ইন্সপেক্টর সুজন

ইন্সপেক্টর সুজন Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ইন্সপেক্টর সুজন, Mehedibag, Chittagong.

সংগৃহীত ১৬৩১ সালে মমতাজ মহলের স্মৃতিতে মোগল সম্রাট শাহজাহান তাজমহল নির্মাণের আদেশ দেন। একই সময়ে, ১৬৩৬ সালে, মার্কিন যুক...
01/09/2026

সংগৃহীত

১৬৩১ সালে মমতাজ মহলের স্মৃতিতে মোগল সম্রাট শাহজাহান তাজমহল নির্মাণের আদেশ দেন। একই সময়ে, ১৬৩৬ সালে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি। দুইটি স্থাপত্যই বিশ্ববিখ্যাত—তবে একটির শিকড়ে শোক ও সৌন্দর্যের আরেকটির ভিত গড়ে উঠেছে জ্ঞান ও শিক্ষার ওপর।

তাহলে প্রশ্ন জাগে: একসময় যারা তাজমহল বানাচ্ছিল, অন্যদিকে তারা কি চাইলে হার্ভার্ড বানাতে পারতেন না?

শুধু তাজমহল নয়, ভারতবর্ষের ইতিহাসজুড়ে ছড়িয়ে আছে অগণিত প্রাসাদ, উদ্যান, সমাধি আর সোনা-রুপার অলংকারের গল্প। অথচ সেই যুগেও হাজার হাজার মানুষ ছিল শিক্ষাহীন, চিকিৎসাহীন, দারিদ্র্যপীড়িত।

এমনকি আজও আমরা প্রায়শই দেখি—উপমহাদেশের ধনকুবেরদের অর্থ ব্যয় হয় ব্যক্তিগত বিলাসিতা, বিয়ের শোভাযাত্রা, নায়ক-নায়িকা দিয়ে নাচানো কিংবা নামজাদা রিসোর্টে একচেটিয়া ভোগে।

অথচ পশ্চিমে দৃশ্যটা একেবারে আলাদা।

বিল গেটস, ওয়ারেন বাফেট, মার্ক জুকারবার্গ—বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের তালিকায় থাকা এদের অনেকেই জীবনের শেষে তাদের সম্পদ বিলিয়ে দিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। তাদের লক্ষ্য: পৃথিবীকে একটু ভালো করে রেখে যাওয়া। তারা হাসপাতাল গড়েন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃত্তি তহবিল তৈরি করেন, চিকিৎসা গবেষণায় অনুদান দেন।

সম্প্রতি একজন মার্কিন ধনকুবের নারী তার জীবনের সব সঞ্চয় দান করে গেছেন আলবার্ট আইনস্টাইন মেডিকেল স্কুলে। ফলাফল? সেখানকার ছাত্রছাত্রীদের এখন আর শিক্ষাঋণ নিতে হবে না—তারা ফ্রি পড়তে পারবে। একজন অচেনা নারী আজীবনের জন্য রয়ে যাবেন ভবিষ্যৎ ডাক্তারদের হৃদয়ে। সেই কৃতজ্ঞতা থেকে তারা হয়তো হাজার মানুষকে সেবা করবে।

এই মানবিক মূল্যবোধটাই সত্যিকার উন্নয়নের ভিত্তি।
উপমহাদেশের চিত্র কিছুটা করুণ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল নবাব সলিমুল্লাহর সহায়তায়। এরপর কী?

আর কোনো বিশিষ্ট ধনকুবের কি নিজ উদ্যোগে এমন কোনো বিশ্ববিদ্যালয় গড়েছেন? তথ্যভিত্তিক পরিসংখ্যান বলছে—ভারত, বাংলাদেশ কিংবা পাকিস্তানে প্রতিষ্ঠিত উচ্চমানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বেশিরভাগই রাষ্ট্রনির্ভর। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ধনকুবেরদের অংশগ্রহণ থাকলেও তা মূলত লাভের উদ্দেশ্যে, জনসেবার মানসে নয়।

এদিকে আমেরিকার বহু নামী বিশ্ববিদ্যালয় যেমন - স্ট্যানফোর্ড, কর্নেল, রকফেলার, কার্নেগি মেলন—এসব সবই কোনো না কোনো দানশীল ব্যক্তির নামধারী। তারা ব্যবসা করেছেন, সম্পদ গড়েছেন, তারপর সেই সম্পদ মানবতার সেবায় উৎসর্গ করেছেন।

আমাদের সংস্কৃতি কেন পিছিয়ে?

