NEW LIFE CREATOR

NEW LIFE CREATOR NEW LIFE CREATOR is a dynamic & innovative professional services firm offering Training, Consultancy

21/07/2025
এক কোম্পানীতে ছিলো এক পিঁপড়া। সে প্রতিদিন ৯টায় অফিসে ঢুকতো। তারপর কারো সঙ্গে সময় নষ্ট না করে সঙ্গে সঙ্গে কাজে বসে যেতো।স...
18/06/2025

এক কোম্পানীতে ছিলো এক পিঁপড়া। সে প্রতিদিন ৯টায় অফিসে ঢুকতো। তারপর কারো সঙ্গে সময় নষ্ট না করে সঙ্গে সঙ্গে কাজে বসে যেতো।

সে যে পরিমাণ কাজ করত, তাতে কোম্পানির উৎপাদন হতো প্রচুর এবং এর ফলে সে আনন্দের সঙ্গেই জীবন নির্বাহ করতো।

ওই অফিসের সিইও সিংহ অবাক হয়ে দেখত, এই পিঁপড়াটি কোনো ধরনের সুপারভিশন ছাড়াই প্রচুর কাজ করছে। সিংহ ভাবল, পিঁপড়াকে যদি কারও সুপারভিশনে দেওয়া হয়, তাহলে সে আরও বেশি কাজ করতে পারবে।

কয়েক দিনের মধ্যেই সিংহ একটি আরশোলাকে পিঁপড়ার সুপারভাইজার হিসেবে নিয়োগ দিল। সুপারভাইজার হিসেবে এই আরশোলাটির ছিল দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, আর সে দুর্দান্ত রিপোর্ট লিখতে পারতো।

আরশোলাটি প্রথমেই সিদ্ধান্ত নিল, এই অফিসে একটি অ্যাটেনডেন্স সিস্টেম থাকা উচিত।

কয়েক দিনের মধ্যেই আরশোলাটির মনে হলো, তার একজন সেক্রেটারি দরকার, যে তাকে রিপোর্ট লিখতে সাহায্য করবে। … সে একটা মাকড়সাকে নিয়োগ দিল এই কাজে যে সব ফোনকল মনিটর করবে, আর নথিপত্র রাখবে।

সিংহ খুব আনন্দ নিয়ে দেখল যে আরশোলাটি তাকে প্রতিদিনের কাজের হিসাব দিচ্ছে আর সেগুলো বিশ্লেষণ করছে গ্রাফের মাধ্যমে। ফলে খুব সহজেই উৎপাদনের ধারা সম্পর্কে ধারণা নেওয়া যাচ্ছে এবং সিংহ সেগুলো বোর্ড মিটিংয়ে ‘প্রেজেন্টেশন’ আকারে পেশ করে বাহবা পাচ্ছে।

কিছুদিনের মধ্যেই আরশোলার একটি কম্পিউটার ও লেজার প্রিন্টার প্রয়োজন হলো এবং এগুলো দেখভালের জন্য আইটি ডিপার্টমেন্ট গঠন করল। আইটি বিশেষজ্ঞ হিসেবে নিয়োগ পেল মাছি।

আমাদের কর্মী পিঁপড়া, যে প্রতিদিন অফিসে এসে প্রচুর কাজ করে মনের সুখে গান গাইতে গাইতে বাসায় ফিরত, তাকে এখন প্রচুর পেপার ওয়ার্ক করতে হয়, সপ্তাহের চার দিনই নানা মিটিংয়ে হাজিরা দিতে হয়।

নিত্যদিন এসব ঝামেলার কারণে কাজে ব্যাঘাত ঘটায় উৎপাদন কমতে লাগল, আর সে বিরক্ত হতে লাগল।

সিংহ সিদ্ধান্ত নিল, পিঁপড়া যে বিভাগে কাজ করে, সেটাকে একটা আলাদা ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করে সেটার একজন ডিপার্টমেন্ট প্রধান নিয়োগ দেওয়ার এটাই উপযুক্ত সময়।

সিংহ ঝিঁঝিপোকাকে ওই ডিপার্টমেন্টের প্রধান হিসেবে নিয়োগ দিল। ঝিঁঝিপোকা প্রথম দিন এসেই তার রুমের জন্য একটা আরামদায়ক কার্পেট ও চেয়ারের অর্ডার দিল।

কয়েক দিনের মধ্যেই অফিসের জন্য স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান তৈরি করতে ঝিঁঝি পোকার একটি কম্পিউটার ও ব্যক্তিগত সহকারীর প্রয়োজন হলো। কম্পিউটার নতুন কেনা হলেও ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে ঝিঁঝিপোকা নিয়োগ দিল তার পুরোনো অফিসের একজনকে।

