পাওয়া যায়। যা জামিন বা খালাসের গ্রাউন্ডস সৃষ্টি করে।
ক্লায়েন্টকে কোন অবস্থাতেই বিভ্রান্ত করা উচিত নয়, সব মামলায় জামিন হয় না তাই জামিন মন্জুরের মতো গ্রাউন্ডস না থাকলে অপারগতা লজ্জার কিছু নেই। এই পেশার মূলমন্ত্র সুনাম, অধ্যবসায় ও কঠোর পরিশ্রম।

23/05/2026

রাজধানীর কলাবাগানে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে আলমগীর হুদা রুবেল নামের এক বাড়ির মালিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 🥲
এসব কি শুরু হয়েছে.....?
বিস্তারিত কমেন্টে

🔴🟢সহজ কথায় বলতে গেলে, মুদ্রাস্ফীতি এবং মূল্যস্ফীতি মূলত একই অর্থনৈতিক অবস্থাকে বোঝায়। সাধারণ মানুষ যখন বাজারের দ্রব্যমূ...
23/05/2026

🔴🟢সহজ কথায় বলতে গেলে, মুদ্রাস্ফীতি এবং মূল্যস্ফীতি মূলত একই অর্থনৈতিক অবস্থাকে বোঝায়। সাধারণ মানুষ যখন বাজারের দ্রব্যমূল্য বেড়ে যাওয়া নিয়ে কথা বলেন, তখন একে 'মূল্যস্ফীতি' বলা হয়। আর অর্থনীতিবিদরা যখন মুদ্রার ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়া নিয়ে আলোচনা করেন, তখন একে 'মুদ্রাস্ফীতি' বলেন।

🔴🟢নিচে বিষয়টি বিস্তারিত আলোচনা করা হলো----

🟢মূল্যস্ফীতি (Inflation)-----
যখন বাজারে পণ্য ও সেবার (যেমন—চাল, ডাল, তেল বা যাতায়াত ভাড়া) দাম সামগ্রিকভাবে বৃদ্ধি পায় এবং দীর্ঘ সময় ধরে সেই বাড়তি দাম বজায় থাকে, তাকে মূল্যস্ফীতি বলে।

🔴উদাহরণ: গত বছর এক কেজি চালের দাম ছিল ৫০ টাকা, কিন্তু এ বছর একই চাল কিনতে হচ্ছে ৬০ টাকায়। এই ১০ টাকা দাম বেড়ে যাওয়াই হলো মূল্যস্ফীতি।

🟢 মুদ্রাস্ফীতি (Currency Inflation/Devaluation)
মুদ্রাস্ফীতি মানে হলো মুদ্রার বা টাকার মান কমে যাওয়া। যখন বাজারে প্রয়োজনের তুলনায় টাকার সরবরাহ বেড়ে যায়, তখন মানুষের হাতে অনেক টাকা থাকে কিন্তু সেই তুলনায় পণ্য কম থাকে। ফলে টাকার ক্রয়ক্ষমতা কমে যায়।

🔴উদাহরণ: আগে আপনি ১০০ টাকা দিয়ে ৫টি সাবান কিনতে পারতেন, কিন্তু এখন ১০০ টাকা দিয়ে মাত্র ৪টি সাবান পাওয়া যাচ্ছে। অর্থাৎ আপনার ১০০ টাকার ক্ষমতা বা মান আগের চেয়ে কমে গেছে।

🔴🟢কেন এমন হয়? (প্রধান কারণসমূহ)
মূল্যস্ফীতি বা মুদ্রাস্ফীতি ঘটার পেছনে প্রধানত দুটি কারণ থাকে:-----

🔴চাহিদা বৃদ্ধি (Demand-Pull Inflation): মানুষের কাছে যখন বেশি টাকা থাকে, তখন তারা বেশি কেনাকাটা করতে চায়। কিন্তু পণ্য যদি সেই তুলনায় পর্যাপ্ত না থাকে, তবে বিক্রেতারা পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেয়।

🔴উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি (Cost-Push Inflation): কাঁচামালের দাম, শ্রমিকের মজুরি বা জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে পণ্য তৈরির খরচ বেড়ে যায়। ফলে কোম্পানিগুলো পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেয়।

🟢🔴অর্থনীতির সাধারণ নিয়মে মুদ্রাস্ফীতি এবং মূল্যস্ফীতি একটি মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠের মতো। তবে কোনটা আগে ঘটে, তা নির্ভর করে পরিস্থিতির ওপর। অধিকাংশ ক্ষেত্রে মুদ্রাস্ফীতিই (টাকার প্রবাহ বেড়ে যাওয়া) আগে ঘটে, যা পরবর্তীতে মূল্যস্ফীতি (দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি) ডেকে আনে।

🟢🔴নিচে এদের সম্পর্ক ও প্রভাব বিস্তারিত দেওয়া হলো:
🟢🟢কোনটা আগে ঘটে?
এটি মূলত একটি চক্রের মতো কাজ করে, তবে সূচনার ভিত্তিতে দুটি পরিস্থিতি হতে পারে:
সাধারণত মুদ্রাস্ফীতি আগে ঘটে: সরকার যদি বাজারে প্রচুর টাকা ছাড়ে বা মানুষের আয় হঠাৎ বেড়ে যায়, তবে বাজারে টাকার সরবরাহ বাড়ে। মানুষের হাতে টাকা এলে তারা বেশি পণ্য কিনতে চায়। এই বাড়তি চাহিদার কারণে বিক্রেতারা দাম বাড়িয়ে দেয়, ফলে ঘটে মূল্যস্ফীতি।