উপমহাদেশে ধনকুবের হওয়া মানেই—ছেলের বিয়েতে হীরার কোট, মেয়ের বিয়েতে সোনার পালঙ্ক, গাড়ির বহর, আর ফটোসেশনে নামজাদা সেলিব্রিটি।

কেউ কেউ জীবনের শেষে মসজিদ, মন্দির বা গীর্জা গড়েন সমাজসেবার তকমা জুটিয়ে নেওয়ার আশায়।
তারপর মৃত্যুর পরেই শুরু হয় সম্পদের জন্য উত্তরাধিকারীদের হানাহানি, মামলা-মোকদ্দমা, এমনকি মারামারি।

আলফ্রেড নোবেল ইউরোপের ধনকুবের ছিলেন। মৃত্যুর আগমুহূর্তে তিনি তার সম্পদের প্রায় পুরোটাই দিয়ে গিয়েছিলেন নোবেল পুরস্কার প্রবর্তনের জন্য।
তাঁর বদৌলতেই আজ পৃথিবীর সেরা বিজ্ঞানী, সাহিত্যিক, শান্তিপ্রিয় ব্যক্তিরা সারা বিশ্বের স্বীকৃতি পান।

কিন্তু তিনি যদি আমাদের উপমহাদেশে জন্মাতেন?

সম্ভবত তিনি ছেলের পৈত্রিক জমিতে তিনতলা বাড়ি করতেন, মেয়ের বিয়েতে দিল্লি থেকে ডিজে আনাতেন, এবং শেষ বয়সে দুইটা ঘর মসজিদে লাগিয়ে “দাতব্য” হিসেবে প্রশংসা কুড়াতেন।

এই লেখার উদ্দেশ্য তুলনা করা নয়, বরং আত্মবিশ্লেষণ।
একজন ধনকুবের কী করবেন, সেটি অবশ্যই তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। তবে আমাদের সংস্কৃতিতে যদি ‘দান’ শব্দটি লোক দেখানো অনুষ্ঠান না হয়ে, সত্যিকারের মানবিক দায়িত্ববোধ হয়ে ওঠে—তাহলেই হয়তো আমরাও বিশ্বমানবতার অগ্রযাত্রায় অংশ নিতে পারব।

একদিন যদি আমাদের কেউ—বিল গেটসের মতো একটি স্কুল গড়ে দেন, কোনো দরিদ্র শিক্ষার্থীর ঋণ মকুব করে দেন, কিংবা গবেষণার জন্য অর্থ তহবিল দেন, সেটিই হবে সত্যিকার নায়কোচিত আচরণ।

যেদিন এই ট্রেন্ড শুরু হবে, সেদিন হয়তো আমরা এক-একজন শাহরুখ বা সালমানের চেয়েও বড় নায়ক পাবো—যারা নাচিয়ে নয়, গড়ে দিয়ে ইতিহাসের পাতায় অমর হবেন।

সৌজন্যে-An Animesh

#তাজমহল #হার্ভার্ড_ইউনিভার্সিটি #শিক্ষার_মূল্য #উন্নত_চিন্তাধারা #উপমহাদেশের_বাস্তবতা

31/08/2026
31/08/2026

-paste
মানুষ মৃত্যুর পর স্বর্গ পাবে এই আশায় সারাজীবন অনেক চেষ্টা করে যায়। কেউ উপোস করে, কেউ দান-ধর্ম করে, কেউ তীর্থযাত্রা করে, আবার কেউ দেবতার কাছে মানত করে। স্বর্গ যেন কোনো নতুন হাউজিং সোসাইটির মতো, যেখানে একটা ছোট ফ্ল্যাট পাওয়ার জন্য পুণ্যের পয়েন্ট জমাতে হয়...