পিঁপড়া যেখানে কাজ করে, সেখানে আগে ছিল চমৎকার একটা পরিবেশ। এখন সেখানে কেউ কথা বলে না, হাসে না। সবাই খুব মনমরা হয়ে কাজ করে।

ঝিঁঝিপোকা পরিস্থিতি উন্নয়নে সিংহকে বোঝাল, ‘অফিসে কাজের পরিবেশ’ শীর্ষক একটা স্টাডি খুব জরুরি হয়ে পড়েছে।

পর্যালোচনা করে সিংহ দেখতে পেল, পিঁপড়ার বিভাগে উৎপাদন আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে।

কাজেই সিংহ কয়েক দিনের মধ্যেই স্বনামখ্যাত কনসালট্যান্ট পেঁচাকে অডিট রিপোর্ট এবং উৎপাদন বাড়ানোর উপায় বাতলে দেওয়ার জন্য নিয়োগ দিল।

পেঁচা তিন মাস পিঁপড়ার ডিপার্টমেন্ট মনিটর করল, সবার সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান কথা বলল। তারপর বেশ মোটাসোটা একটা রিপোর্ট পেশ করল সিংহের কাছে। ওই রিপোর্টের সারমর্ম হলো, এই অফিসে প্রয়োজনের তুলনায় কর্মী বেশি। কর্মী ছাঁটাই করা হোক।

পরের সপ্তাহেই বেশ কয়েকজন কর্মী ছাঁটাই করা হলো। বলুন তো, কে সর্বপ্রথম চাকরি হারালো?

ওই হতভাগ্য পিঁপড়া। কারণ, পেঁচার রিপোর্টে লেখা ছিল, ‘এই কর্মীর মোটিভেশনের ব্যাপক অভাব রয়েছে এবং সর্বদাই নেতিবাচক আচরণ করছে, যা অফিসের কর্মপরিবেশ নষ্ট করছে।

শিক্ষাঃ
অতিরিক্ত ম্যানেজমেন্ট, অপ্রয়োজনীয় মিটিং ও কাগজপত্র আসল কর্মদক্ষতা নষ্ট করে। যারা কাজ করে, তাদের গুরুত্ব না দিলে প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অবশেষে বলির পাঁঠা হয় সেই নিষ্ঠাবান কর্মী, যে একসময় অফিসের আসল চালিকাশক্তি ছিল।

(সংগৃহীত)

নিউ ইয়র্কের সাবওয়েতে একজন বেহালাবাদক ৪৫ মিনিট বাজালেন। কয়েকজন মানুষ থামলেন, দু'জন করতালি দিলেন, এবং তিনি প্রায় $৩০ উ...
28/06/2024

নিউ ইয়র্কের সাবওয়েতে একজন বেহালাবাদক ৪৫ মিনিট বাজালেন। কয়েকজন মানুষ থামলেন, দু'জন করতালি দিলেন, এবং তিনি প্রায় $৩০ উপার্জন করলেন।

কেউ জানত না যে এই বেহালাবাদক ছিলেন জোশুয়া বেল, বিশ্বের সেরা সংগীতজ্ঞদের একজন। তিনি সাবওয়েতে একটি বেহালায় বাজাচ্ছিলেন যার মূল্য ৩.৫ মিলিয়ন ডলার, এবং বাজাচ্ছিলেন সবচেয়ে জটিল সুরগুলির একটি।

এর দুই দিন আগে, জোশুয়া বেল বোস্টনের একটি থিয়েটারে বাজিয়েছিলেন, যেখানে টিকিটের গড় মূল্য ছিল প্রায় $১০০।

এই পরীক্ষাটি প্রমাণ করেছে যে সাধারণ পরিবেশে অসাধারণ কিছু উজ্জ্বল হয় না এবং প্রায়ই উপেক্ষিত এবং অবমূল্যায়িত হয়।

বিশ্বে অনেক প্রতিভাবান মানুষ আছেন যারা তাদের প্রাপ্য স্বীকৃতি এবং পুরস্কার পাচ্ছেন না। কিন্তু একবার তারা নিজেদের মূল্য এবং আত্মবিশ্বাস নিয়ে এমন পরিবেশ থেকে সরে আসেন যা তাদের সেবা করছে না, তখন তারা সাফল্য এবং উন্নতি করেন।

আপনার অন্তর আপনাকে কিছু বলছে। যদি এটি আপনাকে বলছে যে যেখানে আপনি আছেন তা যথেষ্ট নয়, তবে তা শুনুন!