🟢🟢ব্যতিক্রমী ক্ষেত্রে মূল্যস্ফীতি আগে ঘটে: যদি কোনো কারণে (যেমন—যুদ্ধ বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ) পণ্যের উৎপাদন কমে যায় বা কাঁচামালের দাম হঠাৎ বেড়ে যায়, তবে আগে পণ্যের দাম বাড়ে (মূল্যস্ফীতি)। তখন ওই পণ্য কিনতে মানুষকে আগের চেয়ে বেশি টাকা খরচ করতে হয়, যা মুদ্রার মান কমিয়ে দেয়।

রামিসা হত্যাকাণ্ডে বিচারিক আদালত কর্তৃক সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হলে অতঃপর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার জন্য এবং...
23/05/2026

রামিসা হত্যাকাণ্ডে বিচারিক আদালত কর্তৃক সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হলে অতঃপর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার জন্য এবং আসামীর পক্ষে পরবর্তী আইনি কার্যক্রমঃ

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ৯(২) ধারা মোতাবেক রামিসার হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা করেন সেক্ষেত্রে ...
নারী ও শিশু আইনের ২৯ ধারায় মোতাবেক এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারায় এবং criminal rules and orders এর ১১৮ বিধি মোতাবেক দায়রা আদালতের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ কার্যকর করার জন্য হাইকোর্টে ০৩ দিনের মধ্যে উক্ত মামলার নথি প্রেরণ করবে।
হাইকোর্ট উক্ত হত্যা মামলার নথি পুনরায় পর্যালোচনা করে ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৭৬ ধারা অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডের আদেশ বহাল রাখতে পারেন বা খালাস দিতে পারেন বা অন্য যে কোনো রায় ঘোষণা করতে পারেন এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৫ ধারা মোতাবেক দন্ডদানকারি আদালতকে আরো অনুসন্ধান বা অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন।
আসামি পক্ষে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ২৮ ধারা মোতাবেক ৬০ দিনের মধ্যে আপিল করতে পারবেন।
আপিল চলাকালে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারায় কার্যক্রম স্থগিত থাকবে।
আসামির পক্ষে কেউ আপিল না করলে আসামী জেল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২০ ধারা মোতাবেক জেল আপিল করতে পারবেন,
উল্লেখ যে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৬ ধারা মোতাবেক আপিল আদালতে দণ্ড স্থগিত রেখে জামিন দিতে পারেন। কিন্তু উক্ত মামলায় আসামীর মৃত্যু দন্ডের আদেশ হলে জামিনের আবেদন করার কোনো সুযোগ নেই। সুতরাং উক্ত মামলার আসামী জেল কোডের ৯৮০ বিধি মোতাবেক জেল খানার কনডেম সেলে থাকবে এবং মৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্ত মহিলা আসামী থাকলে তাকে জেল কোডের ৯৮৩ বিধি মোতাবেক আলাদা সেলে রাখবে।

আপিল আদালত সাজা বহাল রাখলে আসামী আপিলেট ডিভিশনে লিভ টু আপিল করতে পারবেন। সেখানেও সাজা বহাল রাখলে বাংলাদেশ সংবিধানের ১০৫ অনুচ্ছেদ মোতাবেক ১৫ দিনের মধ্যে রিভিউ আবেদন করতে পারবেন।
আপিলেট ডিভিশনে রিভিউ আবেদন নামঞ্জুর হলে দন্ডবিধির ৫৫ক এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০২ক ধারা মোতাবেক মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ ভিক্ষার আবেদন করতে পারবেন।
সর্বশেষ মহামান্য রাষ্ট্রপতি প্রাণ ভিক্ষার আবেদন না মঞ্জুর করলে হাইকোর্ট ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৯ ধারা মোতাবেক মৃত্যুদণ্ডের আদেশ বা অন্যকোন আদেশ দিলে তা দন্ড প্রদানকারী নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনালে পাঠাবেন।
দন্ড প্রদানকারী আদালত হাইকোর্ট থেকে ৩৭৯ ধারায় আদেশ পাওয়ার পর ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮১ ধারা মোতাবেক মৃত্যু দন্ড কার্যকর করার জন্য ওয়ারেন্ট ইস্যু করে জেল খানায় পাঠাবেন।
জেল কর্তৃপক্ষ ৩৮১ ধারায় আদেশ পাওয়ার পর ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারা মোতাবেক মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুলাইয়া মৃত্যু দন্ড কার্যকর করবেন।
তারপর জেল কর্তৃপক্ষ মৃত্যু দন্ড কার্যকর করার পর ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০০ ধারা মোতাবেক মৃত্যু দন্ড কার্যকরের ওয়ারেন্ট খানা সংশ্লিষ্ট আদালতে ফেরত দিবেন।

Address

Comilla
3500

Opening Hours

Monday 18:00 - 22:00
Tuesday 18:00 - 22:00
Wednesday 18:00 - 22:00
Thursday 18:00 - 22:00
Friday 09:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 18:00 - 22:00

Telephone

+8801408943018

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Advocate Shafiqul Islam Leon posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share