Adv. Ruksana Urmi

Adv. Ruksana Urmi ⚖️ Law made simple for everyone | Know your rights | Stay aware | Stay protected

কখনো অন্যের জীবনের নিয়ামত দেখে নিজের জীবনকে ছোট মনে করবেন না। 🤍আল্লাহ কাউকে সবকিছু দেননি, আবার কাউকে শূন্যও রাখেননি। কার...
17/08/2026

কখনো অন্যের জীবনের নিয়ামত দেখে নিজের জীবনকে ছোট মনে করবেন না। 🤍

আল্লাহ কাউকে সবকিছু দেননি, আবার কাউকে শূন্যও রাখেননি। কারও প্রাপ্তি চোখে পড়ে, কারও প্রাপ্তি থাকে নীরবে।

তাই তুলনা নয়—শুকরিয়া।
অন্যের জন্য হিংসে নয়—দোয়া।

আপনার জীবনে যা আছে, হয়তো কারও কাছে সেটাই সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত নিয়ামত।

আলহামদুলিল্লাহ—প্রতিটি প্রাপ্তির জন্য। 🤍🌿

কোর্টের কমন মাম'লাগুলো চলে গেলো লিগ্যাল এইডে। ঢাকার বাহিরের জেলা গুলো
12/08/2026

কোর্টের কমন মাম'লাগুলো চলে গেলো লিগ্যাল এইডে। ঢাকার বাহিরের জেলা গুলো

শখ করে আমার সেই পৈতৃক হেরিটেজ বাড়িটা স্কেচ করলাম।যদিও বাড়িটা আজ আর নেই, ভেঙে ফেলা হয়েছে ২০০৪ এ।কিন্তু এই বাড়িতেই আমার জন...
11/08/2026

শখ করে আমার সেই পৈতৃক হেরিটেজ বাড়িটা স্কেচ করলাম।
যদিও বাড়িটা আজ আর নেই, ভেঙে ফেলা হয়েছে ২০০৪ এ।কিন্তু এই বাড়িতেই আমার জন্ম, এখানেই আমার শৈশব কেটেছে, এখানেই বেড়ে ওঠা।

এক কথায় বলতে গেলে, বাড়িটা আমার কাছে শুধু একটা বাড়ি ছিল না—বাড়িটা ছিল আমার আত্মা। এর প্রতিটি দেয়াল, দরজা, উঠান আর প্রতিটি কোণ আমার জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে।

আশ্চর্যের বিষয়, বাড়িটা বহু বছর ধরে নেই, অথচ আমি এখনো নিয়মিত স্বপ্নে সেই বাড়িটাকে দেখি। স্বপ্নের মধ্যে বাড়িটা যেন ঠিক আগের মতোই থাকে—আমি সেখানে ফিরে যাই, ঘুরে বেড়াই, আর মনে হয় আমি আবার আমার শৈশবে ফিরে গেছি।

কিন্তু বাস্তবে ফিরে এলে দেখি, সেই বাড়ি আর নেই। এখন সেই জায়গাটা শুধুই একটি সম্পত্তি। আর সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই সম্পত্তিকে ঘিরে আত্মীয়দের সঙ্গে লড়াই, অধিকার আর হিসাব-নিকাশের গল্প।

সবচেয়ে কষ্টের ব্যাপার হলো—যে বাড়িটা একসময় আমাদের সবাইকে এক ছাদের নিচে আপন করে রেখেছিল, আজ সেই বাড়ির জায়গাটাই আমাদের মধ্যে দূরত্ব আর বিরোধের কারণ।

বাড়িটা ভেঙে ফেলা হয়েছে, কিন্তু আমার স্মৃতি থেকে তাকে কেউ ভাঙতে পারেনি।
কারণ কিছু বাড়ি ভেঙে গেলেও, মানুষের ভেতর থেকে কখনো ভাঙে না।
আর আমার সেই বাড়িটা আজও আমার স্বপ্নে বেঁচে আছে।
💔💔💔

04/08/2026

Truth

যদি এতটাই ভয় ছিল জীবন নিয়ে, যদি আগেই ঝুঁকি টের পাওয়া গিয়েছিল, তাহলে কি আরেকটু আগে নিরাপদে সরে আসার সুযোগ ছিল না?হয়ত...
03/08/2026

যদি এতটাই ভয় ছিল জীবন নিয়ে, যদি আগেই ঝুঁকি টের পাওয়া গিয়েছিল, তাহলে কি আরেকটু আগে নিরাপদে সরে আসার সুযোগ ছিল না?