যেখানে আপনি প্রশংসিত এবং মূল্যবান, সেখানে যান।

আপনার মূল্য জানুন। ❤️

সুখ আসলে কী?বিখ্যাত এক তুর্কি কবি তার বিখ্যাত চিত্রশিল্পী বন্ধুকে অনুরোধ করেন, সুখ কী তা যেন এঁকে দেখান। তিনি এই ছবিটা আ...
11/06/2024

সুখ আসলে কী?

বিখ্যাত এক তুর্কি কবি তার বিখ্যাত চিত্রশিল্পী বন্ধুকে অনুরোধ করেন, সুখ কী তা যেন এঁকে দেখান। তিনি এই ছবিটা আঁকেন।

একটা ভাঙা খাটের ছোট বিছানায় শান্তিতে ঘুমাচ্ছে একটি বড় পরিবার। খাটের একটা পায়া নেই, সেখানে দুটি ইট রাখা। জরাজীর্ণ বাড়ির ছাদের ফুটো থেকে পানি পড়ছে, ওখানে তাই ছাতা রাখা। বাড়ির কুকুরটিও বিছানায় শান্তিতে ঘুমায়। কপাটবিহীন জানালায় পাখি বসেছে। মুরগি শেয়ালে নেবারও দুর্ভাবনা নেই।

ছবিটা দেখার পর মনে হলো, সুখ মানে সমস্যা না থাকা নয়, কষ্টের পরিস্থিতিকে স্বাচ্ছন্দ্যে মেনে নেওয়ার মধ্যেই সুখ। যা আছে তা নিয়েই খুশি থাকি, শান্তিতে ঘুমাই।

(সংগৃহীত)

Shocking Pictures Illustrate:The Sad Reality Of Everyday Life.
03/06/2024

Shocking Pictures Illustrate:
The Sad Reality Of Everyday Life.

ফেইসবুকে ছবিটা পেয়ে অনেকক্ষণ তাকিয়ে ছিলাম। কত সুন্দর মিনিংফুল একটি ছবি। ইগো, অহংকার, রাগ এসবের মধ্যে আমরা বন্দি। অথচ সবা...
09/04/2024

ফেইসবুকে ছবিটা পেয়ে অনেকক্ষণ তাকিয়ে ছিলাম। কত সুন্দর মিনিংফুল একটি ছবি। ইগো, অহংকার, রাগ এসবের মধ্যে আমরা বন্দি। অথচ সবার ভেতরেই একটা শিশু সুলভ মন আছে। যে মিশতে চায়। মিলে মিশে থাকতে চায়। কম্প্রোমাইজ করতে চায়। শিশুর মতোই একটু পরেই ভুলে যায় সবকিছুই। কারণ এই পৃথিবীতে আমরা অনেক একা। বড় একা।

তারা ভরা রাতে ছাদে শুয়ে নিরিবিলি আকাশের দিকে তাকালে বুঝা যায় কত ছোট আমাদের পৃথিবী। তার মাঝে কত কত ক্ষুদ্র আমরা।

ওই দিন আমার এক ফ্রেন্ড খুব হাইথট একটা কথা বলল। ওর কথাটা আমাকে অনেকক্ষন ভাবিয়েছে।

বলল, তোর হাতের মোবাইলটার মালিক তুই, মানে এই মোবাইলটা তোর কিন্তু মোবাইলটা কিন্তু তুই না। তেমনি এটা তোর হাত কিন্তু হাতটা তুই না। তোর হাতটা কেটে ফেলেও তুই বেঁচে থাকবি। এই পা, মাথা সব কিছুই তোর কিন্তু কোনটাই তুই না। তাহলে তুই কে? হু আর ইউ? হয়ার আর ইউ?

আমি কিছুক্ষন টাসকি খেয়েছিলাম। আসলেইতো আমি কে? আমার পরিচয় কি? আমার দেহের ভেতর তন্ন তন্ন করে খুঁজে কোথাও আমাকে পাইনি। তার মানে জ্বীন ভুত মানুষের উপর যেভাবে ভর করে আমরাও এই দেহটার মধ্যে ভর করে আছি। ব্রেন আমাদের শরীরকে নিয়ন্ত্রন করে। আর ব্রেনকে নিয়ন্ত্রণ করি আমরা। কিন্তু আমি কে? কোথায় আমি? আমার পরিচয় কি? হাকিম তো আমার দেহটার নাম।
তাহলে আমার হৃদয় ও মনের নাম কি?