কিন্তু এক মুহূর্ত থেমে এটাও ভেবে দেখুন...
কে জানে... আমরা হয়তো আগেই স্বর্গেই বাস করছি?
সকালে ঘুম থেকে উঠেই চারপাশে একবার তাকান।
একটা বোতাম টিপলেই অন্ধকার আলো হয়ে যায়।
আরেকটা বোতাম টিপলেই পাখা ঘুরতে শুরু করে।
তৃতীয় বোতাম টিপলেই ঠান্ডা হাওয়া ঘর ভরে দেয়।
কল খুললেই জল বইতে থাকে।
গ্যাস জ্বালালেই কয়েক মিনিটের মধ্যে রান্না তৈরি।
পকেট থেকে মোবাইল বের করলেই গোটা পৃথিবী আপনার হাতের তালুতে।
হাজার কিলোমিটার দূরের প্রিয় মানুষগুলো কয়েক সেকেন্ডেই আপনার চোখের সামনে।
এত অদ্ভুত সব সুবিধা... অথচ আমরা এগুলোকে খুব সাধারণ মনে করি। এগুলো যেন আমাদের জন্মগত অধিকার।

একবার ভাবুন তো...
দুশো বছর আগের কোনো রাজা যদি আজ আপনার বাড়িতে আসত, তাহলে হয়তো সে নিজের রাজপ্রাসাদে ফিরতেই চাইত না।
সে অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করত —
"এটা কী?" — গরম জল!
"আর এটা?" — ঠান্ডা হাওয়া!
"এটা কী?" — গোটা পৃথিবীর খবর!
"এটা?" — দশ মিনিটে বাড়িতে খাবার!
তখন সে হেসে বলত —
"আমি সারাজীবন রাজ্য চালিয়েছি, যুদ্ধ জিতেছি, বিপুল সম্পদ পেয়েছি... কিন্তু এমন সুবিধা কখনো পাইনি।"

এটা সত্যি!
আজ একজন সাধারণ মানুষও অনেক দিক দিয়ে আগের যুগের সবচেয়ে শক্তিশালী রাজার চেয়েও বেশি "ধনী"।
তবুও...
আমরা সুখী নই।
কেন?
কারণ মানুষ যা পেয়েছে তার দাম ধীরে ধীরে কমে যায়।

এসি চলছে — আনন্দ নেই। বন্ধ হলেই কষ্ট লাগে।
মোবাইল আছে — আনন্দ নেই। নেটওয়ার্ক গেলেই মনে হয় পৃথিবী শেষ।
নিজের বাড়ি আছে — তৃপ্তি নেই। পাশের বাড়িটা বড়, তাই দুঃখ।
নিজের গাড়ি আছে — শান্তি নেই। অন্যের গাড়ি বড়, তাই চিন্তা।
অর্থাৎ মানুষ নিজের স্বর্গে দাঁড়িয়েও অন্যের স্বর্গের সাথে তুলনা করে দুঃখী হয়।

কিন্তু এই পৃথিবীতেই আরেকটা জগৎও আছে...
আজও লক্ষ মানুষ এক ঘটি জলের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়ায়।
লক্ষ লক্ষ পরিবারের পাকা বাড়িই নেই।
দিনে দু'বেলা খাবারের নিশ্চয়তাও নেই।
সন্তানদের স্বপ্ন স্কুলের চৌকাঠ পেরোনোর আগেই ভেঙে যায়।
গায়ে ঢাকার মতো ঠিকঠাক জামাকাপড়ও নেই।

আমরা যেগুলোকে "সাধারণ" ভাবি, সেগুলোই অন্যের কাছে জীবনের বড় স্বপ্ন।

আমাদের এসির রিমোট না পেলে রাগ হয়।
ওদের রোদ থেকে বাঁচার জন্য গাছের ছায়াটুকুও নেই।

আমরা ডায়েট চার্ট খুঁজি।
ওরা পরের বেলার খাবার কীভাবে জুটবে ভাবতে ভাবতে ঘুমায়।

তখন বোঝা যায়...
স্বর্গ আর নরক মৃত্যুর পরের কোনো জায়গা নয়...
ওগুলো এখানেই আছে... এই পৃথিবীতেই... এই শহরেই... এই রাস্তাতেই... কখনো কখনো একই দেওয়ালের দুই পাশে।

এক বাড়ির ছেলে নতুন মোবাইল একটু স্লো হলেই বিরক্ত হয়।
সামনের বাড়ির ছেলে অনলাইনে পড়ার জন্য মোবাইলই নেই বলে কাঁদে।

একজন মানুষ গরম জল পাঁচ মিনিট দেরি করে এলে অভিযোগ করে।
আরেকজন মানুষ আজ জল পেলেই যথেষ্ট ভেবে ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দেয়।

পার্থক্য শুধু পরিস্থিতিতে নয়...
পার্থক্য দৃষ্টিভঙ্গিতেও।

কেউ কেউ খারাপ পরিস্থিতেও হাসতে শিখেছে।
আর কেউ কেউ সব সুবিধা থাকা সত্ত্বেও অভিযোগ থেকে বের হতে পারে না।