হয়তো ছিল, হয়তো ছিল না।

কখনও কখনও একসঙ্গে থেকে মরে যাওয়ার চেয়ে আলাদা হয়ে বেঁচে থাকাটাই বড় সফলতা, বড় সাহস। ভাঙা সংসার আবার গড়া যায়, কিন্তু হারিয়ে যাওয়া জীবন কি আর কোনোদিন ফিরে আসে?

একটি সন্তান broken family এর কষ্ট নিয়ে বড় হতে পারে, কিন্তু মায়ের লাশের স্মৃতি নিয়ে বড় হওয়া আরো অনেক বেশি নির্মম আর যন্ত্রনার।

ঘটনাটি প্রথম দিন থেকেই অনেকের কাছে সন্দেহজনক মনে হয়েছিল। এখন তদন্তে নতুন নতুন তথ্য সামনে আসছে।

দুই দিন আগে ঢাকার দক্ষিণখানের ফায়দাবাদ এলাকায় নিজ বাসায় নিহত হন একজন নারী দন্তচিকিৎসক, সারাহ রোকসানা পিনু। প্রথমদিকে ডাকাতি বা লুটপাট বলে মনে হলেও তদন্তে উঠে আসে ভিন্ন চিত্র।

তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, কাটা গ্রিলের ভেতরের বারান্দায় পাওয়া একটি জুতার ছাপ বাসায় থাকা একটি জুতার সঙ্গে মিলে যায়। সেই জুতাটি নিহতের স্বামী সোহেল রানা নিজের বলে স্বীকার করেছেন। এছাড়াও ঘটনাস্থল, সাক্ষ্য এবং বিভিন্ন অসঙ্গতি মিলিয়ে তাকে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালতে তার রিমান্ডের আবেদনও করা হয়েছে।

নিহত পিনুর স্বামী সোহেল রানা একটি ডেভেলপার কোম্পানিতে সহকারী ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত। চার বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে পিনুই ছিলেন সবার ছোট। তার ১৬ বছর বয়সী এক ছেলে ও ১০ বছর বয়সী এক মেয়ে রয়েছে। ছেলেটি মাদ্রাসায় আর মেয়েটি স্কুলে পড়ে।

পিনুর পরিবারের দাবি, তারা শুরু থেকেই সোহেলকে সন্দেহ করেছিলেন। বড় বোনের ভাষ্য অনুযায়ী, পিনু প্রায়ই ফোন করে জানাত, স্বামীর পরকীয়া, dominating আচরণ এবং নানা মানসিক নির্যাতনের কারণে সে helpless feel করত।

স্বামীর আচরণে সে আতঙ্কিত ছিল। তার বোনদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায়ই কাঁদতে কাঁদতে বলত, "আমি যদি কখনও খু*ন হই, তাহলে সোহেলকে ছেড়ে দিও না। ওর বিচার নিশ্চিত করবে।"

দুই সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবেই পিনু সংসার ছেড়ে বের হতে পারেনি। পিনুকে চাকরি করতেও বাধা দেওয়া হতো। অতীতে মারধরের শিকার হয়ে তিনি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন।

তদন্তে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে এসেছে।

- দিনের বেলায় জানালার গ্রিল কাটা হলেও আশপাশের কেউ কোনো শব্দ শোনেনি বা কাউকে দেখেনি।

- কাটা গ্রিলের বাইরে কোনো পায়ের ছাপ পাওয়া যায়নি, কিন্তু ভেতরে জুতার ছাপ পাওয়া গেছে।