পৃথিবীর জন্ম থেকে শুরু করে মিলিয়ন মিলিয়ন বছর কেটে গেছে। সামনে আরো মিলিয়ন বছর হয়তো টিকে থাকবে। তার মাঝে আমরা মাত্র কয়েকটা বছর থাকব। পৃথিবীর হিসেবে মাত্র কয়েক ন্যানসেকেন্ড আমাদের স্থায়িত্ব।

তবুও কেন এতো মারামারি, এতো হানাহানি, এতো লোভ, এতো লালসা? এতো বিভেদ, এতো ভেদাভেদ, এতো দূরত্ব?

নিজের পরিচয় জানিনা অথচ অন্যের জাত বংশ নিয়ে প্রশ্ন তুলি। হাস্যকর না?

মানুষের দেহের গতি খুব বেশি না। কিন্তু মানুষটার গতি বিদ্যুতের চাইতেও বেশি। মানুষ চাইলে মুহুর্তেই বাংলাদেশ থেকে আমেরিকা চলে যেতে পারে।আবার সেখান থেকে ধাম করে মঙ্গলগ্রহে।

মানুষ চাইলে পৃথিবীটাকে মুহুর্তেই ধ্বংস করে ফেলতে পারে আবার চাইলে শান্তিতে ভরিয়ে দিতে পারে।

ভাল থাকুক মানুষ। ইগো, রাগ, হিংসার হাজতে বন্দি না থেকে চারিদিকে ছড়িয়ে পরুক ভালোবাসা। একে অপরের সাথে আঠার মত লেগে থাকুক জয় হউক মানবতার।

© সংগৃহীত

 #প্রেক্ষাপট_১উচ্চ বেতনে চাকুরি করা এক যুবক আরেক গরীব যুবককে প্রশ্ন করলো,- তুমি কোথায় চাকুরি করো?- একটা কোম্পানিতে ।- স...
06/04/2024

#প্রেক্ষাপট_১
উচ্চ বেতনে চাকুরি করা এক যুবক আরেক গরীব যুবককে প্রশ্ন করলো,
- তুমি কোথায় চাকুরি করো?
- একটা কোম্পানিতে ।
- স্যালারি কতো?
- ১০০০০ টাকা।
- মোটে দশ হাজার? চলো কিভাবে? তোমার মালিক তোমার প্রতি অবিচার করছে। তুমি যেই ছেলে তোমার যা যোগ্যতা,তাতে হেসেখেলেই তুমি অনেক টাকা বেতন পেতে পারো।
যুবকের মেজাজ খাট্টা হয়ে গেলো। নিজের কাজের প্রতি ও বসের প্রতি
বেজায় রুষ্ট হয়ে উঠলো। পরদিন গিয়ে সরাসরি বসকে বেতন বাড়ানোর কথা। জানালো। কথা কাটাকাটি হওয়ার একপর্যায়ে বস তাকে চাকরিচ্যুত করলো।
এখন যুবকটি বেকার।
#প্রেক্ষাপট_২
- তোমার প্রথম সন্তান হলো বুঝি?
- জ্বি।
- তোমার স্বামী এ উপলক্ষ্যে তোমাকে কিছু দেয় নি? উপহার, টাকা বা এ জাতীয় কিছু?
- না। কেন দিবে? এ তো আমাদেরই সন্তান! উপহার বা টাকা দিতে হবে কেন?
- কেন তোমাকে হাত খরচার জন্যেও তো দু’চার পয়সা দিতে পারে। তার কাছে কি তোমার কোনও মূল্য নেই? তুমি চাকরানি?
স্ত্রীর মনে ধরলো কথাটা।
সারাদিন কথাটা ভাবতে ভাবতে মনটা বিষিয়ে উঠলো। সত্যিই তো! আমাকে একটা টাকাও কখনো ছোঁয়ায় না! রাতে কর্মক্লান্ত স্বামী ঘরে ফিরলো।
স্ত্রীর মুখ দিয়ে বোমা বিস্ফোরিত হলো। রেগে গেলো দু’জনে, কথা কাটাকাটি ঝগড়া আর ঝগড়া। পরে হাতাহাতি, শেষ পর্যন্ত তালাকে গিয়ে গড়ালো।
#প্রেক্ষাপট_৩
- এই বৃদ্ধ বয়েসে কষ্ট করছেন? ছেলে ঢাকায় থাকে,বড় চাকুরি করে শুনেছি। মস্ত বড় ফ্ল্যাটে বউ-বাচ্চা নিয়ে থাকে। আপনাদের দু’জনকে সাথে নিয়ে যেতে পারে না? আপনাদের দেখতেও তো আসে না!
- না না, ছেলে আমার খুবই ব্যস্ত। টাকা পাঠায় তো। ফোনে ও খোঁজ-খবর নেয় নিয়মিত।
- কী এমন ব্যস্ততা তার শুনি? নিজের জন্মদাতা-জন্মদাত্রীকে দেখতে আসার সময় হয় না?
- সারাদিন অফিস-বাসা করতে করতেই তো তার সবটা সময় চলে যায়!
- আপনি খোঁজ নিয়েছেন? সে ঢাকায় বাড়ি-গাড়ি হাঁকিয়ে বেড়াচ্ছে।
আর আপনারা অজপাড়াগাঁয়ে ধুঁকছেন?
বৃদ্ধ বাবা বাসায় এসে স্ত্রীকে খুলে বললো।
স্ত্রীও বাধা দিল,
- আপনি ভুল শুনেছেন। সে আসলেই ব্যস্ত।
- নাহ,সেকি কি মিথ্যা বলতে পারে ?
আহা রে! কাকে বুকের রক্ত পানি করে বড় করলাম। এটা ভেবেই করে বসলেন ব্রেইন স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাক!
# এবার_আসি_মূলকথায়
-কিছু নিরীহ-অযাচিত প্রশ্ন আমাদের সুখী জীবনকে ক্ষণিকের মধ্যেই দুঃখী করে দিতে সক্ষম।
-আমাদের সমাজে ছদ্মবেশী দরদীরা নিরন্তর শান্ত জীবনে অশান্তির দাবানল জ্বালিয়ে দেয়।
-ছদ্মবেশী ডাইন/ডাইনীগুলো নিজের থেকে কিন্তু আপনাকে কিছুই দিবেনা। কিন্তু অন্যের থেকে অবৈধভাবে আদায় করার পদ্ধতি শিখিয়ে দিয়ে আপনাকে জিতিয়ে দেয়ার নামে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিবে।
#দাবানল জ্বালিয়ে দেয়।
-ছদ্মবেশী ডাইন/ডাইনীগুলো নিজের থেকে কিন্তু আপনাকে কিছুই দিবেনা। কিন্তু অন্যের থেকে অবৈধভাবে আদায় করার পদ্ধতি শিখিয়ে দিয়ে আপনাকে জিতিয়ে দেয়ার নামে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিবে।
#গল্পের_হিতোপদেশঃ
---জীবনে ৩য় ব্যক্তি কে প্রবেশ করার সুযোগ দেবেন না। আর যদিও কোন ভাবে ঢুকে যায় তাহলে যথা সম্ভব তার কথা কানে তুলবেন না। ৩য় ব্যক্তি হতে সাবধান।