মানুষের সবচেয়ে অদ্ভুত অভ্যাস হল —
যা তার নেই তার হিসাব সে রোজ করে...
কিন্তু যা আছে তার হিসাব সে কখনো করে না।

প্রতি রাতে ঘুমানোর আগে শুধু পাঁচটা জিনিস লিখে দেখুন —
আজ আমি নিঃশ্বাস নিচ্ছি।
আজ আমার কাছে খাওয়ার জল আছে।
আজ আমি খাবার পেয়েছি।
আজ আমার মাথার উপর ছাদ আছে।
আজ আমার মানুষগুলো আমার সাথে আছে।
হয়তো আপনার পুরো জীবনটাই বদলে যাবে।

হয়তো "স্বর্গ" কোনো জায়গা নয়... এটা একটা অনুভূতি!
ঠিক তেমনি "নরক"ও কোনো জায়গা নয়... সেই অনুভূতিটাকে ভুলে যাওয়াই নরক!

যা আছে তার জন্য কৃতজ্ঞ থাকা মানেই স্বর্গ।
যা পেয়েছি তা ভুলে শুধু অভিযোগে বাঁচা মানেই নরক।

মৃত্যুর পর কী হয় কেউ নিশ্চিত করে জানে না।
কিন্তু বেঁচে থাকতে থাকতেই আমরা এই সুন্দর পৃথিবী পেয়েছি, নিঃশ্বাস নেওয়ার বাতাস, খাওয়ার জল, খাবার, ভালোবাসার মানুষ, আর একটা বোতাম টিপলেই পাওয়া অসংখ্য সুবিধা।
এতকিছু থাকার পরও যদি আমরা সবসময় দুঃখেই থাকি...
তার চেয়ে বড় দুর্ভাগ্য আর কী আছে?

হয়তো ঈশ্বর হেসে বলবেন —
"আমি তো তোমাকে স্বর্গেই রেখেছি... কিন্তু তুমি সেখানেও অভিযোগের অফিস খুলে বসেছ!"

তাই আজ থেকে অভিযোগ গুনবেন না...
"কৃতজ্ঞতা" গুনুন।
কারণ "কৃতজ্ঞতা" আছে যে হৃদয়ে, সেখানেই আসল স্বর্গ।

19/04/2026

'ইরান থেকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরিয়ে নিতে রাশিয়া সহায়তা করতে পারে'

10/03/2026
10/03/2026

নিখোঁজ সংবাদ: শিশু নাদিয়া আক্তারকে খুঁজছে পরিবার! আপনার একটি শেয়ার খোঁজ পেতে পারে পরিবার!
________________________________
চাঁদপুর জেলার কচুয়া থানার সাচার এলাকার বেরকোটা থেকে নাদিয়া আক্তার নামের এক শিশু নিখোঁজ হয়েছে। সে বেরকোটা পশ্চিম পাড়ার (সোনা উল্লাহ্ প্রধানীয়া বাড়ীর) মোঃ বাচ্চু প্রধান সাহেবের নাতনি এবং মোঃ নবীর হোসেনের মেয়ে।

আজ দুপুর ২:০০ ঘটিকার সময় বেরকোটা মুন ইন্টারন্যাশনাল আইডিয়াল স্কুল থেকে নাদিয়া নিখোঁজ হয়। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও সে বাড়িতে ফিরে আসেনি। বর্তমানে তার পরিবার অত্যন্ত দুশ্চিন্তায় রয়েছে।

​যোগাযোগের ঠিকানা:
যদি কোনো সহৃদয় ব্যক্তি শিশুটির সন্ধান পেয়ে থাকেন বা কোনো তথ্য জেনে থাকেন, তবে মানবিক খাতিরে নিচে দেওয়া নম্বরগুলোতে দ্রুত যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে:
​মোবাইল: 01606255037, 01836108744
​ঠিকানা: গ্রাম: বেরকোটা, সাচার, কচুয়া, চাঁদপুর।

​বিশেষ অনুরোধ: পোস্টটি শেয়ার করে শিশুটিকে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে সাহায্য করুন।

Address

Mehedibag
Chittagong
4000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইন্সপেক্টর সুজন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to ইন্সপেক্টর সুজন:

Shortcuts

Share