- ঘটনার দিন মেয়ে স্কুলে যাওয়ার সময় তার মাকে স্বাভাবিক অবস্থায় দেখেনি বা কথা বলতে শোনেনি। প্রতিবার স্কুলে যাওয়ার সময় তার মা সকালে উঠে ভেতর থেকে দরজা লাগিয়ে আবার ঘুমিয়ে পড়ত। কিন্তু ঘটনার দিন তার মা বিছানা থেকে ওঠেনি। তার বাবা তাকে বলেছিল, তার মা পরে উঠে দরজা লাগিয়ে দিবে।

- মেয়েটি বাবাকে ঘটনার কথা জানালে তার বাবা কর্মস্থল থেকে বাসায় ফিরে চিকিৎসা দেওয়ার কোন তৎপরতা দেখায়নি। জিজ্ঞাসাবাদে স্বামী তার স্ত্রীর প্রতি চরম অসন্তোষ প্রকাশ করে, যা তদন্তকারীদের কাছে সন্দেহজনক মনে হয়।

মৃত্যু মানুষকে সব সমস্যা থেকে মুক্তি দিয়ে দেয়! অথচ বেঁচে থাকলে ভয় আছে, অনিশ্চয়তা আছে, লড়াই আছে, সীমাবদ্ধতা আছে, দৈনন্দিন হাজারো মানসিক চাপ আছে। এর মধ্য থেকে এক পা বেরিয়ে আসাটাই সবচেয়ে কঠিন হয়ে যায়।

সমুদ্র যেমন বাইরে থেকে শান্ত দেখায়, অথচ তার গভীরে অসংখ্য অদেখা স্রোত লুকিয়ে থাকে, তেমনি অনেক সম্পর্কও বাইরে থেকে স্বাভাবিক মনে হয়, অথচ ভেতরে প্রতিদিন একজন মানুষ ডুবে যেতে থাকে।

সম্পর্কের আগে মানুষ, আর মানুষের আগে জীবন। হারিয়ে যাওয়া সংসার আবার গড়া যায়, হারিয়ে যাওয়া মানুষ আর কখনো ফিরে আসে না। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে একসঙ্গে থাকলেই সব ঠিক হয়ে যায় না। আগুনকে পর্দা দিয়ে ঢেকে রাখলেই আগুন নেভে না, বরং একসময় পুরো ঘরটাই পুড়িয়ে দেয়।তারপরও একদল মানুষ বলবে,স্বামীর সংসারেই থাকতে হবে,জীবন দিয়ে হলেও তোমাকে বুঝাতে হবে,বাচ্চা আর সংসার তোমার কাছে কতোটা ইমপর্টেন্ট। তোমার জীবনের কোনো worth তোমার কাছে থাকতে পারবে না।সংসার ছেড়ে আসা নারীর কদর সম্মান সবাই করতে পারে না।তাদেরকে বাকা চোখে তিরস্কার করা হয়।
হাজারো পিনু আছে এভাবেই মরছে,কেউ প্রকাশ্যে কেউ গোপনে। সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারক হোক এটাই কামনা করছি। 💔

23/07/2026

⚖️ জরুরি আইনি তথ্য.........

মামলা করার আগে একবার জেনে নিন:-

এখন থেকে দেশের ৩০টি জেলায় নির্দিষ্ট কিছু ধরনের মামলা সরাসরি আদালতে দায়ের করা যাবে না। এসব ক্ষেত্রে প্রথমে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে মধ্যস্থতার (Mediation) চেষ্টা করা বাধ্যতামূলক। মধ্যস্থতায় সমাধান না হলে এরপর আদালতে মামলা করা যাবে।

যেসব মামলায় এই বিধান প্রযোজ্য:-

১. পারিবারিক মামলা
২. যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৮-এর ৩ ও ৪ ধারার মামলা
৩. নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ধারা ১১(গ) অনুযায়ী যৌতুক-সংক্রান্ত মামলা
৪. চেক ডিজঅনারের মামলা (নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস আইন, ১৩৮ ধারা) — ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত
৫. অগ্রক্রয় (Pre-emption) সংক্রান্ত মামলা
৬. বাড়িভাড়া সংক্রান্ত বিরোধ
৭. সিভিল জজ আদালতের বণ্টন (Partition) সংক্রান্ত বিরোধ
৮. পিতা-মাতার ভরণপোষণ সংক্রান্ত মামলা