Talent
29/03/2024

Talent

না বলতে শিখুন! এই লোকটি একটি দোকান দিয়ে নতুন ব্যবসা শুরু করেছিল এবং তার সমস্ত পরিচিতজন বন্ধু, প্রতিবেশী এবং পরিবার সেখান...
14/09/2023

না বলতে শিখুন!

এই লোকটি একটি দোকান দিয়ে নতুন ব্যবসা শুরু করেছিল এবং তার সমস্ত পরিচিতজন বন্ধু, প্রতিবেশী এবং পরিবার সেখানে কেনকাটা করতো এবং মাঝে মাঝে বাকী ও চাইতো। কয়েক বছর পরে, এই সব বাকী মিলে বড় আকার ধারণ করে।

কখনও কখনও আমরা হ্যাঁ বলি যখন আমাদের না বলা উচিত ছিল। আপনি হ্যাঁ বলবেন ভাবছেন আপনি মানুষকে সাহায্য করছেন। কিন্তু আসলে আপনি হেরে যাচ্ছেন এবং আপনার কঠোর পরিশ্রম এবং ত্যাগ স্বীকার করছেন। আপনার সময় খারাপ যাবে এবং বাকী টাকা চাইবেন তখন সবাই আপনার দিকে মুখ ফিরিয়ে নেয়।

সবসময় হ্যাঁ বলবেন না...

আপনার ব্যবসায় বিনিয়োগ করুন এবং সঞ্চয় করুন, স্মার্ট হন। সবকিছু হারিয়ে যেতে দেবেন না

Address

40, Momin Road, Kadam Mobarak Annex Building (2nd Floor), Anderkilla
Chittagong
4000

Opening Hours

Monday 10:00 - 20:00
Tuesday 10:00 - 20:00
Wednesday 10:00 - 20:00
Thursday 10:00 - 20:00
Saturday 10:00 - 20:00
Sunday 10:00 - 20:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when NEW LIFE CREATOR posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to NEW LIFE CREATOR:

Share