করণীয়:-

* প্রথমে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে আবেদন করতে হবে।
* মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হবে।
* মধ্যস্থতা ব্যর্থ হলে এরপর আদালতে মামলা দায়ের করা যাবে।

যেসব জেলায় এই বিধান কার্যকর:-

সিলেট, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ, ফরিদপুর, ময়মনসিংহ, রংপুর, দিনাজপুর, সাতক্ষীরা, কুষ্টিয়া, কুমিল্লা, নোয়াখালী, রাঙ্গামাটি, মুন্সীগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, জয়পুরহাট, কুড়িগ্রাম, নরসিংদী, ঝিনাইদহ, মাগুরা, লক্ষ্মীপুর, বগুড়া, ঠাকুরগাঁও, পটুয়াখালী, ভোলা, নাটোর, যশোর, শরীয়তপুর, কক্সবাজার, পঞ্চগড় এবং টাঙ্গাইল।

বাস্তবতা কতটা নিষ্ঠুর
14/07/2026

বাস্তবতা কতটা নিষ্ঠুর

জীবনের কী নিষ্ঠুর বাস্তবতা! কত অভিযোগ-অনুযোগ আমাদের। ছোট্ট এই জীবন নিয়ে হতাশারও কোনো শেষ নেই। সবকিছু থেকেও মনে হয়, আসলে কিছুই পাইনি। চলার পথের বাঁকে বাঁকে বিভিন্ন সমস্যার কোনো অন্ত নেই।

সবকিছু ছাপিয়ে মৃত্যুই জীবনের বড় সত্য। মানুষের ব্যস্ততার কোনো বিলুপ্তি নেই। অথচ দেখেন, হাজারো কোলাহলের ভিড়ে কী নীরবে মানুষ চলে যায় অসীমের পানে।

চারিদিকে অথৈ পানি। তার মাঝে ভেসে চলেছে কোনো মুসাফিরের লাশ। আজ আর কোনো নাম-পরিচয়, কিছুই নেই। আর কোনো পরিকল্পনা নেই। কোথায়, কোন তীরে গিয়ে ভিড়বে, সেটার বিন্দুমাত্র চিন্তাও আর হৃদয়-মনে ভর করছে না।

যেখানে, যে কূলে গিয়ে ঠেকে অচেনা পথের এই পথিক। দু'হাত তুলে দোয়া করার মতো আপনজন আর কেউ পাশে নেই। দু'ফোঁটা অশ্রু ফেলে কবরের কাছে একটু দাঁড়িয়ে থাকবে—সে আশাও হারিয়ে গেল।বাসা-বাড়ির বিভিন্ন আয়োজন ও আচার-অনুষ্ঠানে কেউ একজন বলে উঠবে, “আহ! সে যদি থাকত!”

এতটুকু শব্দ শোনার দূরত্বও আর অবশিষ্ট নেই।

মানুষ একা, নিতান্তই একা।

নিজের বানানো ঘর, বাড়ি, জমি, জায়গা, পরিবার-পরিজন—কত কিছুই ছিল; শুধু ছোট্ট দেহটা রাখার জায়গাটুকুই আর ছিল না।

12/07/2026
12/07/2026

Narcissistic আচরণ কীভাবে গড়ে ওঠে — একটা মনস্তাত্ত্বিক ও ইসলামিক বিশ্লেষণ

একজন মানুষ কীভাবে narcissistic আচরণে পরিণত হন, সেটা বোঝা মানে তাকে excuse করা না, বরং প্যাটার্নটা বোঝা। মনস্তত্ত্ব আর ইসলাম, দুইটা দৃষ্টিকোণ থেকেই বিষয়টা দেখার চেষ্টা করলাম।

কেউ জন্ম থেকেই এমন হয় না।

একজন মানুষ narcissistic আচরণে পরিণত হন —
একটা দীর্ঘ, প্রায়ই অদৃশ্য প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে।

এটা বোঝা মানে তার আচরণকে justify করা না।
এটা বোঝা মানে — প্যাটার্নটা কোথা থেকে আসে, সেটা জানা।

শুরুটা প্রায়ই হয় শৈশবে

Attachment theory অনুযায়ী (মনোবিজ্ঞানী John Bowlby-র তত্ত্ব), শিশুর প্রাথমিক সম্পর্কগুলোই ঠিক করে দেয় সে নিজেকে আর অন্যদের কীভাবে দেখবে। আর psychoanalyst Heinz Kohut-এর কাজে দেখা যায়, narcissistic traits গড়ে ওঠার পেছনে প্রায়ই দুটো সম্পূর্ণ বিপরীত ধরনের শৈশব অভিজ্ঞতা থাকতে পারে।

একদিকে —
কিছু শিশু বড় হয় অতিরিক্ত প্রশংসা আর idealization-এর মধ্যে।
তাকে বলা হয় সে "বিশেষ", তার কোনো ভুল নেই,
তার সমালোচনা করা যাবে না।

অন্যদিকে —
কিছু শিশু বড় হয় ঠিক তার উল্টো পরিবেশে —
যেখানে ভালোবাসা শর্তসাপেক্ষ ছিল,
যেখানে emotional neglect বা criticism ছিল নিয়মিত ঘটনা,
যেখানে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করাটাই নিরাপদ ছিল না।

দুটো সম্পূর্ণ ভিন্ন পরিবেশ,
কিন্তু ফলাফল কাছাকাছি জায়গায় গিয়ে মেলে —
একটা ভঙ্গুর, অনিরাপদ আত্মপরিচয়,
যাকে ঢেকে রাখার জন্য বাইরে একটা শক্ত, নিখুঁত ভাবমূর্তি তৈরি করতে হয়।

দুই ধরনের রূপ — grandiose আর vulnerable

সবার narcissism একরকম দেখতে হয় না।

একদল মানুষের মধ্যে এটা প্রকাশ পায় grandiose রূপে — আত্মবিশ্বাসী, আধিপত্যশীল, নিজেকে সবসময় সবচেয়ে যোগ্য মনে করা।

আরেকদলের মধ্যে এটা প্রকাশ পায় vulnerable রূপে — বাইরে থেকে দেখতে insecure, easily hurt, কিন্তু ভেতরে একই রকম self-centeredness আর অন্যের অনুভূতি বুঝতে না পারার সমস্যা।

এই দ্বিতীয় ধরনটা প্রায়ই চেনা কঠিন হয়ে যায়, কারণ এটা দেখতে victim-এর মতো লাগে।

ভেতরের শূন্যতা, বাইরের আত্মবিশ্বাস

এখানেই সবচেয়ে ভুল বোঝাবুঝিটা হয়।

মানুষ ভাবে narcissism মানে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস।

কিন্তু মনোবিজ্ঞানে দেখা যায় —
এই আচরণের নিচে প্রায়ই থাকে
নিজেকে যথেষ্ট মনে না করার একটা গভীর ভয়।

তাই ভুল স্বীকার করা কঠিন হয়ে যায় —
কারণ ভুল স্বীকার করা মানে
সেই ভঙ্গুর জায়গাটা আবার উন্মুক্ত হয়ে যাওয়া।

তাই সমালোচনা আসলে আক্রমণ মনে হয়।
তাই অন্যকে ছোট দেখানো
নিজেকে বড় মনে করার একটা উপায় হয়ে দাঁড়ায়।

সম্পর্ক যেভাবে এই প্যাটার্নকে টিকিয়ে রাখে

সময়ের সাথে সাথে,
যখন এই আচরণের প্রতিক্রিয়ায় মানুষ সরে যায়, মেনে নেয়, বা ক্ষমা করতে থাকে —
তখন এই প্যাটার্নটা আরও শক্ত হতে থাকে।

এটা হতে পারে বার বার conflict এড়িয়ে যাওয়া, অতিরিক্ত প্রশংসা করে যাওয়া, অথবা "ও তো এমনই" বলে মেনে নেওয়া।

কারণ প্রতিবার এই আচরণ কাজ করে যায়,
সেই মানুষটার কাছে এটাই শিখে যাওয়া হয় —
সম্পর্কে টিকে থাকার উপায় হলো নিয়ন্ত্রণ রাখা,
দুর্বলতা লুকানো, আর নিজেকে সবসময় সঠিক প্রমাণ করা।

ইসলাম এই বিষয়ে কী শেখায়?

ইসলাম অহংকার আর আত্মপ্রেমকে
অন্তরের একটা বিপজ্জনক রোগ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

আল্লাহ তাআলা বলেন —

"নিশ্চয় আল্লাহ কোনো অহংকারী, আত্মশ্লাঘাসম্পন্ন ব্যক্তিকে পছন্দ করেন না।"
(সূরা লুকমান, আয়াত ১৮)

রাসূল ﷺ বলেছেন —

"যার অন্তরে বিন্দুমাত্র অহংকার আছে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না।"
(সহিহ মুসলিম)

মনস্তত্ত্ব যেটাকে বলে fragile self-image, ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে সেটার সাথে সম্পর্কিত একটা concept হলো — নিজেকে আল্লাহর সৃষ্টি হিসেবে না দেখে, নিজের যোগ্যতা-অযোগ্যতার মাপকাঠিতে বিচার করা। এই ভুল ফ্রেমটাই অন্তরে অস্থিরতা তৈরি করে।

কিন্তু ইসলাম এটাও শেখায় যে —
মানুষের অন্তর পরিবর্তনযোগ্য।

মুহাসাবা (আত্মজিজ্ঞাসা) — প্রতিদিন নিজের কাজ, নিয়ত আর আচরণকে ফিরে দেখার অভ্যাস — ইসলামে একটা গুরুত্বপূর্ণ concept। কেউ যদি নিয়মিত নিজেকে প্রশ্ন করতে শেখে, নিজের ভুল স্বীকার করতে শেখে, আল্লাহর কাছে বিনয়ী হতে শেখে — তাহলে বাইরের সেই কঠিন খোলসটাও একদিন গলে যেতে পারে।

তবে এই পরিবর্তনের প্রথম শর্ত —
নিজেকে দেখতে পারা, নিজেকে অস্বীকার না করা।

যদি আপনি এমন কারো সাথে সম্পর্কে থাকেন

নিজের অনুভূতিকে ছোট করে দেখবেন না — অস্বস্তি লাগলে সেটা গুরুত্বপূর্ণ। স্পষ্ট boundary রাখুন, এবং সেটা বার বার explain করার দায়িত্ব নিজের কাঁধে নেবেন না। অন্যের পরিবর্তন আপনার হাতে নেই — নিজের wellbeing-এর দায়িত্ব আপনার হাতে। প্রয়োজনে একজন therapist বা trusted মানুষের সাথে কথা বলুন।

একজন মানুষের অতীতে যত কষ্টই থাকুক,
তার আচরণে অন্য একজন মানুষ আঘাত পাচ্ছে —
এই সত্যটা কখনো ছোট হয়ে যায় না।

Understanding দেয় ব্যাখ্যা।
কিন্তু ব্যাখ্যা কখনো excuse হয়ে ওঠে না।

মানুষ যেভাবে গড়ে ওঠে,
তার একটা প্রভাব থাকে তার আচরণে।

কিন্তু প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে ওঠার পর,
নিজের আচরণ বদলানোর দায়িত্বও তার নিজের।

আর এই দায়িত্ব নেওয়াটাই —
সত্যিকারের পরিবর্তনের প্রথম পদক্ষেপ।

-মিশকাতুল জান্নাত এলিন
কনসালট্যান্ট সাইকোলজিস্ট |

Address

Cox's Bazar

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Adv. Ruksana Urmi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share